এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ৮ জুন, ২০২৫

বই পড়ার ৫টি ভুলঃ

 বই পড়ার ৫টি ভুলঃ

আমরা বই পড়ার সময় এমন কিছু ভুল করি যে ভুলগুলির জন্য বই থেকে যেটা শিখতে পারি সেটা আমাদের বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে পারি না বা কাজে লাগে না। বই পড়া নিয়ে আমাদের কিছু তথাকথিত মিথ আছে, সেই মিথ গুলোর জন্য আমরা বই পড়ার ইফেক্টিভ উপায় গুলো যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে পারি না বা ভুলভাবে প্রয়োগ করি।

তো আজকে বই পড়ার ৫টি ভুল নিয়ে কথা বলবো।


🔹 একই সময়ে শুধুমাত্র ১টি বই পড়া-

আমরা মনে করি যে, আমরা যখন বই পড়ি, তখন একই সময়ে শুধুমাত্র ১টি বই পড়া বা পড়তে হবে।

ধরুন আমি এখন পথের পাঁচালী বইটা পড়ছি। এখন আমার উচিত শুধু পথের 'পাঁচালী' বইটা পড়া, অনেকে এটাই মনে করে। যা আমার কাছে ভুল মনে হয়।

আমার ক্ষেত্রে যেটা হয় আমি যখন সকালে ঘুম থেকে উঠি তখন আমার মন ফ্রেশ থাকে, তখন নন ফিকশন বই পড়ি। আবার আমি রাতে ঘুমানোর আগে বা বিকালে ফিকশন বই পড়ি। কারণ ফিকশনটা আমার জন্য সুখ বা ব্লিচ হিসাবে কাজ করে।

একই সময়ে একটা বই পড়তে হবে এমন কোন কথা নেই। একই সময়ে চার-পাঁচটা বইও পড়তে পারেন। ধরুন আপনার দুইটা বই পড়ার ইচ্ছা বা আরো বেশি, তো আপনার সুবিধা অনুযায়ী দুইটা বই থেকে কিছু কিছু অংশ পড়তে পারেন বা সকাল-বিকাল-রাত এভাবে সময় ভাগ করে নিতে পারেন।

আমার মন খারাপ হলে গল্পের বই পড়ি, কারণ গল্পের বই আমার মন ভাল করে। তো একই সময়ে শুধুমাত্র ১টি বই পড়া বা পড়তে হবে, এটা একটা ভুল ধারণা।


🔹 একটি ভাল বই শুধু একবার পড়া-

এক জীবনে ১০ হাজারের বেশি বই পড়া সম্ভব নয়। এজন্য আমরা একটা ভালো বই একের অধিক বার পড়তে চাই না।

তবে সবাই যেটা বলে এবং আমি যেটা মনে করি, ভালো বইগুলো অনেকবার পড়া উচিত। ভাল বইগুলো আমাদের শুদ্ধ আনন্দ দেয়। যেমন আমার প্রিয় বইয়ের মধ্যে একটা হলো সোনালী দুঃখ, মোট সাতবার পড়েছি বইটি, ইভেন এই মাসেও পড়বো। আমার লাইফে পড়া প্রথম বই ছিলো 'সোনালী দুঃখ'। এই বইটা আমাকে বইপোকা হতে সাহায্য করেছে। এজন্য এই বইটা বা সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রতি আমি ঋণী।

আমাদের মধ্যে একটা মিথ বা ভুল ধারণা কাজ করে যে, একটা বই অধিক বার পড়া উচিত নয়। ভালো বই অবশ্যই বারবার পড়া উচিত। যেগুলো আমাদের আনন্দ দেয় সেগুলোকে জীবনে বারবার আসতে দেওয়া উচিত। ভালো বইগুলো একেকবার পড়ার সময় আমাদের মনে একেকরকম জীবনবোধ এবং প্রভাব সৃষ্টি করে।


🔹 দ্রুত বই পড়া ক্ষতিকর-

আমরা অনেকে মনে করি যে, তাড়াতাড়ি বই পড়া খারাপ অভ্যাস। আমাদের ধীরেসুস্থে বই পড়া উচিত।

