এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫

বেশি খোচালে,বধীর হবেন

 

বেশি খোচালে,বধীর হবেন


আমরা ভাবি, কটন বাড কান পরিষ্কার করে। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে ঠিক এর উল্টোটা! এটি কানের ময়লাকে ঠেলে কানের পর্দার আরও কাছে নিয়ে যায়, যা সাধারণ প্রক্রিয়ায় আর বেরিয়ে আসতে পারে না। ফলাফল? 🫩

১. ময়লা জমতে জমতে কানের ভেতরে শক্ত জট (Impacted Wax) তৈরি হয়, যা আপনার শোনার ক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং কানে তীব্র ব্যথা হতে পারে।

২. কানের ভেতরের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল। কটন বাডের সামান্য আঘাতেও সেখানে ঘা হতে পারে। এই ক্ষত থেকে রক্তপাত, চুলকানি এবং মারাত্মক ইনফেকশন (Otitis Externa) হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

৩. অসাবধানতাবশত সামান্য জোরে খোঁচা লাগলেই কানের পর্দা ফেটে যেতে পারে। মারাত্মক ক্ষেত্রে, এটি কানের ভেতরের সূক্ষ্ম হাড়গুলোকে পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, যা আপনাকে সাময়িক বা এমনকি স্থায়ীভাবে বধির করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট!

বিশেষজ্ঞদের মতে, আমাদের কানের ময়লা বা খোল (Earwax) আসলে কানের সুরক্ষা কবচ। এটি বাইরে থেকে ময়লা ও ব্যাকটেরিয়াকে ভেতরে ঢুকতে বাধা দেয়। কান প্রাকৃতিক নিয়মেই নিজে থেকে পরিষ্কার হয়ে যায়, তাই আলাদা করে পরিষ্কার করার কোনো প্রয়োজন নেই।

এরপরও কানে বেশি অস্বস্তি হলে বা কম শুনলে, নিজে চিকিৎসা না করে একজন নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। 🧑‍⚕️😊

#science #life #healthtipsbd #DidYouKnow #ear #earwax #cotton #swab #medical

A K W হাই স্কু লের স্যরের বিদায় অনুষ্ঠানের খরচের হিসাব ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আপনাদের সদয় জ্ঞাতার্থে অনুষ্ঠানের আয় ব্যয়ের হিসাব প্রদর্শন করছি--

এক নজরে:

আদায়: ৯৪৯৫০/=

খরচ: ৭৫২২০/=

উদ্বৃত্ত: ১৯৭৩০/=


আদায়ের পরিমাণ :

১৯৯৩= ৫০০০

১৯৯৬+৯৭= ৯০০০

১৯৯৯= ৪০০০

২০০০= ৪০০০

২০০২= ফারুক-৫০০, নাজমুল-৫০০, ফুরকান-৫০০,রনি-৫০০, উজ্জ্বল-২০০০, মানিক-৫০০, মঞ্জুর-৫০০, মুন্না-৫০০,সনি-৫০০, জমজম-১০০০ = ৭০০০

২০০৩= ৪৫০০

২০০৪= ১০০০০

২০০৬= মারুফ-৫০০, শিমুল-১০০০, সায়মন-৫০০, আনোয়ার-১০০০, পলাশ-১০০০ =৪০০০

২০০৭= ৯০০০

২০০৯= ৫০০০

২০১১= ৪৫০০

২০১৩= ৬০০০

২০১৪= ৩০০০

২০১৮= ৩০০০

২০১৯= ৮০০০

২০২০= ৪০০০

২০২১= ১৫৫০

২০২২= ১৫০০

২০২৪= ১৯০০

সর্বমোট আদায়: ৯৪৯৫০/=


বিস্তারিত খরচের তালিকা:


**উপস্থিত সকলের জন্য নাস্তা বাবদ খরচ:

মিষ্টি =৫১০০ টাকা

ডিম=৫৭০০ টাকা

কলা=২৩০০ টাকা

কেক=৩৫০০ টাকা

সমোছা=২৩৫০ টাকা

প্যাকেট=১৫০০ টাকা

আপেল=৩৮০ টাকা

মাল্টা=৩৫০ টাকা

আঙ্গুর =২৪০ টাকা

খেজুর=২১০ টাকা

পানি=৩০০ টাকা

গাডার= ৬০ টাকা

লবন=২০ টাকা

ভ্যান ভাড়া=৩৭০ টাকা

ডিম সিদ্ধ খরচ=২০০ টাকা

তেল=১৩০ টাকা

মোট: ২২৭১০ টাকা


*স্যারদের জন্য ফুল ১১৮০/-

স্যারদের দুপুরের খাবার ২১০০/-

মোটঃ ৩২৮০/-


উপহার সামগ্রী:

• পাঞ্জাবি+পাজামা - ৪৩৫০+৯৯০= ৫৩৪০৳

• শাড়ি- ৩৩৫০৳

• ক্রেস্ট- ১০,২০০৳

• শাল - ১০,৫০০৳

• খাবার - ৩০০৳

• সিএনজি ভাড়া- ৩৪০৳

• অটো ভাড়া- ২০+৩০০= ৩২০

• বাস ভাড়া- ৬০০৳

মোট : ৩০,৯৫০৳


ডেকরেটর : ১৬০০০ (সাউন্ড, জেনারেটর, ত্রিপল)সহ

ভ্যান ভাড়া: ২০০+২০+২০=২৪০

নাস্তা ডেকরেটর শ্রমিকদের: ২০০

ব্যানার : ৬০০

জেনারেটর তেল: ২৫০

পানি+ টিস্যু: ১১০

সাংবাদিক: ৫০০

বিকাশ ক্যাশ আউট চার্জ: ৩৮০

মোট: ১৮২৮০


সর্বমোট খরচ : ৭৫২২০/=


বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৫

বিলম্ব ফল খাওয়ার ৫০টি উপকারিতা 🍃

 

বিলম্ব ফল খাওয়ার ৫০টি উপকারিতা 🍃



1. হজমশক্তি বৃদ্ধি করে।


2. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।


3. ডায়রিয়া ও আমাশয় কমায়।


4. পেটের গ্যাস দূর করে।


5. অ্যাসিডিটি কমায়।


6. ক্ষুধা বাড়ায়।


7. লিভার সুস্থ রাখে।


8. রক্ত পরিষ্কার করে।


9. ত্বক সতেজ করে।


10. ব্রণ কমায়।


11. শরীরের টক্সিন দূর করে।


12. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।


13. গরমে শরীর ঠাণ্ডা রাখে।


14. শ্বাসকষ্ট কমায়।


15. হাঁপানির সমস্যা হালকা করে।


16. সর্দি-কাশি উপশম করে।


17. গলা ব্যথায় আরাম দেয়।


18. জ্বরের পর শরীরের দুর্বলতা কাটায়।


19. রক্তশূন্যতা কমায়।


20. রক্ত সঞ্চালন ভালো করে।


21. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।


22. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।


23. শরীরের প্রদাহ কমায়।


24. ব্যথা উপশমে সহায়ক।


25. মস্তিষ্ক সক্রিয় রাখে।


26. মানসিক চাপ কমায়।


27. ঘুম ভালো আনে।


28. পেটের কৃমি নাশ করে।


29. মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।


30. দাঁত ও মাড়ি মজবুত করে।


31. চোখের দৃষ্টি ভালো রাখে।


32. কিডনি সুস্থ রাখে।


33. মূত্রনালী পরিষ্কার রাখে।


34. প্রস্রাবের জ্বালা কমায়।


35. শরীরে শক্তি যোগায়।


36. ক্লান্তি কমায়।


37. গরমজনিত মাথাব্যথা কমায়।


38. শরীর সতেজ রাখে।


39. অতিরিক্ত তৃষ্ণা কমায়।


40. পাকস্থলী ঠাণ্ডা রাখে।


41. খাদ্য হজমে এনজাইম তৈরি করে।


42. অতিরিক্ত মেদ কমাতে সাহায্য করে।


43. গলা শুকনো ভাব কমায়।


44. ত্বকে উজ্জ্বলতা আনে।


45. চুল পড়া কমাতে সহায়ক।


46. ত্বকের চুলকানি কমায়।


47. বমিভাব কমায়।


48. অতিরিক্ত খাওয়ার পর অস্বস্তি দূর করে।


49. আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত।


50. সামগ্রিকভাবে দেহ ও মনের সতেজতা বজায় রাখে।


👉 সাধারণত বিলম্ব ফল কাঁচা ও পাকা উভয় অবস্থায় খাওয়া যায়।
পাকা ফল সরাসরি খাওয়া যায় বা রস করে পান করা যায়।
শুকনো ফল আমাশয়, ডায়রিয়া বা হজমের সমস্যায় ভেষজ ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

বুধবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৫

নবজাতক শিশুর ৫০টি সমস্যা ও হোমিও ঔষধ~

 🎍👉 👶 নবজাতক শিশুর ৫০টি সমস্যা ও হোমিও ঔষধ~

নবজাতক (Newborn baby) শিশুর সাধারণ ৫০টি লক্ষণ বা সমস্যা ও সেগুলোর জন্য উপযুক্ত হোমিওপ্যাথিক ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়া হলো—


ক্র. সমস্যা / লক্ষণ হোমিও ঔষধ সংক্ষিপ্ত বিবরণ


1 জন্মের পর দুর্বলতা China officinalis অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বা দুর্বলতায় ব্যবহৃত।

2 স্তন্যপান না করা Aethusa cynapium দুধ খাওয়ার পর বমি হয়, দুধ সহ্য হয় না।

3 বমি বমি ভাব Ipecacuanha ক্রমাগত বমি, জিহ্বা পরিষ্কার থাকে।

4 পেট ফাঁপা Carbo vegetabilis হজমে সমস্যা, গ্যাস ও ফুলে যায়।

5 কোষ্ঠকাঠিন্য Nux vomica কঠিন পায়খানা, জোর করলে কষ্ট হয়।

6 পাতলা পায়খানা Chamomilla দাঁতের সময় বা কান্নার পর ডায়রিয়া।

7 পায়খানায় শ্লেষ্মা Mercurius solubilis দুর্গন্ধযুক্ত, রক্ত-শ্লেষ্মাযুক্ত পায়খানা।

