এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬

অ্যান্টি-ক্যান্সার প্রপার্টি সমৃদ্ধ সরিষা বীজ কেন আপনার প্রতিদিনের খাবারে রাখা জরুরি জানুন,,,, স্বাস্থ পরামর্শ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 অ্যান্টি-ক্যান্সার প্রপার্টি সমৃদ্ধ সরিষা বীজ কেন আপনার প্রতিদিনের খাবারে রাখা জরুরি জানুন


ক্যান্সার কোষের আক্রমণ আর নীরব প্রদাহ আপনার শরীরে যেকোনো সময় বড় ধরনের স্বাস্থ্য বিপর্যয় ঘটিয়ে দেওয়ার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। আপনার কোষগুলো যদি পর্যাপ্ত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট না পায় তবে অকাল বার্ধক্য ও পঙ্গুত্ব আপনার জীবনের চলার পথকে রুদ্ধ করতে পারে। এই অবহেলা আপনার হৃদপিণ্ড ও ধমনীকে নিঃশব্দে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়ার একটি বড় সংকেত।


বিস্ময়কর তথ্য হলো যে সরিষার বীজে থাকা বিশেষ উপাদানগুলো আপনার শরীরে ক্যান্সারের বিস্তার রুখতে জাদুর মতো কাজ করতে পারে। এটি আপনার মস্তিস্কের স্মৃতিশক্তি বাড়াতে এবং শরীরের প্রতিটি শিরা পরিষ্কার রাখতে অনন্য সাধারণ ভূমিকা পালন করে। সামান্য এই মসলাটি যে আপনার শরীরের জন্য এক পরম রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে তা আপনি আগে জানতেন কি।


২০১০ সালে ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ড তাদের গবেষণায় গ্লুকোসিনোলেটস অ্যান্ড ক্যান্সার প্রিভেনশন শীর্ষক প্রতিবেদনে সরিষা বীজের বৈজ্ঞানিক ক্ষমতা প্রমাণ করেছে। এর গ্লুকোসিনোলেট নামক যৌগটি শরীরে কার্সিনোজেন বা ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদানগুলোকে নিষ্ক্রিয় করে বের করে দিতে সরাসরি কাজ করে। গবেষণার ভিত্তিতে প্রতিদিনের তরকারিতে বা সালাদে এক চামচ সরিষার বীজের বাটা বা গুঁড়ো মিশিয়ে খাওয়া সবথেকে বিজ্ঞানসম্মত নিয়ম।


সরিষা বীজ নিয়মিত গ্রহণের ফলে আপনার শরীরের জয়েন্টের ব্যথা কমে যাবে এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া অনেক সহজ হবে। এটি একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টি-বায়োটিক হিসেবে কাজ করে আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। আপনার সাধারণ খাবারের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি এটি আপনার আয়ু বৃদ্ধিতেও বিশেষ ভূমিকা রাখে।


প্রকৃতির এই ক্ষুদ্র দানকে অবহেলা না করে নিজের জীবনের অংশ করে নেওয়া আপনার ভবিষ্যতের জন্য সবথেকে বড় বিনিয়োগ। নিজের শরীরকে সুস্থ রাখার দায় আপনার নিজেরই এবং এই ছোট অভ্যাসটি আপনাকে মরণব্যাধি থেকে চিরকাল দূরে রাখবে। আজই সরিষা বীজের এই জাদুকরী গুণকে কাজে লাগান এবং এক সুস্থ জীবনের নিশ্চয়তা গ্রহণ করুন।

জৈব কীটনাশক তৈরির সহজ উপায়,,,sarkar agro BD ফেইসবুক থেকে নেওয়া #কৃষি,,

 জৈব কীটনাশক তৈরির সহজ উপায়

রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহারের বদলে ঘরে তৈরি জৈব কীটনাশক ব্যবহার করলে ফসল বিষমুক্ত থাকে এবং মাটির উপকারী পোকা (যেমন: মৌমাছি) রক্ষা পায়। নিচে খুব সহজে তৈরি করা যায় এমন ৫টি কার্যকর জৈব কীটনাশকের পদ্ধতি দেওয়া হলো:


১. নিমের তেল বা নিমের নির্যাস (সবচেয়ে শক্তিশালী)

নিম প্রাকৃতিকভাবেই পোকা তাড়াতে ও ছত্রাক দমনে জাদুর মতো কাজ করে। এটি জাব পোকা, সাদা মাছি ও লেদা পোকা দমনে সেরা।


তৈরি পদ্ধতি: ১ লিটার হালকা গরম পানিতে ২ চা-চামচ নিমের তেল এবং আধা চা-চামচ লিকুইড ডিশ ওয়াশিং সোপ বা শ্যাম্পু ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।


ব্যবহার: মিশ্রণটি সরাসরি গাছের আক্রান্ত পাতায় স্প্রে করুন।


২. মরিচ ও রসুনের স্প্রে (কড়া কীটনাশক)

যেকোনো চোষক পোকা বা শুঁয়োপোকা তাড়াতে এই কড়া মিশ্রণটি অত্যন্ত কার্যকর।


তৈরি পদ্ধতি: ৫-৬টি কড়া ঝাল মরিচ এবং ২ কোয়া রসুন ব্লেন্ড করে বা বেটে নিন। এটি ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে ২৪ ঘণ্টা রেখে দিন। এরপর মিশ্রণটি ছেঁকে তাতে কয়েক ফোঁটা সাবান পানি মিশিয়ে নিন।


ব্যবহার: কড়া রোদে এটি স্প্রে করবেন না, বিকেলের দিকে স্প্রে করুন। (সাবধান: স্প্রে করার সময় চোখে যেন না লাগে)।


৩. তামাক পাতার পানি

এটি মাটির নিচের কাটুই পোকা এবং পাতার জাব পোকা দমনে বেশ পুরোনো ও কার্যকর পদ্ধতি।


তৈরি পদ্ধতি: ১০০ গ্রাম তামাকের গুঁড়ো বা শুকনো পাতা ১ লিটার পানিতে সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। পানির রং কড়া চায়ের মতো লালচে হলে তা ছেঁকে নিন।


ব্যবহার: কড়া লিকারের সাথে আরও ৩-৪ গুণ পানি মিশিয়ে পাতলা করে স্প্রে করুন। এটি তামাক গাছ বা টমেটো গাছে স্প্রে করবেন না।


৪. সাবান পানির স্প্রে (সবচেয়ে সহজ)

নরম দেহের পোকা যেমন জাব পোকা বা মাকড় দমনে এটি খুব দ্রুত কাজ করে।


তৈরি পদ্ধতি: ১ লিটার পানিতে ১ চা-চামচ যেকোনো লিকুইড সাবান বা শ্যাম্পু মেশান। কোনো ডিটারজেন্ট ব্যবহার না করাই ভালো, কারণ এটি গাছের ক্ষতি করতে পারে।


ব্যবহার: সরাসরি পোকার শরীরের ওপর স্প্রে করুন। সাবান পোকার শ্বাসরোধ করে তাদের মেরে ফেলে।


৫. কাঠের ছাই

এটি গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি যা পিঁপড়া, ছোট ছোট পোকা এবং ছত্রাক দমনে কার্যকর।


ব্যবহার: শীতকালীন সবজি যেমন: শিম বা লাউয়ের ডগায় জাব পোকা লাগলে সকালে শিশির ভেজা অবস্থায় শুকনো কাঠের ছাই ছিটিয়ে দিন। এটি গাছের গোড়ায় দিলেও গোড়া পচা রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।


জৈব কীটনাশক ব্যবহারের ৩টি সোনালী নিয়ম:

স্প্রে করার সময়: সব সময় বিকেলের দিকে রোদ পড়ে যাওয়ার পর স্প্রে করবেন। কড়া রোদে স্প্রে করলে পাতা পুড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।


পরীক্ষামূলক ব্যবহার: পুরো গাছে স্প্রে করার আগে ছোট একটি ডাল বা পাতার অংশে পরীক্ষা করে দেখুন ২-৩ ঘণ্টা পর কোনো ক্ষতি হচ্ছে কিনা।


সতর্কতা: প্রাকৃতিক হলেও এগুলো কড়া হতে পারে। ব্যবহারের সময় হাত ও মুখ ঢেকে নিন এবং ব্যবহারের পর হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

