এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬

একশিরা বা অন্য যে কোন রোগে, ইহাই শ্রেষ্ঠ ঔষধ বলে বিবেচিত।

 🛑HYDROCELE এর হোমিও ঔষধ 🛑


♦️অরাম মেট (Aurum Met) 


-স্ক্রোফুলা, রক্তপ্রধান ধাতুগ্রন্থ এবং উপদংশ ও পারদ দোষদুষ্ট ব্যক্তিদের ডান দিকের একশিরা রোগে ইহা অধিক ব্যবহৃত হয়। 

-রোগী মন্দ দিকটা প্রথমে ভাবে।

- রোগারোগ্যের প্রতি উদাসীন বা নৈরাশ্য, তাই মৃত্যু কামনা করে।

- আত্মহত্যার প্রবৃত্তি অত্যন্ত প্রবল। 


 ♦️ক্লিমেটিস ইরেক্টা (Clematis Erecta) 


-রোগীর প্রমেহ স্রাব অবরুদ্ধ হয়ে  কিংবা হঠাৎ ঠান্ডা লেগে  ডান দিকের অণ্ডকোষের অধিক প্রদাহ ও ফোলা।

-উহা পাথরের মত অত্যন্ত শক্ত হয় (ক্যাকে ফ্লোর)।

 -রেতঃ রজ্জুতে বেদনা থাকে।


♦️স্পঞ্জিয়া (Songia) 200 বা রডোডেনড্রন (Rododendron) 200 


-বাম দিকের একশিরা রোগে অণ্ডকোষ স্ফীত ও শক্ত, তাতে অত্যন্ত বেদনা থাকে। 

-রোগীর রেতঃ রজ্জু (spermmatic cord) ফুলে মোটা হয়,।

-একটু নাড়া চাড়া করলে মনে হয় যেন প্রাণ বের হয়ে যাবে, ইহাতে উপকারী।


♦️হাইড্রোকোটাইল (Hydocotyle) θ 


-রোগীর মানসিক ও শারীরিক দুর্বলতা এবং সমস্ত পেশীতে আঘাত লাগার মত বেদনা। 

-এই দুটি প্রধান লক্ষণসহ একশিরা বা অন্য যে কোন রোগে, ইহাই শ্রেষ্ঠ ঔষধ বলে বিবেচিত।

ওষুধি গুণে ভরপুর আকন্দ গাছ।

 প্রকৃতির দান, ওষুধি গুণে ভরপুর আকন্দ গাছ।


১. অর্শ বা পাইলসের বলি শুকাতে সাহায্য করে।

২. বাতের কারণে হাত-পা ফুলে গেলে তা দ্রুত সারিয়ে তোলে।

৩. পেশির টান বা মচকানো ব্যথায় আরাম দেয়।

৪. হাঁটুর দীর্ঘমেয়াদী ব্যথা নিরাময়ে কার্যকর।

৫. সাইটিকা বা মেরুদণ্ডের নিচের অংশের ব্যথা কমায়।

 শ্বাসকষ্ট ও সর্দি-কাশি:

৬. পুরনো কাশি বা কফ জমা কমাতে সাহায্য করে।

৭. হাঁপানি বা অ্যাজমার প্রকোপ কমায়।

৮. শ্বাসকষ্টের কারণে বুক ধড়ফড় করা বন্ধ করে।

৯. নিউমোনিয়ার উপসর্গ উপশমে কাজ করে।

১০. সাইনাস ও দীর্ঘদিনের সর্দি সারাতে সহায়ক।

 চর্মরোগ ও ক্ষত:

১১. দাদ, হাজা ও চুলকানি নিরাময়ে এর কষ কার্যকর।

১২. একজিমা বা চর্মরোগের ক্ষত শুকাতে সাহায্য করে।

১৩. শরীরের কোনো অংশ ফুলে গেলে (Inflammation) তা কমায়।

১৪. নখের কুনি বা নখশূল সারাতে এর কষ ব্যবহৃত হয়।

১৫. ফোঁড়া দ্রুত পাকিয়ে ফাটাতে সাহায্য করে।

১৬. বিছা বা বলতা কামড়ালে বিষক্ষয় করে।

১৭. ব্রণ বা ত্বকের কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে।

 পেটের সমস্যা ও কৃমি:

১৮. কৃমি নাশক হিসেবে কাজ করে।

১৯. দীর্ঘদিনের আমাশয় নিরাময়ে সাহায্য করে।

২০. হজম শক্তি বৃদ্ধি করে ও রুচি বাড়ায়।

২১. পেট ফাঁপা বা পেট ভার হয়ে থাকা দূর করে।

২২. যকৃত বা লিভারের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।

২৩. প্লীহা (Spleen) বড় হয়ে যাওয়া রোধ করে।

 অন্যান্য স্বাস্থ্যগুণ:

২৪. দাঁতের ব্যথায় আকন্দের কষ তুলায় ভিজিয়ে লাগালে আরাম মেলে।

২৫. কানের ব্যথা বা কান পাকা সারাতে এর পাতা ব্যবহার হয়।

২৬. হাড়ের জয়েন্টের তীব্র ব্যথা বা গেঁটে বাত কমায়।

২৭. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

২৮. মাথার যন্ত্রণায় বা মাইগ্রেনের ব্যথায় কপালে সেঁক দিলে আরাম পাওয়া যায়।

২৯. শরীরের বিষাক্ত টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে।

৩০. জ্বর ও গায়ে ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

৩১. অণ্ডকোষের ফোলাভাব কমাতে কার্যকর।

৩২. জরায়ুর সংকোচন বা প্রসারণের সমস্যায় কাজ করে।

৩৩. সর্পদংশনের চিকিৎসায় অ্যান্টি-ভেনম হিসেবে ব্যবহৃত হয় (অভিজ্ঞ বৈদ্যের পরামর্শে)।

৩৪. দীর্ঘমেয়াদী ক্ষত (Chronic Ulcer) সারাতে সাহায্য করে।

৩৫. ফিস্টুলা বা ভগন্দর নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়।

৩৬. ক্যানসার কোষের বৃদ্ধিতে বাধা দেয় বলে আধুনিক গবেষণায় দেখা গেছে।

৩৭. পা ফাটা রোধে আকন্দের পাতা ও তেলের মিশ্রণ কার্যকর।

৩৮. হাত-পায়ের জ্বালাপোড়া কমাতে এর পাতা পিষে লাগানো যায়।

৩৯. স্নায়বিক দুর্বলতা কাটাতে সাহায্য করে।

৪০. শরীর ঠান্ডা রাখতে বা প্রদাহ কমাতে এর ভূমিকা আছে।

 পরিবেশ ও অন্যান্য:

৪১. মশা ও কীটপতঙ্গ তাড়াতে এর কষ ও ধোঁয়া কার্যকর।

৪২. এটি একটি প্রাকৃতিক বায়ু শোধক।

৪৩. তুলা হিসেবে আকন্দের ফুল বালিশে ব্যবহারের প্রচলন আছে (মানসিক শান্তির জন্য)।

৪৪. বিভিন্ন চর্মরোগের মলম তৈরিতে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

৪৫. কৃষিজমিতে জৈব কীটনাশক হিসেবে এর নির্যাস ব্যবহার করা যায়।

৪৬. হাড়ের টিস্যু পুনর্গঠনে সহায়তা করে।

৪৭. এটি রক্ত পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে।

৪৮. শরীরের মেদ কমাতে বা চর্বি ঝরাতে বাহ্যিক প্রলেপ হিসেবে কাজ করে।

৪৯. গলার টনসিলের ব্যথা কমাতে পাতার সেঁক কার্যকর।

৫০. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আকন্দের পাতা পায়ের তলায় বেঁধে রাখার প্রাচীন পদ্ধতি রয়েছে।

 ব্যবহার ও খাওয়ার নিয়ম

 সতর্কবাণী: আকন্দ একটি বিষাক্ত গাছ। বিশেষ করে এর সাদা কষ চোখে গেলে অন্ধত্ব হতে পারে। তাই এর অভ্যন্তরীণ ব্যবহার (খাওয়া) খুব সাবধানে করতে হবে।

 বাতের ব্যথায়: আকন্দ পাতায় সরিষার তেল মাখিয়ে হালকা গরম করে ব্যথার জায়গায় সেঁক দিলে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়।

 সর্দি ও হাঁপানিতে: আকন্দ ফুলের মাঝখানের অংশ (মধু) এবং গোলমরিচ চূর্ণ করে ছোট ছোট বড়ি বানিয়ে খাওয়ার নিয়ম আছে (১টি করে দিনে ১ বার)। এটি কফ পরিষ্কার করে।

 দাঁতের ব্যথায়: আকন্দ গাছের আঠা বা কষ তুলায় ভিজিয়ে আক্রান্ত দাঁতের গোড়ায় লাগালে ব্যথা কমে (পেটে যেন না যায়)।

 চর্মরোগে: সরিষার তেলের সাথে আকন্দের কষ মিশিয়ে দাদ বা চুলকানির জায়গায় আলতো করে মাখলে উপশম হয়।

 সেঁক হিসেবে: ফোলা বা টিউমারের ওপর পাতা গরম করে ধীরেসুস্থে সেঁক দিলে ফোলা কমে।

 বিশেষ সতর্কতা:

আকন্দ কোনোভাবেই সরাসরি অধিক পরিমাণে খাবেন না। এটি হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ করতে পারে যদি মাত্রাতিরিক্ত হয়। গর্ভবতী মহিলা ও শিশুদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা নিষেধ।

 #Akanda #HerbalMedicine #Ayurveda #NaturalHealing #MedicinalPlants #আকন্দ #ভেষজ #স্বাস্থ্যকথা #প্রাকৃতিক_চিকিৎসা

১০০ কবিরা গুনাহ,,,,,, Hadith হাদিস,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ১। শিরক (অতি মহাপাপ)। (সহীহুল বুখারী ৬৮৫৭, সহীহ মুসলিম ৮৯, বায়হাকী ১৭১২৮)


২। দুনিয়া কামানোর উদ্দেশ্যে ইলম শিখা। (বুখারী, মিশকাত হা/৪৬২১, বঙ্গানুবাদ ৮ম খণ্ড স্বপ্ন অধ্যায়)


৩। শরয়ী ইল্ম গোপন করা। (আবু দাউদ ৩৬৫৮, তিরমিযী ২৬৪৯, ইবনে মাজাহ ২৬৪, হাসান সহীহ)


৪। বিশ্বাসঘাতকতা করা। (সহীহ মুসলিম ১৩৮, বায়হাকী ১৬৬৩৫)


৫। গণকের কথা বিশ্বাস করা। (মুসলিম, মিশকাত হা/৪৫৯৫, বঙ্গানুবাদ ৮ম খণ্ড হা/৪৩৯৩ জ্যোতিষীর গণনা অনুচ্ছেদ, আহমাদ ২/৪২৯ পৃ.)


৬। গায়রুল্লাহর নামে যবেহ করা। (মুসলিম, মিশকাত হা/৪০৭০, বঙ্গানুবাদ ৫ম খণ্ড, হা/৩৮৯৩ শিকার ও যবেহ অধ্যায়)


৭। গায়রুল্লাহর নামে নযর মানা। (সূরা আল-বাকারাহ ২:২৭, বুখারী, মিশকাত হা/৩৪২৭, বঙ্গানুবাদ ৭ম খণ্ড হা/৩২৮১)


৮। গায়রুল্লাহর নামে কসম করা। (ইবনে মাজাহ ২১০১, সহীহুল জাম ৭২৪৭)


৯। যাদু করা। (মুসলিম ২৯৮৫, ইবনে মাজাহ ৪২০২, সহীহ ইবনে খুযাইমা ৯৩৮৮)


১০। আল্লাহর প্রতি কুধারণা রাখা। (সূরা আরাফ ৩৩, ইবনে হাজার এর আল-যাওয়াজের ১/১৫০)


১১। মুসলিমের প্রতি কুধারণা রাখা। (সূরা হুজরাত ১২)


১২। মুসলিমকে বিনা দলীলে কাফের বলা। (সহীহুল বুখারী ৬০৪৫, সহীহ মুসলিম ৬১)


১৩। কাফেরকে কাফের না জানা।


১৪। আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি মিথ্যা আরোপ করা। (সূরা যুমার ৬০, সহীহুল বুখারী ১০৭)


১৫। আল্লাহর আযাব থেকে নিজেকে নিরাপদ ভাবা। (সূরা আল-আরাফ ৭:৯৯)


১৬। আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া। (সূরা ইউসুফ ১২:৮৭)


১৭। তাকদীর অস্বীকার করা। (আবু দাউদ ৪৭০০)


১৮। তাবীয বাঁধা। (মুসনাদে আহমাদ ১৭৪৫৮)


১৯। প্রাণ হত্যা করা। (সূরা নিসা: ৯৩, সূরা মায়েদা: ৩২, বুখারী, ইলম অধ্যায়, ১/২৩ পৃ.)


