এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫

সকাল সাতটা ৯/০৮/২০২৫

 আজকের সংবাদ শিরোনাম

...................................................


* ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর বিভিন্ন খাতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য নিয়ে এক বছর পূর্ণ করলো অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার


* স্বৈরাচার সরকারের লুটপাট ও অর্থ পাচারের ফলে বিধ্বস্ত দেশের অর্থনীতির চাকা ঘুরে দাঁড়িয়েছে গত এক বছরে – অর্জন করেছে দৃশ্যমান সাফল্য


* জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনীতিতে পরিবর্তনের একটি বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে --- বললেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি


* অন্তর্বর্তী সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ --- মন্তব্য প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিবের


* আগামী জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের রায়ে দেশকে গণতান্ত্রিক ও কল্যাণ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব --- বললেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান


* দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনের উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে কাজ করছে অন্তর্বর্তী সরকার


* ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে আলোচনার জন্য আগামী শুক্রবার আলাস্কায় বৈঠকে বসবে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া


* এবং হারারেতে ত্রিদেশীয় অনূর্ধ্ব-১৯ একদিনের ক্রিকেট টুর্নামেন্টের লিগ পবের্র শেষ ম্যাচে স্বাগতিক জিম্বাবুয়েকে ১৬০ রানে পরাজিত করেছে বাংলাদেশ

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ০৮-০৮-২০২৫

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ ০৮-০৮-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম


ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছর পূর্তি আজ।


স্বৈরাচার সরকারের লুটপাট ও অর্থ পাচারের ফলে বিধ্বস্ত দেশের অর্থনীতির চাকা ঘুরে দাঁড়িয়েছে গত এক বছরে –-- অর্জন করেছে দৃশ্যমান সাফল্য।


জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনীতিতে পরিবর্তনের একটি বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে --- বললেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি।


অন্তর্বর্তী সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ --- মন্তব্য প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিবের।


আগামী জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের রায়ে দেশকে গণতান্ত্রিক ও কল্যাণ রাষ্ট্রে গড়ে তোলা সম্ভব --- বললেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনের উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে কাজ করছে অন্তর্বর্তী সরকার।


গাজা দখলের পরিকল্পনা ইসরাইলের নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভায় অনুমোদন --- পরিকল্পনাটি অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জাতিসংঘ মানবাধিকার প্রধানের --- যুক্তরাজ্য, চীন ও তুরস্কের উদ্বেগ।


এবং এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্বে দ্বিতীয় ম্যাচে ৮-শূন্য গোলের বিশাল ব্যবধানে পূর্ব তিমুরকে পরাজিত করেছে বাংলাদেশ।

সকাল সাতটা ৮/০৮/২০২৫

 আজকের সংবাদ শিরোনাম

..................................................


* ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছর পূর্তি আজ।


* প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত --- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকে শুল্ক কমানোয় বাণিজ্য উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন।


* দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু করেছে অন্তর্বর্তী সরকার, প্রথম ও প্রধান কাজ সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন --- বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে জানালেন প্রেস সচিব।

 

* ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে চিঠি পেল নির্বাচন কমিশন --- ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল ঘোষণা।

 

* গণঅভ্যুত্থানকালে আশুলিয়ায় ছয় জনকে হত্যার পর লাশ পোড়ানোর ঘটনায় অভিযোগ গঠনের ওপর প্রসিকিউশনের শুনানি শেষ --- আসামি পক্ষের শুনানি ১৩ই আগস্ট।


* জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রামপুরায় জানালার কার্নিশে যুবককে গুলির ঘটনায় ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল।

 

* লেবাননের পূর্বাঞ্চলে ইসরাইলি হামলায় ছয়জনের মৃত্যু।


* এবং আজ হারারেতে ত্রি-দেশীয় অনূর্ধ্ব-১৯ একদিনের ক্রিকেট টুর্ণামেন্টে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে।

সকাল সাতটার সংবাদ শিরোনাম ৭/০৮/২০২৫

 আজকের শিরোনাম

.....................................


* প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের বিদায়ী মিশন প্রধানের সাক্ষাৎ --- গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী দেশ পরিচালনায় অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা।


* জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশনে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের চিঠি।


*ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন, তফসিল ঘোষণা করা হবে নির্বাচনের দুই মাস আগে  --- জানালেন সিইসি।


*আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার বিচার শুরু --- ৩০ আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের নির্দেশ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-দুই এর।


*জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে বিএনপির বিজয় র‌্যালী --- জাতীয় স্বার্থে ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের।


*জুলাই সনদ ও জুলাই ঘোষণাপত্রের ভিত্তিতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে --- দাবি এনসিপির।


*ভারতীয় পণ্যের ওপর বিদ্যমান শুল্কের অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।


*এবং এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্বে স্বাগতিক লাওসকে ৩-১ গোলে হারালো বাংলাদেশ --- যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টার অভিনন্দন।

শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৫

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ০৬-০৮-২০২৫

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ ০৬-০৮-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম


প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের মিশন প্রধানের সাক্ষাৎ --- গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী দেশ পরিচালনায় অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা।


আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন, তফসিল ঘোষণা করা হবে নির্বাচনের দুই মাস আগে  --- জানালেন সিইসি।


জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার বিচার শুরু --- ৩০ আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের নির্দেশ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-দুই এর।


জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে বিএনপির বিজয় র‌্যালী --- জাতীয় স্বার্থে ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের।


জুলাই সনদ ও জুলাই ঘোষণাপত্রের কার্যকারিতার ভিত্তিতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে --- দাবি এনসিপির।


যথাযোগ্য মর্যাদায় দেশে আজ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৪তম প্রয়াণ দিবস পালিত।  


জাপানের হিরোশিমায় আণবিক বোমা হামলার ৮০তম বার্ষিকীতে আজ ভয়াবহ সেই ঘটনা স্মরণ করছে দেশটি।


এবং এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্বে স্বাগতিক লাওসকে ৩-১ গোলে হারালো বাংলাদেশ --- হারারেতে ত্রিদেশীয় অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে দক্ষিণ আফ্রিকাকে পাঁচ উইকেটে পরাজিত করেছে বাংলাদেশ।

পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট গল্প, মাত্র ৬ শব্দের...

 **পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট গল্প, মাত্র ৬ শব্দের...


.

সবচেয়ে ছোট গল্পগুলোর মধ্যে বিখ্যাত একটি হলো আর্নেস্ট হ্যামিংওয়ের গল্পটি। মাত্র ছয় শব্দের গল্প। গল্পটা প্রায় সকলেরই জানা।

হ্যামিংওয়ে গল্পটা লিখেছিলেন বাজি ধরে। এখন মনে প্রশ্ন জাগছে নিশ্চয়ই! কার সঙ্গে বাজি ধরেছিলেন হ্যামিং? প্রচলিত আছে বাজি ধরেছিলেন অপর দুই মহারথীর সঙ্গে।

এক গ্রীষ্মে বোটে করে মাছ ধরতে গিয়েছেন তিনজন। হ্যামিংওয়ে, ফিদেল কাস্ত্রো আর চে গুয়েভরা। অনেকক্ষণ বড়শি নিয়ে বসে থেকেও কোনো মাছের দেখা না পেয়ে বিরক্ত হয়ে উঠছেন সবাই। বিরক্তি কাটাতে চে গুয়েভরা বললেন- আরে ধূর! মাছে খায় না তো কী হয়েছে? আমরা তো খেতে পারি।

বলতে বলতে তিনি স্ন্যাক্সের প্যাকেট খুলে খাওয়া শুরু করলেন। হ্যামিংওয়ে আর ক্যাস্ত্রোই বা আর বসে থাকবেন কেন। খাওয়া শুরু করলেন তারাও। খেতে খেতে ফিদেল কাস্ত্রো হ্যামিংওয়েকে বললেন- তা কী এমন গল্প লেখো? এখন একটা গল্প লিখে দেখাও তো। হ্যামিংওয়ে বললেন- এখন? এই মাঝ নদীতে গল্প লিখব কী করে? নোটবুক খাতাপত্র তো সব রেখে এসেছি।

চে গুয়েভরা তখন খাওয়া শেষে টিস্যু পেপারে হাত মুছছিলেন। হাত মোছা বন্ধ করে তিনি টিস্যু পেপারটা হ্যামিংওয়ের দিকে এগিয়ে দিয়ে বললেন- এই নাও টিস্যু পেপার। ইচ্ছে থাকলে এখানেও লেখা যায়। হ্যামিংওয়ে হাত বাড়িয়ে টিস্যু পেপারটি নিলেন। খাওয়া বন্ধ করে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলেন নদীর শান্ত স্বচ্ছ জলের দিকে। তারপর লিখলেন ছয়টি শব্দ।

এই ছয়টি শব্দ পরবর্তীতে পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত ক্ষুদ্র ছোট গল্প হয়ে গেল। তিনি লিখলেন- 'ফর সেল, বেবিস সুজ,নেভার ওরন।' অর্থ্যাত্‍, 'বিক্রির জন্য, শিশুর জুতো, ব্যবহৃত নয়'।

গল্পটির ভাবার্থ এইরকম- বাচ্চার জন্য জুতো কেনা হয়েছিল। তবে সেই বাচ্চাটি পৃথিবীর আলোই দেখেনি। মায়ের গর্ভেই শিশুটির মৃত্যু হয়। ছয় শব্দে গর্ভে মারা যাওয়া শিশুর জন্য মায়ের অনুভূতি! এ ধরণের গল্পকে বলা হয় 'ফ্ল্যাশ ফিকশন' বা অণুগল্প। মাইক্রো শর্ট স্টোরি নামেও ডাকা হয় এসব গল্পকে। গল্পটি দারুণ পছন্দ হলো ফিদেল কাস্ত্রো এবং চে গুয়েভরা দু'জনেরই। ক্যাস্ত্রো সঙ্গে সঙ্গে ১০ ডলার বের করে বকশিশ দিলেন হ্যামিংওয়েকে।

