এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫

টাকাই সবকিছু নয় —

 টাকাই সবকিছু নয় — এই কথা বলা যত সহজ, বাস্তবে মানা ততটাই কঠিন। এই সমাজে টাকা ছাড়া কোনো মানুষের অস্তিত্বই স্বীকৃত নয়। যার হাতে টাকা নেই, তার কণ্ঠস্বর শোনা হয় না, তার দুঃখ-ব্যথা অনুভব করা হয় না।


একজন মানুষ যখন অর্থহীন হয়ে পড়ে, তখন শুধু তার প্রয়োজনগুলোই অপূর্ণ থাকে না, সাথে সাথে সমাজ তার উপর ছুঁড়ে দেয় অবহেলার, অবজ্ঞার আর অপমানের তীক্ষ্ণ বাক্য।


টাকা না থাকলে আপনি আপনার স্ত্রীর শখ পূরণ করতে পারবেন না, আপনার সন্তানের মুখে হাসি ফোটাতে পারবেন না, আপনার মা-বাবার শেষ বয়সে চিকিৎসাটুকু পর্যন্ত করাতে পারবেন না।


টাকা না থাকায়, অনেক বাবা-মা বিনা চিকিৎসায় পৃথিবী ছেড়ে চলে যায়। অনেক মানুষ নিজের স্বপ্ন ছুঁতে না পেরে আত্মহত্যা করে, কেবল টাকার অভাবে।

টাকা না থাকলে আপনি যতই ভালো ব্যবহার করুন না কেন, কেউ মূল্য দেবে না। আপনি যতই সম্পর্ক ধরে রাখতে চান, শখের মানুষ আপনাকে ছেড়ে চলে যাবে। এই সমাজ কেবল তখনই আপনাকে আপন ভাবে, যখন আপনার হাতে টাকা থাকে। আর যদি না থাকে, তখন আপনি তাদের চোখে শুধু একটা ‘বোঝা’।


টাকা ছাড়া সুখ কেনা যায় না, ভালোবাসার মানুষটাকে পাশে রাখতেও টাকা লাগে। টাকা না থাকলে, সময়ের সাথে সাথে সবাই দূরে সরে যায়। কারণ এই সমাজ কআরো স্বপ্ন পূরণের দায় নেয় না। কেউ যদি ভাবে, কিছু মানুষ কেন কেবল টাকার পেছনে ছোটে, তবে সে বোঝে না, যারা টাকার পেছনে ছোটে, তারা জানে অভাবের কষ্ট কতটা গভীর, তারা জানে সন্তানের মুখে একটু হাসি ফোটাতে কতটা যন্ত্রণা সহ্য করতে হয়, তারা জানে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে কতটা ত্যাগ স্বীকার করতে হয়, তারা জানে জীবনের প্রতিটা মুহূর্তে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে কতটা যুদ্ধ করতে হয়।


টাকাই কি সব? না, তা হয়তো নয়। কিন্তু টাকাই সেই ভিত্তি, যার ওপর দাঁড়িয়ে থাকে জীবন, দায়িত্ব, সম্পর্ক, স্বপ্ন আর আত্মসম্মান। যারা বলে টাকা দিয়ে সুখ কেনা যায় না, তাদের বোঝা উচিত, সুখ যদি না-ও কেনা যায়, সুখে বাঁচার রাস্তাটা কিন্তু টাকা দিয়েই তৈরি হয়। জীবন শুধু আবেগ দিয়ে চলে না, চলে প্রয়োজন পূরণের সক্ষমতা দিয়ে।

শুক্রবার, ১৩ জুন, ২০২৫

বাংলা বই vs বিজ্ঞান বই!

 বাংলা বই vs বিজ্ঞান বই!


১. বাংলা বই বলে : সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে পশ্চিমে অস্ত যায়।


ফিজিক্স বই বলে : সূর্য ডুবেও না, ওঠেও নাহ। পৃথিবীটা ঘোরে!


২. বাংলা বই বলে : মানুষের সকল শক্তির আধার হচ্ছে চেতনা ও মূল্যবোধ।


জীববিজ্ঞান বই বলে : মানুষের সকল শক্তির আধার হচ্ছে মাইটোকন্ড্রিয়া!


৩. বাংলা বই বলে : পৃথিবীর প্রতিটি কোণায় কোণায় পৌঁছে যাক তোমার খ্যাতি।


ফিজিক্স বই বলে : পৃথিবী হচ্ছে কমলালেবুর মতো গোল। এর কোনো কোণা নাই!