আঙ্গুলের ছাপে লুকানো মহাবিশ্ব,,,,, azmol hossain ফেইসবুক থেকে নেওয়া  

 আঙ্গুলের ছাপে লুকানো মহাবিশ্ব এবং ডিজিটাল পরিচয়ের ঐশ্বরিক অলৌকিকতা: ১৬ বিলিয়ন আঙুলের ছাপের অনন্যতা এবং "আল-মুসাওয়ির" বৈজ্ঞানিক চ্যালেঞ্জ! -


এক মুহূর্তের জন্য থামুন, আপনার ডান হাত তুলুন এবং আপনার বুড়ো আঙুলের (থাম্ব) ছাপটি ভালো করে দেখুন।


দেখতে তো এটা মাংস এবং চামড়ার একটা সাধারণ, ছোট্ট টুকরো মনে হয়, যার উপর কিছু রেখা, কিছু বৃত্ত এবং কিছু ঘূর্ণি আঁকা।


আপনি প্রতিদিন এই বুড়ো আঙুল দিয়ে মোবাইল আনলক করেন, কাগজে সই করেন এবং জিনিসপত্র ধরেন।


কিন্তু আপনি কি জানেন যে, আপনি এখন আপনার চোখের সামনে মহাবিশ্বের সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে জটিল এবং সবচেয়ে অবিশ্বাস্য "গাণিতিক ও জৈবিক অলৌকিকতা" দেখছেন?


আজকের বিশ্বে ৮২০ কোটি (৮.২ বিলিয়ন) মানুষ শ্বাস নিচ্ছে। প্রত্যেক মানুষের দুটি বুড়ো আঙুল আছে। অর্থাৎ এখন পৃথিবীতে ১৬৪০ কোটি বুড়ো আঙুল রয়েছে। আর যদি আমরা মানব ইতিহাসের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত জন্ম নেওয়া এবং মারা যাওয়া মানুষের অনুমান করি (যা গবেষকদের মতে প্রায় ১০০ বিলিয়ন), তাহলে এই সংখ্যা ট্রিলিয়নে পৌঁছে যায়।


কিন্তু এখানে এসে মানুষের বুদ্ধি, সবচেয়ে আধুনিক সুপার কম্পিউটার এবং ডারউইনের তত্ত্ব সবাই সিজদায় লুটিয়ে পড়ে। এটা এমন একটা সত্য যা জীববিজ্ঞান এবং গণিতের নিয়মগুলোকে হিলিয়ে দিয়েছে:


"আজ পর্যন্ত জন্ম নেওয়া ট্রিলিয়ন মানুষের মধ্যে কোনো দুজনের, এমনকি অভিন্ন যমজ ভাইদের (Identical Twins)ও, আঙুলের ছাপ একে অপরের সাথে মিলে না।"


প্রত্যেক আঙুলের ছাপ, প্রত্যেক আঙুলের প্যাটার্ন, একটা "অনন্য ডিজাইন" (Unique Design) যা মহাবিশ্বের পুরো ইতিহাসে কখনো আগে তৈরি হয়নি, এবং কিয়ামত পর্যন্ত আবার তৈরি হবে না।


প্রশ্ন হলো, মাত্র দুই থেকে তিন বর্গ সেন্টিমিটারের ছোট্ট জায়গায়, চামড়ার এই সূক্ষ্ম রেখাগুলোতে এত "অসীম বৈচিত্র্য" (Infinite Variety) কীভাবে ধরে রাখতে পারে?


এটা কি অন্ধ বিবর্তন?  

এটা কি পদার্থের দুর্ঘটনাজনিত খেলা?  

নাকি এটা সেই "আল-মুসাওয়ির" (আকৃতি দানকারী) এর স্বাক্ষর, যিনি প্রত্যেক মানুষকে তার নিজস্ব আলাদা ও অনন্য পরিচয় দিয়ে সৃষ্টি করেছেন?


আজ আমি আপনাদের ডার্মাটোগ্লিফিক্স (Dermatoglyphics) এর ল্যাবরেটরি এবং কুরআনের হিকমতের মিলনস্থলে নিয়ে যাব, যেখানে আমরা দেখব যে আপনার আঙুলের ছাপ শুধু বায়োমেট্রিক আইডি নয়, বরং আল্লাহর অস্তিত্বের সবচেয়ে বড় প্রমাণ।


গল্পের শুরু মায়ের গর্ভের সেই অন্ধকার কক্ষ থেকে, যেখানে জীবন গঠিত হচ্ছে।


বিজ্ঞানীরা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এটা বুঝেছিলেন যে আঙুলের ছাপ শুধু "জিন" (Genes) এর খেলা। কিন্তু তারপর এক অদ্ভুত রহস্য সামনে এল।


অভিন্ন যমজ বাচ্চারা (Identical Twins), যাদের ডিএনএ ১০০% একই, তাদের চেহারা মিলে যায়, কণ্ঠস্বর মিলে যায়, কিন্তু তাদের আঙুলের ছাপ ভিন্ন কেন?


এখানে এসে বিজ্ঞানকে স্বীকার করতে হয়েছে যে আঙুলের ছাপ তৈরি হওয়া শুধু জেনেটিক কোডিং নয়, বরং এটা "কেয়াস থিয়োরি" (Chaos Theory) বা প্রকাশের তত্ত্বের একটা শ্রেষ্ঠকর্ম।


যখন বাচ্চা মায়ের গর্ভে ১০ সপ্তাহের হয়, তখন তার আঙুলে "ভোলার প্যাডস" (Volar Pads) উঠতে শুরু করে। কিন্তু এই রেখাগুলোর চূড়ান্ত ডিজাইন ১৭তম সপ্তাহ পর্যন্ত সম্পূর্ণ হয়।


এই সময়ে কী হয়?


মায়ের গর্ভে অ্যামনিয়োটিক ফ্লুইড (Amniotic Fluid) এর চাপ, বাচ্চার অবস্থান, বাচ্চার গর্ভের দেয়াল স্পর্শ করা, নাভির কর্ড (Umbilical Cord) এর দৈর্ঘ্য, মায়ের রক্তচাপ, এবং এমনকি আঙুলের নড়াচড়ার গতি—এই লক্ষ লক্ষ "পরিবর্তনশীল" (Variables) মিলে এই ডিজাইন গঠন করে।


এটা ঠিক যেমন কোনো চিত্রকর বাতাসে ব্রাশ ঘুরিয়ে দেন এবং প্রতিবার ক্যানভাসে একটা নতুন ও অনন্য শিল্পকর্ম তৈরি হয়ে যায়।


বিজ্ঞানীরা বলেন, এই সব উপাদানের ঠিক একই ক্রমে, একই তীব্রতায় আবার ঘটা গাণিতিকভাবে "অসম্ভব" (Impossible)।


অর্থাৎ আল্লাহ প্রত্যেক মানুষের সৃষ্টির জন্য একটা "অনন্য পরিবেশ" সাজিয়েছেন যা আর কখনো পুনরাবৃত্তি করা যাবে না।


এটা প্রমাণ করে যে প্রত্যেক মানুষ আল্লাহর কাছে "বিশেষ" (Special)। তিনি "মাস প্রোডাকশন" (Mass Production) করেন না, তিনি প্রত্যেকটাকে "কাস্টম মেড" (Custom Made) বানান।


এবার গণিতের ময়দানে আসুন। স্যার ফ্রান্সিস গালটন (Sir Francis Galton), যিনি আঙুলের ছাপ বিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠাতাদের একজন, তিনি একটা সহজ গাণিতিক হিসাব করেছিলেন।


তিনি বলেছিলেন যে, যদি আমরা আঙুলের ছাপের শুধু কয়েকটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য (রিজ, লুপ, হুয়ার্ল) নিই, তাহলে দুজন মানুষের আঙুলের ছাপ মিলে যাওয়ার সম্ভাবনা ৬৪ বিলিয়নের মধ্যে একটি (১ in ৬৪ বিলিয়ন)।


এটা ছিল উনিশ শতকের হিসাব। আজকের আধুনিক প্রযুক্তির মতে এই সম্ভাবনা ট্রিলিয়ন এর মধ্যে একটি।


এই "স্পেস" (জায়গা) এর কল্পনা করুন!


আপনার কাছে মাত্র ২ সেন্টিমিটার জায়গা আছে। আপনাকে এর মধ্যে রেখা আঁকতে হবে।


আপনি কতগুলো ডিজাইন বানাতে পারেন?


