এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ২০-০৮-২০২৫

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ ২০-০৮-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম


অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ এবং বাস্তবায়নে  ৩৫টি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ‘যৌথ ঘোষণাপত্র’ স্বাক্ষরিত --- অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রধান উপদেষ্টার গুরুত্বারোপ। 

 

আগামী পাঁচ বছরে জাপান, কোরিয়া ও ইউরোপে দক্ষ কর্মী পাঠানো সম্ভব হবে --- আশাবাদ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টার। 

 

 সরকারি অনুদান প্রাপ্ত জুলাইয়ের গল্প নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণে নির্মাতাদের সহানুভূতিশীল থাকার পরামর্শ তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার। 

 

 রংপুরে শহিদ আবু সাঈদ স্মৃতিস্তম্ভে ফুলেল শ্রদ্ধা --- শহীদ আবু সাঈদ এই প্রজন্মের প্রতিবাদী কণ্ঠ, তাঁর আত্মত্যাগ বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের অনুপ্রেরণা --- বললেন  এলজিআরডি ও সমবায় উপদেষ্টা ।

 

লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর উপর বহুল প্রতীক্ষিত মওলানা ভাসানী সেতু যানচলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হলো আজ।

 

জুলাই আন্দোলনের মামলায় হাইকোর্টে জামিন হওয়া পুলিশ কর্মকর্তা সাজ্জাতুর জামানের জামিন স্থগিত করেছে চেম্বার আদালত।

 

গাজায় ইসরাইলের পরিকল্পিত স্থল অভিযান আরো ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের সৃষ্টি করবে --- হুঁশিয়ারী জাতিসংঘের।

 

এবং সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপে স্বাগতিক ‍ভুটানকে ৩-১ গোলে হারালো বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল ।

সকল সাতটার সংবাদ শিরোনাম

 ২০/০৮/২০২৫

আজকের সংবাদ শিরোনাম

....................................................


* মাইলস্টোনের তিন শিক্ষক মানবতা ও সাহসিকতার জন্য জাতির কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন --- মন্তব্য প্রধান উপদেষ্টার

 

* আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজনে বাংলাদেশকে ৪০ লাখ ইউরো দেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন --- সিইসির সঙ্গে বৈঠকে জানালেন ইইউ রাষ্ট্রদূত

 

* প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকার দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ --- বললেন আইন উপদেষ্টা

 

* বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৪১ হাজার শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার


* বহু প্রতীক্ষিত তৃতীয় তিস্তা সেতু জনসাধারণ ও যানচলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে আজ


* আফগানিস্তানে বাস দুর্ঘটনায় ১৭ শিশুসহ ৭১ জন নিহত

 

* এবং আজ থিম্পুতে সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে স্বাগতিক ভুটানের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ  ১৯-০৮-২০২৫

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ  ১৯-০৮-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম


মাইলস্টোনের তিন শিক্ষক মানবতা ও সাহসিকতার জন্য জাতির কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন --- মন্তব্য প্রধান উপদেষ্টার।

 

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজনে বাংলাদেশকে ৪০ লাখ ইউরো দেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন --- সিইসির সঙ্গে বৈঠকে জানালেন ইইউ রাষ্ট্রদূত।

 

প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকার দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ --- বললেন আইন উপদেষ্টা।

 

মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে সরকার দেশের জলাশয় রক্ষায় কাজ চালিয়ে যাবে ---- বললেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা।

 

বহু প্রতীক্ষিত তৃতীয় তিস্তা সেতু জনসাধারণ ও যানচলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে  আগামীকাল।

 

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টদের মধ্যে শীর্ষ সম্মেলন আহ্বানের ঘোষণা ডোনাল্ড ট্রাম্পের।

 

এবং অস্ট্রেলিয়ায় টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট সিরিজে নর্দার্ন টেরিটরি স্ট্রাইককে ২২ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ এ দল।

সকাল সাতটার সংবাদ শিরোনাম

 ১৯/০৮/২০২৫ সকালের শিরোনাম 

আজকের সংবাদ শিরোনাম

....................................................


* জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৫-এর উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ---

 মৎস্য সম্পদ রক্ষায় দেশবাসীকে পরিবেশের প্রতি সদয় হওয়ার আহ্বান


* চলতি সপ্তাহের মধ্যেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের

কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করা হবে- জানালো নির্বাচন কমিশন


* রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আগামী সোমবার কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হতে

যাচ্ছে আন্তর্জাতিক সম্মেলন


* বোরো সংগ্রহ কর্মসূচির আওতায় চলতি মৌসুমে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ

পরিমাণ ধান ও চাল সংগ্রহ


* ২০১৬ সালে গাজীপুরে জঙ্গি অভিযানের নামে সাত জনকে হত্যার ঘটনায়

পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি


* গাজায় ইসরাইলের সঙ্গে প্রাথমিকভাবে ৬০ দিনের যুদ্ধ বিরতি ও জিম্মি

মুক্তি দেওয়ার সর্বশেষ প্রস্তাবে সম্মত হামাস


* এবং আজ কেয়ার্নস-এ তিন ম্যাচ ওডিআই ক্রিকেট সিরিজের প্রথমটিতে

স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার মোকাবেলা করবে দক্ষিণ আফ্রিকা

শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫

নারীদের মাঝে ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ স্বাভাবিক একটি ফিজিওলজিক্যাল প্রক্রিয়া

 নারীদের মাঝে ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ স্বাভাবিক একটি ফিজিওলজিক্যাল প্রক্রিয়া


। অনেকেই ভাবেন সাদা স্রাব মানেই রোগ, আসলে বিষয়টি একেবারেই তা নয়। মাসিক চক্র চলাকালীন সময়ে শরীরের হরমোনের পরিবর্তনের কারণে হালকা সাদা বা স্বচ্ছ স্রাব স্বাভাবিক। এর মূল উদ্দেশ্য হলো ভ্যাজাইনাকে আর্দ্র রাখা, জীবাণুর সংক্রমণ থেকে রক্ষা করা এবং স্পার্মের মোবিলিটি সহজ করা।

সাদা স্রাবের রং এর উপর ক্যারেক্টার দেখলেই আপনি বুঝতে পারবেন এটি নরমাল নাকি এবনরমাল।

যদি ও অনেকে নরমাল সাদা স্রাবকে রোগ বানিয়ে ইনকাম করে খাচ্ছেন। 🤣🤣🤣


সাদা ডিসচার্জ (White):

সব সময় সাদা স্রাব রোগ নয়। মাসিকের আগে-পরে, বিশেষ করে ওভুলেশনের সময়, হরমোনের প্রভাবে সাদা স্রাব বেড়ে যায়। এটি কোনো সমস্যা নয়। তবে যদি সাদা স্রাব ঘন হয়ে চিজের মতো হয়, সঙ্গে তীব্র চুলকানি ও জ্বালাপোড়া থাকে, তবে সেটি ক্যান্ডিডা বা ফাঙ্গাল ইনফেকশনের কারণে হতে পারে।


স্বচ্ছ ডিসচার্জ (Clear):

স্বচ্ছ, পাতলা ও টানটান স্রাব ওভুলেশন সময় খুব স্বাভাবিক। এটি ওভুলেশনের সময়ের সংকেতও দেয়। এতে কোনো দুর্গন্ধ বা অস্বস্তি না থাকলে একে রোগ ভাবার প্রয়োজন নেই।


হলুদ ডিসচার্জ (Yellow):

হলুদ রঙের স্রাব সাধারণত ইনফেকশনের দিকে ইঙ্গিত করে। অনেক সময় ব্যাকটেরিয়া বা ট্রাইকোমোনাস সংক্রমণের কারণে হলুদ স্রাব হয়। সঙ্গে দুর্গন্ধ, জ্বালাপোড়া বা ব্যথা থাকলে এটিকে অবশ্যই প্যাথলজিকাল ধরা হয়।


সবুজ ডিসচার্জ (Green):

সবুজ স্রাব বেশিরভাগ সময় গুরুতর সংক্রমণের লক্ষণ। সাধারণত ব্যাকটেরিয়াল বা ট্রাইকোমোনাস ইনফেকশনে এই ধরনের ঘন, দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব হয়। এটি সবসময় রোগের চিহ্ন এবং চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।

কেন মৃগেল মাছ চাষ করবেন? 

 ✨ কেন মৃগেল মাছ চাষ করবেন? 