৪. বাংলা বই বলে : যারা মানবকল্যাণে কোনো ভূমিকা রাখতে পারে না, তারা হল অপদার্থ।


রসায়ন বই বলে : কোনো মানুষই অপদার্থ নয়। সকল মানুষই পদার্থ। কারণ মানুষের ভর আছে, জায়গা দখল করে, বল প্রয়োগে মানুষ বাধা প্রদান করে!


৫. বাংলা বই বলে : মানুষকে হৃদয় থেকে ভালোবাসো।


জীববিজ্ঞান বই বলে : ভালোবাসায় হৃদপিন্ডের কোনো ভূমিকা নেই!


কি বই পড়লাম এতদিন! একটার সাথে আরেকটার কোনো মিল নাই!!

আযানের সাথে ইফতারের সম্পর্ক নাই💕💕💕 📌 ইফতার কি আযান হলে করতে হয়? পড়ুন👇👇

 আযানের সাথে ইফতারের সম্পর্ক নাই💕💕💕

📌 ইফতার কি আযান হলে করতে হয়? পড়ুন👇👇


সূর্য ডুবলো নাকি ডুবলো না, তার জন্য আমরা অপেক্ষা করি না। আমরা অপেক্ষা করি আযানের জন্য। কারণ আমাদের ধারণা, আযান হলে ইফতার খেতে হয়। অথচ আযানের সাথে ইফতারের কোন সম্পর্কই নেই।

.

.

রাসুল (ﷺ) বলেছেন, সূর্য যখনই অস্ত যাবে, সায়েম (সিয়াম পালনকারী) তখনই ইফতার করবে।" [বুখারী ২৯৫৪, মিশকাত ১৯৮৫]

.

____________________________

সময় হওয়ার সাথে সাথে শীঘ্র ইফতার করা নবুঅতের একটি আদর্শ। মহানবী (ﷺ) বলেন,

‘‘তিনটি কাজ নবুয়তের আদর্শের অন্তর্ভুক্ত; জলদি ইফতার করা, দেরী করে (শেষ সময়ে) সেহরী খাওয়া এবং নামাযে ডান হাতকে বাম হাতের উপর রাখা।’’ [ত্বাবারানী, মু’জাম, মাজমাউয যাওয়ায়েদ ২/১০৫, সহীহুল জামেইস সাগীর, আলবানী ৩০৩৮নং]


অথচ, দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আমরা সূর্যাস্তের ৩/৪ মিনিট পরে সতর্কতামূলক ইফতার করে থাকি, যা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর আদেশের স্পষ্ট বিপরীত।

.

____________________________

আদম (আ) এর সময় থেকে শুরু করে সব যুগের সব নবী-রাসুলরাই ইফতার করেছেন বিনা আযানে। আসলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ছাড়া কোনো নবী-রাসূলের যুগে তো আযানই ছিলনা।


আযানের সূচনা হয়েছে সিয়াম (রোজা) শুরুর  পরে।

.

বাস্তবতা হচ্ছে , রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রাসূল হওয়ারও প্রায় ১০/১২ বছর পরে সালাতের আদেশ পেয়েছেন। এরও কিছুদিন পরে তিনি মদিনায় হিজরত করেছেন। তারও কিছুদিন পরে শুরু হয়েছে আযান। উদ্দেশ্য ছিল একটাই - সবাইকে একসাথে সালাতে আহবান করা, ইফতার খাওয়া নয়।

.

____________________________

আযানের সূচনা প্রসঙ্গে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলেনঃ "মুসলমানরা মদিনায় আসার পর একত্রিত হয়ে  নির্দিষ্ট সময়ে সালাত পড়ে নিত। এ জন্য কেউ আযান দিত না।"

.

একদিন তারা ব্যাপারটি নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করল। তাদের একজন বলল, নাসারাদের নাকূসের অনুরূপ একটা নাকূস (শঙ্খ) ব্যবহার কর। তাদের অপরজন বলল, ইহুদীদের শিঙ্গার অনুরূপ একটি শিঙ্গা ব্যবহার কর। উমার (রাঃ) বললেন, তোমরা সালাতের জন্য আহবান করতে একটি লোক পাঠাওনা কেন?


