এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ : ১০-১২-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ : ১০-১২-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম

...................................................


নারীর অংশগ্রহণে নতুন বাংলাদেশ গড়ার ওপর গুরুত্বারোপ করলেন প্রধান উপদেষ্টা–বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ চার বিশিষ্ট নারীকে বেগম রোকেয়া পদক প্রদান

 

* আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা এবং তা প্রচারের লক্ষ্যে সিইসির ভাষণ আজ রেকর্ড করবে বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন

 

* নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর বেআইনি ও অনুমোদনহীন জনসমাবেশ ও আন্দোলন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে সরকার

 

* বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপনে সংশ্লিষ্ট সকলকে কাজ করতে হবে---বললেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

 

* নতুন পাঠ্যবই মুদ্রণ ও বিতরণে বিঘ্নের আশঙ্কা নেই---জানুয়ারির মধ্যেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে যাবে বলে জানালেন অর্থ উপদেষ্টা। 

 

* নানা আয়োজনে আজ দেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস 

 

* যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ নিরাপত্তা নিশ্চিত করলে যুদ্ধের মধ্যেই ইউক্রেনে নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি

 

* এবং আজ কক্সবাজারে চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৯-১২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৯-১২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


নারীর অংশগ্রহণে নতুন বাংলাদেশ গড়ার ওপর গুরুত্বারোপ করলেন প্রধান উপদেষ্টা –-- বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ চার বিশিষ্ট নারীকে বেগম রোকেয়া পদক প্রদান।


নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর বেআইনি ও অনুমোদনহীন জনসমাবেশ ও আন্দোলন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে সরকার।


সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সিইসির বৈঠক -- নির্বাচনে ম্যাজিস্ট্রেসি দায়িত্ব পালনে তিনশো বিচারক ও বিচার বিভাগের সহযোগিতার অনুরোধ।


দুর্নীতিবাজদের বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদেরকে সামাজিকভাবেও বর্জন করতে হবে --- আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবসের অনুষ্ঠানে বললেন অর্থ উপদেষ্টা।


জনগণ দায়িত্ব দিলে বিএনপি আবারও দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়বে -- জানালেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় একটি ভবনে অগ্নিকাণ্ডে নিহত অন্তত ২২ জন।


এবং আগামীকাল কক্সবাজারে চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫

সস্তায় কথা বলার স্মার্ট উপায়...

 সস্তায় কথা বলার স্মার্ট উপায়...


☞  বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের বেসরকারি মোবাইল অপারেটরগুলো যে হারে কলরেট এবং ডাটা সহ অন্যান্য সার্ভিস সমূহের মূল্য বৃদ্ধি করে যাচ্ছে তা সত্যিই অসহনীয়! অন্তত কল এবং এসএমএস এর বিকল্প সমাধান হলো টেলিটক অপারেটরের সিম ব্যবহার করা অথবা আইপি কলিং অ্যাপ ব্যবহার করা। বর্তমানে সকল মোবাইল অপারেটরের মধ্যে সর্বনিম্ম রেগুলার কলরেট হলো টেলিটকে (জেন জেড প্যাকেজের কলরেট ৭০ পয়সা/মিনিট ১ সেকেন্ড পালসে)। তবে এখনো বাংলাদেশের সকল জায়গায় টেলিটকের নেটওয়ার্ক খুব ভালো নয়। তবে বর্তমানে প্রায় সবাই ইন্টারনেট নির্ভরশীল হওয়ায় অনেকের কাছে সবসময় কোনো সিমে ইন্টারনেট অথবা ওয়াই-ফাই সংযোগ থাকে। সে হিসেবে আইপি কলিং অ্যাপ ব্যবহার হতে পারে তাদের জন্য সেরা সিদ্ধান্ত।


 


  


☞  বাংলাদেশের যেসকল IPTSP প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব আইপি কলিং অ্যাপ আছে তাদের তালিকা নিম্নে দেওয়া হলো:


১। ব্রিলিয়ান্ট কানেক্ট (Brilliant Connect)


✆ কলরেট: মূল কলরেট ৩৫ পয়সা/মিনিট এবং ১৫% ভ্যাট সহ ৪০.২৫ পয়সা/মিনিট।


✆ প্রথমবার একাউন্ট খুললে কোনো বোনাস অথবা ফ্রি অফার পাওয়া যাবে না। তবে মাঝে মধ্যে কোনো উপলক্ষে ভালো অফার পাওয়া যায়। এছাড়াও এজেন্ট থেকে যেকোনো পরিমাণ রিচার্জে ১০% বোনাস পাওয়া যাবে।


✆ প্রতিবারে সর্বনিম্ম ২০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২০০০ টাকা পর্যন্ত রিচার্জ করা যাবে।


✆ অপারেটরের কোড নম্বর হলো:  +880 9638 XXX XXX এবং +880 9658 XXX XXX


✆ কল ফরওয়ার্ডিং এবং কল রেকর্ডিং সুবিধা নেই।


✆ অ্যাকাউন্টের মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করা যাবে না এবং অ্যাকাউন্ট ডিলিট করার সুবিধা আছে।


✆ একটি জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে মাত্র একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন।


✆ উক্ত অ্যাপটি ইন্টারক্লাউড লিমিটেড (Intercloud limited) প্রতিষ্ঠানের অধীনে।


২। ডায়াল (Dial)


✆ কলরেট: মূল কলরেট ৩৫ পয়সা/মিনিট এবং ১৫% ভ্যাট সহ ৪০.২৫ পয়সা/মিনিট।


✆ প্রথমবার একাউন্ট খুললে কোনো বোনাস অথবা ফ্রি অফার পাওয়া যাবে না। তবে মাঝে মধ্যে কোনো উপলক্ষে ভালো অফার পাওয়া যায়। যেমন: এই পুরো ডিসেম্বর মাসে যতবার ২০ টাকা রিচার্জ করা হবে ততবার ২০ মিনিট (৮ টাকা) ফ্রি পাওয়া যাবে।


✆ প্রতিবারে সর্বনিম্ম ১০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২০০০ টাকা পর্যন্ত রিচার্জ করা যায়।


✆ অপারেটরের কোড নম্বর হলো:  +880 9678 XXX XXX


✆ কল ফরওয়ার্ডিং এবং কল রেকর্ডিং সুবিধা নেই।


✆ অ্যাকাউন্টের মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করার সুবিধা নেই এবং অ্যাকাউন্ট ডিলিট করার সুবিধা আছে। এছাড়াও অ্যাপ লক করার সুবিধা আছে।


✆ একটি জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে পাঁচটি অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন।


✆ উক্ত অ্যাপটি লিংক৩ টেকনোলজিস লিমিটেড (Link3 Technologies Ltd.) প্রতিষ্ঠানের অধীনে।