তবে এই গল্পটার রচনা নিয়ে আরো একটি গল্প চালু আছে। হ্যামিংওয়ে একদিন তার অফিসের ছয় কলিগের সঙ্গে গল্প করছিলেন। হঠাত্‍ তিনি বললেন- মাত্র ছয় টি শব্দ দিয়ে তিনি একটি চমত্‍কার গল্প লিখতে পারবেন। তার কলিগরা হেসেই উড়িয়ে দিলো। বললো, ঠিক আছে। ১০ ডলারের বাজি। হ্যামিংওয়ে গল্পটা লিখলেন এবং বাজিতে জিতে গেলেন।

মার্কিন সাহিত্যিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ে ১৯৫৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। তিনি সাতটি উপন্যাস, ছয়টি ছোট গল্প সংকলন এবং দুটি নন ফিকশন গ্রন্থ প্রকাশ করেছিলেন। তার মৃত্যুর পর আরো তিনটি উপন্যাস, চারটি ছোট গল্প সংকলন এবং তিনটি নন-ফিকশন গ্রন্থ প্রকাশ হয়েছিল। তার প্রকাশিত গ্রন্থের অনেকগুলোই আমেরিকান সাহিত্যের চিরায়ত বা ক্লাসিক গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয়।

পৃথিবীর আরেকটি ক্ষুদ্রতম গল্প বা ফ্ল্যাশ ফিকশনের কথা জানেন কি? ‘নক’ নামের এ গল্পটির লিখেছিলেন ফ্রেড্ররিক ব্রাউন। এটি এখন পর্যন্ত পৃথিবীর সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ভূতের গল্প। এ গল্পের লেখক ফ্রেড্ররিক ব্রাউনও ছিলেন আমেরিকান। গল্পটি নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছা করছে? গল্পটি হলো-

'দ্য লাস্ট ম্যান অন আর্থ সেট আ রুম। দেয়ার ওয়াজ আ নক অন দা ডোর'। এর অনুবাদ করলে দাঁড়ায়, পৃথিবীর সর্বশেষ মানুষটি একাকী একটা রুমে বসে আছেন। হঠাত্‍ কে যেন তার দরজায় নক করল।

লাইনটি পড়তে পড়তে আপনার মনে হয়তো অনেক প্রশ্নের উদয় হয়েছে? ভাবছেন পৃথিবীর শেষ মানুষ… তাহলে দরজায় নক করলে কে? এজন্যই এই লাইন দুটি জায়গা করে নিয়েছে ছোট গল্পের তালিকায়।

©️

বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫

প্যারাসিটামল যাদের  জীবনের জন্য হুমকি  ----------------------------------------------

 "বিড়ালকে আপনি প্যারাসিটামল খাওয়াবেন, প্যারাসিটামল আপনার বিড়ালকে খেয়ে ফেলবে "


প্যারাসিটামল যাদের  জীবনের জন্য হুমকি 

----------------------------------------------

১) মাংসাশি প্রাণিদের মধ্যে শুধু বিড়াল (পোষা ও বন্য সকল ক্যাটাগরি) জাতীয় প্রাণি প্রাণিতে প্যারাসিটামল বিষক্রিয়া তৈরী করে । কুকুরের ক্ষেত্রে  এই রকম সোজা সাপটা নির্দেশনা নেই । ব্রিড ভেদে কম বেশী টলারেন্স থাকলওে  কুকুরে  প্যারাসিটামল ব্যবহার নিরাপদ নয় । 


২)  প্যারটস (বাজেরিগার, ককাটিল, আফ্রিকান গ্রে প্যারট, আমাজন প্যারট, ম্যাকাউ, লাভবার্ড, ক্যানারি, ফিন্সেস, কাকাতুয়া), কবুতর  । গ্যালিফরমস বার্ড যেমন চিকেন এ প্যারাসিটামল ব্যবহার পরিলক্ষিত হলেও এদের জন্য  নির্দেশিত ব্যাথানাশকের তালিকায় প্যারাসিটামলের নাম নেই ।

৩) লেগোমরফ (Legomorph) : খরগোশ (Rabbit) এবং হেয়ার (Hare) । 

৪) রডেন্টস (Rodents) - গিনিপিগ, ক্যাপিবারা (Capybara), চিনচিলা (Chinchilla) , সজারু, দেগু (Degu) ।

৫) সকল প্রকার সরীসৃপ ও ব্যাঙ জাতীয় প্রাণি।


কেন প্যারাসিটামল ব্যবহার করেন পোষা প্রাণিতে ? 

