এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬

হ্যাম রেডিও অপারেটর হতে চান? 

 হ্যাম রেডিও অপারেটর হতে চান? 🌍📡

নিজের একটি ইউনিক কলসাইন আর এক সেট রেডিও নিয়ে পুরো পৃথিবীর সাথে যুক্ত হওয়ার স্বপ্ন এখন সত্যি হতে পারে। ইন্টারনেট বা মোবাইল নেটওয়ার্ক ছাড়াই পুরো পৃথিবীর সাথে যুক্ত হয়ে যান 📡


কল্পনা করুন, আপনার কাছে একটি রেডিও সেট আছে আর একটি অনন্য ‘কলসাইন’, যা দিয়ে আপনি মুহূর্তেই বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের মানুষের সাথে কথা বলতে পারছেন। এই রোমাঞ্চকর শখের নামই হলো অ্যামেচার রেডিও বা হ্যাম রেডিও ।


বাংলাদেশে একজন লাইসেন্সধারী হ্যাম রেডিও অপারেটর হওয়ার সহজ গাইডলাইনটি নিচে দেওয়া হলো:


✅ শুরুটা যেভাবে (ধাপ ১-৪): বিটিআরসি (BTRC) যখন সার্কুলার দেবে, তখন ১৭০০ টাকা ফি দিয়ে অনলাইনে আবেদন করুন । এরপর ঢাকাতে একটি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে যেখানে বেসিক ইলেকট্রনিক্স, রেডিও থিওরি এবং নিয়ম-কানুন নিয়ে প্রশ্ন থাকে । পরীক্ষায় পাস করলে বিটিআরসি থেকে আপনার সনদ সংগ্রহ করুন ।


✅ লাইসেন্স ও কলসাইন প্রাপ্তি (ধাপ ৫-৯): সনদ পাওয়ার পর MyGov পোর্টালের মাধ্যমে লাইসেন্স এবং আপনার নিজের জন্য একটি ইউনিক কলসাইন (যেমন: S21...) এর আবেদন করুন । পুলিশ ভেরিফিকেশন সফল হলে ডিমান্ড নোট অনুযায়ী ৩ বছরের জন্য ৬৩২৫ টাকা ব্যাংক ড্রাফট জমা দিন । মনে রাখবেন, ব্যাংক ড্রাফটের কপিটি অবশ্যই MyGov পোর্টালে আপডেট করতে হবে । সব প্রক্রিয়া শেষ হলে বিটিআরসি থেকে আপনার কাঙ্ক্ষিত লাইসেন্স বুঝে নিন ।


⚠️ মনে রাখা জরুরি (ডিভাইস সংক্রান্ত): লাইসেন্স পেলেই রেডিও ব্যবহার করা যাবে না। ডিভাইস (ওয়াকি-টকি, বেস বা এইচএফ রেডিও) আমদানির আগে বিটিআরসি থেকে অবশ্যই NOC (অনাপত্তি পত্র) নিতে হবে । ডিভাইস আনার পর সেটিকে পুনরায় আবেদনের মাধ্যমে আপনার লাইসেন্সে যুক্ত করে নিতে হবে ।


🌟 কেন হ্যাম রেডিও? 

এটি কেবল একটি শখ নয়, বরং দুর্যোগ বা জরুরি মুহূর্তে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর একটি শক্তিশালী মাধ্যম । নতুন প্রযুক্তি শেখা আর বিশ্বজুড়ে এক বিশাল কমিউনিটির অংশ হওয়ার সুযোগ তো থাকছেই !

আপনার কি রেডিও সিগন্যালের জগতে আসার স্বপ্ন আছে? প্রস্তুতি শুরু করুন আজই! 🎙️✨

#HamRadioBangladesh #BTRC #AmateurRadio #S21 #S21tcv #EmergencyCommunication #RadioLife

Nasal polyps/নাকের পলিপাসের হোমিও ঔষধ: ♦️Thuja occidentalis

 🛑Nasal polyps/নাকের পলিপাসের হোমিও ঔষধ:

♦️Thuja occidentalis


পলিপাসে থুজা প্রথম এবং প্রধান ঔষধ। থুজায় জলজ অবস্থায় এবং বর্ষাকালে রোগ প্রকাশ পায় বা বৃদ্ধি হয়। হাঁপানির ইতিহাস, বাতের ইতিহাস। ক্যালকেরিয়া কার্বের মত থুজার নাকের পলিপ থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে দেখা যায়। রোগীর নানান ধরনের ভ্রান্ত বিশ্বাস থাকে। 


♦️Sanguinaria Can

– ডান দিকের পলিপাসে

 ভালো কাজ করে।ডান দিকের মাথা যন্ত্রণা প্রায়ই প্রকাশ পায়। মাথার যন্ত্রণা দিনের বেলায়, সূর্যের আলোয় বৃদ্ধি পায়। ঠান্ডা প্রয়োগে, অন্ধকার ঘরে শুয়ে থাকলে কম হয় । 


♦️Sanguinaria Nitricum

-মনে হয় যেন নাক বুজে আছে। নাক দিয়ে পাতলা জলের মত প্রচুর শ্লেষ্মা বের হয় ও নাকের ভিতর জ্বালা করে। নাকের গোড়ার দিক চাপবোধ হয়, হাঁচি হয়। নাকের ভেতরের দিকে কাঁচা ঘা এর মত টাটানি বোধ হয়। এটা ও ডান নাকের পলিপে ভালো কাজ করে।


♦️Teucrium Marum Verum


– নাক চুলকায়, বারবার হাঁচি, গুড়া ক্রিমির লক্ষণাবলি বর্তমান থাকলে টিউক্রিয়াম নির্দিষ্ট ঔষধ। মলদ্বার চুলকাতে থাকে

বিশেষ করে সন্ধ্যাবেলা এবং রাত্রে। প্রায় সর্দি কাশি লেগে থাকে। নাকের গোড়ার দিকে পলিপ হয়।


♦️Lemna Minor


– পলিপের কারণে ঘ্রাণশক্তি কমে যাওয়া, স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় খারাপ থাকে।নাকের পলিপের সঙ্গে মুখে ও নাকে দুর্গন্ধ থাকলে। 


♦️Calcarea Carb 

– বারবার পলিপ হওয়ার প্রবণতা।নাক থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। রোগী মোটাসোটা,ফর্সা,থলথলে শরীর, শরীরে প্রচুর ঘাম, বিশেষ করে মাথায় এবং হাত পায়ের তালুতে। ডিম খুবই পছন্দের খাবার।।


♦️Phosphorus


-বাম নাকে বেশি সমস্যা। নাক থেকে রক্তপাত হয়। 

-মাথা যন্ত্রণায় পানি দিলে আরাম লাগে। রোগী শীত কাতর।ঠান্ডা খাবার পছন্দ করে। আইসক্রিম, চকলেট, লবণ, ঝাল খাবার বেশ প্রিয়। 

-রোগী নানান জিনিসের ভয় পায়, একা থাকতে ভয় পায়, ভূতের ভয় পায়, বজ্রপাতের ভয় পায়। 

-রোগীর দয়া মায়া বেশি। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। 


♦️Tuberculinum

-বারবার সর্দি, সাইনুসাইটিস বা নাক বন্ধ হওয়ার ইতিহাস।

-পলিপ বারবার ফিরে আসে (recurrent nasal polyp).রোগী খুব দুর্বল, ওজন কম, সহজে ঠান্ডা লাগে.