৩। আলাপ (Alaap)


✆ কলরেট: মূল কলরেট ৩৫ পয়সা/মিনিট এবং ১৫% ভ্যাট সহ ৪০.২৫ পয়সা/মিনিট।


✆ প্রথমবার একাউন্ট খুললে কোনো বোনাস অথবা ফ্রি অফার পাওয়া যাবে না। তবে মাঝে মধ্যে কোনো উপলক্ষে ভালো অফার পাওয়া যায়।


✆ প্রতিবারে সর্বনিম্ম ১০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা পর্যন্ত রিচার্জ করা যায়।


✆ অপারেটরের কোড নম্বর হলো:  +880 9696 XXX XXX এবং +880 9697 XXX XXX


✆ কল ফরওয়ার্ডিং এবং কল রেকর্ডিং দুটো সুবিধাই আছে।


✆ অ্যাকাউন্টের মোবাইল নম্বর পরিবর্তন এবং অ্যাকাউন্ট ডিলিট করার সুবিধা আছে।


✆ একটি জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে মাত্র একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন (সম্ভবত)।


✆ উক্ত অ্যাপটি বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড/বিটিসিএল (Bangladesh Telecommunications Company Limited/BTCL) প্রতিষ্ঠানের অধীনে। অর্থাৎ আলাপ (Alaap) একটি সরকারি আইপি কলিং অ্যাপ।


৪। আম্বার আইটি আইপি ফোন (Amber IT IP Phone)


✆ কলরেট: মূল কলরেট ৩৫ পয়সা/মিনিট এবং ১৫% ভ্যাট সহ ৪০.২৫ পয়সা/মিনিট।


✆ প্রথমবার একাউন্ট খুললে ১০ টাকা বোনাস পাওয়া যাবে। এছাড়াও মাঝে মধ্যে কোনো উপলক্ষে ভালো অফার পাওয়া যায়। যেমন: এই পুরো ডিসেম্বর মাসে যতবার ৫১ টাকা রিচার্জ করা হবে ততবার ৫১ মিনিট (২০ টাকা) ফ্রি পাওয়া যাবে।


✆ প্রতিবারে সর্বনিম্ম ১০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা পর্যন্ত রিচার্জ করা যায়।


✆ অপারেটরের কোড নম্বর হলো:  +880 9611 XXX XXX


✆ কল ফরওয়ার্ডিং এবং কল রেকর্ডিং সুবিধা নেই।


✆ অ্যাকাউন্টের মোবাইল নম্বর পরিবর্তন এবং অ্যাকাউন্ট ডিলিট করার সুবিধা নেই।


✆ একটি জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে মাত্র একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন।


✆ উক্ত অ্যাপটি আম্বার আইটি লিমিটেড (AMBER IT LTD.) প্রতিষ্ঠানের অধীনে।


৫। অগ্নিটক (Agnitalk)


✆ কলরেট: মূল কলরেট ৩৫ পয়সা/মিনিট এবং ১৫% ভ্যাট সহ ৪০.২৫ পয়সা/মিনিট


✆ প্রথমবার একাউন্ট খুললে ৫ টাকা বোনাস পাওয়া যাবে।


✆ কোনো প্রকার রিচার্জে কোনো বোনাস অফার নেই। তবে মাঝে মধ্যে কোনো উপলক্ষে ভালো অফার পাওয়া যায়।


✆ প্রতিবারে সর্বনিম্ম ১০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা পর্যন্ত রিচার্জ করা যায়।


✆ অপারেটরের কোড নম্বর হলো:  +880 9606 XXX XX


✆ কল ফরওয়ার্ডিং এবং কল রেকর্ডিং দুটো সুবিধাই আছে।


✆ অ্যাকাউন্টের মোবাইল নম্বর পরিবর্তন এবং অ্যাকাউন্ট ডিলিট করার সুবিধা নেই।


✆ একটি জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে পাঁচটি অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন।


✆ উক্ত অ্যাপটি অগ্নি সিস্টেমস লিমিটেড (Agni Systems Limited) প্রতিষ্ঠানের অধীনে।


৬। অরবিটক (Orbitalk)


✆ কলরেট: মূল কলরেট ৩৫ পয়সা/মিনিট এবং ১৫% ভ্যাট সহ ৪০.২৫ পয়সা/মিনিট।


✆ প্রথমবার একাউন্ট খুললে ২০ টাকা বোনাস পাওয়া যাবে।


✆ কোনো প্রকার রিচার্জে কোনো বোনাস অফার নেই। তবে মাঝে মধ্যে কোনো উপলক্ষে ভালো অফার পাওয়া যায়। এছাড়া অ্যাপে ৩০ দিন মেয়াদি ২০ টাকায় ৫০ মিনিট ও ৫০ টাকায় ১২৫ মিনিট (১ মিনিট পালস) এর দুটি প্যাকেজ আছে।


✆ প্রতিবারে সর্বনিম্ম ১০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা পর্যন্ত রিচার্জ করা যায়।


✆ অপারেটরের কোড নম্বর হলো:  +880 9643 XXX XXX


✆ কল ফরওয়ার্ডিং সুবিধা আছে এবং কল রেকর্ডিং সুবিধা নেই।


✆ অ্যাকাউন্টের মোবাইল নম্বর পরিবর্তন এবং অ্যাকাউন্ট ডিলিট করার সুবিধা নেই।


✆ একটি জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে পাঁচটি অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন।


✆ উক্ত অ্যাপটি রেস অনলাইন লিমিটেড (Race Online Limited) প্রতিষ্ঠানের অধীনে।


৭। কথন (Kothon)


✆ কলরেট: মূল কলরেট ৩৫ পয়সা/মিনিট এবং ১৫% ভ্যাট সহ ৪০.২৫ পয়সা/মিনিট।


✆ প্রথমবার একাউন্ট খুললে কোনো বোনাস অথবা ফ্রি অফার পাওয়া যাবে না।


✆ কোনো প্রকার রিচার্জে কোনো বোনাস অফার নেই।


✆ সর্বনিম্ম ৫ টাকা থেকে রিচার্জ শুরু করতে পারবেন।


✆ অপারেটরের কোড নম্বর হলো:  +880 9645 XXX XXX


✆ কল ফরওয়ার্ডিং এবং কল রেকর্ডিং সুবিধা নেই।


✆ অ্যাকাউন্টের মোবাইল নম্বর পরিবর্তন এবং অ্যাকাউন্ট ডিলিট করার সুবিধা নেই।


✆ একটি জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে পাঁচটি অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন (সম্ভবত)।


✆ উক্ত অ্যাপটি স্টারডাস্ট টেলিকম লিমিটেড (Stardust Telecom Limited) প্রতিষ্ঠানের অধীনে।


 


 


