এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ১ জুন, ২০২৫

সন্তানকে অভাব শেখান,,,,

 অর্থবিত্ত থাকা সত্ত্বেও আমি আমার একমাত্র ছেলেকে কখনো দশ টাকার বেশি টিফিন খরচ দিইনি। সে তার বন্ধুদের দেখিয়ে বলত, "বাবা দেখো, সুমন আজ ব্রাণ্ডেড ঘড়ি পরে এসেছে। বাবা দেখো, রাজুর স্কুল ব্যাগটা ইম্পোর্টেড। সুন্দর না বাবা!"


আমি চুপ করে থাকতাম। আমার ছেলের সাহস হয়নি কখনোই আমার কাছে ওই জিনিসগুলো চাওয়ার। একদিন ও খেলতে খেলতে পায়ে ব্যথা পেল। পরদিন স্কুলে যাওয়ার সময় আমাকে বলল, "বাবা, আমাকে তোমার সাথে অফিসের গাড়িতে করে স্কুলে নামিয়ে দেবে?"


আমি ওর অবস্থা দেখে বললাম, "ঠিক আছে।"


এরপর সপ্তাহখানেক ও আমার সাথেই গেল — আমার অফিসের গাড়িতে। আমি ওকে স্কুলের গেটে নামিয়ে দিতাম। এরপর থেকে ছেলের আর স্কুলে হেঁটে যেতে ইচ্ছে করে না! বাধ্য হয়ে আমি বলেই দিলাম, "অফিসিয়াল জিনিস ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য নয়। বাড়ি থেকে স্কুল দশ মিনিটের পথ। স্কুল টাইমের খানিকক্ষণ আগে বের হবে, তাহলে সময়মতো পৌঁছে যাবে।"


ছেলে আমার প্রচন্ড মন খারাপ করে বসে রইল। ছেলের মায়েরও মুখ গোমড়া। আমি এমন করি কেন? সবাই তো অফিসের গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করে। তাহলে আমার সমস্যা কোথায়?


সেদিন সন্ধ্যায় ছেলে বাড়িতে এসে বলল, "জানো, আমার বন্ধু শহরের সবচেয়ে সেরা স্কুলে ভর্তি হয়েছে। আমিও.....।"


এর বেশি কিছু বলার আগেই তাকে থামিয়ে দিয়ে আমি বললাম, "বাবা, প্রতিষ্ঠান সেরা হয় নাকি ছাত্র? ধরো আমি তোমাকে সেই স্কুলে দিলাম, কিন্তু তুমি ফেল করলে। তাহলে আমি কি বলব, তুমি ফেল নাকি তোমার স্কুল?"


ছেলে বলল, "বুঝেছি বাবা!"


আমি ওর মাথায় হাত রেখে বললাম, "এই পর্যন্ত তোমার ক্লাসের কোনো ছেলেই তোমাকে টপকে যেতে পারেনি। বরাবর তুমিই ফার্স্ট হয়েছ। সুতরাং, তুমি যেখানে পড়বে, সেই স্কুলই শহরের সেরা স্কুল।"


এরপর সে আর কিছু বলেনি।


এক বিকেলে ছেলে বলল, "বাবা, আমার এক্সট্রা টিউটর দরকার। ম্যাথ আর ইংলিশে একটু সমস্যা হচ্ছে।"


জবাবে আমি বললাম, "রাতে যখন আমি বাড়িতে ফিরব, আমার কাছেই তুমি ম্যাথ আর ইংলিশ শিখবে।"


ছেলে বলল, "বাবা, তুমি অনেক পরিশ্রম করে বাড়িতে আসো, তাইনা?"


আমি হেসে বললাম, "বাবা, আমার এত সামর্থ্য নেই তোমাকে এক্সট্রা টিউটর দেওয়ার। আমি বরং একটু কষ্ট করি, কি বলো?"


ছেলে আমাকে জড়িয়ে ধরে বলল, "ঠিক আছে বাবা।"


আমার স্ত্রী রাতে ঘুমাতে গিয়ে আমাকে জিজ্ঞাসা করল, "তুমি এরকম দশটা টিউটর রাখতে পারো, তাহলে ছেলেকে ওই কথাগুলো বললে কেন?


আমি বললাম, "আমি চাই আমার সন্তান বুঝুক আরাম করে কিছু পাওয়া যায় না। মানুষের জীবনে অভাব আসলে তা কিভাবে মোকাবিলা করতে হয় সেটা শিখুক।"


আমার স্ত্রী চুপ হয়ে গেল। 


মাঝে মাঝে আমার ছেলেকে নিয়ে আমি ফুটপাতে হাঁটি। পথশিশু থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সম্পর্কে ধারণা দিই। সে জানুক, পৃথিবী শুধু চিন্তায় সুন্দর, বাস্তবে খুব কঠিন! চাওয়া মাত্রই কিছু তাকে আমি কখনও দেই না। একদিন সে বলেছিল, "বাবা, তুমি এরকম কেন?" আমি জবাব দিয়েছিলাম, "সময় হলে বুঝবে!"


একবার সে বায়না ধরল ইলিশ মাছ খাবে। আমি বললাম, "টাকা তো কম! তোমার কাছে কিছু আছে? থাকলে ইলিশ আনা যাবে।"


ছেলে আমার হাতে পঞ্চাশটা দশ টাকার নোট বের করে দিল। আমি অবাক হয়ে বললাম, "তুমি খরচ করনি!" সে মুচকি হেসে বলল, "না বাবা! জমিয়েছি। আমার এক বন্ধু মাঝে মাঝে স্কুলে না খেয়ে আসে। আসলে ও খুব অসহায়। আমি ওকে ক্ষুধার্ত দেখলেই বুঝতে পারি। তখন ওকে সাথে নিয়ে খাই। অন্যান্য দিন সব টাকা খরচ করি না, জমিয়ে রাখি, কারণ বাড়ি থেকে তোমরা যা দাও তা প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি। কিছু মানুষ তো সামান্যটুকুও পায় না!"