অবশ্যই ধীরেসুস্থে বই পড়া উচিত তবে, সেটা কেবল ফিকশন(গল্পের বই) এর ক্ষেত্রে। কারণ গল্পের বইতে এমন কিছু লাইন বা বাক্য থাকে যেগুলো দ্বিতীয়বার ভাবতে শেখায়। এমন লাইনগুলো নিয়ে ভাবা বা ধীরেসুস্থে পড়া উচিত।

কিন্তু নন ফিকশনের ক্ষেত্রে স্পিড রিডিং টা কাজে দেয়। ধরুন আপনি হাউ টু টক টু এ্যানিওয়ান বইটা পড়ছেন, এর প্রত্যেকটা লাইন যে গুরুত্বপূর্ণ হবে এমন না। যে লাইনগুলো ইম্পর্ট্যান্ট হবে সে লাইনগুলো পেন্সিল দিয়ে হাইলাইট করে নিবেন।

এ বিষয়ে আরো জানতে দি স্পীড রিডিং বইটা পড়তে পারেন।


🔹 নোট না নেওয়া-

আমরা অনেকে বই পড়ার পর নোট নেই না। আমার ক্ষেত্রে বই পড়ার সময় ইমপর্টেন্ট লাইনগুলো হাইলাইট করি। গুরুত্বের উপর ডিপেন্ড করে ডিফারেন্ট কালারের কালি দিয়ে মার্ক করে রাখি।

তাছাড়া আমার একটা বুক রিভিউ ডাইরি আছে। প্রতিটা বই পড়ে শেষ করার পর আমি নিজের মতো করে দশ লাইন সে বুক রিভিউ ডাইরতি লিখে রাখি। এতে বইয়ের সবকিছু আমার মনে থাকে।

আপনারা প্রতিটি বই পড়ে শেষ করার পর সে বইয়ের রিভিউ দিতে পারেন কোরা বাংলায় অথবা আমার মতো বুক রিভিউ ডাইরি বানিয়ে সেখানে লিখে রাখতে পারেন। যখন একটা বই রিভিউ লিখবেন তখন সে বইটা নিয়ে পুনরায় চিন্তা করতে পারবেন যার ফলে বইয়ের বিষয়বস্তু মনে থাকবে।

ফলে বইয়ের তথ্য গুলো আপনার লং টার্ম মেমোরিতে স্টে করবে এবং ভুলবেন না। তাছাড়া বইয়ের ইমপর্টেন্ট লাইনগুলো ডাইরিতে লিখে রাখতে ভবিষ্যতে অনেক কাজে দিবে।


🔹 কাজে পরিণত না করা-

বই পড়ার পর আমরা সবচেয়ে বড় যে ভুলটা করি সেটা হলো আমরা বই থেকে নেয়া শিক্ষা কাজে লাগাই না বা বাস্তব জীবনে অ্যাকশন নেই না। বই পড়া মানেই তো জ্ঞান অর্জন করা। বই থেকে নেয়া শিক্ষা কাজে লাগিয়ে জীবনযুদ্ধে এগিয়ে যাওয়া ।

যে বই পড়বেন, সে বই থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান, ট্রিকস বাস্তব জীবনে ব্যবহার করবেন। মনে রাখবেন, বই পড়লে সফলতা আসে না, সফলতা আসে কর্মে।

Knowledge Is Power But Knowledge Without Action Is Useless.


বই পড়া আর বই কেনা হোক বর্তমান প্রজন্মের প্রিয় শখ। বই হোক আমাদের আত্মার খাবার। বইয়ের আলাপ ছড়িয়ে পড়ুক আমাদের অন্তরে অন্তরে।

শুক্রবার, ৬ জুন, ২০২৫

নামাজে বসে যে আত্তাহিয়াতু দু'আ পড়ি তার পিছ‌নে এত সুন্দর এক‌টি গল্প তা জানা ছিল না, আমার বিশ্বাস সবার ভাল লাগ‌বে এবং নামাজ পড়ায় ম‌নো‌যোগ ও বাড়‌বে। ঈমানও তাজা হবে

 নামাজে বসে যে আত্তাহিয়াতু দু'আ পড়ি তার পিছ‌নে এত সুন্দর এক‌টি গল্প তা জানা ছিল না, আমার বিশ্বাস সবার ভাল লাগ‌বে এবং নামাজ পড়ায় ম‌নো‌যোগ ও বাড়‌বে। ঈমানও তাজা হবে।


আত্তাহিয়াতু আসলেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি দোয়া। এই দোয়াটার পিছনের গল্পটা জানার পর সত্যি আমার হৃদয়টা অনেক কোমল হয়ে গেছে!