☞  উপরের আইপি কলিং অ্যাপগুলোর কলরেটের চেয়েও কম কলরেটের সুবিধা আছে এসআইপি (SIP) কলিং অ্যাকাউন্টে। সেগুলোর কলরেট ভ্যাট সহ ৩০ থেকে ৩৫ পয়সার মধ্যে। তবে সেগুলো ব্যবহার করা কারো কাছে একটু কঠিন মনে হতে পারে। কারণ সেগুলোর নিজস্ব অ্যাপ নেই। তাদের প্রতিনিধির কাছ থেকে বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খুলে ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড নিতে হবে। তারপর সেই ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড সহ আরো কিছু তথ্য দিয়ে অন্যান্য বিভিন্ন অ্যাপের (প্লে স্টোরে পেয়ে যাবেন) মাধ্যমে কল এবং মেসেজ আদান-প্রদান করতে হবে। তবে রিচার্জ করতে হবে সেই ওয়েবসাইট থেকেই। আমি পরবর্তী পোস্টে এসআইপি কলিং অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত লিখবো।


 


☞  উপর্যুক্ত সকল তথ্যের সর্বশেষ হালনাগাদের তারিখ ০৮/১২/২০২৫। পরবর্তীতে যেকোনো সময় উপর্যুক্ত তথ্যের পরিবর্তন হতে পারে। উপরের কোনো তথ্যে ভুল থাকলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং ভুল ধরিয়ে দিবেন।

মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫

ভূমিকম্প কীভাবে নির্ণয় করা হয়?

 ভূমিকম্প কীভাবে নির্ণয় করা হয়? কিভাবেই বা বোঝা যায় মাটির কত গভীরে ভূমিকম্প হয়েছে? 


পৃথিবীর যেকোনো স্থানে ভূমিকম্প হলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সারাবিশ্বের সিসমিক নেটওয়ার্ক তা শনাক্ত করে ফেলে। আমরা যে ভূমিকম্পের মাত্রা, গভীরতা এবং অবস্থান দেখি– এর পেছনে রয়েছে অত্যন্ত বৈজ্ঞানিক ও নির্ভুল হিসাব-নিকাশ। আজ জানুন ভূমিকম্প নির্ণয়ের এই পুরো প্রক্রিয়াটি।


➤ভূমিকম্প কারা শনাক্ত করে?


বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হাজার হাজার সিসমোমিটার বা সিসমিক স্টেশন ছড়িয়ে রয়েছে।

এগুলো অত্যন্ত সংবেদনশীল যন্ত্র, যা মাটির ক্ষুদ্রতম কম্পনও রেকর্ড করে।


প্রখ্যাত ভূমিকম্প মনিটরিং সংস্থাগুলো হলো—


USGS (যুক্তরাষ্ট্র)


EMSC (ইউরোপ)


GFZ (জার্মানি)


BMD (বাংলাদেশ)


JMA (জাপান)


➤ ভূমিকম্প হলে কী কী ঘটে?


ভূমিকম্পের পরে মাটির মধ্যে বিভিন্ন ধরনের তরঙ্গ তৈরি হয়:


P-Wave (Primary wave) – সবচেয়ে দ্রুত আসে


S-Wave (Secondary wave) – পরে আসে


Surface Wave – সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে


প্রতিটি সিসমিক স্টেশন এই তরঙ্গগুলোর আগমনের সময় (arrival time) মাপতে থাকে।


➤ কীভাবে ভূমিকম্পের অবস্থান বা epicenter নির্ণয় করা হয়?


একটি স্টেশন থেকে শুধু জানা যায় ভূমিকম্প কত দূরে হয়েছিল, কিন্তু কোথায় হয়েছিল তা জানা যায় না।

তাই অন্তত তিনটি সিসমিক স্টেশন প্রয়োজন হয়।


ভূমিকম্প নির্ণয়ের ধাপগুলো নিম্নরূপ :


১। প্রতিটি স্টেশনে প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি তরঙ্গের আগমনের সময়ের পার্থক্য মাপা হয়।

২। এই সময় ব্যবধান থেকে স্টেশন থেকে ভূমিকম্পের দূরত্ব নির্ণয় করা যায়।

৩। তিনটি স্টেশনের দূরত্ব দিয়ে একটি triangulation বা ত্রিভুজ তৈরি করা হয়।

৪। তিনটি বৃত্ত যেখানে মিলিত হয় সেই বিন্দুই হলো ভূমিকম্পের কেন্দ্র (Epicenter)।


* এই পদ্ধতিটি বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত এবং সবচেয়ে নির্ভুল।


➤ ভূমিকম্পের মাত্রা (Magnitude) কীভাবে নির্ণয় হয়?


ভূমিকম্প কত শক্তিশালী ছিল, সেটি বোঝায় Magnitude৷ আজকের বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত স্কেল হলো:-

Mw — Moment Magnitude Scale


এটি নির্ণয় করা হয় মূলত সিসমিক তরঙ্গের অ্যাম্পলিটিউড, তরঙ্গের সময়কাল, ফাটল কত বড় ছিল ও ভূত্বকের মধ্যে কত শক্তি মুক্ত হয়েছে তার উপর ভিত্তি করে। 


*এতে কম্পনের উচ্চতা (wave amplitude) যত বেশি হবে, মাত্রাও তত বেশি হবে।


➤ ভূমিকম্পের গভীরতা (Depth) কীভাবে নির্ণয় করা হয়?


সিসমিক তরঙ্গের আগমনের ধরন বিশ্লেষণ করে ভূমিকম্প কত গভীরে হয়েছিল তা নির্ণয় করা হয়।


এটি নির্ভর করে মূলত বিভিন্ন স্টেশনে P ও S তরঙ্গ কখন পৌঁছালো, সময়ের পার্থক্য কত ও তরঙ্গের গতি মডেল (Earth velocity model) অনুযায়ী। 


*গভীর ভূমিকম্পে P ও S তরঙ্গের পার্থক্য কম হয়, আর অগভীর ভূমিকম্পে এই পার্থক্য বেশি হয়। এবং উন্নত অ্যালগরিদম (Hypocenter location algorithms) ব্যবহার করে নির্ভুল গভীরতা বের করা হয়।


➤কত দ্রুত এই তথ্য পাওয়া যায়?


USGS/EMSC: প্রথম রিপোর্ট আসে ১–২ মিনিটে


GFZ: ২–৫ মিনিটে


BMD: সাধারণত কয়েক মিনিটের মধ্যে


* পরে ডেটা আরও বিশ্লেষণ করে রিপোর্ট refine করা হয়


 ➤কেন মাঝে মাঝে পরে magnitude পরিবর্তন হয়?