আমি ছেলের দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিলাম। সেই জমানো টাকা দিয়ে সেদিন বাজার থেকে ইলিশ এনে ছেলেকে খাওয়ালাম। এভাবে ইচ্ছে করেই মাঝে মাঝে ছেলেকে অভাব অনুভব করাতাম, যাতে সে বোঝে জীবনটা কঠিন, অনেক কঠিন।


একবার মার্কেটে গিয়ে তাকে বললাম সাধ্যের মধ্যে কিনতে। সে একটা প্যান্ট নিল শুধু। আর কিছু লাগবে কিনা জিজ্ঞাসা করলে বলল, "তোমার জন্য পাঞ্জাবি আর মায়ের জন্য শাড়ি নাও।"


আমি হাসলাম।


সে বুঝতে শিখেছে টাকা কিভাবে খরচ করতে হয়। একদিন সন্ধ্যায় আমি চা খাচ্ছিলাম। ও বলল, "বাবা, সায়নটা আর মানুষ হলো না! অথচ আংকেল ওর জন্য নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন। যখন যা চেয়েছে, তাই পেয়েছে।" আমি ছেলেকে বললাম, "আমি তো তোমাকে কিছুই দিতে পারিনি!" ছেলে আমার কোলে মাথা রেখে বলল, "প্রতিটা চাহিদা পূরণ না করে তুমি শিখিয়েছ অভাবে যেন স্বভাব নষ্ট না হয়। তুমি জীবনে যে শিক্ষা দিয়েছ, তা সবকিছুর উর্ধ্বে। তুমি শিখিয়েছ, অভাবকে কিভাবে ভালবাসতে হয়। আমি এখন জানি, আমার বাবার আমি ছাড়া আর কিছু নেই। বাকিটা আমাকে গড়ে নিতে হবে। আমি সাধারণ জামাকাপড়েও হীনমন্যতায় ভুগি না। কারণ আমি জানি আমি কে! তোমার দেওয়া শিক্ষা আমি সারাজীবন ধরে রাখব বাবা। চাওয়া মাত্রই পেয়ে গেলে আমি কখনো জানতামই না পঞ্চাশ দিন না খেয়ে টিফিনের টাকা জমালে পাঁচশো টাকা হয়। তুমি ছিলে বলেই সবকিছু সম্ভব হয়েছে। আমি মানুষকে মানুষের চোখে দেখি। আমি বুঝি জীবন কত কঠিন!"


আমার স্ত্রী এখন নিজে থেকেই অনেক খুশি। সে বুঝতে পেরেছে আমার উদ্দেশ্যটা। ছেলে নিজের রোজগারে প্রাইভেট কার কিনে আমাকে হাসতে হাসতে বলল, "দুই বছর ধরে টাকা জমিয়ে কিনেছি এটা!" তখন বুঝেছিলাম ছেলে আমার সঞ্চয়ী হয়েছে। আমার শিক্ষা বৃথা যায়নি।


সেদিন যাবতীয় সম্পত্তি ওকে বুঝিয়ে দিয়ে বললাম, "সামলে রেখো।" ছেলে দলিলগুলো আমার হাতে ফিরিয়ে দিয়ে বলল, "তোমরা সাথে থেকো, আর কিছু লাগবে না।"


ছেলেকে বুকে জড়িয়ে ধরে ছেলের মাকে বললাম, "দেখেছ, আমি ভুল করিনি। আমি আমার সন্তানকে মানুষ করতে গিয়ে জীবনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাটাই দিয়েছি — যেমনটা আমার বাবা আমাকে দিয়েছিলেন। আমি ওকে অভাবে লজ্জিত হওয়া নয়, বরং দৃঢ় থাকতে শিখিয়েছি। ওকে আমি নিজের পায়ে দাঁড়াতে শিখিয়েছি, কারো উপর নির্ভর না করে চলতে শিখিয়েছি। ছেলে আমার মানুষের মতো মানুষ হয়েছে। এর চেয়ে বড় সম্পদ আর কি হতে পারে!"

(সত্য ঘটনা অবলম্বনে)

কেমন হতো ? যদি এমন একটা অ্যাপ/ওয়েসবাইট থাকতো…। যেখানে আপনি কোন ইনভেস্ট ছাড়াই আপনার নলেজ, অভিজ্ঞতা, সময় দিয়ে ইনকাম করতে পারতেন?

 🟢 কেমন হতো ?

যদি এমন একটা অ্যাপ/ওয়েসবাইট থাকতো…। যেখানে আপনি কোন ইনভেস্ট ছাড়াই আপনার নলেজ, অভিজ্ঞতা, সময় দিয়ে ইনকাম করতে পারতেন?


যেখানে আপনি

📌 আপনার কথা বিক্রি করতে পারবেন।

📌 আপনার পরামর্শ বিক্রি করতে পারবেন।

📌 আপনার বুদ্ধি বিক্রি করতে পারবেন।

📌 এমনকি আপনার "সময়" বিক্রি করেও ইনকাম করতে পারবেন!


হ্যাঁ, আপনি ঠিকই পড়ছেন।


💡 চিন্তা করুন, 

যদি থাকতো— একটা প্ল্যাটফর্ম, যেখানে

✅ ইনকাম করা খুবই সহজ।

✅ ইনকামের পদ্ধতিও ১০০% হালাল।

✅ আর কেউ যদি আপনার থেকে হেল্প নিতে চায় – আপনি সেটার জন্য টাকা পান !


এমন একটি প্ল্যাটফর্মের নাম :

🔵 সমাধান নিন (.com)


এখানে থাকবেন, দেশের সেরা এক্সপার্টরা—

🎨 ডিজাইনার

📢 ডিজিটাল মার্কেটার

🍳 রাঁধুনি

💄 মেকআপ আর্টিস্ট

🌾 কৃষি বিশেষজ্ঞ

🔌 ইলেকট্রিশিয়ান

📚 টিউটর

💼 ক্যারিয়ার কোচ – এবং আরও অনেকেই !


কল্পনা করুন...

🟩 01

আপনি ইউটিউব দেখে ডিজাইন শিখছেন, হঠাৎ এক জায়গায় আটকে গেলেন। এক্সপার্টের কাছে এসে লাইভ সলিউশন পেলেন!


🟩 02

ওয়ার্ডপ্রেসে থিম বসাচ্ছেন, হোমপেজ ঠিকমতো আসছে না – এক্সপার্টের কাছে গিয়ে মুহূর্তেই সমাধান!


🟩 03

ফেসবুক অ্যাড দিচ্ছেন, টাকা যাচ্ছে কিন্তু রেজাল্ট আসছে না? মার্কেটিং এক্সপার্ট এসে বলে দিলেন ঠিক কোথায় ভুল করছেন।


🟩 04

ভিডিওতে কালার গ্রেডিং করলে স্কিন টোন ন্যাচারাল থাকছে না? ভিডিও এক্সপার্টের সঙ্গে মিনিট দশেক কথা বলেই মিললো সমাধান!


