এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৮-০১-২০২৬খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৮-০১-২০২৬খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপোর উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা --- দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে দেশে প্রযুক্তিগত অগ্রগতির উপর গুরুত্বারোপ।


বাংলাদেশে জনগণের ভোটে নির্বাচিত যে কোনো সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র --- সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বললেন ঢাকায় নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত।


সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রচারাভিযান --- জনগণের কাছে নিজ দলের নির্বাচনী ইশতেহার তুলে ধরছেন প্রার্থীরা।


আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে এ পর্যন্ত পোস্টাল ভোটদান সম্পন্ন করেছেন

চার লাখ ৩২ হাজার নয়শো ৮৯ জন প্রবাসী ভোটার  --- দেশে পৌঁছেছে ২৯ হাজার সাতশো ২৮ টি ব্যালট।


ভারতে বিমান দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারসহ অন্তত পাঁচজনের প্রাণহানি।


এবং বাছাইপর্বের সুপার সিক্সে নিজেদের প্রথম ম্যাচে থাইল্যান্ডকে ৩৯ রানে হারিয়ে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটে খেলার যোগ্যতা অর্জন করলো বাংলাদেশ।

সকাল ৭টার সংবাদ ২৮/০১/২০২৬

 

সকাল ৭টার সংবাদ ২৮/০১/২০২৬

সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ২৮-১০-২০২৪

আজকের সংবাদ শিরোনাম:


জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারাভিযান --- দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটছেন নেতারা --- ভোট চাইছেন দলীয় প্রার্থী ও নিজ মার্কার পক্ষে। 

 

নির্বাচিত হলে দুর্নীতি ও মাদক মুক্ত দেশ গড়তে চায় বিএনপি --- ময়মনসিংহে নির্বাচনী জনসভায় বললেন তারেক রহমান।

 

ক্ষমতায় গেলে দেশে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করার প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আমিরের।

 

জুলাই জাতীয় সনদ সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করবে যেখানে প্রত্যেক নাগরিকের ধর্মীয় অধিকার নিশ্চিত হবে --- বললেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডক্টর আলী রিয়াজ।

 

রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আজ থেকে শুরু হচ্ছে ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো-২০২৬ --- উদ্বোধন করবেন প্রধান উপদেষ্টা। 

 

ইরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমানবাহী রণতরীর উপস্থিতি দেশটির সঙ্গে নতুন সংঘাত সৃষ্টির আশংকা তৈরী করেছে বলে মন্তব্য করলেন সেদেশের প্রেসিডেন্ট।  

 

এবং কলম্বোয় তৃতীয় ও শেষ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে শ্রীলংকাকে ৫৩ রানে পরাজিত করে দুই-একে সিরিজ জয় করলো ইংল্যান্ড।

Google Photos শুধু ছবি রাখে না, ছবি দিয়ে ম্যাজিকও দেখায়! এই ১০টি Hidden Feature

 Google Photos শুধু ছবি রাখে না, ছবি দিয়ে ম্যাজিকও দেখায়! এই ১০টি Hidden Feature জানার পর আপনি আর সাধারণ গ্যালারি অ্যাপ ব্যবহার করবেন না। গ্যারান্টি! 👇


বেশিরভাগ মানুষই এই ফিচারগুলো এড়িয়ে যায়, অথচ এগুলো একদম চোখের সামনেই থাকে।


📌টেক্সট দিয়ে ছবি খুঁজুন (Smart Search) : হাজার হাজার ছবির ভিড়ে ৩ বছর আগের জন্মদিনের ছবি খুঁজছেন? স্ক্রল করার দরকার নেই। সার্চ বারে লিখুন "Birthday", "Cat" বা "Dhaka"। গুগল নিজ থেকেই ছবির বিষয়বস্তু চিনে সেটা বের করে দেবে। এমনকি ছবিতে কোনো লেখা থাকলে (যেমন: Tickets) সেটা লিখে সার্চ দিলেও কাজ হবে।


📌ম্যাজিক ইরেজার (Magic Eraser) : সুন্দর একটা ছবি তুলেছেন, কিন্তু পেছনে অনাকাঙ্ক্ষিত কেউ দাঁড়িয়ে আছে? এডিট অপশনে গিয়ে Tools থেকে Magic Eraser সিলেক্ট করুন। একটা ট্যাপ করবেন, আর ওই অবজেক্ট ভ্যানিশ! ফটোশপ ছাড়াই প্রফেশনাল ক্লিনআপ।


📌ভিডিও থেকে পারফেক্ট ছবি (Export Frame) : ভিডিওর কোনো একটা মুহূর্ত পছন্দ হয়েছে? ভিডিও পজ করে স্ক্রিনশট নেবেন না, এতে কোয়ালিটি নষ্ট হয়। ভিডিওটি ওপেন করে এডিট অপশনে যান, সেখানে "Export Frame" পাবেন। একদম ক্রিস্টাল ক্লিয়ার হাই-রেজোলিউশন ছবি পেয়ে যাবেন।


📌পুরনো ছবি রিস্টোর করা (Photo Scan) : বাসায় অ্যালবামে পুরনো প্রিন্ট ছবি আছে? Google-এর "PhotoScan" ফিচার দিয়ে স্ক্যান করুন। এটি সাধারণ ছবির মতো না, বরং AI ব্যবহার করে গ্লেয়ার (Glare) দূর করে এবং কালার ঠিক করে ছবিটিকে নতুনের মতো ডিজিটালি সেভ করে।


📌ফেস রিকগনিশন (Face Grouping) : বন্ধুর বা পরিবারের কারো নির্দিষ্ট সব ছবি একসাথে দেখতে চান? সেটিংসে গিয়ে Group similar faces অন করে দিন। এরপর থেকে গুগল অটোমেটিক ফোল্ডার করে দেবে— যেখানে এক ক্লিকের ওই ব্যক্তির সব ছবি পাওয়া যাবে।


📌অটোমেটিক কোলাজ ও ভিডিও (AI Creations) : কোলাজ বানাতে আলাদা অ্যাপ লাগে না। ৩-৪ টা ছবি সিলেক্ট করে "+" আইকনে ক্লিক করে Collage দিন। গুগল নিজে লেআউট বানিয়ে দেবে। আর "Memories" সেকশনে গেলে তো গুগল নিজ থেকেই গান আর অ্যানিমেশন দিয়ে আপনার পুরনো স্মৃতির ভিডিও বানিয়ে উপহার দেয়।


📌শেয়ার করা অ্যালবাম (Shared Album) : বন্ধুদের সাথে ট্যুরে গিয়েছেন? ছবি আদান-প্রদানের জন্য শেয়ারইট বা ব্লুটুথ এখন ওল্ড স্কুল। একটা শেয়ার্ড অ্যালবাম বানিয়ে লিংক দিয়ে দিন। সবাই যার যার তোলা ছবি সেখানে আপলোড করতে পারবে এবং ফুল কোয়ালিটিতে ডাউনলোড করতে পারবে।


📌অফলাইন অ্যাক্সেস : ভাবছেন ইন্টারনেট না থাকলে ছবি দেখবেন কীভাবে? ব্যাকআপ অপশন অফ থাকলেও আপনার ফোনের লোকাল স্টোরেজে থাকা ছবিগুলো Google Photos সুন্দরভাবে অর্গানাইজ করে দেখায়। নেট ছাড়াই স্মৃতিগুলো সবসময় হাতের কাছে।


📌সবকিছু নিরাপদে রাখুন (Cloud Backup) : ফোন চুরি হতে পারে বা নষ্ট হতে পারে, কিন্তু স্মৃতি যেন না হারায়। Settings থেকে Backup অন করে রাখুন। ১৫ জিবি পর্যন্ত হাই-কোয়ালিটি ছবি আজীবনের জন্য Google Drive-এ সেভ থাকবে।


টেকনোলজি হাতের মুঠোয়, শুধু ব্যবহারটা জানতে হবে। আজই ফিচারগুলো ট্রাই করে দেখুন!


লিংক কমেন্টে.. 🙂


পোস্টটি উপকারী মনে হলে শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন। আপনার ফ্রেন্ডলিস্টের অনেকেই হয়তো এই ফিচারগুলো জানে না!


#GooglePhotos #AsadZaman #TechHacks

গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নবীজির শেখানো ২ আমল:

 💚গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নবীজির শেখানো ২ আমল:


🟢জীবনের বাঁকে বাঁকে মানুষকে নানারকম সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কিন্তু অনেক সময় দ্বিধা ও সংশয়ে মন আচ্ছন্ন হয়ে যায়। এই কঠিন মুহূর্তে মুমিনের জন্য রাসুলুল্লাহ (স.) এক অলৌকিক সমাধানের পথ দেখিয়েছেন। তিনি সাহাবিদের গুরুত্বপূর্ণ যেকোনো কাজের আগে দুটি বিশেষ আমল করার শিক্ষা দিতেন (সহিহ বুখারি: ১১৬৬), যাকে ইসলামি পরিভাষায় ‘ইস্তেখারা’ বলা হয়। নিচে নবীজি (স.)-এর শেখানো সেই দুটি আমল তুলে ধরা হলো।


📖১ম আমল:— দুই রাকাত নফল নামাজ

সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগলে প্রথম কাজ হলো পবিত্রতা অর্জন করে (অজু করে) দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করা।


✅নিয়ম:— সাধারণ নফল নামাজের মতোই এই নামাজ পড়তে হয়। সুরা ফাতেহার সাথে যেকোনো সুরা মেলানো যায়।


🗣নবীজির নির্দেশনা:— রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘যখন তোমাদের কারো কোনো বিশেষ কাজ করার ইচ্ছা হয়, তখন সে যেন দু’রাকআত নামাজ পড়ে, এরপর দোয়া করে। (সহিহ বুখারি: ৬৩৮২)


📖২য় আমল:— বিশেষ দোয়া পাঠ (ইস্তেখারার দোয়া)