আত্তাহিয়াতু আসলে, আল্লাহর সাথে আমাদের মহানবী (সঃ) কথোপকথন একটা অংশ। যা আমাদের মহানবী (সঃ) মিরাজ যাত্রার সময় হয়েছে মহান আল্লাহর সাথে! মহানবী (সঃ) যখন আল্লাহর সাথে কথোপকথন শুরু করে তখন আল্লাহকে আসসালামু আলাইকুম বলেননি!


তাহলে কি বলেছিল...?


কারন; আমরা মহান আল্লাহকে বলতে পারব না, আল্লাহ আপনার উপর শান্তি নাজিল হউক! কারন; আল্লাহ নিজেই একমাত্র পৃথিবীর সকল শান্তির এবং রহমতের উৎপত্তিস্থল!


মহানবী (সঃ) আল্লাহকে উদেশ্য করে বলেছিলেন:-


▪আত্তাহিইয়া-তু লিল্লা-হি ওয়াছ ছালাওয়া - তু ওয়াত্ ত্বাইয়িবা -তু


অর্থঃ- যাবতীয় সম্মান, যাবতীয় উপাসনা ও যাবতীয় পবিত্র বিষয় আল্লাহর জন্য।


উওরে মহান আল্লাহ বলেন:-


▪আসসালা-মু'আলায়কা আইয়ুহান্নাবিয়ু ওয়া রহমাতুল্লা-হি ওয়া-বারাকাতুহু।


অর্থঃ- হে নবী; আপনার উপরে শান্তি বর্ষিত হউক এবং আল্লাহর অনুগ্রহ ও সমৃদ্ধি সমূহ নাযিল হউক।


এতে মহানবী (সঃ) বলেন:-


▪আসসালা-মু-আলায়না ওয়া আলা ইবাদিল্লা-হিছছালেহীন।


অর্থ:- আল্লাহর সমৃদ্ধি শান্তি বর্ষিত হউক আমাদের উপরে ও আল্লাহর সৎকর্মশীল বান্দাগণের উপরে।


মহান আল্লাহ এবং মহানবী (সঃ) এই কথোপকথন শুনে ফেরেস্তারা বলেন:-


▪আশহাদু আল লা-ইলাহা ইলল্লালাহু ওয়া আশহাদুআন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রাসূলুহু।


অর্থ:- আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (সঃ) তার বান্দা ও রাসূল।

"সুবহানাল্লাহ"।


এখন আমি এবং আপনি আত্তাহিয়াতু গুরুত্ব এবং পিছনের ইতিহাস জানতে পারলাম, এবার একটু চিন্তা করুন তো, এই লেখাটি যদি আপনার মাধ্যমে অন্যান্য মানুষেরাও জানে তাহলে তারাও এই দোয়ার গুরুত্ব বুজতে পারবে! ইনশাআল্লাহ।

গুঁতো খেলে প্রমিত সুশীল চেহারাটা ধরে রাখা যায় না আর। তখন বোঝা যায়, আপনার ভেতরে কি আছে, চা নাকি কফি!

 ধরুন, আপনি একটা কফির কাপ হাতে হেঁটে যাচ্ছেন। হঠাৎ একটা উটকো লোক এসে ধাক্কা দিল আপনাকে। কাপ থেকে কফি ছলকে পড়ল রাস্তায়। বলুন তো, কফি কেন ছলকে পড়ল?


সহজ কথায় এর উত্তর হলো লোকটা ধাক্কা দিয়েছে বলেই কফি ছলকে পড়েছে। কিন্তু কেউ কেউ মুচকি হেসে বলবে, "কাপে কফি ছিল বলেই কফি ছলকে পড়েছে। চা থাকলে চা পড়ত, তেল থাকলে তেল!"