১০টা?  

১০০টা?  

হাজারটা?  

লক্ষটা?


কিন্তু এখানে ১০০ বিলিয়নের বেশি ডিজাইন তৈরি হয়ে গেছে এবং "স্টক" এখনো শেষ হয়নি।


এটা "সীমিতের মধ্যে অসীম" (Infinity within the Finite) এর সেই ধারণা যা মানুষের বুদ্ধিকে স্তব্ধ করে দেয়।


এই ডিজাইনগুলো কে বানিয়েছে?


যদি এগুলো "ন্যাচারাল সিলেকশন" (বিবর্তন) এর ফল হতো, তাহলে বিবর্তন সবসময় "সবচেয়ে ভালো" টাকে বেছে নিত।


যেমন গাড়ির টায়ারের একটা ডিজাইন যা রাস্তায় সবচেয়ে ভালো গ্রিপ দেয়, সব টায়ার কোম্পানি সেই একই ডিজাইন বানায়।


যদি আঙুলের ছাপের উদ্দেশ্য শুধু "জিনিস ধরা" (গ্রিপ) হতো, তাহলে সব মানুষের হাতে "একই সেরা ডিজাইন" থাকা উচিত ছিল (যেমন সোজা রেখা)।


কিন্তু তা নেই।


প্রত্যেক আঙুলের ডিজাইন আলাদা।


কেন?


কারণ এখানে উদ্দেশ্য শুধু "গ্রিপ" নয়, এখানে উদ্দেশ্য "পরিচয়" (Identity)।


এখানে উদ্দেশ্য এটা বলা যে "আমি সেই, যে আর কেউ নয়।" এই অনন্যতা (Individuality) অন্ধ পদার্থ থেকে উৎপন্ন হতে পারে না।


পদার্থ অন্ধ, সে প্যাটার্ন পুনরাবৃত্তি করতে পারে, কিন্তু সে খর্ব বার "অনন্যতা" (Uniqueness) তৈরি করতে পারে না।


এই কাজ শুধু একজন "আলীম ও খবীর" সত্তাই করতে পারেন যাঁর কাছে ডিজাইনের অফুরন্ত ভাণ্ডার আছে।


এবার ইতিহাসের পাতা উল্টান এবং কুরআন মজীদের সেই অলৌকিকতার দৃশ্য দেখুন যা ১৪০০ বছর আগে আরবের মরুভূমিতে নাযিল হয়েছিল।


যখন মক্কার কাফিররা নবী করীম (সা.) এর মজা উড়াত এবং পচা হাড় হাতে নিয়ে বলত:


"হে মুহাম্মদ (সা.)! তোমার রব কি এই পচা হাড়গুলোকে আবার জীবিত করবেন? এটা কীভাবে সম্ভব?"


তখন আল্লাহ তাদের জবাবে মুখ, চোখ বা হৃদয়ের উল্লেখ করেননি, বরং এমন একটা জিনিসের উল্লেখ করেছেন যা সেই সময় কারো কল্পনাতেও ছিল না যে তার কোনো গুরুত্ব থাকতে পারে।


সূরা কিয়ামাহ, আয়াত ৩ ও ৪-এ আল্লাহ বলেন:


أَيَحْسَبُ الْإِنسَانُ أَلَّن نَّجْمَعَ عِظَامَهُ   بَلَىٰ قَادِرِينَ عَلَىٰ أَن نُّسَوِّيَ بَنَانَهُ“


(মানুষ কি মনে করে যে আমরা তার হাড়গুলো জড়ো করতে পারব না? কেন পারব না! বরং আমরা তো তার " আঙুলের ছাপকেও ঠিক করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখি। 


"بنانہ" (তার আঙুলের ডগা) শব্দটির উপর চিন্তা করুন!


আল্লাহ কেন এটা বলেননি যে আমরা তার মুখ বানিয়ে দেব?  

বা তার নাক বানিয়ে দেব?


কারণ আল্লাহ জানতেন যে মুখ মিলে যেতে পারে (খুব কম হলেও), ডিএনএ মিলে যেতে পারে (যমজ বাচ্চাদের), কিন্তু "পুর" (আঙুলের ডগা) সেই একমাত্র জিনিস যা কখনো মিলবে না।


কিয়ামতের দিন মানুষের "পরিচয়" তার আঙুলের ছাপ দিয়ে হবে।


আজ ১৪ শতাব্দী পর, যখন আমরা এয়ারপোর্টে যাই, ইমিগ্রেশন অফিসার মুখ দেখে সন্তুষ্ট হন না, তিনি বলেন "আপনার আঙুল মেশিনে রাখুন।" যখন আমরা ফোন আনলক করি, পাসওয়ার্ডের বদলে আঙুল দিই।


আজকের প্রযুক্তি প্রমাণ করেছে যে মানুষের "চূড়ান্ত পরিচয়" (Ultimate ID) তার আঙুল। আর কুরআন ১৪০০ বছর আগে চ্যালেঞ্জ দিয়েছিল যে


"আমি তোমাদের আঙুলের রেখাগুলোকেও  আবার বানাতে সক্ষম।"


এই আয়াত প্রমাণ করে যে কুরআনের রচয়িতা সেই একই সত্তা যিনি আঙুলের ডিজাইন বানিয়েছেন। এই দুটি বই (কুরআন ও বিশ্বজগৎ) একই লেখকের লেখা।


এখানে আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় "ফরেনসিক সায়েন্স" (Forensic Science) এর।


উনিশ শতকের আগে পৃথিবীর কোনো অপরাধী জানত না যে সে তার পেছনে কী রেখে যাচ্ছে। চোর চুরি করত, খুনি খুন করত এবং তার হাতের চিহ্ন সর্বত্র রেখে যেত। তার মনে হতো সে কোনো প্রমাণ রাখেনি।


কিন্তু আল্লাহর ব্যবস্থা দেখুন!


আল্লাহ প্রত্যেক মানুষের হাতে একটা "প্রাকৃতিক সিল" (Natural Stamp) লাগিয়ে দিয়েছেন। আপনি যা কিছু স্পর্শ করেন, সেখানে আপনি আপনার "স্বাক্ষর" রেখে যান।


এটা আল্লাহর "ন্যায়বিচারের ব্যবস্থা"।


দুনিয়ায় হয়তো আপনি বেঁচে যান, কিন্তু আপনার হাত সাক্ষ্য দিচ্ছে। কুরআন বলে:


" الیوم نختم علی افواھھم و تکلمنا ایدھم

(আজ আমি তাদের মুখে সিল মেরে দেব এবং তাদের হাত আমাদের সাথে কথা বলবে) [ইয়াসীন: ৬৫]।


আগে লোকেরা ভাবত হাত কীভাবে কথা বলবে?  

আজ বিজ্ঞান বলছে হাতের চিহ্ন (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) কথা বলে। এগুলো বলে যে


"এই ব্যক্তি এখানে ছিল, সে এই বন্দুক ধরেছিল, সে এই চুরি করেছিল।"


এই আঙুল আপনার বিরুদ্ধে আল্লাহর সাক্ষী।


আজকের যুগে যখন আমরা "ইনক্লুশন" এবং "আইডেন্টিটি" নিয়ে কথা বলি, তখন আঙুলের ছাপ আমাদের একটা খুব সুন্দর সামাজিক শিক্ষাও দেয়।


পৃথিবীতে কোনো মানুষ "অপ্রয়োজনীয়" (Redundant) নয়। আফ্রিকার জঙ্গলে বাসকারী হাবশী হোক বা নিউইয়র্কের পেন্টহাউসে বাসকারী বিলিয়নিয়ার, মজদুর হোক বা বাদশাহ—প্রকৃতির দৃষ্টিতে সবার পরিচয় "অনন্য"।


আল্লাহ কারো "কার্বন কপি" বানাননি। প্রত্যেক আঙুল একটা আলাদা গল্প, একটা আলাদা কোড এবং একটা আলাদা শিল্পকর্ম। এটা প্রমাণ করে যে আল্লাহর ভাণ্ডারে ডিজাইনের কোনো অভাব নেই। তিনি প্রথমবার সৃষ্টিকার  যিনি প্রতিবার নতুন কিছু সৃষ্টি করেন।


নাস্তিকরা বলে বিশ্বজগতে "শৃঙ্খলা" (Order) নেই। তারা বলে সবকিছু র‍্যান্ডম। আমি তাদের জিজ্ঞাসা করি:


"১৬ বিলিয়ন আঙুলের মধ্যে একটাও অন্যটার সাথে না মেলা কি 'র‍্যান্ডমনেস' না 'অত্যন্ত সূক্ষ্ম নিয়ন্ত্রণ'?"


