এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ৯ জুন, ২০২৫

সে'ক্স ও সফলতা একসাথে চলে না!" ✋ কোন অসংযত পুরুষ কখনোই মহান হতে পারে না।

 🛑 "সে'ক্স ও সফলতা একসাথে চলে না!"

✋ কোন অসংযত পুরুষ কখনোই মহান হতে পারে না।


---


🔎 কিছু পুরুষ সফলতার স্বপ্ন দেখে,

💪 কিছু পুরুষ পরিশ্রম করে,

😔 আবার কিছু পুরুষ নিজেই নিজের সফলতা ধ্বংস করে ফেলে।


---


❗ আপনি জানেন কি?

পুরুষদের সবচেয়ে বড় বিভ্রান্তির নাম 👉 "সে'ক্স"।


👎 যে পুরুষ ভোগের পেছনে ছুটে, সে লক্ষ্যে পৌঁছায় না।

👍 যে পুরুষ নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, সে-ই সবার চেয়ে এগিয়ে থাকে।


---


🔥 কঠিন সত্যঃ


1️⃣ শক্তিশালী পুরুষ কামনার দাস নয়।


🗡️ আলেকজান্ডার: ৩০-এর মধ্যেই বিশ্বজয়।

🚀 এলন মাস্ক: সপ্তাহে ১০০ ঘণ্টা কাজ।

🥊 মোহাম্মদ আলী: লড়াইয়ের আগে যৌনতা বর্জন।


🙈 কিন্তু আজকের বহু পুরুষ কী করছে?

🔞 পর্ন + 💦 মাস্টারবেশন + 😢 মেয়েদের জন্য কান্না।


---


2️⃣ যৌনতা কেড়ে নেয় আপনার শক্তি ও মনোযোগ।


🧬 টেস্টোস্টেরন

🔥 উদ্যম

🧘 মনোযোগ


⛔ "রিলিজ" মানে নিজেকে দুর্বল করে ফেলা।


---


3️⃣ মেয়েদের পেছনে সময় = ভবিষ্যৎ ধ্বংস।


📱 ফেসবুকে মেয়েদের ছবি স্ক্রল

💬 চ্যাটিং

🔞 মাস্টারবেশন


🤔 ভাবুন—এই সময় যদি ব্যয় হতো: 📈 স্কিল শেখা

💼 ক্যারিয়ার

🏋️ শরীর গঠন


…তাহলে নারীরাই ছুটে আসত।


---


4️⃣ যৌন দুর্বলতায় ধ্বংস হয়েছে অনেক মহান পুরুষ।


💔 শিমশোন – ডেলিলার কারণে

👑 সলোমন – নারীদের কারণে

🏌️ টাইগার উডস – যৌন স্ক্যান্ডাল

🇺🇸 বিল ক্লিনটন – প্রেসিডেন্সি ঝুঁকিতে


⚠️ কামনার দাস = বিপর্যয়ের অপেক্ষা


---


5️⃣ নারীরা সম্মান করে আত্মনিয়ন্ত্রিত পুরুষকে।


🙄 যারা পিছনে ঘুরে বেড়ায়—তাদেরকে নয়।

🎯 সম্মান সেই পুরুষকে—

যার আছে লক্ষ্য, নিয়ন্ত্রণ, মিশন।


---


6️⃣ পর্ন, মাস্টারবেশন ও ক্যাজুয়াল সেক্স = পুরুষ ধ্বংস।


🧠 পর্ন = ব্রেইন ধ্বংস

💦 মাস্টারবেশন = উদ্যম শেষ

🍑 ক্যাজুয়াল সেক্স = শৃঙ্খলা শেষ


📉 ফলাফল: ❌ অনুপ্রেরণা নেই

❌ আয় নেই

❌ স্থিরতা নেই


---


7️⃣ নিজেকে না নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে, দুনিয়া জেতা সম্ভব না।


❓ পারবেন কি এক সপ্তাহ সেক্স/পর্ন ছাড়া?

❓ পারবেন কি কাজের সময় নারীর চিন্তা বাদ দিতে?


🤷 যদি না পারেন, তবে "শক্তিশালী" বলার সাহস করবেন না।


---


8️⃣ সফল পুরুষ সে'ক্সকে নিয়ন্ত্রণ করে, ব্যর্থ পুরুষ সে'ক্সের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।


🧘 আত্মসংযম = শক্তি

🐒 কামনার গোলাম = দুর্বলতা


👑 এই দুনিয়া শাসন করে তারা— যারা ভোগ নয়, নিয়ন্ত্রণ বেছে নেয়।


---


9️⃣ নারী আসবে যাবে, কিন্তু সফলতা চিরস্থায়ী।


💔 ১০০ নারী থাকলেও তারা সবই একদিন চলে যেতে পারে।

💰 কিন্তু অর্থ, ক্ষমতা, অবস্থান থাকলে—নারীরা নিজেরাই আসবে।


🏃 দুর্বল পুরুষ ছুটে বেড়ায়,

🧲 সফল পুরুষদের দিকে নারীরা ছুটে আসে।


---


🔟 প্রথমে নিয়মানুবর্তিতা, পরে আনন্দ।


❌ সে'ক্স খারাপ নয়,

😇 খারাপ তখনই, যখন এটা হয়ে যায় আসক্তি।


🎯 সফলতা আগে ➤ আনন্দ পরে।


---


🛑 শেষ কথা:

যদি আপনি হতে চান—

💸 ধনী

💪 শক্তিশালী

👑 সফল


👉 তাহলে প্রথম শিখুন নিজের কামনা জয় করতে।


---


✅ কারণ:

"যে পুরুষ নিজের কামনাকে জয় করে,

সে-ই নিজের ভবিষ্যৎ জয় করে।

আর যে কামনার দাস, সে একদিন সব হারায়।"


---


💬 যদি এই লেখাটি আপনার মূল্যবান মনে হয়,

📤 শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে—

হয়তো তারা নতুন জীবন শুরু করতে পারবে!