-পরিবারে টিবি (TB)যক্ষ্মা বা দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসতন্ত্রের রোগের ইতিহাস.

-অস্থিরতা, পরিবর্তনের প্রতি আকর্ষণ (mental restlessness).

-রাতে বেশি সমস্যা বা আবহাওয়া পরিবর্তনে বাড়ে.

-শীতকাতর,রাগ বেশি,কুকুর ভীতি, ভ্রমণ পছন্দ। 


♦️Kali bichrome

-ঘন, আঠালো, সুতা/দড়ির মতো সর্দি (stringy mucus).

-নাক বন্ধ, বিশেষ করে এক পাশ বেশি বন্ধ থাকে.

-সাইনাসে চাপ বা ব্যথা, বিশেষ করে নাকের গোড়া বা কপালে.

-সর্দি টানলে লম্বা সুতার মতো বের হয়।

-গন্ধ কমে যাওয়া বা হারিয়ে যাওয়া.

-ঠান্ডা আবহাওয়ায় বা সকালে সমস্যা বাড়ে.

-নাকের ভেতরে আলসার বা জ্বালা অনুভব। 


❤️❤️এছাড়া প্রোপার কেস টেকিং এর ভিত্তিতে যেকোনো মেডিসিন আসতে পারে।

⚫⚫সবাইকে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো।

আমরা যে মহাবিশ্ব দেখছি তাই শেষ নয়‚ ফেইসবুক থেকে নেওয়া  

 আমরা যে মহাবিশ্ব দেখছি তাই শেষ নয়‚ এই মহাবিশ্ব ছাড়াও মহাশূন্যে রয়েছে আরো সাত মহাবিশ্ব! সাম্প্রতিক আধুনিক বিজ্ঞান একটি তত্ত্ব আবিষ্কার করেছে “মাল্টিভার্স বা বহু-মহাবিশ্ব” তত্ত্ব‚ যা ১৪০০ বছর আগে বর্ণিত হওয়া পবিত্র কুরআনের “৭ আসমান” তথ্যের সাথে অদ্ভুত ভাবে মিলে যায়। আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং “স্ট্রিং থিওরি” অনুযায়ী‚ আমাদের এই মহাবিশ্বই শেষ নয়। বরং মহাকাশের বিশালতায় আমাদের মহাবিশ্বের মতো আরও অসংখ্য মহাবিশ্ব থাকতে পারে—ঠিক যেন সাবানের অনেকগুলো বুদবুদ পাশাপাশি ভেসে আছে! এগুলোকে বলা হয় “সমান্তরাল মহাবিশ্ব”। আমাদের এই মহাবিশ্বের দৃশ্যমান গ্যালাক্সি ও নক্ষত্রগুলো এর একটি ক্ষুদ্র অংশ মাত্র।


পবিত্র কুরআনে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা স্পষ্টভাবে “সাত আসমান”-এর কথা উল্লেখ করেছেন। “তিনিই আল্লাহ‚ যিনি সাত আসমান এবং তাদের মত পৃথিবীও (তদনুরূপ সংখ্যায়) সৃষ্টি করেছেন”(সূরা আত-তালাক: ১২)। তাফসীর অনুযায়ী‚ আমরা টেলিস্কোপ দিয়ে যত কোটি কোটি গ্যালাক্সি দেখি‚ সবই প্রথম আসমানের অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ বাকি ছয়টি আসমান আমাদের চেনা এই জগতের সীমানার একদম বাইরে‚ যা বিজ্ঞানের মাল্টিভার্স ধারণার মতোই এক বিশাল রহস্য। মাল্টিভার্স তত্ত্বে বিজ্ঞান বলে‚ মহাবিশ্ব বিভিন্ন স্তরে বিভক্ত হতে পারে; পবিত্র কুরআনও বলছে সাত আসমানের স্তরীভূত গঠনের কথা। মজার বিষয় হচ্ছে‚ মাল্টিভার্সের অন্য জগতগুলো যেমন আমরা দেখতে পাই না‚ তেমনি প্রথম আসমান ছাড়া বাকি আসমানগুলোও আমাদের সাধারণ দৃষ্টিশক্তির বাইরে!এমনকি‚ কুরআনের বর্ণনায় “তদনুরূপ পৃথিবী” থাকার বিষয়টি বিজ্ঞানের সমান্তরাল মহাবিশ্বের ধারণাকে দারুণভাবে সমর্থন করে।


মজার বিষয় কি জানেন? বিজ্ঞান যখন কোনো নতুন রহস্য উন্মোচন করে‚ দেখা যায় পবিত্র কুরআন অনেক আগেই সেদিকে ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছে। আমরা বিজ্ঞান দ্বারা এখনো হয়তো সেই রহস্যের মাত্র ৫% জানি (যা এখনো চোখে ধোঁয়াশা)! বাকিটা স্রষ্টার এক অকল্পনীয় বিশাল মহিমা! বিজ্ঞান খুঁজছে‚ সূত্র মিলাচ্ছে‚ হয়তো কিছু পাচ্ছে‚ বাকিসব ধোঁয়াশা। অথচ মহান স্রষ্টা ১৪০০ বছর আগের কিতাবে “থিউরি” লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন “সুবহানাল্লাহ।”

-মোঃ সাইফুল ইসলাম 

#Multiverse #SifulTheShow #IslamAndScience

Magura gazette ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মাগুরা শালিখা থানায় পাওনা টাকা নিয়ে ননদ ও ভাবীর লিখিত অভিযোগ, শালিখা ইউনিয়ন পরিষদে আসলে চড় মারা, জুতা ছুড়ে মারা ও মারার জন্য লাঠি খোঁজার অভিযোগ 


মাগুরা প্রতিনিধি : 

