এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---


পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না।


নাটোরের মহারানী ভবানী ও নড়াইলের জমিদার। তার নাতনির জন্য শুরু হল "পরীর খাট"তৈরির কাজ।একটানা কাজ করছে কাঠ মিস্ত্রি যে করেই হোক তৈরি করতেই হবেই পরীর খাট,কাজ শেষ হবার কোন লক্ষণ রানী ভবানী দেখতে পেল না,মনে হলো তাজমহল তৈরি হচ্ছে।শুধু টুকটাক হাতুড়ির শব্দ শোনা ছাড়া কিছুই নজরে এলো না।টানা আটটি বছর ধরে খাটের কাজ চললো ত্রিশজন মিস্ত্রি এই কাজ করলো।এক সময় রানীকে দেখানো হলো পরীর খাট।লক্ষণীয় হলো চারটি পরীর একই চেহারা,উচ্চতা,হাতের মাপ,পায়রে মাপ একই।

একটি কে সরিয়ে অন্যটি দেখলে একটাই মনে হবে।কি নিখুঁত কোকড়ানো চুলের বাহার,হাতের পিছনে পরীর পাখা,চোখের পাতা,হাতের নখ,

পায়ের নখ,হাতে গাদা ফুল,কাপড়ের ডিজাইন 

দেখলে মনে হবে বর্তমান সময়ের আধুনিক ডিজাইনাররা এই পোষাকের ডিজাইন করেছে,

একেবারেই আধুনিকতায় ভরপুর,অসাধারণ

এক শিল্পকর্ম এটি,খাটটি জুড়ে দিলে কোন জোড়া খুঁজে পাওয়া মুশকিল,চারটি পরী হলো খাটের পায়া রানী ভবানীর পছন্দ হলো।সে নাতনীকে খাটটি উপহার দিল। কিংবদন্তি আছে ঐ মিস্ত্রিদের নাকি হাত কেটে ফেলেছিল যাতে করে আর এই ধরনের খাট তৈরি করতে না পারে,এই ঘটনা কতটুকু সত্য জানি না,এর কোন সাক্ষী তো আর বেঁচে নেই!!!

এই খাটটি রানী ভবানীর ইচ্ছেতেই নাতির জন্য তৈরি করা হয়েছিল।রানী ভবানী চলে যায় দত্তক পুত্র রামকৃষ্ণের কাছে জমিদারি অর্পণ করে মুর্শিদাবাদ একমাত্র মেয়ের কাছে।ওয়ারেন হেস্টিংস জোর পূর্বক সকল সম্পদ জমিদারি কেড়ে নেন।


সুচতুর বুদ্ধিমান নড়াইলের জমিদার কালীশঙ্কর লর্ড কর্নওয়ালিসের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তিত হওয়ার ফলে নাটোরের বিশাল জমিদারি বাকী খাজনার দায়ে নিলামে বিক্রয় হতে থাকলে, কালীশঙ্কর সুকৌশলে নাটোরের বিশাল তালুক ও মহাল নিলামে ক্রয় করে পিতার ক্ষুদ্র জমিদারি বৃদ্ধি করেন।


এক বিশাল রাজবাড়ি নির্মাণ করেন।রানী ভবানীর সম্পত্তি নিলামে কিনতে কিনতে কোন এক সুযোগে এই পরীর খাটটি কালীশঙ্কর নড়াইল তার রাজবাড়িতে নিয়ে আসেন।

নড়াইলের কালীশঙ্করের জমিদারির প্রধান পন্ডিত ছিলেন শশিভূষন স্মৃতি রত্নের পুত্র বামন দাস বিদ্যাসাগর।আমি আগেই আপনাদের জানিয়েছিনড়াইলের জমিদারগন শিক্ষানুরাগী ছিলেন,সে কারনের তৎকলীন বামন দাস বিদ্যাসাগরের মতো জ্ঞানি ব্যক্তিকে প্রধান পন্ডিত করেছিলেন।ভারতবর্ষের জমিদারি যখন ব্রিটিশ সরকার বিলুপ্ত করে তখন এই 'পরীর খাট'নড়াইলের জমিদার কালীশঙ্কর নাকি তার প্রধান পণ্ডিত বামন দাস বিদ্যাসাগরকে দান করে ছিলেন।সেই দান করা খাটটি বামন দাস বিদ্যাসাগরের তৃতীয় পুত্র লক্ষী নারায়ণ ভট্টাচার্য নড়াইল জমিদার বাড়ি থেকে ইতনা নিয়ে আসে,ইতনা বামন দাস বিদ্যাসাগরের  নিজেদের বাড়ি বর্তমান ফাতেমা ম্যানসনে।কিন্তু দুঃখের বিষয় তারা খাটটি সেটিং করতে পারলেন না।এই সেটিংনা করার ব্যাপারটি এরকম যখন নাটোরের মহারানী ভবানীর ওখান থেকে খাটটি আনা হয় তখন এর প্রতিটি সংযোগ স্থলের নাট, বোল্ড সে কাঠের হোক আর লোহার হোক হারিয়ে যায়।সে কারনে নড়াইলের জমিদার এবং বামন দাস বিদ্যাসাগরের পুত্র লক্ষী নারায়ণ ভট্টাচার্য এই খাটে ঘুমাতে পারেননি।১৯৬০ খ্রিস্টাব্দে।

আশির দশকে এক সাংবাদিক নড়াইল ইতনা ঘুরতে এসে এই খাট দেখে তখন পত্রিকায় নিউজ করলে,,

সরকারি উচ্চ মহলের প্রচেষ্টায় খাটটি সংরক্ষণের জন্য বাংলাদেশের জাতীয় জাদুঘরে রাখা হয়। যা জনসাধারণের দেখার জন্য এখনো সেখানে সংরক্ষিত আছে--

লেখা চিত্রকর আজগর আলী সহযোগিতায়।

পায়ের গোড়ালি ব্যথার হোমিও ঔষধ

 🛑পায়ের গোড়ালি ব্যথার হোমিও ঔষধ 🛑


♦️Antim Crud

-গোড়ালিতে চাপ দিলে ব্যথা বেশি লাগে.

-পায়ের তলা শক্ত/মোটা (callosity, corn) থাকে.

-বেশি হাঁটা বা দাঁড়ালে ব্যথা বাড়ে.

-শক্ত মেঝেতে অস্বস্তি বাড়ে.