২০। আত্বহত্যা করা। (সূরা আন নিসা ৪:২৯)


২১। যুলম করা। (সূরা আল ফুরকান ২৫:১৯)


২২। অপমান ও অপদস্থ করা। (সূরা হুজরাত ১১)


২৩। মিথ্যা বলা। (বুখারী ৩৩, মুসলিম ৫৯, আবু দাউদ ৪৬৮৮, তিরমিযী ২৬৩২)


২৪। পরচর্চা বা গীবত করা। (সহীহ মুসলিম ২৫৮৯, আবূ দাউদ ৪৮৭৪, সহীহুল বুখারী ৬০৫৬, সহীহ মুসলিম ১০৫)


২৫। চুগলখোরী করা। (সূরা হুমাযাহ ১)


২৬। গালি দেওয়া। (সহীহুল বুখারী ৪৮, সহীহ মুসলিম ৬৪)


২৭। মাদকদ্রব্য সেবন করা। (সূরা আল মায়েদা ৫:৯০)


২৮। মৃত বা হারাম পশুর মাংস খাওয়া। (সূরা আল মায়েদা ৫:৩)


২৯। বাজে তর্ক করা। (সূরা মায়িদাহ-৫:১০১, সূরা আরাফ-৭:৩৩)


৩০। সত্য প্রত্যাখান করা। (সূরা নিসা-৪:১১৫, সূরা মুহাম্মাদ ৩২)


৩১। ঠাট্টা বা ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করা। (সূরা আত তাওবাহ ৯:৬৫)


৩২। লানত করা। (সহীহুল বুখারী হা/৬০৪৭)


৩৩। অহংকার করা। (সূরা আল গাফির বা মুমিন ৪০:৬০)


৩৪। নিজের প্রশংসা নিজেই করা। (সূরা নাজম-৫৩:৩২, ফাতহুল কাদীর ৫/১৩৬, সূরা আল-ইমরান-৩:১৮৮, সূরা হুজরাত ১৭)


৩৫। অপরের দোষ খোঁজা। (সূরা হুজুরাত আয়াত:১২, মুসলিম, মিশকাত হা/৫০২৮, বুলুগুল মারাম হা/১৫১০)


৩৬। মূর্তি বা ছবি তৈরী করা। (সূরা আহযাব আয়াত:৫৭, বুখারী ২/৮৮০ পৃ. মিশকাত হা/৪৪৮৯ বাংলা ৮ম খণ্ড, হা/৪২৮৯ পোষাক অধ্যায়)


৩৭। ইয়াতীমের মাল ভক্ষণ করা। (সূরা আন নিসা ৪:১০)


৩৮। জুয়া (ফ্লাশ) খেলা। (সূরা আল মায়েদা ৫:৯০-৯১)


৩৯। লটারী খেলা। (সূরা আল মায়েদা ৫:৯০-৯১)


৪০। চুরি করা। (সূরা আল মায়েদা ৫:৩৮)


৪১। আমানতের খেয়ানত করা। (সূরা আনফাল-৮:২৭)


৪২। পরের সম্পদ আত্মসাৎ করা। (আহমাদ ২৪৫০৪, ১৭৫৭১, বুখারী ২৪৫৩, ৩১৯৫, মুসলিম ৪২২২, সহীহুল জামে ২৭২২)


৪৩। জমি-জায়গা দাবিয়ে নেওয়া। (বুখারী ৩১৯৮, সহীহ মুসলিম ১৬১০)


৪৪। ঘুষ খাওয়া। (সূরা আল বাকারাহ ২: আয়াত:১৮৮, ইবনে মাজাহ, সনদ সহীহ, মিশকাত, হা/৩৭৫৩, বাংলা ৭ম খণ্ড, হা/৩৫৮১ নেতৃত্ব অধ্যায়)


৪৫। সুদ খাওয়া। (সূরা আল বাকারাহ ২:১৮৮)


৪৬। ওজনে নেওয়ার সময় বেশী এবং দেওয়ার সময় কম দেওয়া।


৪৭। মিথ্যা কসম খাওয়া। (সহীহুল বুখারী ২৩৫৬, সহীহ মুসলিম১৩৮, নাসাঈ ৫৯৭৬, আবূ দাউদ ৩২৪২।)


৪৮। ধোঁকা দেওয়া। (সহীহ মুসলিম ১০২)


৪৯। কসম করে মাল বিক্রি করা। (সহীহ মুসলিম ১০৬)


৫০। প্রতিশ্রুতি পালন না করা। (সূরা আল বাকারাহ ২:২৭)


৫১। চুক্তি ভঙ্গ করা। (সূরা আল বাকারাহ ২:২৭)


৫২। মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া। (সূরা হজ্জ ২২:৩০)


৫৩। সাক্ষ্য গোপন করা। (সূরা আল বাকারাহ ২:২৮৩)


৫৪। মালে ভেজাল দেওয়া। (সহীহ মুসলিম ১০২)


৫৫। প্রয়োজনের সময় মাল গুদামজাত করে রাখা। (সহীহ মুসলিম ১৬০৫, আবূ দাউদ ৩৪৪৭)


৫৬। অসিয়ত পালন না করা। (সহীহুল বুখারী ২৭৩৮, সহীহ মুসলিম ১৬২৭)


৫৭। আল্লাহর ভাগ করা ভাগ্যে সন্তুষ্ট না হওয়া। (সূরা কমার-৫৪:৪৯)


৫৮। পুরুষের সোনা ও রেশম ব্যবহার। (বুখারী ৫৪২৬, মুসলিম ২০৬৭)


৫৯। পুরুষের গোড়ালীর নিচে কাপড় ঝুলিয়ে পরা। (সূরা আরাফ ২৬. মিশকাত ৪১৩৯, ৪১৭৩, ৪১৭৭)


৬০। দান করে গেয়ে বেড়ানো। (সহীহ মুসলিম ১০৬, আবু দাউদ ৩৪৭৪)


৬১। গান-বাজনা শোনা। (সহীহুল বুখারী ৫৫৯০, সহীহ মুসলিম ৪০৩৯)


৬২। ফরয নামায ত্যাগ করা। (সূরা মরইয়াম ৫৯, সূরা মাউন১০৭:৪-৫, মুসলিম, মিশকাত হা/৫৬৯, বঙ্গানুবাদ ২য় খণ্ড হা/৫২৩ সালাত অধ্যায়।)


৬৩। সময় পার করে নামায পড়া। (সূরা মাউন-১০৭:৫)


৬৪। লোক দেখিয়ে ইবাদত করা। (সহীহ মুসলিম ২৯৮৫, ইবনে মাজাহ ৪২০২, সহীহ ইবনে খুযাইমা ৯৩৮)


৬৫। যাকাত না দেওয়া। (সূরা আত তাওবাহ ৯:৩৪)


৬৬। রোযা না রাখা। (সূরা আল বাকারাহ ২:১৮৩)


৬৭। হজ্জ না করা। (সূরা আলে ইমরান ৩:৯৭)


৬৮। জিহাদ না করা। (সহীহ মুসলিম ১৯১০, আবু দাউদ ২৫০২, নাসাঈ ৩০৯৭)


৬৯। জিহাদের ময়দানে পৃষ্ঠপ্রদর্শন করা। (সূরা আল আনফাল ৮:১৫)


৭০। জুমআহ ত্যাগ করা। (মুসলিম, মিশকাত হা/১৩৭০, আবূ দাউদ, নাসাঈ সনদ সহীহ, মিশকাত হা/১৩৭১)


৭১। জামাআত ত্যাগ করা। (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত, হা/১০৫৩, বাংলা ৩য় খ-, হা/৯৮৬ স্বলাত অধ্যায়)


৭২। সামর্থ্য থাকতে সৎকাজের আদেশ এবং মন্দকাজে বাধা না দেওয়া। (সূরা আল মায়েদা ৫:৭৮-৭৯)


৭৩। পেশাবের ছিটা থেকে না বাঁচা। (বুখারী হা/২১৬)


৭৪। ইল্ম অনুযায়ী আমল না করা। (সূরা আস-ছফ ৬১:২-৩)


৭৫। ব্যভিচার করা। (সূরা বনী ইসরাঈল ১৭:৩২)


৭৬। মাসিক অবস্থায় সহবাস করা। (আবূ দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, হাদীস সহীহ-আদাবুয যিফাফ ১২২ পৃ.)


৭৭। পায়খানাদ্বারে সঙ্গম করা। (নাসাঈ হাদীসটি সহীহ, আদাবুয যিফাফ পৃ. ১০৫)


৭৮। অবৈধ প্রেম করা। (মুসলিম ২১২৮)


৭৯। সমকাম করা। (সূরা আল আরাফ ৭:৮০-৮১)


৮০। হস্তমৈথুন করা। (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত, হা/৩০৮০, বাংলা ৬ষ্ঠ খণ্ড, হা/২৯৪৬, বিবাহ অধ্যায়)


৮১। মিথ্যা অপবাদ দেওয়া। (সহীহ মুসলিম ২৫৮৯, আবু দাউদ ৪৮৭৪, সহীহুল বুখারী ৬০৫৬, সহীহ মুসলিম ১০৫। দেখুন সূরা আন নূর ২৪:২৩)


৮২। মহিলার বেপর্দা হওয়া। (সহীহ মুসলিম ২১২৮, মিশকাত ৩৫২৪)


৮৩। পুরুষের নারীর মত এবং নারীর পুরুষের মত বেশ ধারণ করা। (সহীহুল বুখারী ৫৮৮৫, সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯০৪, শারহুস সুন্নাহ বাগাভী ৩২০৭,৩২০৮)


৮৪। দাড়ি চাঁছা। (আহমাদ, সহীহুল জা'মে হা/১০৬৭, মুসলিম মাশা হা/২৬০, বুখারী তাও. হা/৫৮৮৫)


৮৫। মা-বাপের অবাধ্য হওয়া। (সহীহুল বুখারী ২৬৫৪, সহীহ মুসলিম ৮৭, তিরমিযী ১৯০১,৩০১৯)


৮৬। আত্মীয়তার বন্ধন ছেদন করা। (সহীহুল বুখারী ৫৯৮৪, সহীহ মুসলিম ২৫৫৬, আবু দাউদ ১৬৯৬)


৮৭। স্বামীর কথা না মানা। (সূরা বাকারাহ আয়াত: ২২৮, বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৩২৪৬, বাংলা ৬ষ্ঠ খণ্ড, হা/৩১০৮ বিবাহ অধ্যায়)


৮৮। পর্যাপ্ত কারণ ছাড়া তালাক দেওয়া। (আবু দাউদ ২১৮০, সনদ যঈফ)


৮৯। পর্যাপ্ত কারণ ছাড়া তালাক নেওয়া। (মুসলিম ১৪১৩, ইবনে মাজাহ ২০৫৫)


৯০। তালাক দেওয়ার পর স্ত্রীকে ফেরৎ নিতে হালালা বিবাহ দেওয়া ও করা। (আবু দাউদ ২০৭৮, তিরমিযী ১১১৯, ১১২০)


৯১। এগানা পুরুষ ছাড়া মহিলার একা সফর করা। (সহীহুল বুখারী ১৮৬২, সহীহ আত-তিরমিযী ১১৭০, মিশকাত ২৫১৫)


৯২। পরের বাপকে বাপ বলা। (সহীহুল বুখারী হা/৬৭৬৬, সহীহ মুসলিম হা/৬৩।)


৯৩। বাড়ির মহিলার ব্যাপারে ঈর্ষাহীন (ভেঁড়া) হওয়া।


৯৪। প্রতিবেশীকে কষ্ট দেওয়া। (সহীহ মুসলিম ৪৬, মুসনাদে আহমাদ ৮৮৫৫, সহীহ ইবনে হিব্বান ৫১০)


৯৫। মহিলার ভ্র, মুখের লোম চাঁছা। (সহীহুল জা'মে হা/৫১০৪, ফাতাওয়াউল মারআহ ৭২, ৯৪পৃ., সিলসিলাহ সহীহাহ ৬/৬৯২)


৯৬। মহিলার পরচুলা ব্যবহার। (বুখারী হা/৩৪৬৮, ৫৯৩৮, মুসলিম হা/২১২৭, সহীহুল জা'মে হা/২৭০৫, ৫১০৪)


৯৭। দেহ দেগে নক্সা করা। (সহীহ মুসলিম হা/২১১৬)


৯৮। দাঁত ঘষে ফাঁক ফাঁক করা। (সূরা নিসা আয়াত: ১১৯, বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৪৪৩০, বাংলা ৮ম খণ্ড হা/৪২৩৩ পোষাক অধ্যায়)


৯৯। কানাচি পেতে পরের গোপন কথা শোনা। (সূরা হুজুরাত আয়াত: ১২, মুসলিম, মিশকাত হা/৫০২৮, বুখারী, বুলুগুল মারাম হা/১৫১০)


১০০। শোকে মাতম করা। (সহীহুল বুখারী হা/১২৯৪)


✍🏻 শাইখ Abdul Hamid Al-Faizi Al-Madani


#Hadith #হাদিস Hadith/হাদিস/حديث

শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৬

বিকল্প রেপার্টরীতে ১০০ ঔষধ নির্বাচন -

 🌳🌽🎈বিকল্প রেপার্টরীতে ১০০ ঔষধ নির্বাচন -


যারা রেপাটরী পড়েননা,বা পড়তে ভয় পান তাঁরা

আগে এটা প্রাকটিস করতে পারেন।


1.হাঁটুর প্যাটেলার স্থান চ্যুতিতে-Cannabis Sativa. 