8 নাভি দিয়ে পানি বা রক্ত Calendula officinalis ক্ষত শুকাতে সাহায্য করে, অ্যান্টিসেপটিক।

9 ত্বকে র‍্যাশ Sulphur চুলকানি, লাল দাগ, গরমে বাড়ে।

10 চোখে পুঁজ Euphrasia officinalis চোখে পানি, জ্বালাপোড়া, আলোতে অসহ্যতা।

11 নাক বন্ধ Sambucus nigra নাক বন্ধে ঘুমের সময় শ্বাসকষ্ট।

12 শ্বাসকষ্ট Antimonium tartaricum কফ জমে, বুক ভারী, শ্বাসে সাঁ সাঁ শব্দ।

13 ঠান্ডা লাগা Aconitum napellus হঠাৎ ঠান্ডা লাগলে জ্বরসহ।

14 কাশি Spongia tosta শুকনো কাশি, যেন করাতের মতো আওয়াজ।

15 ঘাম বেশি হওয়া Calcarea carbonica মাথা ঘামায়, বিশেষ করে ঘুমের সময়।

16 ঘুম না হওয়া Coffea cruda বেশি উত্তেজনা, ঘুম আসে না।

17 চিৎ হয়ে ঘুমালে কষ্ট Lycopodium clavatum পেট ফাঁপা, চিৎ হয়ে ঘুমাতে পারে না।

18 কান্না বন্ধ না হওয়া Chamomilla অবিরাম কান্না, কোলে নিলে চুপ।

19 দাঁত ওঠার জ্বর Belladonna হঠাৎ জ্বর, মুখ লাল, চোখ চকচক।

20 দাঁতের ব্যথা Calcarea phosphorica দাঁত উঠতে দেরি, ব্যথা ও দুর্বলতা।

21 নাভি ফুলে ওঠা Lycopodium নাভি উঁচু হয়ে ফুলে যায়, গ্যাসে।

22 বুক ধড়ফড় Arsenicum album দুর্বলতা ও উৎকণ্ঠাসহ।

23 জন্ডিস (Skin হলুদ) Chelidonium majus ত্বক হলুদ, প্রস্রাব গাঢ়।

24 প্রস্রাবে জ্বালা Cantharis প্রস্রাবের সময় কান্না, জ্বালা।

25 প্রস্রাব কম Apis mellifica ফোলা, প্রস্রাব কম, মুখ ফুলে যায়।

26 পেট মোচড়ানো Colocynthis পেট ব্যথায় কুঁকড়ে যায়।

27 পেট ব্যথায় চিত্কার Chamomilla ব্যথায় কান্না, কোলে নিলে শান্ত হয়।

28 বুক জ্বালা Iris versicolor দুধ উঠলে জ্বালা, বমি।

29 নাভির চারপাশে ব্যথা Podophyllum পাতলা পায়খানায় ব্যথা।

30 মাথায় খুশকি Graphites ত্বক শুষ্ক, খোসা ওঠে।

31 ত্বক শুকনো Petroleum চামড়া ফেটে যায়।

32 ফুসকুড়ি Rhus toxicodendron পানি ভর্তি দানা, চুলকায়।

33 বুকের দুধ হজম না হওয়া Aethusa cynapium দুধ খেলেই বমি হয়।

34 ঘাড় শক্ত হওয়া Gelsemium ঘাড় শক্ত, জ্বর বা ঠান্ডার পর।

35 ঠোঁট শুকনো Bryonia alba জ্বরের সময় তৃষ্ণা বাড়ে।

36 জ্বর Ferrum phosphoricum হালকা জ্বরের শুরুতে।

37 হঠাৎ জ্বর Aconitum napellus ঠান্ডা বা ভয় পেলে।

38 কান ব্যথা Pulsatilla কান ফুলে, দুধ খেতে চায় না।

39 মুখে ঘা Borax মুখে সাদা ঘা, দুধ খেতে কষ্ট।

40 জিহ্বা সাদা Mercurius sol. মুখে দুর্গন্ধসহ সাদা আবরণ।

41 ঘাড়ে ঘাম Calcarea carb. মাথা ও ঘাড়ে ঘাম বেশি।

42 ঘুমে কেঁপে ওঠা Cicuta virosa হঠাৎ খিঁচুনি বা চমক।

43 খিঁচুনি Cuprum metallicum খিঁচুনি, চোখ উল্টে যায়।

44 ত্বকে ফুসকুড়ি Sulphur গরমে বাড়ে, চুলকায়।

45 ওজন না বাড়া Calcarea phosphorica হজম দুর্বল, ওজন বাড়ে না।

46 চুল পড়া Fluoric acid জন্মের পর চুল পড়ে।

47 দুধের প্রতি অরুচি Aethusa cynapium দুধ খেলেই বমি।

48 পা ঠান্ডা Silicea ঠান্ডা পা, দুর্বলতা।

49 অতিরিক্ত ঘুম Opium গভীর ঘুম, জাগানো কঠিন।

50 কান্না ছাড়াই নিস্তেজ Camphora শরীর ঠান্ডা, শ্বাস ধীর, বিপজ্জনক অবস্থা।


---


⚕️ ব্যবহার নির্দেশনা:


শিশুর বয়স অনুযায়ী 6X, 12X, 30C পোটেন্সি ব্যবহার হয়।


১–২ ফোঁটা মিষ্টি দুধে মিশিয়ে দিনে ১–২ বার দেওয়া যেতে পারে।


সবসময় ডাক্তারের পরামর্শে দিন।


🤷‍♂️🌷সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন করা উচিৎ নয়।🩺Dr.Md.Forhad Hossain 

D.H.M.S(B.H.B),DHAKA

Pdt(Hom)

Consultant:Homoeopathic  Medicine 

Helpline:01955507911

হৃদযন্ত্র থাকবে সুপারফিট!

 **সকাল সকাল খালি পেটে এক কোয়া কাঁচা রসুন চিবিয়ে খাওয়ার কথা তো অনেকেই শুনেছেন। বিশ্বজুড়ে সাম্প্রতিক গবেষণাগুলো কী বলছে? **চলুন, আজ জেনে নেওয়া যাক প্রতিদিন এক কোয়া রসুন আপনার স্বাস্থ্যের জন্য কী কী অসাধারণ পরিবর্তন আনতে পারে! 


**হৃদযন্ত্র থাকবে সুপারফিট! **


গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত রসুন খেলে রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে।এটি রক্তনালীর ভেতর প্লাক জমতে বাধা দেয়, ফলে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে রসুন টোটাল এবং LDL (খারাপ) কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।


**রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হবে দ্বিগুণ! **


রসুনকে বলা হয় প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। এর মধ্যে থাকা অ্যালিসিন নামক যৌগ অ্যান্টি-ভাইরাল, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ফাঙ্গাল হিসেবে কাজ করে। প্রতিদিন মাত্র এক কোয়া রসুন খেলে আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এতটাই শক্তিশালী হতে পারে যে সাধারণ সর্দি-কাশির মতো সংক্রমণগুলো দূরে থাকবে।


**ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে **


কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, রসুন খালি পেটে রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে এবং ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বেশ উপকারী হতে পারে।


**ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে পারে **


অবাক হচ্ছেন? বেশ কিছু গবেষণায় রসুন এবং এর পরিবারের (পেঁয়াজ, লিকস) সবজি নিয়মিত খাওয়ার সাথে কোলন, পাকস্থলী, ফুসফুস এবং লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি কমার একটি সম্পর্ক পাওয়া গেছে।


**শরীরকে ভেতর থেকে পরিষ্কার রাখে (ডিটক্স) **


রসুনে থাকা সালফার যৌগ শরীর থেকে ভারী ধাতু এবং অন্যান্য টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে।এটি লিভারের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


**হজমশক্তি বাড়ায় এবং অন্ত্রকে সুস্থ রাখে **


নিয়মিত কাঁচা রসুন খেলে হজম সহায়ক এনজাইমের উৎপাদন বাড়ে এবং অন্ত্রে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। এর ফলে হজমের সমস্যা যেমন গ্যাস, বদহজম ইত্যাদি কমে আসে।


**মস্তিষ্কের জন্যও উপকারী **


কিছু গবেষণায় ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে রসুনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান স্মৃতিশক্তি বাড়াতে এবং বয়সজনিত কারণে হওয়া মস্তিষ্কের রোগ (যেমন অ্যালঝাইমার) থেকে সুরক্ষা দিতে পারে।


**কেন কাঁচা রসুন চিবিয়ে খাবেন?**


রসুনের সবচেয়ে উপকারী যৌগটির নাম অ্যালিসিন। রসুন কাটলে বা চিবানো হলেই এই যৌগটি তৈরি হয়। রান্না করলে এর গুণ অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়। তাই সেরা উপকার পেতে হলে প্রতিদিন ১-২ কোয়া কাঁচা রসুন চিবিয়ে খাওয়াই উত্তম।


**SOURCE- webmd**


**আপনি চাইলে আমি আপনার জন্য একেবারে ব্যক্তিগতভাবে তৈরি করে দিতে পারি —**


### একটি পরিমিত ও কার্যকর ডায়েট প্ল্যান

### ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট পার্সেন্টেজ (কার্ব, প্রোটিন, ফ্যাট) অনুযায়ী খাবার পরিকল্পনা

### ঘরে বসেই বা বাইরে করবার মতো সহজ ওয়ার্কআউট রুটিন

### রেস্ট ও রিকভারি গাইড, যেন শরীর ফিরে পায় পূর্ণ কর্মক্ষমতা

### প্রয়োজনীয় সাপ্লিমেন্ট সাজেশন এবং হাইড্রেশন প্ল্যান

🌿 বিষবৃক্ষ থেকে মহৌষধ: রহস্যময় #কোনিয়াম_ম্যাকুলেটাম 🌟

 🌿 বিষবৃক্ষ থেকে মহৌষধ: রহস্যময় #কোনিয়াম_ম্যাকুলেটাম 🌟


​প্রাচীন গ্রীসের দার্শনিক সক্রেটিসকে যে বিষ পান করানো হয়েছিল, সেই বিষাক্ত #পয়জন_হেমলক (Poison Hemlock) থেকেই তৈরি হয় আমাদের আজকের হোমিওপ্যাথিক মহৌষধ কোনিয়াম ম্যাকুলেটাম। হোমিওপ্যাথিক নীতিতে এই মারাত্মক বিষই বিশেষ প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে মানুষের আরোগ্যের কারণ হয়ে ওঠে।