------------------------------------------------------------

প্রথমত পোষা প্রাণিকে সন্তানতুল্য করে লালন পালন করছেন পেট পেরেন্টস । মানুষের মেডিসিন পোষায় ব্যবহার হচ্ছে হরহামেশা। এটা তারা দেখছেন । সুতরাং প্যারাসিটামল মানুষে ব্যবহার হলে নিশ্চয় পোষা প্রাণিতে উপকারী হবে । আর এই লাইনের প্রতিবেশী পেট লাভার , ফেইসবুক গ্রুপ,  ইউটিউব ভাই এর নিকট থেকে তথ্য নিয়ে জাস্টিফিকেশন না করে খাওয়ানোর কাজটা করে ফেলেন অনেক পেট পেরেন্টস ।  জ্বর আসছে কীংবা ব্যাথা পেয়েছে সামান্য বিষয়ে ডাক্তারের শরনাপন্ন না হয়ে বিড়ালকে প্যারাসিটামল দিয়ে থাকেন ।


মানুষের ক্ষেত্রে প্যারাসিটামল কিভাবে মেটাবজিম হয় ?

-------------------------------------------------------

সাধারণত ০৩ টি পদ্ধতিতে প্যারাসিটামল মেটাবলিজম হয়ে থাকে 

১) Glucuronidation : ( ফেজ-২ মেটাবলিজম )

প্যারাসিটামল দেহের Glucuronic Acid এর সাথে যুক্ত হয়ে প্যারসিটামল Glucuronide   তৈরী হয় । এই ক্ষেত্রে ইউডিডি-গ্লোকরনোসিল ট্রান্সফারেজ(UDP-Glucuronosyl Transferase) নামক  এনজাইম প্রভাবক হিসাবে কাজ করে । Paracetamol-Glucuronide একটা পানীতে দ্রবণীয় নন-টক্সিক মেটাবলাইট । গ্রহণকৃত প্যারাসিটামলের  ৫৯-৬০%  Paracetamol-Glucuronide কিডনির মাধ্যমে  বেরিয়ে যায় । 


২) সালফেসান (Sulfation) : 

প্যারাসিটামল সালফোট্রান্সফারেজ (Sulfotransferase) এনজাইমের প্রভাবে দেহের সালফেট মলিকুলের সাথে যুক্ত হয়ে প্যারাসটিামল সালফেট তৈরী হয় । ইহাও পানীতে দ্রবনীয় , নন-টক্সিক একটা মেটাবলাইট । এই পদ্ধতিতে কিডনির মাধ্যমে দেহ থেকে  বেরিয়ে যায় ২০-৩০% প্যারসিটামল ।


৩) অক্সিডেশন : (Oxidation)


এই পদ্ধতিতে ৫-১০% Paracetamol দেহ থেকে কিডনির মাধ্যমে  বেরিয়ে যায় ।  সাইটোক্রোম পি-৪৫০ এনজাইমের প্রভাবে Paracetamol/Acetaminophen  ভেঙ্গে N-acetyl-p-benzoquinoneimine (NAPQI) তৈরী হয় । এই  NAPQI  একটা বিষাক্ত এবং বিক্রিয়াশীল Metabolite  । এই নাপকি গ্লোটাথিওনের (Glutathione) সাথে বিক্রিয়া করে মারক্যাপচুরকি এসিড (Mercapturic Acid) এবং সিস্টিন কনজুগেট (Cysteine Conjugate) হিসাবে কিডনি দিয়ে বের হয়ে যায় ।


বিড়ালের ক্ষেত্রে কেন বিষক্রিয়া দেখা দেয় ?

---------------------------------------------------

১) Glucuronidation প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্যারাসিটামল যে এন্জাইমের (UGT) প্রভাবে Paracetamol Glucuronide ্এ রুপান্তরিত হয়ে নন-টক্সিক মেটাবলাইট হিসাবে Kidney দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারে  সেই এনজাইমের ঘাটতি থাকে বিড়ালের লিভারে । সুতরাং প্যারাসিটামল দেহ থেকে বের করতে হলে বাকী দুই পদ্ধতি সালফেশান এবং অক্সিডেশান এর উপর নির্ভর করতে হয় । 

২) সালফেশনের জন্য যে এনজাইম (সালফোট্রান্সফারেজ) প্রয়োজন তা বিড়ালের আছে কিন্তু এই পথের তো পাসিং ক্যাপাসিটি কম  । তাই দ্রুত প্যারাসিটামল দেহে জমতে শুরু করে । বাধ্য হয়ে অক্সিডেশন প্রক্রিয়ার উপর নির্ভর করতে হয় । 


৩) অক্সিডেশন প্রক্রিয়াতে ঠিকই নাপকি (NAPOI) তৈরী হয়  যা খুবই বিষাক্ত এবং বিক্রিয়াশীল । মানুষের ক্ষেত্রে গ্লুটাথিওয়নের পর্যাপ্ত মজুদ থাকে যার দ্বারা নাপকি ভেঙ্গে মারক্যাপচুরিক এসিড এবং সিস্টিন কনজুগেট হিসাবে কিডনি দিয়ে বের হয়ে যায় । পক্ষান্তরে বিড়ালে  Glutathione  এর মজুদ সীমিত । ফলে ব্যাপকহারে উৎপাদিত নাপকিকে নন-টক্সিক মেটাবলাইট এ রুপান্তরিত করা সম্ভব হয় না ।  এই নাপকি-ই লিভার  এবং Red Blood Cell ধ্বংস করে ।


কীভাবে Cat মৃত্যুমুখে পতিত হয় ?