মিরা খাতুন (২২), পিং- সেকেন্দার আলী খান, গ্রাম- কাঠালবাড়ীয়া পশ্চিমপাড়া, শালিখা ইউনিয়ন তার স্বামীর বাড়ি সাগর বিশ্বাস, পিতা- মশিয়ার বিশ্বাস, গ্রাম- ছাইবাড়িয়া সুবেদেবনগর, ইউনিয়ন- ধকুলা, বাঘারপাড়া, যশোর। সোনিয়া খাতুন (৩১), পিতা- মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, স্বামী- সোহাগ আলী, গ্রাম- কাঁঠালবাড়ীয়া, তার পিতার বাড়ি মাগুরা সদর উপজেলার পাথরা গ্রামের পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডে। 


মিরা খাতুন, কাঁঠালবাড়ীয়া গ্রামের ছলেমান মোল্লার পুত্র ইয়াছিন মোল্লা গত ৪ বছর পূর্বে ২০২২ সালে ১৫ হাজার টাকা ধার দিয়ে ছিলো। গাছ থেকে পড়ে গিয়ে পা ভেঙ্গে ছিলো আর তার চিকিৎসার জন্য এই টাকা দেওয়া হয়, টাকা ফেরত দেওয়ার কথা ছিলো ৬ মাস পর। মিরার টাকা গুলো নেওয়া হয়ে ছিলো প্রতি বতরে ধান দিয়ে শোধ করার যার ধান বাবদ ১৫ হাজার টাকা ও আসল টাকা ১৫ হাজার মোট ৩০ হাজার টাকা। 

সোনিয়া খাতুন দেড় বছর পূর্বে ৪ মার্চ ২০২৫ সালে শালিখা বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) শুরুশুনা উত্তরপাড়া গ্রাম উন্নয়ন মহিলা সমিতির মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকা তুলে ছিলো। এরপর প্রতিবেশী পারভীনা খাতুনকে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয় আর ২০ হাজার টাকা দেওয়া হয় ইয়াছিনকে। ২০ হাজার টাকা থেকে মাত্র ৭৫০০ টাকা দিয়েছে এখনও ১৪ হাজার ৪০০ শত টাকা পাবে ইয়াছিনের কাছে। 


মিরা খাতুন ও সোনিয়া খাতুন জানান, গতকাল রবিবার ৩ মে সকাল ১০ টার সময় শালিখা ইউনিয়ন পরিষদ বোর্ড অফিসে যায়। তারপর দীপালি, পারভীন, ইয়াছিন যায় ১ টার সময় পরিষদে গেলে চেয়ারম্যান মোঃ আলী হুসাইন শিকদার জিজ্ঞাসা করে মিরার কাছে ১৫ হাজার টাকা নিয়েছে এটা ইয়াছিন অস্বীকার করে। আর সোনিয়া খাতুনের ২০ হাজার টাকার ব্যাপারে ইয়াছিন বলে সে ২ হাজার টাকা, বড় বউ পারভীনা ৪ হাজার টাকা, ছোট বৌ আফরোজা ৮ হাজার ৫০০ টাকা দিয়েছে আর মাত্র ২ হাজার টাকা পাবে। কিন্তু টাকা পাবে সোনিয়া ১৪৪০০ টাকা। আর পারভীনা খাতুনের ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিঃ এর রাউটিং নম্বর 105411257 একটা সই করা সাদা চেক নেয় সোনিয়া খাতুন। মিরা খাতুন ও সোনিয়া আরও জানায় চেয়ারম্যান হুসাইন আলী আমার ডানগালে কসে চড় মেরে দেয় এবং বেয়াদব বলে জুতা ছুড়ে মারে এবং মারার জন্য লাঠি খোঁজে।


প্রতিবেশী শাহিদ মোল্লার স্ত্রী হাসিনা বেগম ও শেফালী  বেগম জানান, এর আগেও চেয়ারম্যান আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে।


মিরা খাতুনের অভিযোগ :

অফিসার ইনচার্জ, শালিখা থানা, মাগুরা। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আমি মিরা খাতুন (২৬), পিতা-মোঃ সেকেন্দার আলী খান, সাং-কাঠালবাড়ীয়া, ইউনিয়ন-শালিখা, থানা-শালিখা, জেলা-মাগুরা, অত্র থানায় হাজির হইয়া অভিযোগ দায়ের করিতেছি যে, বিবাদী ১। মোঃ ইয়াছিন মোল্যা (৩৫), পিতা-মোঃ ছলেমান মোল্যা, ২। মোছাঃ পারভীনা খাতুন (৩২), স্বামী-মোঃ ইয়াছিন মোল্যা, ৩। মোছাঃ দিপালী খাতুন (৫০), স্বামী-মোঃ ছলেমান মোল্যা, সাং-কাঠালবাড়ীয়া, ইউনিয়ন-শালিখা, থানা-শালিখা, জেলা-মাগুরা। আমি একজন গৃহিনী। বিবাদীরা আমার খালাতো ভাই, ভাই এর স্ত্রী ও খালা হয়। গত চার বছর পূর্বে ১নং বিবাদী গাছের থেকে পড়ে গিয়ে পা ভেঙ্গে গেলে বিবাদীরা চিকিৎসার জন্য আমার স্বামী সাগর বিশ্বাস এর নিকট থেকে ৩০,০০০/- (ত্রিশ হাজার) টাকা ধার হিসাবে গ্রহণ করে। উক্ত টাকা বিবাদীদের এক মাসের মধ্যে ফেরৎ দিবার কথা ছিল কিন্তু বিবাদীরা আমার টাকা ফেরৎ না দিয়ে আজকাল করে গত চার বছর যাবৎ ঘুরাচ্ছে। আমি গত ইং-০৫/০৪/২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ০৯.০০ ঘটিকার সময় বিবাদীদের নিকট আমার পাওনা টাকা ফেরৎ চাইলে বিবাদীরা আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং আমার পাওনা টাকা ফেরৎ দেবেনা মর্মে হুমকি দেয়। সাক্ষী ১। সনিয়া খাতুন, স্বামী-সোহাগ, ২। মোঃ সেকেন্দার আলী খান, পিতা-মোঃ সুলতান খান, সাং-কাঠালবাড়ীয়া, ইউনিয়ন-শালিখা, থানা-শালিখা, জেলা-মাগুরা সহ স্থানীয় অনেকে জানে ও শুনিয়াছে। এমতাবস্থায় বিবাদীদের নিকট থেকে আমার পাওনা ৩০,০০০/- (ত্রিশ হাজার) টাকা উদ্ধার করা একান্ত প্রয়োজন। পরে আমি নিরুপায় হয়ে পরিবারের সহিত আলোচনা করিয়া থানায় আসিয়া অভিযোগ দায়ের করিলাম।