নামাজ শেষ করার পর আল্লাহর হামদ (প্রশংসা) ও নবীজি (স.)-এর ওপর দরুদ পাঠ করবেন। এরপর অত্যন্ত বিনয় ও কাকুতি-মিনতি করে হাদিসে বর্ণিত বিশেষ দোয়াটি পড়বেন। এই দোয়ার মাধ্যমেই মূলত আল্লাহর গায়েরি সাহায্য ও সঠিক দিকনির্দেশনা চাওয়া হয়। 


✅দোয়াটি হলো—

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْتَخِيرُكَ بِعِلْمِكَ، وَأَسْتَقْدِرُكَ بِقُدْرَتِكَ، وَأَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ الْعَظِيمِ، فَإِنَّكَ تَقْدِرُ وَلاَ أَقْدِرُ، وَتَعْلَمُ وَلاَ أَعْلَمُ، وَأَنْتَ عَلاَّمُ الْغُيُوبِ، اللَّهُمَّ إِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الأَمْرَ خَيْرٌ لِي فِي دِينِي وَمَعَاشِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي فَاقْدُرْهُ لِي، وَيَسِّرْهُ لِي، ثُمَّ بَارِكْ لِي فِيهِ، وَإِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الأَمْرَ شَرٌّ لِي فِي دِينِي وَمَعَاشِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي فَاصْرِفْهُ عَنِّي وَاصْرِفْنِي عَنْهُ، وَاقْدُرْ لِيَ الْخَيْرَ حَيْثُ كَانَ، ثُمَّ رَضِّنِي بِهِ


🗣️উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস্তাখীরুকা বি‘ইলমিকা ওয়া আস্তাকদিরুকা বিকুদরাতিকা, ওয়া আসআলুকা মিন ফাদলিকাল ‘আযীম। ফাইন্নাকা তাকদিরু ওয়া লা আকদিরু, ওয়া তা‘লামু ওয়া লা আ‘লামু, ওয়া আনতা ‘আল্লামুল গুয়ূব। আল্লা-হুম্মা ইন কুনতা তা‘লামু আন্না হা-যাল আমরা (এখানে নিজের কাজের কথা ভাববে) খাইরুল লী ফী দ্বীনী ওয়া মা‘আশী ওয়া ‘আকিবাতি আমরী, ফাকদিরহু লী ওয়া ইয়াসসিরহু লী, সুম্মা বা-রিক লী ফীহি। ওয়া ইন কুনতা তা‘লামু আন্না হা-যাল আমরা (এখানে নিজের কাজের কথা ভাববে) শাররুল লী ফী দ্বীনী ওয়া মা‘আশী ওয়া ‘আকিবাতি আমরী, ফাসরিফহু ‘আন্নী ওয়াসরিফনী ‘আনহু, ওয়াকদির লিয়াল খাইরা হাইসু কা-না, সুম্মা রাদ্দিনি বিহী।


📖অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমি আপনার জ্ঞানের ওসিলায় আপনার নিকট কল্যাণ চাচ্ছি, আপনার ক্ষমতার ওসিলায় শক্তি প্রার্থনা করছি এবং আপনার মহান অনুগ্রহ চাচ্ছি। কেননা আপনিই ক্ষমতার মালিক, আমার কোনো ক্ষমতা নেই। আপনি মহাজ্ঞানী, আমি কিছুই জানি না। হে আল্লাহ! আপনার জ্ঞানে যদি এই কাজটি (এখানে নিজের উদ্দিষ্ট কাজের কথা স্মরণ করতে হবে) আমার দ্বীন, আমার জীবন-জীবিকা ও পরিণতির দিক দিয়ে কল্যাণকর হয়, তবে তা আমার জন্য নির্ধারিত করে দিন, সহজ করে দিন এবং তাতে বরকত দিন। আর যদি আপনার জ্ঞানে এই কাজটি আমার জন্য অকল্যাণকর হয়, তবে আপনি তা আমার থেকে এবং আমাকে তা থেকে দূরে সরিয়ে রাখুন। আর যেখানেই কল্যাণ থাকুক, আমার জন্য তা নির্ধারণ করে দিন এবং তাতে আমাকে সন্তুষ্ট করে দিন।’ (সহিহ বুখারি: ৬৩৮২)


🤲ফলাফল বা সিদ্ধান্ত কীভাবে বুঝবেন?

নবীজি (স.)-এর শেখানো এই দুটি আমল করার পর স্বপ্নে কিছু দেখা জরুরি নয়। বরং আমলটি করার পর আল্লাহ তাআলা আপনার মনকে যেদিকে ঝুঁকিয়ে দেবেন অথবা পরিস্থিতির কারণে যে পথটি আপনার জন্য সহজ হয়ে যাবে, সেটিকেই আল্লাহর ফয়সালা মনে করে এগিয়ে যাবেন। এতে দুশ্চিন্তা কমে যাবে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়বে। কারণ, আপনি বিষয়টি এখন আর নিজের কাঁধে রাখেননি, মহান রবের ওপর সোপর্দ করেছেন।

©


#highlightseveryone #everyoneシ゚ #highlights #everyone #follower #foryoupageシ #love #islam #highlight #Hamida

বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

ইরান সফরে গিয়ে শুনলাম নামাজ তিন ওয়াক্ত,,,,sahadat hossain ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ইরান সফরে গিয়ে শুনলাম নামাজ তিন ওয়াক্ত


সাহাদত হোসেন খান


অনেক দিন আগের কথা। ১৯৯৭ সালের জুনে ইরানের মরহুম আয়াতুল­াহ খোমেনির ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ইরান সফরে গিয়েছিলাম। তখন জানতে পারি, নামাজ তিন ওয়াক্ত। সারাজীবন জানতাম এবং এখনো জানি, নামাজ পাঁচ ওয়াক্ত। ইরানে গিয়ে হেঁাচট খাই। প্রথম দিনই কেমন কেমন মনে হলো। তেহরানে পৌঁছে মেহেরাবাদ বিমান বন্দর ত্যাগ করতে করতে মাগরেবের নামাজের ওয়াক্ত হয়ে যায়। আমাকে এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবদূর নূরকে নিয়ে গাড়ি শহরের ভেতর ছুটে চলে। আমার মন শুধু নামাজ পড়ার জন্য খচ খচ করছিল। ভাবছিলাম, আজান হয়ে গেলে হয়তো গাড়ি থামাবে। পথে নামাজ পড়ে নেবো। গাড়ি ছুটছে তো ছুটছেই। গাড়ি কিছুতেই থামছে না। বাইরে তাকিয়ে দেখছিলাম নামাজের সময় আছে কিনা। অন্ধকার হয়ে আসে। মনটা খারাপ হয়ে যায়। চালক আবার বুঝে না ইংরেজি।

১৬ তলা উঁচু একটি হোটেলে এসে ওঠি। ১৩ তলায় আমাদের থাকার জায়গা হয়। আমাদের রুমের সামনে সুউচ্চ এল বুর্জ পাহাড়। পাহাড়ের মাথায় বরফ। পাহাড়ের তুলনায় ১৬ তলা ভবনকে আমার কাছে ম্যাচ বাতির মতো মনে হলো। আমি শুধু নামাজ পড়ার সুযোগ খুঁজছিলাম। সমস্যা হলো দিক তো জানা নেই। কারো কাছে জিজ্ঞেস করবো এমন কোনো লোকও নেই। নিজের ধারণা মতো কেবলা ধরে নিয়ে নামাজ পড়ে নেই। রাতের খাবারের জন্য নিচে নামি। হোটেলের ডেস্কে জানতে চাই কেবলা কোনদিকে। কেবলা শুনে বুঝে ফেলি যে, হোটেলে এসে আমি মাগরেবের নামাজ পড়েছি উল্টোদিকে।

  ঘনিয়ে আসে এশার নামাজ। কিন্তু কোনো আজানের সুর শুনতে পাইনি। কিরে আজান গেল কই? আমাদের দেশে নামাজের সময় হাজার হাজার মসজিদে একটানা আজান শুরু হয়। অন্তত ১৫ মিনিট চলে আজান। কেউ নামাজ পড়–ক বা নাই পড়–ক সবাই আজান শুনতে পায়। কিন্তু ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানে আমি চারদিন আজান শুনতে পাইনি। আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। ওষুধ আনার জন্য এক মেডিকেল সেন্টারে যাই। তখন সন্ধ্যা হয় হয়। ঠিক তখন মেডিকেল সেন্টারের মাইক্রোফেনে ক্ষীণকণ্ঠে আজান শুনতে পাই। মৃদু শব্দ। একটু দূরে গেলে শোনা যায় না। আমি যেন কি শুনলাম। দিনে পাঁচ বার আজান শুনি। আর টানা চারদিন আজানের সুর না শোনায় আমি যেন তৃষ্ণার্ত হয়ে পড়ি। কার কাছে কি বলবো। আমরা হলাম মেহমান। তাদের দেশে গিয়েছি। তারা যেভাবে রাখে সেভাবে থাকতে হবে। আবার সব কথা বুঝাতেও পারি না।