-----------------------------------

NAPQI হিমোগ্লোবিন ভেঙ্গে মিথ-হিমোগ্লোবিন তৈরী করে যা অক্সিজেন বহন করতে পারে না । বিড়ালের শ্বাসকষ্ট দেখা দেয় । মিউকাস মেমব্রনে সায়ানোটিক (Cyanotic) হয়ে যায় । লিভারে সেন্ট্রিলবিউলার জোনে নেক্রসিস হয়ে লিভার ফেইল করে বিড়াল মারা যায় । প্যারাসিটামল বিষক্রিয়া শুরুর সাথে সাথে  দ্রুত বিড়ালকে নিয়ে হাসপাতাল/ক্লিনিকে যাওয়া আবশ্যক ক্রিটিক্যাল কেয়ারের জন্য । অন্যথায় বিড়ালের মৃত্যু হবে ।

Courtesy: Dr. Nazmul Huda Sir

বিয়ের ক্ষেত্রে  “কুফু” একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। 

 ✨কুফু(كُفُو)✨


বিয়ের ক্ষেত্রে  “কুফু” একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। 

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

«قال رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم تَخَيَّرُوا لِنُطَفِكُمْ وَانْكِحُوا الْأَكْفَاءَ وَأَنْكِحُوا إِلَيْهِمْ»

 “তোমরা ভবিষ্যত বংশধরদের স্বার্থে উত্তম নারী গ্রহণ করো এবং  'কুফু' বিবেচনায় বিবাহ করো, আর বিবাহ দিতেও 'কুফুর' প্রতি লক্ষ্য রাখো।” [১]


⬜এখন 'কুফু'-র অর্থ কি?

“কুফু”(كُفُو) একটি আরবী শব্দ; যার অর্থ সমান,সমতুল্য,সমতা,সমকক্ষ[২]।

ইসলামী পরিভাষায় বর-কনের দ্বীন-দুনিয়ার যাবতীয় কিছুতে সমান সমান বা কাছাকাছি হওয়াকে  “কুফু” বলে।


⬜বিয়ের ক্ষেত্রে  “কুফু” কেন গুরুত্বপূর্ণ আসুন একটি উদাহরণ দেখি:

 মনে করুন, A একটি দ্বীনদার মেয়ে এবং B একটি বেদ্বীন ছেলে। একজন দ্বীনদার,অপরজন বেদ্বীন; দুজনের মধ্যে কুফু নেই। তারপরেও দুজনের বিয়ে হলো, মেয়েটি যেহেতু দ্বীনদার তাই সে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে  তার দ্বীনকে টেনে আনে, চায় প্রতিটি ক্ষেত্রে দ্বীনের ছাপ থাকুক। অপরপক্ষে বেদ্বীন ছেলেটি চাইবে দুনিয়ার স্রোতে গা ভাসিয়ে দিতে, চাইবে সবকিছুই হোক দ্বীনের বাঁধনমুক্ত। ফলস্বরূপ অশান্তি। শেষ পরিণতি 'তালাক'।


👉এবার আরেকটি উদাহরণ দেখি:

মনে করুন, আপনার মাসিক আয় দশ হাজার টাকা। আর আপনি এমন কাউকে বিয়ে করলেন যার বাবার মাসিক আয় ছিল পঞ্চাশ হাজার টাকা। অর্থনৈতিক অবস্থানে 'কুফু' নেই। কি মনে হয় সুখে থাকবেন? নাহ।

হাতি-ওয়ালার সাথে বন্ধুত্ব করলে হাতি রাখার মত ঘর নিজেকে বানাতে হবে। নতুবা ‘বড়র পিরীতি বালির বাঁধ, ক্ষণে হাতে দড়ি ক্ষণে চাঁদ।’ বুঝলেন?

অতএব, আপনার রোজগার দশ হাজার টাকা হলে আপনার বিয়ে করা উচিত এমন কাউকে যে এরমধ্যেই মানিয়ে চলতে পারবে। নয়তো বিয়ের পর শুনতে হতে পারে, ‘ভুল করেছি তোমায় বিয়ে করে, দাও এবার আমার হাতটি ছেড়ে ’।


👉তাই সর্বদিক দিয়ে নিজের চলাফেরা, পোশাক আশাক, বাড়িঘর, থাকা খাওয়ার মান যেমন, ঠিক সেই সমমানের পাত্রী পছন্দ করা উচিৎ। এতে কেউ কারোর উপর গর্ব প্রকাশ করবেনা, খোঁটা দেবেনা; ভালোবাসার গতিও বাধাগ্রস্ত হবেনা। এককথায় প্রায় সব বিষয়ে 'কুফু' বিবেচনা করেই বিয়ের পিঁড়িতে বসা উচিত। নচেৎ পরবর্তী সময়ে 'ভালোবাসা জানালা দিয়ে পালাতে পারে'।