রাসূল (ﷺ) বললেন,

"হে বিলাল! উঠো এবং সালাতের জন্য ডাক দাও (আযান দাও)।" [গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম, অধ্যায়ঃ ৪/ কিতাবুস স্বলাত হাদিস নম্বরঃ ৭২৩, ইফা]

.

____________________________

বাড়ির পাশের ২/৩ টা মসজিদে খোঁজ নিলেই জানতে পারবেন যে, রমজান মাসে মুয়াজ্জিনরা আগে ইফতার মুখে নেন, তারপরে আযান দেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে মুয়াজ্জিনরা কার আযান শুনে মুখে ইফতার নেন ?


আসলে আযান শুনে না, তাঁরা মুখে ইফতার নেন সূর্য ডোবার সাথে-সাথে। মুয়াজ্জিনরা যদি আযান শেষ করে ইফতার করতে যান, তাহলে অনেক দেরি হয়ে যাবে। প্রায় ২, ৩ বা ৪ মিনিটের ব্যবধান হয়ে যাবে।

.

____________________________

কিন্তু রাসুল (ﷺ) বলেছেন,

"তত দিন মানুষ কল্যানের মধ্যে থাকবে যত দিন মানুষ দ্রুত ইফতার করবে।" [বুখারী ১৯৫৭; মুসলিম ২৬০৮; আহমাদ ২২৮২৮]


সুতরাং কল্যানের মধ্যে থাকতে চাইলে অবশ্যই দ্রুত ইফতার করতে হবে।

.

.

ইন্টারনেটে Sunset Today লিখলেই পেয়ে যাবেন আজকের সূর্যাস্তের সময়। অথবা আজকের সংবাদপত্রেও দেখতে পারেন সূর্যাস্তের সময়।

.

.

____________________________

রাসূল (ﷺ) বলেন, "দ্বীন চিরদিন বিজয়ী থাকবে, যতদিন লোকেরা ইফতার তাড়াতাড়ি করবে। কারন, ইহুদী-খ্রীস্টানরা ইফতার দেরীতে করে" [আবু দাউদ- ২৩৫৩, মিশকাত- ১৮৯৮]

.

.

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিজেও সারাজীবন সূর্য ডোবার সাথে-সাথে দ্রুত ইফতার করেছেন। তারপর আযান হয়েছে, তারপরে সালাতে গিয়েছেন। পক্ষান্তরে পূর্ব সতর্কতামূলক ভাবে মুয়াজ্জিনদের দেরী করে আযান দেওয়া বিদআত। [মু’জামুল বিদা’ ২৬৮পৃঃ]

.

____________________________

অতএব দেখার বিষয় হল সূর্যাস্ত; আযান নয়। সুতরাং রোযাদার যদি দেখে যে, সূর্য ডুবে গেছে কিন্তু মুয়াজ্জিন এখনো আযান দেয়নি, তাহলেও তার জন্য ইফতার করা বৈধ। [আশ্শারহুল মুমতে’ ৬/৪৩৯]

.

আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে সূর্য ডোবার সাথে-সাথে ইফতার করে কল্যাণের মাঝে থাকার তৌফিক দান করেন।

এত দলিল দেওয়ার পরেও যদি কারো সন্দেহ থাকে নিচের লিঙ্কটিতে হাত দাও একটি ভিডিও আছে ভিডিওটি দেখো। 

https://www.facebook.com/share/r/1FENNduXNQ/?mibextid=oFDknk


▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂

রোগের ভিন্নতায় জিহ্বা নানা বর্ণ ধারণ করে।

 👅 জিহ্বার রঙ বলে দেবে আপনি সুস্থ না অসুস্থ। রোগ নির্ণয়ে জিহ্বা একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, যা দেখে 👩‍⚕️ চিকিৎসকরা সহজেই রোগের লক্ষণ বুঝে ফেলেন। 

📌রোগের ভিন্নতায় জিহ্বা নানা বর্ণ ধারণ করে। 

দিনের আলোয় জিহ্বার রঙ দেখা সবচেয়ে ভালো। উন্নত 🔦 লাইটের মাধ্যমে যে কোনো সময় জিহ্বার রঙ পরীক্ষা করা যায়।  


📌 জিহ্বার রঙ দেখতে হলে খাবার গ্রহণের অন্তত ৩০ মিনিট পর দেখতে হবে। 

🔵 জিহ্বার রঙ পুরোপুরি নীল না হয়ে নীলাভ হতে পারে। সায়ানোসিসের ক্ষেত্রে জিহ্বা নীল বর্ণ ধারণ করতে পারে। 