🟩 05

নিমকি বারবার কাঁচা হয়ে যাচ্ছে ? রাঁধুনি এক্সপার্ট দিয়ে দিলেন পারফেক্ট রেসিপি !


🟩 06

বিয়ের ব্রাইডাল লুক করছেন – মেকআপ ঠিক বসছে না? এক্সপার্ট বললেন কোন প্রোডাক্টে কেমন সেটিং দিলে হবে!


🟩 07

টমেটো গাছের পাতা হলুদ ? কৃষি এক্সপার্ট বললেন, এটা কী রোগ আর কী ওষুধ লাগবে!


🟩 08

সুইচ বোর্ডে হালকা শক ? ইলেকট্রিশিয়ান বললেন, এটা বিপজ্জনক কিনা আর কিভাবে ঠিক করবেন !


🟩 09

বইয়ের একটা চ্যাপ্টার বুঝতে পারছেন না ? এক্সপার্ট টিউটর ব্যাখ্যা করলেন একদম সহজ ভাষায়।


🟩 10

জব ইন্টারভিউতে বারবার বাদ পড়ছেন ? ক্যারিয়ার কোচ হেল্প করলেন কীভাবে নিজেকে প্রেজেন্ট করবেন।


❤️ এই প্ল্যাটফর্মে আপনি দু’টো কাজ করতে পারবেন :

🔸 আপনার সমস্যার সমাধান নিন, মাত্র ২০-৫০ টাকায় ।  

🔸 অন্যদের সমস্যা সমাধান করে টাকা আয় করুন, আনলিমিটেড !


আমি চাচ্ছি, এবারের 36 শে জুলাই, মানে ৫ আগস্ট ২০২৫ইং আমাদের ওয়েবসাইটের ‘বেটা ভার্সন’ সীমিত পরিসরে প্রথমবারের মতো ট্রায়াল হিসাবে রিলিজ করবো, ইনশাআল্লাহ । আপনি চাইলে তখন একজন সমাধানদাতা (এক্সপার্ট) হিসাবে জয়েন পারেন। এর কিছুদিন পরই আমদের সার্ভিস চালু হবে, ইনশাআল্লাহ। তখন আপনার সমস্যা নিয়ে আসতে পারবেন – সমাধান নিতে !


আমরা ছোট মানুষ, সবকিছু একদিনে হয় না, হবেও না। হয়তো প্রথম দিকে সার্ভিস কোয়ালিটি কোন গ্লোবাল ব্র্যান্ডের মতো করতে পারবো না। তবে আমরা বিশ্বাস করি, প্রচেষ্টা থাকলে সময়ের সাথে সাথে সব একসময় ঠিক হয়ে যাবে, তাই আমরা অন্তত চেষ্টা’টা করে দেখতে চাই। আপনাদের দোয়া থাকলে, ভালোবাসা থাকলে, আমরা পারবোই ইনশাআল্লাহ।


📱 প্ল্যাটফর্মের নাম : সমাধান নিন (.com)।

আপনার সমস্যা – এখনই সমাধান । 

আপনার জ্ঞান – এখনই আয়।


🔥 ভালো লাগলে –

শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন, যেনো প্রতিটি মানুষ জানে —

"আমাদের কথার দাম আছে, সময়ের দাম আছে, বুদ্ধিরও দাম আছে !" 💬💰


। এনামুল হাসান মারুফ

। শিক্ষক, গ্রাফিক ডিজাইন মাস্টার কোর্স

আজকের দিনে ৩০ মে জোয়ান অন অর‍্ক কে পুড়িয়ে মারা হয়

 """"""""""""''"""""""""""""""'""""""""""""""""""""""""""""'''"""'


১৪১২(৬ জুলাই) থেকে ১৪৩১(৩০ মে)মাত্র উনিশ বছরের জীবন। দুনিয়া কাঁপানো যুদ্ধ করে বিদায় নিয়েছিলেন এই বীরকন্যা। তাঁর মৃত্যুকে নিয়ে রচিত হয়েছে গান,কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র। বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের স্মৃতির মণিকোঠায় তিনি বেঁচে থাকবেন তার দেশভক্তি ও অকুতোভয় যোদ্ধা হিসেবে।


ফ্রান্সের মিউজ নদীর তীরে দঁরেমি গ্রামে জোয়ানের জন্ম হয়েছিল এক দরিদ্র কৃষক পরিবারে। লেখাপড়া জানতেন না।জোয়ান যখন জন্মেছিলেন ফ্রানস তখন পরাধীন। ইংরেজদের দখলে। ১৩ বছর বয়েসে একদিন ভেড়ার  পাল চড়াতে গিয়ে হঠাৎ দৈববাণী শুনলেন, তুমিই  ফ্রানসকে মুক্তি দিতে পারবে। ফ্রানসের হয়ে যুদ্ধ কর। জোয়ান বিস্মিত হয়ে গেলেন! ফ্রানসের সম্রাট  তখন ৭ম চার্লস  লুকিয়ে বেড়াচ্ছেন। বহু চেষ্টায় এক প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তির সহায়তায় জোয়ান দেখা করলেন সম্রাট চার্লসের সঙ্গে।প্রথমে চার্লস নারী বলে তাঁকে গুরুত্ব দেননি। পরে ধর্ম যাজকদের পরামর্শে তাঁকে সেনাবাহিনীতে নিলেন। জোয়ান নাইটদের মত  পুরুষের ছদ্মবেশে যোদ্ধার সাজে সজ্জিত হলেন। এরপর জোয়ান সাদা পোশাক,  সাদা ঘোড়া, পঞ্চক্রুশধারী তরবারি হাতে ৪০০০হাজার সৈন্য নিয়ে ফ্রানসের অবরুদ্ধ নগরী অরলেয়াঁরে ১৪২৯, ২৮ এপ্রিল প্রবেশ করলেন। এবং প্রবল বীরত্ত্বে অরলেয়াঁরকে মুক্ত করলেন। এরপর  একের পর এক নগরীকে তিনি ইংরেজদের হাত থেকে দুর্দান্ত প্রতাপে সেনাবাহিনীর সাহায্যে মুক্ত করে ফ্রানসকে স্বাধীনতার পথে এগিয়ে দিলেন। সম্রাট চার্লসকে তার সিংহাসনে ফিরিয়ে আনলেন।