⬜যদি সবকিছুতেই 'কুফু' মিলে যায় তবে তো সোনায় সোহাগা এবং এমন দাম্পত্য হবে চিরসুখের। পক্ষান্তরে কিছু না পেলেও যদি শুধুই দুজনের মধ্যেই দ্বীনদারী থাকে তবে সুখের জন্য এটাই যথেষ্ট। দ্বীনদারদের তো সবকিছুই আশ্চর্যের; তারা সর্বাবস্থায় সুখ শান্তি খুঁজে নিতে পারে। আলহামদুলিল্লাহ আলা কুল্লি হাল।


⬜শেষ কথা: অনেকে বলতে পারেন কোনো ব্যাপার না বিয়ে করে মেয়েকে দ্বীনদার বানিয়ে নেব। ভাই, এটা স্রেফ একটি শয়তানের ধোকা, উল্টোও তো হতে পারে দেখা গেল দ্বীনদার বানাতে গিয়ে আপনিই বেদ্বীন হয়ে গেলেন। কি দরকার এত রিস্ক নেওয়ার? যেখানে এই জীবন একটি পরীক্ষাকেন্দ্র, পাশ করার সুযোগও এঊ৯ঃহপগঔকটিই। তারপরেও রিস্ক?

বরং একটি কাজ করা যেতে পারে বিয়েতে দ্বীনকে কন্সট্যান্ট রেখে [এখানে কোন ডিসকাউন্ট নেই দুঃখিত] অন্যান্য দুনিয়াবি বিষয়গুলি সামান্য হেরফের করে এডজাস্ট করা যেতেই পারে। আসলে সবকিছুই নির্ভর করছে দ্বীনদার কেমন তার ওপরে, যত বেশি দ্বীনদারী থাকবে ততোই বাকিগুলোর গুরুত্ব কমবে। 


✨রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

«ليَتَّخذَ أحَدُكُمْ قَلْباً شَاكِراً وَلِسَاناً ذَاكراً وَزَوْجَةً صَالِحَةً تُعينُهُ عَلَى أَمرِ الآخِرَة».


‘‘তোমাদের প্রত্যেকের কৃতজ্ঞ অন্তর ও যিকিরকরি জিহ্বা হওয়া উচিৎ। আর এমন মুমিনা স্ত্রী গ্রহণ করা উচিৎ; যে তার আখেরাতের কাজে সহায়তা করবে।’’ [৩]


⬜আখিরাতের কাজে সহযোগিতা করার জন্য স্বামী-স্ত্রীর কুফু থাকতে হবে। স্ত্রীকে অবশ্যই দ্বীনদারিতে স্বামীর বরাবর বা কাছাকাছি  হতেই হবে নচেৎ সে আখিরাতের কাজে সহায়তার থেকে বাধা বেশি দেবে এবং অনেকক্ষেত্রে শরীয়ত বিরোধী কাজ করে আপনাকে জাহান্নামের পথেও টানবে। স্ত্রী যদি বেশি দ্বীনদার হয় তবে স্বামীর ক্ষেত্রেও একই।


   « رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ            وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَاماً».       


__________________

[১] সুনান ইবনু মাজাহ : ১৯৬৮ ; সহীহ

[২] আল-ওয়াফি ডিকশনারি

[৩] ইবনে মাজাহ: ১৮৫৬, আস-সিলসিলাতুস সহীহাহ :২১৭৬

©️

মেয়েরা কেন বাবার কাছে সবসময় প্রিয় হয় তার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 অনেকেই বলে থাকেন, “মেয়েরা বাবার আদরের ধন” — কিন্তু এর পেছনে শুধু আবেগ নয়, আছে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও।

🧠 মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে

গবেষণা অনুযায়ী, বাবারা সাধারণত কন্যাদের প্রতি বেশি সংবেদনশীল হন। Journal of Neuroscience (2017)-এ প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বাবারা কন্যাসন্তানের মুখাবয়বের প্রতি বেশি সাড়া দেন, বিশেষত যখন তারা হাসে বা আবেগপ্রবণ হয়। তারা ছেলে সন্তানের তুলনায় মেয়েদের প্রতি বেশি সহানুভূতি ও সংবেদনশীলতা দেখান। এটা ব্রেইনের emotional processing areas, যেমন amygdala ও prefrontal cortex এর ভিন্নতাজনিত কারণে ঘটে।


👨‍👧 আত্ম-পরিচয় ও পিতৃত্বের বন্ধন

Developmental Psychology জার্নালের এক গবেষণায় বলা হয়, কন্যাসন্তানের সঙ্গে বাবাদের একটি গভীর protective instinct গড়ে ওঠে। অনেক বাবা মনে করেন, তাদের মেয়েরা দুর্বল এবং তাদের সুরক্ষা দরকার — এই ধারণা থেকেই তারা আরও বেশি যত্নশীল হয়ে ওঠেন।


🧬 জিনগত এবং হরমোনজনিত সম্পর্ক

বিজ্ঞান বলছে,  যখন সন্তান জন্মায়, তখন পুরুষদের শরীরে oxytocin (ভালোবাসার হরমোন) বাড়ে। তবে কন্যাসন্তানের জন্ম হলে এই হরমোনের মাত্রা আরও বেশি হয়, যা বাবাকে বেশি আবেগপ্রবণ এবং সংযুক্ত করে তোলে।