কারণ প্রাথমিক ডেটা সীমিত স্টেশন থেকে আসে। কয়েক মিনিটের মধ্যে আরও বেশি ডেটা যোগ হলে গণনাটি আরও নির্ভুল হয়। এজন্য initial magnitude পরে reviewed magnitude দিয়ে আপডেট করা হয়।


ভূমিকম্প একটি প্রাকৃতিক ঘটনা, কিন্তু আধুনিক প্রযুক্তির কারণে আমরা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই তার অবস্থান, গভীরতা ও শক্তি জানতে পারি। পৃথিবীর হাজারো সিসমিক স্টেশন নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে, যে কারণে আজ আমরা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় দ্রুত তথ্য পাই।


ধন্যবাদ, Bangladesh Weather Observation Team Ltd.

শরীরে #পানি_জমা/ #শোথ_রোগের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা-

 শরীরে #পানি_জমা/ #শোথ_রোগের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা-

                                


🟥 শোথ রোগ কি ?


দেহের কোষের দোষে, হৃৎপিন্ডের পীড়া, যকৃতের দোষ, অধিক মদ্যপান, সর্বাঙ্গীণ দুর্বলতা, অজীর্ণ, আমাশয়, রক্ত স্বল্পতা বা কোন কঠিন রোগ ভোগের সর্বশরীরে  পানি জমা (শোথ) আলাদা কোন রোগ নয়, এটি অন্য রোগের লক্ষণ মাত্র। শোথ হইবার নানা বিধ কারণ থাকিতে পারে। হোমিওপ্যাথির আবিষ্কারক হ্যানিম্যান বলেছেন দেহের ভিতরে প্রদাহ, অধিক রক্তক্ষরণ, মূত্র গ্রন্থির পীড়ায় শরীরে পানি জমে। যদি নিজেকে মাঝে মাঝে স্ফীত মনে হয় বা হাত, পা ও মুখমণ্ডল ফোলা ফোলা লাগে তবে ধারনা করা যেতে পারে শরীরে কোনো কারণে পানি জমছে।


🟥 শোথের লক্ষণসমুহ


১। আক্রান্ত স্থান স্ফীত হয় এবং সর্বাঙ্গ ধীরে ধীরে ফুলে উঠে।

২। আক্রান্ত স্থানে আঙ্গুল দিয়ে টিপলে গর্ত হয় এবং আঙ্গুল তুলে নিলে অনেকক্ষণ পর্যন্ত ঐ গর্ত থাকে পরে মিলে যায়।

৩। চর্ম ফ্যাকাসে, উজ্জল ও শীতল হয়।

৪। অতিশয় দুর্বলতা, ক্ষুধাহীনতা ও পিপাসা বৃদ্ধি পায়।

৫। উদরাময়, মুত্র স্বল্পতা ও লালবর্ণের মুত্র।

৬। শোথ কোন নির্দিষ্ট রোগ নয়,অন্যরোগের উপসর্গ।

৭। রক্তে জলীয় অংশ বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য দেহ কোষগুলো প্রথমে আক্রান্ত হয়। দিনের বেলায় পদদ্বয়ে শোথ বৃদ্ধি এবং রাতে পায়ের শোথ ভাব কম থাকে।

৮। শ্বাসকষ্ট, উদরাময়, হাঁপানি বোধ। ঘর্মরোধ, পিপাসা এবং নড়াচড়া করতে কষ্ট।


🟥 শোথের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু ঔষধ -


🟦 ডিজিটেলিসঃ  এই ঔষধ ব্যবহারের পূর্বে প্রথমে হৃৎপিণ্ডের নাড়ীর গতি ভাল করিয়া জানা আবশ্যক, কারন ইহাতে নাড়ী ও হৃৎপিণ্ড অত্যন্ত দুর্বল থাকে, নাড়ীর প্রতিঘাত (beat) মিনিটে ৩০/৪০ বার পর্যন্ত এবং ৩য়, ৫ম, অথবা ৭ম আঘাত বিলুপ্ত হয়, হৃৎপিণ্ডের ও নাড়ীর এই প্রকার অবস্থা না থাকিলে ডিজিটেলিস প্রয়োগে বিশেষ ফল হইবে না। সাধারণ শোথ ও উদরীতে কেবলমাত্র রোগীর প্রস্রাবের উপর লক্ষ্য রাখিয়া অনেক স্থলে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়।


🟦 লিয়াট্রিসঃ সর্বাঙ্গীণ শোথ অর্থাৎ সমস্ত শরীর ফুলা প্রস্রাব পরিমানে কম। এর ফলে প্রস্রাবের পরিমান বৃদ্ধির মাধ্যমে শোথ রোগ আরোগ্য হয়।


🟦 অক্সিডেনড্রনঃ সমস্ত অঙ্গ প্রতঙ্গের শোথ ও ফোলা, পেটে পানি জমা, শ্বাস কষ্ট, প্রস্রাব অল্প ইত্যাদি লক্ষনে ব্যাবহার করলে যথেষ্ট উপকার পাওয়া যায়।


🟦 এপোসাইনামঃ হৃৎপিন্ডের রোগসহ সকল প্রকার শোথেই ইহা উপকারী। ইহাতে মতিস্কের অত্যন্ত গোলযোগ থাকে, মাথা খুব ভারী হয়, নাড়ী অত্যন্ত ক্ষীণ, কোষ্ঠবদ্ধ, প্রস্রাব অতি অল্প, প্রস্রাব ঘোলা ও গরম, প্রস্রাবে ঘন শ্লেষ্মা, অনেক সময় প্রস্রাব অসাড়ে নির্গত হয়, বুকে পিঠে চাপবোধ, কিছু খাইলে নিশ্বাস ফেলিতে কষ্ট হয়, নিশ্বাস জোরে টানিয়া ফেলে, বুকে বেদনা ও হৃৎপিণ্ডের মধ্যে এক প্রকার অব্যক্ত যন্ত্রণা হয়, নাড়ী সবিরাম কিম্বা অত্যন্ত দুর্বল অথবা একেবারে পাওয়া যায় না। শোথ রোগের জন্য এটি একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ। অত্যন্ত পানি পিপাসা ও পানের পরই বমি বমি ভাব। প্রস্রাবের পরিমান কম, শ্বাস-প্রশ্বাসে কষ্ট। হৃদরোগ বা কিডনির পীড়া জনিত শোথে ইহা অধিক উপকারী। পেট বেদনা করে, রোগী যেদিকে চাপিয়া শোয় সেই দিক অধিক ফোলে।


🟦 লাইকোপোডিয়ামঃ লিভার পীড়াগ্রস্ত ব্যাক্তিগণের শোথরোগে লাইকোপোডিয়াম উপকারী। কোনও শোথ রোগে পায়ে অধিক ফোলা থাকিলেও সেই ফোলার উপর ঘা থাকিলে ইহা আরও অধিক উপযোগী।লাইকোপোডিয়ামে রোগীর উপরার্ধ যেমন– হাত, মুখ, বুক, গলা ইত্যাদি শুষ্ক শীর্ণ এবং নিম্নাঙ্গ যেমন পেট, পাছা, পা ইত্যাদি খুব ভারিবোধ ও অত্যন্ত ফোলা-ফোলা দেখায়। হৃৎপিণ্ডের পীড়াজনিত শোথে ইহা আর্সেনিক প্রভৃতি অন্যান্য ঔষধ অপেক্ষাও অনেক সময়ে অধিক উপকার করে পেরিকার্ডিয়ামের ও প্লুরার শোথেও লাইকোপোডিয়াম উপকারী।