-আপনার শরীরে অক্সিজেন দ্রুত কমে গেলে জিহ্বা এবং মুখের রঙ নীলাভ হতে পারে। সে ক্ষেত্রে রোগীকে দ্রুত অক্সিজেন দিতে হবে। 

-এ ছাড়া ফুসফুসের কিছু রোগ যেমন সিওপিডিতে জিহ্বার রঙ নীলাভ হতে পারে। 

-কখনো কখনো কিডনি রোগে জিহ্বার রঙ হালকা নীলাভ হতে পারে। 

🔵 গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের অভাবের কারণে জিহ্বার রঙ ফ্যাকাশে দেখা যায়। 

🔵 জিহ্বার রঙ সাদা হলে শরীরে পানিশূন্যতা থাকতে পারে।  ছত্রাক সংক্রমণ অথবা ভাইরাস জ্বরেও এমন হতে পারে। �🔵 জিহ্বার ওপর সাদা দাগ বা সাদা আবরণ বলে দেয় ওরাল থ্রাশের কথা। ওরাল থ্রাশ এক ধরনের ইস্ট সংক্রমণ। আবার লিউকোপ্লাকিয়া হলেও একই অবস্থা দেখা যেতে পারে। 

-জিহ্বার ওপর ব্যথাযুক্ত মুখের আলসারের কারণে হতে পারে অথবা মুখের ক্যান্সারের কারণেও হতে পারে। 


🔵 জিহ্বার রঙ নীল হলে রোগীর শরীরে অক্সিজেনের অভাব হতে পারে। 


🔵 কালো রঙের জিহ্বা প্রচুর পরিমাণে ব্যাকটেরিয়া জমা হওয়ার কারণে দেখা দিতে পারে। 

-জেনেটিক কারণেও কালো রঙের জিহ্বা দেখা যেতে পারে। -মাঝে মাঝে অ্যান্টিবায়োটিক এবং গ্যাস্ট্রিকের কিছু ওষুধ সেবনের পর জিহ্বার রঙ কালো হয়ে যেতে পারে। 

-আবার কিছু মাউথ ওয়াশ দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার করলে জিহ্বার রঙ কালো হতে পারে। 

🔵 উজ্জ্বল লাল রঙের জিহ্বা দেখা গেলে বুঝতে হবে ফলিক এসিড অথবা ভিটামিন বি১২-এর অভাব থাকতে পারে। 

-এছাড়া স্কারলেট ফিবার এবং শিশুদের ক্ষেত্রে কাওয়াসাকি ডিজিজের ক্ষেত্রে জিহ্বার রঙ লাল হতে পারে। 

-হৃদযন্ত্রের কোনো রোগের ক্ষেত্রে জিহ্বার রঙ লাল হতে পারে। 

🔵 কালো অথবা হেয়ারি টাং ব্যাকটেরিয়ার বংশ বৃদ্ধির লক্ষণ হতে পারে। ডায়াবেটিস রোগীদের অথবা অ্যান্টিবায়োটিক ও কেমোথেরাপি গ্রহণকারী রোগীদের ক্ষেত্রে হতে পারে। 

🔵 হজম প্রক্রিয়ায় সমস্যা হলে জিহ্বার রঙ ধূসর হতে পারে। জিহ্বার উপরিভাগে সাদা আবরণ বেশি হলে সংক্রামক রোগ হতে পারে। আবার কোনো বিষক্রিয়ার কারণে এমন হতে পারে। 

🔵 লিভার এবং পাকস্থলীর কোনো সমস্যা হলে জিহ্বার রঙ হলুদ অথবা হলুদাভ হয়ে থাকে। জিহ্বার ওপর ধূসর আস্তরণ গ্যাস্ট্রাইটিস এবং পেপটিক আলসারের লক্ষণ। 


🔵 জিহ্বার ওপর বাদামি আস্তরণ ফুসফুসের কোনো রোগের লক্ষণ হিসাবে দেখা দিতে পারে। 


🔵 হজমের সমস্যার ক্ষেত্রে জিহ্বার ওপর হলুদ আস্তরণ পড়তে পারে। 


তবে জিহ্বার রঙ যেমনই হোক না কেন, তা দেখে কিন্তু পুরোপুরি একটি রোগ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না। এটা একটা প্রাথমিক ধারনা মাত্র। ধারনা কোনো রোগ নির্ণয় করতে হলে রোগীর বিস্তারিত ইতিহাস এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে করতে হয়।