এই সময় প্যারিসের কাছে এক যুদ্ধে বার্গেডিয়ানরা তাঁকে আটক করে ইংরেজদের হাতে তুলে দিল। বার্গেনডিয়া হল ফ্রানসের  একটি জায়গার নাম। সেখানকার শাসনকর্তা ডিউক ছিলেন ইংরেজের বন্ধু।সে বিশ্বাসঘাতকতা করে জোয়ানকে ইংরেজের হাতে  তুলে দেয়। ইংরেজ এ সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। তাদের মূল শত্রু জোয়ানকে হাতে পেয়ে এবার বিচারের নামে প্রহসন শুরু করল। (ভারতবর্ষও এই বিচার প্রহসনের সাক্ষী আছে যখন সেই সময়ের অতি উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক ব্যক্তিগনের বিশ্বাসঘাতকতায় লালকেল্লায় আজাদ হিন্দ ফৌজের যুদ্ধোপরাধী হিসেবে লোক দেখানো বিচার শুরু হয়)। এই কাজে ইন্ধন দিলেন দেশের ধর্ম যাজকরা। তাঁরা বলল, জোয়ান যা করেছে তা ধর্ম বিরোধী। পুরুষ সেজে যুদ্ধ করে ধর্মের অবমাননা করেছে। ও ডাইনি। বিচারে রায় দেওয়া হল জোয়ানকে পুড়িয়ে মারার। এরপর জোয়ানকে একটি পিলারের সঙ্গে বাঁধা হল। এইসময় জোয়ান একটা ক্রুশ চাইলেন। একজন এসে জোয়ানের গলায় একটি ক্রুশ ঝুলিয়ে দিল। অবশেষে জোয়ানকে আগুনে পুড়িয়ে মারা হল। এরপরই জোয়ানের সেই পুড়ে যাওয়া দেহের ছাই ফ্রান্সের শ্যেন নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়।


কিন্তু তিনি শতশত নারীর প্রেরণাদায়ী হয়ে মানুষের


মনে এখনও অমর হয়ে আছেন।

গরুর খামার ঘর (সেড) তৈরিঃ  (বিস্তারিত বর্ণনা)

 গরুর খামার ঘর (সেড) তৈরিঃ 

(বিস্তারিত বর্ণনা)


গরুর খামারে মুনাফার ৪টি শর্তের একটি হল গরুর জন্য আরামদায়ক ঘরের ব্যবস্থা করা।


গরুর খামার ঘর তৈরি করতে জানা অর্থ কিভাবে আপনি নিজের নির্দিষ্ট টাকা ও জায়গা দিয়ে গরুর জন্য সর্বোচ্চ আরামদায়ক সেডের ব্যবস্থা করবেন। এর জন্য আপনাকে গরুর ঘরের বিভিন্ন অংশের মাপ এবং এই মাপগুলো কম-বেশি করলে কি সুবিধা-অসুবিধা তা জানতে হবে।


গরুর ঘর তৈরির নিয়ম

প্রথমে আমরা ঠিক করব খামারে দুই সারিতে নাকি এক সারিতে গরু পালব। দুই সারির নিয়ম বুঝলে এক সারি সহজেই বোঝা যাবে। দুই সারি করে হিসাব করলে ১০ টি গরুর জন্য প্রতি সারিতে ৫ টি করে গরু থাকে। আর মাঝে হাটার জন্য একটি রাস্তা। সুতরাং এক সারি গরু ও মাঝের রাস্তার জায়গার হিসাব করলেই ঘরের জায়গার হিসাব বেড়িয়ে যাবে ইংশাল্লাহ।


গরুর খামার তৈরির নকশা

প্রথমে ঘরের চওরা। একটি গরুর জন্য মাথা থেকে পেছন পর্যন্ত ৬ থেকে ৮ ফুট পর্যন্ত জায়গা দিতে হবে। আমরা ধরে নিলাম এটি ৭ ফুট(জায়গা বেশি থাকলে ৮ ফুট করা ভাল) । গরুর সামনে খাবার পাত্রের জন্য ২.৫ ফুট জায়গা আর পেছনে ড্রেনের জন্য 0.৫ ফুট জায়গা রাখা হল।

সুতরাং এক সারি গরুর জন্য টোটাল ৭ + ২.৫ + 0.৫ = ১০ ফুট জায়গা দরকার। এবং দুই সারির জন্যে চওরায় ২০ ফুট।


গরুর খামার তৈরির নকশা

মাঝের রাস্তা মিনিমাম ৪ থেকে ১০ ফুট রাখতে হয়। আমরা এখানে ৪ ফুট ধরলাম। সুতরাং ঘরের চওড়া টোটাল ২০ + ৪ = ২৪ ফুট। 


একটি গরুর জন্য তার সামনে ৪ ফুট( জায়গা বেশি থাকলে সাড়ে ৪ ফুট) জায়গা দিতে হবে, অর্থাৎ গরু থেকে গরুর দুরত্ব হবে ৪ ফুট। তাহলে ৫ টি গরুর জন্য ২০ ফুট। সাথে গেটের জন্য ৪ ফুট লাগবে। 

সুতরাং মোট লম্বা ২৪ ফুট, গেট মাঝ রাস্তা দিয়ে হলে ২০ ফুট।


আমাদের দেশের শেডের উচ্চতা নরমালি ১০/১৩ বা ১২ / ১৫ ফিট বা ১২ / ১৪ ইত্যাদি হয়ে থাকে। শেড যত উচু হবে তত ভালো। আধুনিক বড় খামারগুলোতে ৪০-৫০ ফিট শেড উচু করতে হয়।


হেড টু হেড / টেল টু টেল

হেড টু হেডঅর্থ হল গরু গুলো ভেতরে পরস্পরের মুখোমুখি দাঁড়াবে। এক্ষেত্রে গোবর বাইরে পড়বে।

টেল টু টেল অর্থ গরুগুলো পরস্পরের বিপরীতে দাঁড়াবে, গোবর ভেতরে পড়বে।


দুটো সিস্টেমেরই সুবিধা – অসুবিধা আছে। নিচে তুলে ধরা হল-


হেড টু হেডের সুবিধাঃ

১। খাবার দিতে সুবিধাঃ হেড টু হেডের ক্ষেত্রে গরুগুলো মুখোমুখি দাড়াবার কারনে দ্রুত ও ভালোভাবে খাবার দেওয়া যায়।