#SelfControl #Masculinity #SuccessMindset #Discipline #Focus #NoFap #MenEmpowerment #শেষ_গল্পের_ডায়েরি

 গল্প জ্বীনের সাথে সহবাস  পর্ব__০১ #লেখক__মোঃ__নিশাদ 

 গল্প জ্বীনের সাথে সহবাস

 পর্ব__০১

#লেখক__মোঃ__নিশাদ 


নিশাদ শোনো ঐ জ্বীনটা আমার শরীলে বাজেভাবে স্পর্শ করে। 


 সামিয়ার মুখে কথাটা শুনে অবাক হয়ে বললাম, আরে কি বলো। মাথা খারাপ হলো নাকি, কি বলছো এসব। তোমাকে জ্বীন স্পর্শ করে মানে কি। 


 -আরে হ্যাঁ সত্যি বলছি। আমি ঘুমালে আমাকে একটা জ্বীন এসে স্পর্শ করে। সুধু স্পর্শ না আরো অনেক কিছু করে আমি এসব মুখে বলতে পারবোনা। 


সামিয়ার কথায় এবার সিরিয়াস হয়ে ওর দিকে তাকিয়ে বললাম। তুমিকি এসব সত্যি বলছো। ভালো করে খেয়াল করে বলো। 


আমার কথায় সামিয়া বললো, নিশাদ তুমি আমার বয়ফ্রেন্ড, তোমার সাথে মজা করছিনা তোমার সাথে বিষয়টা শেয়ার করছি আমি এখনো কাউকে এই কথা বলিনি, কিভাবে বলবো, এসব কথা কি অন্য কাউকে বলা যায়, কেউ কি বিশ্বাস করবে। তুমি আমার বয়ফ্রেন্ড হয়েও আমার কথা বিশ্বাস করছোনা তাহলে অন্য কেউ কিভাবে করবে। 


সামিয়ার কথায় তখন আমি বললাম। 

-আসলে আমাকে ভুল বুঝনা। তুমি যা বলছো সেটা আমি কেনো কেউই শুরুতে বিশ্বাস করবেনা। 


আচ্ছা সামিয়া শোনো। তুমিযে বার বার বলছো একটা জ্বীন তোমাকে স্পর্শ করে। তুমি কিভাবে জানলা ওটা জ্বীন। ওটাতো মানুষ ও হতে পারে তাইনা। 


আমার কথায় সামিয়া বললেন, না না ওটা মানুষ হতে পারেনা৷ ও তো আমাকে অদৃশ্য ভাবে স্পর্শ করে। তোমাকে এসব বলে বুঝাতে পারবোনা। 


ওর কথায় তখন আমি বললাম। আচ্ছা শোনো। আজকে রাতে একটা কাজ করতে হবে। তুমি রাতের খাবার শেষে শুয়ে পড়বা, শুয়ে পরার আগে একটা কাজ করবা তোমার ফোনের ক্যামেরা অন করে টেবিলের উপরে রেখে বিছানার দিকে করে ঘুমাবা। সত্যি সত্যি ঘুমাবানা। ঘুমানোর ভান করবা। তুমি ঘুমানোর ভান করে শুয়ে থাকলে ঐ জিনিসটা তোমার রুমে আসবে আর তখনি ক্যামেরায় ধরা পড়বে ও আসলে জ্বীন নাকি কোন মানুষ। 


তুমি আমার কথামত কাজ করো৷ দেখো এতে কি বুঝতে না পারলে তোমার মা বাবাকে বিষয়টা জানাবে, অথবা আমি তোমাকে নিয়ে কোন হুজুর বা কবিরাজের বাড়িতে যাবো। 


কথাটা বলে ওর কপালে হাত বুলিয়ে দিয়ে বললাম ভয় পেওনা। এরকম অনেকের সাথে হয়। আমিতো আছি তাইনা। রাতে বেশি ভয় লাগলে লাইট জ্বালিয়ে ঘুমাবা কেমন। 


আমার কথায় সামিয়া বললেন ঠিক আছে। আমি আজকে আসি হ্যাঁ। কালকে আবার দেখা হবে। 


ওর কথায় আমি বললাম, আমি এগিয়ে দিয়ে আসি। 

তখন ও বললো, বাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দিতে পারবা৷ 


ওর কথায় আমি মুসকি হেঁসে বললাম, না তা পারবোনা। তোমার মা বাবা আমাকে দেখলে সমস্যা হবে। আর কিছুদিন যাক তখন তোমাকে নিয়ে তোমার বাড়িতে যাবো সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে। হবু শশুর বাড়ি এখন না হয় না গেলাম। 


আমার কথায় সামিয়া বললেন, হইছে হইছে বাবার সামনে যেতে ভয় পাও এখন বড় বড় কথা বলছো। আচ্ছা এখন আসি গরম লাগছে। 


 ঠিক আছে যাও। সাবধানে যেও। বাড়িতে গিয়ে ম্যাসেজ দিও কেমন। 


আমার কথায় হ্যাঁ উওর দিয়ে সামিয়া চলে গেলেন। 

এদিকে আমিও চলে গেলাম বাড়িতে৷ 


সামিয়া বাড়িতে যাবার পর সেদিন রাতের ঘটনা। 

আমার কথামতো সামিয়া রাতের খাবার শেষে ওর ফোনের ক্যামেরাটা অন করে ঘুমানোর ভান করে শুয়ে থাকে। 


এভাবে বেশ কিছুদিন কেটে যায়। 

সামিয়ার কথামতো রাত তখন বারোটা কি একটা হবে এরকম একটা সময় সামিয়া ফিল করে তাঁর বিছানায় এসে কেউ ধপাস করে বসলো। 


বিছানায় কেউ বসায়, সামিয়ার ভয় করতে শুরু করে। 

সামিয়ার বার বার ইচ্ছে করছিলো চোখ খুলে দেখি কে আসলো। 


কিন্তু পুরু বিষয়টা জানতে  সামিয়া চুপ করে শুয়ে থাকে। 

এর ঠিক কয়েক সেকেন্ড পর সামিয়া বুঝতে পারে ওর কমড়ে কেউ হাত রাখলো৷ হাতটা মনে হচ্ছে লোমে ভরা। 