2.যে কোন আঘাতজনাত থ্যাতলানো ব্যথায়-Arnica Mont. 

3.মাথায় আঘাতজনিত Complecation-Natrum Sulp. 

4.হস্তমৈথুনের কুফল-Argent Met.

 5.গায়ক ও বক্তাদের গলাধরা-Argent Met. 

6.পুষ্টিকর আহারাভাবে কোনও পীড়ার উৎপত্তি-Argent Met. 

7.মিষ্টিজ জাতীয় খাবার খেয়ে অসুস্থতা-Argent Nit. 8.ধুমপায়ীদের কাশি-Argent Nit. 

9.আঘাত লাগিয়া সমুদয় পীড়া-তাহা বেদনা হউক ,মূর্চ্ছা হউক ,অচৈতন্য হউক ,তড়কা হউক ,গর্ভপাত হউক- আর্ণিকা উপযোগী। 

10. Calendula-আঘাতের জন্য চামড়া কিম্বা মাংস কাটিয়া বা ফাটিয়া যাইলে ইহার অভ্যন্তরিক ও বাহ্যিক প্রয়োগ বিধেয়। 

11.Symphytum-হাতে আঘাত বা হাড় ভাঙিয়া যাইলে উপযোগী। 

12.যে কোন স্থানে আঘাত লেগে বা থেৎলে গিয়ে স্পষ্ট কালচে দাগ (Echymosis) থাকলে Arnica. 13.বহুদিন পূর্বে হইলেও কোন স্থান মচকাইয়া যাইবার নিমিত্ত বেদনা থাকিলে উপকারী-এমন মিউর। 14.Belis Perinis-নিম্নশক্তি ,অনেক চিকিত্সক বলেন আঘাতলাগা এবং কোনও স্থানে মচকাইয়া থেৎলাইয়া যাওয়ার নিমিত্ত বেদনায় ইহা-আর্ণিকা অপেক্ষায়ও উৎকৃষ্ট ঔষধ। 

15.প্রসবের পর ভ্যাদাল ব্যথায় ও রক্তস্রাব নিবারণে- Arnica. 

16.মস্তকে আঘাত (Concussion) Arnica -য় উপকার না হইলে পরে-Heleborous. 

17.কয়লার ধুম আটকান আঁতুড়ঘরে দরজা জানালা বন্ধ রাখিয়া তাহার মধ্যে কাঠের কয়লার আগুন জ্বালাইলে সেই আগুনের ধোঁয়ায় যে কাব্বলিক এসিড-গ্যাস প্রস্তুত হয় ,পোয়াতিও শিশু তাহা নিশ্বাস দ্বারা গ্রহণ করিলে অনেক সময় অজ্ঞান হইয়া পড়ে এবং মারাত্মক হয়-ইহাতে Arnica ,Bovista ,Opium-তিনটিই উত্তম ঔষধ। 18.Arsenic-শব-ব্যবচ্ছেদকালীন অস্ত্র দ্বারা কাটিয়া যাওয়া অথবা কার্ব্বঙ্কলের রক্তদোষ এবং বিষাক্ত পতঙ্গাদির দংশনে বিশেষ ফলদায়ক। 

19.Arsenic Iodatum-সবিরাম জ্বর কুইনাইন দ্বারা চিকিৎসিত হইবার পর প্লীহার বিবর্ধন। 

20.কোন প্রকার প্রবল উত্তেজনা অথবা হস্তমৈথুনাদির দ্বারা শুক্রক্ষয় করিয়া মৃগী রোগগ্রস্থ হওয়া ইত্যাদিতে- Artemisia Vulgaris.

 ২১. আঘাত লাগিলেই অনেকেই প্রথমে আর্ণিকা ব্যবস্থা করেন ,আর্টিমিসিয়া কেবলমাত্র চক্ষুতে আঘাত লাগিবার ও তজ্জনিত উপসর্গের ভাল ঔষধ (Internal ও। External Use)। 

২২. গম্মীপীড়া কিম্বা পারদ সেবনজনিত কোনও অস্থিতে ক্ষত হইলে বিশেষতঃ Tibia-অস্থিতে ক্ষত হইলে সেই ক্ষতে ভয়ানক দপদপানি ও প্রস্রাবে দুর্গন্ধ থাকিলে- Asafeotifa-উপকারী।পারদ অপব্যবহারজনিত অন্যান্য স্থানের ক্ষতে যেমন- Hepar ,Nitric,Asafiti da,Aurum, Angustura-উপকারী। 

২৩. Aurum Met-পারদের অপব্যবহার জনিত সর্ব্ববিধ পীড়া ,অস্থির বিশেষতঃ নাসিকা অস্থির ক্ষত ,হাড় ও পেরিয়স্টিয়ামে ভয়ানক বেদনা,জীবনে হতাশ ,অবসাদ ,আত্নাহত্যার ইচ্ছা,উপদংশ। 

২৪. প্রেমে নিরাশ কিম্বা দুঃখিত হইয়া পীড়া- Ignasea,Aurum Met. 

২৫. চুন খেয়ে জিহ্বা পুড়ে গেলে-Cousticum. 

২৬. ঠান্ডা লেগে সমস্ত পীড়া হয়,তার মধ্যে ২/১ টী পীড়ায় ও শরীরের কোনও স্থানের বীচি ফুললে অর্থাৎ গ্ল্যান্ডের প্রদাহ হলে Badiaga. 

২৭. যুবকগণ অসৎ উপায়ে বীর্য নষ্ট করিয়া ডিসপেপসিয়ায় আক্রান্ত তৎসহ বুক ধড়ফড়ানিতে-Baryta Carb. 

২৮. একটু ঠান্ডাতে,ঠান্ডা বাতাসে ,মাথায় কোনও আবরণ না থাকিলে ,এমনকী চুল কাটিলেও ঠান্ডা লাগে-Belladona. 

২৯. পায়ে ঠান্ডা লেগে পীড়া-Sili ,Coni ,Cuprum. ৩০. দাঁত তুলিবার পর হইতে রক্তস্রাব-Bovis ta,Hemamelis.

 ৩১.ইন্দ্রিয়সেবাজনিত কোনও পীড়ায়-Cal.Carb, Lyco,Nux,Sulp-ই উপকারী। 

৩২.আঘাত লাগিয়া স্নায়ু আহত হইলে এবং আঙুল চিমটাইয়া বেদনা হইলে-Hypericum. 

৩৩.ধারালো অস্ত্রে কাঁটা ও সার্জারির কুফলে-Staphy. ৩৪.ছুরি কিম্বা কোনও ধারালো অস্ত্রে কাটিয়া যাইলে এবং পিন ,পেরেক প্রভৃতি ফুটিয়া বেদনা হইলেও সেই বেদনা আর্ণিকায় কিছুমাত্র উপশমিত না হইলে-লিডামে উপকার হয়। ৩৫.প্রেমে ব্যর্থতার কুফলে কোন পীড়া-Ignasea ,Nat.Mure. ৩৬.আগুনে পুড়ে যাওয়া হেতু জ্বালা-Cantharis Vesicularis. ৩৭.বহুদিনের মদ্যপানের অভ্যাস সম্প্রতি পরিত্যাগ করিয়াছে ,তাহাদের পীড়ায়-Capsicum. ৩৮.*অপরিমিত সুরাপানাদি হইতে-ডিসপেপসিয়া- *বহুদিন পূর্বের আঘাতের কুফল- *সবিরাম জ্বরে কুইনাইন এবং পারদ ; লবণ ,লোণামাছ ,মাংস ,চর্বি ইত্যাদি অযথা অপব্যবহার করিয়া কোনও নতুন পীড়ার আর্বিভাব- *শরীরস্থ কোন রস ,রক্ত বা তরল পদার্থের ক্ষয়হেতু জীবনীশক্তির হ্রাস- -----এই সকল সমস্যায় : Carbo Veg. ৩৯.যাহারা অমিতাচারিতা দোষে অর্থাৎ মদ্যপান ;রাত্রিজাগরণ ,লাম্পট্য ইত্যাদির দ্বারা ক্রমশঃ অজীর্ণ রোগাক্রান্ত হইয়াছে তাহাদের পীড়ায়-Nux ও Carbo Veg-উভয়ই উপযোগী।Nux-এ কোন উপকার না হলে Carbo-Veg প্রযোজ্য। ৪০.হামরোগের কিম্বা শৈশবস্থায় হুপিং কাশির পর হইতে এই পীড়ার সূত্রপাত হইলে-Carbo-Veg -উপকারী। ৪১.কোন কঠিন পীড়ার পর কিম্বা প্রসবের পর মাথার চুল উঠিয়া যাওয়া-Carbo-Veg. ৪২.পুরাতন শোক ,অনিদ্রা ,রাত্রিজাগরণ ,হঠাৎ ভয় ,আনন্দ ,ক্রোধ ও সুপ্ত চর্ম্মপীড়াজনিত কোনও পীড়ার উৎপত্তি-Causticum. ৪৩.পুড়িয়া যাইবার ক্ষত চিহ্নে পুনরায় বেদনা হয় ও পাকে- রোগী বলে পুড়িয়া যাইবার পর হইতে তাহার শরীর একদিনও ভাল হইতেছে না-Causticum. ৪৪.অত্যন্ত ঠান্ডা লাগিয়া পক্ষাঘাত ,টাইফয়েড বা ডিপথেরিয়া প্রভৃতি পীড়ার পর হইতে ধীরে ধীরে পক্ষাঘাত উৎপন্ন-Causticum. ৪৫.কুইনাইন সেবন করিয়া কানে ভো ভো শব্দ হইতে থাকিলে-Cedron- এ তাহা নিবারণ হয়। ৪৬.কোন বেদনা-যন্ত্রণার জন্য অতিরিক্ত মফিয়া ইনজেকশন ও আফিং সেবন করিয়া অন্য পীড়ার উৎপত্তি- Camo. ৪৭.যাহারা নেশা করে,মদ্যপানাসক্ত তাঁহাদের পীড়ায়- Chloral Hydrate. ৪৮.Cicuta,Conium,Colchicum,Colocinth-এর এক্সাইটিং কজ জানতে বিজ্ঞান পরিষদ,চট্টগ্রাম জেলা শাখায় উপস্থাপিত (ফায়েক এনাম ও ডা.রেবা বড়ুয়ার) প্রবন্ধগুলো কালেকশন করে নিতে পারেন। ৪৮.*ক্রিমিদোষজনিত আক্ষেপ- *প্রসবান্তিক আক্ষেপ ,ধনুষ্টঙ্কার ,খিচুনি ,কোরিয়া ,মুখ দিয়া রক্তাক্ত ফেনা নির্গমনসহ আক্ষেপ ইত্যাদি যে কোন পীড়াই হোক না কেন যদি তাহাতে রোগী সম্পূর্ণ অজ্ঞান থাকে-Cicuta. ৫০.Cincona-নানা প্রকার স্রাব নিঃসরণ বশতঃ ক্রমশঃ জরা-জীর্ণ হইয়া পড়িয়াছে,সিঙ্কোনা তাহাদের শরীরে অমৃতবৎ কার্য করে (অতিরিক্ত রক্তস্রাব কিম্বা শরীরস্থ কোনও তরল পদার্থের অধিক পরিমাণ ক্ষয়হেতু দুর্বলতায়-China). ৫১.ফল আদৌ সহ্য হয়না ,ফল খাইলেই অজীর্ণ উদরাময়- China. ৫২.অধিক পরিমাণে কুইনাইন সেবন করিয়া কেহ চক্ষুতে অন্ধকার দেখিলে কিম্বা সম্পূর্ণ দৃষ্টিহীন হইলেও-চায়না উপকারী। ৫৩.মুখ দিয়া লালা পড়ে ,পারদ সেবনের কুফলজনিত এই প্রকার লালা পড়া বহু পুরাতন হইলেও-চায়নায় আরোগ্য হয়। ৫৪.দেহের তেজষ্কর তরল পদার্থের স্রাবে সিঙ্কোনা অপব্যবহার করিয়া কোনও পুরাতন পীড়া হইলে- ভিরেট্রাম-এলব। ৫৫.হঠাৎ জোরে পড়িয়া আঘাত লাগিয়া কিম্বা কোনও ভারীদ্রব্য উত্তোলনের নিমিত্ত অধিক পরিমাণে উজ্জ্বল লালবর্ণের রক্তস্রাব আঁতুড়ঘরে পোয়াতির কোনও ভারীদ্রব্য উত্তোলনের নিমিত্ত রক্তস্রাব- Cinniamonum. ৫৬.হাতের কব্জিতে আঘাত বা মচকাইয়া যাওয়ার জন্য বেদনা-Cistus. ৫৭.প্রমেহস্রাব কোন কারণে বন্ধ হইয়া কিম্বা ঠান্ডা লাগিয়া অন্ডকোষের প্রদাহ ও ফোলা স্থান পাথরের মত অত্যন্ত শক্ত-Clematis Erecta. ৫৮.ঠান্ডা লাগিয়া কিম্বা গম্মীপীড়ার কারণে আইরাইটীস হইলে-ক্লিমেটিস উপকারী। ৫৯.নৌকায় ,জাহাজে বা গাড়িতে চড়িলেই যাহার অসুস্থ হয়-Cocculus Indica. 