🐟সহজ উপায়ে লাভজনক মাছ চাষের দারুণ সুযোগ,মিঠাপানির মাছ চাষে মৃগেল মাছ (Mrigal Carp) একটি জনপ্রিয় নাম। গ্রাম থেকে শহর—সবখানেই এই মাছের চাহিদা অনেক বেশি। স্বাদে ভালো, চাষে সহজ আর বাজারমূল্যও তুলনামূলক বেশি হওয়ায় অনেক কৃষক ও উদ্যোক্তা এখন মৃগেল মাছ চাষের দিকে ঝুঁকছেন।


🔹 মৃগেল মাছের বৈশিষ্ট্য


মৃগেল মাছ মূলত তলদেশে (Bottom Feeder) খাবার খোঁজে।


এরা পচা পাতা, শেওলা, ডিট্রিটাসসহ প্রাকৃতিক খাবার খেতে বেশি পছন্দ করে।


চাষের জন্য খুব বেশি কৃত্রিম খাবারের প্রয়োজন হয় না।


শরীর লম্বাটে, মাথা ছোট, আর আঁশ চকচকে – বাজারে সহজেই চেনা যায়।


🔹 মৃগেল মাছ চাষের সুবিধা


1. সহজে চাষযোগ্য – সাধারণ পুকুরে সামান্য যত্নেই বড় হয়ে ওঠে।


2. দ্রুত বৃদ্ধি – এক বছরে গড়ে ১ থেকে ১.৫ কেজি পর্যন্ত বড় হয়।


3. খাদ্য খরচ কম – যেহেতু প্রাকৃতিক খাবার বেশি খায়, তাই কৃত্রিম খাদ্যের খরচ বাঁচে।


4. পলিকালচারে উপযোগী – রুই, কাতল, সিলভার কার্পের সঙ্গে মিশ্র চাষে খুব ভালো ফলন দেয়।


5. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি – সহজে রোগে আক্রান্ত হয় না, ফলে মৃত্যুহার কম।


6. বাজারে কদর বেশি – গ্রাহকদের কাছে সবসময় চাহিদা থাকায় ভালো দাম পাওয়া যায়।


🔹 চাষের উপযুক্ত পরিবেশ


মাঝারি গভীরতার (৪–৬ ফুট) পুকুর মৃগেল চাষের জন্য উপযুক্ত।


পরিষ্কার পানি, পর্যাপ্ত সূর্যালোক এবং প্রাকৃতিক খাদ্য তৈরির ব্যবস্থা থাকতে হবে।


pH ৭–৮ এর মধ্যে থাকলে মাছ ভালো বৃদ্ধি পায়।


🔹 খাদ্য ব্যবস্থাপনা


প্রাকৃতিক খাদ্যের পাশাপাশি গুঁড়া ভুষি, সরিষার খৈল, চালের কুঁড়া ইত্যাদি খাওয়ানো যেতে পারে।


সপ্তাহে অন্তত একবার পুকুরে সার দেওয়া উচিত, যাতে প্রাকৃতিক খাদ্য বৃদ্ধি পায়।


🔹 বাজার ও লাভ


এক বছরের মধ্যে বাজারে তোলা যায়, আর বাজারে এর দাম রুই-কাতলের কাছাকাছি বা কখনও বেশি হয়।


পলিকালচারে মৃগেল চাষ করলে প্রতি বিঘায় মোট মাছের উৎপাদন অনেক বেড়ে যায়।


সামগ্রিকভাবে এটি একটি কম খরচে বেশি লাভজনক মাছ।

বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫

ইন্দিরা রোড: নামের আড়ালের গল্প, পুরনো দিনের স্মৃতি আর আজকের ইন্দিরা রোড,,,,,ঢাকার গণপরিবহন ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ইন্দিরা রোড: নামের আড়ালের গল্প, পুরনো দিনের স্মৃতি আর আজকের ইন্দিরা রোড


ঢাকার ব্যস্ততার এক কেন্দ্র ফার্মগেটের পাশ ঘেঁষে যে রাস্তাটা শহুরে জীবনের সঙ্গে মিশে আছে, সেটাই ইন্দিরা রোড। নামটা শুনলেই অনেকের মনে প্রশ্ন—এটা কি ইন্দিরা গান্ধীর নামে? নাকি এর পেছনে অন্য কোনো ‘ইন্দিরা’র গল্প আছে?


নামকরণের আসল গল্প (মিথ বনাম সত্য)


বছরের পর বছর ধরে প্রচলিত ধারণা ছিল, রাস্তাটির নাম ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নামে। কিন্তু প্রামাণ্য সূত্রে এ দাবি মেলে না। বরং, এলাকায় একসময় বসবাস করা ধনী ব্যবসায়ী দ্বিজদাস (বা দ্বিজনাথ/দ্বিজদাস) বাবু–এর জ্যেষ্ঠ কন্যা ইন্দিরা–র অকালমৃত্যুর স্মরণে রাস্তাটির নাম রাখা হয় ইন্দিরা রোড। তাদের বাড়ির ভেতরেই ইন্দিরার সমাধি ছিল—এই লোককথাটিই সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য বর্ণনা হিসেবে চলে আসছে। 


“ইন্ডিয়া রোড” নাকি “ইন্দিরা রোড”?