একদিন সকালে আয়াতুল­াহ খোমেনির মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনায় যোগদানে আমাদেরকে হোটেল থেকে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। আলোচনা শুরু হয়। দুপুর গড়িয়ে যায়। নামাজের কোনো আয়োজন দেখিনি। হোটেলে ফিরে এসে নামাজ আদায় করি। বিকেলের সেশনে যোগদানে আমাদেরকে আবার নিয়ে যাওয়া হয়। আলোচনা শুনছিলাম। কিন্তু আমার মন শুধু আছরের নামাজের প্রতি। নামজের সময় হয়ে যায়। কাউকে আমি নামাজ পড়তে দেখছিলাম না। বিরতি দেয়া হয়। ভাবলাম, এবার হয়তো নামাজ পড়া যাবে। কিন্তু দেখলাম সবাই চা বিস্কুট খাচ্ছে। গল্প করছে। লোকগুলো সাধারণ নয়। কারো মাথায় সাদা পাগড়ি আবার কারো মাথায় কালো। মাথায় সাদা পাগড়ি থাকার মানে হলো তিনি আয়াতুল­াহ এবং কালো পাগড়ি থাকার মানে হলো তিনি সৈয়দ। সৈয়দরা অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তি। তারা হলেন আমাদের নবীর (সা.) বংশধর। তাদেরকে প্রেসিডেন্টের বেশি সম্মান দেয়া হয়। তাদের মতো সম্ভ্রান্ত লোক নামাজ না পড়ায় আমি বিস্মিত হই। মনটা খারাপ হয়ে যায়। তাদের প্রতি ঘৃণা এসে যায়। নামাজ পড়ে না আবার শ্রদ্ধা কিসের! এগিয়ে আসে মাগরেবের নামাজের সময়। তখনো কারো নামাজের গরজ নেই। মনটা ভেঙ্গে খান খান হয়ে যায়। মনে মনে গালি দিচ্ছিলাম। বলছিলাম, ‘রাখ বেটা তোদের ইসলামি প্রজাতন্ত্র। ইসলামি বিপ¬ব। ইসলাম না থাকলেও আমাদের দেশ হাজার গুণে ভালো। আমাদের দেশে ইসলাম আছে। তোদের মতো ইসলাম আমাদের দরকার নেই।’

অবশেষে আমাদের গাইড থাকাবির কাছে জানতে চাই যে, কয়েক বেলা নামাজের সময় গড়িয়ে গেলেও কেন নামাজ পড়তে পারিনি। তখন আমাদেরকে জানানো হয়, শিয়া মাজহাবে নামাজ তিন ওয়াক্ত। একটা প্রচণ্ড ধাক্কা খাই। গাইড আরো জানালো, কোরআানে নাকি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের স্পষ্ট সময় উলে­খ করা হয়নি। আমি কথা বাড়াতে যাইনি। আর জানি—ই বা কি। আমার বাবাকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে দেখেছি। আমি তাকে অনুসরণ করছি। আমার আর কিছু জানার দরকার নেই।  


তেহরান বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদে অদ্ভূত নামাজ 

ইরান সফরের আরেকটি অভিজ্ঞতা এতদিনেও ভুলিনি। এক শুক্রবার ইরানি গাইডের সঙ্গে জামারানে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা ইমাম আয়াতুল­াহ রুহুল­াহ খোমেনির মাজার দেখতে যাই। ফিরতে ফিরতে দুুপুর হয়ে যায়। জুম্মার নামাজ পড়ার জন্য সোজা তেহরান বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদে প্রবেশ করি। টুপি না থাকায় আফসোস করছিলাম। প্যান্টের পকেট থেকে রুমাল বের করে মাথায় বাঁধি। ভেতরটা খচ খচ করছিল। টুপি নেই। না জানি কে কি মনে করে। ইরানের প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ খাতামি নামাজে শামিল হন। আমি তাকে বার বার দেখছিলাম। নামাজের জন্য লাইনে দাঁড়াই। ডানে—বামে তাকিয়ে দেখি কারো মাথায় টুপি নেই। একটু পরে পরে মুষ্টিবদ্ধ হাত তুলে আমেরিকা ও ইসরাইল বিরোধী শে­াগান। শে­াগানে সুশোভিত চত্বর গম গম করে উঠছিল। যেন রণাঙ্গন। একটু আগে টুপি না থাকার জন্য আফসোস করছিলাম। আর তখন মাথায় রুমাল বাঁধা থাকায় নিজেকে বিসদৃশ মনে হতো লাগলো। এক ফাঁকে প্যান্টের পকেটে রুমাল গুঁজে ফেলি। আমার পাশে ইরানি গাইড। নামাজ শুরু না হতেই দেখি তিনি একটি কৃত্রিম হাত খুলে নিচে রেখেছেন। আমি রীতিমতো ভয় পেয়ে যাই। আমাদের বিস্ময় দূর করার জন্য ইরানি গাইড বললেন, তিনি ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য। ইরান—ইরাক যুদ্ধের সময় আহওয়াজে ইরাকি হামলায় একটি হাত হারান। ১৯৮০—৮৮ সালে ইরান—ইরাক যুদ্ধের সময় বহুবার আহওয়াজের নাম শুনেছিলাম। সামরিক বাহিনী থেকে ইরানি গাইড অবসর গ্রহণ করেছেন। তিনি একটি কৃত্রিম হাত লাগিয়েছেন। তার কথা শুনে ভীতি দূর হয়। নামাজ শুরু হয়ে যায়। এক কি দুই রাকায়াত পড়ে দেখি অন্যদের সঙ্গে আমাদের নামাজ মিলে না। নামাজ বাদ দিয়ে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকি। দেখলামসেজদায় গিয়ে তারা একটি মাটির টুকরো কপালে ঠেকায়। এমন অদ্ভূত নামাজ জীবনে দেখিনি।  শিয়াদের নামাজ জানা না থাকায় আমার জায়গায় আমি বসে থাকি। অপেক্ষা করতে থাকি কখন সবার নামাজ শেষ হয়। একসময় অপেক্ষার পালা শেষ হয়। এ অভিজ্ঞতা আমি কখনো ভুলবো না। ভাবছিলাম, নামাজ পড়লাম নাকি রাজনৈতিক সমাবেশে  যোগ দিলাম।

(লেখাটি আমার ‘ধর্ম সমাজ ও রাজনীতি’ থেকে নেয়া। বইটি প্রকাশ করেছে রাবেয়া বুকস)

যেকোনো ধরনের ভেষজ গাছ গাছড়া ঔষধ আস্ত এবং গুঁড়া খুচরা ও পাইকারি নিতে যোগাযোগ করুন,,,,হেকিমী দাওয়াখানা ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 যেকোনো ধরনের ভেষজ গাছ গাছড়া ঔষধ আস্ত এবং গুঁড়া খুচরা ও পাইকারি নিতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে আমাদের কাছে যে সকল পণ্য সমূহ পেয়ে থাকবেন তার একাংশের তালিকা।

উল্লেখিত তালিকার বাহিরেও কোন প্রকার ভেষজ পণ্যের প্রয়োজন হলে আমাদের জানাতে পারেন...