-সাথে হজমের সমস্যা (অরুচি, জিহ্বায় সাদা আবরণ) থাকে।

-এছাড়া রোগী শীতকাতর,ঠান্ডা পানিতে গোসলের ভয়, রোমান্টিক, চাঁদের আলোয় হাঁটতে ভালোবাসে।


♦️Ruta Graveolens

-লিগামেন্ট/টেন্ডনে টান ও ব্যথা.

-গোড়ালিতে চাপ দিলে তীব্র ব্যথা.

-হাঁটা বা দাঁড়ালে ব্যথা বাড়ে

-শক্ত মেঝেতে হাঁটলে কষ্ট বেশি।

পায়ের তলায় টান বা strain-এর অনুভূতি

অতিরিক্ত হাঁটা/দাঁড়িয়ে কাজ করার পর ব্যথা শুরু।

-মচকানো (sprain)

টেন্ডন/লিগামেন্ট ইনজুরি।

-

♦️ Rhus Tox

-সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথমে ব্যথা বেশি,

কিছুক্ষণ হাঁটাচলা করলে ধীরে ধীরে আরাম লাগে।

-ঠান্ডা বা ভেজা আবহাওয়ায় ব্যথা বাড়ে.

-শক্ত হয়ে থাকা (stiffness) অনুভূতি থাকে.

-বেশি বিশ্রামে থাকলে ব্যথা বাড়ে.


♦️Bryonia Alb


-সামান্য হাঁটা বা নড়াচড়াতেই ব্যথা তীব্র হয়ে যায়.

-পা স্থির রাখলে আরাম লাগে.

-ব্যথা শুকনো, টান টান বা ছিঁড়ে যাওয়ার মতো অনুভূতি.

-আক্রান্ত জায়গা নাড়াতে ইচ্ছে করে না.

-শরীর শুষ্ক লাগে, তৃষ্ণা বেশি.দীর্ঘক্ষণ পরপর অনেকখানি করে পানি পান করে। 

-কোষ্ঠকাঠিন্য, পায়খানা খুব কষা. 

-ঠান্ডা লাগলে বা নড়াচড়ায় সমস্যা বাড়ে.


♦️Calcarea Fluor

দীর্ঘদিনের হিল পেইন

শক্ত বা ক্যালসিয়াম জমাট ধরনের সমস্যা


 ♦️Calcarea Carb

-শরীরে ওজন বেশি, সহজে ক্লান্ত

পায়ে চাপ পড়লে ব্যথা বাড়ে.

-বেশি ঘাম (বিশেষ করে মাথা/পা)

দীর্ঘদিনের heel pain.

-শীতকাতর,ডিম,লবণ প্রিয়। 

★ যাদের গঠন মোটাসোটা ও ধীরগতির, তাদের ক্ষেত্রে বেশি কাজে লাগে।


♦️Ledum Pal

-পায়ের গোড়ালিতে খোঁচা বা সূচ ফোটার মতো ব্যথা.

-ঠান্ডা দিলে আরাম লাগে.

-নিচ থেকে উপরের দিকে ব্যথা ছড়ায়.


♦️Arnica Montana

-আঘাত, চাপ বা বেশি হাঁটার পর ব্যথা শুরু.

জায়গাটা স্পর্শ করলে ব্যথা লাগে.তীব্র ব্যথা,রোগী যেখানে সেখানে ঘা লাগার ভয় পায় । 

“bruise” বা থেঁতলানো ব্যথার মতো অনুভূতি।

-গরম প্রয়োগে আরাম লাগে। 


♦️Phytolocca

-ব্যথা গভীর ও ছড়ানো ধরনের হয়

চাপ দিলে ব্যথা অন্য জায়গায় ছড়ায়.

-শরীরে গাঁট বা টিউমার টাইপ শক্ত ফোলা

-স্তনে গাঁট, ব্যথা (mastitis) থাকতে পারে।


🔴🔴এছাড়া প্রোপার কেস টেকিং এর ভিত্তিতে যেকোনো মেডিসিন আসতে পারে। 

❤️❤️সবাইকে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো। 

স্পর্শ করলে ব্যথা ছড়ায়.

হোমিওপ্যাথির শত্রু ওষুধের সংক্ষিপ্ত তালিকা!

 🌿🔴 হোমিওপ্যাথির শত্রু ওষুধের সংক্ষিপ্ত তালিকা!

❌ কোন ওষুধ একসাথে বা আগে-পরে ব্যবহার করা বিপজ্জনক?

(ক্লাসিক্যাল সূত্র: Samuel Hahnemann, Kent, Boericke)

🔴 (A) ⚠️ TRUE INIMICAL – প্রকৃত শত্রু ওষুধ (২০টি)

👉 এই জোড়াগুলো সবচেয়ে বেশি সতর্কতার দাবি রাখে

১. এপিস মেলিফিকা ↔ রাস টক্স

২. অ্যালিয়াম সেপা ↔ অ্যালিয়াম স্যাটিভাম

৩. কস্টিকাম ↔ ফসফরাস

৪. ক্যামোমিলা ↔ জিঙ্কাম মেটালিকাম

৫. ইগ্নেশিয়া ↔ নাক্স ভোমিকা

৬. সেপিয়া ↔ ল্যাচেসিস

৭. মারকিউরিয়াস ↔ সিলিসিয়া

৮. বেলাডোনা ↔ ক্যামফোরা

৯. কফিয়া ↔ নাক্স ভোমিকা

১০. হেপার সালফ ↔ মারকিউরিয়াস

১১. নাইট্রিক অ্যাসিড ↔ ক্যালকেরিয়া কার্ব

১২. অ্যাসেটিক অ্যাসিড ↔ আর্নিকা

১৩. সালফার ↔ নাক্স ভোমিকা। ❌ “একসঙ্গে ব্যবহার করা যাবে না” — এমন কঠোর শত্রু সম্পর্ক নয়।

✅ কিন্তু অন্ধভাবে mix বা frequent repetition করা উচিত নয়।

১৪. সালফার ↔ সেপিয়া

১৫. পালসাটিলা ↔ সেপিয়া

১৬. ফসফরাস ↔ সেপিয়া

১৭. জিঙ্কাম ↔ ক্যামোমিলা

১৮. রাস টক্স ↔ এপিস (reverse)

১৯. সিলিসিয়া ↔ মারকিউরিয়াস (reverse)

২০. ল্যাচেসিস ↔ সেপিয়া (reverse)