স্থানীয় ও সরকারি নথিতে স্বীকৃত নাম ইন্দিরা রোড (Indira Road)—“ইন্ডিয়া রোড” নয়। প্রশাসনিক রেফারেন্সে এলাকাটি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতায়, 


কোথায় এই ইন্দিরা রোড?


ফার্মগেট-খামারবাড়ি এলাকায় এটি মূলত পূর্ব–পশ্চিম সংযোগ সড়ক; কাছেই মেট্রোরেলের ফার্মগেট স্টেশন ও তেজগাঁওয়ের ব্যস্ত বাণিজ্যিক অঞ্চল। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তেজগাঁও-ফার্মগেট করিডর দ্রুত বদলে গিয়ে ঢাকার ‘সিবিডি’–র রূপ নিচ্ছে—তারও একটা ধারাবাহিক অংশ এই ইন্দিরা রোড। 


ইন্দিরা রোডের উল্লেখযোগ্য (পুরনো ও বর্তমান) স্থাপনা


তেজগাঁও কলেজ — ঠিকানা: ১৬, ইন্দিরা রোড, ফার্মগেট, ঢাকা। ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি রাস্তাটির পরিচয়ের বড় অংশ। 


খামারবাড়ি এলাকা (কৃষি প্রশাসনিক জোন)—কাছাকাছি কৃষি-সম্পর্কিত একাধিক অফিস, ব্যাংক শাখা ও দপ্তর থাকায় এই করিডর বরাবরই কর্মব্যস্ত। 


ফুটপাতের হাট/খোলা বাজারের সংস্কৃতি—বছর কয়েক আগে ইন্দিরা রোডের ফুটপাতে পোশাক-খাবার-নিত্যপণ্যের জমজমাট বাজার নিয়ে সংবাদমাধ্যমে রিপোর্ট হয়; পথের নাগালেই ‘দৈনন্দিন ঢাকা’। 


> আরো আশপাশ: মনিপুরীপাড়া, রাজাবাজার, কাওরান বাজার, পান্থপথ—সব মিলিয়ে ইন্দিরা রোড বরাবর চলাচল, বাজার-সুবিধা, শিক্ষা–স্বাস্থ্য–অফিস সংযোগ তৈরি হয়েছে এক ‘ওয়াকেবল’ শহুরে করিডর। 


অতীতের নাম কী ছিল?


উপলব্ধ নির্ভরযোগ্য উৎসে ইন্দিরা রোডের কোনো আলাদা/সরকারি ‘পূর্বনাম’ পাওয়া যায় না। সবচেয়ে প্রচলিত বয়ান হলো—দ্বিজদাস বাবুর কন্যা ইন্দিরার নামে প্রথম থেকেই এই রাস্তার নামকরণ। ফলে “আগে এর নাম কী ছিল?”—এই প্রশ্নে নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক শিরোনাম আমরা পাই না; বরং উপরের লোককথা–ইতিহাসই মূলধারা। 


কেন এই গল্প গুরুত্বপূর্ণ?


ঢাকার রাস্তার নামগুলো কেবল সাইনবোর্ড নয়—এগুলো শহরের স্মৃতি–রাজনীতি–সমাজ–ব্যবসার সুতোগুলো জুড়ে রাখে। ইন্দিরা রোডের নাম আমাদের মনে করিয়ে দেয়—এই শহর লোকজনের ব্যক্তিগত ইতিহাসও ধারণ করে, শুধু ‘বড়’ রাজনীতির স্মারক নয়। আর আজকের দিনে তেজগাঁও–ফার্মগেট করিডরের দ্রুত রূপান্তরও দেখায়, পুরনো স্মৃতির পাশে নতুন নগর—দুইয়ে মিলে গড়ে ওঠে ‘ঢাকা’। 


ঢাকার ইন্দিরা রোড কেবল একটি রাস্তা নয়, এটি শহরের ইতিহাস ও স্মৃতির বাহক। নামকরণের আড়ালে রয়েছে এক স্থানীয় পরিবারের ব্যক্তিগত বেদনা, আবার এ পথের সঙ্গে জড়িয়ে আছে তেজগাঁও কলেজ, খামারবাড়ি, রাজাবাজার–মনিপুরীপাড়া—ঢাকার নগর জীবনের প্রতিদিনের ব্যস্ততা।