​🧬 উৎস ও প্রুভারের কথা

​উৎস: এটি হলো একটি অত্যন্ত বিষাক্ত গুল্ম, যার বোটানিক্যাল নাম Conium Maculatum (অ্যাম্বেলিফেরী পরিবারভুক্ত)। গাছের কাণ্ডে বেগুনী রঙের ছোপ বা 'ম্যাকুলেশন' থাকার কারণে এর নাম 'ম্যাকুলেটাম'। এর প্রধান বিষাক্ত উপাদান হল 'কনিইন' (Coniine) নামক এক প্রকার অ্যালকালয়েড।

​প্রুভার (Prover): হোমিওপ্যাথির জনক ডাঃ স্যামুয়েল হ্যানিম্যান নিজেই এটি প্রুভ (পরীক্ষা) করেছিলেন এবং এর গভীর ক্রিয়া ও লক্ষণাবলী লিপিবদ্ধ করেন। এই প্রুভিং-এর মাধ্যমেই এর আরোগ্যকারী ক্ষমতা উন্মোচিত হয়।

​🤔 মানসিক লক্ষণ: 

একাকীত্ব ও দুর্বলতা

​কোনিয়াম এর রোগীর মন যেন এক ঘন কুয়াশায় ঢাকা।

​ভীষণ একাকীত্ব: লোকজনের সাথে মিশতে অনীহা, কিন্তু একলা থাকলে ভয় পায়।

​মানসিক দুর্বলতা: মানসিক পরিশ্রম করার ক্ষমতা কমে যায়, পড়া বা কাজকর্মে মনোযোগের অভাব।

​যৌন দমন (Sexual Suppression): বিশেষত অবিবাহিত, বিধবা বা সন্ন্যাসী জীবনের পর দীর্ঘদিন যৌন দমন বা বিরত থাকার কারণে নানাবিধ স্নায়বিক ও শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়।


​🚶‍♀️ চারিত্রিক লক্ষণ: 

ঊর্ধ্বমুখী পক্ষাঘাতের যাত্রা

​কোনিয়াম-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হল পক্ষাঘাত (Paralysis) বা দুর্বলতার প্রক্রিয়া যা নিচের দিক থেকে (পা থেকে) ধীরে ধীরে উপরের দিকে উঠতে থাকে।

​ভার্টিগো (মাথা ঘোরা): শুয়ে থাকার সময় বা বিছানায় পাশ ফিরলে তীব্র মাথা ঘোরা। এটি এই ঔষধের একটি প্রধান নির্দেশক লক্ষণ।

​গ্রন্থির কাঠিন্য (Glandular Induration): শরীরের বিভিন্ন গ্রন্থি, বিশেষত স্তন, অণ্ডকোষ বা লসিকা গ্রন্থি শক্ত হয়ে যাওয়া, যা প্রায়শই ক্যান্সার বা টিউমারের পূর্বাবস্থা নির্দেশ করে।

​পেশীর দুর্বলতা: সামান্য পরিশ্রমে অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়া, যা বিশ্রামেও সহজে কাটে না।

​শুকনো কাশি: রাতে শোবার পর বা সামান্য কিছু বলার চেষ্টা করলে শুকনো কাশি দেখা দেওয়া।

​🩺 বিভিন্ন রোগের ক্ষেত্রে ব্যবহার

​স্তনরোগ: স্তনে টিউমার বা শক্ত লাম্প (Hard Lumps), যা আঘাত বা প্রদাহের পর দেখা দিয়েছে। সাধারণত, মাসিক শুরু হওয়ার আগে স্তনে ব্যথা ও ফোলা বাড়ে।

​প্রোস্টেট বৃদ্ধি: বয়স্ক পুরুষদের প্রোস্টেট গ্রন্থি বড় হয়ে যাওয়া এবং প্রস্রাব করতে কষ্ট হওয়া।

​ভার্টিগো (Vertigo): মাথা ঘোরা, বিশেষত বিছানায় পাশ ফিরলে বা মাথা ঘোরালে।

​চোখের রোগ: ফটোফোবিয়া (আলো অসহ্য), চোখ থেকে তীব্র জল পড়া।

​⬇️ হ্রাস (Amelioration) ও ⬆️ বৃদ্ধি (Aggravation)

​রোগীর কষ্ট বা লক্ষণ কখন বাড়ে বা কমে, তা এই ঔষধ নির্বাচনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:

প্রকার অবস্থা

হ্রাস (Amelioration) ধীরে ধীরে হাঁটলে বা নড়াচড়া করলে।

বৃদ্ধি (Aggravation) বিশ্রাম, শুয়ে থাকা, বিছানায় পাশ ফেরা, মানসিক বা যৌন দমন, ঠাণ্ডা বাতাস, অতিরিক্ত পরিশ্রম এবং রাত্রে।


📣 উপসংহার

​কোনিয়াম ম্যাকুলেটাম এমন একটি গভীর ক্রিয়াকারী ঔষধ যা শরীরের গ্রন্থি, স্নায়ুতন্ত্র এবং পেশী সমূহের ওপর বিশেষ কাজ করে। পক্ষাঘাতের নিম্নগামী প্রকৃতি (পা থেকে উপরের দিকে), গ্রন্থির কাঠিন্য এবং মাথা ঘোরার স্বতন্ত্রতা এই ঔষধকে অন্যান্য ঔষধ থেকে আলাদা করে।

​⚠️ বিশেষ দ্রষ্টব্য: এটি অত্যন্ত গভীর ও শক্তিশালী ঔষধ। একজন অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত এই ঔষধ সেবন করা উচিত নয়।


​#হোমিওপ্যাথি #ConiumMaculatum #কোনিয়াম #ভার্টিগো #স্তনরোগ #সক্রেটিস #গভীরক্রিয়া #হোমিওপরামর্শ #স্বাস্থ্যসচেতনতা #PoisonHemlock

মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৫

শ্বেতী রোগের কর্যকরি কিছু হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ★*

 *★*★*★#শ্বেতী রোগের কর্যকরি কিছু হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ★*★*★

শ্বেতী বা ধবল (  #Vitiligo /#leucoderma)  রোগ কী? 


শ্বেতী ত্বকের একটি রোগ। 


আমাদের ত্বকের মধ্যে মেলানোসাইট কোষে থাকে মেলানিন, যা ত্বকের স্বাভাবিক রঙে ( pigment)  র ভারসাম্য রক্ষা করে। মেলানিনের ক্রিয়াকলাপে বাধা সৃষ্টি হলে বা ভারসাম্য নষ্ট হলে দেখা দেয় শ্বেতী। অথাৎ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার গোলযোগের জন্য

রক্তে এক ধরনের শ্বেত কণিকা টি-লিম্ফোসাইট বেড়ে যায়, এরাই মেলানোসাইট কোষ কে ধ্বংস  করে। 


মেলানিন শরীরে কী কাজ করে?


আপনার চুল, ত্বক এবং চোখের রঙ নির্ধারণে মেলানিন একটি বড় ভূমিকা পালন করে। আপনার জিনগুলি, আপনার পিতামাতার কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত, আপনি কতটা মেলানিন তৈরি করেন তা মূলত নির্ধারণ করে; ফর্সা (হালকা বর্ণের) ত্বকের লোকের চেয়ে কালো ত্বকের লোকেরা বেশি মেলানিন পান।


মেলানোজেনেসিস নামে পরিচিত বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে দেহ মেলানিন তৈরি করে।


বর্তমানে সারা বিশ্বে প্রায় ১০ কোটি মানুষ শ্বেতীতে আক্রান্ত। প্রয়াত শিল্পী মাইকেল জ্যাকসনও এই রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তাই প্রতি বছর ২৬ জুন তাঁর প্রয়াণ দিবসে বিশ্বজুড়ে পালিত হয় ‘ওয়ার্ল্ড ভিটিলিগো ডে’ বা বিশ্ব শ্বেতী দিবস হিসেবে।


সাধারণত মুখমণ্ডল, কনুই, বুকের ত্বক প্রথমে আক্রান্ত হতে শুরু করে। কখনো কখনো শ্বেতী চোখের পাশ দিয়ে, নাকের দুই পাশে বা ঠোঁটের কোণ বা ওপরের ত্বকেও শুরু হয়। কারও কারও ক্ষেত্রে শ্বেতী খুব একটা ছড়ায় না, একটা বিশেষ জায়গাতেই সীমাবদ্ধ থাকে। আবার কারও এমনভাবে মুখে, বুকে, হাতে, পায়ে ছড়িয়ে পড়ে যে বোঝাই যায় না একসময় শরীরের রং  কী ছিল।       

 

সাধারণত  দেখা যায় ১০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে প্রথম শুরু হয়,আবার মহিলাদের  মেনোপজের সময়ও দেখা দিতে পারে। 


এই রোগ কেন হয় ঃ-


একটাই উত্তর অটো ইমিউন ডিজঅর্ডার। 


এখন প্রশ্ন অটোইমিউন ডিজঅর্ডার কি


 যেখানে একজন লোকের ইমিউন সিস্টেম ভুলবশত তার শরীরকে আক্রমণ করে। আরো সহজ ভাবে বললে, বাইরের কোনো ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণুর প্রভাব ছাড়াই রোগ সৃষ্টি হয় কারণ শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা কোনো সুস্থ কোষকে ক্ষতিকর মনে করে তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।