যদি এটা র‍্যান্ডম হতো, তাহলে কোথাও না কোথাও, কখনো না কখনো দুটো ডিজাইন মিলে যেত। ১০০ বিলিয়ন মানুষের মধ্যে একবার তো "ভাগ্য" লাগত।


কিন্তু লাগেনি!


এটা "জিরো এরর" (Zero Error)। এটা প্রমাণ করে যে এই পুরো যন্ত্রপাতি চালানোর পেছনে একটা "সুপার ইন্টেলিজেন্ট মাইন্ড" আছে যিনি প্রত্যেক শুক্রাণুর বিভাজন, প্রত্যেক কোষের নড়াচড়া এবং প্রত্যেক রেখার কোণ নিয়ন্ত্রণ করছেন।


হে মানুষ!

তুমি নিজেকে তুচ্ছ মনে করো?  


তুমি মনে করো তুমি মাটির ঢেলা আর মরে শেষ হয়ে যাবে?


তোমার আঙুলের দিকে তাকাও!


এই তোমার আঙুল তোমার রবের পক্ষ থেকে তোমার জন্য লেখা একটা "লাভ লেটার" (Love Letter)। এটা তোমাকে বলছে যে তোমার রব তোমাকে বিলিয়ন মানুষের ভিড়ের মধ্যেও "একা" চিনতে পারেন। তিনি তোমাকে ভুলে যাননি। যে রব তোমার আঙুলের ডগায় এত পরিশ্রম করেছেন যে সেই রকম রেখা বিশ্বজগতে আর কাউকে দেননি, তিনি কি তোমাকে এমনি অর্থহীন ও বেকার ছেড়ে দেবেন?


প্রতিবার যখন তুমি তোমার আঙুল দেখবে, তাকে শুধু মাংসের টুকরো মনে করো না, তাকে "আল্লাহর স্বাক্ষর" মনে করো।


এটা সেই শিল্পীর স্বাক্ষর যিনি তার ছবি (তুমি) এর উপর সই করে গর্ব করেন যে


فتبارک الله احسن الخالقین 

বরকত ময় সত্তা আল্লাহ যিনি উত্তম সৃষ্টিকারী 


এই পরিচয়ের হেফাজত করো। তোমার হাতগুলোকে জুলুম ও গুনাহ দিয়ে নোংরা করো না, কারণ এই হাত, এই রেখা আর এই আঙুল একদিন সেই আদালতে হাজির হবে যেখানে কোনো মিথ্যা চলে না, শুধু "বায়োমেট্রিক সাক্ষ্য" চলে।


اردو تحریر سر بلال شوکت ازاد

مترجم رکؤل شیخ

#ইসলামিক_রিমাইন্ডার #Love #আল্লাহরকুদরত #মহাবিশ্ব

বিবাহিত পুরুষ ও মহিলাদের হরমোন সমস্যা কেন হয়,,,md abdur razzaq ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বিবাহিত পুরুষ ও মহিলাদের হরমোন সমস্যা কেন হয়

বিশিষ্ট চিকিৎসা বিজ্ঞানী ও গবেষক - 🖤 বর্তমান জামানার যুগশ্রেষ্ঠ আল্লাহর ওলি, মুজাদ্দিদ এ যমান, শাইখুল হাদিস, ফকীহ উল আযম, আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আল্লামা ড. মুহাম্মাদ মনযুরুল ইসলাম ছিদ্দিকী ছাহিব (হাফিযাহুল্লাহ) 🌹শায়খ,তা‘লিমে ইসলাম, মানিকগঞ্জ দরবার শরীফ🇧🇩


🌿 প্রাকৃতিক সমাধান ও বিস্তারিত আলোচনা


হরমোন মানবদেহের একটি অদৃশ্য কিন্তু অত্যন্ত শক্তিশালী নিয়ামক। বিবাহিত জীবনে প্রবেশের পর অনেক নারী ও পুরুষ অজান্তেই বিভিন্ন হরমোনজনিত সমস্যায় ভোগেন—যেমন দুর্বলতা, ওজন বৃদ্ধি, যৌন অনীহা, মানসিক অস্থিরতা, সন্তান ধারণে সমস্যা, ক্লান্তি, ঘুমের সমস্যা ইত্যাদি।


🔴 হরমোন সমস্যা হওয়ার প্রধান কারণ

১️⃣ অনিয়মিত জীবনযাপন


দেরিতে ঘুমানো


পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া


অতিরিক্ত মোবাইল ও স্ক্রিন ব্যবহার


➡️ এতে Melatonin, Cortisol, Growth Hormone নষ্ট হয়।


২️⃣ অতিরিক্ত মানসিক চাপ (Stress)


সংসারের দুশ্চিন্তা


আর্থিক চাপ


দাম্পত্য অশান্তি


➡️ Stress বাড়লে Cortisol hormone বেড়ে যায়, যা অন্য হরমোন ধ্বংস করে।


৩️⃣ ভেজাল ও প্রক্রিয়াজাত খাবার


ফাস্টফুড


অতিরিক্ত চিনি


কেমিক্যালযুক্ত খাবার


➡️ এতে থাইরয়েড, ইনসুলিন, টেস্টোস্টেরন ও ইস্ট্রোজেন ব্যালান্স নষ্ট হয়।


৪️⃣ অতিরিক্ত যৌনাচার বা সম্পূর্ণ অনিয়ম


অতিরিক্ত যৌনাচার


অথবা দীর্ঘদিন দমন


➡️ এতে Sex Hormone imbalance তৈরি হয়।


৫️⃣ প্রাকৃতিক খাদ্যের অভাব


ক্যালসিয়াম


ম্যাগনেসিয়াম


জিঙ্ক


ভিটামিন D ও B12


➡️ এসব অভাবে হরমোন তৈরি ঠিকমতো হয় না।


🟢 হরমোন সমস্যার সাধারণ লক্ষণ

👨 পুরুষদের ক্ষেত্রে


যৌন দুর্বলতা


দ্রুত ক্লান্তি


পেট বেড়ে যাওয়া


স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া


👩 মহিলাদের ক্ষেত্রে


মাসিক অনিয়ম


হরমোনাল ওজন বৃদ্ধি


সন্তান ধারণে সমস্যা


মুড সুইং ও বিষণ্নতা


🌿 প্রাকৃতিক সমাধান (ওষুধ ছাড়া)

✅ ১️⃣ সঠিক ঘুম


রাত ১০–১১টার মধ্যে ঘুম


অন্তত ৭–৮ ঘণ্টা


➡️ ঘুমই সবচেয়ে বড় হরমোন মেডিসিন।


✅ ২️⃣ প্রাকৃতিক খাদ্যাভ্যাস


নিয়মিত খান—


কাঁচা পেঁয়াজ


আদা


রসুন


মধু


কালোজিরা


দেশি শাকসবজি


✅ ৩️⃣ পানি ও সূর্যালোক


সকালে খালি পেটে কুসুম গরম পানি


প্রতিদিন ১৫–২০ মিনিট রোদ


➡️ ভিটামিন D বাড়ে, হরমোন ঠিক হয়।


✅ ৪️⃣ দাম্পত্য জীবনে সংযম


অতিরিক্ত নয়


অনিয়মও নয়


শরীরের শক্তি বুঝে চলা


✅ ৫️⃣ মানসিক ও আধ্যাত্মিক শান্তি


নামাজ


যিকির


ধ্যান


আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল


➡️ মন শান্ত হলে হরমোন নিজে থেকেই ব্যালান্স হয়।


✨ বিশেষ কথা


হরমোন সমস্যা কোনো অভিশাপ নয়।

এটা জীবনযাপনের ভুল সংকেত মাত্র।

প্রকৃতির নিয়মে ফিরলে,

শরীর নিজেই নিজেকে ঠিক করে নেয় — ইনশাআল্লাহ।


ভাই ও দোস্ত বুজুর্গ , আপনাদের কে বলছি, মানিকগঞ্জ পীর সাহেব আত্মা ও দেহের চিকিৎসার মাধ্যমে আল্লাহ ও রাসূলের, আল-কোরআনুল করিম ওহাদিস শরীফের ভিত্তিতে মানুষদের কে চিকিৎসা করে থাকেন।  তাই আসুন, মানিকগঞ্জ দরবার শরীফের শায়েখের সাথে দেখা করার জন্য , প্রত্যেক মাসেরব ১৫ তারিখে মানিকগঞ্জ দরবার শরীফে মাসিক মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় ও প্রত্যেক মাসের ০৭ তারিখে উত্তর বাড্ডা খানকা শরীফে মাসিক মাহফিল হয়।  আপনারা সকলেই আমন্ত্রীত।  আল্লাহ আপনাকে ও আমাকে সুস্থতার সাথে ইবাদত করার তৌফিক দান করেন।  আমিন।