অতএব, মহোদয় উপরোক্ত ঘটনা বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করিতে আপনার সদয় মর্জি কামনা করি।

বিনীত, মিরা(মিরা খাতুন) তাং-১০/০৪/২০২৬ খ্রিঃ।


সোনিয়া খাতুনের অভিযোগ :

অফিসার ইনচার্জ শালিখা থানা মাগুরা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আমি মোছাঃ সোনিয়া খাতুন (৩১), পিতা-মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, সাং-কাঠালবাড়ীয়া, ইউনিয়ন-শালিখা, থানা-শালিখা, জেলা-মাগুরা, অত্র বিবাদী ১। মোঃ ইয়াছিন মোল্যা (৩৫), পিতা-মোঃ ছলেমান মোল্যা, ২। মোঃ ছলেমান মোল্যা (৬০), পিতা-সোনা মোল্যা, ৩। মোছাঃ পারভীনা খাতুন (৩২), স্বামী-মোঃ ইয়াছিন মোল্যা, ৪। মোছাঃ দিপালী খাতুন (৫০), স্বামী-মোঃ ছলেমান মোল্যা, সাং-কাঠালবাড়ীয়া, ইউনিয়ন-শালিখা, থানা-শালিখা, জেলা-মাগুরা। আমি একজন গৃহিনী। বিবাদীরা আমার প্রতিবেশী। গত দেড় বছর পূর্বে বিবাদীরা আমার নামে এনজিও থেকে লোনের মাধ্যমে ৩০,০০০/- (ত্রিশ হাজার) টাকা উঠাই নেয়। উক্ত টাকা বিবাদীদের এনজিওতে কিস্তির মাধ্যমে ফেরৎ দিবার কথা ছিল কিন্তু বিবাদীরা আমার টাকা ফেরৎ না দিয়ে আজকাল করে গত দেড় বছর যাবৎ ঘুরাচ্ছে। আমি গত ইং-০৫/০৪/২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ০৯.০০ ঘটিকার সময় বিবাদীদের নিকট আমার পাওনা টাকা ফেরৎ চাইলে বিবাদীরা আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং আমার পাওনা টাকা ফেরৎ দেবেনা মর্মে হুমকি দেয়। সাক্ষী ১। মিরা খাতুন (২৬), পিতা-মোঃ সেকেন্দার আলী খান, ২। মোঃ সেকেন্দার আলী খান, পিতা-মোঃ সুলতান খান, সাং-কাঠালবাড়ীয়া, ইউনিয়ন-শালিখা, থানা-শালিখা, জেলা-মাগুরা সহ স্থানীয় অনেকে জানে ও শুনিয়াছে। এমতাবস্থায় বিবাদীদের নিকট থেকে আমার পাওনা ৩০,০০০/- (ত্রিশ হাজার) টাকা উদ্ধার করা একান্ত প্রয়োজন। পরে আমি নিরুপায় হয়ে পরিবারের সহিত আলোচনা করিয়া থানায় আসিয়া অভিযোগ দায়ের করিলাম।

অতএব, মহোদয় উপরোক্ত ঘটনা বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করিতে আপনার সদয় মর্জি কামনা করি।

বিনীত

সোনিয়া (মোছাঃ সোনিয়া খাতুন)

তাং-১০/০৪/২০২৬ খ্রিঃ।


বিবাদী ইয়াছিনদের বাড়িতে কাউকে পাওয়া যায় নি।


এ ব্যাপারে শালিখা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান  মোঃ আলী হুসাইন শিকদার জানান, মিরা খাতুন, সোনিয়া খাতুন, ইয়াছিন সহ বেশ কয়েকজন লোকজন পাওনা টাকা বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদে আসে। তবে মিরা খাতুন টাকা পাবে তার কোন প্রমাণ নেই আর সোনিয়া খাতুনও টাকা পাবে। একটা ভুয়া ফটোকপি ব্যাংকের চেক নিয়ে তাতে ৬০ হাজার টাকার অঙ্ক লিখে দেখাচ্ছে। আর আমি মিরা খাতুনের চড় মারেনি ওরা দুজনেই মিথ্যা ও বানোয়াট কথা বলেছে।


Basic News 24

বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

পরচা নাকি খতিয়ান ফেইসবুক থেকে নেওয়া

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

 

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:০৬-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ

তারিখ:০৬-০৪-২০২৬ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কমপ্লায়েন্স অডিটের পাশাপাশি পারফরমেন্স অডিট সম্পাদনের ওপর গুরুত্বারোপ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


দেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্ন রাখতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ - বললেন প্রধানমন্ত্রী।


আগামী এক বছরের মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ের সব নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে - জানালেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।


স্বাস্থ্যসেবা কোনো সুবিধা নয় বরং এটি প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার - বললেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাক্তার জুবাইদা রহমান।


সরকার একটি মিডিয়া কমিশন গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছে - জানালেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।


ইউক্রেনের কয়েকটি প্রদেশে রাশিয়ার হামলায় ২৬ জনের মৃত্যু। 


আইসিসি’র সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ে অষ্টম স্থানে উঠে আসলো বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল।

রাত ০৮:৩০ মিনিটের বাংলা সংবাদ  তারিখ: ০৫-০৫-২০২৬ খ্রি.

 রাত ০৮:৩০ মিনিটের বাংলা সংবাদ 

তারিখ: ০৫-০৫-২০২৬ খ্রি.


আজকের শিরোনাম: 


সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কমপ্লায়েন্স অডিটের পাশাপাশি পারফরমেন্স অডিট সম্পাদনের ওপর গুরুত্বারোপ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


আগামী এক বছরের মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ের সব নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে - জানালেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।


জেলা প্রশাসক সম্মেলনের তৃতীয় দিনের অধিবেশনে দিক নিদের্শনা দিলেন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা - সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকদের সহযোগিতা চাইলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী। 


বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য চুক্তিকে পারস্পরিক স্বার্থে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ বাণিজ্যমন্ত্রীর।


চীনে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণে নিহত অন্তত ২৬ জন।


আইসিসি’র সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ে অষ্টম স্থানে উঠে আসলো বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল।

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:০৫-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ

তারিখ:০৫-০৫-২০২৬ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী।


চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলনের আজ তৃতীয় দিন - দ্বিতীয় দিনে বিভিন্ন অধিবেশনে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের নানা নির্দেশনা ও পরামর্শ দিলেন বেশ কয়েকজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী।


 ‘যুক্তিতে গড়ি বাংলাদেশ’ শিরোনামে বাংলাদেশ বেতারে শুরু হলো শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিতর্ক প্রতিযোগিতা - বেতার বিতর্কের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হবে - আশা প্রকাশ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।


আবার নীল জামা ও খাকি প্যান্ট হবে পুলিশের ইউনিফর্ম - সাংবাদিকদের বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।


দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ১৭ শিশু।


ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে বেসরকারী ফলাফল অনুযায়ী ঐতিহাসিক বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে বিজেপি।

রাত ০৮:৩০ মিনিটের বাংলা সংবাদ তারিখ: ০৪-০৫-২০২৬ খ্রি.