৬০.মানসিক উত্তেজনা ,রাত্রি জাগরণ কিম্বা অন্যকোন কারণজনিত অনিদ্রাহেতু পীড়া-Cocculus Indicas. ৬১.অতিরিক্ত অধ্যয়ন ,পরিশ্রম কিম্বা উচ্চ আশায় নিরাশ হইয়া পীড়া-Cocculus Indicas. 

৬২.হঠাৎ শোক ,দুঃখ ,উদ্বেগ ,আনন্দ ও তাঁহার কুফলে কোনও পীড়ার উৎপত্তি-Coffea Cruda. 

৬৩.স্ত্রীলোকের গর্ভাবস্থায় পেটে ভ্রূণ (Foetus)- জোরে নড়াচড়ার নিমিত্ত অত্যন্ত কষ্ট হইতে থাকিলে ক্রোকাসে তাহা নিবারিত হয়। 

৬৪.হাম ,বসন্ত ইত্যাদির উদ্ভেদ (গুটি) বসিয়া যাওয়া জনিত পীড়া-কুপ্রম। 

৬৫.হাম ,বসন্ত ইত্যাদি পীড়ার পর শোথরোগ-Digitali s. 

৬৬.ঠান্ডা লাগিয়া যে সমস্ত পীড়া হয় তাহাতে উপযোগী/ ভিজা সেৎসেতে কিম্বা ঠান্ডাস্থানে বাস করিয়া কোনও তরুণ পীড়ার উৎপত্তি-Dulcamara. 

৬৭.হস্তমৈথুনের কুফলজনিত ধ্বজভঙ্গ ,একটুমাত্র চঞ্চল হইলেই শুক্রক্ষরণ হয়-Conium Maculatum. 

৬৮.ভালবাসা মনে চাপিয়া রাখিয়া পীড়া-Conium Maculatum. 

৬৯.ঠান্ডা লাগিয়া ,উদ্ভেদ বসিয়া গিয়া ঘর্ম বন্ধ হইয়া শোথ।বয়স্ক বালকদের ঠান্ডা জলে খালিপায়ে বেড়াইয়া সর্দ্দিলাগা হেতু প্রস্রাব বন্ধ। গরমের পর ঠান্ডা পড়িয়া ,বর্ষা ঋতুতে কিম্বা ভিজা সেৎসেতে স্থানে থাকিয়া উদরাময়-Dulcamara. 

৭০.ঠান্ডা লাগিয়া পক্ষাঘাত-Dulcamara ,R.T.,Cousticum. ৭১.এপোপ্লেক্সি হইয়া পক্ষাঘাত হইলে-Cousticum. 

৭২.ঠান্ডা লাগিয়া পীড়ার উৎপত্তি ব্যারাইটা কার্বেও আছে। ।

৭৩.শরীরের কোন স্থান কিছুতে কাটিয়া যাইলে সেই কাটা স্থানে ফেরাম-ফস্ 2x -বিচূর্ণ ছড়াইয়া বাঁধিয়া দিলে রক্তস্রাব বন্ধ হইয়া যায় ,আহত স্থানে ঘা হয় না। ৭৪.কুইনাইন সেবন করিয়া কেহ কালা হইয়া যাইলে-Gels- উপকারী। ৭৫.হঠাৎ আনন্দ ,ভয় ,উত্তেজক সংবাদ প্রভৃতি হইতে কোন পীড়ার উৎপত্তি-Gels. 

৭৬ .দুঃখ ,ভয় কিম্বা কোনও প্রকার দুঃখ সংবাদ শুনিয়া হঠাৎ মানসিক কষ্টে উদরাময় দেখা দিলে-Gels-উপযোগ ী। ৭৭.ডিপথেরিয়া কিম্বা স্কার্লেটিনা পীড়া আরোগ্যের পর পক্ষাঘাত ,ডিপথেরিয়া আরোগ্যের পর অন্ননালী-মুখের পক্ষাঘাত তজ্জন্য কোনও দ্রব্য গিলিতে পারে না-Gels. ৭৮.হস্তমৈথুনের কিম্বা স্বপ্নদোষের জন্য পুংজননেন্দ্রিয় শিথিল হইয়া ধ্বজভঙ্গের লক্ষণ প্রকাশ পাইলে-Gelsimium-এ উপকার হইবে। ৭৯.ক্রোধ কিম্বা সূর্য্যোত্তাপ বশতঃ মস্তিষ্কে রক্তসঞ্চয়জনিত মস্তিষ্ক-ঝিল্লির প্রদাহ (Maningities)-হইলে গ্লোনয়িন ও বেলাডোনা অপেক্ষা Aconite অধিক ফলপ্রদ। 

৮০.উত্তাপ লাগিয়া পীড়া-তাহা প্রখর রৌদ্র লাগিয়া হউক হউক ,দারুন গ্রীষ্ম বশতঃই হউক কিম্বা অগ্নির উত্তাপে কায্য করিবার জন্যই হউক-যদি মস্তিষ্ক আক্রান্ত হয়-Glonione. ৮১.অনেকদিন হইল আপনার শরীরের কোন স্থান আঘাত লাগিয়া কাটিয়া গিয়াছিল কিন্তু সেই কাটাস্থানের দাগটিতে পুনরায় ব্যথা ও যন্ত্রণা হইল ,পাকিয়া পুয নির্গত হইতে লাগিল ,তাহাতে গ্লোনয়িন আভ্যন্তরিক ও বাহ্যিক ব্যবহার করিবেন উপকার হইবে। ৮২.ক্রিমিজনিত শূলবেদনা-Filix Mas.

৮৩.অতিরিক্ত রতিক্রিয়া কিম্বা শুক্রক্ষয়ের নিমিত্ত জননেন্দ্রিয়ের দুর্বলতা-Graphities. 

৮৪.পুরাতন ক্ষতচিহ্নও পুনরায় পাকিয়া উঠে-Graphities. 

৮৫.স্তনের ফোঁড়া আরোগ্য হইবার পরে শক্তভাব ও ক্ষতের দাগ থাকে ,পুনরায় উহার প্রদাহ হয়,এইরূপ পুনঃপুনঃ ক্ষত হইয়া শেষে ক্যানসারে পরিণত হয়,স্তন হইতে দুগ্ধ নিঃসরণ হয় না-Graphities. ৮৬.হাঁটুতে আঘাত লাগিয়া সাইনোভাইটীস হইলে Guaiacum-এ উপকার হয়। ৮৭.Guaco-সর্পবিষঘ্ন ঔষধ। ৮৮.কাশির ধমকেই হোক কিম্বা আঘাত লাগিয়া চক্ষু হইতে রক্তস্রাবে Arnica- অপেক্ষা Hamamellis-উপকারী।

৮৯.গাড়িতে ঝাকি লাগিয়া কিম্বা অধিক দূর পথ হাটিবার জন্য জরায়ু হইতে রক্তস্রাব বাহির হইলে হ্যামামেলিসে সেই রক্তস্রাব বন্ধ হইবে। 

৯০.Helonias Dioica-ইহা সাধারণতঃ দুই প্রকার স্ত্রীলোকের পক্ষে অধিক উপযোগী:- * যে সকল স্ত্রীলোক কোনও কাজ-কর্ম্ম না করিয়া বিলাসিতার কোলে থাকিয়া স্বাস্থ্য নষ্ট করিয়াছে তাহাদের এবং * যাহারা না আহার করিয়া ,না ঘুমাইয়া ,দিন রাত্রি পরিশ্রম করিয়া ক্লিষ্ট ও অকর্মণ্য হইয়া পড়িয়াছে ,তাহাদের নিকট ইহা সঞ্জীবনী সুধার ন্যায় উপকারী। ৯১.Heper Sulp-পারদ অপব্যবহারের পর ব্যবহৃত হইলে বিশেষ উপকার হয়। 

৯২.সুরা ও মদসেবী ভগ্নস্বাস্থ্য ব্যক্তাগণের জন্য - Hydrastis Cannadensis. 

৯৩.Typhoid-জ্বরাদির পর ক্ষুধাহীনতা ,কোষ্ঠবদ্ধ ,অতিশয় ঘর্ম্ম-Hydrastis. 

৯৪.পারদ কিম্বা ক্লোরেট অফ-পটাস অপব্যবহারের পর মুখের ক্ষত-Hydrastis. 

৯৫.শক্ত জুতার চপেই হোক কিম্বা অন্য কোন প্রকার ধাতু দোষেই হোক ,অনেকের পায়ের আঙুলে কড়া হয় ; তাহাতে অত্যন্ত বেদনা থাকে ,ছুরি দিয়া কাটিয়া দিলে ১০/ ১৫-দিন কিছু ভাল থাকে;কিন্তু আবার বেদনা হয় ,ইহাতে হাইড্রাসটীস Q একভাগ-ভ্যাসেলিন ৩ ভাগ ,একত্রে মিশাইয়া একটি মলম প্রস্তুত করিয়া দিনে ২/৩-বার রাত্রিতে শয়নের সময় প্রত্যহ একবার করিয়া লাগাইলে বিশেষ উপকার হইবে। ৯৬.হিংসা ,রাগ কিম্বা ভালবাসায় বঞ্চিত হইবার কুফলে কোনও পীড়ার উৎপত্তি।-Hyos. 

৯৭.ব্যবসায়ের সম্বন্ধ লইয়া কিম্বা কোনও বিষয়ে উত্তেজিত হইয়া অনিদ্রা-Hyos. 

৯৮.যে কাতে শোয় সেকাতে ব্যথা হলে-Puls. 

৯৯.উত্তপ্ত অবস্থায় ঠান্ডা পানি পান করে বা বরফ খেয়ে অসুস্থ-Belis Per. 

১০০.চা পান করে শীরঃপীড়া-Selenium.