🟦 এপিস মেলঃ ইহাতে রোগীর পিপাসা থাকে না, প্রস্রাব অল্প পরিমাণে হয়, গায়ের চামড়া সাদাটে বা স্বচ্ছ দেখায়, চোখ, পা অধিক ফোলে রোগী আদৌ শুইতে পারে না।

অত্যন্ত শ্বাসকষ্ট, একবার শ্বাস লইয়া মনে করে পরের বারে আর শ্বাস লইতে পারিবে না এই তাহার শেষ নিঃশ্বাস। চোখের নীচের পাতা অধিক ফোলে।


🟦  ঈগল ফোলিয়াঃ সর্বপ্রকার যান্ত্রিক রোগ সংযুক্ত শোথ, উদরী, স্বল্প প্রস্রাব, চোখ, মুখ, হাত পা, পেটফোলা, জ্বর, অরুচি এবং বহুদিন যাবৎ প্লীহা, পেটের অসুখ, আমাশয় ইত্যাদিতে ভুগিয়া বা মাঝে মাঝে ঐরূপ হইয়া ক্রমশঃ ফুলিয়া পড়িলে ইহাতে উপকার হইবে। বেরি-বেরি  রোগের ফোলাতেও ইহাতে উপকার হয়।


🟦 ডিজিটেলিসঃ হৃৎপিন্ডের পীরা জনিত শোথ, শ্বাস-প্রশ্বাসে অত্যন্ত কষ্ট, নাড়ির গতি অসম। চলিতে চলিতে হঠাৎ নাড়ি থামিয়া যায়। আবার চলিতে থাকে। তৃতীয় পঞ্চম কিংবা সপ্তম স্পনদন বিল্যুপ্ত হলে এটাই প্রধান ঔষধ।


🟦 আর্সেনিক এলবামঃ হাত, পা, পেট, সমস্ত দেহের শোথ বিশেষ করে মুখের চামড়া ফ্যাকাসে, নীল বা সবুজ আভা। খুব দুর্বলতা সামান্য নড়াচড়া করলে অবসন্নতা। রাতে মনে হয় দম বন্ধ হয়ে যাবে, অস্থিরতা। খুব পিপাসা কিন্তু অল্প অল্প জলপান, হৃদপিণ্ডের শোথ।


🟦 এমন বেঞ্জোয়িকামঃ যে সকল ব্যাক্তির প্রস্রাবে এলবুমেন থাকে, প্রস্রাব অত্যন্ত অল্প পরিমাণে হয়,প্রস্রাব ধরিয়া রাখিলে ভিতরে ধোঁয়ার মত পদার্থ দেখিতে পাওয়া যায়,অত্যন্ত কটু গন্ধ থাকে, প্রস্রাব কখনও কখনও লালবর্ণ হয় এবং লালবর্ণের ঘন তলানি পড়ে, তাহাদের পীড়ায় ও শোথে ইহা অধিক উপকারী।


🟦 সাইরিকাঃ ইহা হৃৎপিণ্ডের ও কিডনি সম্বন্ধীয় কতিপয় পীড়ায়, শোথরোগে ও বাতে ব্যবহৃত হয়। ইহা সেবনে ঘর্ম ও প্রস্রাবের পরিমাণ বৃদ্ধি হয়, সেইজন্য ইহা সকল প্রকার শোথে, বিশেষতঃ হৃৎপিণ্ডের ও কিডনির পীড়া জনিত শোথরোগে অধিক উপকারী।


🟦 এম্পিলপসিসঃ প্রস্রাবের দোষজনিত শোথ, হাইড্রোসিল এবং স্ক্রুফুলাস ব্যক্তির পুরাতন গলাধরায় ইহা অধিক উপকারী। তদ্ভিন্ন  চক্ষুর পিউপিল বিস্তৃত, বামদিকের পাঁজরায় কষ্টাল প্রদেশে স্পর্শ কাতরতা তীক্ষ্ণ বেদনা, কনুইয়ের হাড়ে ও পিঠে এবং সমস্ত অঙ্গে বেদনা, বমি ও বাহ্যের সহিত কোঁথানি, পেটে গড়গড় শব্দ এই ঔষধের বিশিষ্ট লক্ষণ।


🟦 কোয়ার্কাস গ্ল্যাণ্ডিয়মঃ পুরাতন প্লীহা ও প্লীহাজনিত শোথ রোগে ইহা পূর্বে ব্যবহৃত হইত। মাথাঘোরা মাথায় শব্দ, কানে কম শোনা, কালা হওয়া, লিভার পীড়া ও শোথ,ম্যালেরিয়া জ্বরসহ পেটফাঁপা ইত্যাদিতে ইহা ব্যবহার্য।


🟦 থেরিডিয়নঃ স্নায়ুরবোধ শক্তির আধিক্য। ক্ষয়রোগ ধাতুগ্রস্ত ব্যক্তির উপরে ইহার বিশেষ কাজ। শির ঘূর্ণন, বমিসহ মাথা ঘোরা, হৃদপ্রদেশে অদ্ভুদ ধরণের বেদনা, রক্তস্রাবী যক্ষ্মারোগ, গণ্ডমালা প্রভৃতি বহু রোগে ইহা দ্বারা উপকার পাওয়া যায়।যে সকল ক্ষেত্রে নির্বাচিত ঔষধ দীর্ঘদিন কাজ করে না সেখানে ইহা বিশেষ উপকারী। পায়ের ফুলা, নিম্নাঙ্গে কামড়ানি বেদনা।


🟦 আর্জেন্ট ফসঃ শোথ রোগে ইহাতে প্রস্রাব নিঃসরণে সহায়তা করে।


🟦 এসেটিক এসিডঃ সর্বাঙ্গীণ শোথ কিম্বা উদরীর সহিত উদরাময় ও বমন কেবলমাত্র এসেটিক এসিডেই আছে, অন্য ঔষধে নাই।


🟦 হেলিবোরাসঃ হৃৎপিন্ডের গোলযোগের কারণে শোথ ও উদরীরোগে প্রস্রাব কালবর্ণ কিম্বা ঘোলা, পরিমাণে অত্যন্ত অল্প, প্রস্রাব ধরিয়া দেখিলে তাহাতে ধোঁয়ার মত পদার্থ ভাসে, তলানি কফি গুঁড়ার মত, বাহ্য আমমিশ্রিত, এই সমস্ত লক্ষণে হেলিবোরাস উপকারী।বক্ষশোথ  নিশ্বাসে ও বসিতে কষ্ট দমবন্ধভাব হয়।