সাধারণত ইমিউন সিস্টেম ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের মতো জীবাণু থেকে আমাদেরকে সুরক্ষা দেয়- যখন ইমিউন সিস্টেম বুঝতে পারে যে শরীরে আক্রমণকারী প্রবেশ করেছে, তখন এটি এসব শত্রুকে আক্রমণ করতে অ্যান্টিবডি নিঃসরণ করে। সাধারণত ইমিউন সিস্টেম শত্রু কোষ ও সুস্থ কোষের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করতে পারে।


কিন্তু অটোইমিউন রোগের ক্ষেত্রে ইমিউন সিস্টেম শরীরের কোনো অংশকে শত্রু ভেবে ভুল করে এবং অটোঅ্যান্টিবডি নামক প্রোটিন নিঃসরণের মাধ্যমে সুস্থ কোষকে আক্রমণ করে।


ইমিউন সিস্টেম সেনাবাহিনীর মতো


ইমিউন সিস্টেম অ্যান্টিবডি নিঃসরণ করে রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব থেকে আমাদেরকে সুরক্ষিত রাখে। অ্যান্টিবডি হলো রক্তের প্রোটিন যা  আক্রমণকারীকে নিষ্ক্রিয় করে। এটিকে বলা হয় ইমিউন রেসপন্স। সুস্থ কোষের ওপর এ আক্রমণ শরীরের যেকোনো স্থানে হতে পারে । শ্বেতির ক্ষেত্রে ত্বকের মেলানোসাইট কোষ নিস্ক্রিয় হয়ে গিয়ে মেলানিন তৈরি হতে  বাধা সৃষ্টি করে। তাই ত্বকের স্বাভাবিক রঙ  ( pigment) না হয়ে সাদা দেখায়। 


অটো ইমিউন ডিজঅর্ডার কেন হয়? 


আধুনিক বিশ্বে যে আহার করি তা অধিকাংশ কেমিক্যাল যুক্ত এমনকি  বহুল প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতি র ঔষধগুলো কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি।      পরিবেশ দূষণকারী পদার্থের সংস্পর্শে আসা,  জীবন শৈলী সঠিক ভাবে পালন না করা।


শ্বেতি র ক্ষেত্রে দেখা যায় প্লাস্টিকের জুতো পড়ার জন্য, কোমরে জোড়ে বেল্ট বা দড়ি বাঁধার জন্য বা কেটে যাওয়ার জায়গা বা পুড়ে যাওয়ার বা কেমিক্যাল যুক্ত সিঁদুর পড়া, গলা ও হাতে খারাপ রাসায়নিকের দিয়ে গহনা পড়ার জায়গায় মেলামিন তৈরি হচ্ছে না। এগুলো থেকে বিরত থাকলে  কোন ঔষধ ছাড়াই ঠিক হয়ে যায়। এটা   করে শরীরের ইমিউন সিস্টেম।  আবার দেখা যায় বিছিন্ন ভাবে কয়েকটি জায়গায় হলো কিন্তু  আর বাড়ছে না, আবার কিছু লোকের ক্ষেত্রে ত্বকের দুই একটি জায়গায় প্রথমে দেখা দিয়ে আস্তে আস্তে সমস্ত  শরীরের ছরিয়ে পরলো।

এর কারন ইমিউন সিস্টেম ঠিক ঠাক কাজ করছে না। 


 প্রথমে ইমিউন সিস্টেম কে ঠিক করতে হবে। 


*★*★*★হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সমন্ধে বলার আগে করনীয় পরামর্শ ঃ-★*★*


১).আপনার আহারে পরিবর্তন করতে হবে মাছ,মাংস, ডিম সহ দুধ বা দুধের তৈরি  কোন খাবার বন্ধ করতে হবে। যেমন টক দই,ছানা বা পনির।  যে সব্জিতে আপনার এলার্জেন আছে তা বন্ধ করতে হবে। এলার্জেন মানে, যে সব্জিতে আপনার এলার্জি হয়, তা বন্ধ করবেন। 


২). প্রচুর পরিমানে সতেজ শাকসব্জী,  পাকা ফল খেতে হবে। 


৩). কোন রকম সংরক্ষণ করা  খাবার বা কেমিক্যাল যুক্ত খাবার আহার করা উচিত নয়।


৪). খাবার সময় এবং ঘুমানোর সময় নির্দিষ্ট করতে হবে। 


৫). প্রতিদিন ১২ ঘন্টা উপবাস ( Firsting) দরকার 


৬) মাসে এক বার পূর্ণ দিবস উপবাস দরকার যাতে।যাতে শরীর নিজের শরীর কে মেরামত করতে পারে। 


৭).শ্বেতি রোগীরা কখনও কোন সবান, পেট্রোলিয়াম জেলি, কসমেটিক ব্যবহার করবেন না, প্রয়োজনে নিম পাতা জলে ফুটিয়ে, জলের মিশিয়ে স্থান করুন।


৮) টমেটো সহ কোন টক জাতীয় ফল বা টক কোন খাবার খাবেন না। 


৯).মানসিক কোন উৎকন্ঠা রাখবেন না


১০). নিজেকে নিজে বেশি বেশি করে ভালোবাসতে হবে।নিজেকে গর্বিত মনে করুন,এটা কোন সংক্রমণ রোগ নয়।একজন থেকে আরেক জনের আক্রান্ত হবে।


১১). পানীয়জল ১২ ঘন্টা কোন তাপার পাত্রে রেখে সারাদিন জল পান করবেন। 


১২).যে খাবার গুলো প্রতি দিন খাদ্য তালিকায় রাখবেন ঃ-

 ক). ৫০ গ্রাম ছোলা ( চানা বা বুট) আগের দিন রাতে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন খাবেন। অঙ্কুরত হলে আরো ভালো। 


খ). ৫-৬ কাঠ বাদাম ( Almond)  খাবেন। 


গ). ৫-৬ মিষ্টিকুমড়ার বিচি,তা কাচা বা অল্প ভেজে খাবেন।


ঘ). পাকা পেঁপে ২০০ গ্রামের মতো খাবেন, বা জুস করেও খেতে পারেন।  অথবা কাঁচা লাউের ২০০ গ্রাম জুস খেতে পারেন। 


১৩). শ্বেতি একটি চর্মরোগ। আর চর্ম,  শরীরের সবচেয়ে বড় অঙ্গ। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় দেখা যায়, শরীরের ২০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত  আক্রান্ত রোগীরা সম্পুর্ণ ভাবে এই রোগ থেকে মুক্তি পেয়ে থেকে। সারা জীবনের আর আক্রান্ত হয় না।


★ARS SUL.FLAV 3X ★

শ্বেতি রোগের নির্ভরযোগ্য ঔষধ। মায়াজাম ভিত্তিক বা উপসর্গ ভিত্তিক ঔষধের সাথে  এই ঔষধ চলবে।প্রথমে 3X দিয়ে শুরু করুন, তারপর ক্রমবর্ধমান ঔষধের শক্তি বৃদ্ধি করুন। 3X - 6X-  30CH 200CH-  1M পযন্ত শক্তি বাড়াতে পারেন। 


নিন্মলিখিত ঔষধ গুলো মধ্যে যে কোন একটি ঔষধ নির্বাচিত করুন।


১).CAUSTICUM 200


যে সমস্ত রোগীর চোখের পাতায়, নাকের ডগায়, হাতের আঙুলে ও নখের ধারে শ্বেতি দেখা দেয়, এরা খুব ভীতু এবং সামান্য কারণে উদ্বিগ্ন হয়। এই সকল রোগীদের ভালো কাজ করে। 


২).ACID. NITRIC 200


যে সকল রোগীদের মিউকাস মেমব্রেন এবং চর্ম্মের সন্ধিস্থলে ( যেমন, ঠোঁটের কোনে, নাকের কোনে বা গুহ্যদ্বারে) শ্বেতি দেখা যায় তাদের খুব ভালো কাজ করে।


৩).SEPIA 200


এই ঔষধটি মহিলাদের জন্য বেশি ব্যবহার হয়। শ্বেতির জন্যেও ব্যবহার করা হয়। যে সকল মহিলারা মেনোপজ হওয়ার সময় শ্বেতি রোগে আক্রান্ত হয়,তাদের ক্ষেত্রে ভালো কাজ করে। তবে শ্বেতি রোগের সাথে মহিলাদের  জরায়ু কোন রোগ থাকলে এই ঔষধ খুব ভালো কাজ করে। 


৪).THUJA  OC 1M


শ্বেতি রোগীর বংশের কারো শ্বেতি রোগ থাকার ইতিহাস থাকলে, মাসে এক বার এই ঔষধ অবশ্যই প্রয়োগ করবেন 


৫).PIPER MENTH 200


শরীরের কোন একটা নির্দিষ্ট স্থানে Skin র  উপরে মাছের আঁশের মতো আঁশ উঠে জায়গাটি সাদা হয়ে,অনেক ক্ষেত্রে আপনাআপনি সেরে যায়, কিছু ক্ষেত্রে না সেরে শ্বেতিতে রুপান্তর হয়, সে ক্ষেত্রে এই ঔষধ বিশেষ উপকারী।


৬).CINA 200


শ্বেতি রোগে এই ঔষধ বিশেষ ভুমিকা রাখে।   পিনওয়ার্ম বা গুড়ো  কৃমি শরীরের পুষ্টিহীনতা জন্য  ভীষণভাবে দায়ী। কৃমি শরীরের পুষ্টি উপাদান শোষণ করে শরীরকে দুর্বল করে দেয়। একইসাথে কৃমি শরীরের রক্ত শোষণ করে শরীরে রক্তস্বল্পতা তৈরি করে। এবং  অটো ইমিউন ডিজঅর্ডার হয়। এই অটো ইমিউন ডিজঅর্ডারের জন্য কিছু ক্ষেত্রে ত্বকে শ্বেতি দেখা যায়, সে ক্ষেত্রে সিনা খুব কর্যকরি ঔষধ, তবে কিছু বিশেষ লক্ষ্মণ লক্ষ্য করতে হবে। ১) সিনা রুগীর জিহ্বা সব সময় পরিস্কার থাকবে।( তা যে রোগ হোক'না কেন।) ২) রুগী রাগী,বয়নাদার ও আবদারে। ৩).রুগী সর্বদা  নাক খোঁটে বা নাক ঘোসে।