আজকের আধুনিক মেট্রোরেল আর সিবিডি উন্নয়নের ভিড়ে হয়তো প্রাচীন গল্পগুলো আড়াল হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু ইন্দিরা রোড মনে করিয়ে দেয়—ঢাকা শুধু ইট-পাথরের নগর নয়, এর প্রতিটি রাস্তা ও নামের ভেতর লুকিয়ে আছে মানুষের স্মৃতি, গল্প আর আবেগ।


👉 তাই ইন্দিরা রোডকে জানলে, আমরা আসলে ঢাকারই এক টুকরো হৃদয়কে জানতে পারি।


_________________


1. 🛣️ আপনি কি কখনো ইন্দিরা রোডে থেকেছেন বা এখানে কোনো স্মৃতি আছে? সেটা আমাদের সঙ্গে শেয়ার করবেন?


2. 📸 ইন্দিরা রোডের আপনার পুরনো কোনো ছবি বা অভিজ্ঞতা থাকলে কমেন্টে দিতে পারেন—আমরা শেয়ার করবো।


3. 🤔 আপনার মতে ঢাকার কোন রাস্তাটির নামকরণ সবচেয়ে আকর্ষণীয় গল্প বহন করে?


4. 🏙️ আজকের আধুনিক ঢাকায় ইন্দিরা রোডের কোন দিকটি আপনাকে সবচেয়ে বেশি টানে—বাজার, কলেজ, নাকি লোকাল লাইফ?


_________________________________


লেখা-মোঃনাঈম ভুইয়া ||

এডমিন-ঢাকার গণপরিবহন ||


___________________________


#IndiraRoad #DhakaHistory #Farmgate #Tejgaon #Monipuripara #DhakaStreets #UrbanDhaka #ঢাকার_ইতিহাস #ইন্দিরা_রোড #ফার্মগেট #তেজগাঁও

#ঢাকারগনপরিবহন #নাঈম #ইন্দিরারোডেরনামকরণেরইতিহাস

মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫

দাঁড়িয়ে পানি পান: প্রচলিত ধারণা বনাম বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা

 দাঁড়িয়ে পানি পান: প্রচলিত ধারণা বনাম বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা🔲🔷💧


💧💧​দাঁড়িয়ে পানি খেলে কিডনির উপর চাপ পড়ে এবং সরাসরি ব্লাডস্ট্রিমে চলে যায় ❌

​এই দাবির পক্ষে সরাসরি কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। মানবদেহের পরিপাকতন্ত্র এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে, আপনি যেকোনো ভঙ্গিতেই পানি পান করুন না কেন, তা একই শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে।

​➡️ পানি প্রথমে খাদ্যনালী দিয়ে পাকস্থলীতে পৌঁছায়, এরপর তা ক্ষুদ্রান্ত্র ও বৃহদন্ত্রে শোষিত হয়।

➡️ কিডনির প্রধান কাজ হলো শরীরের পানির ভারসাম্য রক্ষা করা। আপনি যখনই পানি পান করেন, কিডনি সেই পানিকে ফিল্টার করে শরীরের অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য পদার্থ মূত্রের মাধ্যমে বের করে দেয়।


💧💧​দেহে পানির সঠিক শোষণ হয় না এবং তা অ্যাসিডিটির কারণ হয় ❌

​এটিও একটি ভুল ধারণা। আপনি দাঁড়িয়ে বা বসে যেভাবেই পানি পান করুন না কেন, পানির শোষণ প্রক্রিয়া একই থাকে।

​➡️ শরীরের ভেতরের পরিবেশ এবং হজম প্রক্রিয়া কোনো নির্দিষ্ট ভঙ্গির ওপর নির্ভরশীল নয়।

➡️ পাকস্থলীর pH বা অ্যাসিডিটি মূলত গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, যা খাবার বা পানীয়ের ভঙ্গি দ্বারা প্রভাবিত হয় না।


💧💧​হাড়ের জন্য ক্ষতিকর এবং ক্যালসিয়াম বেরিয়ে যায় ❌

​এই ধারণাটিও ভুল। দাঁড়িয়ে পানি খেলে ক্যালসিয়াম দ্রুত প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে যায়, এমন কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

​➡️ মানবদেহে ক্যালসিয়াম শোষণের প্রক্রিয়া খুবই জটিল এবং এর সঙ্গে হরমোন ও ভিটামিন ডি জড়িত। এটি পানি পান করার ভঙ্গির ওপর নির্ভরশীল নয়।