সুত্র: যুগান্তর

গোসল করার সময় এই ছোট্ট নিয়মগুলো মেনে চলুন, সুস্থ থাকুন।

 "বেশিরভাগ স্ট্রোক বাথরুমেই হয়—এটা কি জানেন? এর পেছনে মূল কারণ হলো গোসলের সময় আমরা যে ভুল পদ্ধতি অনুসরণ করি। অনেকেই বাথরুমে ঢুকে প্রথমেই মাথা এবং চুল ভেজান, যা একদমই ঠিক নয়। এইভাবে প্রথমেই মাথায় পানি দিলে রক্ত দ্রুত মাথায় উঠে যায়, ফলে কৈশিক ও ধমনী ছিঁড়ে যাওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ থেকেই স্ট্রোক বা পক্ষাঘাতের মতো ঘটনা ঘটে।


বিশ্বজুড়ে গবেষণায় দেখা গেছে, গোসলের সময় স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বা পক্ষাঘাতের ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। চিকিৎসকদের মতে, গোসল করার সময় কিছু সঠিক নিয়ম মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। প্রথমেই মাথায় পানি না দিয়ে ধীরে ধীরে শরীরের তাপমাত্রাকে বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া উচিত। 


সঠিক পদ্ধতি হলো:

১. প্রথমে পায়ের পাতা ভেজান।

২. এরপর আস্তে আস্তে কাঁধ পর্যন্ত ভেজান।

৩. তারপর মুখে পানি দিন।

৪. সবশেষে মাথায় পানি দিন।


এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে রক্ত সঞ্চালনের গতি স্বাভাবিক থাকে এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে। তাই গোসল করার সময় এই ছোট্ট নিয়মগুলো মেনে চলুন, সুস্থ থাকুন।


 #সচেতনতা #স্বাস্থ্য"


#এই #এই #আমরা

বৃহস্পতিবার, ১২ জুন, ২০২৫

আঞ্জনি বা স্টাই (হোর্ডিয়োলাম) রোগ: 

 🛑আঞ্জনি বা স্টাই (হোর্ডিয়োলাম) রোগ: 


আঞ্জনি তে  লক্ষনভেদে WIND FLOWER মেডিসিনের খুব ভালো রেজাল্ট পাচ্ছি আলহামদুলিল্লাহ। 


এইতো কিছুক্ষণ আগে ফোন কল পাইলাম রোগীর থেকে।  মেডিসিন দিয়েছিলাম ওয়াইন্ড ফ্লাওয়ার এম বাই থ্রি। 

দিয়েছিলাম ৩ জুন। এইগুলা হোমিওপ্যাথিতে খুবই সিম্পল কেস তাই ছবি তুলি নাই৷ 

এই ধরনের সিম্পল কেসে মুড়িমুড়কির মতো  এন্টিবায়োটিক না খেয়ে হোমিওপ্যাথি ট্রাই করতে পারেন। 


🛑আঞ্জনি (স্টাই) হলে কিছু সাধারণ সমস্যা হতে পারে:


√ ব্যথা এবং অস্বস্তি: আঞ্জনি সাধারণত ব্যথাযুক্ত হয় এবং চোখের পাতার ধারে অস্বস্তি সৃষ্টি করে।


√ লালচে ফোলা: আক্রান্ত স্থানে লালচে ফোলা দেখা যায়, যা দেখতে পিম্পলের মত।


√ চোখের পাতার ফোলা: পুরো চোখের পাতা ফোলা হতে পারে, যা দেখতে এবং অনুভব করতে অসুবিধা হতে পারে।


√ পানি পড়া এবং চুলকানি: আঞ্জনি হলে চোখে পানি পড়া এবং চুলকানি হতে পারে।


√ দৃষ্টির অস্পষ্টতা: ফোলা এবং সংক্রমণের কারণে দৃষ্টি অস্পষ্ট হতে পারে।


 √ পুঁজ বের হওয়া: আঞ্জনি পূর্ণ হলে পুঁজ বের হতে পারে।


এটি সাধারণত দুই সপ্তাহের মধ্যে নিজে থেকে ঠিক হয়ে যায়। তবে এই দুই সপ্তাহের যদি নিজে থেকে উন্নতি না হয় এবং জ্বালা যন্ত্রণা বেশি হয় তবে  চিকিৎসা নিতে পারেন৷ 


✍️ডা. রাজেকুল আহসান

ঢাকায় যারা থাকেন বা যাচ্ছেন তারা যে সব বিষয়ে সাবধান হবেন!