🟠 (B) ⚡ ANTAGONISTIC – সতর্কতার সাথে ব্যবহারযোগ্য (২০টি)

👉 সবসময় শত্রু নয়, তবে একসাথে দিলে ফল খারাপ হতে পারে

১. ব্রায়োনিয়া ↔ রাস টক্স

২. কফিয়া ↔ ক্যামোমিলা

৩. চায়না ↔ ফেরাম

৪. ফেরাম ↔ চায়না

৫. হেপার ↔ সিলিসিয়া

৬. ন্যাট্রাম মিউর ↔ ইগ্নেশিয়া

৭. পেট্রোলিয়াম ↔ নাক্স ভোমিকা

৮. প্লাটিনা ↔ পালসাটিলা

৯. সারসাপারিলা ↔ মারকিউরিয়াস

১০. স্পঞ্জিয়া ↔ হেপার

১১. স্ট্যাফিসাগ্রিয়া ↔ মারকিউরিয়াস

১২. স্ট্রামোনিয়াম ↔ বেলাডোনা

১৩. সালফার ↔ মারকিউরিয়াস

১৪. ট্যারেন্টুলা ↔ পালসাটিলা

১৫. ভেরাট্রাম ↔ কফিয়া

১৬. অ্যান্টিম ক্রুড ↔ হেপার

১৭. ক্যালি বিচ ↔ পালসাটিলা

১৮. ডিজিটালিস ↔ চায়না

১৯. ওপিয়াম ↔ বেলাডোনা

২০. অ্যাকোনাইট ↔ কফিয়া

🔵 (C) 🛑 ANTIDOTE – ভুলে শত্রু ভাববেন না (২০টি)

👉 এগুলো একে অপরের প্রভাব কমায় (ইচ্ছাকৃতও ব্যবহার হয়)

১. ক্যামফোরা → বহু ওষুধ antidote

২. কফিয়া → নাক্স ভোমিকা antidote

৩. কফিয়া → ক্যামোমিলা antidote

৪. নাক্স ভোমিকা → ড্রাগ effect antidote

৫. পালসাটিলা → বহু remedy antidote

৬. সালফার → chronic antidote

৭. হেপার → মারকিউরিয়াস antidote

৮. বেলাডোনা → ওপিয়াম antidote

৯. অ্যাকোনাইট → শক antidote

১০. আর্নিকা → ট্রমা antidote

১১. কার্বো ভেজ → collapse antidote

১২. লেডাম → পাংচার antidote

১৩. হাইপেরিকাম → nerve injury antidote

১৪. ক্যালেন্ডুলা → wound antidote

১৫. আইপেক্যাক → বমি antidote

১৬. ক্যানথারিস → বার্ন antidote

১৭. গ্রাফাইটিস → skin antidote

১৮. সিলিসিয়া → foreign body বের করে

১৯. থুজা → ভ্যাকসিন effect antidote

২০. মেডোরিনাম → chronic miasm antidote

🟢 (D) 🌱 COMPLEMENTARY – শত্রু নয়, বরং সেরা সহযোগী (২০টি)

👉 একে অপরের কাজ সম্পূর্ণ করে

১. সালফার ↔ ক্যালকেরিয়া কার্ব

২. ক্যালকেরিয়া ↔ লাইকোপোডিয়াম

৩. সালফার ↔ লাইকোপোডিয়াম

৪. আর্সেনিকাম ↔ ফসফরাস

৫. বেলাডোনা ↔ ক্যালকেরিয়া

৬. ব্রায়োনিয়া ↔ অ্যালুমিনা

৭. নাক্স ভোমিকা ↔ সালফার

৮. পালসাটিলা ↔ সিলিসিয়া

৯. সেপিয়া ↔ ন্যাট্রাম মিউর

১০. ল্যাচেসিস ↔ সালফার

১১. হেপার ↔ সিলিসিয়া

১২. আর্নিকা ↔ রাস টক্স

১৩. অ্যাকোনাইট ↔ বেলাডোনা

১৪. ক্যামোমিলা ↔ ম্যাগ কার্ব

১৫. কফিয়া ↔ নাক্স

১৬. ফসফরাস ↔ আর্সেনিকাম

১৭. ন্যাট মিউর ↔ ইগ্নেশিয়া

১৮. ক্যালি কার্ব ↔ ন্যাট মিউর

১৯. সিলিসিয়া ↔ থুজা

২০. সালফার ↔ সেপিয়া

⚠️ 🚨 ক্লিনিক্যাল গোল্ডেন রুল

✔️ “শত্রু” মানেই সবসময় নিষিদ্ধ নয়

✔️ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ = সময় + কেস বিশ্লেষণ

✔️ High potency হলে বেশি সতর্কতা

✔️ Camphor / Coffee → remedy নষ্ট করতে পারে

📌 🔍 📢 বি. দ্রঃ

এই প্রতিবেদনটি শুধুমাত্র নবীন হোমিও চিকিৎসক বন্ধুদের জন্য। সম্পূর্ণ case taking ছাড়া ওষুধ নির্বাচন করবেন না। চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রশ্ন থাকলে জানাতে পারেন। ত্রুটি থাকলে মার্জনীয়।

নারীর স্তন দেখতে ভালো লাগে? আমারো লাগতো, কিন্তু একদিন ....... ফেইসবুক থেকে নেওয়া,, তিনি ও নিয়েছেন ফেইসবুক থেকে

 নারীর স্তন দেখতে ভালো লাগে? আমারো লাগতো, কিন্তু একদিন .......


ছেলেবেলায়, আমি ভাবতাম—নারীর সৌন্দর্যের মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ নাকি তার বুক।

পুরুষ হয়ে জন্মেছিলাম, কিন্তু মানুষ হতে শিখেছি এক মায়ের শুকনো বুকের দিকে তাকিয়ে...


(লেখাটি একজন পুরুষের দৃষ্টিকোণ থেকে লেখা। দেখুন তো আপনি এর সাথে নিজেকে মিলাতে পারেন কিনা)


সত্যিটা স্বীকার করতে আজ আর কোনো লজ্জা নেই—

বয়স যখন কম ছিল, আর দশটা ছেলের মতো আমার চোখও পাপমুক্ত ছিল না। নারীর সৌন্দর্যের কথা ভাবলেই চোখ আটকে যেত তার শরীরের ভাঁজে, বিশেষ করে বুকের দিকে।

বন্ধুমহলে আড্ডায় বলতাম, "নারীর আসল সৌন্দর্য নাকি ওখানেই!"