এটাকে আপনার জোকস্ মনে হতে পারে। হো হো করে হেসেও উঠতে পারেন। কিন্তু এটা একটা জীবনচিন্তা আসলে।


আপনি নিজেকে ওই কাপটা হিসেবে ভাবতে পারেন। আপনার আমার কাপভর্তি আমাদের চরিত্র, আমাদের আসল স্বভাব! আমরা বিভিন্ন আমলে, বিভিন্ন পরিস্থিতিতে, বিভিন্ন স্থানে, বিভিন্ন আড্ডায়, বিভিন্ন পরিবেশে ভিন্ন ভিন্ন চরিত্র নিয়ে ঘুরি। কোথাও আমরা অতি সুশীল, কোথাও বিপ্লবী, কোথাও বিনয়ী, কোথাও উগ্র।


কিন্তু যেদিন উটকো ধাক্কাটা লাগে, সেদিন আসল কফি (চরিত্র) ছলকে বেরিয়ে আসে। 

হঠাৎ দেয়ালে টক্কর খেলে ঠিক মুখ থেকে বেরিয়ে আসে, "ধুর ....!"


গুঁতো খেলে প্রমিত সুশীল চেহারাটা ধরে রাখা যায় না আর। তখন বোঝা যায়, আপনার ভেতরে কি আছে, চা নাকি কফি!

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৫-০৬-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৫-০৬-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


আরাফাতের ময়দানে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শেষে মুজদালিফায় আজ রাত্রি যাপন করবেন হাজীরা --- 'লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক' ধ্বনিতে মুখরিত আরাফাতের ময়দান।


ঈদ-উল-আযহার ১০ দিনের ছুটি শুরু --- প্রিয়জনদের সাথে ঈদ উদযাপন করতে রাজধানী ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ।


রাজধানীর দুই সিটি কর্পোরেশনের কোরবানির পশুর হাটগুলোতে জমে উঠেছে কেনাকাটা।


জাতীয় ঈদগাহে প্রধান ঈদ জামাত আয়োজনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন ।


১২টি দেশের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপের নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


এবং আজ রাতে উয়েফা ন্যাশনস লিগ ফুটবলের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ফ্রান্সের মোকাবেলা করবে স্পেন।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ :০৫-০৬-২০২৫ খ্রি: 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ :০৫-০৬-২০২৫ খ্রি: 

আজকের সংবাদ শিরোনাম: 


গুম কমিশনের দ্বিতীয় অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন পেশ --- জনসম্মুখে প্রতিবেদন প্রকাশের নির্দেশনা প্রদান করলেন প্রধান উপদেষ্টা।


চারদিনের সরকারি সফরে আগামী সোমবার যুক্তরাজ্য যাচ্ছেন অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


সৌদী আরবে হজের মূল পর্ব শুরু --- আজ হাজীরা সমবেত হচ্ছেন আরাফাতের ময়দানে।


মুজিবনগর সরকারের নেতাদের মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি বাতিলের খবর সঠিক নয় --- জানালেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা।


দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা ফিরে পাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।


ভারতের কর্ণাটকে একটি ক্রিকেট স্টেডিয়ামের বাইরে পদদলিত হয়ে কমপক্ষে ১১ জনের প্রাণহানি।


এবং ঢাকায় ফিফা আন্তর্জাতিক প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ভূটানকে ২-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৪-০৬-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৪-০৬-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


গুম কমিশনের দ্বিতীয় অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন পেশ --- জনসম্মুখে প্রতিবেদন প্রকাশের নির্দেশনা প্রদান করলেন প্রধান উপদেষ্টা।


চারদিনের সরকারি সফরে ৯ই জুন যুক্তরাজ্য যাচ্ছেন অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


মুজিবনগর সরকারের নেতাদের মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি বাতিলের খবর সঠিক নয় --- জানালেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা।


দলীয় দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ফিরে পাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।


হাজীদের মক্কা থেকে মিনায় যাত্রার মধ্য দিয়ে সৌদি আরবে পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু --- বাংলাদেশ থেকে হজ পালন করছেন ৮৭ হাজার একশোরও বেশী ধর্মপ্রাণ মুসলমান।


আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে ঈদুল আযহার ছুটি ---প্রিয়জনদের সাথে ঈদ উদযাপনে রাজধানী ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ।


পরবর্তী মেয়াদের জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে নির্বাচিত হলো নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ অস্থায়ী সদস্য।


এবং ঢাকায় ফিফা আন্তর্জাতিক প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ভূটানের বিপক্ষে ২-০ গোলে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ :০৪-০৬-২০২৫ খ্রি: 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ :০৪-০৬-২০২৫ খ্রি: 


আজকের সংবাদ শিরোনাম: 


রোহিঙ্গাদের জন্য টেকসই সংহতি ও বর্ধিত আর্থিক সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা।


রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত বিবেচনায় নিয়ে জাতীয় সনদ তৈরি করা হবে - বললেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি।


প্রস্তাবিত বাজেট সার্বিকভাবে জনবান্ধব ও ব্যবসাবান্ধব - বাজেট পরবর্তী বক্তৃতায় বললেন অর্থ উপদেষ্টা - অর্থনীতিকে স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ও জীবনযাত্রার মান সহজ করতে মিতব্যয়ী বাজেট দেওয়া হয়েছে - জানালেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা। 


সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারীরাই হবেন বীর মুক্তিযোদ্ধা - অধ্যাদেশ জারি।


পবিত্র ঈদ-উল-আযহায় ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন ভ্রমণ নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ -- বললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট হলেন বিরোধীদলীয় প্রার্থী লি জে মিউং।


 আম্মানে ফিফা নারী ত্রিদেশীয় আন্তর্জাতিক প্রীতি ফুটবল সিরিজের শেষ ম্যাচে  জর্ডানের সঙ্গে  বাংলাদেশের ড্র।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ:  ০৩-০৬-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ:  ০৩-০৬-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:…


রোহিঙ্গাদের জন্য টেকসই সংহতি ও বর্ধিত আর্থিক সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা।


রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে জাতীয় সনদ তৈরি করা হবে --- বললেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি।


প্রস্তাবিত বাজেট সার্বিকভাবে জনবান্ধব ও ব্যবসাবান্ধব --- বাজেট পরবর্তী বক্তৃতায় বললেন অর্থ উপদেষ্টা --- অর্থনীতিকে স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ও জীবনযাত্রার মান সহজ করতে মিতব্যয়ী বাজেট দেওয়া হয়েছে --- জানালেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা।


পবিত্র ঈদ-উল-আযহায় ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন ভ্রমণ নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ---- বললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


আগামী পহেলা জুলাই থেকে বিশেষ সুবিধা পাবেন সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীরা।


গাজার একটি ত্রাণ কেন্দ্রে অপেক্ষমানদের ওপর ইসরাইলি হামলায় আরও ২৭ ফিলিস্তিনি নিহত।


এবং আজ রাতে আম্মানে ফিফা নারী ত্রিদেশীয় আন্তর্জাতিক প্রীতি সিরিজের শেষ ম্যাচে  জর্ডানের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।

একটি শিক্ষণীয় গল্প – 

 একটি শিক্ষণীয় গল্প – 

মেয়েকে বিয়ে দেয়ার পর যখন সে আবার বাবার বাড়ি আসে তখন মা খুব আগ্রহ ভরে জানতে চায় যে ঐ বাড়িতে তার কেমন লেগেছে ?মেয়ে জবাবে বলে-“ আমার ওখানে ভালো লাগেনা। মানুষগুলো কেমন যেন। পরিবেশটাও আমার ভালো লাগছেনা”।মেয়ের ভেতর এক ধরনের হতাশা দেখতে পায় তার মা। দেখতে দেখতে বেশ কিছুদিন কেটে যায়। মেয়ের চলে যাবার সময় চলে আসে। চলে যাবার ঠিক আগের দিন মা তার মেয়েকে নিয়ে রান্না ঘরে প্রবেশ করেন। মা হাড়িতে পানি দেন এবং তা গরম করতে থাকেন। একসময় যখন তা ফুটতে থাকে তখন মা হাড়িতে গাজর, ডিম আর কফির বিন দেন। এভাবে বিশ মিনিট পর মা আগুন নিভিয়ে ফেলেন। একটি বাটিতে গাজর, ডিম এবং কফির বিন নামিয়ে রাখেন। এবার তিনি মেয়েকে উদ্দেশ্যকরে বলেন-“তুমি এখান থেকে কি বুঝতে পারলে আমাকে বল” ?মেয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে বলে-“আমি দেখলাম তুমি গাজর, ডিম আর কফির বিন সিদ্ধ করলে মাত্র”।মেয়ের কথা শুনে মা বললেন-“হ্যাঁ, তুমি ঠিকই দেখেছ। তবে তুমি কি আরও কিছু লক্ষ্য করনি?”মেয়ে বলে-“ না- মা ”মা বলে-“গাজর মোটামুটি শক্ত ধরনের, ডিম খুব হালকা আর কফির বিন খুবই শক্ত। কিন্তুযখন এগুলিকে গরম পানিতে রাখা হল তখন তিনটি জিনিসের তিন রকম অবস্থা হল। গাজর খুব নরম হয়ে গেল, আর ডিম শক্ত হয়ে গেল আর কফির বিন সুন্দর ঘ্রান আর মিষ্টি স্বাদে পানিতে মিশে গেল”। মা এবার দৃষ্টি অন্যদিকে নিয়ে যেন অনেক অতীতে চলে যেতে চাইলেন। তারপর আবার বাস্তবে ফিরে এসে মেয়ের দিকে ফিরে বললেন “আমি তোমাকে এখন যে কথাগুলি বলব, আমার মাও ঠিক এইভাবেই আমাকে এ কথাগুলি বলেছিল।আমি জানিনা কথাগুলি তোমার কতটুকু উপকারে আসবে, তবে আমার জীবনকে অনেক প্রভাবিত করেছিল”।