 🔴 ঢাকায় যারা থাকেন বা যাচ্ছেন তারা যে সব বিষয়ে সাবধান হবেন!


১। ফার্মগেটে হঠাৎ দেখতে পেলেন, কতগুলো মানুষ একজন মানুষ কে মেরে রক্তাত্ত করে চলেছে আর সে আপনাকে বলছে ভাই, সাহায্য করেন। আপনি দয়া দেখাতে গিয়ে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলেই বিপদ হতে পারে। ওরা আপনাকে মেরে সব কিছু নিয়ে যেতে পারে, কারণ তারা সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র।


২। ওভার ব্রিজ এর উপর মহিলা কাঁদছে যে, সে যার সাথে দেখা করবে তার মোবাইলে কল দিতে হবে কিন্তু তার কাছে টাকা নেই। বলবে আপনার মোবাইল দিয়ে সেই লোকের নাম্বারে মিসকল দিলেও সে ব্যাক করবে। আপনি কল দিলেন তো ফাঁদে পড়লেন। ওরা নিরীহ মানুষ দেখে তাদের নম্বর সংগ্রহ করে ও পরবর্তীতে সেই নাম্বারে কল করে লোভনীয় প্রস্তাব দেয়, রাজী হলে আপনাকে তাদের আস্তানাতে নিয়ে ব্লাক মেইল করবে।


৩। শাহবাগ, মহাখালী, যাত্রাবাড়ী জ্যামে আটকে আছেন, নানা ধরণের লিফলেট যেমনঃ দুর্বলতা,রোগে, নানা লোভে আপনাকে ফাঁদে ফেলার ব্যবস্থা।

এমন বলে যে রুম ডেট এর ব্যবস্থা আছে।


৪। রাস্তায় সুন্দর চোখ এর বোরকা আলি আপনার সাথে কথা বলতে চায়, প্রেমের প্রস্তাব নয়, কিন্তু ইসারা, যে আপনি ভাববেন একটু চেষ্টা করলে কাছে পাবেন, যদি তাই ভাবেন তবে ধরা পড়ার সম্ভাবনা শতভাগ। আপনাকে তাদের আস্তানায় নিবে, তারপর আর কিছু আপনার করা লাগবে না। সব হারাবেন। মেয়ে দিয়ে ব্লাক মেইল করবে।


৫। গাবতলি, সায়েদাবাদ, কিংবা সদরঘাট , মাওয়া, আরিচা, দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে বসে আছেন, দেখলেন যে বাইরে তাস, লুডু ইত্যাদি খেলছে, কাছে গেলেন কি ফেঁসে গেলেন।


৬। যাত্রাপথে অপরিচিত লোক এর সাথে মতবিনিময় করবেন খুবই কম। আপনি যে স্থানে যাবেন সে স্থান যেন আপনার পরিচিত।


৭। রেলগাড়ির ছাঁদে চলাচল করা থেকে বিরত থাকবেন, কারণ এক দল ছেলে পাওয়া যায়, যারা রেলের ছাদের উপর থেকে ছিনতাই করে ছাদ থাকে ফেলে দেয়।


৮। লঞ্চ এ কম যাত্রী থাকলে উঠবেন না।


৯। যারা দ্রুত যাতায়াত এর জন্য স্পীড বোট এ যাতায়াত করবেন তারা টাকা বা মুল্যবান কিছু সাথে নিবেন না। কারণ দেখা গিয়েছে যে, এক দল আছে যারা বোট ছাড়ার পর নির্জন স্থানে বোট ভিড়িয়ে ছিনতাই করে আপনাকে নামিয়ে দিতে পারে।


১০। হেঁটে যেতে হলে বিভিন্ন বাসের মাঝখান দিয়ে যাওয়া অনুচিত কারণ নেশাখোর ওঁত পেতে থাকে ছিনতাই এর জন্য।


এছাড়াও যাতায়াতের সময় এ জাতীয় অন্যান্য ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। সচেতনতা সৃষ্টিতে শেয়ার করে সকলকে জানিয়ে দিন। ধন্যবাদ।।