ছিঃ! আজ ভাবতেই ঘৃণায় শরীর শিউরে ওঠে। তখন বুঝতাম না, মাংসপিণ্ডের ওই আকার বা আকৃতির নিচে কী বিশাল এক মহাসমুদ্র লুকিয়ে থাকে। আমার দৃষ্টি তখন চামড়া ভেদ করে আত্মার নাগাল পেত না।


কিন্তু সৃষ্টিকর্তা হয়তো চেয়েছিলেন আমার এই "পুরুষত্ব"র অহংকার ভেঙে চুরমার করে দিতে। তাই আমাকে মুখোমুখি করেছিলেন এমন এক দৃশ্যের—যা দেখার পর আমি আর আগের আমি থাকিনি।


সময়টা চৈত্র মাসের কাঠফাটা দুপুর। গ্রামবাংলার আকাশ থেকে যেন আগুন ঝরছে। মাটি ফেটে চৌচির। ধুলোবালি ওড়া এক মেঠো পথ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম। তৃষ্ণায় আমার নিজেরই গলা শুকিয়ে কাঠ।

হঠাৎ পথের ধারে এক জরাজীর্ণ কুঁড়েঘরের দিকে চোখ গেল। চালের খড় উবে গেছে, বেড়া নড়বড় করছে। সেই ঘরের দাওয়ায় বসে ছিলেন এক মা।


বয়স কত হবে? পঁচিশ? ছাব্বিশ? কিন্তু অভাব আর দারিদ্র্য তার যৌবন শুষে নিয়ে মুখে এঁকে দিয়েছে পঞ্চাশ বছরের বার্ধক্য। গায়ের ব্লাউজটা শতছিন্ন, শাড়ির আঁচলটা খসে পড়েছে—কিন্তু সেদিকে তার কোনো খেয়াল নেই।

কারণ, তার কোলে শুয়ে আছে এক হাড়জিরজিরে শিশু।


আমি থমকে দাঁড়ালাম। দৃশ্যটা আমাকে নড়তে দিল না।

বাচ্চাটা কাঁদছে না। কান্নার শক্তিও হয়তো তার নেই। সে শুধু প্রাণপণ শক্তিতে মায়ের বুকটা কামড়ে ধরে চুষছে।

কিন্তু হায়! সেই বুকে কি এক ফোঁটা দুধ আছে?

মায়ের শরীর নিজেই তো এক কঙ্কাল। বুকের হাড়গুলো গোনা যাচ্ছে। চামড়ার নিচে শুধুই হাহাকার।

তবুও অবুঝ শিশুটি চুষেই যাচ্ছে... *চোঁক... চোঁক...*

এক অদ্ভুত করুণ শব্দ। যেন শুকনো নদী থেকে শেষ বিন্দু জলটুকু নিংড়ে নেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা।


আমি স্পষ্ট দেখছিলাম—দুধ নয়, শিশুটি চুষছে মায়ের বুকের রক্ত, মায়ের কলিজার রস।

মায়ের চোখ দুটো একদম স্থির, পাথরের মতো। কিন্তু সেই পাথর চুইয়ে টপটপ করে জল গড়িয়ে পড়ছে।

ফোটা ফোটা চোখের জল গড়িয়ে পড়ছে বাচ্চাটার কপালে, গালে, ঠোঁটে।

বাচ্চাটা হয়তো সেই নোনা জলই চেটে খাচ্ছে।

হয়তো ভাবছে, এটাই দুধ। এটাই মায়ের ভালোবাসা।


আমার বুকের ভেতরটা দুমড়েমুচড়ে গেল। মনে হলো কেউ যেন হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আমার এতদিনের সব নোংরা চিন্তা ভেঙে গুঁড়িয়ে দিচ্ছে।

মায়ের ওই নীরব চাহনি যেন আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে চিৎকার করে বলছিল—

"ওরে খোদা! আমার বুকের মাংস গলে রক্ত দে, তবুও আমার বাচ্চার পেটে দু’ফোটা আহার দে... আমি যে মা! আমি যে আর সহ্য করতে পারছি না!"


আমি সেদিন পালিয়ে এসেছিলাম। হ্যাঁ, আমি পালিয়েছিলাম কারণ সেই দৃশ্য সহ্য করার ক্ষমতা আমার ছিল না।

কিন্তু সেই রাতে আমি ঘুমাতে পারিনি। কানে শুধু বাজছিল সেই চোঁক চোঁক শব্দ আর চোখে ভাসছিল মায়ের সেই শুকনো বুক।


সেদিন বুঝেছিলাম, নারীর বুক কোনো ভোগের বস্তু নয়।

এটি কোনো কামনার উদ্যান নয়—এটি এক যুদ্ধক্ষেত্র।

যেখানে একজন নারী নিজের শরীরের সবটুকু নির্যাস দিয়ে তিলে তিলে বড় করে তোলে আগামীর পৃথিবী।

যেখানে ভালোবাসা মানে শুধু দেওয়া, বিনিময়ে কিছুই না চাওয়া।


আজ আমি বাবা হয়েছি।

যখন দেখি আমার সন্তান তার মায়ের বুকে নিশ্চিন্তে ঘুমায়, যখন দেখি ক্ষুধা পেলেই সে হামাগুড়ি দিয়ে মায়ের বুকের কাছে আশ্রয় খোঁজে—তখন আমার চোখে জল আসে।

মনে হয়, এই বুকের নামই "নিরাপত্তা"। এই বুকের নামই "পৃথিবীর শেষ আশ্রয়স্থল"।


হে পুরুষ!