জরুরী ২০টি ঘরোয়া হোমিও ঔষধ ও সংক্ষিপ্ত লক্ষন।শেয়ার করে রেখে দিন কাজে দিবেই।

 🎍জরুরী ২০টি ঘরোয়া হোমিও ঔষধ ও সংক্ষিপ্ত লক্ষন।শেয়ার করে রেখে দিন কাজে দিবেই।

 🌿 Aconitum napellus (অ্যাকোনাইট)

১. হঠাৎ শুরু হওয়া রোগে প্রথম মনে আসে।

২. শীতল শুকনো বাতাসে আক্রান্ত হলে।

৩. জ্বর খুব দ্রুত ওঠে।

৪. ত্বক শুষ্ক ও গরম।

৫. প্রবল অস্থিরতা।

৬. তীব্র মৃত্যুভয়।

৭. ভয় পেলে উপসর্গ বাড়ে।

৮. মাঝরাতে রোগ শুরু।

৯. মাথাব্যথা তীব্র।

১০. মুখ শুকনো।

১১. তৃষ্ণা থাকে।

১২. হার্টবিট দ্রুত।

১৩. দুশ্চিন্তা প্রবল।

১৪. আলো সহ্য হয় না।

১৫. শব্দে বিরক্ত।

১৬. ঠান্ডা লাগার পর।

১৭. শক অবস্থায় উপকারী।

১৮. হঠাৎ আতঙ্কে।

১৯. শিশুদের তীব্র জ্বর।

২০. জরুরি অবস্থার ঔষধ।


🪴 Belladonna (বেলাডোনা)

১. হঠাৎ তীব্র জ্বর।

২. মুখ লাল টকটকে।

৩. চোখ উজ্জ্বল।

৪. মাথা খুব গরম।

৫. ধকধক ব্যথা।

৬. আলোতে কষ্ট।

৭. শব্দ অপছন্দ।

৮. গলা শুকনো।

৯. গিলতে কষ্ট।

১০. হঠাৎ ঘাম।

১১. ঠান্ডা সহ্য হয় না।

১২. ছটফট করে।

১৩. বিভ্রম দেখা।

১৪. শিশুদের জ্বর।

১৫. রাতের দিকে বাড়ে।

১৬. গরমে কষ্ট।

১৭. প্রদাহে কার্যকর।

১৮. চোখ লাল।

১৯. স্পন্দনযুক্ত ব্যথা।

২০. দ্রুত কাজ করে।


🎋 Bryonia alba (ব্রায়োনিয়া)

১. ধীরে শুরু রোগ।

২. নড়াচড়ায় ব্যথা বাড়ে।

৩. সম্পূর্ণ বিশ্রাম চায়।

৪. চুপচাপ থাকতে চায়।

৫. কথা অপছন্দ।

৬. মুখ শুকনো।

৭. তীব্র তৃষ্ণা।

৮. একবারে বেশি পানি।

৯. গরমে বাড়ে।

১০. কোষ্ঠকাঠিন্য।

১১. মাথাব্যথা নড়াচড়ায়।

১২. শুষ্ক কাশি।

১৩. বুকে চাপ।

১৪. রাগী স্বভাব।

১৫. রাতে ব্যথা।

১৬. ঠান্ডায় আরাম।

১৭. ফুসফুসে উপকারী।

১৮. জয়েন্ট পেইন।

১৯. পানি না পেলে অস্থির।

২০. শুষ্ক প্রকৃতি।


🌿 Arnica montana (আর্নিকা)

১. আঘাতের প্রথম ঔষধ।

২. পড়ে গেলে।

৩. মারধরের পর।

৪. শরীর ব্যথা।

৫. বিছানা শক্ত লাগে।

৬. বলে আমি ভালো আছি।

৭. স্পর্শ অপছন্দ।

৮. নীলচে দাগ।

৯. রক্তক্ষরণ।

১০. অপারেশনের পর।

১১. ভাঙাভাব।

১২. ঘুম অস্থির।

১৩. শক অবস্থা।

১৪. মানসিক ট্রমা।

১৫. মাথায় আঘাত।

১৬. দাঁতের চিকিৎসার পর।

১৭. পেশির ব্যথা।

১৮. খেলাধুলার আঘাত।

১৯. দুর্ঘটনা পরবর্তী।

২০. জরুরি প্রয়োজনে অপরিহার্য।


🪴 Rhus toxicodendron (রাস টক্স)

১. ভেজা ঠান্ডায় অসুখ।

২. শুরুতে নড়াচড়ায় ব্যথা।

৩. চললে আরাম।

৪. বিশ্রামে কষ্ট।

৫. জয়েন্ট শক্ত।

৬. পিঠ ব্যথা।

৭. রাতে বাড়ে।

৮. ঠান্ডায় খারাপ।

৯. গরমে ভালো।

১০. ফুসকুড়ি।

১১. চুলকানি।

১২. স্যাঁতসেঁতে সমস্যা।

১৩. ঘুম ভাঙে ব্যথায়।

১৪. পেশির টান।

১৫. বাতব্যথা।

১৬. ফ্লুর পর।

১৭. স্টিফনেস প্রধান।

১৮. সকালে বেশি।

১৯. হাঁটলে উন্নতি।

২০. ভেজা কাপড়ে বসলে বাড়ে।


🎋 Nux vomica (নাক্স ভমিকা)

১. অতিরিক্ত কাজের পর।

২. মানসিক চাপ।

৩. রাগী স্বভাব।

৪. সামান্য শব্দে বিরক্ত।

৫. বদহজম।

৬. গ্যাস।

৭. কোষ্ঠকাঠিন্য।

৮. ঘুম কম।

৯. ঠান্ডায় কষ্ট।

১০. গরমে কিছু আরাম।

১১. সকালে খারাপ।

১২. রাতে জাগে।

১৩. কফি-পছন্দ।

১৪. অতিরিক্ত ওষুধে।

১৫. অফিসকর্মীদের জন্য।

১৬. অলসতা নেই।

17. তাড়াহুড়া স্বভাব।

১৮. হজমে সমস্যা।

১৯. মাথাব্যথা।

২০. জরুরি মানসিক ক্লান্তিতে।


🌿 Pulsatilla nigricans (পালসাটিলা)

১. নরম স্বভাব।

২. কাঁদুক প্রকৃতি।

৩. সান্ত্বনায় ভালো।

৪. একা থাকতে চায় না।

৫. গরমে কষ্ট।

৬. ঠান্ডা বাতাসে আরাম।

৭. তৃষ্ণা কম।

৮. পরিবর্তনশীল উপসর্গ।

৯. হরমোনজনিত সমস্যা।

১০. শিশু ও নারী উপযোগী।

১১. রাতে কষ্ট।

১২. দিনে কমে।

১৩. হজম দুর্বল।

১৪. তেল-চর্বিতে সমস্যা।

১৫. মাথাব্যথা।

১৬. বন্ধ নাক।

১৭. স্রাব ঘন।

১৮. আবেগপ্রবণ।

১৯. লাজুক স্বভাব।

২০. সান্ত্বনায় আরাম।


🪴 Apis mellifica (এপিস)