২। গ্যাসের সমস্যা কমঃ গোবর – প্রসাব বাইরের দিকে পড়ার কারনে ভেতরে গ্যাসের সমস্যা কম হয়।

৩। গরুর গুতোর বিপদ নেইঃ গরু গুলো খাবার পাত্রের অপর পাশে থাকার কারনে গুতো খাবার বিপদ কম।

৪। ছেড়ে গরু পালনের জন্য সুবিধাঃ গরুর পেছনে খালি মাঠ বা জায়গা থাকে। ফলে এক্ষেত্রে হেড টু হেড সিস্টেম একমাত্র উপায়।


টেল টু টেলের সুবিধাঃ

১। পর্যাপ্ত আলো বাতাসঃ গরুর মুখ বাহিরের দিকে থাকার কারনে পর্যাপ্ত আলো বাতাস পায়।

২। দ্রুত গোবর-মূত্র পরিস্কার করা যায়ঃ দুই সারির গোবর এক দিকে পরার কারনে সহজে ও দ্রুত পরিস্কার করা যায়।

৩। দুধ দোয়ানোতে সুবিধাঃ ভেতরের দিকে থাকার কারনে দুই সারি গাভি থেকে সহজে দুধ নেওয়া যায়।

৪। শ্বাসজনিত রোগ সহ অন্যান্য রোগ ছড়াবার সম্ভাবনা কমঃ প্রায় সব রোগ মুখের শ্বাস, লালা, নাকের মিউকাস ইত্যাদি দিয়ে ছড়ায়। গরুগুলো একে অপরের বিপরীত দিকে থাকার কারনে এটির সম্ভাবনা কম।

৫। একটি ড্রেনই যথেস্টঃ পাশে একটু বেশি জায়গা দিয়ে মাঝে একটি ড্রেন দিয়েই সমস্ত ময়লা দূর করা যায়।

৬। গোসলে সুবিধাঃ দ্রুত ও সহজে গোসল দেওয়া যায়।


এবার আলোচনা করা যাক কোনটি ভালো। দেখা যাচ্ছে টেল টু টেলের সুবিধা অনেক বেশি। কিন্তু হেড টু হেডের সুবিধাগুলো কি আসলেই সুবিধা কিনা, কিংবা সেগুলোর গুরুত্ব কতটুকু সেটা একটু দেখা যাক।


প্রথমত, খাবার দেবার সুবিধার কথা যদি ভাবা হয় তাহলে অন্য দিকে গোবর পরিস্কার, গোসল, দুধ দোয়ানো সহ অনেক কাজে অসুবিধা বেশি। কাজেই এ পয়েন্টটি টিকছে না। দ্বিতীয়ত, গোবরের গ্যাসের কথা ভাবতে গিয়ে গরু যদি আলো বাতাস কম পায় তাহলে সেটা তেমন কাজে দিবে না।

এদিকে গাভির ক্ষেত্রে গুতোর তেমন সম্ভাবনা নেই। ফ্যাটেনিং এর ক্ষেত্রে এটি অনেক গুরুত্বপূর্ন। তবে টেল টু টেলে যদি খাবার বাইরে থেকে দেওয়া যায় তাহলে এ সমস্যাটা থাকছে না।

তবে ছেড়ে গরু পালার ক্ষেত্রে হেড টু হেডের বিকল্প নেই। আমাদের দেশে এখন অনেক আধুনিক খামার গড়ে উঠছে যেগুলোতে গরু ছেড়ে পালার সিস্টেম থাকে। এসব ক্ষেত্রে হেড টু হেড সবচেয়ে ভালো। অন্যথায় টেল টু টেল সিস্টেম হেড টু হেডের চেয়ে অনেক গুনে ভালো।


আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে একটি ব্যাপার মাথায় রাখতে হবে যে শেড বানাবার সময় বেশিরভাগ খামারি নিজের সুবিধার কথা ভাবে, গরুর সুবিধা না (অবশ্য বর্তমানে অনেক শিক্ষিত খামারির সংখ্যা বাড়ছে) । হেড টু হেড হলে সে সহজেই খাবার পানি দিতে পারবে। অথচ খামারে লাভ করার সূত্রের ৪ নাম্বার শর্ত ছিল গরুকে আরামদায়ক পরিবেশ দেওয়া।


তবে অনেক খামারির পক্ষে আসলে হেড টু হেড ছাড়া উপায় থাকে না। আলাদা ঘর না থাকার কারনে চোরের উপদ্রপের ভয়ে বাহিরের দেয়াল উচা বা টিন দিয়ে ঘেরাও করে ফেলতে হয়। ফলে গরুকে হেড টূ হেড রাখতে হয়। আবার জায়গার স্বল্পতার কারনে অনেকের বাহিরে গিয়ে খাবার দেবার উপায় থাকে না।

কিন্তু একটু বুদ্ধি করে টিনের মাঝে জানালার মত করে ফাকা করে রাখলে বাহির থেকে খাবার দেওয়া যায়। আবার রাতে বন্ধ করে রাখা যায়। কিন্তু ওই যে বললাম, বেশিরভাগ খামারি এই কস্ট টুকু করতে চায় না।


ঘরের মেঝে কেমন হবে

উদ্দেশ্য হল যাতে সহজের পরিস্কার করা যায় এবং গরুর জন্য কোন সমস্যার না হয়।

ফ্লোর বা মেঝে দুই ভাবে বানানো যায় –

১। ইট দিয়ে সলিং

২। ঢালাই


১। ইট দিয়ে সলিংঃ বালু দিয়ে তার উপর ইটের সলিং পেতে সিমেন্ট বালুর মশলা তৈরি করে দুইটি ইটের সংযোগ স্থলে মশলা দিয়ে বন্ধ করে দিতে হবে।

এটি খুব ভালো ভাবে করতে হবে। অন্যথায় কদিন পর পর ইট উঠানোর ঝামেলা আছে। এমনকি এখন না হলেও ৪/৫ বছর পর ইট উঠে যায় এবং উচু নিচু হয়ে যায়। ফাকা জায়গা দিয়ে গরুর প্রসাব ও গাসলের পানি কাদা তৈরি হয়।


২। ঢালাইঃ সিমেন্ট মশলা দিয়ে একেবারে ঢালাই দেওয়া হয়। ভালভাবে না দিলে এখানেও কদিন পর পর ঢালাই উঠে যায়।