নিজের কমড়ে হাত রাখতে সামিয়া এক চিৎ*কার দিয়ে বিছানায় বসে আর পুরু রুমে তাকায় কিন্তু কাউকে দেখতে পারেনা। ওদিকে সামিয়ার চিৎ*কারে ওর মা বাবা ভাই ভাবি সবাই দৌড়ে আসায় সামিয়া উঠে দরজা খুলে দেয়। 


দরজা খোলায় সবাই ঘরে এসে সামিয়াকে বলে৷ কি হইছে কি হইছে এভাবে চিৎ*কার দিলি কেনো। 


সবার কথায় সামিয়া কথাটা লুকিয়ে বললেন। 

ভয় পাইছি। স্বপ্নে ভয় পাইছি। 


সামিয়ার কথায় ওর বাবা বললেন, ওহহ তাই বল। আমরা তো ভয় পেয়ে গেছিলাম। 

তখন সামিয়ার মা সামিয়ার কাছে এসে দোয়া পড়ে ফু দিয়ে বললো। দোয়া কালাম পড়ে ঘুমা আশা করি কোন সমস্যা হবেনা৷ বেশি ভয় করছে কি আমিকি তোমার সাথে ঘুমাবো। 


মায়ের কথায় সামিয়া বললেন না মা তোমরা যাও। বেশি সমস্যা হলে তোমাকে ডাকবো। 

সামিয়ার কথায় ওরা চলে যাওয়ায় সামিয়া দরজা লাগিয়ে ওর ফোনের কাছে গিয়ে ফোনটা নিয়ে বিছানায় বসলেন। 


বিছানায় বসে এতক্ষন ক্যামেরায় ভিডিও হওয়া ভিডিওটা দেখলেন কিন্তু ওখানে সে কাউকে দেখতে পেলেন না। 

কাউকে দেখতে না পেরে সামিয়া শিওর হলেন ওর রুমে কোন মানুষ না কোন জ্বীন বা ভূত আসছে।


কিন্তু কোন জ্বীন কেনো ওর কাছে আসে। 

এটা ভেবে ভয়ে সেই রাতে আর ঘুমায়নি সামিয়া। 


পরেরদিন দুপুরবেলা সামিয়ার সাথে দেখা হওয়ায় ও বলে। 

কাল রাতে কল করছিলাম ধরোনি কেনো। যানো কত ভয় করছিলো৷ ভয়ে আমি ঘুমাইনি সারারাত। 


সামিয়ার কথায় ওকে বললাম। কেনো কালকে কি কেউ আসছিলো নাকি। তোমাকে যা করতে বলছিলাম করছো মোবাইলে ভিডিও করছো। 


আমার কথায় ও কিছু না বলে ফোনটা বের করে আমাকে দিয়ে বললেন৷ 

-দেখো ভিডিওটা দেখো। ভিডিওতে কাউকে দেখা যাচ্ছেনা। ওখানে কাউকে দেখা যাচ্ছেনা অথচ আমাকে কেউ স্পর্শ করছে। আমি বুঝতে পারছিলাম ঐ হাতটা লোমে ভরা। দেখো এটা সাভাবিক কিছু হতে পারেনা এখন কি করবো তুমি বলো। 


সামিয়ার কথায় বেশ চিন্তিত হয়ে আমার একটা বন্ধুকে কল দিয়ে ভালো কোন কবিরাজের ঠিকানা নিলাম। 

কবিরাজের ঠিকানা নিয়ে সামিয়াকে নিয়ে চলে গেলাম সেই কবিরাজের বাড়িতে৷ 


কবিরাজের কাছে গিয়ে ওনাকে সব ঘটনা খুলে বলায় ওনি বেশ কিছুক্ষন চুপ থেকে দেখাশোনা করলেন আর বললেন। 


 কিহহ বললেন, কবিরাজ কি বললেন সেটা জানতে পারবেন পরের পর্বে। 

যাঁরা এই গল্পর পরের পর্ব খুঁজে পাবেন না তাঁরা আমার এই পেজ ভূতের গল্প লেখক এটাতে ঢুকে পড়বেন। আমি রোজ দুপুর দুইটার সময় গল্প পোস্ট  করি। 


যাঁরা এখনো আমার এই পেজটা ফলো করেননি করে দিন তাহলে গল্প পোস্ট করলে সামনে যাবে। 


আরেকটা কথা আমার কিন্তু এটা একটা গল্প বাস্তব না, আমি বাস্তবের মত করে লিখছি। আমার  এটা গল্পর সাথে অনেকের বাস্তব ঘটনা মিলে যাবে। মানে অনেক মেয়ে আছে তাদের সাথে এমনটা৷ যাদের সাথে এমনটা হয় রাতে জ্বীন আসে স্পর্শ করে। তাঁরা ভয় পাবেন না৷ বিষয়টা পরিবারকে জানান। অনেক ভালো জ্বীন আছে যাঁরা পছন্দ করে ভালোবাসে বলে কাছে আসে স্পর্শ করে। তাই ভয় পাবেন না। 

এরকম ঘটনা কারো সাথে ঘটলে আমার সাথে কথা বলে দেখতে পারেন বা কমেন্টে জানাতে পারেন। 


গল্পটা সবাই শেয়ার করে দিন সবার আইডিতে।

কাউন : বাংলাদেশের বিলুপ্ত প্রায় দানা শষ্য। মো. আলী আশরাফ খান 

 কাউন : বাংলাদেশের বিলুপ্ত প্রায় দানা শষ্য।

মো. আলী আশরাফ খান 

----------------------------------

বিগত শতা‌ব্দি‌র ষাট ও সত্তুর এর দশকে অর্থাৎ আমার ছেলেবেলায় আমাদের জমিতে প্রচুর কাউন উৎপাদন হতো। সেসময় কাউনের চাউলের ভাত, পায়স, জাউ, মোয়া, বিভিন্ন ধরনের পিঠা-পুলি ইত্যাদি প্রস্তুত করা হতো। কালক্রমে কাউনের আবাদ বিলুপ্ত হওয়ায় এসব সুস্বাদু ও পুষ্টিকর খাবার থেকে আমরা বঞ্চিত হচ্ছি। মাঝে মাঝে বাজার থেকে অল্প পরিমাণে কাউনের চাউল কিনে এনে পায়স রান্না করে খেলেও সেই ছোট্ট বেলার স্বাদ এবং তৃপ্তি পাওয়া যায় না।