➡️ অস্টিওপোরোসিস একটি দীর্ঘমেয়াদী রোগ, যার সঙ্গে পুষ্টির অভাব, হরমোনজনিত সমস্যা, বয়স এবং জেনেটিক কারণ জড়িত। দাঁড়িয়ে পানি পানের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।


💧💧​নার্ভ সিস্টেমে স্ট্রেস বাড়ে ❌

​দাঁড়িয়ে পানি পান করলে ভেজিটেটিভ নার্ভ সিস্টেম উত্তেজিত হয় এবং হার্টবিট বাড়ে—এই দাবিটি সরাসরি কোনো গবেষণায় প্রমাণিত হয়নি। এই সিস্টেম শরীরের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম যেমন হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ এবং হজম প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে, তবে এর সঙ্গে দাঁড়িয়ে পানি পান করার কোনো সম্পর্ক নেই।


💧🔷​ধর্মীয় উপদেশ: ইসলামে বসে পানি খেতে বলা হয়েছে ✅

​এটি একটি ধর্মীয় উপদেশ। ইসলামে বসে পানি পান করাকে সুন্নত বলা হয়েছে, যার পেছনে স্বাস্থ্যগত সুবিধার চেয়ে নৈতিক ও আধ্যাত্মিক কারণ বেশি গুরুত্ব পায়। এটি শিষ্টাচার ও বিনয়ের অংশ হিসেবে পালন করা হয়।


​শেষ কথা

🌿​দাঁড়িয়ে পা

সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫

মাউন্ট ওমুরো (Mount Omuro): জাপানের এক অনন্য নিস্ক্রিয় আগ্নেয়গিরি।। 

 মাউন্ট ওমুরো (Mount Omuro): জাপানের এক অনন্য নিস্ক্রিয় আগ্নেয়গিরি।। 



জাপান প্রকৃতি ও আগ্নেয়গিরির দেশ। এখানকার অসংখ্য পর্বতচূড়ার মধ্যে মাউন্ট ফুজি যেমন বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছে, তেমনি অনন্য আকৃতির জন্য সমান জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে মাউন্ট ওমুরো (Mount Omuro)। এটি শিজুওকা প্রিফেকচারের ইতো শহরে, ইজু উপদ্বীপে (Izu Peninsula) অবস্থিত এক নিস্ক্রিয় আগ্নেয়গিরি।


🔸ভৌগোলিক অবস্থান ও উচ্চতা


মাউন্ট ওমুরোর উচ্চতা প্রায় ৫৮০ মিটার (১,৯০০ ফুট)। অন্যান্য উঁচু আগ্নেয়গিরির তুলনায় এটি ছোট হলেও এর সৌন্দর্য অসাধারণ। পর্বতটির গঠন সম্পূর্ণ গোলাকার, যেন সবুজে মোড়া এক বিশাল ঢিপি। দূর থেকে একে অনেক সময় বড় একটি সবুজ বাটির মতো দেখা যায়, যা দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে।


🔸আগ্নেয়গিরির বৈশিষ্ট্য


এটি একটি নিস্ক্রিয় আগ্নেয়গিরি, অর্থাৎ বহু বছর আগে বিস্ফোরণের মাধ্যমে এর সৃষ্টি হলেও বর্তমানে এর কোনো কার্যকলাপ নেই।


পাহাড়ের ক্রেটার অংশ (গহ্বর) আজও স্পষ্টভাবে দেখা যায়। তবে সেটি ভেতরে ঢুকে নেই; বরং চারপাশের ঢাল নরম সবুজ ঘাসে ঢাকা।


এর ঢাল এতটাই সমান ও নিখুঁত যে দেখতে অনেকটা কৃত্রিম পাহাড়ের মতো মনে হয়।


🔸পর্যটন আকর্ষণ


মাউন্ট ওমুরো শুধু একটি ভূতাত্ত্বিক নিদর্শন নয়, বরং জাপানের একটি জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। প্রতি বছর দেশি-বিদেশি হাজারো ভ্রমণকারী এখানে আসে। এর কয়েকটি বিশেষ দিক হলো—


1. চেয়ারলিফট বা কেবল লিফট

পাহাড়ের পাদদেশ থেকে শীর্ষে উঠতে কেবল লিফট ব্যবহার করা হয়। এতে ভ্রমণকারীরা সহজেই ক্রেটারের ধারে পৌঁছে যেতে পারেন।