ঢালাইতে পিছলে গরু পরে যাবার সম্ভাবনা থাকে। তাই সাবধান থাকতে হবে।


খামারে ঘরের মেঝে ঢালু দিতে হবে যাতে গোবর ময়লা সহজেই ড্রেনে চলে যায়। মাঝের রাস্তার স্লোপ বা ঢালু মাঝখান থেকে দুই দিকে যাবে। এতে পানি দু দিকে চলে যাবে। মেঝের ঢাল সামনে থেকে ড্রেনের দিকে গাভীর ক্ষেত্রে প্রতি ফিট এর জন্য ০.২৫ ইঞ্চি এবং ষাড় গরুর জন্য ০.৫০ ইঞ্চি করে দিতে হবে। ফলে ৮ ইঞ্চির জন্য গাভির ক্ষেত্রে ২-৩ ইঞ্চি এবং ষাড় গরুর ক্ষেত্রে ৪-৫ ইঞ্চি ঢাল দিতে হবে।

গাভির চেয়ে ষাড় গরুতে ঢাল বেশি দেবার যুক্তি হিসেবে বলা হয় যে পেছনে বেশি ঢালু থাকলে পেছনে মাংস তারাতারি বাড়ে। কিন্তু এটি সাইন্টিফিক কিনা জানি না।


গরুর খাবার ও পানির হাউস ( চারি )

অনেকে ভাবেন খাবার হাউস যত উচু হবে তত ভালো, গরু সহজে খেতে পারবে। ব্যাপারটাকে তারা অনেকটা ডাইনিং টেবিলের মত বানিয়ে ফেলেছেন। মানুষের যেমন ডাইনিং টেবিলে খেতে সুবিধা হয়, গরুর ক্ষেত্রেও তেমনটা ভাবা হচ্ছে।


কেন ডাইনিং টেবিল নয় ?


গরু স্বাভাবিক ভাবে মাঠে নিচে থেকে ঘাস খায়। এটাই তার স্বভাব। তাই খাবার জায়গা উচা করে দেওয়া অর্থ তার স্বভাবের বিরুদ্ধে কাজ করা।

এছাড়া মুখ নিচের দিকে থাকার কারনে মুখ দিয়ে যথেস্ট লালা আসে যা খাবারের হজমে সহায়ক। অথচ খাবার স্থান উচা করে দিলে যথেস্ট পরিমান লালা আসে না।

আলাদা খাবার ও পানির পাত্র করতে ব্যাপক পরিমান খরচ হয়, অথচ এই খরচের কোন প্রয়োজন ছিল না।


তাই গরুর সামনে সামান্য উচু দেওয়াল করে লোহার পাইপ বা বাশ টেনে দিতে হবে (নিচের ছবির মত)। এর সামনে ফ্লোরেই খাবার রাখতে হবে। পানি আলাদা একটি পাত্র বা কাটা ড্রামে দেওয়া যেতে পারে কিংবা জায়গা থাকলে পানির জন্য আলাদা লাইন করতে হবে।


কিন্তু কিছু পুরোনো গরুর খামার ভিসিট করলে অনেকের মনে নিচের প্রশ্নগুলো আসবে ?


পুরোনো খামারে তো খাবার হাউজ উচু করে দেওয়া আছে। তাদের তো লস হচ্ছে না।

পাত্র উচু করে দেওয়ার জন্য গরু খাচ্ছে না বা অসুস্থ হয়েছে এমন তো কোন প্রমান নেই।

এভাবে ফ্লোরে খাবার দিলে খাবার নস্ট হয়।

হ্যা, পুরোনো পদ্ধতিতে খাবার দিলে আপনার লস হবে তা নয়, কারন গরু তো এর জন্য খাওয়া বন্ধ রাখবে না। তবে


এটি গরুর জন্য আরামদায়ক বা স্বাভাবিক হবে না।

হাউজ উচু করতে অতিরিক্ত খরচ হবে।

প্রযুক্তি সর্বদাই পরিবর্তন হয়। টিকে থাকে তারাই যারা প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারে।

আর ফ্লোরে খাবার নস্ট দূর করার জন্য উপরের ব্যাপারটিকে ঠিক রেখেই আমরা একটি ব্যবস্থা নিতে পারি। সেটা হল খাবারের হাউস বানানো হবে কিন্ত তার গভীরতা হবে একেবারে ফ্লোরের কাছাকাছি, উচ্চতা গরুর সামনে ১২ ইঞ্চি এবং বাইরের দিকে ১৮ ইঞ্চি।


প্রাচীর থেকে নালা দিকে খাবার ও পানির হাউজের জন্য ২.৫ ফিট। প্রতি গরুর জন্য সামনে ৪ ফিট। সুতরাং দুই গরু তে ৮ ফিট। তাহলে মাঝে একটা ২ ফিট পানির হাউজ বানিয়ে বাকি ৬ ফিট অর্থাৎ ৩ ফিট করে প্রতি গরুতে একটা খাবার হাউজ হবে। পানির হাউজ একত্রে বানাবার কারনে জায়গা কম লাগবে, ওদিকে খাবার হাউজে বেশি জায়গা দেওয়া যাবে। এছাড়া আলাদা ভাবে বানালে ৪ ফিটের মধ্যে খাবার হাউজে ২.৫ ফিট এবং পানির হাউজে ১.৫ ফিট করে নিতে হবে। আলাদা রাখার সুবিধা হল এক গরুর রোগ হলে পাশের গরু সহজে সেই রোগে আক্রান্ত হবে না। এছাড়া বোঝা যাবে কোন গরুটি কেমন পানি খাচ্ছে।


ঘরের চাল কেমন হবে ?

কয়েক ধরনের আছে। যেমন –


১। ঢালাইঃ খরচ বেশি, কিন্তু গরমে তাপ নিয়ন্ত্রনে থাকে। গরুর প্রধান সমস্যা হয় গরমে, শীতে না।

২। টিনের চালঃ খরচ কম, কিন্তু গরম বেশি কিন্তু শীতে ঘর অনেক ঠান্ডা থাকে। এক্ষেত্রে গরম কমাতে চালের নিচে ইন্সুলেসন দেওয়া যেতে পারে।

৩। প্লাস্টিকের চাল = মরিচা ধরে না, রোদের তাপে গরম হয় না, দিনের বেলা আলো পৌছায়।


শেডের চারপাসে ওয়াল কিভাবে দিতে হবে ?