আজ তোমাকে একটা অনুরোধ করি।

রাস্তায় ঘাটে কোনো নারীর দিকে তাকানোর আগে, তার শরীরের ভাঁজ খোঁজার আগে—একবার নিজের মায়ের কথা ভেবো।

মনে রেখো, তুমিও একদিন ওই বুকের রস খেয়েই মানুষ হয়েছ। ওই বুকটা শুধু মাংসের দলা নয়, ওটা তোমার প্রথম জান্নাত।


নারীর বুক দেখে উত্তেজনা নয়, বরং শ্রদ্ধায় মাথা নত করতে শেখো।

কারণ, কোনো কোনো নারী তার শুকনো বুক দিয়েও সন্তানকে বাঁচিয়ে রাখার যুদ্ধ করে যায়। তাদের শরীরের প্রতিটি ভাঁজে লুকিয়ে থাকে একেকটি ত্যাগের মহাকাব্য।


নারীর সৌন্দর্য তার কামনাসিক্ত শরীরে নয়,

নারীর সৌন্দর্য তার মমতায়, তার ত্যাগে, তার আঁচলের মায়ায়।

যেদিন এটা বুঝবে, সেদিন দেখবে—পৃথিবীর সব নারীকেই মায়ের মতো পবিত্র মনে হচ্ছে।


সেই অচেনা মায়ের শুকনো বুক আমাকে মানুষ বানিয়েছে।

দোয়া করি, পৃথিবীর কোনো মায়ের বুক যেন আর খালি না থাকে। সব শিশু যেন দুধের স্বাদ পায়, চোখের জলের স্বাদ নয়।


(লেখাটি পড়ে যদি আপনার হৃদয়ে বিন্দুমাত্র নাড়া দেয়, তবে শেয়ার করে অন্য ভাইদের দেখার সুযোগ করে দিন। হয়তো আপনার একটি শেয়ারে কোনো এক পুরুষের দৃষ্টি পরিবর্তন হবে, বেঁচে যাবে মাতৃত্বের সম্মান।)


লেখাটি ফেসবুক সংগৃহীতা

হ্যাম রেডিও অপারেটর হতে চান? 

 হ্যাম রেডিও অপারেটর হতে চান? 🌍📡

নিজের একটি ইউনিক কলসাইন আর এক সেট রেডিও নিয়ে পুরো পৃথিবীর সাথে যুক্ত হওয়ার স্বপ্ন এখন সত্যি হতে পারে। ইন্টারনেট বা মোবাইল নেটওয়ার্ক ছাড়াই পুরো পৃথিবীর সাথে যুক্ত হয়ে যান 📡


কল্পনা করুন, আপনার কাছে একটি রেডিও সেট আছে আর একটি অনন্য ‘কলসাইন’, যা দিয়ে আপনি মুহূর্তেই বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের মানুষের সাথে কথা বলতে পারছেন। এই রোমাঞ্চকর শখের নামই হলো অ্যামেচার রেডিও বা হ্যাম রেডিও ।


বাংলাদেশে একজন লাইসেন্সধারী হ্যাম রেডিও অপারেটর হওয়ার সহজ গাইডলাইনটি নিচে দেওয়া হলো:


✅ শুরুটা যেভাবে (ধাপ ১-৪): বিটিআরসি (BTRC) যখন সার্কুলার দেবে, তখন ১৭০০ টাকা ফি দিয়ে অনলাইনে আবেদন করুন । এরপর ঢাকাতে একটি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে যেখানে বেসিক ইলেকট্রনিক্স, রেডিও থিওরি এবং নিয়ম-কানুন নিয়ে প্রশ্ন থাকে । পরীক্ষায় পাস করলে বিটিআরসি থেকে আপনার সনদ সংগ্রহ করুন ।


✅ লাইসেন্স ও কলসাইন প্রাপ্তি (ধাপ ৫-৯): সনদ পাওয়ার পর MyGov পোর্টালের মাধ্যমে লাইসেন্স এবং আপনার নিজের জন্য একটি ইউনিক কলসাইন (যেমন: S21...) এর আবেদন করুন । পুলিশ ভেরিফিকেশন সফল হলে ডিমান্ড নোট অনুযায়ী ৩ বছরের জন্য ৬৩২৫ টাকা ব্যাংক ড্রাফট জমা দিন । মনে রাখবেন, ব্যাংক ড্রাফটের কপিটি অবশ্যই MyGov পোর্টালে আপডেট করতে হবে । সব প্রক্রিয়া শেষ হলে বিটিআরসি থেকে আপনার কাঙ্ক্ষিত লাইসেন্স বুঝে নিন ।


⚠️ মনে রাখা জরুরি (ডিভাইস সংক্রান্ত): লাইসেন্স পেলেই রেডিও ব্যবহার করা যাবে না। ডিভাইস (ওয়াকি-টকি, বেস বা এইচএফ রেডিও) আমদানির আগে বিটিআরসি থেকে অবশ্যই NOC (অনাপত্তি পত্র) নিতে হবে । ডিভাইস আনার পর সেটিকে পুনরায় আবেদনের মাধ্যমে আপনার লাইসেন্সে যুক্ত করে নিতে হবে ।


🌟 কেন হ্যাম রেডিও? 

এটি কেবল একটি শখ নয়, বরং দুর্যোগ বা জরুরি মুহূর্তে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর একটি শক্তিশালী মাধ্যম । নতুন প্রযুক্তি শেখা আর বিশ্বজুড়ে এক বিশাল কমিউনিটির অংশ হওয়ার সুযোগ তো থাকছেই !

আপনার কি রেডিও সিগন্যালের জগতে আসার স্বপ্ন আছে? প্রস্তুতি শুরু করুন আজই! 🎙️✨

#HamRadioBangladesh #BTRC #AmateurRadio #S21 #S21tcv #EmergencyCommunication #RadioLife

Nasal polyps/নাকের পলিপাসের হোমিও ঔষধ: ♦️Thuja occidentalis

 🛑Nasal polyps/নাকের পলিপাসের হোমিও ঔষধ:

♦️Thuja occidentalis


পলিপাসে থুজা প্রথম এবং প্রধান ঔষধ। থুজায় জলজ অবস্থায় এবং বর্ষাকালে রোগ প্রকাশ পায় বা বৃদ্ধি হয়। হাঁপানির ইতিহাস, বাতের ইতিহাস। ক্যালকেরিয়া কার্বের মত থুজার নাকের পলিপ থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে দেখা যায়। রোগীর নানান ধরনের ভ্রান্ত বিশ্বাস থাকে। 


♦️Sanguinaria Can

– ডান দিকের পলিপাসে

 ভালো কাজ করে।ডান দিকের মাথা যন্ত্রণা প্রায়ই প্রকাশ পায়। মাথার যন্ত্রণা দিনের বেলায়, সূর্যের আলোয় বৃদ্ধি পায়। ঠান্ডা প্রয়োগে, অন্ধকার ঘরে শুয়ে থাকলে কম হয় । 