কাউন বা কাওন মিলেট জাতীয় ফসল।ইংরেজি নাম: Foxtail millet. বৈজ্ঞানিক নাম: Setaria italica, এটি পোয়াসি পরিবারের সেটারিয়া গণের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ। প্রায় ৫,০০০ বছর আগে সে যুগের মানুষ একে পূত ও পবিত্র উদ্ভিদ হিসেবে জানত। গাছের দৈর্ঘ্য ৯০-১২০ সে.মি.। পুষ্পবিন্যাস স্পাইক ধরনের। ফল কেরিওপসিস। বীজ মসৃণ।


কাউন বা কাউনের চাল আমাদের অনেকের নিকট পরিচিত হলেও বর্তমান প্রজন্মের বেশিরভাগ মানুষের নিকট এটা অপরিচিত। ছোট দানাবিশিষ্ট কাউনের চালে আছে প্রোটিন, ফাইবার, অ্যান্টি- অক্সিডেন্টসহ আরও অনেক পুষ্টি উপাদান। 


কাউনের চাল ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ একটি খাবার হওয়ায় আমাদের এনার্জির ঘাটতি অনেকটাই পূরণ করে। শরীরকে কর্মক্ষম ও সচল রাখতে প্রতিদিন নির্দিষ্ট মাত্রায় ভিটামিন এবং মিনারেলের প্রয়োজন। সকালের নাস্তায় যদি কাউনের চালের তৈরি খাবার খাওয়া যায় তবে এসব উপাদান পাওয়া যায় নিয়মিত।


শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে গেলে নানা রকম শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো হার্টের সমস্যা। এই কোলেস্টেরল কমাতে কাউনের চাল বেশ উপকারী। এই চালে রয়েছে এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা রক্তে মিশে থাকা এল ডি এল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।


রক্তচাপজনিত সমস্যা কমাতে কাউনের চাল দারুণ একটি সমাধান। শরীরে লবণের মাত্রা বেড়ে গেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। কাউনের চালে থাকা পটাশিয়াম শরীরে লবণের ভারসাম্য বজায় রেখে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।


কাউনের চালে প্রচুর পরিমাণে আঁশ থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে। এই সমস্যার সমাধানে সকালের নাস্তায় কাউনের চাল দিয়ে তৈরি পায়স, জাউ ইত্যাদি রাখলে উপকার পাওয়া যাবে।


ছবি : সংগৃহীত।

২০২৫ সালের সেরা ১০টি Non-Coding স্কিল !**

 :

# 🧠 **২০২৫ সালের সেরা ১০টি Non-Coding স্কিল !**


বর্তমান যুগে শুধু প্রোগ্রামিং জানলেই আইটি সেক্টরে কাজ করা যায় না। অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ রয়েছে, যেগুলোর জন্য কোডিং না জেনেও সফল হওয়া সম্ভব। নিচে ২০২৫ সালের সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন ১০টি **non-coding skill** হলো।


## 🎯 ১. ডিজিটাল মার্কেটিং


**অনলাইনে পণ্য বা সেবা বিক্রি এবং প্রচার করার দক্ষতা।**


যদি আপনি Facebook Page, YouTube চ্যানেল বা অনলাইন ব্যবসা চালাতে চান—তাহলে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ স্কিল।

Google Ads, Facebook Ads, SEO ইত্যাদির মাধ্যমে কীভাবে টার্গেট অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছানো যায় তা এখানেই শেখা হয়।


📚 শেখার মাধ্যম:

➡️ Google Digital Garage (ফ্রি), YouTube


## 🎨 ২. UI/UX ডিজাইন


**অ্যাপ বা ওয়েবসাইটকে ব্যবহার-বান্ধব ও আকর্ষণীয় করার কাজ।**


যদি কেউ আপনার বানানো অ্যাপ বা ওয়েবসাইট সহজেই বুঝে ব্যবহার করতে পারে, তাহলে বুঝবেন আপনি দক্ষ UI/UX ডিজাইনার।

এই স্কিলটির চাহিদা প্রতিদিনই বাড়ছে।


🎨 টুলস: Figma, Adobe XD


## ✍️ ৩. Prompt Engineering


**AI (যেমন ChatGPT) কে ঠিকভাবে নির্দেশনা দিয়ে কাজ করানো।**


AI এখন অনেক কাজ করে দেয়, কিন্তু কিভাবে বললে সে সঠিকভাবে কাজটি করবে—সেই দক্ষতাটিই হলো Prompt Engineering।


📌 যেমন:

* “একটি প্রফেশনাল ইমেইল লিখে দিন আমার ক্লায়েন্টের জন্য”—এমনভাবে AI ব্যবহার করা।


## 🖌️ ৪. গ্রাফিক ডিজাইন


**লোগো, পোস্টার, সোশ্যাল মিডিয়া ডিজাইন তৈরি করার স্কিল।**


এই স্কিলটি সবধরনের প্রতিষ্ঠানেই কাজে লাগে। ফ্রিল্যান্সিংয়ে বা নিজের ব্র্যান্ড তৈরিতে খুব উপকারী।