১.অশ্বগন্ধা

২.কালোমেঘ

৩.মরিঙ্গা গুড়া

৪.সাদা চন্দন 

৫.সোনা পাতা

৬.আমলকি

৭.শিকাকাই 

৮.তালমাখনা

৯.কমলা খোসা 

১০. ব্রাক্ষি 

১১.  ইসবগুল

১২. মেহেদি পাতা 

১৩. সমুদ্র শঙ্খ

১৪. অর্জুন 

১৫. লাল চন্দন  

১৬.  ডালিম খোসা 

১৭. অনন্তমূল

১৮. জবা ফুল গুড়া 

১৯. আমরুল

২০. রিঠা 

২১. অ্যালোভেরা গুড়া 

২২. আদা গুড়া 

২৩. মাজুফল গুড়া

২৪. আখরোট

২৫. মসুর ডাল গুড়া 

২৬. কারিপাতা গুড়া 

২৭.  তালমূল

২৮. পুনর্নভা গুড়া 

২৯. কাজু বাদাম 

৩০. কাঠ বাদাম 

৩১.  চিনা বাদাম 

৩২. হরতকি 

৩৩. বহেরা 

৩৪. ত্রিফলা 

৩৫. নীম পাতা

৩৬. থানকুনি পাতা 

৩৭. অনন্তমূল

৩৮. পুদিনা পাতা 

৩৯. পিপলটি 

৪০. আকরকরা

৪১. ত্বীন ফল 

৪২. আম করালি

৪৩. জাম বীজ 

৪৪. বাসক পাতা 

৪৫. আম বীজ

৪৬ আলু বোখারা

৪৭. কাতিলা গাম 

৫১. চিরতা

৪৮. বেল শুট

৪৯. লবঙ্গ 

৫০. নিশিন্দা

৫১. ইন্দ্রযব

৫২. কস্তুরী হলুদ

৫৩. ঈশ্বর মূল

৫৪. মুলতানি মাটি

৫৫. শিমুল মূল 

৫৬. শতমূল 

৫৭. তেতুল বীজ 

৫৮. ভূইকুমড়া  

৫৯. কাবাব চিনি 

৬০. বীর্যমনি 

৬১. নীম পাতা গুঁড়া 

৬২. শংখমূল 

৬৩. আলকুশি

৬৪. গোক্ষুর কাটা

৬৫. তালমাখনা 

৬৬. হালিম দানা

৬৭. একাঙ্গী 

৬৮. গাব

৬৯. ডুমুর ফল 

৭০. কালোজিরা 

৭১. উলট কম্বল

৭২. কেশরাজ 

৭৩. মেথি গুড়া 

৭৪. তুলসি পাতা গুড়া 

৭৫. ইসুবগুলের ভূসি 

৭৬. দারুচিনি 

৭৭. মকরদ্বজ 

৭৮. তাল মিছরি

৭৯. সাফেদ মুসলি 

৮০. লতাকস্তুরী 

৮১. শিলাজুত

৮২. ইরানি জাফ্রান 

৮৩.  কালো জিরা তেল

৮৪. ভৃঙ্গরাজ 

৮৫. জয়তুন ফল

৮৬. জয়তুন তেল

৮৭. নিম তেল

 ৮৮. বাদাম তেল

 ৮৯. ক্যাস্টর অয়েল

 ৯০. চামেলি ফুলের তেল

 ৯১. পিতরাজ তেল

৯২. তিসি তেল 

৯৩. তিলের তেল 

৯৪. বিটরুট 

৯৫. ইন্ডিগো 

৯৬. জোয়ান বীর 

৯৭. আপাং

৯৮. মেনথল

৯৯.রোজমেরি

১০০. পুদিনা পাতা 

১০১. গুড়মার

১০২. পিংক সল্ট 

১০৩. আটমোড়

১০৪. বীজ ছাড়া আমলকী 

১০৫. কৃষ্ণ জিরা

১০৬.তেতো মুছাব্বর

১০৭. মিষ্টি মুছাব্বর

১০৮. সাদা এলাচ 

১০৯.কালো এলাচ

১১০.স্টার মসলা 

১১১. শাহী জিরা 

১১২.বন নীল

১১৩. কুমড়া বীজ 

১১৪. তরমুজ বীজ 

১১৫. সূর্যমুখী ফুলের বীজ 

১১৬. আখরোট 

১১৭. কালো কিচমিচ

১১৮.মশুর ডাউল গুঁড়া 

১১৯. মুগ ডাউল গুঁড়া 

১২০.সমরাজী

১২১. মুচরস

১২২. নাগরমুথা

১২৩. কুড়

১২৪. ঘিলাফল

১২৫. হিং

১২৬. তালীশ পত্রজ 

১২৭. ইন্দ্রজব 

১২৮. লাটাই ফল

১২৯. মরা মাংসী

১৩০. জটা মাংসী

১৩১. বংশীলোচন 

১৩২. লাল কুচ

১৩৩. কুচিলা 

১৩৪. পোস্তদানা 

১৩৫. কুলেখারা 

১৩৬. কাকলী 

১৩৭. তোপ চিনি 

১৩৮. মারিয়া বীজ 

১৩৯. আওবেল 

১৪০. হস্তি কর্ণ পলাশ 

১৪১. জয়পাল

১৪২. জায়ফল

১৪৩. চিরতা

১৪৪. তুলসী বীজ 

১৪৫. গুরবজ 

১৪৬. তাম্বুল

১৪৭.বুচকীদানা

১৪৮. স্টেভিয়া

১৪৯. রোজেলা চা 

১৫০. সমুদ্র ফেনা 

১৫১. কাল কাসুন্দি 

১৫২. মুন্ডারি ফুল 

১৫৩. নীল কন্ঠী 

১৫৪. রেউচিনি


এছাড়াও আমাদের কাছে নিজস্ব তত্ত্বাবধানে তৈরি ১০০% পিওর সকল প্রকার ভেষজের শুট এবং পাউডার পাবেন। আমাদের সকল পন্য খুচরা ও পাইকারী বিক্রয় করা হয় এবং সারাদেশে কুরিয়ার এর মাধ্যমে ডেলিভারি দেওয়া হয়। আপনার পছন্দের পন্য টি নিতে এই নাম্বারে যোগাযোগ করুন 01892705011

হোয়াটসঅ্যাপ

ঘরোয়া হোমিওপ্যাথিক ২০টি ঔষধ-

 ঘরোয়া হোমিওপ্যাথিক ২০টি ঔষধ-


১. ★ Aconitum napellus (অ্যাকোনাইট)-


১. হঠাৎ শুরু হওয়া রোগে প্রথম মনে আসে

২. শীতল শুকনো বাতাসে আক্রান্ত হলে

৩. জ্বর খুব দ্রুত ওঠে

৪. ত্বক শুষ্ক ও গরম

৫. প্রবল অস্থিরতা

৬. তীব্র মৃত্যুভয়

৭. ভয় পেলে উপসর্গ বাড়ে

৮. মাঝরাতে রোগ শুরু

৯. তীব্র মাথাব্যথা

১০. মুখ শুকনো

১১. তৃষ্ণা থাকে

১২. হার্টবিট দ্রুত

১৩. দুশ্চিন্তা প্রবল

১৪. আলো সহ্য হয় না

১৫. শব্দে বিরক্ত

১৬. ঠান্ডা লাগার পর

১৭. শক অবস্থায় উপকারী

১৮. হঠাৎ আতঙ্কে

১৯. শিশুদের তীব্র জ্বর

২০. জরুরি অবস্থার ঔষধ


২. ★ Apis mellifica (এপিস)-


১. হঠাৎ ফোলা

২. লালচে রং

৩. জ্বালাপোড়া

৪. মৌমাছির কামড়ের মতো ব্যথা

৫. ঠান্ডায় আরাম

৬. গরমে কষ্ট

৭. পানি চায় না

৮. ফোলা শক্ত

৯. চোখ ফোলা

১০. এলার্জিতে উপকারী

১১. হঠাৎ প্রদাহ

১২. ত্বক টানটান

১৩. স্পর্শে ব্যথা

১৪. ঘাম কম

১৫. জ্বরের সাথে ফোলা

১৬. প্রস্রাব কম

১৭. নারীদের সমস্যা

১৮. গলা ফোলা

১৯. দ্রুত কাজ করে

২০. জরুরি এলার্জিতে


৩. ★ Arnica montana (আর্নিকা)-


১. আঘাতের প্রথম ঔষধ

২. পড়ে গেলে

৩. মারধরের পর

৪. শরীর ব্যথা

৫. বিছানা শক্ত লাগে

৬. বলে “আমি ভালো আছি”

৭. স্পর্শ অপছন্দ

৮. নীলচে দাগ

৯. রক্তক্ষরণ

১০. অপারেশনের পর

১১. ভাঙাভাব

১২. ঘুম অস্থির

১৩. শক অবস্থা

১৪. মানসিক ট্রমা

১৫. মাথায় আঘাত

১৬. দাঁতের চিকিৎসার পর

১৭. পেশির ব্যথা

১৮. খেলাধুলার আঘাত

১৯. দুর্ঘটনার পর

২০. জরুরি প্রয়োজনে অপরিহার্য


৪. ★ Arsenicum album (আর্সেনিকাম)-


১. প্রচণ্ড দুর্বলতা

২. অস্থিরতা

৩. মৃত্যু ভয়

৪. রাতের দিকে বাড়ে

৫. ঠান্ডা লাগে

৬. গরমে আরাম

৭. অল্প অল্প পানি

৮. বারবার খেতে চায়

৯. ডায়রিয়া

১০. বমি

১১. পোড়া ব্যথা

১২. দুশ্চিন্তা

১৩. একা থাকতে ভয়

১৪. বিষক্রিয়ায় উপকারী

১৫. খাদ্য বিষক্রিয়া

১৬. মানসিক ক্লান্তি

১৭. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা পছন্দ

১৮. দ্রুত অবসাদ

১৯. শীতলতা অনুভব

২০. জরুরি দুর্বলতায়


৫. ★ Belladonna (বেলাডোনা)-


১. হঠাৎ তীব্র জ্বর

২. মুখ লাল টকটকে

৩. চোখ উজ্জ্বল

৪. মাথা খুব গরম

৫. ধকধক ব্যথা

৬. আলোতে কষ্ট

৭. শব্দ অপছন্দ

৮. গলা শুকনো

৯. গিলতে কষ্ট

১০. হঠাৎ ঘাম

১১. ঠান্ডা সহ্য হয় না

১২. ছটফট করে

১৩. বিভ্রম

১৪. শিশুদের জ্বর

১৫. রাতে বাড়ে

১৬. গরমে কষ্ট

১৭. প্রদাহে কার্যকর

১৮. চোখ লাল

১৯. স্পন্দনযুক্ত ব্যথা

২০. দ্রুত কাজ করে


৬. ★ Bryonia alba (ব্রায়োনিয়া)-


১. ধীরে শুরু রোগ

২. নড়াচড়ায় ব্যথা বাড়ে

৩. সম্পূর্ণ বিশ্রাম চায়

৪. চুপচাপ থাকতে চায়

৫. কথা অপছন্দ

৬. মুখ শুকনো

৭. তীব্র তৃষ্ণা

৮. একবারে বেশি পানি

৯. গরমে বাড়ে

১০. কোষ্ঠকাঠিন্য

১১. মাথাব্যথা নড়াচড়ায়

১২. শুষ্ক কাশি

১৩. বুকে চাপ

১৪. রাগী স্বভাব

১৫. রাতে ব্যথা

১৬. ঠান্ডায় আরাম

১৭. ফুসফুসে উপকারী

১৮. জয়েন্ট পেইন

১৯. পানি না পেলে অস্থির

২০. শুষ্ক প্রকৃতি


৭. ★ Calcarea carbonica (ক্যালকেরিয়া কার্ব)-


১. সহজে ঠান্ডা লাগে

২. মাথায় ঘাম

৩. দুর্বল হজম

৪. ধীর প্রকৃতি

৫. মোটা গড়ন

৬. সহজে ক্লান্ত

৭. সিঁড়ি ভাঙতে কষ্ট

৮. দুধ অপছন্দ

৯. কোষ্ঠকাঠিন্য

১০. ভয়প্রবণ

১১. শিশুদের দেরিতে হাঁটা

১২. হাড় দুর্বল

১৩. ঠান্ডা পানিতে কষ্ট

১৪. দুশ্চিন্তা

১৫. স্মৃতিশক্তি দুর্বল

১৬. ঘুম বেশি

১৭. সকালে অলস

১৮. ঘাম দুর্গন্ধ

১৯. দীর্ঘস্থায়ী অসুখ

২০. পুষ্টিহীনতায় উপকারী


৮. ★ Carbo vegetabilis (কার্বোভেজ)-


১. চরম দুর্বলতা

২. ঠান্ডা অনুভূতি

৩. শরীর ঠান্ডা

৪. বাতাস চাই

৫. জানালা খুলতে চায়

৬. মুখ ফ্যাকাশে

৭. নীলচে ঠোঁট

৮. শ্বাসকষ্ট

৯. গ্যাস

১০. বদহজম

১১. অজ্ঞান ভাব

১২. ডায়রিয়া

১৩. রক্ত সঞ্চালন দুর্বল

১৪. বার্ধক্যজনিত সমস্যা

১৫. অপারেশনের পর

১৬. অক্সিজেনের অভাব

১৭. দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব

১৮. খাবারের পর কষ্ট

১৯. জীবনশক্তি কম

২০. শেষ মুহূর্তের ঔষধ


৯. ★ Gelsemium (জেলসেমিয়াম)-


১. ভয় ও দুশ্চিন্তাজনিত অসুখ

২. পরীক্ষাভীতি

৩. খারাপ খবরের পর

৪. শরীর ভারী

৫. চোখ খুলে রাখতে কষ্ট

৬. কাঁপুনি

৭. দুর্বলতা প্রধান

৮. জ্বরের আগে শীত শীত

৯. তৃষ্ণা কম

১০. মাথা ঝিমঝিম

১১. কথা বলতে অনীহা

১২. একা থাকতে চায়

১৩. আতঙ্কে প্রস্রাব

১৪. ঘুম ঘুম ভাব

১৫. ডায়রিয়ার সাথে ভয়

১৬. হঠাৎ ভয় পেলে

১৭. মঞ্চভীতি

১৮. হাত-পা কাঁপে

১৯. অলসতা

২০. মানসিক চাপের জরুরি ঔষধ


১০. ★ Hepar sulphuris (হিপার সালফ)