♦️Sanguinaria Nitricum

-মনে হয় যেন নাক বুজে আছে। নাক দিয়ে পাতলা জলের মত প্রচুর শ্লেষ্মা বের হয় ও নাকের ভিতর জ্বালা করে। নাকের গোড়ার দিক চাপবোধ হয়, হাঁচি হয়। নাকের ভেতরের দিকে কাঁচা ঘা এর মত টাটানি বোধ হয়। এটা ও ডান নাকের পলিপে ভালো কাজ করে।


♦️Teucrium Marum Verum


– নাক চুলকায়, বারবার হাঁচি, গুড়া ক্রিমির লক্ষণাবলি বর্তমান থাকলে টিউক্রিয়াম নির্দিষ্ট ঔষধ। মলদ্বার চুলকাতে থাকে

বিশেষ করে সন্ধ্যাবেলা এবং রাত্রে। প্রায় সর্দি কাশি লেগে থাকে। নাকের গোড়ার দিকে পলিপ হয়।


♦️Lemna Minor


– পলিপের কারণে ঘ্রাণশক্তি কমে যাওয়া, স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় খারাপ থাকে।নাকের পলিপের সঙ্গে মুখে ও নাকে দুর্গন্ধ থাকলে। 


♦️Calcarea Carb 

– বারবার পলিপ হওয়ার প্রবণতা।নাক থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। রোগী মোটাসোটা,ফর্সা,থলথলে শরীর, শরীরে প্রচুর ঘাম, বিশেষ করে মাথায় এবং হাত পায়ের তালুতে। ডিম খুবই পছন্দের খাবার।।


♦️Phosphorus


-বাম নাকে বেশি সমস্যা। নাক থেকে রক্তপাত হয়। 

-মাথা যন্ত্রণায় পানি দিলে আরাম লাগে। রোগী শীত কাতর।ঠান্ডা খাবার পছন্দ করে। আইসক্রিম, চকলেট, লবণ, ঝাল খাবার বেশ প্রিয়। 

-রোগী নানান জিনিসের ভয় পায়, একা থাকতে ভয় পায়, ভূতের ভয় পায়, বজ্রপাতের ভয় পায়। 

-রোগীর দয়া মায়া বেশি। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। 


♦️Tuberculinum

-বারবার সর্দি, সাইনুসাইটিস বা নাক বন্ধ হওয়ার ইতিহাস।

-পলিপ বারবার ফিরে আসে (recurrent nasal polyp).রোগী খুব দুর্বল, ওজন কম, সহজে ঠান্ডা লাগে.

-পরিবারে টিবি (TB)যক্ষ্মা বা দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসতন্ত্রের রোগের ইতিহাস.

-অস্থিরতা, পরিবর্তনের প্রতি আকর্ষণ (mental restlessness).

-রাতে বেশি সমস্যা বা আবহাওয়া পরিবর্তনে বাড়ে.

-শীতকাতর,রাগ বেশি,কুকুর ভীতি, ভ্রমণ পছন্দ। 


♦️Kali bichrome

-ঘন, আঠালো, সুতা/দড়ির মতো সর্দি (stringy mucus).

-নাক বন্ধ, বিশেষ করে এক পাশ বেশি বন্ধ থাকে.

-সাইনাসে চাপ বা ব্যথা, বিশেষ করে নাকের গোড়া বা কপালে.

-সর্দি টানলে লম্বা সুতার মতো বের হয়।

-গন্ধ কমে যাওয়া বা হারিয়ে যাওয়া.

-ঠান্ডা আবহাওয়ায় বা সকালে সমস্যা বাড়ে.

-নাকের ভেতরে আলসার বা জ্বালা অনুভব। 


❤️❤️এছাড়া প্রোপার কেস টেকিং এর ভিত্তিতে যেকোনো মেডিসিন আসতে পারে।

⚫⚫সবাইকে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো।

আমরা যে মহাবিশ্ব দেখছি তাই শেষ নয়‚ ফেইসবুক থেকে নেওয়া  

 আমরা যে মহাবিশ্ব দেখছি তাই শেষ নয়‚ এই মহাবিশ্ব ছাড়াও মহাশূন্যে রয়েছে আরো সাত মহাবিশ্ব! সাম্প্রতিক আধুনিক বিজ্ঞান একটি তত্ত্ব আবিষ্কার করেছে “মাল্টিভার্স বা বহু-মহাবিশ্ব” তত্ত্ব‚ যা ১৪০০ বছর আগে বর্ণিত হওয়া পবিত্র কুরআনের “৭ আসমান” তথ্যের সাথে অদ্ভুত ভাবে মিলে যায়। আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং “স্ট্রিং থিওরি” অনুযায়ী‚ আমাদের এই মহাবিশ্বই শেষ নয়। বরং মহাকাশের বিশালতায় আমাদের মহাবিশ্বের মতো আরও অসংখ্য মহাবিশ্ব থাকতে পারে—ঠিক যেন সাবানের অনেকগুলো বুদবুদ পাশাপাশি ভেসে আছে! এগুলোকে বলা হয় “সমান্তরাল মহাবিশ্ব”। আমাদের এই মহাবিশ্বের দৃশ্যমান গ্যালাক্সি ও নক্ষত্রগুলো এর একটি ক্ষুদ্র অংশ মাত্র।


পবিত্র কুরআনে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা স্পষ্টভাবে “সাত আসমান”-এর কথা উল্লেখ করেছেন। “তিনিই আল্লাহ‚ যিনি সাত আসমান এবং তাদের মত পৃথিবীও (তদনুরূপ সংখ্যায়) সৃষ্টি করেছেন”(সূরা আত-তালাক: ১২)। তাফসীর অনুযায়ী‚ আমরা টেলিস্কোপ দিয়ে যত কোটি কোটি গ্যালাক্সি দেখি‚ সবই প্রথম আসমানের অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ বাকি ছয়টি আসমান আমাদের চেনা এই জগতের সীমানার একদম বাইরে‚ যা বিজ্ঞানের মাল্টিভার্স ধারণার মতোই এক বিশাল রহস্য। মাল্টিভার্স তত্ত্বে বিজ্ঞান বলে‚ মহাবিশ্ব বিভিন্ন স্তরে বিভক্ত হতে পারে; পবিত্র কুরআনও বলছে সাত আসমানের স্তরীভূত গঠনের কথা। মজার বিষয় হচ্ছে‚ মাল্টিভার্সের অন্য জগতগুলো যেমন আমরা দেখতে পাই না‚ তেমনি প্রথম আসমান ছাড়া বাকি আসমানগুলোও আমাদের সাধারণ দৃষ্টিশক্তির বাইরে!এমনকি‚ কুরআনের বর্ণনায় “তদনুরূপ পৃথিবী” থাকার বিষয়টি বিজ্ঞানের সমান্তরাল মহাবিশ্বের ধারণাকে দারুণভাবে সমর্থন করে।