🎨 টুলস: Canva (শুরুর জন্য), Adobe Photoshop, Illustrator


## 🎥 ৫. ভিডিও এডিটিং ও কনটেন্ট তৈরি


**ভিডিও কনটেন্ট বানানো ও তা সম্পাদনার কাজ।**


TikTok, YouTube, Facebook-এর যুগে ভিডিও এডিটিংয়ের চাহিদা খুব বেশি।

CapCut বা VN ব্যবহার করেও মোবাইলেই শুরু করা যায়।


🎯 কাজের সুযোগ:

* ইউটিউব চ্যানেল চালানো

* ভিডিও তৈরি করে ক্লায়েন্টদের দেওয়া

* ফ্রিল্যান্সিং


## 📋 ৬. প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট


**দলবদ্ধভাবে কাজ সম্পাদন ও পর্যবেক্ষণের স্কিল।**


এখানে কোডিং করতে হয় না। তবে কে কখন কি কাজ করবে, কিভাবে কাজ এগোবে—সেই ব্যবস্থাপনাটিই আপনি করবেন।


🧠 প্রয়োজনীয় দক্ষতা:

* নেতৃত্ব দেওয়া

* যোগাযোগে দক্ষতা

* সময় ব্যবস্থাপনা


## ☁️ ৭. Cloud Engineering (কোড ছাড়া)


**Google Cloud, AWS ইত্যাদিতে ক্লিক করে সার্ভার, ডাটাবেইস ও হোস্টিং কনফিগার করা।**


কোড না জানলেও আপনি ক্লাউড প্ল্যাটফর্মে অনেক কিছুই করতে পারবেন।


💡 শেখার উপায়:

YouTube-এ “AWS without coding” লিখলেই অসংখ্য গাইড পাবেন।


## 📊 ৮. ডেটা এন্ট্রি ও বেসিক অ্যানালাইসিস


**Google Sheets বা Excel-এ ডেটা সাজানো ও রিপোর্ট তৈরি করা।**


সহজ হলেও এই কাজের চাহিদা প্রচুর। অনেক কোম্পানি এধরনের বেসিক অ্যানালাইসিসের জন্য ফ্রিল্যান্সার নিয়োগ করে।


## 🔒 ৯. সাইবার সিকিউরিটি (প্রাথমিক পর্যায়)


**অনলাইনে নিরাপদ থাকা ও বেসিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা শেখা।**


ইথিক্যাল হ্যাকিং বা সিকিউরিটি অডিটিং শেখার প্রথম ধাপ এটি। কোড ছাড়াও অনেক কিছু শেখা যায়।


📚 কোর্স:

Google Cybersecurity Course (Coursera)


## 🛠️ 🔟 No-Code Development


**কোড না লিখেই ওয়েবসাইট বা অ্যাপ তৈরি করার স্কিল।**


আপনি Drag-and-Drop করে Web App, Portfolio, বা Custom Tool তৈরি করতে পারেন।

এখন এই ট্রেন্ড অনেক জনপ্রিয়।


🛠️ টুলস: Webflow, Glide, Bubble

রবিবার, ৮ জুন, ২০২৫

প্রেম করছো নিজের ইচ্ছায়.!

 প্রেম করছো নিজের ইচ্ছায়.!

হোটেলে se'x করছো নিজের ইচ্ছায়।প্রেমিকের সাথে যখন,তখন ফোনে সে'ক্স করছো।সেটাও নিজের ইচ্ছায়।ডেটে গেলে শরীরের,জায়গায় জায়গায় হাত দিতে দিচ্ছো নিজের ইচ্ছায় ।কাওকে জিজ্ঞেস কর নাই,,,,,কাজটা কি ঠিক না বেঠিক..? দিন শেষে প্রেমিক তোমাকে ছেঁকা দিয়ে চলে গেল,,,,,!!!এখন তোমার মাথায় বুদ্ধির উদয় হয়েছে,, এখন বলছো,,,ই খারাপ...!

"""""তুমি যে খারাপ ছেলেটাকে বেছে নিয়েছিলে,তা তো বলো না! তোমাদের তো এসব লুচ্চা ছেলেরাই পছন্প'তু কথা বলে মেয়ে পটাতে পারে,,,,,,কখনো কি বুঝার বা জানার চেস্টা করছো,,,,একজন ছেলের পার্সোনালিটি বলতে কি বুঝাই?? যে ছেলে তোমার পিছে পিছে ঘুরে, তোমাকে ইম্প্রেস করছে তার কি ভরসা, যে সে অন্য মেয়ের পিছে ঘুরবে না? কিন্তু না এসবের পর ও ,,তুমি যে নিজেই তার হাতে তোমার মূল্যবান সম্পদ তুলে দিয়ে, তার কাছে তোমাকে সস্তা করে দিয়েছো,, তা আর স্বীকার করবে না। ওই ছেলে নিশ্চিত বাহিরে বলে বেরাবে "ওই মেয়েটা ভালো না, আমিও করছি,,! এই কথা তো আর মিথ্যা না,,,,!!!

তাকে এই কথা বলার সুযোগ দিলো কে? তুমিই তো নাকি???এরপর পুরুষ জাতিকে গালি দিয়ে,,, বাবা-মা এখন যার সাথে বিয়ে দিবে,,,তাকেই বেচে নিয়ে চুপ থাকবে,,,!!! তোমার এই ব্যবহৃত শরীরকে, সতীত্বের মিথ্যা মোড়কে পেচিয়ে,,,, তাকে উপহার দিবে,,,,!!!!

হ্যা বাবা-মা যা করে সন্তানের ভালোর

জন্যেই করে...!


যে ছেলেটিকে বিয়ে করে জীবন কাটিয়ে দিবে সেও একটি পুরুষ।মেয়েদের কাছে আশা করবো সুধু সুন্দর প্লেবয় টাইপ ছেলেদের বয়ফ্রেন্ড না বাছাই করে,

বাবা-মার পছন্দে বিয়ে করবো এতে শান্তি হবে ..!


"""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""

এই লেখাটা হয়তো অনেকের কাছেই

ভালো লাগবে না,,,,,,,,,,,!!!!

→ দয়া করে ক্ষমা করবেন.... ।।

পিসার_হেলানো_টাওয়ার :এক ভুলে যাওয়া ভুলের জয়গাথা!!!!!