১. অতিরিক্ত স্পর্শকাতর

২. সামান্য ঠান্ডায় কষ্ট

৩. ঠান্ডা বাতাস সহ্য হয় না

৪. রাগী স্বভাব

৫. পুঁজযুক্ত সংক্রমণ

৬. ফোঁড়া প্রবণতা

৭. গলা ব্যথা

৮. কাশি ঠান্ডায় বাড়ে

৯. গরমে আরাম

১০. কাপড়েও ব্যথা

১১. ঘাম বেশি

১২. রাতে বাড়ে

১৩. কানে পুঁজ

১৪. দাঁতের ফোঁড়া

১৫. চামড়ার সংক্রমণ

১৬. ইনফেকশনের শুরুতে

১৭. ঠান্ডা পানিতে কষ্ট

১৮. তীব্র ব্যথা

১৯. শিশু কান্নাকাটি

২০. পুঁজ হওয়ার আগেই


১১. ★ Ignatia amara (ইগ্নেশিয়া)-


১. মানসিক আঘাত

২. শোকের পর

৩. চাপা কান্না

৪. হঠাৎ হাসি-কান্না

৫. গলায় ঢোক

৬. দীর্ঘশ্বাস

৭. মুড পরিবর্তন

৮. মাথাব্যথা

৯. নিঃসঙ্গতা পছন্দ

১০. সান্ত্বনা অপছন্দ

১১. অনিদ্রা

১২. আবেগপ্রবণ

১৩. বুক ধড়ফড়

১৪. খিঁচুনি প্রবণতা

১৫. নারীদের সমস্যা

১৬. দুঃখজনিত অসুখ

১৭. খাবারে অরুচি

১৮. গ্যাস

১৯. মন খারাপ

২০. মানসিক জরুরি ঔষধ


১২. ★ Mercurius solubilis (মার্ক সল)-


১. মুখে দুর্গন্ধ

২. অতিরিক্ত লালা

৩. জিহ্বা মোটা

৪. দাঁতের ছাপ

৫. রাতে বাড়ে

৬. ঠান্ডা ও গরমে কষ্ট

৭. ঘাম বেশি

৮. গলা ব্যথা

৯. গিলতে কষ্ট

১০. মুখের ঘা

১১. মাড়ি ফোলা

১২. দাঁতের ব্যথা

১৩. নাক দিয়ে পানি

১৪. কফ ঘন

১৫. শিশুর ডায়রিয়া

১৬. সংক্রমণজনিত জ্বর

১৭. দুর্বলতা

১৮. চুলকানি

১৯. ত্বকে ফুসকুড়ি

২০. সংক্রমণের জরুরি ঔষধ


১৩. ★ Natrum muriaticum (নাট মিউর)-


১. চাপা দুঃখ

২. একা কাঁদে

৩. সান্ত্বনা অপছন্দ

৪. লবণ পছন্দ

৫. রোদে মাথাব্যথা

৬. আবেগ নিয়ন্ত্রণ

৭. সম্পর্কের কষ্ট

৮. স্মৃতিচারণে কষ্ট

৯. চুপচাপ স্বভাব

১০. দীর্ঘদিনের দুঃখ

১১. ত্বক শুষ্ক

১২. ঠোঁট ফাটা

১৩. নাক দিয়ে পানি

১৪. দুর্বলতা

১৫. ঘুমের সমস্যা

১৬. মানসিক চাপ

১৭. আত্মসম্মান

১৮. পুরোনো স্মৃতি

১৯. বিষণ্ণতা

২০. নীরব কষ্টের ঔষধ


১৪. ★ Nux vomica (নাক্স ভমিকা)-


১. অতিরিক্ত কাজের পর

২. মানসিক চাপ

৩. রাগী স্বভাব

৪. শব্দে বিরক্ত

৫. বদহজম

৬. গ্যাস

৭. কোষ্ঠকাঠিন্য

৮. ঘুম কম

৯. ঠান্ডায় কষ্ট

১০. গরমে কিছু আরাম

১১. সকালে খারাপ

১২. রাতে জাগে

১৩. কফি পছন্দ

১৪. অতিরিক্ত ওষুধে

১৫. অফিসকর্মীদের

১৬. অলসতা নেই

১৭. তাড়াহুড়া স্বভাব

১৮. হজমে সমস্যা

১৯. মাথাব্যথা

২০. মানসিক ক্লান্তিতে


১৫. ★ Phosphorus (ফসফরাস)-


১. বন্ধুসুলভ

২. একা থাকতে ভয়

৩. অন্ধকারে ভয়

৪. বজ্রপাতে ভয়

৫. ঠান্ডা পানি চায়

৬. বমির পরও খেতে চায়

৭. সহজে রক্তপাত

৮. নাক দিয়ে রক্ত

৯. কাশি

১০. বুকে জ্বালা

১১. দুর্বল ফুসফুস

১২. দ্রুত ক্লান্ত

১৩. আবেগপ্রবণ

১৪. সান্ত্বনায় আরাম

১৫. লম্বা গড়ন

১৬. স্মৃতিশক্তি দুর্বল

১৭. উদ্বেগ

১৮. ঘুমে ভয়

১৯. জ্বলন্ত ব্যথা

২০. জরুরি রক্তপাত প্রবণতায়


১৬. ★ Pulsatilla nigricans (পালসাটিলা)-


১. নরম স্বভাব

২. কাঁদুক প্রকৃতি

৩. সান্ত্বনায় ভালো

৪. একা থাকতে চায় না

৫. গরমে কষ্ট

৬. ঠান্ডা বাতাসে আরাম

৭. তৃষ্ণা কম

৮. পরিবর্তনশীল উপসর্গ

৯. হরমোনজনিত সমস্যা

১০. নারী ও শিশু উপযোগী

১১. রাতে বাড়ে

১২. দিনে কমে

১৩. হজম দুর্বল

১৪. তেল-চর্বিতে কষ্ট

১৫. মাথাব্যথা

১৬. বন্ধ নাক

১৭. ঘন স্রাব

১৮. আবেগপ্রবণ

১৯. লাজুক

২০. সান্ত্বনায় আরাম


১৭. ★ Rhus toxicodendron (রাস টক্স)-


১. ভেজা ঠান্ডায় অসুখ

২. শুরুতে নড়াচড়ায় ব্যথা

৩. চললে আরাম

৪. বিশ্রামে কষ্ট

৫. জয়েন্ট শক্ত

৬. পিঠ ব্যথা

৭. রাতে বাড়ে

৮. ঠান্ডায় খারাপ

৯. গরমে ভালো

১০. ফুসকুড়ি

১১. চুলকানি

১২. স্যাঁতসেঁতে সমস্যা

১৩. ঘুম ভাঙে ব্যথায়

১৪. পেশির টান

১৫. বাতব্যথা

১৬. ফ্লুর পর

১৭. স্টিফনেস

১৮. সকালে বেশি

১৯. হাঁটলে উন্নতি

২০. ভেজা কাপড়ে বসলে


১৮. ★ Sulphur (সালফার)-


১. গরমে কষ্ট

২. পায়ে জ্বালাপোড়া

৩. মাথায় গরম

৪. ঘুমে পা বের করে

৫. এলোমেলো স্বভাব

৬. দাঁড়িয়ে ভাবতে ভালো

৭. সকালে দুর্বল

৮. দুপুরে ভালো

৯. ত্বক শুষ্ক

১০. চুলকানি

১১. ত্বক লাল

১২. পুরোনো রোগ

১৩. পরিষ্কার অপছন্দ

১৪. অহংবোধ

১৫. চিন্তাশীল

১৬. পুরোনো অসুখ জাগায়

১৭. কোষ্ঠকাঠিন্য

১৮. গ্যাস

১৯. হিট সেনসিটিভ

২০. ক্রনিক রোগে


১৯. ★ Thuja occidentalis (থুজা)-


১. আঁচিল প্রবণতা

২. চামড়ায় বৃদ্ধি

৩. টিকা-পরবর্তী সমস্যা

৪. লুকানো দুশ্চিন্তা

৫. অপরাধবোধ

৬. গোপন কষ্ট

৭. দুর্গন্ধযুক্ত ঘাম

৮. মাথার ত্বক সমস্যা

৯. তেলতেলে চামড়া

১০. কাঁধ ব্যথা

১১. মলমূত্র সমস্যা

১২. প্রস্রাবে জ্বালা

১৩. যৌন দুর্বলতা

১৪. ভয়ংকর স্বপ্ন

১৫. মানসিক চাপ

১৬. গোপন রোগ

১৭. দীর্ঘস্থায়ী চর্মরোগ

১৮. ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

১৯. ইমিউন দুর্বলতা

২০. গভীর স্তরের ঔষধ


২০. ★ Zincum metallicum (জিংকাম মেটালিকাম)-


১. দীর্ঘদিনের অসুখ দমে রাখা (Suppressed disease)

২. স্নায়বিক দুর্বলতা প্রধান

৩. মস্তিষ্ক ক্লান্ত, চিন্তা করতে কষ্ট

৪. কথা বলতে গেলে আটকে যায়

৫. বারবার পা নড়াচড়া করার প্রবণতা (Restless feet)

৬. বসে থাকলেও পা নাড়ায়

৭. রাতে ঘুমের সময় পা কাঁপে

৮. সামান্য শব্দে চমকে ওঠে

৯. শব্দে বিরক্তি

১০. স্মৃতিশক্তি দুর্বল

১১. পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রাখতে পারে না

১২. মানসিক অবসাদ

১৩. শিশুদের খিঁচুনি প্রবণতা

১৪. জ্বরের সময় খিঁচুনি

১৫. মাথাব্যথা—মাথার পেছনে

১৬. মাথার ত্বকে খুশকি

১৭. ত্বক শুষ্ক

১৮. অতিরিক্ত ঘাম—বিশেষ করে পায়ে

১৯. রাতে উপসর্গ বাড়ে

২০. শারীরিক ও মানসিক অতিশ্রমের পর অসুখ বাড়ে।

👉 “স্নায়ু ক্লান্ত + পা নড়ানো + দমনকৃত রোগ” = Zincum met.