💬 সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাব

বাংলাদেশসহ অনেক সংস্কৃতিতে বাবারা কন্যাসন্তানকে একটি দায়িত্ব এবং সম্মানের প্রতীক হিসেবে দেখেন। তারা মেয়েদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন থাকেন, যা থেকে আরও বেশি সংযুক্তি তৈরি হয়।


🧪 সংক্ষেপে

বাবা-মেয়ের এই বিশেষ সম্পর্ক কেবল আবেগের নয়, বরং নিউরোসায়েন্স, হরমোনাল পরিবর্তন এবং সামাজিক মানসিকতার সম্মিলিত প্রভাব। এই সম্পর্ক মানব মস্তিষ্ক এবং হৃদয়ের এক চমৎকার সমন্বয়।


➡️ তাই, যখন কেউ বলে “বাবার চোখের মণি”, সেটা কেবল কবিতা নয় — সেটা বিজ্ঞান  ও বলে।

বুধবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৫

পাঠা ছাগলের গন্ধ: কারণ এবং এর কৌশলগত প্রতিকার

 পাঠা ছাগলের গন্ধ: কারণ এবং এর কৌশলগত প্রতিকার


পাঠা ছাগলের তীব্র ও স্বতন্ত্র গন্ধ ছাগল পালকদের জন্য একটি সাধারণ, ঔ প্রায়ই চ্যালেঞ্জিং সমস্যা। বিশেষ করে যারা পূর্ণবয়স্ক পুরুষ ছাগল পালন করেন, তাদের জন্য এটি আরও কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এই গন্ধের সঠিক উৎস ও প্রক্রিয়া বোঝা গেলে কার্যকর ব্যবস্থাপনা নেওয়া সহজ হয়। এতে প্রাণীর কল্যাণ, খামারের উৎপাদনশীলতা এবং খামারি ও আশপাশের মানুষের স্বস্তি—সবই বজায় রাখা যায়। পাঠা ছাগলের গন্ধের শারীরবৃত্তীয়, রাসায়নিক ও আচরণগত কারণ বিশ্লেষণ করে খামারিরা তাদের পশুপালন আরও কার্যকর, স্বাচ্ছন্দ্যময় ও টেকসইভাবে পরিচালনা করতে পারবেন।


শারীরবৃত্তীয় উৎস: গ্রন্থি ও হরমোনের ভূমিকা

পাঠা ছাগলের তীব্র গন্ধের প্রধান উৎস হলো বিশেষায়িত ঘ্রাণ গ্রন্থি। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো হর্ন গ্ল্যান্ড বা করনিয়াল গ্ল্যান্ড, যা শিংয়ের গোড়ার পেছনে অবস্থিত। এই গ্রন্থি ছাগলের শরীরের স্বাভাবিক অংশ এবং গন্ধ নিঃসরণের জন্য বিশেষভাবে তৈরি। এছাড়াও, ঘাড় ও কাঁধে থাকা অন্যান্য তেল গ্রন্থিও সক্রিয় হয়, বিশেষ করে প্রজনন ঋতুতে, যা গন্ধের তীব্রতা বাড়ায়।


এই গ্রন্থিগুলির কার্যকলাপ সরাসরি টেস্টোস্টেরন হরমোনের উপর নির্ভরশীল। টেস্টোস্টেরন ফেরোমোন নামের বিশেষ রাসায়নিক উৎপাদন ও নিঃসরণে সাহায্য করে, যা একই প্রজাতির আচরণ ও শারীরবৃত্তিতে প্রভাব ফেলে। এ কারণেই পূর্ণবয়স্ক পাঠার গন্ধ সবচেয়ে বেশি তীব্র হয় এবং প্রজনন মৌসুমে তা আরও বেড়ে যায়।


গন্ধ সৃষ্টিকারী রাসায়নিক যৌগ

পাঠা ছাগলের স্বতন্ত্র গন্ধ একাধিক উদ্বায়ী জৈব যৌগের মিশ্রণ। এর মধ্যে ৪-ইথাইলঅক্টানোয়িক অ্যাসিড একটি প্রধান উপাদান। কিছু কার্বক্সিলিক অ্যাসিড গন্ধের অপ্রীতিকরতার জন্য বিশেষভাবে দায়ী—


বিউটারিক অ্যাসিড: বমির মতো তীব্র গন্ধ তৈরি করে।


ক্যাপ্রোইক অ্যাসিড (C6:0): ‘ক্যাপার’ শব্দ থেকে নাম এসেছে, যার অর্থ ‘ছাগল’। এর গন্ধ খুবই তীব্র।


ক্যাপ্রিলিক অ্যাসিড (C8:0) ও ক্যাপ্রিক অ্যাসিড (C10:0): এগুলিও ছাগলের গন্ধে বড় অবদান রাখে।