১. হঠাৎ ফোলা।

২. লালচে রং।

৩. জ্বালাপোড়া।

৪. মৌমাছির কামড়ের মতো।

৫. ঠান্ডায় আরাম।

৬. গরমে কষ্ট।

৭. পানি চায় না।

৮. ফোলা শক্ত।

৯. চোখ ফোলা।

১০. এলার্জিতে উপকারী।

১১. হঠাৎ প্রদাহ।

১২. ত্বক টানটান।

১৩. স্পর্শে ব্যথা।

১৪. ঘাম কম।

১৫. জ্বরের সাথে ফোলা।

১৬. প্রস্রাব কম।

১৭. নারীদের সমস্যা।

১৮. গলা ফোলা।

১৯. দ্রুত কাজ করে।

২০. জরুরি এলার্জিতে।


🎋 Arsenicum album (আর্সেনিকাম)

১. প্রচণ্ড দুর্বলতা।

২. অস্থিরতা।

৩. মৃত্যু ভয়।

৪. রাতের দিকে বাড়ে।

৫. ঠান্ডা লাগা।

৬. গরমে আরাম।

৭. অল্প অল্প পানি।

৮. বারবার খেতে চায়।

৯. ডায়রিয়া।

১০. বমি।

১১. পোড়া ব্যথা।

১২. দুশ্চিন্তা।

১৩. একা থাকতে ভয়।

১৪. বিষক্রিয়ায় উপকারী।

১৫. খাদ্য বিষক্রিয়া।

১৬. মানসিক ক্লান্তি।

১৭. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা পছন্দ।

১৮. দ্রুত অবসাদ।

১৯. শীতলতা অনুভব।

২০. জরুরি দুর্বলতায়।


🌿 Gelsemium (জেলসেমিয়াম)

১. ভয় ও দুশ্চিন্তাজনিত অসুখে।

২. পরীক্ষাভীতি।

৩. খারাপ খবরের পর।

৪. শরীর ভারী লাগে।

৫. চোখ খুলে রাখতে কষ্ট।

৬. কাঁপুনি অনুভূতি।

৭. দুর্বলতা প্রধান।

৮. জ্বরের আগে শীত শীত।

৯. তৃষ্ণা কম।

১০. মাথা ঝিমঝিম।

১১. কথা বলতে অনীহা।

১২. একা থাকতে চায়।

১৩. আতঙ্কে প্রস্রাব।

১৪. ঘুম ঘুম ভাব।

১৫. ডায়রিয়ার সাথে ভয়।

১৬. হঠাৎ ভয় পেলে।

১৭. মঞ্চভীতি।

১৮. হাত-পা কাঁপে।

১৯. অলসতা বেশি।

২০. মানসিক চাপের জরুরি ঔষধ।


🪴 Hepar sulphuris (হিপার সালফ)

১. অতিরিক্ত স্পর্শকাতর।

২. সামান্য ঠান্ডায় কষ্ট।

৩. ঠান্ডা বাতাস সহ্য হয় না।

৪. রাগী স্বভাব।

৫. পুঁজযুক্ত সংক্রমণ।

৬. ফোঁড়া হওয়ার প্রবণতা।

৭. গলা ব্যথায় কার্যকর।

৮. কাশি ঠান্ডায় বাড়ে।

৯. গরমে আরাম।

১০. কাপড়েও ব্যথা।

১১. ঘাম বেশি।

১২. রাতে কষ্ট বাড়ে।

১৩. কানে পুঁজ।

১৪. দাঁতের ফোঁড়া।

১৫. চামড়ার সংক্রমণ।

১৬. ইনফেকশনের শুরুতে।

১৭. ঠান্ডা পানিতে কষ্ট।

১৮. ব্যথা তীব্র।

১৯. শিশুরা বেশি কান্নাকাটি করে।

২০. পুঁজ হওয়ার আগেই উপকারী।


🎋 Mercurius solubilis (মার্ক সল)

১. মুখে দুর্গন্ধ।

২. অতিরিক্ত লালা।

৩. জিহ্বা মোটা।

৪. দাঁতের ছাপ থাকে।

৫. রাতে কষ্ট বাড়ে।

৬. ঠান্ডা ও গরমে দুটোতেই কষ্ট।

৭. ঘাম বেশি।

৮. গলা ব্যথা।

৯. গিলতে কষ্ট।

১০. মুখের ঘা।

১১. মাড়ি ফোলা।

১২. দাঁতের ব্যথা।

১৩. নাক দিয়ে পানি।

১৪. কফ ঘন।

১৫. শিশুর ডায়রিয়া।

১৬. সংক্রমণজনিত জ্বর।

১৭. দুর্বলতা।

১৮. চুলকানি।

১৯. চামড়ায় ফুসকুড়ি।

২০. সংক্রমণের জরুরি ঔষধ।


🌿 Sulphur (সালফার)

১. গরমে কষ্ট।

২. পায়ে জ্বালাপোড়া।

৩. মাথায় গরম অনুভূতি।

৪. ঘুমের সময় পা বের করে।

৫. এলোমেলো স্বভাব।

৬. দাঁড়িয়ে ভাবতে ভালো লাগে।

৭. সকালে দুর্বল।

৮. দুপুরে কিছু ভালো।

৯. ত্বক শুষ্ক।

১০. চুলকানি।

১১. ত্বকে লালভাব।

১২. দীর্ঘদিনের রোগ।

১৩. পরিষ্কার পছন্দ না।

১৪. অহংবোধ।

১৫. চিন্তাশীল।

১৬. পুরোনো অসুখ জাগিয়ে তোলে।

১৭. কোষ্ঠকাঠিন্য।

১৮. গ্যাস।

১৯. হিট সেনসিটিভ।

২০. ক্রনিক রোগে গুরুত্বপূর্ণ।


🪴 Calcarea carbonica (ক্যালকেরিয়া কার্ব)

১. সহজে ঠান্ডা লাগে।

২. মাথায় ঘাম।

৩. দুর্বল হজম।

৪. ধীর প্রকৃতি।

৫. মোটা গড়ন।

৬. সহজে ক্লান্ত।

৭. সিঁড়ি ভাঙতে কষ্ট।

৮. দুধ অপছন্দ।

৯. কোষ্ঠকাঠিন্য।

১০. ভয়প্রবণ।

১১. শিশুদের দেরিতে হাঁটা।

১২. হাড় দুর্বল।

১৩. ঠান্ডা পানিতে কষ্ট।

১৪. দুশ্চিন্তা।

১৫. স্মৃতিশক্তি দুর্বল।

১৬. ঘুম বেশি।

১৭. সকালে অলস।

১৮. ঘাম দুর্গন্ধ।

১৯. দীর্ঘস্থায়ী অসুখে।

২০. পুষ্টিহীনতায় উপকারী।


🎋 Phosphorus (ফসফরাস)

১. বন্ধুসুলভ স্বভাব।

২. একা থাকতে ভয়।

৩. অন্ধকারে ভয়।

৪. বজ্রপাতে ভয়।

৫. ঠান্ডা পানি চায়।

৬. বমি হলেও আবার খেতে চায়।

৭. সহজে রক্তপাত।

৮. নাক দিয়ে রক্ত।

৯. কাশি।

১০. বুকে জ্বালা।

১১. দুর্বল ফুসফুস।

১২. দ্রুত ক্লান্ত।

১৩. আবেগপ্রবণ।

১৪. সান্ত্বনায় আরাম।

১৫. লম্বা গড়ন।

১৬. স্মৃতিশক্তি দুর্বল।

১৭. উদ্বেগ।

১৮. ঘুমে ভয়।

১৯. জ্বলন্ত ব্যথা।

২০. জরুরি রক্তপাত প্রবণতায়।


🌿 Ignatia amara (ইগ্নেশিয়া)

১. মানসিক আঘাত।

২. শোকের পর।

৩. চাপা কান্না।

৪. হঠাৎ হাসি-কান্না।

৫. গলায় ঢোক গিলে কষ্ট।

৬. দীর্ঘশ্বাস।

৭. মুড পরিবর্তন।

৮. মাথাব্যথা।

৯. নিঃসঙ্গতা পছন্দ।

১০. সান্ত্বনা অপছন্দ।

১১. অনিদ্রা।

১২. আবেগপ্রবণ।

১৩. বুক ধড়ফড়।

১৪. খিঁচুনি প্রবণতা।

১৫. নারীদের সমস্যা।

১৬. দুঃখজনিত অসুখ।

১৭. খাবারে অরুচি।

১৮. গ্যাস।

১৯. মন খারাপ।

২০. মানসিক জরুরি ঔষধ।


🪴 Carbo vegetabilis (কার্বোভেজ)