ডা. জিয়াউল হক 


#homeopathy 

#হোমিওপ্যাথি 

#homoeopathy 

#Homoeopathymedicin

#DrZiaulHaque

#MahinHomoeoMedical

নরম কোমল মন” ধরনের ৯০টি হোমিওপ্যাথি ঔষধ প্রতিটির সাথে ১টি করে প্রধান মানসিক লক্ষণ~

 🎍"নরম কোমল মন” ধরনের ৯০টি হোমিওপ্যাথি ঔষধ প্রতিটির সাথে ১টি করে প্রধান মানসিক লক্ষণ~


নরম কোমল মন – ৯০টি ঔষধ ও ৯০টি লক্ষণ

 1. Pulsatilla – সহজে কাঁদে, সান্ত্বনা দিলে ভালো লাগে।

 2. Ignatia – মানসিক আঘাত বা দুঃখে কান্না চেপে রাখে।

 3. Phosphorus – একা থাকতে পারে না, সবসময় সঙ্গ চায়।

 4. Natrum muriaticum – একা কাঁদে, সান্ত্বনা অপছন্দ করে।

 5. Sepia – আবেগহীন হয়ে যায়, পরিবার থেকেও দূরে থাকতে চায়।

 6. Silicea – লাজুক ও ভীরু, অন্যের সমালোচনায় ভেঙে পড়ে।

 7. Calcarea carbonica – সামান্য চিন্তায় ভয় ও দুশ্চিন্তা।

 8. Causticum – দুঃখী স্বভাব, অন্যের কষ্টে কাঁদে।

 9. Staphysagria – মানসিক অপমান সহ্য করতে পারে না।

 10. Lycopodium – আত্মবিশ্বাস কম, ভেতরে ভেতরে ভীতু।

 11. Arsenicum album – একা থাকতে ভয়, নিরাপত্তা চায়।

 12. Baryta carbonica – শিশুসুলভ ভীরুতা, অন্যের ওপর নির্ভরশীল।

 13. Aurum metallicum – অতিরিক্ত দুঃখে আত্মহত্যার চিন্তা আসে।

 14. Lachesis – ঈর্ষাপরায়ণ ও আবেগী।

 15. Sulphur – চিন্তাশীল, কিন্তু সামান্য সমালোচনায় কষ্ট পায়।

 16. Carcinosinum – অতিরিক্ত সংবেদনশীল ও আজ্ঞাবহ স্বভাব।

 17. Conium – নীরব, চাপা আবেগে কষ্ট পায়।

 18. Cimicifuga – মানসিক ভয় থেকে বিষণ্নতা।

 19. Calcarea phosphorica – নিরাশ স্বভাব, সমর্থন চায়।

 20. Magnesia carbonica – মানসিক আঘাতে নীরব কান্না।

 21. Magnesia muriatica – শৈশবের মানসিক কষ্টে ভোগে।

 22. Hepar sulph – রাগী হলেও ভেতরে ভীরু।

 23. Belladonna – ভয় পেলে চিৎকার করে কাঁদে।

 24. Chamomilla – খিটখিটে, সামান্য ব্যথায় সহ্য করতে পারে না।

 25. Cina – অবাধ্য ও রাগী শিশু, আদরে শান্ত হয়।

 26. Coffea cruda – আনন্দ বা দুঃখে ঘুম হারায়।

 27. Spongia – ভয়ের কারণে অস্থির হয়।

 28. Ammonium carbonicum – আত্মবিশ্বাস কম, সবসময় নির্ভরশীল।

 29. Cyclamen – অপরাধবোধে ভোগে, সহজে কাঁদে।

 30. Moschus – আবেগে কান্না ও অজ্ঞান হওয়ার প্রবণতা।

 31. Asafoetida – স্নায়বিক উত্তেজনায় কাঁদে।

 32. Argentum nitricum – অজানা ভয় ও দুশ্চিন্তা।

 33. Zincum metallicum – মানসিক চাপ সহ্য করতে পারে না।

 34. Platina – অহংকারী হলেও ভেতরে ভঙ্গুর মন।

 35. Nux moschata – মানসিক দুর্বলতা, সহজেই কাঁদে।

 36. Petroleum – মানসিক চাপ থেকে অস্থিরতা।

 37. Graphites – সহজেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে।

 38. Natrum carbonicum – একাকিত্বে বিষণ্ন হয়।

 39. Natrum phosphoricum – লাজুক, স্নায়বিক ভীরু।

 40. Kalium carbonicum – অন্যের ওপর নির্ভরশীল, সহজেই কাঁদে।

 41. Kalium phosphoricum – অতিরিক্ত সংবেদনশীল ও ভীরু।

 42. Kalium bromatum – ভয় ও কল্পনায় অস্থিরতা।

 43. Kalium iodatum – রাগী, কিন্তু একা হলে কাঁদে।

 44. Dulcamara – আবেগপ্রবণ, আবহাওয়ায় প্রভাবিত।

 45. Gelsemium – ভয়ে অবসন্ন ও ভীরু।

 46. Aethusa cynapium – শিশুদের অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা।

 47. Stramonium – অন্ধকারে ভয়, একা থাকতে পারে না।

 48. Hyoscyamus – ভয়ের কারণে চঞ্চল।

 49. Opium – মানসিক আঘাতের পর উদাসীনতা।

 50. Digitalis – দুঃখে ভেঙে পড়ে, আশা হারায়।

 51. Helleborus – মানসিক ধীরগতি, আবেগে দুর্বল।

 52. Mezereum – মানসিক চাপ সহ্য করতে পারে না।

 53. Rhus tox – অস্থির, একা থাকতে ভয়।

 54. Clematis – স্বপ্নালু ও আবেগপ্রবণ।

 55. Verbascum – ভীরু ও চাপা স্বভাব।

 56. Colocynthis – রাগে কাঁদে, অন্যের ওপর নির্ভরশীল।

 57. Sabina – মানসিক শোক থেকে অসুস্থতা।

 58. Senecio aureus – আবেগী, অল্পতেই ভেঙে পড়ে।

 59. Bovista – সহজে লজ্জা পায় ও কাঁদে।

 60. Carbo vegetabilis – স্নায়বিক দুর্বলতায় আবেগী।

 61. Carbo animalis – একাকিত্বে কষ্ট পায়।

 62. Crocus sativus – হাসি-কান্না একসাথে হয়।

 63. Coccus cacti – মানসিক দুর্বলতা ও ভীরুতা।

 64. Muriatic acid – মানসিক অবসাদ ও নিরাশা।

 65. Nitric acid – সংবেদনশীল, সহজেই কষ্ট পায়।

 66. Sulphuric acid – অস্থির, সহজেই রেগে যায়।

 67. Fluoric acid – মানসিক দায়িত্বহীনতা।

 68. Phosphoric acid – দুঃখে অবসন্ন ও দুর্বল।

 69. Psorinum – হতাশা ও নিরাশ স্বভাব।

 70. Syphilinum – অন্ধকার ভবিষ্যতের ভয়ে কষ্ট।

 71. Medorrhinum – দ্রুত পরিবর্তনশীল মেজাজ।

 72. Tuberculinum – অস্থির, সহজে সন্তুষ্ট নয়।

 73. Thuja – নিজেকে ভগ্নমনা ভাবে।

 74. Kali sulphuricum – সামাজিকভাবে নির্ভরশীল।

 75. Ferrum phosphoricum – লাজুক ও ভীরু।

 76. Ferrum metallicum – মানসিক আঘাতে দুর্বল।

 77. Ferrum muriaticum – দুঃখে সহজেই ভেঙে পড়ে।

 78. Manganum – মানসিক সংবেদনশীলতা বেশি।

 79. Magnesia sulphurica – নির্ভরশীল ও আবেগী।

 80. Cactus grandiflorus – মানসিক আঘাতে হৃদয় দুর্বল।

 81. Croton tiglium – অস্থির, সহজেই ভীতু হয়।

 82. Euphrasia – সহজেই কাঁদে, বিশেষ করে সহানুভূতিতে।

 83. Hura brasiliensis – মানসিক নিরাশা ও দুঃখ।

 84. Ipecacuanha – রাগী কিন্তু কোমল মন।

 85. Lobelia inflata – দুশ্চিন্তায় শ্বাসকষ্ট হয়।

 86. Sabadilla – ভয়ে সহজেই কাঁপে।

 87. Sarsaparilla – নির্ভরশীল, দুঃখী মন।

 88. Scrophularia nodosa – চাপা স্বভাব, কান্না প্রবণ।

 89. Tarentula hispanica – অস্থির, আবেগে চঞ্চল।

 90. Moschus – মানসিক চাপ থেকে অজ্ঞান হওয়ার প্রবণতা।


👉 প্রতিটি ঔষধের সাথে ১টি করে “নরম কোমল মন”মানসিক লক্ষণ যুক্ত আছে । 


🤷‍♂️🌷সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন করা উচিৎ নয়।🩺Dr.Md.Forhad Hossain  D.H.M.S(B.H.😎,DHAKA Pdt(Hom) Consultant:Homoeopathic  Medicine  Helpline:01955507911

মৃত্যু আসবে, কিন্তু অসুস্থতা কেন?” — ওষুধ ছাড়াই ১০০ 

 🛑 “মৃত্যু আসবে, কিন্তু অসুস্থতা কেন?” — ওষুধ ছাড়াই ১০০ বছর বাঁচার গোপন সংবিধান! 📜🔥


আপনার কি মনে হয় ফার্মেসির ওই রঙিন ক্যাপসুলগুলোই আপনার প্রাণভোমরা? 💊 আপনি কি বিশ্বাস করেন বয়স ৪০ পেরোলেই সুগার, প্রেশার, বাতের ব্যথা আপনার বিধিলিপি? 🏥 নাকি আপনি সেই দলের মানুষ, যারা মনে করেন—"ওষুধ ছাড়া আমি অচল"?