মেসতার হোমিওপ্যাথিক ঔষধ

 🔴মেসতার হোমিওপ্যাথিক ঔষধ 🔴


লক্ষণ, ত্বকের ধরন, কারণ ও রোগীর স্বভাব অনুযায়ী ওষুধ নির্বাচন করা হয়।


1. Sepia– হরমোনজনিত গোলযোগে মেছতা দেখা দেওয়া, গালের দুই পাশে বাদামি দাগ । জরায়ু সংক্রান্ত সমস্যা লেগেই থাকে।

চিকন চাকান,পুরুষালি চেহারা।উদাসীনতা। স্বামী,সন্তান সংসারের প্রতি উদাসীনতা। সহজেই কান্না করে, কৃপণ স্বভাবের নারীর মেসতায় কার্যকর। 


2. Thuja– ত্বকে মেসতা, ওয়ার্ট, হরমোন ও কসমেটিক রিঅ্যাকশনে  মেসতা। টিকার পর সমস্যা।কথা কম বলে।মোটাসোটা, রাগী স্বভাব,হাঁটা চলার সময় মনে করে পেছনে কেউ আছে।


3. Sulphur– রুক্ষ, ত্বকে দাগ, চুলকানি আছে।অতীতে চর্মরোগ ছিল মলমে সেরেছে।নোংরা প্রকৃতির। পন্ডিত,পুরানো কাপড় চোপড় ভালোবাসে।


4. Natrum Mur– রোদে দাগ বেড়ে যায়, ঠোঁট ও গালে বেশি । লবণ প্রিয়। কোষ্ঠবদ্ধ ধাতের।চিকন চাকান।পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। গোপন এবং কোপণ স্বভাবের।


5. Berberis Aquifolium– ত্বক উজ্জ্বল করে, মেছতা কমায়।

রোমান থেকে গ্রেগরিয়ান ক্যালেণ্ডার

 রোমান থেকে গ্রেগরিয়ান ক্যালেণ্ডার


রোমানরা প্রথম গ্রহণ করে গ্রীক ক্যালেণ্ডার। তখন বছর ছিলো ৩০৪ দিনের ১০টি মাস। মার্চে বছর শুরু হয়ে ডিসেম্বরে শেষ। শীতের বাকী দিনগুলোতে তারা কোন কাজ করতো না বলে ক্যালেণ্ডারেও রাখতো না। এ সময়কে বলা হতো হাইবারনেশন। অনুমান করা হয় খ্রীস্টপূর্ব ৭০০ অব্দে রোমের রাজা Numa Pompilus জানুয়ারী আর ফ্রেব্রুয়ারী মাস যুক্ত করে ১২ মাসে বছর গনণা শুরু করেন। শীতের সময়ের না গোনা দিনগুলো পড়ে এই দুই মাসের ভাগে। জুলিয়াস সিজার রোমের সম্রাট হবার আগে পর্যন্ত এ বিষয়টি সুশৃঙ্খল ছিলো না। ক্যালেণ্ডারের হিসাবের গোলমালের জন্য ঋতুচক্রের সাথে সঙ্গতি বিধানের জন্য সম্রাট জুলিয়াস সিজার ৪৬ খ্রীস্ট পূর্বাব্দে এক রাজকীয় ডিক্রি বলে সে বছরকে ৪৪৫ দিনের বছর হিসাবে ঘোষণা করেন। সে সাথে বছরের দৈর্ঘ্য স্থির করেন ৩৬৫ দিন ৬ ঘন্টা। প্রতি মাসে দিন হবে ৩০/৩১। বাড়তি ৬ ঘন্টার সমন্বয়ের জন্য প্রতি ৪ বছর পর পর ৩৬৬ দিনের লীপ ইয়ার চালু করেন। আগে বছর শুরু হতো সূর্যের মহাবিষুবে (vernal equinox ) প্রবেশের সময় অর্থাৎ মার্চে। তিনি তা রদ করে প্রতি বছর ১ জানুয়ারী বছর শুরুর আদেশ দেন। সে থেকে এ ক্যালেণ্ডার জুলিয়ান ক্যালেণ্ডার হিসাবে পরিচিত হয়। এ সংস্কারের পরও সৌর বছরের চেয়ে সাড়ে ১১ মিনিট দীর্ঘ হয় জুলিয়ান ক্যালেণ্ডারের বছর। শত শত বছরের এই গরমিলের ফলে আবার ঋতুর সাথে ক্যালেণ্ডারের গরমিল হয়ে যায়। 


এই গরমিল দূর করার জন্য পোপ ত্রয়োদশ গ্রেগরী ১৫৮২ সালে জুলিয়ান ক্যালেণ্ডার সংশোধনের উদ্যোগ নেন। সে সংস্কারের প্রধান দিক ছিলো ৩টি। 


প্রথমত: ২১ মার্চ সূর্যের মহাবিষুবে প্রবেশের সাথে মিল রাখার জন্য ১৫৮২ সালের অক্টোবর মাস থেকে ১০দিন বাদ দেন। ফলে সে বছরের ক্যালেণ্ডারে বৃহস্পতিবার ৪ অক্টোবর আর শুক্রবারকে ১৫ অক্টোবর লেখা হয়। 


দ্বিতীয়ত: সৌর বছরের দৈর্ঘ্যের সাথে সঙ্গতি রাখার জন্য প্রতি ৪০০ বছরের মধ্যে ৩টি লীপ ইয়ার বাদ দেবার ব্যবস্থা করেন। ফলে শতাব্দী পূর্ণকারী বছর (যথা ১৫০০, ১৬০০ সাল) হলে যে সব বছর ৪০০ দ্বারা বিভাজ্য হবে না সেগুলো লীপ ইয়ার হবে না। তাই ১৯০০ সাল লীপ ইয়ার ছিলো না, ২০০০ সাল লীপ ইয়ার ছিলো। 


তৃতীয়ত: এই হিসাবে চান্দ্র তিথির সাথে কোন মিল না রাখায় চান্দ্র তিথি নির্ভর ধর্মীয় পর্ব যথা ইস্টার সানডে, গুড ফ্রাইডে ইত্যাদি যথাসময়ে না আসায় তার এক হিল্লে করার দরকার হয়। এ জন্য সৌর বছর আর চান্দ্র মাসের অনুপাতের মধ্যে সূক্ষ্ণ কিছু পরিবর্তন আনা হয়। ফলে নতুন নিয়মে ইস্টার সানডের তিথিটি ৫৭ লক্ষ বছরে একবার আবর্তিত হবে। 


 


গ্রেগরিয়ান ক্যালেণ্ডারে মাসের নাম গুলোর তাৎপর্য 


জানুয়ারী-ল্যাটিন জানুয়ারীয়াস-দেবতা জানুসের নাম থেকে 


ফেব্রুয়ারী-ল্যাটিন ফেব্রুয়ারীয়াস-পিউরিফিকেশন উৎসব ফেব্রুয়া থেকে 


মার্চ -ল্যাটিন মার্টিয়াস-দেবতা মার্সের নাম থেকে 


এপ্রিল-ল্যাটিন এপ্রিলিস-অনেকে মনে করেন দেবি আফ্রোদিতির নাম থেকেই এসেছে এপ্রিল। মতান্তরে ল্যাটিন শব্দ aperire থেকে, যার অর্থ খুলে দেওয়া। এপ্রিল মাসে যেহেতু বসন্তের দ্বার খুলে যায়, তাই এমন নাম। কেউ কেউ মনে করেন গ্রিক শব্দ ‘এপ্রিনিস মাইসা’ থেকে এসেছে এপ্রিল শব্দটি। 


মে -ল্যাটিন মাইয়াস-দেবী মায়ার নাম থেকে 


জুন: ‘জুনো’ নামের রোমানদের একজন নারী, চাঁদ ও শিকারের দেবী ছিলেন। তাঁর নামেই জুনের উৎপত্তি।


জুলাই-ল্যাটিন জুলিয়াস-সম্রাট জুলিয়াস সিজারের নাম থেকে


আগস্ট -ল্যাটিন অগাস্টাস-রোমান সম্রাট অগাস্টাসের নাম থেকে 


সেপ্টেম্বর-ল্যাটিন সেপ্টেম্বর-সেপ্টেম অর্থাৎ সাত থেকে


অক্টোবর-ল্যাটিন অক্টোবর-অক্টো অর্থাৎ আট থেকে


নভেম্বর -ল্যাটিন নভেম্বর-নভেম অর্থাৎ নয় থেকে


ডিসেম্বর -ল্যাটিন ডিসেম্বর-ডিসেম অর্থাৎ দশ থেকে 


সপ্তাহের একেকটা দিনও একেক ধরণের মানে ধারণ করে। যেমন:


    Saturday বা শনিবার: রোমান সাম্রাজ্যের লোকেরা বিশ্বাস করতো, ‘স্যাটান’ নামের চাষাদের জন্য একজন দেবতা আছেন। তাঁর হাতেই নাকি আবহাওয়া ভালো-খারাপ করার শক্তি আছে৷ তাই তাঁর সম্মানে তারা সপ্তাহের একটি দিনের নাম রাখেন ‘স্যাটনি ডেইজ’। সেখান থেকেই আসে Saturday।    


     Sunday বা রবিবার: দক্ষিণ ইউরোপের বাসিন্দারা বিশ্বাস করতো একজন দেবতা রয়েছেন, যিনি শুধু আকাশে গোলাকার আলোর বল আঁকেন। আর ল্যাটিন ভাষায় তাঁর নাম হলো ‘সলিছ’। তারা তাঁকে ডাকতো ‘সলিছ ডে’ বলে। তবে উত্তর ইউরোপের বাসিন্দারা তাঁকে ‘স্যানাল ডেইজ’ নামে ডাকতো। সেখান থেকেই Sunday শব্দটির উৎপত্তি।


    Monday বা সোমবার: রাতের বেলার আকাশের গায়ে রূপালী বল দেখে দক্ষিণ ইউরোপের লোকেরা একে ডাকতো ‘লুনা’ বলে। এটিও একটি ল্যাটিন শব্দ৷ তবে উত্তর ইউরোপের মানুষরা একে ডাকতো ‘মোনান ডেইজ’। সেখান থেকেই এসেছে Monday।


    Tuesday বা মঙ্গলবার: আগেরকার দিনে রোমানরা বিশ্বাস করতো, টিউ নামে তাদের একজন দেবতা আছে, যিনি কিনা যুদ্ধ দেখাশোনা করেন৷ তাদের মতে, যারা টিউকে মেনে চলতো তাদেরকে টিউ যুদ্ধের ময়দানে সাহায্য করতো। আর যারা পরলোকগমন করেছে, তাদের বিশ্রামের জায়গা করে দিতে টিউ একদল মহিলাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে পাহাড় থেকে নিচে নেমে আসতো। তারা একে ‘ডুইস’ বলে ডাকতো। সেই থেকে এসেছে Tuesday।


    Wednesday বা বুধবার: দক্ষিণ ইউরোপের লোকেরা ভাবতো, দেবতাদের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী হলে ‘উডেন’। একবার তিনি জ্ঞান আহরণ করতে যেয়ে নিজের এক চোখ হারান। সেই চোখটি তিনি তাঁর লম্বা টুপি দিয়ে ঢেকে রাখতেন। তাঁর আবার ছিল দুইটি পাখি, যারা তাঁর গোয়েন্দা হিসেবে কাজ করতো। সেই পাখি দুইটা সারারাত পুরো পৃথিবীর ঘটনাবলী উডেনকে শোনাতো। এভাবেই উডেন পুরো পৃথিবীর খোঁজখবর রাখতো৷ এইজন্য লোকেরা বলতে ওয়েডনেস ডেইস। সেই থেকে এসেছে Wednesday।


    Thursday বা বৃহস্পতিবার: আগে মানুষ মনে করতো, বিদ্যুৎ চমকানো ও বজ্রপাতের পেছনে রয়েছে ‘থর’ নামের এক দেবতা৷ তাদের মতে থর যখন রাগান্বিত হন, তখন তিনি তাঁর ছাগলের গাড়িতে বসে আকাশের দিকে তাঁর হাতুড়ি নিক্ষেপ করেন। ছাগলের গাড়ির চাকার শব্দ হচ্ছে বজ্রপাত ও হাতুড়ির আঘাতে সৃষ্ট শব্দটি হচ্ছে বিদ্যুৎ চমকানোর শব্দ। থরের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য তারা সপ্তাহের একটি দিনের নাম রাখেন ‘থার্স ডেইস’। সেই থেকে এসেছে Thursday।


    Friday বা শুক্রবার: পুরাণমতে, ওডিন নামের একজন দেবতা ছিলেন। আর তাঁর স্ত্রী ছিলেন ফ্রিগ৷ তিনি ছিলেন প্রকৃতি, ভালোবাসা ও বিবাহের দেবী। ওডিনের পাশে সবসময় তাঁর স্ত্রী ফ্রিগ থাকতেন। তাঁরা একসাথে পৃথিবীকে দেখতেন এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতেন। তাই সপ্তাহের একদিনের নাম রাখা হয় ‘ফ্রিগ ডেইজ’। সেখান থেকেই এসেছে ‘ফ্রাইডে’।


সিজারের সংস্কারের ফলে শেষ চারটি মাসের নাম সংখ্যার বিচারে ভুল হিসাবে চালু আছে অর্থাৎ বছরের ৭,৮,৯,১০ নং মাসের বদলে এখন ৯,১০,১১ ও ১২ নং মাস হিসাবে আছে। 