 

মা কিছুক্ষন বিরতি দিয়ে বলতে লাগলেন-


“তুমি যদি তোমার স্বামীর বাড়িতে নিজেকে কঠিনভাবে উপস্থাপন কর, তবে প্রতিকূল পরিবেশের সাথে তোমার সংঘর্ষ হবে- তোমাকে দুর্বল করে ঠিক গাজরেরমতই নরম করে ফেলবে- তোমার ব্যক্তিত্বকে ভেঙে ফেলবে। যদি তুমি নিজেকে নরম-ভঙ্গুর করে উপস্থাপন কর তবে প্রতিকূল পরিবেশ তোমাকে কব্জা করে ফেলবে, আঘাতের পর আঘাত এসে তোমার হৃদয়কে একসময় কঠিন করে ফেলবে ঠিক ডিমের মত। কিন্তু তুমি যদি তোমার ভালবাসা দিয়ে নিজেকে প্রতিকূল পরিবেশেরসাথে মিশিয়ে দিয়ে তার অবস্থাকে নিয়ন্ত্রণে নিতে পার তবে পরিবেশ সুন্দরহয়ে উঠবে ঠিক যেমন কফির বিন গরম পানির সাথে নিজেকে মিশিয়ে দিয়ে পানিকেসুস্বাদু আর চারপাশকে মিষ্টি ঘ্রানে ভরিয়ে দিয়েছে”।


পরের দিন যখন মেয়েটি তার স্বামীর বাড়িতে যাচ্ছিল তখন তার ভিতর এক আশ্চর্য শান্ত ভাব আর এক দৃঢ় প্রত্যয় প্রকাশ পাচ্ছিল। আমাদের চারপাশের পরিস্থিতি সবসময় অনুকুল থাকবেনা, তাই বলে নিজেকে পরিস্থিতির কাবু না করে র্ধৈয্য ,ভালবাসা, সহমর্মিতা নিয়ে পরিস্থিতিকে কাবু করতে হবে ।

এক দেশে অদ্ভুত এক নিয়ম ছিল। যারা বার্ধক্যে উপনীত হয়ে কাজ করতে অক্ষম হয়ে পড়ত, তাদের পাহাড়ে ফেলে আসতে হতো।

 এক দেশে অদ্ভুত এক নিয়ম ছিল। যারা বার্ধক্যে উপনীত হয়ে কাজ করতে অক্ষম হয়ে পড়ত, তাদের পাহাড়ে ফেলে আসতে হতো। ওই দেশের রাজা মনে করতেন, বয়স্কদের যত্ন নেওয়ার বোঝা কমালে সাধারণ মানুষের জীবন সহজ হয়ে যাবে।


সেই দেশে এক পিতা পুত্র খুব ভালোবাসত একে অপরকে। সময় গড়িয়ে গেল। পিতা বুড়ো হলেন, তিনি আর আগের মতো কাজ করতে পারেন না। দেশের নিয়ম অনুযায়ী, ছেলেকে বাধ্য হয়ে তাকে পাহাড়ে ফেলে আসতে হবে। কিন্তু বাবাকে ছেড়ে থাকতে পারার কথা ছেলে ভাবতেই পারছিল না। তবু, শাস্তির ভয়ে সে বাবাকে কাঁধে নিয়ে পাহাড়ের দিকে রওনা দিল।