মজার বিষয় কি জানেন? বিজ্ঞান যখন কোনো নতুন রহস্য উন্মোচন করে‚ দেখা যায় পবিত্র কুরআন অনেক আগেই সেদিকে ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছে। আমরা বিজ্ঞান দ্বারা এখনো হয়তো সেই রহস্যের মাত্র ৫% জানি (যা এখনো চোখে ধোঁয়াশা)! বাকিটা স্রষ্টার এক অকল্পনীয় বিশাল মহিমা! বিজ্ঞান খুঁজছে‚ সূত্র মিলাচ্ছে‚ হয়তো কিছু পাচ্ছে‚ বাকিসব ধোঁয়াশা। অথচ মহান স্রষ্টা ১৪০০ বছর আগের কিতাবে “থিউরি” লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন “সুবহানাল্লাহ।”

-মোঃ সাইফুল ইসলাম 

#Multiverse #SifulTheShow #IslamAndScience

Magura gazette ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মাগুরা শালিখা থানায় পাওনা টাকা নিয়ে ননদ ও ভাবীর লিখিত অভিযোগ, শালিখা ইউনিয়ন পরিষদে আসলে চড় মারা, জুতা ছুড়ে মারা ও মারার জন্য লাঠি খোঁজার অভিযোগ 


মাগুরা প্রতিনিধি : 

মিরা খাতুন (২২), পিং- সেকেন্দার আলী খান, গ্রাম- কাঠালবাড়ীয়া পশ্চিমপাড়া, শালিখা ইউনিয়ন তার স্বামীর বাড়ি সাগর বিশ্বাস, পিতা- মশিয়ার বিশ্বাস, গ্রাম- ছাইবাড়িয়া সুবেদেবনগর, ইউনিয়ন- ধকুলা, বাঘারপাড়া, যশোর। সোনিয়া খাতুন (৩১), পিতা- মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, স্বামী- সোহাগ আলী, গ্রাম- কাঁঠালবাড়ীয়া, তার পিতার বাড়ি মাগুরা সদর উপজেলার পাথরা গ্রামের পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডে। 


মিরা খাতুন, কাঁঠালবাড়ীয়া গ্রামের ছলেমান মোল্লার পুত্র ইয়াছিন মোল্লা গত ৪ বছর পূর্বে ২০২২ সালে ১৫ হাজার টাকা ধার দিয়ে ছিলো। গাছ থেকে পড়ে গিয়ে পা ভেঙ্গে ছিলো আর তার চিকিৎসার জন্য এই টাকা দেওয়া হয়, টাকা ফেরত দেওয়ার কথা ছিলো ৬ মাস পর। মিরার টাকা গুলো নেওয়া হয়ে ছিলো প্রতি বতরে ধান দিয়ে শোধ করার যার ধান বাবদ ১৫ হাজার টাকা ও আসল টাকা ১৫ হাজার মোট ৩০ হাজার টাকা। 

সোনিয়া খাতুন দেড় বছর পূর্বে ৪ মার্চ ২০২৫ সালে শালিখা বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) শুরুশুনা উত্তরপাড়া গ্রাম উন্নয়ন মহিলা সমিতির মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকা তুলে ছিলো। এরপর প্রতিবেশী পারভীনা খাতুনকে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয় আর ২০ হাজার টাকা দেওয়া হয় ইয়াছিনকে। ২০ হাজার টাকা থেকে মাত্র ৭৫০০ টাকা দিয়েছে এখনও ১৪ হাজার ৪০০ শত টাকা পাবে ইয়াছিনের কাছে। 


মিরা খাতুন ও সোনিয়া খাতুন জানান, গতকাল রবিবার ৩ মে সকাল ১০ টার সময় শালিখা ইউনিয়ন পরিষদ বোর্ড অফিসে যায়। তারপর দীপালি, পারভীন, ইয়াছিন যায় ১ টার সময় পরিষদে গেলে চেয়ারম্যান মোঃ আলী হুসাইন শিকদার জিজ্ঞাসা করে মিরার কাছে ১৫ হাজার টাকা নিয়েছে এটা ইয়াছিন অস্বীকার করে। আর সোনিয়া খাতুনের ২০ হাজার টাকার ব্যাপারে ইয়াছিন বলে সে ২ হাজার টাকা, বড় বউ পারভীনা ৪ হাজার টাকা, ছোট বৌ আফরোজা ৮ হাজার ৫০০ টাকা দিয়েছে আর মাত্র ২ হাজার টাকা পাবে। কিন্তু টাকা পাবে সোনিয়া ১৪৪০০ টাকা। আর পারভীনা খাতুনের ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিঃ এর রাউটিং নম্বর 105411257 একটা সই করা সাদা চেক নেয় সোনিয়া খাতুন। মিরা খাতুন ও সোনিয়া আরও জানায় চেয়ারম্যান হুসাইন আলী আমার ডানগালে কসে চড় মেরে দেয় এবং বেয়াদব বলে জুতা ছুড়ে মারে এবং মারার জন্য লাঠি খোঁজে।


প্রতিবেশী শাহিদ মোল্লার স্ত্রী হাসিনা বেগম ও শেফালী  বেগম জানান, এর আগেও চেয়ারম্যান আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে।


মিরা খাতুনের অভিযোগ :