পোপ ত্রয়োদশ গ্রেগরীর এ সংস্কার ক্যাথলিক খ্রীস্টানরা মেনে নিলেও প্রোটেস্টান্টসহ অন্য অনেকেই মেনে নিতে অনেক বিলম্ব করেছে। ১৫৮২ সালেই নতুন ক্যালেণ্ডার গ্রহণ করে ইতালী, পর্তুগাল, স্পেন, বেলজিয়াম, হল্যাণ্ড এবং পোল্যাণ্ড-এর ক্যাথলিক রাষ্ট্রসমূহ। ১৫৮৪ সালে গ্রহণ করে জার্মানী ও সুইজারল্যাণ্ড-এর ক্যাথলিক রাস্ট্রসমূহ। ১৫৮৭ সালে হাঙ্গেরী। ১৭০০ সালে জার্মানী, সুইজারল্যাণ্ড ও হল্যাণ্ডের প্রোটেস্টান্ট রাষ্ট্রসমূহ, ডেনমার্ক ও নরওয়ে তা গ্রহণ করে। ১৭৫২ সালে তা গ্রহণ করে বৃটেন (আমেরিকান কলোনীসহ), ১৮৭৩ সালে জাপান, ১৮৭৫ সালে মিশর, ১৯১৮ সালে রাশিয়া, ১৯২৪ সালে গ্রীস, ১৯২৬ সালে তুরস্ক ও ১৯৪৯ সালে চীন তা গ্রহণ করে। বৃটেন ও রাশিয়ায় এটা গ্রহণের সময় আবার অক্টোবর মাসে ১১ দিন বাদ দিতে হয়েছে জুলিয়ান ক্যালেণ্ডারের সাথে তৈরী হওয়া ব্যবধান ঘুচানোর জন্য। সেটা নিয়ে ব্রটেনে শ্রমিক আন্দোলন হয়েছে। রাশিয়ায় তাই অক্টোবর বিপ্লবের বার্ষিকী পালিত হয় নভেম্বরে। 


তথ্য সংগৃহীত - প্রতাপ সাহা 


World Vision (বিশ্ব দর্শন)

Fluency Magic – Tongue Twisters 

 💥 Fluency Magic – Tongue Twisters 💥


💥 01. Top Cup, Cup Top.

ঠপ খাপ খাপ ঠপ।


💥 02. Tom tied a torn tie.

ঠম ঠাইডা ঠন ঠাই।


💥 03. Two toads totally tired today.

ঠু ঠুইয়াডজ ঠোঠালি ঠায়ার্ড ঠুডেই।


💥 04. Carlos kicks a curly corner kick.

খালুস খিখস আ খালি খনা খিখ।


💥 05. Papa Popy pets a pretty parrot.

ফাফা ফফি ফেঠস আ ফ্রিঠি ফ্যারোঠ।


💥 06. Keenly cleaning copper kettles.

খিনলি ক্লিনিং খফা খ্যাঠেলস।


💥 07. Totally terrific arctic tongue twister.

ঠোঠালি ঠ্যারিফিখ আখঠিখ ঠাং টুইস্টা।


💥 08. The Sixth sick Sheikh's Sixth Sheep's sick.

দ্যা ছিক্সথ ছিখ শেইখস ছিক্সথ শিপছ ছিখ।


💥 09. Ken quiet like Kate. Kate doesn't care for ken.

খেন খোয়াইঠ লাইখ খেইঠ, খেইঠ ডাজেষ্ঠ খেয়া ফ খেন।


💥 10. Pull the puppy and pick the pen to poke the porter.

ফুলদা ফাফি এ্যান্ড ফিখদা ফেন ই ফোখ দা ফৌঠা।


💥 11. A cup of proper coffee in a copper coffee cup.

আ-খাপ অফ ফ্রোফা খফি ইনা খফা খফি খাপ।


💥 12. Hi-tech travelling tractor-trailer truck tracker.

হাই-ঠেখ ট্র্যাভেলিং ঠ্যাখঠ-ঠেইলা ঠাথ ঠ্যাখা।


💥 13. Peter piper picked a peck of pickled peppers.

ফিঠা ফাইফা ফিখড আ ফিখ অফ ফিখেন্ড ফিফাস।


💥 14. Pick-pocketing in public transport portraits a painful picture.

ফিখ-ফখেঠিং ইন ফাবলিখ ট্রান্সফোঠ ফোঠেইস্ আ ফেইনফুল ফিখচা।


💥 15. Thirty thousand thirsty snakes thirstily drank three thousand lakes.

থাঠি থাউজেন্ড থাস্টি স্ন্যাক্স থাস্টলি ড্র্যাংখ থ্রি থাউজেন্ড লেইখস।


💥 16. My sister sells silk shirts, but Mr. Fister's sister doesn't sell silk shirts.

মাই ছিস্টা ছেলছ ছিলখ শাঠছ, বাঠ মিস্টা ফিস্টা'স ছিস্টা ডাজেষ্ঠ ছেল ছিলখ শাঠছ।


💥 17. She sells seashells by the seashore; the shells she sells are surely seashells.

শি ছেল ছিশেলছ বাই দা ছিশো, দা শেল্প শি ছেলছ আ শিওরলি ছি শেলছ।


💥 18. The thirty-three thieves thought that they thrilled the throne throughout Thursday.

দা থাঠি-থ্রি থিভস্ থঠ দ্যাঠ দেই গ্রিলড দা থ্রোন থ্রোআউঠ থাজডেই।


💥 19. Picture of prominent poet P.B. Shelley portraits the perfect perfection of poetry arena.

ফিখচার অফ ফ্রোমিনেষ্ঠ ফয়েঠ ফি.বি. শেলী ফোঠেইঠস দা ফাফেখঠ ফাফেখশন অফ ফয়েত্রি এ্যারিনা।


💥 20. Mr. Tongue twister tried to train his tongue to twist and turn to learn the letter "T".

মিস্টা ঠাং টুইস্টা ব্রাইড ই ট্রেইন হিজ ঠাং টু টুইস্ট এ্যান্ড ঠান ঠু লান দা লেঠা "ঠি"।


💥 21. Papa, Please pay the payable payment of pen, paper and pencil to the paper house.

ফাফা, ফ্রিজ ফেই দ্যা ফেইবল ফেইমেষ্ঠ অফ ফেন, ফেইফার এ্যান্ড ফেনসিল ঠু দা ফেইফা হাউজ।


💥 22. Take the total team in the tea garden to take the taste of every tea spoon of tea in the tea-time.

ঠেইখ দা ঠোঠাল ঠীম ইন দা ঠী গাডেন ঠু ঠেইখ দা ঠেইস্ট অফ এভরি ঠি স্পুন অফ ঠি ইন দা ঠি-ঠাইম।


💥 23. Canadian Coffee house KFC campaign for chocolate cake in Cambodia. Campaign catches the concentration of Cambodians.

খ্যানেইডিয়ান খফি হাউজ খেই, এফ, সি খ্যাফেইন ফ চখোলেইঠ খেইখ ইন খ্যামবোডিয়া। খ্যাফেইন খ্যাচেছ দা খনসেনঠেইশন অফ খ্যামবোডিয়ানস।


💥 24. Power Plant produces more power to provide the better service for public. So to produce more power connection publicly. Public private entrepreneurship is profitable.

ফাওয়া ফ্লাষ্ট ফ্রোডিউসেস মো ফাওয়া ই ফ্রোভাইড দা বেঠা সাভিস ফ ফাবলিখ, সো ই ফ্রোডিউস মো ফাওয়া খানেখশন ফাবলিখলি, ফাবলিখ ফ্রাইভেঠ অস্ট্রফ্রেনিওরশিপ ইজ ফ্রোফিঠেইবল।


💥 25. Pronouncing Tongue twister 'T' is a tough task, talented teacher technically teach the 'T' sound when talk by using "T".

ফ্রোনাউনসিং ঠাং টুইস্টা "ঠি" ইজা ঠাফ ঠাস্ক ঠ্যালেষ্ঠেড ঠিচা দেখনিখ্যালি ঠিচদা "ঠি" সাউন্ড ওয়েন ঠখ বাই ইউজিং "ঠি"।


💥 26. Capital city Cairo is crowded with kids to compete in cricket tournament. The caretaker of Cairo arranges a carnival for the day. They call it the red carpet carnival.

খ্যাফিঠাল সিঠি খায়রো ইজ ব্রাউডেড উইথ খিডস ঠু খমপিঠ ইন ব্রিখেঠ ঠুনামেষ্ঠ। দা খেয়ারঠেইখা অব খায়রো আরেইঞ্জেস আ খানিভাল ফ দা ডেই। দেই খল ইঠ দা রেড খাফিঠ খানিভাল।


💥 27. A pair of paper paves the panic of pathetic pair in the past parliament. In paragraph the party pass with a passion patiently to patronize the perish park and parlor which were the part of commitment that written in the page of payable parcel paper.

আ ফেইয়ার অফ ফেইফা ফেইভস দা ফ্যানিখ অব ফ্যাথেঠিখ ফেইয়ার ইনদা ফাস্ট ফালিয়ামেষ্ঠ ইন ফ্যারাগ্রাফ দা ফাঠি ফাস উইথ আ ফেইশন ফেইশেষ্ঠলি টু ফ্যাঠোনাইজ দা ফেরিশ ফার্থ এ্যান্ড ফালর উইচ ওয়া দা ফাঠ অফ খমিঠমেষ্ঠ দ্যাঠ রিঠেন ইন দা ফেইজ অফ।


💥 28. Telephone used for telemarketing and telesales the toiletries in Taiwan. Taiwan has tendency the telemarketing television temporarily. The temperature of Taiwan is ten time after time. Table-tennis is popular in Taiwan.

ঠেলিফোন ইউজড ফ ঠেলিমাখেঠিং এ্যান্ড ঠেলিসেলস দা ঠয়লেট্রিজ ইন তাইওয়ান। তাইওয়ান হ্যাজ ঠেনডেনসি দা ঠেলিমাখেঠিং ঠেলিভিশন ঠেস্ফোরারিলি। দা ঠেম্পারেইচার অফ ঠাইওয়ান ইজ ঠেন ঠাইম আফঠা ঠাইম। ঠেইবল নিস ইজ ফফিউলার ইন ঠাইওয়ান।


💥 29. Always be cool. Don't have ego with friends and family. Give up hurting individuals. Just keep loving mankind. Never omit prayers. Quietly remember God. Speak the truth. Use valid words. Xpress your zeal.

অলয়েজ বি খুল। ডোেষ্ঠ হ্যান্ড ইগো উইথ ফ্রেন্ডস এ্যান্ড ফ্যামলি। গিভআপ হাঠিং ইনডিভিজুয়ালস। জাস্ট খিপ লাভিং ম্যানখাইন্ড। নেভার অমিঠ ফ্রেইয়াস। খোয়াইঠলি রিমেম্বা গড। স্পিখদা ট্রুথ। ইউজ ভ্যালিড ওয়াডস। এক্সপ্রেস ইও জিল।


💥 30. If you understand, say "understand". If you don't understand, say "don't understand". But if you understand and say "don't understand" or if you don't understand and say understand How do I understand? That you understand. Do I make you understand?

ইফ ইউ আন্ডাস্ট্যান্ড, সেই আন্ডাস্ট্যান্ড। ইফ ইউ ডোন্ঠ আন্ডাস্ট্যান্ড, সেই ডোন্ঠ আন্ডাস্ট্যান্ড। বাঠ ইফ ইউ আন্ডাস্ট্যান্ড এ্যান্ড সেই ডোন্ঠ আন্ডাস্ট্যান্ড, অর ইফ ইউ ডোন্ঠ আন্ডাস্ট্যান্ড এ্যান্ড সেই আন্ডাস্ট্যান্ড। হাউ ডু আই আন্ডাস্ট্যান্ড? দ্যাঠ ইউ আন্ডাস্ট্যান্ড, ডু আই মেইখ ইউ আন্ডাস্ট্যান্ড?


💡 Tips for Practice:

প্রতিটি Tongue Twister ১ নিঃশ্বাসে ১০ বার বলার চেষ্টা করুন।

ধীরে ধীরে ৭০-৮০ নিঃশ্বাসে ১০ বার বলার সক্ষমতা অর্জন করুন।

আগের Lessons থেকে উচ্চারণের Rules মনে রাখুন।


ইংরেজি উচ্চারণের পিডিএফ পেতে শেয়ার করে হোয়াটসঅ্যাপে নক দিন।

সহবাসে নারীর শরীর থেকে ৪০ রকমের মজা পাওয়া সম্ভব !!,,, হেকিমি দাওয়ায়াখানা ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সহবাসে নারীর শরীর থেকে ৪০ রকমের মজা পাওয়া সম্ভব !!