৭). FILIX MAS 200


এই ঔষধ শ্বেতি রোগের জন্য অনেক সময় ব্যবহার হয়।

ফিতাকৃমির অ্যালারজেনগুলি ছড়িয়ে পরার ফলে রোগীর শরীরে অ্যালার্জি ও ফুসকুড়ির প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে।সে থেকে অনেক সময় শ্বেতি রোগ দেখা যায়। যদি দেখা রোগীর ফিতা(  TAPE - WORM )  কৃমির ইতিহাস আছে, তা'হলে এই হোমিওপ্যাথিক  ঔষধ খুবই কর্যকরি


৮).CUPRUM MET 200


সরাসরি শ্বেতির ঔষধ নয়। তবে শরীরে যে সকল খনিজ পদার্থ থাকে তার মধ্যে তামা ( COPPER) একটি বিশেষ ভুমিকা রাখে। আর এই তামা পরিপাক -যন্ত্র, লিভার, কিডনি, সেরিব্রো-স্প্যাইন্যাল সিষ্টেম, নিউমোগ্যাাস্টিক-নার্ভ ও রক্তসঞ্চালকারী যন্ত্রে উপরে কাজ করে। অতএব যে রুগী দীর্ঘ দিন পেটের গন্ডগোলে আক্রান্ত, কিছুতেই পেটের গন্ডগোল থেকে ভালো থাকে না, এবং তারা শ্বেতি রোগে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের জন্য একটি কর্যকরি ঔষধ।


এছাড়াও আরো  গুরুত্বপূর্ন হোমিওপ্যাথিক ঔষধ আছে।


★*★বাহ্য প্রয়োগ  ( External Use) ★*★


PSORALIA COR   Q   (Mother tincture) 


Oil buchi


JASMINE IOL ( জু্ঁই ফুল তেল) বা ALMOND OIL ( কাঠ বাদাম তেল ) 

 সূর্যের আলো লাগাতে হবে Oil buchi লাগিয়ে।


 ১ঃ৩ মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে লাগাতে হবে।  দিনে দুই বার।এবং  ঔষধ লাগানোর পর আধ ঘন্টা সূর্যরশ্মিতে থাকতে হবে।


★*★★*বিশেষ কথা জেনে রাখা ভালো। ★* ★★*         


শরীর কে রোগ মুক্ত করতে প্রতিদিন আহারে ৫০% খাবার ফল এবং স্যালাদ খান অথাৎ কাঁচা পাকা ফল কাঁচা সব্জি খান এতে শরীরে পটাসিয়াম ও সোডিয়াম পরিমাণের সমতা বজায় রাখে। পটাসিয়াম ও সোডিয়াম ১ঃ১ থাকলে কোন রোগ আক্রান্ত হওয়া র  সম্ভাবনা কম থাকে । হলেও autophagy মাধ্যমে শরীর তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়।


--ডা: সুব্রত সেনগুপ্ত


#বিঃদ্রঃ এই চিকিৎসা সময় সাপেক্ষ তাই একজন ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে থেকে চিকিৎসা নিন।

কম্পিউটার মাউসের সিক্রেট ২০ টি  ট্রিক্স দেওয়া হল !!

 কম্পিউটার মাউসের সিক্রেট ২০ টি  ট্রিক্স দেওয়া হল !!


1. মিডল-ক্লিক = লিংক নতুন ট্যাবে খুলে

ব্রাউজারে লিঙ্কের উপর মাঝের বাটন (স্ক্রল-হুইল চাপা) করলে নতুন ট্যাবে খুলে যায়।


2. মিডল-ক্লিক ট্যাব বন্ধ করে

ট্যাবের নামের উপর মাঝের ক্লিক করলে ঐ ট্যাব বন্ধ হয়ে যায়।


3. অটো-স্ক্রল (autoscroll)

মাঝের ক্লিক করে পেজে ক্লিক করলে মাউস নিয়ে উপরে/নীচে একটু সরালে পেজ স্বয়ং চলতে থাকে — দীর্ঘ পেজ পড়ার জন্য দ্রুত।


4. Ctrl + স্ক্রল = জুম ইন/আউট

ব্রাউজার/দোকুমেন্টে চোখে বোঝা জন্য দ্রুত জুম করতে দেয়।


5. Shift + স্ক্রল = হরাইজন্টাল স্ক্রল

অনেক অ্যাপ (এক্সেল, ব্রাউজার)-এ উল্লম্ব স্ক্রলকে অনুভূমিক স্ক্রলে রূপান্তর করে।


6. ডাবল-ক্লিক স্পিড সামঞ্জস্য করো

উইন্ডোজ/ম্যাক-এ ডাবল-ক্লিক স্পিড কমালে সিলেকশন/ফাইল ওপেন ভুল কমে যায় (Control Panel → Mouse)।


7. ট্রিপল-ক্লিক = পুরো প্যারাগ্রাফ সিলেক্ট

অনেক এডিটরে এটা কাজ করে — দ্রুত প্যারাগ্রাফ সিলেক্ট করতে দারুণ।


8. ClickLock চালু করো (Windows)

ক্লিক ধরে রেখে না রেখে একবার ক্লিক করে ড্র্যাগ লক করতে পারো — বড় ফাইল বা উইন্ডো ড্র্যাগে উপকারি।


9. মাউস-কীস (Mouse Keys) ব্যবহার করো

ন্যুমপ্যাড দিয়ে মাউস-কার্সর চালাতে দেয় — যদি মাউস নষ্ট বা অস্থায়ীভাবে দরকার হয়।


10. সাইড বাটন = ব্যাক / ফরওয়ার্ড

ব্রাউজার বা ফাইল এক্সপ্লোরারে এক ক্লিকে ফিরে/আগায় যাও — সময় বাঁচে।


11. DPI বোতাম দিয়ে মুহূর্তে সেন্সিটিভিটি বদলাও

গেমিং বা গ্রাফিক্স কাজের সময় দ্রুত চাহিদা অনুযায়ী DPI বাড়াও/কমানো যায়।


12. মাউস সফটওয়্যার দিয়ে বাটন রিম্যাপ করো

রেগুলার কাজের জন্য কোনো বাটনকে কপি-পেস্ট, স্ক্রীনশট, বা কাস্টম ম্যাক্রো সেট করে নাও।


13. ম্যাক্রো বানাও — রেপিটেটিভ কাজ অটোমেট

কপি-পেস্ট, ফর্ম ভরাই— এক বাটনে কমান্ড চালাও (সাপোর্টেড মাউসেই)।


14. “Enhance pointer precision” অফ করো (গেমিং)

গেমে স্থিতিশীল মাউস-মুভমেন্ট চাইলে উইন্ডোজের এ অপশন অফ করা ভালো।


15. সারফেস টিউনিং / ক্যালিব্রেশন

লজিটেক/রেজারের সফটওয়্যার দিয়ে টেবিল সুরাইলে ট্র্যাকিং উন্নত হয় — সঠিক পারফরমেন্স পাবে।


16. লিফ-অফ-ডিস্ট্যান্স (LOD) সেটিং জানো

গেমিং মাউসে লিফ-অফ দূরত্ব ছোট করলে লিফট-এ কার্সর না সরে — প্রিসিশন বাড়ে।


17. লিনাক্সে মাঝের-ক্লিক পেস্ট

X11 সিস্টেমে টেক্সট সিলেক্ট করে মাঝের-ক্লিক করলে সিলেক্ট করা মালটি পেস্ট হয়ে যায় — দ্রুত!


18. স্ক্রল-হুইলে ট্যাব/উইন্ডো পরিবর্তন

অনেক ব্রাউজার/ইউটিলিটিতে কার্সর ট্যাবের ওপর রেখে স্ক্রল করলে ট্যাব-সুইচ করা যায়।


19. ভালো মাউসপ্যাড + পরিষ্কার সেন্সর = অনেক উন্নতি

মাউসপ্যাড টাইপ (গেমিং ক্লক/ক্লাসিক) এবং সেন্সর পরিষ্কার করলে ট্র্যাকিং মসৃণ হয়।


20. মাল্টি-ডিভাইস/ব্লুটুথ মাউস → ডিভাইস দ্রুত স্যুইচ

অনেক মডেলে ডিভাইস স্যুইচ বাটন আছে — ল্যাপটপ/ট্যাব/ডেস্কটপ বদলাতে এক ক্লিক।


চলো একটা ছোট টিপস–হ্যাক দেয়া যাক:

“বাটন রিম্যাপ + ম্যাক্রো” করে বাড়তি পারফরম্যান্স পেতে পারো — যেমন: এক বাটনে আংশিক টেক্সট কপি করে অন্য ফরম্যাটে পেস্ট করানো (ফ্রিকোয়েন্ট রিপিটেটিভ কাজ খুব দ্রুত)।

একটি সতর্কতামূলক পোস্ট! ,,, ASTHA PREGNESY ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 একটি সতর্কতামূলক পোস্ট! 