 #পিসার_হেলানো_টাওয়ার

:এক ভুলে যাওয়া ভুলের জয়গাথা!!!!!

ইতালির পিসা শহরে একটি টাওয়ার, যেটা বিশ্বব্যাপী মানুষের কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দু — পিসার হেলানো টাওয়ার। তবে জানলে অবাক হবেন, এটি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় "ত্রুটিপূর্ণ" স্থাপনার একটি! একদিকে হেলে পড়া এই স্থাপত্যটি আসলে মধ্যযুগীয় ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এক বিস্ময়কর গল্প বলে।


🛠️ শুরুতেই বিপত্তি!


১১৭৩ সালে টাওয়ারটির নির্মাণ শুরু হয় ঘণ্টা টাওয়ার হিসেবে। তবে সমস্যা শুরু হয় মাত্র পাঁচ বছর পর, যখন নির্মাতারা তৃতীয় তলা শেষ করতেই লক্ষ্য করলেন – টাওয়ারটি একদিকে হেলে যাচ্ছে।

কেন? কারণ ভিত্তি! মাত্র ৩ মিটার গভীর এই ভিত্তিটি ছিল নরম কাদামাটি ও বালির উপর – যা বিশাল পাথুরে কাঠামোর ওজন ধারণের জন্য মোটেও উপযুক্ত ছিল না।


⚖️ বক্ররেখা: সমস্যা না স্টাইল?


টাওয়ারটা ভেঙে ফেলার কথা ভাবেননি নির্মাতারা। বরং, উপরের তলাগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয় যেন হেলানো অংশের ভারসাম্য রক্ষা করা যায়। এই চেষ্টা থেকেই জন্ম নেয় টাওয়ারটির আজকের সেই স্বতন্ত্র বাঁক — যা এখন তার পরিচয়ের অংশ।


🕰️ সময়ের সাথে হেলানো


১৯৯০ সালের মধ্যে টাওয়ারটি প্রায় ৫.৫ ডিগ্রি হেলে পড়ে, যা সত্যিই উদ্বেগজনক ছিল। ধসের ঝুঁকি বাড়ছিল দ্রুত।

তবে ১৯৯৩ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত চলা পুনরুদ্ধার প্রকল্পের মাধ্যমে হেলানো কমিয়ে আনা হয় ৩.৯৭ ডিগ্রিতে — এবং আজ পর্যন্ত, টাওয়ারটি নিরাপদভাবে দাঁড়িয়ে আছে।


🌍 আজকের হেলানো তারকা


৬০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকা এই টাওয়ার এখন শুধুই একটি স্থাপত্য নয়; এটি ইতিহাস, ভুল, সৃজনশীলতা আর মানবিক অধ্যবসায়ের এক জীবন্ত স্মারক। প্রতি বছর লাখো পর্যটক এখানে আসেন — কেউ ছবিতে টাওয়ার "ধরে রাখেন", কেউ তার বাঁকা সৌন্দর্যে মুগ্ধ হন।


পিসার হেলানো টাওয়ার আমাদের শেখায়, সব ভুলই খারাপ নয়। কখনো কখনো একটা "ত্রুটি"ই হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় পরিচয়। ইতিহাস তার সাক্ষী।

#ইতিহাসের_গল্প #itihaser_golpo #itihasergolpo

বই পড়ার ৫টি ভুলঃ

 বই পড়ার ৫টি ভুলঃ

আমরা বই পড়ার সময় এমন কিছু ভুল করি যে ভুলগুলির জন্য বই থেকে যেটা শিখতে পারি সেটা আমাদের বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে পারি না বা কাজে লাগে না। বই পড়া নিয়ে আমাদের কিছু তথাকথিত মিথ আছে, সেই মিথ গুলোর জন্য আমরা বই পড়ার ইফেক্টিভ উপায় গুলো যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে পারি না বা ভুলভাবে প্রয়োগ করি।

তো আজকে বই পড়ার ৫টি ভুল নিয়ে কথা বলবো।


🔹 একই সময়ে শুধুমাত্র ১টি বই পড়া-

আমরা মনে করি যে, আমরা যখন বই পড়ি, তখন একই সময়ে শুধুমাত্র ১টি বই পড়া বা পড়তে হবে।

ধরুন আমি এখন পথের পাঁচালী বইটা পড়ছি। এখন আমার উচিত শুধু পথের 'পাঁচালী' বইটা পড়া, অনেকে এটাই মনে করে। যা আমার কাছে ভুল মনে হয়।

আমার ক্ষেত্রে যেটা হয় আমি যখন সকালে ঘুম থেকে উঠি তখন আমার মন ফ্রেশ থাকে, তখন নন ফিকশন বই পড়ি। আবার আমি রাতে ঘুমানোর আগে বা বিকালে ফিকশন বই পড়ি। কারণ ফিকশনটা আমার জন্য সুখ বা ব্লিচ হিসাবে কাজ করে।

একই সময়ে একটা বই পড়তে হবে এমন কোন কথা নেই। একই সময়ে চার-পাঁচটা বইও পড়তে পারেন। ধরুন আপনার দুইটা বই পড়ার ইচ্ছা বা আরো বেশি, তো আপনার সুবিধা অনুযায়ী দুইটা বই থেকে কিছু কিছু অংশ পড়তে পারেন বা সকাল-বিকাল-রাত এভাবে সময় ভাগ করে নিতে পারেন।

আমার মন খারাপ হলে গল্পের বই পড়ি, কারণ গল্পের বই আমার মন ভাল করে। তো একই সময়ে শুধুমাত্র ১টি বই পড়া বা পড়তে হবে, এটা একটা ভুল ধারণা।


🔹 একটি ভাল বই শুধু একবার পড়া-

এক জীবনে ১০ হাজারের বেশি বই পড়া সম্ভব নয়। এজন্য আমরা একটা ভালো বই একের অধিক বার পড়তে চাই না।