 রাত ০৮:৩০ মিনিটের বাংলা সংবাদ

তারিখ: ০৪-০৫-২০২৬ খ্রি.


আজকের শিরোনাম:


বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী।


চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলনের আজ দ্বিতীয় দিন - বিভিন্ন অধিবেশনে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের নানা নির্দেশনা ও পরামর্শ দিলেন বেশ কয়েকজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী।


‘যুক্তিতে গড়ি বাংলাদেশ’ শিরোনামে বাংলাদেশ বেতারে শুরু হলো শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিতর্ক প্রতিযোগিতা - বেতার বিতর্কের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হবে - আশা প্রকাশ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।


আবার নীল জামা ও খাকি প্যান্ট হবে পুলিশের ইউনিফর্ম - সাংবাদিকদের বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।


দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ১৭ শিশু।ভভারতের ৫ রাজ্যে চলছে বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা - পশ্চিমবঙ্গে এগিয়ে বিজেপি।

মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬

জরুরি মুহূর্তে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য বহুল ব্যবহৃত ২০টি হোমিওপ্যাথিক ওষুধের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

 🍁জরুরি মুহূর্তে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য বহুল ব্যবহৃত ২০টি হোমিওপ্যাথিক ওষুধের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা নিচে দেওয়া হলো। প্রতিটি ওষুধের কার্যকারিতা এবং লক্ষণের ওপর ভিত্তি করে বর্ননা দিচ্ছি ~


### ১. একোনাইট (Aconite Napellus)

হঠাৎ কোনো রোগের শুরুতেই এই ওষুধটি জাদুর মতো কাজ করে।

ঠান্ডা বাতাস লেগে জ্বর বা সর্দি হলে এটি প্রথম পছন্দ।

অত্যধিক মৃত্যুভয় এবং অস্থিরতা এই ওষুধের প্রধান লক্ষণ।

গায়ের চামড়া গরম ও শুকনো থাকে কিন্তু প্রচুর পিপাসা থাকে।

অস্থিরতার কারণে রোগী এপাশ-ওপাশ করতে থাকে।

মধ্যরাতে বা সন্ধ্যার পর লক্ষণের বৃদ্ধি ঘটে।

আকস্মিক ভীতি বা আতঙ্কের পর অসুস্থতায় এটি বেশ কার্যকর।

নাড়ি অত্যন্ত দ্রুত এবং শক্ত অনুভূত হয়।

শরীরের যেকোনো জ্বালাপোড়া বা ব্যথায় এটি দ্রুত কাজ করে।

এটি সাধারণত রোগের প্রাথমিক অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।

### ২. আর্নিকা (Arnica Montana)

যেকোনো ধরনের আঘাত বা থেঁতলে যাওয়ার জন্য এটি শ্রেষ্ঠ ওষুধ।

পড়ে গিয়ে চোট পাওয়া বা মচকানোর ব্যথায় এটি দারুণ কাজ করে।

রোগী মনে করে তার বিছানা খুব শক্ত এবং ব্যথায় কেউ ছুঁলে বিরক্ত হয়।

শরীরের কোথাও কালশিটে পড়লে এটি দ্রুত রক্ত চলাচলে সাহায্য করে।

অস্ত্রোপচারের পর বা প্রসবের পরবর্তী ব্যথায় এটি দেওয়া হয়।

অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রমের কারণে শরীর মেজমেজ করলে এটি উপকারী।

মাথায় আঘাত পাওয়ার পর অজ্ঞান হয়ে গেলে এটি জীবনদায়ী হতে পারে।

হৃৎপিণ্ডের পেশির দুর্বলতা বা হাইপারট্রফিতে এটি ব্যবহৃত হয়।

ব্যথার জায়গাটি কালচে বা নীলচে হয়ে গেলে এটি দ্রুত কাজ দেয়।

এটি বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরীণ—উভয়ভাবেই ব্যবহারযোগ্য।

### ৩. বেলাডোনা (Belladonna)

হঠাৎ প্রচণ্ড আক্রমণাত্মক জ্বরের ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত কার্যকর।

রোগীর মুখমণ্ডল লাল হয়ে যায় এবং চোখ উজ্জ্বল দেখায়।

শরীরের উত্তাপ এত বেশি থাকে যে হাতে তাপ অনুভূত হয়।

মাথাব্যথা বা যেকোনো ব্যথায় দপদপানি অনুভূত হয়।

রোগী আলোর দিকে তাকাতে পারে না এবং শব্দ সহ্য করতে পারে না।

গলার ব্যথা বা টনসিলের সমস্যায় এটি দ্রুত আরাম দেয়।

প্রবল জ্বরের ঘোরে রোগী প্রলাপ বকতে পারে।

হঠাৎ আসে এবং হঠাৎ চলে যায়—এমন লক্ষণে এটি ব্যবহৃত হয়।

শিশুদের দাঁত ওঠার সময়ের জ্বরে এটি খুব ভালো কাজ করে।

শরীরের কোথাও লাল হয়ে ফুলে গেলে এটি প্রদাহ কমায়।

### ৪. আর্সেনিক অ্যাল্ব (Arsenic Album)

পেটের অসুখ বা ফুড পয়জনিংয়ের জন্য এটি একটি আদর্শ ওষুধ।

রোগীর প্রচণ্ড মৃত্যুভয় এবং মানসিক অস্থিরতা থাকে।

অল্প অল্প করে ঘনঘন পানি পান করার প্রবণতা দেখা যায়।

শরীরের যেকোনো নিঃসরণ বা ব্যথায় প্রচণ্ড জ্বালাপোড়া থাকে।

মাঝরাতের পর লক্ষণের বৃদ্ধি এই ওষুধের প্রধান বৈশিষ্ট্য।

পচা মাছ, মাংস বা ফল খেয়ে পেট খারাপ হলে এটি কাজ করে।

ঠান্ডা খাবার খেলে পেটে ব্যথা বা বমি শুরু হতে পারে।

রোগী খুব দুর্বল বোধ করে কিন্তু অস্থিরতায় এক জায়গায় বসতে পারে না।

সর্দি বা হাঁপানির টান রাতে বেড়ে গেলে এটি উপকারে আসে।

আর্সেনিক অ্যালবাম শরীরের জীবনীশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