🟦 ল্যাথাইরাসঃ পা ঝুলাইয়া চেয়ারে বা বেঞ্চিতে বসিয়া কাজ করিলেই পা ফুলিয়া উঠে।


🟦 স্যাম্বুকাসঃ কিডনির তরুণ প্রদাহ জনিত শোথরোগে ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগসহ প্রচুর পরিমাণে প্রস্রাব হয় ও ঘন সেডিমেণ্ট থাকে।


🟥 শোথ রোগের রোগীর জন্য পরামর্শ

গর্ভাবস্থায় ও মাসিক চলাকালে হাতে-পায়ে ও মুখমণ্ডলে পানি আসতে পারে। এছাড়া অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, মেনোপজ কিংবা থাইরয়েড, লিভার বা কিডনি সমস্যারলক্ষণও হতে পারে শরীরে পানি জমা। এরজন্য চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।

তবে প্রাথমিকভাবে রেহাই পেতে রয়েছে ঘরোয়া কিছু পন্থা। স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এসব উপায় উল্লেখ করা হয়। প্রচুর পানি পান করুন, যথেষ্ট পরিমাণে পানি পান করলে পানি জমা কমানো যায়। তবে সতর্ক থাকতে হবে যেন সমস্ত দিনের মধ্যে সুষমভাবে পানি পান করা হয়। কারণ একেবারে অধিক পানি পান করলে উল্টো প্রতিক্রিয়া হতে পারে।

লবণ ও চিনি খাওয়া কমান- লবণ কোষে পানি ধরে রাখে এবং লবণের আধিক্য শরীরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করে। অপর দিকে, চিনি দেহে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, ফলে দেহ থেকে সোডিয়াম তথা লবণ নিষ্কাশন কমিয়ে দেয়। বেছে নিন প্রাকৃতিক মূত্রবর্ধক। ফার্মেসিতে ছুটে যাওয়ার আগে রান্নাঘরের দিকে একবার নজর দিন। ঘরেই তৈরি করে নিতে পারেন প্রাকৃতিক মূত্রবর্ধক। বাঁধাকপির কাঁচাপাতা, সবুজ চা, অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার, ধনিয়াপাতা, জিরা ইত্যাদি হতে পারে ঘরোয়া সমাধান।

রসুনঃ সকালে খালি পেটে রসুন খেলে উপকার হতে পারে।এটি চর্বি ভাঙতেও সহায়তা করে।

বরফঃ একটি পাতলা কাপড়ে বেশ কয়েকটি বরফের টুকরা নিয়ে পানি জমা জায়গায় চেপে ধরুন। এটি কিছুটা প্রশান্তিদায়ক হতে পারে।

অ্যালকহল বর্জন করুন, অ্যালকোহল পান হতে পারে শরীরে পানি জমার কারণ। এটি শরীরে জোর করে অধিক পানি জমিয়ে রাখে।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ: ০৯-১২-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ: ০৯-১২-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম

.....................................................


* ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল সংক্রান্ত সিইসির ভাষণ বাংলাদেশ বেতার ও বিটিভিতে রেকর্ড করা হবে আগামীকাল---জানালো নির্বাচন কমিশন

 

* ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট

 

* উৎসবমুখর নির্বাচনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে--- জানালেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

 

* নারী জাগরণের অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ এ বছর বেগম রোকেয়া পদক পাচ্ছেন চার নারী

 

* মার্কিন শান্তি পরিকল্পনা ও ইউক্রেনের নিরাপত্তার বিষয়ে ইউরোপীয় মিত্রদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি

 

* এবং আজ কটকে প্রথম টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলবে স্বাগতিক ভারত

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ: ০৮-১২-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ: ০৮-১২-২০২৫


আজকের  সংবাদ শিরোনাম

..................................................... * খাদ্যপণ্যে দূষণ নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার উদ্বেগ--সংকট মোকাবিলায় সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান

 

* একই দিনে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনে সম্পূর্ণ প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন---চলতি সপ্তাহেই তফসিল ঘোষণা

 

* ১৫ বছর পর দেশে গণতন্ত্র ফেরার সুযোগ সৃষ্টি--একমাত্র বিএনপিই দেশকে সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করবে---বললেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

 

* জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ একশো ১৪ জনের পরিচয় শনাক্ত করতে রায়েরবাজার কবরস্থান থেকে লাশ উত্তোলন শুরু

 

* দেশে পেঁয়াজের বাজার সহনীয় রাখতে সীমিত আকারে আমদানির অনুমতি।

 

* রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের মার্কিন পরিকল্পনা নিয়ে আজ ইউক্রেন, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির নেতাদের সাথে বৈঠক করবেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট

 

* এবং ভারতের তামিলনাড়ুতে যুব বিশ্বকাপ হকিতে স্থান নির্ধারণী ম্যাচে আজ অস্ট্রিয়ার মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ

বিজ্ঞান হোমিওপ্যাথি থেকে পিঁছিয়ে আছে......

 ১৯৯৬ সালে মাত্র ২৭ বছর বয়সে আমেরিকান নিউক্লিয়ার বিজ্ঞানী এলি লোবেল ভয়ানক একটি  পোকার কামড়ে লাইম ডিজিজে আক্রান্ত হন। পরবর্তী ১৫ বছর তিনি হুইলচেয়ারে কাটান এবং জীবনের প্রতি সব আশা হারিয়ে ‘ইচ্ছামৃত্যু’ নিতে যান ক্যালিফোর্নিয়ার এক গ্রামে।


সেখানেই ঘটে এক বিস্ময়কর ঘটনা—এক ঝাঁক মৌমাছির হুলে আক্রান্ত হন তিনি। ছোটবেলায় মৌমাছির হুলে কোমায় যাওয়া এলির মনে হয়েছিল এবার বুঝি সব শেষ। কিন্তু উল্টো তাঁর শরীরে দেখা দেয় জ্বর ও ব্যথা, যা দেখায় যে শরীরের ভেতরের ব্যাকটেরিয়াগুলো মরতে শুরু করেছে (এই প্রতিক্রিয়াকে বলে Herxheimer Reaction)।


মাত্র তিন দিনের মধ্যেই এলির অবস্থার উন্নতি হতে থাকে—ব্যথা কমে, স্মৃতি ফিরে আসে, তিনি হাঁটতে শুরু করেন।


গবেষণায় জানা যায়, মৌমাছির বিষে থাকা Melittin নামের একটি উপাদান লাইম ডিজিজের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া (Borrelia burgdorferi) ধ্বংস করতে পারে। এরপর এলি নিজেই শুরু করেন অ্যাপিথেরাপি—প্রতিদিন কিছু মৌমাছির হুল প্রয়োগ করে নিজেকে চিকিৎসা করেন। কয়েক হাজার হুল নেওয়ার পর তিন বছরেই তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেন।