১. চরম দুর্বলতা।

২. ঠান্ডা অনুভূতি।

৩. শরীর ঠান্ডা।

৪. বাতাস চাই।

৫. জানালা খুলতে চায়।

৬. মুখ ফ্যাকাশে।

৭. নীলচে ঠোঁট।

৮. শ্বাসকষ্ট।

৯. গ্যাস।

১০. বদহজম।

১১. অজ্ঞান ভাব।

১২. ডায়রিয়া।

১৩. রক্ত সঞ্চালন দুর্বল।

১৪. বার্ধক্যজনিত সমস্যা।

১৫. অপারেশনের পর।

১৬. অক্সিজেনের অভাব।

১৭. দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব।

১৮. খাবারের পর কষ্ট।

১৯. জীবনশক্তি কম।

২০. শেষ মুহূর্তের ঔষধ।


🎋 Natrum muriaticum (নাট মিউর)

১. চাপা দুঃখ।

২. একা কাঁদে।

৩. সান্ত্বনা অপছন্দ।

৪. লবণ পছন্দ।

৫. সূর্যের আলোতে মাথাব্যথা।

৬. আবেগ নিয়ন্ত্রণে।

৭. সম্পর্কের কষ্ট।

৮. স্মৃতিচারণে কষ্ট।

৯. চুপচাপ স্বভাব।

১০. দীর্ঘদিনের দুঃখ।

১১. ত্বক শুষ্ক।

১২. ঠোঁট ফাটা।

১৩. নাক দিয়ে পানি।

১৪. দুর্বলতা।

১৫. ঘুমের সমস্যা।

১৬. মানসিক চাপ।

১৭. আত্মসম্মানবোধ।

১৮. পুরোনো স্মৃতি আঁকড়ে ধরা।

১৯. বিষণ্ণতা।

২০. নীরব কষ্টের ঔষধ।


🪴 Thuja occidentalis (থুজা)

১. আঁচিল প্রবণতা।

২. চামড়ায় বৃদ্ধি।

৩. টিকা-পরবর্তী সমস্যা।

৪. লুকানো দুশ্চিন্তা।

৫. নিজের সম্পর্কে অপরাধবোধ।

৬. গোপন কষ্ট।

৭. ঘাম দুর্গন্ধ।

৮. মাথার ত্বকে সমস্যা।

৯. তেলতেলে চামড়া।

১০. কাঁধ ব্যথা।

১১. মলমূত্রে সমস্যা।

১২. প্রস্রাবে জ্বালা।

১৩. যৌন দুর্বলতা।

১৪. স্বপ্নে ভয়।

১৫. মানসিক চাপ।

১৬. গোপন রোগ।

১৭. দীর্ঘস্থায়ী চামড়ার অসুখ।

১৮. ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

১৯. ইমিউন দুর্বলতা।

২০. গভীর স্তরের ঔষধ।

⚠️ Notice:All content in this post - including text and images - is owned© Dr. Farhad Hossain | Copying without permission will be reported 🚫 Respect Original Creation ~প্রয়োজনে শেয়ার করে রেখে দিন।   🤷‍♂️🌷সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন করা উচিৎ নয়।  🩺Dr.Md.Forhad Hossain  D.H.M.S(B.H.😎,DHAKA Pdt(Hom) Consultant:Homoeopathic  Medicine  Helpline:01955507911

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৫-০১-২০২৬খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৫-০১-২০২৬খ্রি:।০

আজকের শিরোনাম:


একনেকে ৪৫ হাজার একশো ৯১ কোটি টাকা ব্যয় সম্বলিত ২৫টি প্রকল্পের অনুমোদন।


নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে কমিশনের প্রতি বিদেশি কূটনীতিকদের শতভাগ আস্থা প্রকাশ

--- জানালেন সিইসি। 


আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হলে দুর্নীতি বিরোধী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে --- চট্টগ্রাম পোলো গ্রাউন্ড মাঠে নির্বাচনী জনসভায় বললেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।  


দেশের মানুষ আর কোনো ফ্যাসিবাদী শাসন দেখতে চায় না --- বললেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান।


মানবতা বিরোধী অপরাধে দন্ডিত ও পলাতক শেখ হাসিনার নয়াদিল্লিতে দেওয়া বক্তব্য বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের প্রতি স্পষ্ট অবমাননাকর --- বিবৃতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের।


জুলাই গণঅভ্যুত্থানে চানখারপুলে শহীদ আনাসসহ ৬ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলার রায় আগামীকাল।


মিয়ানমারে জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে নিরঙ্কুশ জয়ের পথে সেনা সমর্থিত রাজনৈতিক দল --- বিতর্কিত এ নির্বাচনকে স্বীকৃতি না দেওয়ার ঘোষণা আসিয়ানের।


এবং ব্যাংককে মালদ্বীপকে ১৪- দুই গোলে হারিয়ে প্রথম সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ --- সাফজয়ী দলকে অভিনন্দন প্রধান উপদেষ্টার।

সকাল ৭টার সংবাদ শিরোনাম ২৫/০১/২০২৬ রবিবার 

 সকাল ৭টার সংবাদ শিরোনাম ২৫/০১/২০২৬ রবিবার 

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৫-০১-২০২৬খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে ভোটারদের কাছে যেয়ে ভোট চাচ্ছেন প্রার্থীরা --- দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।


চট্টগ্রামে পোলোগ্রাউন্ড মাঠে নির্বাচনী জনসভায় আজ ভাষণ দেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান --- গণতন্ত্রের চর্চা করতে হবে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জাতীয় সংসদ পর্যন্ত --- ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে তরুণদের উদ্দেশ্যে বললেন তারেক রহমান ।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটের প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার পাশাপাশি গণভোটে হ্যাঁ-তে ভোট দেওয়ার আহ্বান জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাক্তার শফিকুর রহমানের --- জুলাই শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার। 


এবারের জাতীয় নির্বাচন ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে --- ঢাকায় নির্বাচনী পথসভায় বললেন এনসিপির আহ্বায়ক মোহাম্মদ নাহিদ ইসলাম।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে পোস্টাল ব্যালটে নিবন্ধিত ভোটারদের দ্রুত ভোট দেওয়ার অনুরোধ নির্বাচন কমিশনের --- গণনায় অন্তর্ভুক্ত করতে ব্যালট পৌঁছুতে হবে ১২ই ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে ।


আগামী ৩১শে জানুয়ারির মধ্যে নিকটস্থ থানায় লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র জমার নির্দেশ দিয়ে ঢাকা জেলা প্রশাসনের গণবিজ্ঞপ্তি জারি --- ১৫ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।


চীনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করলে কানাডার সকল পণ্যের উপর শতভাগ শুল্ক আরোপের হুমকি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


এবং থাইল্যান্ডে আজ সাফ নারী ফুটসাল ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে নিজেদের শেষ ম্যাচে মালদ্বীপের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৪-০১-২০২৬খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৪-০১-২০২৬খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে ভোটারদের কাছে গিয়ে ভোট চাচ্ছেন প্রার্থীরা --- দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।


গণতন্ত্রের চর্চা করতে হবে ইউনয়ন পরিষদ থেকে জাতীয় সংসদ পর্যন্ত --- তরুণদের উদ্দেশ্যে বললেন বিএনপির চেয়ারম্যান --- আগামীকাল চট্টগ্রাম পোলোগ্রাউন্ড মাঠে নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দেবেন তারেক রহমান।  


কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ও জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তনে ১০ দলীয় জোটকে জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার আহ্বান জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাক্তার শফিকুর রহমানের --- জুলাই শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার।  


এবারের জাতীয় নির্বাচন ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে --- ঢাকায় নির্বাচনী পথসভায় বললেন এনসিপির আহ্বায়ক মোহাম্মদ নাহিদ ইসলাম।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটে নিবন্ধিত ভোটারদের দ্রুত ভোট দেওয়ার অনুরোধ নির্বাচন কমিশনের --- গণনায় অন্তর্ভূক্ত করতে ব্যালট পৌঁছাতে হবে ১২ই ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে।


আগামী ৩১শে জানুয়ারির মধ্যে নিকটস্থ থানায় লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র জমার নির্দেশ দিয়ে ঢাকা জেলা প্রশাসনের গণবিজ্ঞপ্তি জারি --- ১৫ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।