তবে সব উপাদানই অপ্রীতিকর নয়। উদাহরণস্বরূপ, ৪-ইথাইলঅক্টানাল যৌগের লেবুর মতো মনোরম গন্ধ আছে এবং এটি স্ত্রী ছাগলকে আকর্ষণ করার জন্য ফেরোমোন হিসেবে কাজ করে। এমনকি এটি পারফিউম তৈরিতেও ব্যবহার হয়। ফলে বোঝা যায়, পাঠা ছাগলের গন্ধ আসলে একটি জটিল মিশ্রণ, যেখানে কিছু অংশ অপ্রীতিকর হলেও কিছু অংশ প্রজনন আচরণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।


#যখন তীব্রতা বৃদ্ধি পায়

প্রজনন ঋতুতে (সাধারণত জুলাই থেকে ডিসেম্বর) পুরুষ ছাগলের গন্ধ স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি তীব্র হয়। দিনের আলোর সময় কমে গেলে টেস্টোস্টেরন হরমোন ও ঘ্রাণ গ্রন্থির কার্যকলাপ বেড়ে যায়, ফলে গন্ধ আরও বাড়ে। গবেষণায় দেখা গেছে, এই গন্ধই ইঙ্গিত দেয় যে ছাগল প্রজননের জন্য প্রস্তুত, এবং এ সময় গন্ধ সম্পূর্ণভাবে দূর করা সবসময় উপকারী নয়।


যৌন সক্রিয় পুরুষ ছাগল প্রায়ই মুখ ও সামনের পায়ে প্রস্রাব করে, যা শরীর জুড়ে গ্রন্থি নিঃসৃত পদার্থ ছড়িয়ে গন্ধকে আরও তীব্র করে তোলে। তবে গন্ধের মূল উৎস প্রস্রাব নয়, বরং গ্রন্থি নিঃসরণ।


এই তীব্র গন্ধ দুধ ও মাংসের গুণমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। প্রজনন ঋতুতে দুধেল ছাগলকে পাঠার কাছাকাছি রাখলে দুধে অস্বাভাবিক "ছাগলের মতো" স্বাদ আসতে পারে। একইভাবে, প্রাপ্তবয়স্ক পাঠার মাংসে কস্তুরী ধরনের গন্ধ তৈরি হয় যা স্বাদ ও খাওয়ার মান কমিয়ে দেয়।


তাছাড়া, এ গন্ধ পরিবেশ ও আশেপাশের মানুষের জন্যও অত্যন্ত অস্বস্তিকর হতে পারে, বিশেষত রাটিং ঋতুতে।

✅ কার্যকর সমাধানসমূহ


1️⃣ খাসিকরণ (Weathering)

প্রজননের জন্য ব্যবহার না করা পুরুষ ছাগল ছোট বয়সে খাসি করলে গন্ধ ও অবাঞ্ছিত আচরণ কমে যায়।


2️⃣ স্বাস্থ্যবিধি ও বাসস্থান ব্যবস্থাপনা

গোয়ালঘর পরিষ্কার, শুষ্ক ও বাতাস চলাচল উপযোগী রাখুন। গোবর ও নোংরা বিছানা নিয়মিত সরান, খাবার-পানির পাত্র জীবাণুমুক্ত করুন এবং দুধেল ছাগল থেকে পাঠাকে আলাদা রাখুন।


3️⃣ খাদ্যতালিকায় বিশেষ সংযোজন

ইউক্কা নির্যাস, জিওলাইট ও কিছু ভেষজ উপাদান অ্যামোনিয়া ও গন্ধ সৃষ্টিকারী যৌগ কমাতে সাহায্য করে, যা দুধের গুণমানও ভালো রাখে।


4️⃣ বিশেষ যত্ন ও পণ্য ব্যবহার

পাঠার লোম ছেঁটে দিন যাতে গন্ধ জমতে না পারে। প্রাণীর জন্য বিশেষায়িত সাবান ও স্প্রে গন্ধের অণু ভেঙে দেয়। খামারিরা আলাদা পোশাক ও কার্যকর হাত ধোয়ার উপকরণ ব্যবহার করুন।


5️⃣ খামারের নকশা

খামার নির্মাণের সময় বাতাসের দিক বিবেচনা করুন এবং গাছ/ঝোপ দিয়ে উইন্ডব্রেক তৈরি করুন, যাতে গন্ধ দূরের বসতিতে ছড়িয়ে না পড়ে।


*****সঠিক পরিকল্পনা ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পুরুষ ছাগলের গন্ধ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। এতে প্রাণী সুস্থ থাকে, পণ্যের মান ভালো হয় এবং খামারের পরিবেশও হয় পরিচ্ছন্ন ও আরামদায়ক।

ডাঃ মোহাম্মদ মুনিরুজ্জামান

পরিচালক

@প্রফেসর ইমদাদুল হক প্রাণীসেবা কেন্দ্র ও ভেটেরিনারি ডায়গনোস্টিক সেন্টার  

লাহিড়ীহাট, বালিয়াডাঙ্গী, ঠাকুরগাঁও

#খমারস্কুল,

ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ,,,মুস্তাকীম ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ ~ কোয়ান্টাম জগতের সবচেয়ে বিস্ময়কর ধার...