ওয়াল ২.৫ ফুট সবচেয়ে ভালো। তবে চোরের ভয় থাকলে ৩ ফুট পর্যন্ত করে এর উপরে জানালাসহ টিন দেওয়া যেতে পারে। তবে সবচেয়ে ভালো হয় নেট দিয়ে ঘিরে দিলে। অনেকে ভাবেন শীতে ঠান্ডা লাগবে। কিন্তু আমাদের দেশে গরুর জন্য শীত নয়, প্রধান সমস্যা হয় গরমে।


গরুগুলোকে কি পাইপ /বাশ দিয়ে আলাদা করে দিতে হবে ?

সেডে গরুগুলোকে পাইপ বা বাশ দিয়ে আলাদা করে দিলে এক গরু অন্য গরুর দিকে পায়খানা করতে পারবে না, পেছনের দিকে করবে, ফলে পরিস্কারের সময় সুবিধা হবে। কিন্তু পায়খানা করবে সে গরু বসলে সেটির অপর বসবে, আর গাভি হলে টিট দিয়ে জীবাণু ঢুকে যাবে।


ড্রেনের মাপ কেমন হবে ? 

প্রসাব ও গোবর যাবার ড্রেনের জন্য – ড্রেন ০.৫ থেকে ১.৫ ফিট লম্বা এবং  ১ থেকে ২.৫ ফিট গভীর হতে হবে। তবে ড্রেনের ওপর খোলা থাকলে গভীরতা যাতে বেশি না হয় সে দিকে লক্ষ রাখতে হবে। গরুর পা পড়ে এক্সিডেন্ট হবার সম্ভাবন রয়েছে।


শেড কি পূর্ব পশ্চিম নাকি উত্তর দক্ষিন ?  

পূর্ব – পশ্চিমে শেড করার ব্যাপারটি পোল্ট্রিতে যত গুরুত্বপূর্ণ, গরুর খামারের ক্ষেত্রে তত নয়। কারন পোল্ট্রিতে এমোনিয়া গ্যাস জমলে অনেক রোগের সৃষ্টি হয়ে মুরগি মারা যায়, যেমন, ঠান্ডা বিশেষ করে মাইকোপ্লাসমা দ্বারা এবং পরবর্তীতে ঠান্ডার কারনে আরো অনেক রোগের আগমন। কিন্তু গরুর ক্ষেত্রে প্রোডাকসনে প্রবলেম নিয়ে আসে তা নয়। তবে চেস্টা করতে হবে পূর্ব পশ্চিমে করার। 


 শীতকালে আমাদের দেশে বায়ু সাধারণত উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে থাকে। অন্যদিকে গ্রীষ্মকালে ভূ-পৃষ্ঠের প্রচন্ড উত্তাপে ভারতের পশ্চিম-কেন্দ্রভাগ জুড়ে একটি নিম্নচাপ কেন্দ্রের সৃষ্টি হয়। ফলশ্রুতিতে বঙ্গোপসাগর থেকে একটি উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ুস্রোত বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে উল্লিখিত নিম্নচাপের দিকে প্রবাহিত হয়। কাজেই সেড পূর্ব পশ্চিম বরাবর লম্বা করলে সহজেই বাতাস চলাচল করতে পারবে। 


আরো একটি সুবিধা হল যে  সূর্যের আলো তখন গরুর পেছনে অর্থাৎ প্রসাব ও গোবরের ওপর পরে, ফলে ন্যাচারালি কিছুটা জীবানুমুক্ত হয়। কিন্তু সেড উত্তর দক্ষিনে লম্বা করলে সূর্যের আলো সরাসরি গরুর মুখে পড়বে। 


♻️ শেয়ার করে অন্যকে দেখার সুযোগ করে দিন এবং আপনার প্রোফাইলে শেয়ার করে রেখে দিন কাজের সময় খুঁজে পেতে সুবিধা হবে।

জোনাকির আলো তৈরির রহস্য,,,, এই আলো কীভাবে তৈরি হয়? – ব্যাখ্যা বিজ্ঞানের ভাষায়

 আপনি কি জানেন…?


মেক্সিকোর নানাকামিলপা বন রাত নামলেই জ্বলে ওঠে হাজার হাজার জোনাকির আলোয়!


প্রতিবছর জুন থেকে আগস্ট মাসে, মেক্সিকোর ত্লাক্সকালা রাজ্যের এই বনজুড়ে দেখা মেলে এক রহস্যময় প্রাকৃতিক দৃশ্য—যেখানে হাজারো জোনাকি (firefly) তাদের নিজস্ব আলোয় আলোকিত করে তোলে পুরো বন। এই জায়গাটির নাম Santuario de las Luciérnagas, বাংলায় বলা যায় জোনাকির অভয়ারণ্য।


এই আলো কীভাবে তৈরি হয়? – ব্যাখ্যা বিজ্ঞানের ভাষায়


জোনাকির আলো তৈরি হয় বায়োলুমিনেসেন্স (Bioluminescence) নামক এক প্রাকৃতিক রাসায়নিক প্রক্রিয়ায়। এটি এমন একধরনের আলো যা জীবন্ত প্রাণী নিজের শরীর থেকেই তৈরি করতে পারে।


এতে অংশগ্রহণ করে চারটি মূল উপাদান:


Luciferin – আলো তৈরি করে এমন রাসায়নিক পদার্থ।


Luciferase – একটি উৎসেচক, যা বিক্রিয়াটি ঘটায়।


Oxygen (O₂) – বাতাস থেকে সংগ্রহ করে।


ATP – কোষের শক্তি উৎপাদনকারী অণু।


রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া:


Luciferin + O₂ + ATP → (Luciferase এর মাধ্যমে) → আলো + অক্সিডাইজড লুসিফেরিন + তাপহীন শক্তি


এই আলোকে বলে "Cold Light" কারণ এতে তাপ উৎপন্ন হয় না। এর আলোর রঙ সাধারণত সবুজ বা হলদে-সবুজ।


কেন জোনাকি আলো দেয়?