টপিক : আদ দ্বীন হসপিটাল ( মগবাজার শাখা)


অনেকে বিভিন্ন গ্রুপে তাদের ব্যাপারে জানতে চান। আমি আজ আমার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চাচ্ছি। শুধু অভিজ্ঞতা না, আমার অভিযোগও।

গত ২৯সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় আমার প্রচন্ড ডেলিভারি পেইন নিয়ে আমি Ad Deen এ যাই।।

তাদের ব্যাপারে শুনেছিলাম তারা নরমাল ডেলিভারি ট্রাই করে মূলত সেজন্য যাওয়া। পরিবেশ ও  ক্লিন + পুরুষ এলাউ করেনা। তাদের ডেলিভারি প্যাকেজ ছিলো ৪৫০০টাকা।(নরমাল) 

তাও আমরা ভেবেছি আমরা গিয়ে একটা কেবিন নিবো।  এরপর একটা ভালো সার্ভিস নিয়ে বাসায় ফিরবো। 

আমরা যাওয়ার পর প্রথম রিসিট কাটা থেকে লাস্ট অব্ধি ১জন ব্যক্তি পাইনি যাদের ব্যবহার ভালো ছিলো। 


ডাক্তারের চেয়ে সেখানে হিজিবিজি করছিলো স্টুডেন্টস। আর প্রত্যেক রুমেই সবাই রুগী দেখার চেয়ে গল্প করতে বেশি ব্যস্ত ছিলো। প্রচন্ড পেইন নিয়ে যাওয়ার পরেও তারা সেটা কানেই নিচ্ছিলোনা। যেখানে আমার পা ফেলাই তখন কঠিন সেখানে কোথাও এক ফোটা বসার উপায় ছিলোনা।  না কোন কেবিন পাচ্ছিলাম। ওয়ার্ডেও সিট দিচ্ছিলোনা যতক্ষন তাদের সকল কাজ উদ্ধার হয়।  একবার একেক ফ্লোরে পাঠানো হচ্ছিলো বিভিন্ন টেস্ট এর নামে।

সেখানে গিয়ে প্রথম আল্ট্রা সাউন্ড করতে দেখলাম, ডাক্তার রোগী শুইয়ে ফোনে কথা বলে যাচ্ছেন, এই সময় পেটে যে জেল টা ইউজ করা হয় সেটা অব্ধি রোগীকে মুছতে বলা হয়।।

আমার সাথে আমার মা ছিলেন হাজবেন্ড ছিলেন। পুরুষ যেহেতু এলাউ না।তাই হাজবেন্ড কে রাখা হয়নি। আমার মাকে ওয়ার্ডে আমার সাথে নেই, মা কেও রাখছিলোনা। আমি ব্যথায় কুকড়ে যাচ্ছিলাম তাও আমাকে বারবার এখান থেকে ওখানে পাঠাচ্ছিলো। যখন একটা বেড পেলাম তখন দুপুর ১টা। একজন আসে রোগীকে একটা কথা বলে, তো আরেকজন এসে আরেকটা বলে। একটা কাগজ নিয়ে এর কাছে গেলে বলে ওখানে যান এখানে কেনো? 

ওখানে গেলে বলে ওখানে যান। 

রোগী দেখা কালীন ( রোগী বিছানা থেকে উঠা পসিবল না এমন অবস্থা করে)  তারা গায়েব হয়ে যায়।আরেকজন এসে রোগীকে রাগারাগি করে আপনি এখানে কেনো? 

এভাবে দুপুর অব্ধি নানা কেচ্ছার পর, যখন আমার আরো পেইন বেড়ে যায়। তখন তারা জরায়ু মুখ ৪সেমি খুলেছে বলার পর,কিছুক্ষন যেতে না যেতেই ( জরায়ু মুখ ১০সেমি না খুলতেই)  নিয়ে যাওয়া হয় ডেলিভারি রুমে। কয়েক মিনিটের মধ্যে জাস্ট আমার বাচ্চাকে টেনে টুনে নিয়ে আমার বুকে ফেলা হয় ৪-৫ জন মিলে।সাথে আমাকে ৫টা কাটা দেওয়া হয়। 

বাকি টুকু কমেন্টে....

প্রতিটি সুইয়ের ফোড় সুতার টান আমি টের পাই। তাদের মধ্যে বিন্দুমাত্র রোগীর প্রতি কাজের প্রতি ধীর স্থিরতা ছিলোনা। একপ্রকার যেনো জোরজবরদস্তি। 

আমার বাচ্চা হওয়ার কিছু সেকেন্ড পরেই কান্না করে। তাও বলা হয় বাচ্চা NICU তে নিয়ে যেতে হবে।

এদিকে না আমার বাসায় কাউকে জানানো হচ্ছিলো বাবু হইছে। ( এর মধ্যে তাদের নানা পরীক্ষা ১৫হাজার ডেলিভারি ৪৫০০ এছাড়া প্রত্যেক্টা সুতাও রোগীর ফ্যামিলিকে ৫০বারের বেশি পাঠিয়ে কিনে আনানো হয়।) 


আমাকে আবার ওয়ার্ডে এনে রাখা হয়।আর বাবুকে NICU তে। বলা হয় NICU ভর্তি ২০হাজার করে এবং প্রত্যেক দিন ২০ হাজার করে দিতে হবে।।

আমরা সিদ্ধান্ত নেই আমরা অন্যে কোন হসপিটালে যাবো।

তারা আমাদের ছাড়ছিলোনা। না আমাদের কোন ডাক্তার এসে দেখছিলো।জাস্ট আমাকে ঘন্টার পর ঘন্টা ফেলে রাখছিলো। আমার তখনো পেইন যেনো কমেনি।এমন সেলাই দেওয়া হইছে যা প্রসব ব্যথার মতোই।

যাওয়ার কথা শুনে তারা আরো খারাপ বিহেভিয়ার শুরু করে। এটা ওটা বলে ঘুরাতে থাকে। তখন ও আমরা জানিনা আমার বাচ্চার আসলে কি হয়েছে।

এরপর লাস্ট যখন এসে পড়বো আমার হাটার অবস্থা ছিলোনা।তাই হুইল চেয়ার খোজা হয়।তারা সেটা দিতে রাজি হয়না।

তারপর একটা এম্বুলেন্স করে আমরা আরেকটা হসপিটাল শিফট করি, বাবুকে NICU আমাকেও ভর্তি দেওয়া হয়।

৩দিন পর বাসায় ফিরি। আজ ১সপ্তাহ পরেও আমি উঠে বসতে হাটতে পারছিনা।আমার এর আগের বাচ্চা নরমালে একটা ক্লিনিকে হয়েছিলো। ৫মিনিট পরেই আমি নরমাল লাইফে ফিরে এসেছি। আমার বাচ্চাকে ওরা অনেক ব্যথা দিয়েছে প্রসবের টাইমে। এখন আলহামদুলিল্লাহ আগের চেয়ে ভালো।তবে একটা হাত এখনো নাড়াতে পারছেনা বাবু।

এতো তিক্ত অভিজ্ঞতার পর আল্লাহর কাছেই নালিশ দিবো।আর অন্যদের বলবো এদের কাছে যাবেন না। যদি আপনাকে নরমাল ডেলিভারি তেও সিজারের পেইন ভোগ করা লাগে, বাচ্চা আর আপনার ক্ষতি+ ভোগান্তি হয়। কিংবা চটকদার বিজ্ঞাপন দেখায় যারা আমরা মাত্র ৪৫০০টাকায় যত্ন সহকারে নরমাল ডেলিভারি করাই।কিন্তু রোগীদের জীবন তেজপাতা করে দেয়।এদের বয়কট করুন।

৪৫০০ বলে কয়েক গুন বেশি টাকা কামানোর ধান্দা এদের।

আমি যদি ৩দিনে লাখ টাকা দিতেই হয় তাইলে আমি কেনো এমন সার্ভিস কেনো পাবো, নিজের বাচ্চার উপর কেনো টর্চার নিবো!

ল্যাবইড এ লাখ টাকা দিয়ে নরমাল করাতে যাওয়া উচিৎ, না হয় কোন ক্লিনিকে।




আপনি কি স্ত্রীর অর্গাজম ঘটাতে পারেন? নাকি সে শুধু অভিনয় করে ?

 আপনি কি স্ত্রীর অর্গাজম ঘটাতে পারেন? নাকি সে শুধু অভিনয় করে ?


রাতের নিস্তব্ধতা। পাশে শুয়ে থাকা মানুষটার নিঃশ্বাসের শব্দ ছাড়া আর কোনো আওয়াজ নেই। শারীরিক মিলনের পর এই যে শীতল, অস্বস্তিকর নীরবতা—এটা কি শান্তি, নাকি এক ভয়ংকর ঝড়ের পূর্বাভাস? আপনারা দুজন একই বিছানায়, অথচ আপনাদের মাঝে যেন লক্ষ মাইলের অদৃশ্য দূরত্ব। এই দূরত্ব কেন?


আজ আমরা সভ্যতার সবচেয়ে বড় ভণ্ডামির ওপর থেকে পর্দা সরাব। আমরা কথা বলব সেই স্থানটি নিয়ে, যাকে ভালোবাসার চূড়ান্ত আশ্রয় বলা হয়—শোবার ঘর। কিন্তু সত্য হলো, বহু মানুষের জন্য এই শোবার ঘরটি কোনো ভালোবাসার আশ্রয় নয়; এটি হয় এক নীরব যুদ্ধক্ষেত্র, যেখানে ইগো, অজ্ঞতা আর অসম্মানের তরবারি দিয়ে প্রতিদিন দুটি আত্মাকে ক্ষতবিক্ষত করা হয়, অথবা এটি একটি কবরখানা, যেখানে নারীর অপূর্ণ ইচ্ছা এবং পুরুষের ভঙ্গুর আত্মবিশ্বাসকে প্রতি রাতে জীবন্ত কবর দেওয়া হয়।


এই লেখাটি কোনো সহজ পাঠ নয়। এটি আপনার এতদিনকার বিশ্বাস, আপনার অহংকার এবং আপনার সম্পর্ক নিয়ে আপনার যাবতীয় ধারণাকে চুরমার করে দিতে পারে। এই সত্যগুলো হজম করার জন্য প্রচণ্ড মানসিক শক্তির প্রয়োজন। কারণ আজ আমরা নারী ও পুরুষের সবচেয়ে আদিম এবং সবচেয়ে গোপন জগতের সেই অন্ধকার দিকটি উন্মোচন করব, যা সমাজ, ধর্ম এবং তথাকথিত "ভদ্রতা"-র চাদরে মুড়ে রাখা হয়েছে।


ভদ্রতাসূচক অর্গাজম—ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ অভিনয়


আসুন, শুরু করা যাক নারীর দিক থেকে। পৃথিবীর কোটি কোটি নারী প্রতি রাতে তাদের স্বামীদের সাথে এক অবিশ্বাস্য অভিনয়ে অংশ নেয়। এই অভিনয়ের নাম "ভদ্রতাসূচক অর্গাজম" বা The Polite Orgasm।