পারস্য উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতিতে আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যে একটি ইউরোপীয় বিমান সংস্থার ফ্লাইট স্থগিত।


এবং নেপালে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের বাছাই পর্বে আয়ারল্যান্ডকে নয় রানে হারিয়ে সুপার সিক্সে বাংলাদেশ।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ: ২৪-০১-২০২৬খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ: ২৪-০১-২০২৬খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে প্রচারাভিযানে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী।


নির্বাচিত সরকারই মানুষের সমস্যার সমাধানে কাজ করতে পারে উল্লেখ করে ভাষানটেকে নির্বাচনী জনসভায় নিজের জন্য ধানের শীষে ভোট চাইলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


নির্বাচিত হলে উত্তরবঙ্গকে কৃষিভিত্তিক শিল্পের রাজধানীতে রূপান্তর করা হবে --- পঞ্চগড়ে নির্বাচনী জনসভায় বললেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডাক্তার শফিকুর রহমান।


আসন্ন জাতীয় নির্বাচন প্রকৃত দেশপ্রেমিকদের সংসদে পাঠানোর নির্বাচন --- মন্তব্য এনসিপি’র আহ্বায়ক মোহাম্মদ নাহিদ ইসলামের।


রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে আবুধাবিতে প্রথমবারের মতো সরাসরি আলোচনায় বসেছে মস্কো, কিয়েভ ও ওয়াশিংটন।


এবং মিরপুরে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৬৩ রানে হারিয়ে শিরোপা জিতলো রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

হার্ট ব্লকেজ, কী? কারণ?

 🫀হার্ট ব্লকেজ, কী? কারণ?



সমাধানঃ-

হার্ট এর ওজন প্রায় 300 গ্রাম। 

✅ হার্টের কাজঃ

পুরো শরীরে ব্লাড পাম্প করা। হার্ট ১ মিনিটে প্রায় ৭২ বার পাম্প করে।

হার্ট, প্রতিদিন প্রায় ১ লক্ষ বার পাম্প করে থাকে।

হার্ট একবার পাম্প করলো মানে পুরো বডি তে ব্লাড পৌঁছে গেলো।


✅ হার্ট এর অসুখ কী :-

হার্ট এর অসুখ মানে আর্টারি তে চর্বি জমে যাওয়া, কোলেষ্টেরোল জমে যাওয়া, ফ্যাট জমে  যাওয়া।

এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে ধীরে ধীরে হার্ট এর ব্লাড সাপ্লাই ক্ষমতা কমে যায়।

এটাকেই বলা হয় হার্টের অসুখ।

বর্তমানে হার্টের অসুখ টি বিশ্বের সব চেয়ে বড় অসুখ।

যেদিন হার্টের ব্লাড সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যাবে সেদিন  হার্ট টাও বন্ধ হয়ে যাবে, মানে হার্ট এট্যাক হয়ে যাবে।

হার্ট এর আর্টারি গুলো 3-4 mm মোটা হয়।


✅ হার্ট এ ব্লকেজ হতে কত সময় লাগে?

বছরের পর বছর ধরে ধীরে ধীরে হার্ট ব্লকেজ তৈরী হয়।

মানুষ জন্মের পর পর ই ব্লকেজ তৈরী শুরু হয় না।

18-20 বছর বয়স থেকে এই ব্লকেজ তৈরী হতে শুরু করে।

70%, 80%, 90% ব্লকেজ তৈরী হতে কম করে 30-40 বছর সময় লাগে।

50% ব্লকেজ হয়ে গেলেও মানুষ কোনো কষ্ট অনুভব করে না।

কারণ ব্লাড সাপ্লাই এর জন্য আরও 50% বাকি থাকে।


✅ ব্লাড সাপ্লাই এর জন্য হার্ট এর প্রয়োজন 10%, 20%, 30% জায়গা।

10% প্রয়োজন যখন মানুষ বসে থাকে।

20% প্রয়োজন যখন হাঁটা চলা করে।

30% প্রয়োজন যখন মানুষ দৌড়ায়।

যেদিন মানুষের ব্লকেজ 70% এর বেশি হয়ে যায় সেদিন থেকে মানুষ হার্ট এর সমস্যা অনুভব করতে থাকে। সেদিন থেকে কষ্ট শুরু হয়ে যায়।


✅ যদি দৌড়ালে বুকে ব্যাথা অনুভব হয় তবে বুঝতে হবে ব্লকেজ 70% ক্রস করেছে।


যদি হাঁটতে গিয়ে ব্যাথা হয় তাহলে বুঝতে হবে ব্লকেজ 80%।


যদি সামান্য 10 ধাপ হাঁটলেই ব্যাথা হয় তবে বুঝতে হবে ব্লকেজ 90%।


✅ এখানে বোঝা গেলো হার্ট এর পেশেন্ট 70% ব্লকেজ না হওয়া পর্যন্ত কোনো সমস্যা সাধারণত বুঝতে পারে না।


✅ হাঁটতে গিয়ে ব্যাথা হলে এই পর্যায়কে বলা হয় "এনজাইনা।"

2%/year ব্লকেজ তৈরী হতে শুরু করে 20 বছর বয়সের পর থেকে।


*** আমার লিখা পড়ে হার্ট এর অসুখ সম্পর্কে বুঝতে সময় লাগলো মাত্র কয়েক মিনিট, কিন্তু আপনি যদি কোন হাসপাতাল কিংবা ক্লিনিক যান তাহলে উনারা আপনাকে এতো বিস্তারিত বোঝাবে না, শুধু বলবে আপনার "করোনারী আর্টারি ডিজিজ "এ আক্রান্ত।


✅ আধুনিক উপায়ে ব্লকেজ পরীক্ষা, যেটা ও সঠিক নয়ঃ

আধুনিক যুগের ক্যার্ডিওলোজিস্ট রা ব্লকেজ এর পার্সেন্টেজ বোঝার জন্য তার ঢুকিয়ে এনজিওগ্রাফিক করেন, যেটাতে রেজাল্ট আসে রাউন্ড ফিগার যেমন 70%, 80%, 90%।

আমাদের মতে যেটা সঠিক নয়। কারণ সঠিক হলে রাউন্ড ফিগার না হয়ে হতো 70.25%, 80.03%, 90.৮১%।


✅ হার্ট এট্যাক মানে কি?

70% ব্লকেজ এর পর ধীরে ধীরে ব্লকেজ বাড়তে থাকে। এই ব্লকেজ এর উপর একটা পর্দা থাকে এবং ব্লকেজ বাড়ার সাথে সাথে পর্দাটির উপরেও চাপ তৈরী হতে থাকে।

এই চাপ বাড়তে বাড়তে একদিন হঠাৎ পর্দাটা ছিঁড়ে যায়।

পর্দা ছিঁড়ার সাথে সাথে পর্দার নিচে থাকা কেমিক্যাল রক্তে গিয়ে মিশে যার ফলে রক্তের ঘনত্ব বেড়ে যায়।

রক্ত জমাট বেঁধে গেলে এটাকে বলা হয় "ক্লট"।

এটি আর্টারির রাস্তা পুরো পুরি ব্লক করে দেয়। ব্লক 100% হয়ে যায়, হার্ট এ রক্ত পৌঁছতে পারে না তখন এটাকেই বলা হয় "হার্ট অ্যাটাক"।


✅ হার্ট অ্যাটাক থেকে বাঁচার উপায়ঃ

ব্লকেজ 70%, 80%, 90% হয়ে গেলেও চেষ্টা করতে হবে ব্লকেজকে রুখে দেয়া।

ব্লকেজ না বাড়লে পর্দাটা ছিঁড়বে না, হার্ট অ্যাটাকও হবে না।


আরও ভালো হয় পর্দার নিচে জমে থাকা কিছু চর্বি যদি ধীরে ধীরে বের করে দেয়া যায়। সেজন্য নিয়মিত কমকরে হলেও ৪০ মিনিট হাঁটতে হবে। চর্বি জাতীয় খাদ্য বর্জন করতে হবে, ভাত, রুটি, মিষ্টি জাতীয় খাবার কমিয়ে দিতে হবে।

শরীরে ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।


✅ বুকে ব্যাথা অনুভব করলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।


#heart #HeartHealthTips #healthtips

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২০-০৩-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২০-০৩-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: এক মাস সিয়াম সাধনা শেষে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দী...