প্রজননের উদ্দেশ্যে: পুরুষ জোনাকি আলো জ্বালিয়ে স্ত্রী জোনাকিকে আকৃষ্ট করে।


যোগাযোগের জন্য: একে অন্যের উপস্থিতি জানাতে।


আত্মরক্ষায়: কিছু জোনাকি তাদের আলো ব্যবহার করে শিকারিকে বিভ্রান্ত করে।


বনের নিয়ম ও পরিবেশগত দিক:


এই বনটি একটি সংরক্ষিত অঞ্চল (~২০০ হেক্টর)।


পর্যটকদের নির্দিষ্ট পথ ধরে হাঁটতে হয়।


ফ্ল্যাশলাইট, টর্চ, ক্যামেরার ফ্ল্যাশ নিষিদ্ধ—কারণ এগুলো জোনাকিদের ক্ষতি করে।


পর্যটকরা গাইডের সাথে নিঃশব্দে হাঁটেন, যেন পরিবেশ ও প্রাণীগুলো বিরক্


উৎস (Sources):


National Geographic


Visit Mexico Official Site


Scientific American


Wikipedia


জোনাকির আলো শুধু সৌন্দর্য নয়, বিজ্ঞান আর জীববিজ্ঞানের এক অপূর্ব সমন্বয়।


এই আলো প্রকৃতির ভাষায় লেখা এক প্রেমপত্র—যা বিজ্ঞানের আলোয় আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।


info : next gen science 


ছবি: সংগৃহীত 


#বিজ্ঞানপোস্ট #জোনাকি #বায়োলুমিনেসেন্স #FireflyScience #ScienceInNature #SantuarioDeLasLuciérnagas #nextgenscience

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ :০১-০৬-২০২৫ খ্রি:

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ :০১-০৬-২০২৫ খ্রি:


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে মানবতা বিরোধী মামলায় শেখ হাসিনাসহ দোষীদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল আজ, ডিসেম্বরের মধ্যে বিচারের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হবে - বললেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর।


জাপানে চারদিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা।


দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার - আজ থেকে কার্যকর।


জুলাই গণ অভ্যুত্থানের স্মৃতি রক্ষার্থে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের সংগ্রহশালার জন্য শহীদদের স্মারক সংগ্রহ শুরু।


রাজনৈতিক দল হিসেবে বাতিল হওয়া নিবন্ধন ও প্রতীক ফিরে পেতে জামায়াতে ইসলামীর করা আপিলের রায় আজ।


পবিত্র ঈদুল আযহার ট্রেন যাত্রা শুরু - যাত্রীদের ভোগান্তি নিরসনে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাংলাদেশ রেলওয়ের।


ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তির বিনিময়ে ইসরাইলি জিম্মিদের ছেড়ে দিতে সম্মত হামাস - যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনার দাবি।


আজ রাতে লাহোরে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে পাকিস্তানের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ :৩১-০৫-২০২৫ খ্রি:

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ :৩১-০৫-২০২৫ খ্রি:


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


টোকিওতে বাংলাদেশ-জাপান শীর্ষ বৈঠক - বাংলাদেশের সংস্কার কার্যক্রম ও শান্তিপূর্ণ উত্তরণ প্রচেষ্টার প্রতি পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করলো জাপান।


ঢাকা ও টোকিওর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতায় ৬ সমঝোতা স্মারক সই - এক বিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা চুক্তিপত্র বিনিময়।


অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করলো জাপানের সোকা বিশ্ববিদ্যালয়।


নানা কর্মসূচিতে পালিত হলো বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী।


প্রায় দেড় বছর আগে শুরু হওয়া যুদ্ধের পর গাজার বর্তমান পরিস্থিতিকে সবচেয়ে ভয়ংকর অভিহিত করলো জাতিসংঘ।


লাহোরে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশকে ৫৭ রানে পরাজিত করে ২-০তে সিরিজ জয় নিশ্চিত করলো পাকিস্তান।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ: ৩০-০৫-২০২৪ খ্রি:

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ: ৩০-০৫-২০২৪ খ্রি:


আজকের শিরোনাম:


টোকিওতে বাংলাদেশ-জাপান শীর্ষ বৈঠক - বাংলাদেশের সংস্কার কার্যক্রম ও শান্তিপূর্ণ উত্তরণ প্রচেষ্টার প্রতি পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করলো জাপান।


ঢাকা ও টোকিওর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতায় ৬ সমঝোতা স্মারক সই - এক বিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা চুক্তিপত্র বিনিময়।


অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করলো জাপানের সোকা বিশ্ববিদ্যালয়।


নানা কর্মসূচিতে পালিত হলো বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী।


ট্রাম্প প্রশাসনের দেয়া গাজার যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের বিস্তারিত পর্যালোচনা করছে হামাস।


বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-বিসিবি’র নতুন সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।


লাহোরে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে পাকিস্তানের মোকাবেলায় কিছুক্ষণ পর মাঠে নামছে বাংলাদেশ।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ :৩০-০৫-২০২৫ খ্রি:

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ :৩০-০৫-২০২৫ খ্রি:


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


সম্মিলিত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা ও সমৃদ্ধির জন্য নতুন সুযোগ তৈরিতে এশীয় দেশগুলোকে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার।


মহেশখালী-মাতারবাড়ি অঞ্চলকে বাংলাদেশের ভবিষ্যত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তিতে রূপান্তরের জন্য জাইকার সহায়তা জোরদারের আহ্বান জানালেন অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে এক লাখ দক্ষ কর্মী নেবে জাপান।


আজ দেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী। 


আপীল বিভাগের রায়ের কপি পেলে ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র হিসেবে ইশরাক হোসেনের শপথের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে - জানালেন সি ই সি।


গাজার উত্তরাঞ্চলের সর্বশেষ কার্যকর আল-আওদা হাসপাতালটি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসরাইল।


আজ লাহোরে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে স্বাগতিক পাকিস্তানের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ২৯-০৫-২০২৫ খ্রি:

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ২৯-০৫-২০২৫ খ্রি:


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


প্রধান উপদেষ্টা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে জাপানের সহযোগিতা কামনা করেছেন - ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত।


আজ সকালে ৩০তম নিক্কেই ফোরামে অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করছেন। 


দেশে জিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখা গেছে - আগামী ৭ই জুন উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল আযহা।


প্রথমবারের মতো চীনে বাণিজ্যিকভাবে আম রপ্তানি করলো বাংলাদেশ।


পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনের জন্য দলীয় কর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের।


দুর্নীতি মামলার অভিযোগ থেকে তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডাক্তার জুবাইদা রহমানকে খালাস দিয়েছে হাইকোর্ট 


হামাস শীর্ষ নেতা মোহাম্মদ সিনওয়ারকে হত্যা করার দাবি ইসরাইলের।


লাহোরে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে স্বাগতিক পাকিস্তানের ৩৭ রানে জয়লাভ।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...