এখন তিনি মৌ-খামারে কাজ করেন এবং গবেষণা বলছে, মৌমাছির এই বিষ শুধু লাইম ডিজিজ নয়, এইচআইভি ও ক্যান্সারের বিরুদ্ধেও কার্যকর হতে পারে।


তথ্যসূত্র: BBC Future


★যাই হোক এই ঘটনায় হোমিওপ্যাথতের  বিস্মিত  হওয়ার কিছু নেই। কারন আমরা "এপিস মেল" এর সাথে ২০০বছর আগেই পরিচিত। হোমিওপ্যাথি ২০০ বছর আগে যা আবিষ্কার করেছে তা বর্তমানে মানুষ আবিষ্কার করছে। সুতরাং বলতেই হয়, বিজ্ঞান হোমিওপ্যাথি থেকে পিঁছিয়ে আছে......

সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

দন্তরোগের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

 🩺 দন্তরোগের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

 

👉 দন্তরোগ বা দাাঁতের পীড়া কি ?

দাঁত মানুষের অমূল্য সম্পদ।দাঁতের সাহায্যে মানুষ খাদ্যবস্তু চর্বন করে থাকে। চর্বন ক্রিয়ার সময় মুখ হতে লালা রস বের হয়ে খাদ্যদ্রব্যের সাথে মিশে পরিপাক ক্রিয়ায় সাহায্য করে।দাঁত সৌন্দর্যের অঙ্গ। দন্তহীন ব্যক্তিরা স্পষ্ট কথা বলতে পারে না এবং তাদের মুখের শ্রী নষ্ট হয়ে যায়। হজম কাজের সাহায্যের জন্য খাদ্যবস্তুকে টুকরা টুকরা করে গলধঃকরণ করাই দাঁতের কাজ।

দাঁতের গঠন জনিত ত্রুটি, দাঁতের অযত্ন, আঘাত, দাঁতের পোকা, বেশি গরম, শীতল খাদ্য, মিষ্টি ও টক খাদ্য গ্রহণ এবং অপরিষ্কার জনিত জীবাণু দূষণে দাঁতের গোড়া ফুলে যায় এবং ব্যথা হয়।

দাঁতের রোগসমুহ


 মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া।

ঠান্ডা পানি খেলে শিরশির করা।

মুখে দূর্গন্ধ হওয়া।

অকালে দাঁত পড়া।

 দাঁতের ক্ষয় হওয়া।

আক্কেল দাঁত উঠা।

মাড়ি ফুলে যাওয়া।

দাঁতের সামনে পেছনে দাগ পড়া, দাঁতে পাথর হওয়া।


👉 দন্তক্ষয় রোগ/ পোকা খাওয়া


আহারের পর খাদ্যদ্রব্যের কিছু দাঁতের ফাঁকে অথবা আশেপাশে লেগে থাকতে পারে। সেখানে ব্যাকটেরিয়া নামক এক জাতীয় জীবাণু অম্লের উৎপত্তি করে। এ অম্ল দাঁতে সামান্য গর্তের সৃষ্টি করে। প্রতিষেধক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এ গর্ত দিনে দিনে বড় হতে থাকে।


👉 দন্তরোগের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত সদৃশ ঔষধ নির্বাচন


💎 একোনাইট ন্যাপ

ঠান্ডা লাগিয়া হঠাৎ দাঁতে কনকনানি ব্যাথা। মাড়ি ফোলা,ছটফটানি অস্থিরতায় একনাইট প্রযোজ্য।


💎 মার্ক সল

দাঁতের মাড়ি ফোলা, ব্যাথা, মাড়িতে ঘা, রক্ত পড়ে, লালা ঝরে, মুখে দূর্গন্ধ, পোকা ধরা দাঁত ঠান্ডা পানিতে যন্ত্রনা বাড়ে, দাঁতের যন্ত্রনা রাতে বিছানার গরমে বৃদ্ধিতে এটি অব্যা্র্থ। দাঁতের আগা ক্ষয় হতে থাকলে এটি উপকারি।


💎 এন্টিম ক্রুড

পোকায় ধরা দাঁতের গর্তে  খাবার আটকালে বা ঠান্ডা পানি দাতে লাগলে যন্ত্রনা বাড়ে। সেই জন্য রোগী হা করিয়া গলার ভিতর পানি ঢেলে পান করে। জিহ্বায় সাদা প্রলেপ যুক্ত রোগীর জন্য এই ঔষধ অধিক উপকারি।


💎 কফিয়া

দাঁত বেদনায় চমৎকার ঔষধ, ঠান্ডা পানি মুখে রাখলে ব্যাথা কমে।মুখের ভেতর পানি গরম হলে যন্ত্রনা বাড়ে। তাই রোগী বারবার ঠান্ডা পানি মুখে দেয়।এই লক্ষনে কফিয়া অব্যার্থ।


💎 হেকলা লাভা

মাড়ী ফোলা, শূলনী ব্যাথা, মাড়িতে ক্ষত, পোকায়ধরা দাঁত, দাঁত আস্তে আস্তে ভাঙ্গিয়া যায়।দাঁত তোলার পর যন্ত্রনার উপসর্গে দাঁতের নালীর ঘায়ে এটি অব্যার্থ।


💎 এসিড ফ্লোর

পায়োরিয়া রোগের শ্রেষ্ঠ ঔষধ। দাঁতের মাড়িতে ঘা,পুঁজ পড়ে, মুখ দিয়া পঁচা দুর্গন্ধ বের হয়। ঠান্ডা পানি মুখে নিলে আরাম লাগে। গরমে যন্ত্রনা বৃদ্ধিতে এটি অমোঘ।


💎 কার্ডুয়াস মেরী

এটি পায়োরিয়া রোগের শ্রেষ্ঠ ঔষধ। মাড়ি ফুলে,মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে, দাতের গোড়া আলগা হইয়া যায়। মাড়ি থেকে দুর্গন্ধ পুঁজ বাহির হয়।


💎 ক্যামোমিলা

খিটখিটে বদমেজাজী রাগী।সামান্য কারনেই গালমন্দ করে। ঝগরাঝাটি লাগিয়ে বসে। এই ধরনের ধাতুর রোগীদের  দাঁতের ব্যাথায় ক্যামোমিলা অব্যার্থ।


💎 ক্রিয়জোট

শিশুদের দাঁত উঠিবার পরেই দাত গুলো আস্তে আস্তে কালো হতে থাকে।ভেঙ্গে পড়ে,পোকায় ধরে,মাড়ি ফুলে রক্ত পড়ে,পোকায় ধরা দাঁতে ভীষন ব্যাথা প্রভৃতি লক্ষনে ইহা উপকারী।