বিয়ের পর প্রথম কয়েকমাস বা বছরখানেক বিছানাটা যেন একটা যুদ্ধক্ষেত্র থাকে, তাই না? আবেগ, উত্তেজনা আর আবিষ্কারের এক উন্মাদ খেলা। কিন্তু তারপর? ঘড়ির কাঁটা ঘুরতে থাকে, ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টায়, আর সেই যুদ্ধক্ষেত্রটা ধীরে ধীরে পরিণত হয় এক ঠাণ্ডা, শান্ত কবরস্থানে। যে মানুষটার গায়ের গন্ধে পাগল হতেন, তার স্পর্শে শরীরে বিদ্যুৎ খেলে যেত, আজ কেন তাকে এত পরিচিত, এত একঘেয়ে মনে হয়?


আপনারা কি ভেবে দেখেছেন, কেন এমন হয়? সমাজ, সংসার, দায়িত্ব—এগুলো তো থাকবেই। কিন্তু আসল কারণটা লুকিয়ে আছে আপনাদের নিজেদের ভেতরে, আপনাদের সেই চার দেয়ালের শোবার ঘরে, আপনাদের অভ্যাসের কারাগারে।


আজ আমি সমস্ত লজ্জার চাদর ছিঁড়ে ফেলে দেব। এমন কিছু বলব যা শুনে হয়তো আপনার কান গরম হয়ে যাবে, সঙ্গীর দিকে আড়চোখে তাকাতে বাধ্য হবেন, আর নিজের এতদিনের যৌনজীবনকে একটা মস্ত বড় ভুল বলে মনে হবে। প্রস্তুত তো?


ভুলটা কোথায় করছেন? আসল সত্যটা শুনুন!


আপনারা সেক্স করেন না, আপনারা রুটিন পালন করেন। ডিনার, তারপর দাঁত ব্রাশ, লাইট অফ, আর তারপর পাঁচ-দশ মিনিটের সেই একই পরিচিত শরীরচর্চা। একই বিছানা, একই পজিশন, একই সুরে বলা ভালোবাসার কথা। এটা ভালোবাসা নয়, এটা অভ্যাস। আর অভ্যাস আবেগকে হত্যা করে।


ভাবুন তো, আপনার প্রিয় বিরিয়ানি যদি আপনাকে রোজ তিনবেলা খেতে দেওয়া হয়, কেমন লাগবে? প্রথম দিন অমৃত, দ্বিতীয় দিন ভালো, এক সপ্তাহ পর বিষ! যৌনতাও ঠিক তাই। বৈচিত্র্যহীন যৌনতা মৃত্যুর সমান।


বিশ্বাস করুন, আপনার সঙ্গীর শরীরেই লুকিয়ে আছে এক অজানা মহাদেশ। এতদিন আপনি শুধু তার রাজধানীর কয়েকটা অলিগলিতেই ঘুরেছেন। আসুন, আজ সেই মহাদেশ আবিষ্কারের নতুন মানচিত্র তৈরি করি।


বিছানাটা আরামের জায়গা, উত্তেজনার নয়। ওটাকে ঘুমের জন্য তুলে রাখুন। আজ রাতেই চেষ্টা করুন করুন আপনাদের ড্রয়িং রুমের সোফাটায়। হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন। ওই সোফায়, যেখানে বসে আপনারা একসাথে টিভি দেখেন, সেখানেই তৈরি করুন নতুন ইতিহাস। পরের দিন ফ্লোরে একটা নরম চাদর পেতে চেষ্টা করুন। শরীরের সাথে মেঝের ঠাণ্ডা স্পর্শ আর আপনাদের উষ্ণ নিঃশ্বাস—অভিজ্ঞতাটাই বদলে যাবে। রান্নাঘরের স্ল্যাবের ওপর—একটু সাহস করুন, দেখুন পাগলামির আগুন কোথায় গিয়ে লাগে! স্থান বদল মানে শুধু জায়গা বদল নয়, এটা মানসিকতার বদল। এটা জানায় যে, তোমাদের আকাঙ্ক্ষা কোনো নির্দিষ্ট স্থানের দাস নয়।


কে বলেছে সেক্স শুধু রাতেই করতে হয়? এটা কি কোনো অফিসের ডিউটি? ভোরের আলো ফোটার আগে, যখন পৃথিবী ঘুমে মগ্ন, তখন সঙ্গীকে জাগিয়ে দিন আদরে। সেই আধো ঘুম, আধো জাগরণের মধ্যে মিলিত হওয়ার যে তীব্র নেশা, তা সারাদিনের স্মৃতিকে রঙিন করে রাখবে। কিংবা কোনো এক অলস দুপুরে, যখন বাইরে গনগনে রোদ, তখন ঘরের দরজা বন্ধ করে ডুব দিন একে অপরের মধ্যে। সময়ের এই অনিয়ম আপনাদের সম্পর্কে আনবে চরম রোমাঞ্চ।


একই মিশনারি স্টাইল করতে করতে কি ক্লান্ত? জানেন কি, একজন পুরুষের গোপনাঙ্গের অবস্থান মাত্র দশ ডিগ্রি বদলে গেলেই নারীর অর্গ্যাজমের অনুভূতি ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বদলে যেতে পারে! অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে? আজই পরীক্ষা করে দেখুন। শুধু পজিশন নয়, অ্যাঙ্গেল বা কোণ বদলান। সঙ্গীকে বলুন তার শরীরটাকে একটু অন্যভাবে বাঁকাতে। আপনিও নিজের অবস্থান সামান্য পরিবর্তন করুন। দেখবেন, পরিচিত শরীরেও আপনি খুঁজে পাচ্ছেন সম্পূর্ণ নতুন এক জগৎ, নতুন এক অনুভূতি। একজন নারীর শরীর থেকে ৪০ রকমের মজা পাওয়া সম্ভব, যদি একজন পুরুষ আবিষ্কারকের মন নিয়ে তাকে জানতে চায়। চারটে বিয়ে করার দরকার হয় না, যদি আপনি একজন নারীর মধ্যেই চারশো নারীর স্বাদ খুঁজে নেওয়ার কৌশল জানেন।


যারা একসাথে গোসল করার সময় মিলিত হননি, তারা যৌনতার অন্যতম আদিম এবং শক্তিশালী রূপ থেকে বঞ্চিত। ঝর্ণার জল যখন আপনাদের দুজনের উষ্ণ শরীরে পড়তে থাকবে, সেই জলের শব্দ, পিচ্ছিল শরীর আর একে অপরকে আঁকড়ে ধরার তীব্র আকুতি—এটা শুধু সেক্স নয়, এটা একটা অভিজ্ঞতা। লজ্জা ঝেড়ে ফেলে আজই চেষ্টা করুন। কথা দিচ্ছি, এই স্মৃতি আপনারা ভুলতে পারবেন না।


আপনার মনে কি এখন হাজারো প্রশ্ন ঘুরছে?

"আমি কি এতদিন ভুল জানতাম?"

 "আমার সঙ্গী কি এতে রাজি হবে?"

"এগুলো করা কি ঠিক?"

"আমার শরীর কি সঙ্গীর কাছে এখনো আকর্ষণীয়?"


যদি এই প্রশ্নগুলো আপনার মনে এসে থাকে, তাহলে অভিনন্দন! আপনি সঠিক পথে আছেন। আপনি ভাবতে শুরু করেছেন। দ্বিধা, দ্বন্দ্ব—এগুলোই নতুন কিছু শুরু হওয়ার প্রথম লক্ষণ। আপনার যৌনজীবন নিয়ে প্রশ্ন তুলুন, সঙ্গীর সাথে কথা বলুন। তাকে বলুন, "চলো না, আজ রাতে নতুন কিছু করি?" দেখুন তার চোখেও কি আপনার মতোই আগ্রহের আগুন জ্বলে ওঠে কি না।


আর হ্যাঁ, উত্তেজনার খেলায় লুব্রিক্যান্ট ব্যবহার করতে ভয় পাবেন না। এটা কোনো দুর্বলতার লক্ষণ নয়, বরং আনন্দকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়ার একটা স্মার্ট কৌশল।


শেষ কথা হলো, আপনার বৈধ স্ত্রীর সাথে আপনার বেডরুমের সম্পর্ক যত বেশি রঙিন, বন্য এবং রোমাঞ্চকর হবে, বাইরের পৃথিবীর প্রতি আপনার আকর্ষণ ততটাই কমে যাবে। একজন পুরুষকে যদি তার স্ত্রী বিছানায় একজন "রাণী" এবং একজন "যৌন আবেদন ময়ী "—দুয়ের স্বাদই দিতে পারে, সেই পুরুষ আর অন্য কোথাও যাবে না। তার নিজের সাম্রাজ্যেই সে মত্ত থাকবে।


এবার সিদ্ধান্ত আপনার। আপনি কি সেই একঘেয়ে, ঠাণ্ডা বিছানায় পড়ে থাকবেন, নাকি আজ রাত থেকেই নতুন করে আগুন জ্বালাবে ।


শেষ কথা 

আপনার যদি শারীরিক অক্ষমতা থাকে তাহলে আপনি পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে নিরীহ মানুষ। আপনার না আছে স্ত্রীর কাছে সম্মান আর না আছে আপনার মনে শান্তি।  পৃথিবীর সবাই আপনাকে ভয় আর শ্রদ্ধা করলেও সবই বেকার। মনে রাখবেন যে পুরুষ নারী মহলে বাহাদুরি করতে পারে সেই আসল পুরুষ। 

তাই রোগ চেপে রাখবেন না বনাজি বা ভেষজ চিকিৎসা গ্রহন করুন স্থায়ীভাবে সুস্থ হউন। আপনার ভিতর জিদ তৈরি করুন যে আমি পরিপূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত হাল ছাড়বো না। হ্যা এমন মানুষিতার মানুষ গুলোই সুস্থতা নিশ্চিত করতে পারে। তাই বলবো আমরা দীর্ঘদিন ধরে গোপন রোগের স্থায়ী চিকিৎসা করে আসছি আপনি চাইলে আমাদের সেবাটা শেষ চিকিৎসা মনে করে গ্রহন করতে পারেন। এই নাম্বারে যোগাযোগ করুন 01733164992 ফোন অথবা হোয়াটসঅ্যাপ।

তবে দয়া করে মেসেঞ্জারে নক দিবেন না।


একটি ধাতু, এক ভুল ধারণা আর এক যুগান্তকারী আবিষ্কার—মলিবডেনামের গল্প! 

 একটি ধাতু, এক ভুল ধারণা আর এক যুগান্তকারী আবিষ্কার—মলিবডেনামের গল্প! 


আজকের আধুনিক প্রযুক্তির পেছনে লুকিয়ে আছে বহু উপাদানের দীর্ঘ ও চমকপ্রদ ইতিহাস। তেমনই এক গুরুত্বপূর্ণ ধাতু হলো মলিবডেনাম (Molybdenum)। এর আবিষ্কারের গল্প শুধু রসায়নের নয়, বরং মানুষের ভুল ধারণা ভাঙারও এক অনন্য উদাহরণ।


১৮শ শতকের আগে মলিবডেনামকে আলাদা কোনো মৌল হিসেবে কেউ চিনত না। তখন এটি প্রায়ই সীসা বা গ্রাফাইটের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা হতো। “মলিবডেনা” নামটি এসেছে গ্রিক শব্দ molybdos থেকে, যার অর্থ সীসা—এতেই বোঝা যায় কতটা বিভ্রান্তি ছিল এই পদার্থকে ঘিরে।


১৭৭৮ সালে সুইডিশ রসায়নবিদ Carl Wilhelm Scheele প্রথম বুঝতে পারেন যে মলিবডেনা খনিজ আসলে সীসা নয়, বরং এক নতুন মৌলের যৌগ। তিনি মলিবডেনাম অক্সাইড প্রস্তুত করেন, যদিও বিশুদ্ধ ধাতুটি তখনো আলাদা করা সম্ভব হয়নি।


এর ঠিক দুই বছর পর, ১৭৮১ সালে আরেক সুইডিশ বিজ্ঞানী Peter Jacob Hjelm প্রথমবারের মতো মলিবডেনাম অক্সাইডকে কার্বনের সাহায্যে জারণ বিক্রিয়া করে বিশুদ্ধ মলিবডেনাম ধাতু আলাদা করতে সক্ষম হন। এভাবেই জন্ম নেয় একটি নতুন মৌলের আনুষ্ঠানিক পরিচয়।


আজ মলিবডেনাম উচ্চতাপ সহনশীলতা ও শক্তির জন্য পরিচিত। স্টিল অ্যালয়, বিমান শিল্প, ইলেকট্রনিক্স, এমনকি জীববিজ্ঞানের কিছু এনজাইমেও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। একসময় যে পদার্থকে ভুল করে সীসা ভাবা হয়েছিল, আজ সেটিই আধুনিক সভ্যতার অপরিহার্য অংশ।


#Molybdenum #মলিবডেনাম #রসায়নেরইতিহাস #ElementDiscovery #ScienceStory #Chemistry #PeriodicTable #SwedishScientists #ScienceFacts

অভিশাপ – কাজী নজরুল ইসলাম

 অভিশাপ

– কাজী নজরুল ইসলাম

যেদিন আমি হারিয়ে যাব, বুঝবে সেদিন বুঝবে,

অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুছবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে!