2. প্যানোরামিক দৃশ্য

পাহাড়ের উপরে উঠে ৩৬০ ডিগ্রি ভিউ উপভোগ করা যায়। এখান থেকে স্পষ্ট দেখা যায়—


▫️দূরে মাউন্ট ফুজি


▫️বিশাল প্রশান্ত মহাসাগর


▫️এবং নিকটবর্তী ইজু দ্বীপপুঞ্জ।


3. ক্রেটার পথচারী পথ

শীর্ষে উঠে পর্যটকরা ক্রেটারের চারপাশ ঘুরে দেখতে পারেন। পুরো চক্কর দিতে প্রায় ২০-৩০ মিনিট সময় লাগে।


4. ধনুক-বাণ অভিজ্ঞতা (Archery)

ক্রেটারের ভেতরে ঐতিহ্যবাহী ধনুক চালানোর (কিউদো) বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, যা জাপানের সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার এক অভিনব সুযোগ।


🔸সাংস্কৃতিক গুরুত্ব


মাউন্ট ওমুরো স্থানীয় মানুষের কাছে শুধু প্রাকৃতিক নিদর্শন নয়, বরং সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থান। প্রতি বছর বিভিন্ন উৎসব ও ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান এখানে অনুষ্ঠিত হয়। এর সবুজে ঢাকা মসৃণ ঢাল জাপানি শিল্পী, ফটোগ্রাফার ও চলচ্চিত্র নির্মাতাদের জন্যও একটি জনপ্রিয় বিষয়।


🔸মাউন্ট ওমুরো জাপানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ভূতাত্ত্বিক বিস্ময়ের এক অসাধারণ উদাহরণ। এর গোলাকার নিখুঁত আকৃতি, শীর্ষ থেকে মনোমুগ্ধকর দৃশ্য, এবং অনন্য পর্যটন সুবিধা একে বিশেষভাবে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। যারা জাপানে ভ্রমণ করতে চান, বিশেষ করে শিজুওকা প্রিফেকচার ঘুরে দেখতে চান, তাদের জন্য মাউন্ট ওমুরো এক অবশ্য দর্শনীয় স্থান।


Geography zone- ভূগোল বলয় 

#geography #viral #model 

#geographyzone #follower

এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করার সময় আলেকজান্ডার ফ্লেমিং বলেছিলেন, "এই এন্টিবায়োটিকের কারণে আজ কোটি কোটি মানুষের প্রাণ বেঁচে যাবে। কিন্তু অনেক বছর পর এগুলো আর কাজ করবে না! তুচ্ছ কারণে কোটি কোটি লোক মারা যাবে আবার।"

 এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করার সময় আলেকজান্ডার ফ্লেমিং বলেছিলেন, "এই এন্টিবায়োটিকের কারণে আজ কোটি কোটি মানুষের প্রাণ বেঁচে যাবে। কিন্তু অনেক বছর পর এগুলো আর কাজ করবে না! তুচ্ছ কারণে কোটি কোটি লোক মারা যাবে আবার।"


এন্টিবায়োটিক খাওয়ার কিছু নিয়ম আছে। একটা নির্দিষ্ট ডোজে, একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত এন্টিবায়োটিক খেতে হয়। না খেলে যেটা হতে পারে সেটাকে বলা হয় "এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স''।


অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স কী?

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স হল এক ধরণের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স, যেখানে ব্যাকটেরিয়ার মতো অণুজীবগুলি তাদের হত্যা বা বাধা দেওয়ার জন্য তৈরি ওষুধের প্রভাব সহ্য করার ক্ষমতা বিকাশ করে।


এটি একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যেখানে ব্যাকটেরিয়া অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতিতে বেঁচে থাকার জন্য অভিযোজিত হয় এবং বিবর্তিত হয়।


এই অভিযোজনের মধ্যে জিনগত পরিবর্তন অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে যা অ্যান্টিবায়োটিককে অকার্যকর করে তোলে, প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়াকে সংখ্যাবৃদ্ধি এবং ছড়িয়ে পড়তে দেয়।

যদিও প্রতিরোধ একটি প্রাকৃতিক ঘটনা, অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার এবং অতিরিক্ত ব্যবহার এর বিকাশকে উল্লেখযোগ্যভাবে ত্বরান্বিত করে।


ধরুন, আমার দেহে এক লক্ষ ব্যাকটেরিয়া আছে। এগুলোকে মারার জন্য আমার ১০টা এম্পিসিলিন খাওয়া দরকার। এম্পিসিলিন এক প্রকার এন্টিবায়োটিক। আপনি খেলেন ৭ টা। ব্যাকটেরিয়া মরলো ৭০ হাজার এবং আপনি সুস্থ হয়ে গেলেন। ৩০ হাজার ব্যাকটেরিয়া কিন্তু রয়েই গেল। এগুলো শরীরে ঘাপটি মেরে বসে জটিল এক কান্ড করল নিজেরা নিজেরা।