### ৫. রাস টক্স (Rhus Toxicodendron)

বর্ষাকালে বা বৃষ্টিতে ভিজে যদি শরীর ব্যথা হয় তবে এটি মহৌষধ।

রোগী স্থির হয়ে বসে থাকলে ব্যথা বাড়ে কিন্তু হাঁটলে কমে।

হাড়ের সংযোগস্থল বা লিগামেন্টের ব্যথায় এটি খুব কার্যকর।

জিহ্বার অগ্রভাগে লাল ত্রিকোণ চিহ্ন এই ওষুধের চেনার উপায়।

চর্মরোগে যদি ফোস্কা পড়ে এবং প্রচণ্ড চুলকানি থাকে তবে এটি দিন।

শরীরের জড়তা কাটাতে এবং পেশির প্রসারণে এটি সাহায্য করে।

সকালে ঘুম থেকে ওঠার সময় শরীর খুব শক্ত অনুভূত হয়।

এটি সাইটিকা বা বাতের ব্যথার জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় ওষুধ।

গরম সেঁক দিলে রোগী আরাম অনুভব করে।

স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় যেকোনো রোগের বৃদ্ধিতে এটি ব্যবহৃত হয়।

### ৬. ব্রায়োনিয়া অ্যাল্বা (Bryonia Alba)

শরীরের সামান্য নড়াচড়াতেই যদি রোগের বৃদ্ধি ঘটে তবে এটি দিন।

রোগী চুপচাপ শুয়ে থাকতে চায় এবং নড়লে কষ্ট বাড়ে।

অত্যধিক পিপাসা এবং বড় বড় ঢোক গিলে পানি পান করার ইচ্ছা।

জিহ্বা ও মুখগহ্বর সবসময় শুকনো থাকে।

বুকে ব্যথা বা শুকনো কাশির জন্য এটি দারুণ কাজ করে।

ব্যথার জায়গায় চাপ দিয়ে শুলে রোগী আরাম পায়।

মলত্যাগ খুব কঠিন এবং শুকনো গুটির মতো হয়।

মাথাব্যথা হলে মনে হয় মাথা ফেটে যাবে।

যেকোনো ঝিল্লি বা মেমব্রেনের প্রদাহে এটি খুব কার্যকরী।

ধীরে ধীরে রোগের আক্রমণ ঘটে এমন ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য।

### ৭. নাক্স ভূমিকা (Nux Vomica)

অনিয়মিত জীবনযাপন এবং অতিরিক্ত ওষুধের কুফল দূর করতে এটি সেরা।

পেট পরিষ্কার না হওয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় এটি ব্যবহৃত হয়।

অল্প অল্প মল ত্যাগের ইচ্ছা কিন্তু বারবার বেগ পাওয়া।

অতিরিক্ত কফি, মদ বা মসলাযুক্ত খাবার খাওয়ার পর অস্বস্তিতে এটি কাজ করে।

রোগী খুব খিটখিটে মেজাজের এবং শীতে কাতর হয়।

খাওয়ার পরপরই পেটে ভারবোধ বা গ্যাস হলে এটি উপকারী।

যেকোনো ধরনের হজম প্রক্রিয়ার গোলযোগে এটি প্রাথমিক ওষুধ।

মানসিক পরিশ্রম যারা বেশি করেন তাদের জন্য এটি খুব ভালো।

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মেজাজ খারাপ ও অস্বস্তি থাকে।