💎 ষ্ট্যাফিসেগ্রিয়া

ক্রোধ স্বভাব অপমানিত হলেও আত্মসন্মানের ভয়ে ঝগড়া করে না। সর্বদা কাম ভাবের চিন্তা । শীত কাতর এই ধাতুর রোগীদের দাঁতে পোকা,মাড়ী ফোলা,রক্ত পড়া ইত্যাদি লক্ষনে এটি উপকারি।


💎 ম্যাগনেশিয়া কার্ব

গর্ভবতি মহিলাদের দাঁত ব্যাথা, রাতে বৃদ্ধি।পায়চারি করিলে বা ঠান্ডা পানিতে উপশমে ইহা উপকারী।


💎 র‌্যাটানহিয়া

গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে ভয়ানক দাঁতে ব্যাথা।ব্যাথা শুইলে বাড়ে, চলিয়া বেড়াইলে ব্যাথা কমলে এটি উপকারী। দাঁতের মাড়িতে রক্ত পড়ায়ও এটি ভাল ঔষধ।


💎 কার্বোভেজ

দাঁত মাজতে বা কুলি করতে রক্ত পড়ে। মাড়ি থেকে দাতের গোড়া বের হয়ে যায়, ব্যাথা করে।


💎 এসিড নাইট

ঠোঁটের কোনায় ঘা, দাঁতের মাড়িতে ক্ষত,রক্ত পড়ে মুখ থেকে পঁচা দুর্গন্ধ বের হয়। লালা পড়ে, প্রস্রাবে কটু দর্গন্ধ ইত্যাদি লক্ষনে এটি উপকারি।


💎 ট্রিলিয়াম

দাঁত তোলার পর রক্ত পড়তে থাকলে এর Q তুলা দিয়ে দাঁতের গর্তে লাগালে রক্ত পড়া বন্ধ হয়।


💎 প্লান্টেগো

সব রকমের দাঁতের ব্যাথায় এটি কর্যকরি ভাবে ব্যাবহৃত হয়ে আসছে।


💎মেজেরিয়াম

দাঁতের গোড়া ক্ষয় হতে থাকলে এটি উপকারি।


 এই লেখাটি আমার হোমিওপ্যাথিক প্র্যাকটিস অফ মেডিসিন বই এর অংশবিশেষ।


আসসালামু আলাইকুম,

আমি ডা. ইয়াকুব আলী সরকার ( ডি.এইচ.এম.এস-বি.এইচ.বি-ঢাকা ), এম.এস.এস (এন.ইউ)।


হোমিওপ্যাথিক কনসালটেন্ট 

গভঃ রেজিঃ নং ২৩৮৭৬।

ইভা হোমিও হল। বাইপাইল, আশুলিয়া থানার সামনে, সাভার, ঢাকা।

মোবাইল নং 01716-651488 / ০১৬৮৬৯৮১৪৪৫

ইমেইলঃ- yeakubtangail@gmail.com


#everyoneシ゚ #homeopathytreatment #homeopathic #হোমিওপ্যাথিক হোমিওপ্যাথিক পাঠশালা

মুসলিম ফারায়েজ নীতিতে নারীর ৮ অবস্থাঃ 

 মুসলিম ফারায়েজ নীতিতে নারীর ৮ অবস্থাঃ 


১। স্ত্রীর দুই অবস্থাঃ

(ক) মৃত ব্যাক্তির সন্তান না থাকলে ১/৪,

( খ) আর থাকলে ১/৮ অংশ পাইবে।


২। কন্যার তিন অবস্থাঃ

(ক) একজন মাত্র কন্যা থাকলে ১/২ ,

( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,

(গ) পুত্র কন্যা একসাথে থাকলে ২:১ অনুপাতে পাইবে।


৩। মায়ের তিন অবস্থাঃ

(ক) মৃত্যু ব্যক্তির সন্তান বা একাধিক ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ পাইবে,

(খ) মৃত্যু ব্যক্তির যদি কোন সন্তান না থাকে বা ভাইবোন ২ জনের কম থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে,

(গ) স্বামী বা স্ত্রীর সাথে পিতা মাতা উভয়ে থাকলে , মৃত্যু ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে স্বামী বা স্ত্রীর অংশ দেয়ার পর বাকি সম্পত্তির ১/৩ অংশ পাইবে।


৪। বৈপিত্রীয় ভাইবোনদের তিন অবস্থাঃ

(ক) একজন মাত্র বৈপিত্রীয় ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ,

(খ) একাধিক থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে

(গ) মৃত্যু ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র,পিতা বা দাদা থাকলে বঞ্ছিত হইবে।


৫। পৌত্রীগনের ছয় অবস্থাঃ

(ক) একজন মাত্র পৌত্রী থাকলে ১/২,

( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,

(গ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন ১/৬ অংশ পাইবে,

(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে,

(ঙ) মৃত্যু ব্যক্তির পৌত্রী ও পৌত্র একই সাথে থাকলে অংশীদার হইবে,

(চ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির পুত্র থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে।


৬। সহোদরা বোনদের পাঁচ অবস্থাঃ

(ক) একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকলে ১/২,

( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,

(গ) সহোদরা বোনের সাথে সহোদরা ভাই থাকলে আসাবা হইবে,

(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা বা পৌত্রী থাকে তাহলে সহোদরা বোনগন ১/৬ অংশ পাইবে। একাধিক কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে অংশীদার হইবে,

(ঙ) মৃত্যু ব্যাক্তির পুরুষ শ্রেনীর ওয়ারিশ থাকলে সহোদরা বোনগন বঞ্ছিত হইবে।


৭। বৈমাত্রিয় বোনদের সাত অবস্থাঃ

(ক) যদি মৃত্যু ব্যাক্তির সহোদরা বোন না থাকে ও একজন মাত্র বৈমাত্রিয় বোন থাকলে ১/২,

(খ)একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,

(গ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোন ১/৬ অংশ পাইবে,

(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোনগণ বঞ্ছিত হইবে,

(ঙ)যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে এবং বৈমাত্রিয় বোনের সাথে বৈমাত্রিয় ভাই থাকলে একএে অংশীদার হইবে।

(চ) মৃত্যু ব্যাক্তির কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগণ অবশিষ্ট অংশ পাইবে,

(ছ) মৃত্যু ব্যক্তির পুরুষ ওয়ারিশ থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগন বঞ্ছিত হইবে।


৮ । দাদী নানীর ২ অবস্থাঃ

(ক) পিতৃ বা মাতৃ সম্পর্কের এক বা একাধিক যাহাই হোক ১/৬ অংশ পাইবে,

(খ) মৃত্যু ব্যক্তির মাতা জীবিত থাকলে বঞ্ছিত হইবে। তবে পিতা জীবিত থাকলে দাদী বঞ্ছিত


@highlight

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...