তবে সবাই যেটা বলে এবং আমি যেটা মনে করি, ভালো বইগুলো অনেকবার পড়া উচিত। ভাল বইগুলো আমাদের শুদ্ধ আনন্দ দেয়। যেমন আমার প্রিয় বইয়ের মধ্যে একটা হলো সোনালী দুঃখ, মোট সাতবার পড়েছি বইটি, ইভেন এই মাসেও পড়বো। আমার লাইফে পড়া প্রথম বই ছিলো 'সোনালী দুঃখ'। এই বইটা আমাকে বইপোকা হতে সাহায্য করেছে। এজন্য এই বইটা বা সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রতি আমি ঋণী।

আমাদের মধ্যে একটা মিথ বা ভুল ধারণা কাজ করে যে, একটা বই অধিক বার পড়া উচিত নয়। ভালো বই অবশ্যই বারবার পড়া উচিত। যেগুলো আমাদের আনন্দ দেয় সেগুলোকে জীবনে বারবার আসতে দেওয়া উচিত। ভালো বইগুলো একেকবার পড়ার সময় আমাদের মনে একেকরকম জীবনবোধ এবং প্রভাব সৃষ্টি করে।


🔹 দ্রুত বই পড়া ক্ষতিকর-

আমরা অনেকে মনে করি যে, তাড়াতাড়ি বই পড়া খারাপ অভ্যাস। আমাদের ধীরেসুস্থে বই পড়া উচিত।

অবশ্যই ধীরেসুস্থে বই পড়া উচিত তবে, সেটা কেবল ফিকশন(গল্পের বই) এর ক্ষেত্রে। কারণ গল্পের বইতে এমন কিছু লাইন বা বাক্য থাকে যেগুলো দ্বিতীয়বার ভাবতে শেখায়। এমন লাইনগুলো নিয়ে ভাবা বা ধীরেসুস্থে পড়া উচিত।

কিন্তু নন ফিকশনের ক্ষেত্রে স্পিড রিডিং টা কাজে দেয়। ধরুন আপনি হাউ টু টক টু এ্যানিওয়ান বইটা পড়ছেন, এর প্রত্যেকটা লাইন যে গুরুত্বপূর্ণ হবে এমন না। যে লাইনগুলো ইম্পর্ট্যান্ট হবে সে লাইনগুলো পেন্সিল দিয়ে হাইলাইট করে নিবেন।

এ বিষয়ে আরো জানতে দি স্পীড রিডিং বইটা পড়তে পারেন।


🔹 নোট না নেওয়া-

আমরা অনেকে বই পড়ার পর নোট নেই না। আমার ক্ষেত্রে বই পড়ার সময় ইমপর্টেন্ট লাইনগুলো হাইলাইট করি। গুরুত্বের উপর ডিপেন্ড করে ডিফারেন্ট কালারের কালি দিয়ে মার্ক করে রাখি।

তাছাড়া আমার একটা বুক রিভিউ ডাইরি আছে। প্রতিটা বই পড়ে শেষ করার পর আমি নিজের মতো করে দশ লাইন সে বুক রিভিউ ডাইরতি লিখে রাখি। এতে বইয়ের সবকিছু আমার মনে থাকে।

আপনারা প্রতিটি বই পড়ে শেষ করার পর সে বইয়ের রিভিউ দিতে পারেন কোরা বাংলায় অথবা আমার মতো বুক রিভিউ ডাইরি বানিয়ে সেখানে লিখে রাখতে পারেন। যখন একটা বই রিভিউ লিখবেন তখন সে বইটা নিয়ে পুনরায় চিন্তা করতে পারবেন যার ফলে বইয়ের বিষয়বস্তু মনে থাকবে।

ফলে বইয়ের তথ্য গুলো আপনার লং টার্ম মেমোরিতে স্টে করবে এবং ভুলবেন না। তাছাড়া বইয়ের ইমপর্টেন্ট লাইনগুলো ডাইরিতে লিখে রাখতে ভবিষ্যতে অনেক কাজে দিবে।


🔹 কাজে পরিণত না করা-

বই পড়ার পর আমরা সবচেয়ে বড় যে ভুলটা করি সেটা হলো আমরা বই থেকে নেয়া শিক্ষা কাজে লাগাই না বা বাস্তব জীবনে অ্যাকশন নেই না। বই পড়া মানেই তো জ্ঞান অর্জন করা। বই থেকে নেয়া শিক্ষা কাজে লাগিয়ে জীবনযুদ্ধে এগিয়ে যাওয়া ।

যে বই পড়বেন, সে বই থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান, ট্রিকস বাস্তব জীবনে ব্যবহার করবেন। মনে রাখবেন, বই পড়লে সফলতা আসে না, সফলতা আসে কর্মে।

Knowledge Is Power But Knowledge Without Action Is Useless.


বই পড়া আর বই কেনা হোক বর্তমান প্রজন্মের প্রিয় শখ। বই হোক আমাদের আত্মার খাবার। বইয়ের আলাপ ছড়িয়ে পড়ুক আমাদের অন্তরে অন্তরে।

শুক্রবার, ৬ জুন, ২০২৫

নামাজে বসে যে আত্তাহিয়াতু দু'আ পড়ি তার পিছ‌নে এত সুন্দর এক‌টি গল্প তা জানা ছিল না, আমার বিশ্বাস সবার ভাল লাগ‌বে এবং নামাজ পড়ায় ম‌নো‌যোগ ও বাড়‌বে। ঈমানও তাজা হবে

 নামাজে বসে যে আত্তাহিয়াতু দু'আ পড়ি তার পিছ‌নে এত সুন্দর এক‌টি গল্প তা জানা ছিল না, আমার বিশ্বাস সবার ভাল লাগ‌বে এবং নামাজ পড়ায় ম‌নো‌যোগ ও বাড়‌বে। ঈমানও তাজা হবে।


আত্তাহিয়াতু আসলেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি দোয়া। এই দোয়াটার পিছনের গল্পটা জানার পর সত্যি আমার হৃদয়টা অনেক কোমল হয়ে গেছে!