অনিদ্রাজনিত সমস্যায় এটি রাতে ঘুমের আগে ব্যবহার করা যায়।

### ৮. ইপিকাক (Ipecacuanha)

ক্রমাগত বমি বমি ভাব এবং বমির জন্য এটি অপ্রতিদ্বন্দ্বী।

বমি হওয়ার পরেও অস্বস্তি বা বমি ভাব দূর হয় না।

জিহ্বা সবসময় পরিষ্কার এবং ভেজা থাকে।

পিপাসাহীনতা এই ওষুধের একটি উল্লেখযোগ্য লক্ষণ।

গলায় গড়গড় শব্দ হওয়া কাশির ক্ষেত্রে এটি চমৎকার কাজ করে।

শিশুদের বদহজম বা পেটের অসুখে বমি থাকলে এটি দিন।

নাক দিয়ে বা শরীরের যেকোনো ছিদ্র দিয়ে উজ্জ্বল লাল রক্তক্ষরণ।

পেটের কামড়ানি বা আমাশয়ের ব্যথায় এটি বেশ কার্যকর।

বর্ষাকালে সর্দি-কাশির সাথে হাঁপানির টানে এটি দেওয়া হয়।

খাবার দেখলেই বা খাবারের গন্ধে বমি ভাব আসলে এটি কার্যকর।

### ৯. হিপার সালফার (Hepar Sulphur)

শরীরের কোথাও পুঁজ হওয়ার প্রবণতা থাকলে এটি দ্রুত কাজ করে।

রোগী ঠান্ডায় অত্যন্ত কাতর এবং খোলা বাতাস সহ্য করতে পারে না।

যেকোনো ছোট ক্ষত খুব দ্রুত পেকে যায় এবং ব্যথা করে।

ক্ষত স্থান থেকে পুরনো পনিরের মতো দুর্গন্ধযুক্ত পুঁজ বের হয়।

গলার ব্যথায় মনে হয় যেন কোনো কাঠি ফুটে আছে।

প্রচণ্ড রাগী এবং খিটখিটে স্বভাবের রোগীদের জন্য এটি ভালো।

শরীরের চামড়া সামান্য কিছুতে ফেটে যাওয়ার প্রবণতা থাকে।

ঠান্ডা লাগলে কানে ব্যথা বা টনসিলের ব্যথায় এটি কার্যকর।

হালকা গরম কাপড় জড়িয়ে রাখলে রোগী আরাম বোধ করে।

এটি ফোড়াকে খুব দ্রুত পাকিয়ে দেয় অথবা শুকিয়ে ফেলে।

### ১০. ক্যানথারিস (Cantharis)

আগুনে পুড়ে গেলে বা গরম কিছু দিয়ে ছ্যাঁকা লাগলে এটি জাদুর মতো কাজ করে।

প্রস্রাবে প্রচণ্ড জ্বালাপোড়া এবং বারবার প্রস্রাবের বেগে এটি সেরা ওষুধ।

পুড়ে যাওয়া স্থানে ফোস্কা পড়া রোধ করতে এটি ব্যবহার করা হয়।

যেকোনো ধরনের জ্বলুনি বা দাহ কমাতে এটি অতুলনীয়।

প্রস্রাবের সাথে রক্ত গেলে বা পুঁজ এলে এটি দ্রুত উপশম দেয়।

শরীরের চামড়া পুড়ে গিয়ে জ্বালাপোড়া করলে বাহ্যিকভাবেও লাগানো যায়।

পিপাসা থাকলেও পানি দেখলে বা পান করলে কষ্ট বাড়ে।

কিডনি বা মূত্রথলির প্রদাহে এটি চমৎকার কাজ করে।

পোড়া ব্যথার কারণে রোগী খুব ছটফট করতে থাকে।

সদ্য পুড়ে যাওয়া স্থানে এটি ব্যবহার করলে দাগ হওয়ার ভয় কম থাকে।

### ১১. লেডাম পল (Ledum Palustre)

মশা, মৌমাছি বা যেকোনো পোকামাকড় কামড়ালে এটি প্রাথমিক ওষুধ।

পেরেক বা সুচ ফুটে যাওয়ার ক্ষতে এটি টিটেনাস প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে।

শরীরের নিচের অংশ থেকে বাতের ব্যথা উপরের দিকে উঠলে এটি দিন।

আঘাতপ্রাপ্ত স্থান ঠান্ডা হয়ে যায় কিন্তু রোগী ঠান্ডা সেঁকেই আরাম পায়।

কালো বা নীল হয়ে যাওয়া চোখের চারদিকের কালশিটে দূর করে।

পায়ের গোড়ালি মচকানো বা হাড়ের ব্যথা সারাতে এটি খুব কার্যকর।

রক্তশূন্যতা এবং দুর্বলতার ক্ষেত্রে এটি উপকারী হতে পারে।

কামড়ানোর জায়গায় যদি তীব্র চুলকানি বা লালচে ভাব থাকে।

পশু-পাখির কামড়ে ইনফেকশন রোধ করতে এটি প্রয়োগ করা হয়।

আঘাতের জায়গা শীতল অনুভূত হওয়া এর প্রধান লক্ষণ।

### ১২. পালসেটিলা (Pulsatilla)

নরম মেজাজের এবং ক্রন্দনশীল রোগীদের জন্য এটি প্রধান ওষুধ।

পিপাসাহীনতা এই ওষুধের সবচেয়ে বড় চেনার উপায়।

খোলা বাতাসে ঘুরলে বা ঠান্ডা লাগালে রোগী ভালো বোধ করে।

তৈলাক্ত বা চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার পর বদহজম হলে এটি দিন।

শরীরের যেকোনো নিঃসরণ ঘন, হলদেটে এবং যন্ত্রণাহীন হয়।

মেয়েরদের ঋতুস্রাবজনিত সমস্যায় এটি খুব ভালো কাজ করে।

ব্যথা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ঘনঘন যাতায়াত করে।

বন্ধ ঘরে থাকলে রোগীর শ্বাসকষ্ট বা অস্বস্তি বাড়ে।

বিকেলে বা সন্ধ্যার পর রোগের বৃদ্ধি ঘটে।

মানসিকভাবে শান্ত প্রকৃতির মানুষের ক্ষেত্রে এটি বেশি কার্যকর।

### ১৩. চায়না (Cinchona/China)

শরীরের তরল পদার্থ ক্ষয়ের কারণে দুর্বলতায় এটি মহৌষধ।

রক্তক্ষরণ, অতিরিক্ত ঘাম বা ডায়েরিয়ার পর দুর্বলতায় এটি দিন।

পেটে প্রচণ্ড গ্যাস হওয়া এবং পেট ঢোলের মতো ফুলে যাওয়া।

হজমে সমস্যা এবং কোনো খাবারই ঠিকমতো হজম না হওয়া।

মাথা ঘোরে এবং কানে ভোঁ ভোঁ শব্দ হওয়া এর লক্ষণ।

সামান্য ছোঁয়া লাগলে ব্যথা বাড়ে কিন্তু জোরে চাপলে ভালো লাগে।

পর্যায়ক্রমে জ্বর আসা বা ম্যালেরিয়া জ্বরের ক্ষেত্রে এটি কার্যকর।

অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা দূর করতে এটি সাহায্য করে।

শরীর খুব ঠান্ডা হয়ে যায় কিন্তু রোগী বাতাস চায়।

অসুস্থতার পর দ্রুত বল ফিরে পেতে এটি ব্যবহৃত হয়।

### ১৪. স্পঞ্জিয়া (Spongia Tosta)

হঠাৎ দমবন্ধ করা শুকনো কাশির জন্য এটি সেরা ওষুধ।

কাশির শব্দ অনেকটা করাত দিয়ে কাঠ কাটার মতো মনে হয়।

রাতে ঘুমের মধ্যে হঠাৎ শ্বাসকষ্ট শুরু হলে এটি দিন।

গরম খাবার বা পানীয় খেলে কাশিতে কিছুটা আরাম পাওয়া যায়।

হৃৎপিণ্ডের সমস্যার কারণে শ্বাসকষ্টেও এটি কাজ করে।

গলগণ্ড বা থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যায় এটি ব্যবহৃত হয়।