পাহাড়ের চূড়ায় পৌঁছে তার মন কেঁদে উঠল। শেষ পর্যন্ত বাবাকে সেখানে রেখে আসতে পারল না। সে বাবাকে সঙ্গে নিয়ে ফিরে এলো এবং বাড়ির পিছনে লুকিয়ে রাখল। প্রতিদিন চুপিচুপি খাবার এনে তাকে খাওয়াতে লাগল।


একদিন রাজা তার প্রজাদের বুদ্ধি পরীক্ষা করতে চাইলেন। তিনি ঘোষণা করলেন: "যে ছাই দিয়ে দড়ি বুনে এনে দিতে পারবে, তাকে পুরস্কৃত করা হবে!"


ঘোষণা শুনে লোকজন হতভম্ব হয়ে গেল। ছাই দিয়ে কি কখনও দড়ি তৈরি করা সম্ভব? ছেলেটি এই ধাঁধার কথা শুনে বাবাকে বলল। বাবা বললেন, "একটা দড়ি নিয়ে বড় পাত্রে পেঁচিয়ে রাখো, তারপর সেটা জ্বালিয়ে দাও।"


ছেলে বাবার কথা মতো কাজ করল। দড়ি পুড়ে গেল, কিন্তু তার ছাই ঠিক আগের মতো দড়ির আকারেই থেকে গেল। সে সেটি রাজাকে দেখাল এবং পুরস্কার জিতে নিল।


এক মাস পর, রাজা দ্বিতীয় পরীক্ষার আয়োজন করলেন। তিনি একটি কাঠের ডাল দিলেন এবং বললেন, "এর আগা আর গোড়ার খুঁজে বের করো!"


ডালের দু’প্রান্ত দেখতে একই রকম ছিল, তাই কেউই এর উত্তর খুঁজে পেল না। ছেলে কাঠের ডালটি বাড়িতে এনে বাবাকে দেখাল। বাবা বললেন, "ডালটি পানিতে রাখো। যেটি বেশি ডুবে যাবে, সেটি গোড়া, আর যেটি ভেসে থাকবে, সেটি আগা।"


ছেলে বাবার উপদেশ মতো কাজ করল এবং রাজাকে দেখিয়ে আবারও পুরস্কার জিতল।


এরপর রাজা আরও কঠিন এক ধাঁধা দিলেন। তিনি বললেন, "একটি ঢোল তৈরি করো, যা কোনো আঘাত ছাড়াই শব্দ করবে!"


এবার সবার মাথা ঘুরে গেল। কেউই এমন ঢোল বানানোর উপায় খুঁজে পেল না। ছেলে আবার বাবার শরণাপন্ন হলো। বাবা বললেন, "একটি ঢোল তৈরি করে তার ভেতরে একটি মৌমাছির চাক রাখো।"


ছেলে বাবার নির্দেশ মতো ঢোল বানিয়ে রাজাকে দিল। রাজা ঢোলটি হাতে নিয়ে নাড়া দিতেই এর ভেতরের মৌমাছিরা উড়তে লাগল, ফলে ঢোলে আঘাত ছাড়াই শব্দ হতে লাগল!


রাজা বিস্মিত হয়ে ছেলেকে জিজ্ঞাসা করলেন, "তুমি কীভাবে এত কঠিন প্রশ্নের উত্তর পেলে?"


ছেলে বলল, "মহারাজ, আমার নিজের কোনো অভিজ্ঞতা নেই। আমার বৃদ্ধ বাবাই সব উত্তর দিয়েছেন।"


ছেলের কথা শুনে রাজা খুবই নরম হয়ে গেলেন। তিনি উপলব্ধি করলেন, জীবনের কঠিন সমস্যার সমাধান বের করতে অভিজ্ঞতা সবচেয়ে মূল্যবান।


রাজা সঙ্গে সঙ্গে ঘোষণা করলেন, "আজ থেকে আর কোনো বৃদ্ধকে পাহাড়ে ফেলে আসতে হবে না!" এরপর থেকে সকল বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা পরিবারের সঙ্গেই আনন্দে থাকতে লাগলেন।


শিক্ষা: অভিজ্ঞতা অমূল্য। বয়স্করা আমাদের জীবনের আশীর্বাদ। তাদের যত্ন নেওয়া আমাদের দায়িত্বই নয়, বরং এটা আমাদের সৌভাগ্য। 


collected

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...