আত্তাহিয়াতু আসলে, আল্লাহর সাথে আমাদের মহানবী (সঃ) কথোপকথন একটা অংশ। যা আমাদের মহানবী (সঃ) মিরাজ যাত্রার সময় হয়েছে মহান আল্লাহর সাথে! মহানবী (সঃ) যখন আল্লাহর সাথে কথোপকথন শুরু করে তখন আল্লাহকে আসসালামু আলাইকুম বলেননি!


তাহলে কি বলেছিল...?


কারন; আমরা মহান আল্লাহকে বলতে পারব না, আল্লাহ আপনার উপর শান্তি নাজিল হউক! কারন; আল্লাহ নিজেই একমাত্র পৃথিবীর সকল শান্তির এবং রহমতের উৎপত্তিস্থল!


মহানবী (সঃ) আল্লাহকে উদেশ্য করে বলেছিলেন:-


▪আত্তাহিইয়া-তু লিল্লা-হি ওয়াছ ছালাওয়া - তু ওয়াত্ ত্বাইয়িবা -তু


অর্থঃ- যাবতীয় সম্মান, যাবতীয় উপাসনা ও যাবতীয় পবিত্র বিষয় আল্লাহর জন্য।


উওরে মহান আল্লাহ বলেন:-


▪আসসালা-মু'আলায়কা আইয়ুহান্নাবিয়ু ওয়া রহমাতুল্লা-হি ওয়া-বারাকাতুহু।


অর্থঃ- হে নবী; আপনার উপরে শান্তি বর্ষিত হউক এবং আল্লাহর অনুগ্রহ ও সমৃদ্ধি সমূহ নাযিল হউক।


এতে মহানবী (সঃ) বলেন:-


▪আসসালা-মু-আলায়না ওয়া আলা ইবাদিল্লা-হিছছালেহীন।


অর্থ:- আল্লাহর সমৃদ্ধি শান্তি বর্ষিত হউক আমাদের উপরে ও আল্লাহর সৎকর্মশীল বান্দাগণের উপরে।


মহান আল্লাহ এবং মহানবী (সঃ) এই কথোপকথন শুনে ফেরেস্তারা বলেন:-


▪আশহাদু আল লা-ইলাহা ইলল্লালাহু ওয়া আশহাদুআন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রাসূলুহু।


অর্থ:- আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (সঃ) তার বান্দা ও রাসূল।

"সুবহানাল্লাহ"।


এখন আমি এবং আপনি আত্তাহিয়াতু গুরুত্ব এবং পিছনের ইতিহাস জানতে পারলাম, এবার একটু চিন্তা করুন তো, এই লেখাটি যদি আপনার মাধ্যমে অন্যান্য মানুষেরাও জানে তাহলে তারাও এই দোয়ার গুরুত্ব বুজতে পারবে! ইনশাআল্লাহ।

গুঁতো খেলে প্রমিত সুশীল চেহারাটা ধরে রাখা যায় না আর। তখন বোঝা যায়, আপনার ভেতরে কি আছে, চা নাকি কফি!

 ধরুন, আপনি একটা কফির কাপ হাতে হেঁটে যাচ্ছেন। হঠাৎ একটা উটকো লোক এসে ধাক্কা দিল আপনাকে। কাপ থেকে কফি ছলকে পড়ল রাস্তায়। বলুন তো, কফি কেন ছলকে পড়ল?


সহজ কথায় এর উত্তর হলো লোকটা ধাক্কা দিয়েছে বলেই কফি ছলকে পড়েছে। কিন্তু কেউ কেউ মুচকি হেসে বলবে, "কাপে কফি ছিল বলেই কফি ছলকে পড়েছে। চা থাকলে চা পড়ত, তেল থাকলে তেল!"


এটাকে আপনার জোকস্ মনে হতে পারে। হো হো করে হেসেও উঠতে পারেন। কিন্তু এটা একটা জীবনচিন্তা আসলে।


আপনি নিজেকে ওই কাপটা হিসেবে ভাবতে পারেন। আপনার আমার কাপভর্তি আমাদের চরিত্র, আমাদের আসল স্বভাব! আমরা বিভিন্ন আমলে, বিভিন্ন পরিস্থিতিতে, বিভিন্ন স্থানে, বিভিন্ন আড্ডায়, বিভিন্ন পরিবেশে ভিন্ন ভিন্ন চরিত্র নিয়ে ঘুরি। কোথাও আমরা অতি সুশীল, কোথাও বিপ্লবী, কোথাও বিনয়ী, কোথাও উগ্র।


কিন্তু যেদিন উটকো ধাক্কাটা লাগে, সেদিন আসল কফি (চরিত্র) ছলকে বেরিয়ে আসে। 

হঠাৎ দেয়ালে টক্কর খেলে ঠিক মুখ থেকে বেরিয়ে আসে, "ধুর ....!"


গুঁতো খেলে প্রমিত সুশীল চেহারাটা ধরে রাখা যায় না আর। তখন বোঝা যায়, আপনার ভেতরে কি আছে, চা নাকি কফি!

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৫-০৬-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৫-০৬-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


আরাফাতের ময়দানে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শেষে মুজদালিফায় আজ রাত্রি যাপন করবেন হাজীরা --- 'লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক' ধ্বনিতে মুখরিত আরাফাতের ময়দান।


ঈদ-উল-আযহার ১০ দিনের ছুটি শুরু --- প্রিয়জনদের সাথে ঈদ উদযাপন করতে রাজধানী ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ।


রাজধানীর দুই সিটি কর্পোরেশনের কোরবানির পশুর হাটগুলোতে জমে উঠেছে কেনাকাটা।


জাতীয় ঈদগাহে প্রধান ঈদ জামাত আয়োজনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন ।


১২টি দেশের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপের নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


এবং আজ রাতে উয়েফা ন্যাশনস লিগ ফুটবলের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ফ্রান্সের মোকাবেলা করবে স্পেন।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...