ছবি আমার বুকে বেঁধে

পাগল হ’লে কেঁদে কেঁদে

ফিরবে মর” কানন গিরি,

সাগর আকাশ বাতাস চিরি’

যেদিন আমায় খুঁজবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে!


স্বপন ভেঙে নিশুত্‌ রাতে জাগবে হঠাৎ চমকে,

কাহার যেন চেনা-ছোঁওয়ায় উঠবে ও-বুকে ছমকে,-

জাগবে হঠাৎ চমকে!

ভাববে বুঝি আমিই এসে

ব’সনু বুকের কোলটি ঘেঁষে,

ধরতে গিয়ে দেখবে যখন

শূন্য শয্যা! মিথ্যা স্বপন!

বেদ্‌নাতে চোখ বুঁজবে-

বুঝবে সেদিন বুজবে।


গাইতে ব’সে কন্ঠ ছিঁড়ে আস্‌বে যখন কান্না,

ব’লবে সবাই-“ সেই য পথিক তার শেখানো গান না?’’

আস্‌বে ভেঙে কান্না!

প’ড়বে মনে আমার সোহাগ,

কন্ঠে তোমার কাঁদবে বেহাগ!

প’ড়বে মনে অনেক ফাঁকি

অশ্র”-হারা কঠিন আঁখি

ঘন ঘন মুছবে-

বুঝ্‌বে সেদিন বুঝবে!


আবার যেদিন শিউলি ফুটে ভ’রবে তোমার অঙ্গন,

তুলতে সে ফুল গাঁথতে মালা কাঁপবে তোমার কঙ্কণ-

কাঁদবে কুটীর-অঙ্গন!

শিউলি ঢাকা মোর সমাধি

প’ড়বে মনে, উঠবে কাঁদি’!

বুকের মালা ক’রবে জ্বালা

চোখের জলে সেদিন বালা

মুখের হাসি ঘুচবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে!


আসবে আবার আশিন-হাওয়া, শিশির-ছেঁচা রাত্রি,

থাকবে সবাই – থাকবে না এই মরণ-পথের যাত্রী!

আসবে শিশির-রাত্রি!

থাকবে পাশে বন্ধু স্বজন,

থাকবে রাতে বাহুর বাঁধন,

বঁধুর বুকের পরশনে

আমার পরশ আনবে মনে-

বিষিয়ে ও-বুক উঠবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে!


আসবে আবার শীতের রাতি, আসবে না ক আ সে-

তোমার সুখে প’ড়ত বাধা থাকলে যে-জন পার্শ্বে,

আসবে না ক’ আর সে!

প’ড়বে মনে, মোর বাহুতে

মাথা থুয়ে যে-দিন শুতে,

মুখ ফিরিয়ে থাকতে ঘৃণায়!

সেই স্মৃতি তো ঐ বিছানায়

কাঁটা হ’য়ে ফুটবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে!

আবার গাঙে আসবে জোয়ার, দুলবে তরী রঙ্গে,

সেই তরীতে হয়ত কেহ থাকবে তোমার সঙ্গে-

দুলবে তরী রঙ্গে,

প’ড়বে মনে সে কোন্‌ রাতে

এক তরীতে ছিলেম সাথে,

এমনি গাঙ ছিল জোয়ার,

নদীর দু’ধার এমনি আঁধার

তেম্‌নি তরী ছুটবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে!


তোমার সখার আসবে যেদিন এমনি কারা-বন্ধ,

আমার মতন কেঁদে কেঁদে হয়ত হবে অন্ধ-

সখার কারা-বন্ধ!

বন্ধু তোমার হান্‌বে হেলা

ভাঙবে তোমার সুখের মেলা;

দীর্ঘ বেলা কাটবে না আর,

বইতে প্রাণের শান- এ ভার

মরণ-সনে বুঝ্‌বে-

বুঝবে সেদিন বুঝ্‌বে!


ফুট্‌বে আবার দোলন চাঁপা চৈতী-রাতের চাঁদনী,

আকাশ-ছাওয়া তারায় তারায় বাজবে আমার কাঁদ্‌নী-

চৈতী-রাতের চাঁদ্‌নী।

ঋতুর পরে ফির্‌বে ঋতু,

সেদিন-হে মোর সোহাগ-ভীতু!

চাইবে কেঁদে নীল নভো গা’য়,

আমার মতন চোখ ভ’রে চায়

যে-তারা তা’য় খুঁজবে-

বুঝ্‌বে সেদিন বুঝ্‌বে!


আস্‌বে ঝড়, নাচবে তুফান, টুটবে সকল বন্ধন,

কাঁপবে কুটীর সেদিন ত্রাসে, জাগবে বুকে ক্রন্দন-

টুটবে যবে বন্ধন!

পড়বে মনে, নেই সে সাথে

বাঁধবে বুকে দুঃখ-রাতে-

আপনি গালে যাচবে চুমা,

চাইবে আদর, মাগ্‌বে ছোঁওয়া,

আপনি যেচে চুমবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে।


আমার বুকের যে কাঁটা-ঘা তোমায় ব্যথা হান্‌ত,

সেই আঘাতই যাচবে আবার হয়ত হ’য়ে শ্রান–

আসবে তখন পান’।

হয়ত তখন আমার কোলে

সোহাগ-লোভে প’ড়বে ঢ’লে,

আপনি সেদিন সেধে কেঁদে

চাপ্‌বে বুকে বাহু বেঁধে,

চরণ চুমে পূজবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে!অভিশাপ

– কাজী নজরুল ইসলাম

যেদিন আমি হারিয়ে যাব, বুঝবে সেদিন বুঝবে,

অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুছবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে!

ছবি আমার বুকে বেঁধে

পাগল হ’লে কেঁদে কেঁদে

ফিরবে মর” কানন গিরি,

সাগর আকাশ বাতাস চিরি’

যেদিন আমায় খুঁজবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে!


স্বপন ভেঙে নিশুত্‌ রাতে জাগবে হঠাৎ চমকে,

কাহার যেন চেনা-ছোঁওয়ায় উঠবে ও-বুকে ছমকে,-

জাগবে হঠাৎ চমকে!

ভাববে বুঝি আমিই এসে

ব’সনু বুকের কোলটি ঘেঁষে,

ধরতে গিয়ে দেখবে যখন

শূন্য শয্যা! মিথ্যা স্বপন!

বেদ্‌নাতে চোখ বুঁজবে-

বুঝবে সেদিন বুজবে।


গাইতে ব’সে কন্ঠ ছিঁড়ে আস্‌বে যখন কান্না,

ব’লবে সবাই-“ সেই য পথিক তার শেখানো গান না?’’

আস্‌বে ভেঙে কান্না!

প’ড়বে মনে আমার সোহাগ,

কন্ঠে তোমার কাঁদবে বেহাগ!

প’ড়বে মনে অনেক ফাঁকি

অশ্র”-হারা কঠিন আঁখি

ঘন ঘন মুছবে-

বুঝ্‌বে সেদিন বুঝবে!


আবার যেদিন শিউলি ফুটে ভ’রবে তোমার অঙ্গন,

তুলতে সে ফুল গাঁথতে মালা কাঁপবে তোমার কঙ্কণ-

কাঁদবে কুটীর-অঙ্গন!

শিউলি ঢাকা মোর সমাধি

প’ড়বে মনে, উঠবে কাঁদি’!

বুকের মালা ক’রবে জ্বালা

চোখের জলে সেদিন বালা

মুখের হাসি ঘুচবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে!


আসবে আবার আশিন-হাওয়া, শিশির-ছেঁচা রাত্রি,

থাকবে সবাই – থাকবে না এই মরণ-পথের যাত্রী!

আসবে শিশির-রাত্রি!

থাকবে পাশে বন্ধু স্বজন,

থাকবে রাতে বাহুর বাঁধন,

বঁধুর বুকের পরশনে

আমার পরশ আনবে মনে-

বিষিয়ে ও-বুক উঠবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে!


আসবে আবার শীতের রাতি, আসবে না ক আ সে-

তোমার সুখে প’ড়ত বাধা থাকলে যে-জন পার্শ্বে,

আসবে না ক’ আর সে!

প’ড়বে মনে, মোর বাহুতে

মাথা থুয়ে যে-দিন শুতে,

মুখ ফিরিয়ে থাকতে ঘৃণায়!

সেই স্মৃতি তো ঐ বিছানায়

কাঁটা হ’য়ে ফুটবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে!

আবার গাঙে আসবে জোয়ার, দুলবে তরী রঙ্গে,

সেই তরীতে হয়ত কেহ থাকবে তোমার সঙ্গে-

দুলবে তরী রঙ্গে,

প’ড়বে মনে সে কোন্‌ রাতে

এক তরীতে ছিলেম সাথে,

এমনি গাঙ ছিল জোয়ার,

নদীর দু’ধার এমনি আঁধার

তেম্‌নি তরী ছুটবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে!


তোমার সখার আসবে যেদিন এমনি কারা-বন্ধ,

আমার মতন কেঁদে কেঁদে হয়ত হবে অন্ধ-

সখার কারা-বন্ধ!

বন্ধু তোমার হান্‌বে হেলা

ভাঙবে তোমার সুখের মেলা;

দীর্ঘ বেলা কাটবে না আর,

বইতে প্রাণের শান- এ ভার

মরণ-সনে বুঝ্‌বে-

বুঝবে সেদিন বুঝ্‌বে!


ফুট্‌বে আবার দোলন চাঁপা চৈতী-রাতের চাঁদনী,

আকাশ-ছাওয়া তারায় তারায় বাজবে আমার কাঁদ্‌নী-

চৈতী-রাতের চাঁদ্‌নী।

ঋতুর পরে ফির্‌বে ঋতু,

সেদিন-হে মোর সোহাগ-ভীতু!

চাইবে কেঁদে নীল নভো গা’য়,

আমার মতন চোখ ভ’রে চায়

যে-তারা তা’য় খুঁজবে-

বুঝ্‌বে সেদিন বুঝ্‌বে!


আস্‌বে ঝড়, নাচবে তুফান, টুটবে সকল বন্ধন,

কাঁপবে কুটীর সেদিন ত্রাসে, জাগবে বুকে ক্রন্দন-

টুটবে যবে বন্ধন!

পড়বে মনে, নেই সে সাথে

বাঁধবে বুকে দুঃখ-রাতে-

আপনি গালে যাচবে চুমা,

চাইবে আদর, মাগ্‌বে ছোঁওয়া,

আপনি যেচে চুমবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে।


আমার বুকের যে কাঁটা-ঘা তোমায় ব্যথা হান্‌ত,

সেই আঘাতই যাচবে আবার হয়ত হ’য়ে শ্রান–

আসবে তখন পান’।

হয়ত তখন আমার কোলে

সোহাগ-লোভে প’ড়বে ঢ’লে,

আপনি সেদিন সেধে কেঁদে

চাপ্‌বে বুকে বাহু বেঁধে,

চরণ চুমে পূজবে-

বুঝবে সেদিন বুঝবে!

মাসনা, সুলাসা, রুবা' حامدا ومصليا أما بعد শরীআতের সকল বিষয় সুস্পষ্ট বর্ণিত ও নির্ধারিত।  বিবাহ ও একাধিক বিবাহের বিধানও নির্ধারিত।

 মাসনা, সুলাসা, রুবা' حامدا ومصليا أما بعد শরীআতের সকল বিষয় সুস্পষ্ট বর্ণিত ও নির্ধারিত।  বিবাহ ও একাধিক বিবাহের বিধানও নির্ধারিত। এই অব...