শারীরিক মিলনের সময় যখন একজন পুরুষ তার চূড়ান্ত মুহূর্তে পৌঁছায়, তখন নারীটি—তার নিজের তৃপ্তি হোক বা না হোক—কৃত্রিমভাবে শীৎকারের অভিনয় করে, শরীর বাঁকিয়ে চরম সুখের ভান করে। পুরুষটি ভাবে, সে একজন সফল প্রেমিক, একজন পৌরুষদীপ্ত স্বামী। সে জানে না, তার স্ত্রী এইমাত্র তাকে অস্কারজয়ী একটি পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছে।


কেন এই অভিনয়? এর শেকড় আমাদের সমাজের গভীরে প্রোথিত। হাজার হাজার বছর ধরে নারীকে শেখানো হয়েছে যে, যৌনতা পুরুষের প্রয়োজন, পুরুষের আনন্দের বিষয়। নারীর কাজ হলো পুরুষকে তৃপ্ত করা, তার পৌরুষকে উসকে দেওয়া। নারীর নিজের যে একটা শরীর আছে, তার যে যৌন চাহিদা বা তৃপ্তির অধিকার আছে—এই ধারণাটিকেই Systematic ভাবে মুছে ফেলা হয়েছে। তাকে শেখানো হয়েছে, "ভালো মেয়েরা" এসব নিয়ে কথা বলে না। নিজের যৌন অতৃপ্তির কথা বলাটা নির্লজ্জতা, বেহায়াপনা।


ফলে, নারীটি তার অতৃপ্তি নিয়ে চুপ করে থাকে। সে ভাবে, "আমার স্বামী যদি জানতে পারে আমি সুখ পাচ্ছি না, তাহলে সে কষ্ট পাবে।" অথবা সে ভয় পায়, "সে হয়তো ভাববে আমার শরীরেই কোনো সমস্যা আছে।" কিংবা সবচেয়ে ভয়ংকর—"সে হয়তো আমাকে ছেড়ে অন্য কোথাও এই পৌরুষের স্বীকৃতি খুঁজতে যাবে।"


এই ভয় এবং নীরবতা থেকে জন্ম নেয় এক করুণ বাস্তবতা। নারীটি তার নিজের শরীরকেই চিনতে পারে না। তার ক্লিটোরিস, যা কিনা শুধুমাত্র যৌন আনন্দের জন্যই তৈরি প্রকৃতির এক বিস্ময়কর অঙ্গ এবং যা অধিকাংশ নারীর অর্গাজমের চাবিকাঠি—সেটি পুরুষের কাছে এবং অনেক ক্ষেত্রে নারীর নিজের কাছেও এক অপরিচিত ভূখণ্ড হয়েই থেকে যায়। অধিকাংশ পুরুষ জানেই না এর অস্তিত্ব বা গুরুত্ব সম্পর্কে। তাদের কাছে যৌনতা মানে শুধু লিঙ্গ প্রবেশ এবং বীর্যপাত। এই সংকীর্ণ ধারণার যাঁতাকলে পিষ্ট হয় নারীর স্বাভাবিক এবং স্বাস্থ্যকর যৌন জীবন।


একজন নারী যখন বছরের পর বছর, দশকের পর দশক ধরে অতৃপ্ত থেকে যায়, তখন তার কী হয় জানেন? তার শরীরটা হয়ে যায় একটা বাজনা, যা কখনো সঠিকভাবে বাজানো হয়নি। তার আত্মাটা হয়ে যায় একটা শুকনো মরুভূমি। এই অতৃপ্তি তার মনে জন্ম দেয় এক গভীর শূন্যতা, এক তীব্র অভিমান এবং এক চাপা ক্রোধ। সে তার সঙ্গীর ওপর মানসিকভাবে বিরক্ত হতে শুরু করে। যে মানুষটা তার শরীরকে বুঝতে পারে না, তাকে সে মন থেকে সম্মান করতে পারে না। এই অতৃপ্তিই বহু সংসারের নীরব ভাঙনের মূল কারণ।


এবার মুদ্রার অপর পিঠ দেখা যাক। পুরুষের পৃথিবী। বাইরে থেকে যাকে মনে হয় ক্ষমতার কেন্দ্র, ভেতরে সে এক ভঙ্গুর কাঁচের প্রাসাদে বাস করে। আর এই প্রাসাদের ভিত্তি হলো তার "পৌরুষ" এর ধারণা। আর এই পৌরুষের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হয় বিছানায়।


একজন পুরুষকে ছোটবেলা থেকে শেখানো হয়—"ছেলেরা কাঁদে না," "শক্ত হও," "নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখো।" তাকে আবেগ প্রকাশ করতে শেখানো হয় না, তাকে দুর্বলতা স্বীকার করতে শেখানো হয় না। তার মাথায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয় যে, তার মূল্য নির্ভর করে তার ক্ষমতা, অর্থ এবং যৌন সক্ষমতার ওপর।


এই বিষাক্ত প্রশিক্ষণের ফল হয় মারাত্মক। শোবার ঘরে সে একজন প্রেমিক হিসেবে প্রবেশ করে না, সে প্রবেশ করে একজন যোদ্ধা হিসেবে, যাকে পারফর্ম করতে হবে, প্রমাণ করতে হবে। তার সঙ্গিনী তার কাছে ভালোবাসার মানুষ থাকে না, হয়ে যায় তার পৌরুষ প্রমাণের একটি মাধ্যম। তার মাথায় ঘুরতে থাকে হাজারো দুশ্চিন্তা— "আমি কি বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারব? " "আমার লিঙ্গ কি যথেষ্ট বড়?," "আমি কি তাকে সন্তুষ্ট করতে পারব?  


এই "পারফরম্যান্স অ্যাংজাইটি" বা করে দেখানোর দুশ্চিন্তা থেকেই জন্ম নেয় পুরুষের দুটি প্রধান যৌন দুর্বলতা—দ্রুত বীর্যপাত  এবং লিঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যা । মজার ব্যাপার হলো, এই সমস্যাগুলোর ৯০% শারীরিক নয়, মানসিক। কিন্তু পুরুষটি তা স্বীকার করতে নারাজ। কারণ দুর্বলতা স্বীকার করা তার পৌরুষের সংজ্ঞার পরিপন্থী।


যখন সে বিছানায় ব্যর্থ হয়, তখন সে ভেঙে পড়ে। কিন্তু সে তার সঙ্গীর কাছে মুখ ফুটে নিজের অসহায়তার কথা বলতে পারে না। কারণ সেটা হবে তার "পুরুষ" হিসেবে পরাজয় স্বীকার করে নেওয়া। এই ব্যর্থতা ঢাকার জন্য সে তখন ভিন্ন পথ অবলম্বন করে।


 সে তার সঙ্গিনীকেই দোষারোপ করতে শুরু করে। "তুমি আর আগের মতো আকর্ষণীয় নেই," "তোমার শরীরটা নষ্ট হয়ে গেছে," "তুমি আমাকে উত্তেজিত করতে পারো না।" সে নিজের দুর্বলতাকে সঙ্গীর ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে নিজের ইগোকে বাঁচানোর চেষ্টা করে।

সে যৌনতাকেই এড়িয়ে চলতে শুরু করে। সে কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকার ভান করে, দেরিতে বাড়ি ফেরে, ক্লান্তির অজুহাতে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ে। শোবার ঘরটা তার কাছে আতঙ্কের জায়গা হয়ে ওঠে, তাই সে সেখান থেকে পালিয়ে বেড়ায়।

বাস্তব পৃথিবীর ব্যর্থতা থেকে পালাতে সে আশ্রয় নেয় পর্নোগ্রাফির বিকৃত জগতে। পর্ন তাকে এক মিথ্যা ক্ষমতার অনুভূতি দেয়। সেখানে সে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, সেখানে কোনো ব্যর্থতার ভয় নেই। কিন্তু এই পর্নোগ্রাফি তাকে বাস্তব সম্পর্ক থেকে আরও দূরে সরিয়ে নিয়ে যায়। এটা তার মস্তিষ্কে যৌনতা সম্পর্কে এক অবাস্তব এবং ধ্বংসাত্মক ধারণা তৈরি করে, যা তার বাস্তব যৌন জীবনকে আরও জটিল করে তোলে।


পুরুষটি তার নিজের তৈরি করা পৌরুষের কারাগারে বন্দী হয়ে ছটফট করতে থাকে। সে সাহায্য চাইতে পারে না, নিজের দুর্বলতার কথা বলতে পারে না। ফলে সেও এক গভীর একাকীত্ব এবং হতাশায় ডুবে যায়।


যখন একজন অতৃপ্ত নারী এবং একজন নিরাপত্তাহীন পুরুষ একই বিছানায় থাকে, তখন সেই শোবার ঘরটা আর ভালোবাসার জায়গা থাকে না। সেটা হয়ে ওঠে এক স্নায়ুযুদ্ধের কেন্দ্র।


নারীটির চাপা ক্রোধ এবং অভিমান প্রকাশ পায় পরোক্ষ আক্রমণের মাধ্যমে। সে সারাদিন ধরে ছোট ছোট বিষয়ে খিটখিট করে, স্বামীকে অন্য নারীদের সাথে তুলনা করে অপমান করে, তার যেকোনো দুর্বলতায় খোঁচা দিয়ে আনন্দ পায়। তার এই আচরণগুলো আসলে বিছানার অতৃপ্তিরই বহিঃপ্রকাশ। সে সরাসরি বলতে পারে না, "তুমি আমাকে যৌন তৃপ্তি দিতে পারো না," তাই সে অন্য পথে তার ক্ষোভ উগরে দেয়।


অন্যদিকে, পুরুষটি তার যৌন ব্যর্থতার গ্লানি এবং অপমানবোধ থেকে আত্মরক্ষার জন্য আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। সে স্ত্রীর ওপর কর্তৃত্ব ফলানোর চেষ্টা করে, তার পোশাক-আশাক, চাল-চলন নিয়ে মন্তব্য করে, তাকে মানসিকভাবে দাবিয়ে রেখে নিজের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। তার এই কন্ট্রোল করার প্রবণতা আসলে তার ভেতরের নিরাপত্তাহীনতারই প্রতিফলন।