তারা ভাবল, যেহেতু এম্পিসিলিন দিয়ে আমাদের ৭০ হাজার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে, আমাদেরকে এম্পিসিলিন প্রুফ জ্যাকেট পরতে হবে এবার। প্ল্যান করে থেমে থাকে না এরা, বরং সত্যি সত্যি জ্যাকেট তৈরি করে ফেলে ওই ব্যাকটেরিয়াগুলো। এরা বাচ্চা-কাচ্চাও পয়দা করে একই সময়ে। বাচ্চাদেরকেও সেই জ্যাকেট পরিয়ে দেয়।

এর ফলে যেটা হয়, পরের বার এম্পিসিলিন নামক এন্টিবায়োটিকটা আর কাজ করে না!


সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে, জ্যাকেট পরা ব্যাকটেরিয়াগুলো কেবল ঐ ব্যাক্তির শরীরেই বসে থাকে না। তিনি যখন হাঁচি দেন, কাশি দেন, ব্যাকটেরিয়া গুলো ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। এক সময় পুরো এলাকায়ই আর ওই এন্টিবায়োটিক কাজ করে না। যারা খুব নিয়ম করে ওষুধ খান তারাও বিপদে পড়ে যান সবার সাথে।


আমরা খুব ভয়ংকর একটা সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি দ্রুত। ব্যাকটেরিয়া আর তাদের বিভিন্ন 'জ্যাকেট'এর তুলনায় এন্টিবায়োটিকের সংখ্যা খুব বেশি না। অনেক এন্টিবায়োটিক এখন আর কাজ করে না, বাকিগুলোর ক্ষমতাও কমে আসছে। আমাদের বড় বড় হাসপাতাল থাকবে, সেখানে এফসিপিএস, এমডি, পিএইচডি করা ডাক্তাররা থাকবেন কিন্তু কারোরই কিছু করার থাকবে না। সামান্য সর্দিতেই রোগী মরে সাফ হয়ে যাবে।


উন্নত বিশ্বের চিকিৎসা ব্যবস্থা আলাদা। তারা নিয়ম মেনে ডাক্তারের পরামর্শ মতো ওষুধ খায়। বিপদে আছি আমরা। "মেডিসিনের বাইবেল" নামে পরিচিত ডেভিডসের বইয়েও আমাদের এই উপমহাদেশের উল্লেখ আছে আলাদা করে। অনেক ট্রিটমেন্টে বলা হয়েছে,

"This organism is registant against this Drugs in the subcontinent'' অর্থাৎ এই জীবাণুটি উপমহাদেশের এই ওষুধগুলোকে প্রতিরোধ করতে সক্ষম।


টিভি পত্রিকায় নানান বিষয়ে মানুষকে সচেতন করা হয়। বাথরুম করে হাত ধুতে হবে, কাশি হলে ডাক্তার দেখাতে হবে, নিরাপদ জল খেতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু এন্টিবায়োটিক নিয়ে কোনো কিছু আজও চোখে পড়েনি। অথচ এটা অন্যগুলোর চেয়ে বেশি জরুরি। এন্টিবায়োটিক কাজ না করলে এত সচেতনতা দিয়েও আর লাভ হবেনা। আগুন নিয়ে খেলছে ফার্মেসিওয়ালারা।


রোগী ফার্মেসীতে গিয়ে একটু জ্বরের কথা বললেই ফার্মেসিতে বসে থাকা সেই লোকটি দিয়ে দিচ্ছে Azithromycin, Cefixime, Cefuroxime অথবা Levofloxacin নামক কিছু নামকরা দামী এন্টিবায়োটিক, কিন্তুু কত দিন খেতে হবে সেটা না জানিয়ে সুন্দর করে বলে দেয় এই ওষুধটি ১ ডোজ খাবেন, সব রোগ ভালো হয়ে যাবে আর এই ভাবেই আস্তে আস্তে Resistance হচ্ছে সব এন্টিবায়োটিক।  


চিকিৎসা ব্যবস্থার সাথে যারা জড়িত তাদেরকে এখনই ব্যাপারটা নিয়ে ভাবা উচিত। সবাইকে এন্টিবায়োটিকের সঠিক ব্যবহার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। না হলে আমাদের ভবিষ্যত অন্ধকার।

   সংগৃহীত ও পরিবর্তিত

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...