🌿 অধ্যায় ১:  আধুনিক চিকিৎসার মায়াজাল ও আপনার শরীর (The Illusion of Medicine)

আমরা এমন এক সমাজে বাস করি যেখানে সুস্থতার সংজ্ঞাটাই বদলে দেওয়া হয়েছে। আজ সুস্থ থাকার অর্থ—'রিপোর্ট ঠিক রাখা'। কিন্তু আপনি কি জানেন, রিপোর্ট ঠিক থাকার মানেই সুস্থতা নয়?


আমাদের শরীর কোনো যন্ত্র নয় যে কোনো একটি পার্টস খারাপ হলে তা বদলে ফেলব বা তেল দিয়ে ঠিক করব। শরীর হলো এক মহাজাগতিক বুদ্ধিমত্তা (Cosmic Intelligence)। আপনি যখন সামান্য মাথাব্যথার জন্য একটি প্যারাসিটামল খান, আপনি আসলে আপনার শরীরের 'সতর্কবার্তা' বা অ্যালার্ম সিস্টেমটি বন্ধ করে দিচ্ছেন। মাথাব্যথা ছিল শরীরের ভাষা—সে বলছিল আপনার বিশ্রাম দরকার, বা জল দরকার। আপনি ওষুধ দিয়ে তার মুখ বন্ধ করে দিলেন।


ভয়ঙ্কর সত্য: দীর্ঘমেয়াদী ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা 'Side Effects' নতুন রোগের জন্ম দেয়। প্রেশারের ওষুধ কিডনি নষ্ট করে, ব্যথার ওষুধ লিভার পচিয়ে দেয়। একে বলা হয় 'Iatrogenics'—অর্থাৎ চিকিৎসার কারণে সৃষ্ট রোগ।


উপদেশ: ছোটখাটো অসুখে ওষুধের বাক্সে হাত দেবেন না। জ্বর হলে শরীরকে পুড়তে দিন, সেই উত্তাপেই ভাইরাস মরবে। পেট খারাপ হলে উপবাস করুন, শরীর আবর্জনা বের করে দেবে। শরীরের ওপর বিশ্বাস রাখুন, সে আপনাকে ঠকাবে না।


🔥 অধ্যায় ২:  অটোফেজি – শরীরের ভেতরের ডাস্টবিন পরিষ্কার (The Magic of Fasting)


আমাদের দাদু-দিদারা বলতেন, "লংঘনম্ পরম্ ঔষধম্"। অর্থাৎ উপবাসই শ্রেষ্ঠ ওষুধ। তখন আমরা হাসতাম। আজ ২০১৬ সালে জাপানি বিজ্ঞানী ইওশিনোরি ওসুমি (Yoshinori Ohsumi) নোবেল পুরস্কার পেলেন 'অটোফেজি' (Autophagy) আবিষ্কারের জন্য।


অটোফেজি কী? যখন আপনি ১৬ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় না খেয়ে থাকেন, আপনার শরীর বাইরে থেকে খাবার পায় না। তখন বাঁচার তাগিদে শরীর তার ভেতরের মৃত কোষ, টক্সিন, এবং ক্যান্সারের প্রাথমিক সেলগুলোকে খেয়ে ফেলে শক্তি উৎপাদন করে। সোজা কথায়, শরীর নিজের ভেতরের ডাস্টবিন নিজেই পরিষ্কার করে।

কীভাবে করবেন? ৩৫ বছরের পর তিন বেলা পেট ভরে খাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।


• Intermittent Fasting: রাত ৮টায় খেয়ে নিন, পরদিন দুপুর ১২টার আগে ভারী কিছু খাবেন না। এই ১৬ ঘণ্টার গ্যাপে আপনার শরীর নিজেকে সারিয়ে নতুন করে তুলবে।

• সপ্তাহে অন্তত একদিন শুধু জল বা ফল খেয়ে থাকুন। দেখবেন, আপনার বয়স ১০ বছর কমে গেছে।


🧠 অধ্যায় ৩:  মন-ই আসল হিলিং সেন্টার (Psychoneuroimmunology)

আমাদের অসুখের শিকড় শরীরে নয়, মনে। বিজ্ঞান বলছে, ৯০% অসুখ 'সাইকোসোমাটিক' (Psychosomatic)। 'সাইকো' মানে মন, 'সোমা' মানে শরীর।


আপনার কি মনে আছে শেষ কবে আপনি প্রাণখুলে হেসেছিলেন? বা শেষ কবে কোনো কারণ ছাড়াই কেঁদেছিলেন? আমরা আমাদের আবেগগুলোকে দমিয়ে রাখি।


• যে রাগ আপনি প্রকাশ করেননি, তা উচ্চ রক্তচাপ হয়ে বের হয়।

• যে কান্না আপনি চেপে রেখেছেন, তা হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট হয়ে দেখা দেয়।

• যে ভয় আপনাকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে, তা কিডনির অসুখ ডেকে আনে।

• আর কাউকে ক্ষমা না করার জেদ ক্যান্সার তৈরি করে।

মনোবল শক্ত রাখার উপায়: নিজেকে এক্সপ্রেস করুন। চিৎকার করে গান গাইলে গান, নাচতে ইচ্ছে হলে নাচুন। কে কী ভাবল—তা নিয়ে ভাবার সময় এখন আর নেই। মনের আবর্জনা বের করে দিলেই শরীর হালকা হবে। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে বলুন, "আমি আমাকে ভালোবাসি, আমি আমাকে গ্রহণ করেছি।" এই ছোট বাক্যটি পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী মন্ত্র।


💧 অধ্যায় ৪:  জলই জীবন, নাকি জলই বিষ? (The Water Memory)


আমরা জানি জলের অপর নাম জীবন। কিন্তু আপনি কি জানেন, ভুল পদ্ধতিতে জল পান করলে তা বিষের মতো কাজ করে? বেশিরভাগ মানুষ দাঁড়িয়ে জল পান করেন। এতে কিডনির ফিল্টার নষ্ট হয় এবং আর্থ্রাইটিসের সমস্যা বাড়ে। আবার অনেকে খাবারের মাঝখানে ঢকঢক করে জল খান। এটি পেটের জঠরাগ্নি (Digestive Fire) নিভিয়ে দেয়, ফলে খাবার হজম না হয়ে পচে যায় এবং গ্যাস্ট্রিকের সৃষ্টি হয়।


সঠিক নিয়ম:

• জল সবসময় বসে, চুমুক দিয়ে (Sip by sip) পান করুন, যেন মুখের লালা (Saliva) জলের সাথে মিশে পেটে যায়। এই লালা ক্ষারীয় (Alkaline), যা পেটের অ্যাসিড প্রশমিত করে।

• খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে এবং খাওয়ার ১ ঘণ্টা পর জল পান করুন।

• প্লাস্টিকের বোতল বর্জন করুন। মাটির কলসি বা তামার পাত্রের জল পান করুন। এতে জলের 'Life Energy' বা প্রাণশক্তি বজায় থাকে।


🥗 অধ্যায় ৫:  খাবার যখন ওষুধ (Let Food Be Thy Medicine)


হিপোক্রেটিস বলেছিলেন, "তোমার খাবারই হোক তোমার ওষুধ।" কিন্তু আমরা খাবারকে বানিয়েছি বিনোদন। জিহ্বার স্বাদের জন্য আমরা যা খাই, তা আমাদের অন্ত্রের (Gut) জন্য অত্যাচার।

আমাদের শরীর 'মৃত' খাবার চেনে না। প্যাকেটজাত খাবার, ফ্রিজে রাখা বাসি খাবার, রিফাইন করা তেল ও চিনি—এগুলো সবই 'মৃত খাবার' (Dead Food)। এগুলো শরীরে গিয়ে কোনো শক্তি দেয় না, শুধু বোঝা বাড়ায়।

কী খাবেন?

• জীবন্ত খাবার (Living Food): প্রতিদিনের খাবারে অন্তত ৫০% কাঁচা শাকসবজি, ফল এবং সালাদ রাখুন। রান্না করা খাবারে এনজাইম নষ্ট হয়ে যায়, কিন্তু কাঁচা খাবারে 'প্রাণ' থাকে।

• সাদা বিষ বর্জন: সাদা চিনি, সাদা লবণ এবং ময়দা—এই তিনটি জিনিস রান্নাঘর থেকে বিদায় করুন। এগুলো সরাসরি হাড় ক্ষয় করে এবং ডায়াবেটিস ডেকে আনে।

• চিবিয়ে খাওয়া: খাবার এমনভাবে চিবাবেন যেন তা মুখে জল হয়ে যায়। মনে রাখবেন, "পাকস্থলীতে কোনো দাঁত নেই।"


🛌 অধ্যায় ৬:  ঘুম যখন মেরামতের সময় (The Circadian Rhythm)


আপনি হয়তো দিনে ৮ ঘণ্টা ঘুমান, তবুও সকালে ক্লান্ত লাগে। কেন জানেন? কারণ আপনি প্রকৃতির ঘড়ির সাথে মিল রেখে ঘুমাচ্ছেন না। আমাদের শরীরে একটি বায়োলজিক্যাল ক্লক আছে। রাত ১০টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত সময়টা হলো আমাদের শরীরের 'মেরামত' করার সময়। এই সময়ে আমাদের লিভার ডিটক্স করে, হরমোন ব্যালেন্স হয়।