বুকে সাঁই সাঁই শব্দ হয় এবং কফ তোলা খুব কঠিন হয়ে পড়ে।

মাঝরাতের আগে কাশির বৃদ্ধি এই ওষুধের বৈশিষ্ট্য।

কন্ঠনালীতে জ্বালাপোড়া এবং শুষ্কতা অনুভূত হয়।

হাঁপানির টান বা শ্বাসরোধকারী কাশির জন্য এটি ঘরে রাখা জরুরি।

### ১৫. হাইপারিকাম (Hypericum)

স্নায়ু বা নার্ভের যেকোনো আঘাতের জন্য এটি প্রধান ওষুধ।

আঙুলের মাথায় চোট বা দরজায় আঙুল চাপা লাগলে এটি দিন।

মেরুদণ্ডে আঘাত লাগার পর তীব্র ব্যথায় এটি দারুণ কাজ করে।

ছিঁড়ে যাওয়া বা কেটে যাওয়া ক্ষত যেখানে প্রচুর স্নায়ু থাকে।

অস্ত্রোপচারের পর নার্ভের ব্যথা কমাতে এটি ব্যবহৃত হয়।

ব্যথা নিচ থেকে উপরের দিকে ছড়িয়ে পড়ে।

স্নায়বিক উত্তেজনার কারণে খিঁচুনি রোধ করতে এটি কাজ করে।

দাঁত তোলার পর বা মাড়ির ব্যথায় এটি বেশ কার্যকর।

এটি 'আর্নিকা'র মতো কিন্তু নির্দিষ্টভাবে স্নায়ুর ওপর কাজ করে।

পশু বা পোকামাকড়ের কামড়ে স্নায়বিক যন্ত্রণা কমাতে এটি দিন।

### ১৬. কলোসিন্থ (Colocynthis)

পেটে প্রচণ্ড মোচড়ানো ব্যথার জন্য এটি অসাধারণ ওষুধ।

রোগী ব্যথার সময় পেটের ওপর চাপ দিয়ে বা সামনের দিকে ঝুঁকে থাকে।

রাগের কারণে বা মানসিক ক্ষোভ থেকে পেট খারাপ হলে এটি কাজ করে।

ডান দিকের সাইটিকা বা স্নায়বিক ব্যথায় এটি ব্যবহৃত হয়।

পেটে গ্যাসের কারণে প্রচণ্ড অস্বস্তি ও কামড়ানি অনুভূত হয়।

গরম সেঁক দিলে বা জোরে চাপ দিলে ব্যথা কমে।

পাকস্থলী এবং অন্ত্রের পেশির খিঁচুনি দূর করতে এটি সাহায্য করে।

আমাশয়ের সময় পেট ব্যথায় এটি দ্রুত আরাম দেয়।

ফলমূল খাওয়ার পর পেট ব্যথায় এটি প্রয়োগ করা হয়।

এই ওষুধের রোগী ব্যথার যন্ত্রণায় খুব অস্থির হয়ে পড়ে।

### ১৭. কফিয়া ক্রুডা (Coffea Cruda)

অতিরিক্ত আনন্দের পর অনিদ্রা হলে এই ওষুধটি কার্যকরী।

মস্তিষ্ক খুব সজাগ থাকে এবং অনেক চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খায়।

ইন্দ্রিয়শক্তি অত্যন্ত প্রখর হয়ে যায় এবং সামান্য শব্দে কষ্ট হয়।

দাঁতে ব্যথা যা ঠান্ডা পানি মুখে রাখলে কমে যায়।

অতিরিক্ত কফি পান করার কুফল দূর করতে এটি ব্যবহৃত হয়।

মানসিক উত্তেজনা বা খবরের কারণে স্নায়বিক অস্থিরতা।

ঘুম আসলেও রোগী ঘুমাতে পারে না এমন অবস্থায় এটি দিন।

মাথাব্যথা মনে হয় যেন মাথায় কোনো পেরেক ঠুকছে।

নার্ভের যন্ত্রণায় রোগী পাগলের মতো হয়ে যায়।

শান্ত ও গভীর ঘুম ফিরিয়ে আনতে এটি সহায়তা করে।

### ১৮. ডিজিটালিস (Digitalis)

হৃৎপিণ্ডের ধড়ফড়ানি বা নাড়ির গতি খুব ধীর হলে এটি দেওয়া হয়।

একটু চলাফেরা করলেই মনে হয় হার্ট বন্ধ হয়ে যাবে।

লিভারের সমস্যার কারণে জন্ডিস হলে এটি ভালো কাজ করে।

মল সাদাটে বা মাটির মতো রঙের হলে এটি নির্দেশিত হয়।

বুকে ভারী বোধ এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া এর লক্ষণ।

হৃৎপিণ্ডের ভালভের সমস্যায় এটি টনিক হিসেবে কাজ করে।

প্রস্রাব পরিমাণে খুব কম এবং বারবার বেগ পাওয়া।

রোগীর চেহারা নীলচে বা ফ্যাকাশে হয়ে যেতে পারে।

ঘুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয়ে রোগী জেগে ওঠে।

এটি ব্যবহারের সময় অবশ্যই অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

### ১৯. সাইলেসিয়া (Silicea)

শরীরের ভেতর আটকে থাকা কোনো কাঁটা বা কাঁচ বের করতে এটি অপ্রতিদ্বন্দ্বী।

পুঁজ বের করা এবং দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত সারাতে এটি ব্যবহৃত হয়।

রোগী খুব শীতে কাতর এবং মাথায় সব সময় কাপড় রাখতে চায়।

হাতের তালু এবং পায়ের তলায় অত্যন্ত দুর্গন্ধযুক্ত ঘাম হয়।

যেকোনো চর্মরোগ যা সহজে সারতে চায় না তাতে এটি কার্যকর।

শিশুদের হাড়ের বৃদ্ধি ঠিকমতো না হলে এটি দেওয়া হয়।

কোষ্ঠকাঠিন্যের এমন অবস্থা যেখানে মল বেরিয়ে আবার ঢুকে যায়।

এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

দাঁতের গোড়ায় পুঁজ বা ফোড়া হলে এটি দ্রুত কাজ করে।

ধীরস্থীর কিন্তু জেদী স্বভাবের রোগীদের জন্য এটি উপযোগী।

### ২০. ইউফ্রেসিয়া (Euphrasia)

চোখ দিয়ে পানি পড়া এবং চোখের প্রদাহে এটি মহৌষধ।

চোখ লাল হয়ে যায় এবং জ্বালাপোড়া করে।

চোখের সাথে নাক দিয়ে সর্দি ঝরে কিন্তু নাকের সর্দি ত্বকে ক্ষত করে না।

চোখ থেকে যে জলীয় পদার্থ বের হয় তা ঘন এবং ঝাজালো হয়।

আলোর দিকে তাকালে চোখে প্রচণ্ড অস্বস্তি ও পানি আসা।

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর চোখের পাতা আঠা দিয়ে লেগে থাকা।

এটি সর্দি-কাশির সাথে চোখ জ্বলার ক্ষেত্রে খুব ভালো কাজ করে।

চোখে বাইরের কিছু পড়লে বা আঘাত লাগলে এটি ব্যবহৃত হয়।

শিশুদের চোখ ওঠার সমস্যায় এটি নিরাপদ ও কার্যকর।

বাহ্যিকভাবে চোখ ধোয়ার জন্য এর লোশন ব্যবহার করা যায়।

🚫 Respect Original Creation

কপি করলে কপিরাইটের ঝুকি থাকে। 

 নিরাপদ থাকতে শেয়ার করে রেখে দিন। 


🩺Dr.Md.Forhad Hossain 

D.H.M.S(B.H.B),DHAKA

Pdt(Hom)

Consultant:Homoeopathic  Medicine 

Helpline:01955507911

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...