এই পর্যায়ে শোবার ঘরটা হয়ে যায় একটা নীরব যুদ্ধক্ষেত্র। যৌন মিলন তখন আর আনন্দের বিষয় থাকে না, হয়ে যায় একটা রুটিনমাফিক কাজ অথবা একে অপরকে শাস্তি দেওয়ার মাধ্যম। স্ত্রী হয়তো ইচ্ছে করে "মাথাব্যথা"-র অজুহাত দেয় স্বামীকে প্রত্যাখ্যান করার জন্য। স্বামী হয়তো ইচ্ছে করে স্ত্রীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে মিলিত হয় নিজের ক্ষমতা দেখানোর জন্য। এখানে কোনো আবেগ থাকে না, থাকে শুধু একে অপরকে পরাজিত করার এক কুৎসিত প্রতিযোগিতা।


এই যুদ্ধক্ষেত্রেই জন্ম নেয় বহু বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের। অতৃপ্ত নারী বাইরে এমন কাউকে খোঁজে যে তার শরীরকে বুঝবে, তার আবেগকে গুরুত্ব দেবে। নিরাপত্তাহীন পুরুষ বাইরে এমন কাউকে খোঁজে যার কাছে সে সহজেই নিজের পৌরুষ প্রমাণ করতে পারবে, যেখানে কোনো ব্যর্থতার ভয় থাকবে না। তারা দুজনেই নিজেদের সংসারের এই নীরব যুদ্ধ থেকে পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করে।


সব সম্পর্কে যুদ্ধ হয় না। কিছু সম্পর্ক ধীরে ধীরে মরে যায়। যখন নারীটি বুঝতে পারে যে তার সঙ্গীর কাছ থেকে সে আর কোনোদিনও যৌন তৃপ্তি পাবে না এবং এই নিয়ে কথা বলেও কোনো লাভ নেই, তখন সে আশা ছেড়ে দেয়। সে মানিয়ে নেয়। সে তার যৌন সত্তাটিকে নিজের ভেতরেই কবর দিয়ে দেয়। সে একজন স্ত্রী বা প্রেমিকা থেকে ধীরে ধীরে হয়ে ওঠে একজন রুমমেট, একজন মা, একজন গৃহকর্মী। তার হাসিটা আগের মতোই থাকে, কিন্তু তার চোখ দুটো হয়ে যায় নিষ্প্রাণ। সে আর ভালোবাসার মানুষ হিসেবে তার সঙ্গীকে দেখে না, দেখে একজন দায়িত্ব হিসেবে।


একইভাবে, পুরুষটিও যখন বারবার ব্যর্থ হতে হতে ক্লান্ত হয়ে পড়ে, তখন সেও চেষ্টা করা ছেড়ে দেয়। সে মেনে নেয় যে সে "এ রকমই"। সে যৌনতা থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেয়। তার ভেতরের প্রেমিক পুরুষটি মরে যায়, বেঁচে থাকে শুধু একজন বাবা, একজন রোজগেরে স্বামী।


এইভাবেই শোবার ঘরটা হয়ে যায় একটা কবরখানা। যেখানে দুটি জীবন্ত মানুষ একসাথে থাকে, কিন্তু তাদের ভেতরের আবেগ, ইচ্ছা এবং প্রেম মরে ভূত হয়ে গেছে। তারা একসাথে খায়, ঘুমায়, সামাজিক অনুষ্ঠানে যায়, কিন্তু তাদের মধ্যে আর কোনো প্রাণের সংযোগ থাকে না। তারা সমাজের চোখে "সুখী দম্পতি", কিন্তু নিজেরা জানে তারা আসলে দুটি মৃত আত্মার সহবাস করছে। এই নীরব, আবেগহীন সম্পর্কগুলো ক্যান্সারের চেয়েও ভয়ংকর।


সমাধান কোথায়?


তাহলে এই চক্র ভাঙার উপায় কী? উপায় একটাই—কথা বলা। সেইসব কথা বলা, যা আমাদের সমাজ বলতে শেখায়নি।


সমাধানের প্রথম ধাপ হলো, পুরুষকে তার বিষাক্ত পৌরুষের ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তাকে বুঝতে হবে যে, যৌনতা কোনো পারফরম্যান্স নয়, এটা পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার একটি প্রক্রিয়া। তার দুর্বলতা স্বীকার করার মধ্যে কোনো লজ্জা নেই, বরং সততা আছে। তাকে শিখতে হবে যে, তার সঙ্গিনীর শরীর একটা রহস্যময় জগৎ, যা তাকে আবিষ্কার করতে হবে—গায়ের জোরে জয় করতে নয়। তাকে পর্নোগ্রাফির জগৎ থেকে বেরিয়ে এসে বাস্তব যৌন শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। তাকে জানতে হবে ফোরপ্লে (Foreplay) বা শৃঙ্গারের গুরুত্ব, জানতে হবে ক্লিটোরিস সম্পর্কে। তাকে বুঝতে হবে, সঙ্গিনীর অর্গাজম তার পৌরুষের সার্টিফিকেট নয়, বরং তাদের পারস্পরিক ভালোবাসার সুন্দরতম প্রকাশ।


অন্যদিকে, নারীকেও তার বহু বছরের নীরবতা ভাঙতে হবে। তাকে ভদ্রতার মুখোশ খুলে ফেলে নিজের চাহিদার কথা স্পষ্টভাবে বলতে শিখতে হবে। তাকে তার সঙ্গীকে শেখাতে হবে, তাকে পথ দেখাতে হবে। "আমার এখানে ভালো লাগে," "এভাবে করলে আমি বেশি আনন্দ পাই"—এই কথাগুলো বলা কোনো নির্লজ্জতা নয়, এটা তার অধিকার। তাকে বুঝতে হবে, তার অর্গাজমের দায়িত্ব একা তার সঙ্গীর নয়, তার নিজেরও। নিজের শরীরকে চেনা, নিজের ইচ্ছাকে জানা এবং তা সঙ্গীকে বোঝানো—এটা সুস্থ সম্পর্কের জন্য অপরিহার্য। অভিনয় করে সে সাময়িকভাবে তার সঙ্গীর ইগোকে বাঁচাচ্ছে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে সে তাদের সম্পর্কটাকেই খুন করছে।


এই কথোপকথন সহজ নয়। এর জন্য প্রয়োজন প্রচণ্ড সাহস, বিশ্বাস এবং পারস্পরিক সম্মান। বহু বছরের জমে থাকা ক্ষোভ, লজ্জা এবং ভয়কে অতিক্রম করে এই কথাগুলো বলতে হবে। কিন্তু এই কঠিন পথটাই একমাত্র মুক্তির পথ।


এই লেখাটি শেষ করার আগে, আমি আপনার—হ্যাঁ, ব্যক্তিগতভাবে আপনার—বিবেকের দরজায় কয়েকটি প্রশ্ন রাখতে চাই। উত্তরগুলো কাউকে দিতে হবে না, শুধু নিজের মুখোমুখি হয়ে সৎভাবে নিজেকে উত্তর দিন।


নারীদের জন্য: 

শেষ কবে আপনি কোনো অভিনয় ছাড়া, সম্পূর্ণরূপে নিজের আনন্দের জন্য অর্গাজম অনুভব করেছেন? আপনার শরীরী সুখ কি সত্যিই আপনার, নাকি পুরুষের অহংকার রক্ষার জন্য উৎসর্গীকৃত এক বলি?

আপনি কি একজন প্রেমিকা, নাকি একজন যৌনকর্মী, যাকে ভালোবাসার বিনিময়ে নয়, সংসার টিকিয়ে রাখার পারিশ্রমিক হিসেবে নিজের শরীরটা দিতে হয়?

 আপনার সঙ্গীর অদক্ষতাকে "পুরুষদের ওরকমই হয়" ভেবে আজীবন অতৃপ্তিতে বেঁচে থাকাটা কি ভালোবাসা, নাকি চরম আত্মপ্রবঞ্চনা?


পুরুষদের জন্য:

আপনি কি আপনার সঙ্গিনীর সাথে মিলিত হন, নাকি তার শরীরটাকে ব্যবহার করে নিজের পৌরুষের পরীক্ষা দেন? আপনি কি একজন প্রেমিক, নাকি একজন পরীক্ষার্থী?

পর্নোগ্রাফির নায়িকাদের সাথে আপনার বাস্তব সঙ্গিনীকে তুলনা করে তাকে যে অপমান আপনি করেন, সেই একই মানদণ্ডে আপনার নিজের পারফরম্যান্সকে বিচার করার সাহস কি আপনার আছে?

আপনার কি মনে হয় না, যে পুরুষ তার সঙ্গিনীর শরীরের ভূগোলটাই চেনে না, সে আসলে যৌনভাবে অশিক্ষিত এবং তার পৌরুষের অহংকারটা একটা বিরাট ফাঁপা বেলুন ছাড়া আর কিছুই নয়?


আর সবশেষে, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবার জন্য একটাই হাড় হিম করা প্রশ্ন:

আপনার শোবার ঘরের নীরবতাটা কি শান্তির, নাকি দুটি মৃতদেহের মাঝে বিরাজমান কবরখানার নিস্তব্ধতা? ভেবে দেখুন, আপনি কি প্রেম করছেন, নাকি একটা লাশের সাথে ঘুমাচ্ছেন?

নারীর স্তন দেখতে ভালো লাগে? আমারো লাগতো, কিন্তু একদিন ....... ফেইসবুক থেকে নেওয়া,, তিনি ও নিয়েছেন ফেইসবুক থেকে

 নারীর স্তন দেখতে ভালো লাগে? আমারো লাগতো, কিন্তু একদিন ....... ছেলেবেলায়, আমি ভাবতাম—নারীর সৌন্দর্যের মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ নাকি তার ...