বুধবার, ১১ জুন, ২০২৫

হঠাৎ দেখা ___ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

 হঠাৎ দেখা

___ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


রেলগাড়ির কামরায় হঠাৎ দেখা,

ভাবি নি সম্ভব হবে কোনোদিন।

আগে ওকে বারবার দেখেছি

লালরঙের শাড়িতে

ডালিম ফুলের মতো রাঙা;

আজ পরেছে কালো রেশমের কাপড়,

আঁচল তুলেছে মাথায়

দোলনচাঁপার মতো চিকনগৌর মুখখানি ঘিরে।

মনে হল, কালো রঙে একটা গভীর দূরত্ব

ঘনিয়ে নিয়েছে নিজের চার দিকে,

যে দূরত্ব সর্ষেখেতের শেষ সীমানায়

শালবনের নীলাঞ্জনে।

থমকে গেল আমার সমস্ত মনটা;

চেনা লোককে দেখলেম অচেনার গাম্ভীর্যে।

হঠাৎ খবরের কাগজ ফেলে দিয়ে

আমাকে করলে নমস্কার।

সমাজবিধির পথ গেল খুলে,

আলাপ করলেম শুরু --

কেমন আছ, কেমন চলছে সংসার

ইত্যাদি।

সে রইল জানলার বাইরের দিকে চেয়ে

যেন কাছের দিনের ছোঁয়াচ-পার-হওয়া চাহনিতে।

দিলে অত্যন্ত ছোটো দুটো-একটা জবাব,

কোনোটা বা দিলেই না।

বুঝিয়ে দিলে হাতের অস্থিরতায় --

কেন এ-সব কথা,

এর চেয়ে অনেক ভালো চুপ করে থাকা।

আমি ছিলেম অন্য বেঞ্চিতে

ওর সাথিদের সঙ্গে।

এক সময়ে আঙুল নেড়ে জানালে কাছে আসতে।

মনে হল কম সাহস নয়;

বসলুম ওর এক-বেঞ্চিতে।

গাড়ির আওয়াজের আড়ালে

বললে মৃদুস্বরে,

"কিছু মনে কোরো না,

সময় কোথা সময় নষ্ট করবার।

আমাকে নামতে হবে পরের স্টেশনেই;

দূরে যাবে তুমি,

দেখা হবে না আর কোনোদিনই।

তাই যে প্রশ্নটার জবাব এতকাল থেমে আছে,

শুনব তোমার মুখে।

সত্য করে বলবে তো?

আমি বললেম, "বলব।"

বাইরের আকাশের দিকে তাকিয়েই শুধোল,

"আমাদের গেছে যে দিন

একেবারেই কি গেছে,

কিছুই কি নেই বাকি।"

একটুকু রইলেম চুপ করে;

তারপর বললেম,

"রাতের সব তারাই আছে

দিনের আলোর গভীরে।"

খটকা লাগল, কী জানি বানিয়ে বললেম না কি।

ও বললে, "থাক্‌, এখন যাও ও দিকে।"

সবাই নেমে গেল পরের স্টেশনে;

আমি চললেম একা।

ছবি - AI

নায়িকা মুক্তির আসল পরিচয় সে আনোয়ারার মেয়ে =  তার আসল নাম - রুমানা ইসলাম মুক্তি  তার বাবার নাম - মুহিত তার মায়ের নাম - আনোয়ারা ( বাংলা চলচ্চিত্রের একটি ইতিহাসের নাম)  

 নায়িকা মুক্তির আসল পরিচয় সে আনোয়ারার মেয়ে = 

তার আসল নাম - রুমানা ইসলাম মুক্তি 

তার বাবার নাম - মুহিত

তার মায়ের নাম - আনোয়ারা ( বাংলা চলচ্চিত্রের একটি ইতিহাসের নাম)  

তার গ্রামের বাড়ী কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দিতে 

নায়িকা মুক্তি - ১৯৮০ সালের ১ লা ডিসেম্বর মাসে ঢাকাতেই জন্ম গ্রহন করেন। 

মুক্তি ভিখারুন নেছা স্কুলের ৬ষ্ট শ্রেনীর ছাত্রী থাকা অবস্হায় মাত্র ১২ বছর বয়সে উপ-মহাদেশের বিখ্যাত পরিচালক গৌতম ঘোষ পরিচালিত " পন্মা নদীর মাঝি " ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে আসেন - ১৯৯৩ সালে - 