কিন্তু আপনি যদি রাত ১টায় ঘুমান, তবে শরীর তার মেরামতের সময় পায় না। দিনের পর দিন এমন চলতে থাকলে শরীর ভাঙতে শুরু করে।

টিপস:

• রাত ১০টার মধ্যে বিছানায় যান।

• শোয়ার ১ ঘণ্টা আগে মোবাইল, ল্যাপটপ থেকে দূরে থাকুন। নীল আলো (Blue Light) আমাদের মস্তিষ্কের মেলাটোনিন হরমোন নষ্ট করে দেয়, যা ঘুমের জন্য দায়ী।

• শোয়ার ঘর সম্পূর্ণ অন্ধকার রাখুন। সামান্য আলোও আপনার গভীর ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।


👣 অধ্যায় ৭:  হাঁটা মানে জিম নয়, প্রকৃতির সাথে সংযোগ (Earthing & Movement)


৪০-এর পর জিমে গিয়ে ভারী লোহা তোলার দরকার নেই। দরকার 'ফাংশনাল মুভমেন্ট'। আমাদের শরীর তৈরি হয়েছে নড়াচড়া করার জন্য, চেয়ারে বসে থাকার জন্য নয়। কিন্তু এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো 'Earthing' বা মাটির সাথে সংযোগ।

আমরা এখন জুতো ছাড়া মাটিতে পা ফেলি না। ফলে পৃথিবী থেকে যে নেগেটিভ ইলেকট্রন আমাদের শরীরে প্রবেশ করে প্রদাহ (Inflammation) কমানোর কথা, তা আর হতে পারে না।

করনীয়:

• প্রতিদিন অন্তত ১০ মিনিট খালি পায়ে ঘাসের ওপর বা মাটিতে হাঁটুন। এটি আপনার নার্ভ সিস্টেম শান্ত করবে, প্রেশার কমাবে এবং ঘুমের উন্নতি ঘটাবে।

• সূর্যের আলো গায়ে মাখুন। ভিটামিন ডি কোনো ট্যাবলেট থেকে পাওয়া যায় না, তা পাওয়া যায় সূর্যের আলো আর চামড়ার কোলেস্টেরলের বিক্রিয়ায়। প্রতিদিন সকালে ১৫ মিনিট রোদ পোহান।


❤️ অধ্যায় ৮:  সম্পর্ক ও ক্ষমা – হৃদরোগের আসল প্রতিষেধক (Forgiveness Detox)


শুনতে অবাক লাগবে, কিন্তু অনেক মানুষ হার্ট অ্যাটাকে মারা যায় শুধু মনের ভেতর বছরের পর বছর পুষে রাখা ক্ষোভের কারণে। কাউকে ক্ষমা না করা মানে হলো—নিজে বিষ পান করে আশা করা যে অন্য কেউ মারা যাবে।


আপনার বয়স যদি ৫০-এর বেশি হয়, তবে আজই একটা কাজ করুন। চোখ বন্ধ করুন এবং সেই মানুষগুলোকে ক্ষমা করে দিন যারা আপনাকে ঠকিয়েছে, কষ্ট দিয়েছে। তাদের জন্য নয়, আপনার নিজের জন্য। বিশ্বাস করুন, ক্ষমা করে দেওয়ার পর আপনার বুকের ওপর থেকে যে পাথরটা নেমে যাবে, তা ১০টা হার্টের ওষুধের চেয়েও বেশি কার্যকরী।

একাকীত্ব ধূমপানের চেয়েও ক্ষতিকর। তাই মানুষের সাথে মিশুন। পুরানো বন্ধুদের খুঁজে বের করুন। নতুন সম্পর্ক গড়ুন। নাতি-নাতনিদের সাথে সময় কাটান। ভালোবাসার হরমোন 'অক্সিটোসিন' আপনার ইমিউনিটি বাড়াবে।


🌬️ অধ্যায় ৯:  শ্বাস – প্রাণের অদৃশ্য সুতো (The Power of Breath)


আমরা শ্বাস নিই, কিন্তু আমরা জানি না কীভাবে শ্বাস নিতে হয়। আমরা বুক ভরে ছোট ছোট শ্বাস নিই, যা আমাদের শরীরকে সবসময় 'ফাইট অর ফ্লাইট' (Stress Mode) মোডে রাখে। দীর্ঘ ও গভীর শ্বাস (Deep Breathing) আমাদের প্যারাসিম্প্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেমকে সক্রিয় করে, যা শরীরকে শান্ত করে।


প্রাণায়াম: প্রতিদিন সকালে ১০ মিনিট 'অনুলোম-বিলোম' বা 'গভীর শ্বাস' অনুশীলন করুন। কল্পনা করুন, প্রতিটি শ্বাসের সাথে মহাবিশ্বের পজিটিভ শক্তি আপনার শরীরে ঢুকছে, আর প্রতিটি নিঃশ্বাসের সাথে শরীরের সব রোগ, হতাশা কালো ধোঁয়া হয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। অক্সিজেনই হলো সেই জ্বালানি যা ক্যান্সার সেলকে ধ্বংস করতে পারে (ক্যান্সার সেল অক্সিজেন সমৃদ্ধ পরিবেশে বাঁচতে পারে না)।


🌟 অধ্যায় ১০:  মৃত্যুর ভয় ও আধ্যাত্মিক জাগরণ (Spiritual Acceptance)


সবশেষে, সুস্থ থাকার সবচেয়ে বড় বাধা হলো—মৃত্যুভয়। আমরা মরতে ভয় পাই বলেই বাঁচতে ভুলে যাই। যে মানুষ জানে যে মৃত্যু কোনো শেষ নয়, বরং এক নতুন যাত্রার শুরু, বা এক পোশাক বদলে অন্য পোশাক পরা—সে কখনো অসুস্থ হয় না। তার মনের জোর অসীম।

বার্ধক্য কোনো অভিশাপ নয়, এটি জীবনের একটি রাজকীয় অধ্যায়। চুলে পাক ধরা মানে আপনি অভিজ্ঞ, চামড়ায় ভাঁজ মানে আপনি জীবনের অনেক ঝড় সামলেছেন। নিজেকে বুড়ো ভাবা বন্ধ করুন।


জীবনের উদ্দেশ্য (Ikigai):  জাপানিরা একে বলে 'ইকিগাই'। অর্থাৎ, সকালে ঘুম থেকে ওঠার একটি কারণ। রিটায়ারমেন্ট মানে জীবনের শেষ নয়। নতুন কিছু শিখুন। বাগান করুন, বই লিখুন, সমাজসেবা করুন। যেদিন আপনার জীবনের উদ্দেশ্য শেষ হয়ে যাবে, সেদিন শরীরও হাল ছেড়ে দেবে। তাই শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত স্বপ্ন দেখুন।


🚀 উপসংহার:  চাবি আপনার হাতেই


প্রিয় পাঠক, এতক্ষণ যা পড়লেন, তা কোনো জাদুর মন্ত্র নয়, এটিই শাশ্বত জীবনধারা। ডাক্তার আপনাকে বাঁচাবে না, হাসপাতাল আপনাকে সুস্থ করবে না। সুস্থ থাকার চাবিকাঠি আপনার রান্নাঘরে, আপনার চিন্তায়, আপনার জীবনযাত্রায়।


সৃষ্টিকর্তা আপনাকে পাঠিয়েছেন একটি নিখুঁত মেশিন হিসেবে। এর যত্ন নিন। প্রকৃতির সাথে মিশুন। হাসুন, ভালোবাসুন, ক্ষমা করুন। আপনার মনের শক্তি যখন জেগে উঠবে, তখন কোনো রোগ আপনার শরীরে বাসা বাঁধতে সাহস পাবে না।


আপনি কি প্রস্তুত আপনার জীবনটাকে বদলে ফেলার জন্য? নাকি সেই ওষুধের বাক্সের কাছেই আত্মসমর্পণ করবেন? সিদ্ধান্ত আজই নিন।


 


#HolisticHealingRevolution #PsychoneuroimmunologyFacts #AutophagyBenefits #AgelessLivingSecrets #MindBodyMedicine #NaturalLongevityCodes #Healthylifestyle #MotivationDaily #WellnessJourney #MentalHealthMatters #InspirationalQuotes #LifeHacks #HealthyAgingTips #SeniorCitizenWellness #DrugFreeIndia #SpiritualityAndScience #BengaliWriterCommunity #LifeLessonsFromElders #NaturopathyInBengali #GutHealthAwareness #BengaliHealthGuide #AyurvedaLifestyle #EmotionalHealingJourney #সুস্থতা_ও_জীবন #বাঙালি_জীবনদর্শন #অনুপ্রেরণার_গল্প

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৭-০১-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৭-০১-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম: জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারাভিযান --- দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটছেন নেতারা --- ভোট চাইছেন দলীয় প্রার্থী ও নিজ মার্কার পক্ষে।


নির্বাচিত হলে দুর্নীতি ও মাদক মুক্ত দেশ গড়তে চায় বিএনপি --- ময়মনসিংহে নির্বাচনী জনসভায় বললেন তারেক রহমান।


ক্ষমতায় গেলে দেশে ন্যায় ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করার প্রতিশ্রুতি জামায়াতে ইসলামী আমিরের।


জুলাই সনদ সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করবে যেখানে প্রত্যেক নাগরিকের ধর্মীয় অধিকার নিশ্চিত হবে --- বললেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডক্টর আলী রিয়াজ।


তিন পার্বত্য জেলার ১২টি বিদ্যালয়ে ই-লার্নিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা।


ইরানের পাশে যুক্তরাষ্ট্রের রণতরী মোতায়েন করায় উত্তেজনা বৃদ্ধি --- মার্কিন হামলার গুরুতর পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করল ইরান।


এবং কলম্বোয় তৃতীয় ও শেষ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে ইংল্যান্ডের বেঁধে দেওয়া ৩৫৮ রানের জয়ের লক্ষ্যে এখন ব্যাট করছে শ্রীলঙ্কা।

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...