কিন্তু এই ছবির আগেই শেখ নজরুল ইসলাম পরিচালিত " চাঁদের আলো " ছবিটি মুক্তি পায় - ১৯৯৩ সালে, এই ছবিতে মুক্তি প্রধান নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করেন, আর তার বিপরিতে অভিনয় করেন - নায়ক ওমর সানী। 

নায়ক ওমর সানীর এটি ২য় ছবি, ১৯৯২ সালে মুক্তি প্রাপ্ত - নুর হোসেন বলাই পরিচালিত " এই নিয়ে সংসার " ছবিতে সেকেন্ড নায়ক হিসেবে অভিনয় করেন - প্রধান নায়ক ছিলো - ইলিয়াস কান্চন 

এরপর তিনি বেশ কিছু ছবিতে অভিনয় করেন যেমন -: 

১. চাঁদের আলো = পরিচালক - শেখ নজরুল ইসলাম 

২. পদ্না নদীর মাঝি = পরিচালক - গৌতম ঘোষ 

৩. লড়াই = পরিচালক - ফজলে হক 

৪. শ্রাবন মেঘের দিন = পরিচালক - হুমায়ন আহমেদ 

৫. হাছন রাজা = পরিচালক - চাষী নজরুল ইসলাম 

৬. তুমি আমার স্বামী = পরিচালক - মনতাজুর রহমান আকবর 

৭. পিতা মাতার আমানত = পরিচালক - এফ আই মানিক 

৮. রিকসাওয়ালার প্রেম = পরিচালক - রকিবুল আলম রকিব 

৯. দারোয়ানের ছেলে = পরিচালক - রকিবুল আলম রকিব 

১০. কেন সন্ত্রাসী = পরিচালক - রবিউল ইসলাম রাজ 

আমার জানা মতে আমি- রবিউল ইসলাম রাজ - পরিচালিত " কেন সন্ত্রাসী " ছবিটিই তার অভিনীত সর্ব শেষ ছবি - এই ছবিতে নায়িকা মুক্তি কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন - ছবিটি মুক্তি পায় - ১লা জানুয়ারী ২০২১ সালে। 

নায়িকা মুক্তির একটি মাত্র মেয়ে, নাম তার " কারিমা " 

মুক্তি আপনি যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন সুস্হ্য থাকবেন - দোয়া রইল। 

                       রবিউল ইসলাম রাজ 

                        চলচ্চিত্র পরিচালক 

                          01948-329383

৪০ বছর পর থেকে শরীরে বিভিন্ন রোগ অজান্তে বাসা বাঁধতে শুরু করে। নিম্নোক্ত মেডিকেল টেস্ট করা জরুরী। প্রতিবছরে কমপক্ষে একবার পরীক্ষা করা ভালো।

 ৪০ বছর পর থেকে শরীরে বিভিন্ন রোগ অজান্তে বাসা বাঁধতে শুরু করে। নিম্নোক্ত মেডিকেল টেস্ট করা জরুরী। প্রতিবছরে কমপক্ষে একবার পরীক্ষা করা ভালো।


(১).কোলেস্টেরল পরীক্ষা করতে হবে।

যেমন-Lipid Profile.


(২).রক্তের ডায়াবেটিস আছে কিনা জানতে হবে।

যেমন-GTT.

 

(৩). থাইরয়েডের পরীক্ষা করতে হবে।

যেমন-TSH.


(৪).কিডনির ফাংশান টেস্ট করতে হবে।

যেমন-S.Creatinine.


(৫).লিভার ফাংশন ঠিক আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে।

যেমন-S.BILIRUBIN, SGPT, SGOT.

 

(৬).রক্তে কোন রোগ আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে

যেমন-CBC.


(৭).প্রোস্টেট নির্দিষ্ট এন্টিজেন পরীক্ষা করতে হবে।

যেমন-PSA.

 

(৮).উচ্চ রক্তচাপের পরীক্ষা করতে হবে। 

যেমন-ECG.


(৯). পেটের ভিতরে যে কোন সমস্যা থাকলে পরীক্ষা করতে পারেন। যেমন-USG OF WHOLE ABDOMEN.


(১০). বুকের যেকোন সমস্যার জন্য করতে পারেন। 

যেমন-X-RAY CHEST P/A VIEW.


 (১১). প্রস্রাবের যে কোন সমস্যার জন্য করতে পারেন। 

যেমন-URINE RE/ME.


(১২).প্রাথমিক ভাবে হার্টের অবস্থা বুঝতে।

যেমন- ECG

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...