অফিসার ইনচার্জ, শালিখা থানা, মাগুরা। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আমি মিরা খাতুন (২৬), পিতা-মোঃ সেকেন্দার আলী খান, সাং-কাঠালবাড়ীয়া, ইউনিয়ন-শালিখা, থানা-শালিখা, জেলা-মাগুরা, অত্র থানায় হাজির হইয়া অভিযোগ দায়ের করিতেছি যে, বিবাদী ১। মোঃ ইয়াছিন মোল্যা (৩৫), পিতা-মোঃ ছলেমান মোল্যা, ২। মোছাঃ পারভীনা খাতুন (৩২), স্বামী-মোঃ ইয়াছিন মোল্যা, ৩। মোছাঃ দিপালী খাতুন (৫০), স্বামী-মোঃ ছলেমান মোল্যা, সাং-কাঠালবাড়ীয়া, ইউনিয়ন-শালিখা, থানা-শালিখা, জেলা-মাগুরা। আমি একজন গৃহিনী। বিবাদীরা আমার খালাতো ভাই, ভাই এর স্ত্রী ও খালা হয়। গত চার বছর পূর্বে ১নং বিবাদী গাছের থেকে পড়ে গিয়ে পা ভেঙ্গে গেলে বিবাদীরা চিকিৎসার জন্য আমার স্বামী সাগর বিশ্বাস এর নিকট থেকে ৩০,০০০/- (ত্রিশ হাজার) টাকা ধার হিসাবে গ্রহণ করে। উক্ত টাকা বিবাদীদের এক মাসের মধ্যে ফেরৎ দিবার কথা ছিল কিন্তু বিবাদীরা আমার টাকা ফেরৎ না দিয়ে আজকাল করে গত চার বছর যাবৎ ঘুরাচ্ছে। আমি গত ইং-০৫/০৪/২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ০৯.০০ ঘটিকার সময় বিবাদীদের নিকট আমার পাওনা টাকা ফেরৎ চাইলে বিবাদীরা আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং আমার পাওনা টাকা ফেরৎ দেবেনা মর্মে হুমকি দেয়। সাক্ষী ১। সনিয়া খাতুন, স্বামী-সোহাগ, ২। মোঃ সেকেন্দার আলী খান, পিতা-মোঃ সুলতান খান, সাং-কাঠালবাড়ীয়া, ইউনিয়ন-শালিখা, থানা-শালিখা, জেলা-মাগুরা সহ স্থানীয় অনেকে জানে ও শুনিয়াছে। এমতাবস্থায় বিবাদীদের নিকট থেকে আমার পাওনা ৩০,০০০/- (ত্রিশ হাজার) টাকা উদ্ধার করা একান্ত প্রয়োজন। পরে আমি নিরুপায় হয়ে পরিবারের সহিত আলোচনা করিয়া থানায় আসিয়া অভিযোগ দায়ের করিলাম।

অতএব, মহোদয় উপরোক্ত ঘটনা বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করিতে আপনার সদয় মর্জি কামনা করি।

বিনীত, মিরা(মিরা খাতুন) তাং-১০/০৪/২০২৬ খ্রিঃ।


সোনিয়া খাতুনের অভিযোগ :

অফিসার ইনচার্জ শালিখা থানা মাগুরা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আমি মোছাঃ সোনিয়া খাতুন (৩১), পিতা-মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, সাং-কাঠালবাড়ীয়া, ইউনিয়ন-শালিখা, থানা-শালিখা, জেলা-মাগুরা, অত্র বিবাদী ১। মোঃ ইয়াছিন মোল্যা (৩৫), পিতা-মোঃ ছলেমান মোল্যা, ২। মোঃ ছলেমান মোল্যা (৬০), পিতা-সোনা মোল্যা, ৩। মোছাঃ পারভীনা খাতুন (৩২), স্বামী-মোঃ ইয়াছিন মোল্যা, ৪। মোছাঃ দিপালী খাতুন (৫০), স্বামী-মোঃ ছলেমান মোল্যা, সাং-কাঠালবাড়ীয়া, ইউনিয়ন-শালিখা, থানা-শালিখা, জেলা-মাগুরা। আমি একজন গৃহিনী। বিবাদীরা আমার প্রতিবেশী। গত দেড় বছর পূর্বে বিবাদীরা আমার নামে এনজিও থেকে লোনের মাধ্যমে ৩০,০০০/- (ত্রিশ হাজার) টাকা উঠাই নেয়। উক্ত টাকা বিবাদীদের এনজিওতে কিস্তির মাধ্যমে ফেরৎ দিবার কথা ছিল কিন্তু বিবাদীরা আমার টাকা ফেরৎ না দিয়ে আজকাল করে গত দেড় বছর যাবৎ ঘুরাচ্ছে। আমি গত ইং-০৫/০৪/২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ০৯.০০ ঘটিকার সময় বিবাদীদের নিকট আমার পাওনা টাকা ফেরৎ চাইলে বিবাদীরা আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং আমার পাওনা টাকা ফেরৎ দেবেনা মর্মে হুমকি দেয়। সাক্ষী ১। মিরা খাতুন (২৬), পিতা-মোঃ সেকেন্দার আলী খান, ২। মোঃ সেকেন্দার আলী খান, পিতা-মোঃ সুলতান খান, সাং-কাঠালবাড়ীয়া, ইউনিয়ন-শালিখা, থানা-শালিখা, জেলা-মাগুরা সহ স্থানীয় অনেকে জানে ও শুনিয়াছে। এমতাবস্থায় বিবাদীদের নিকট থেকে আমার পাওনা ৩০,০০০/- (ত্রিশ হাজার) টাকা উদ্ধার করা একান্ত প্রয়োজন। পরে আমি নিরুপায় হয়ে পরিবারের সহিত আলোচনা করিয়া থানায় আসিয়া অভিযোগ দায়ের করিলাম।

অতএব, মহোদয় উপরোক্ত ঘটনা বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করিতে আপনার সদয় মর্জি কামনা করি।

বিনীত

সোনিয়া (মোছাঃ সোনিয়া খাতুন)

তাং-১০/০৪/২০২৬ খ্রিঃ।


বিবাদী ইয়াছিনদের বাড়িতে কাউকে পাওয়া যায় নি।


এ ব্যাপারে শালিখা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান  মোঃ আলী হুসাইন শিকদার জানান, মিরা খাতুন, সোনিয়া খাতুন, ইয়াছিন সহ বেশ কয়েকজন লোকজন পাওনা টাকা বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদে আসে। তবে মিরা খাতুন টাকা পাবে তার কোন প্রমাণ নেই আর সোনিয়া খাতুনও টাকা পাবে। একটা ভুয়া ফটোকপি ব্যাংকের চেক নিয়ে তাতে ৬০ হাজার টাকার অঙ্ক লিখে দেখাচ্ছে। আর আমি মিরা খাতুনের চড় মারেনি ওরা দুজনেই মিথ্যা ও বানোয়াট কথা বলেছে।


Basic News 24

বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

পরচা নাকি খতিয়ান ফেইসবুক থেকে নেওয়া

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

 

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:০৬-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ

তারিখ:০৬-০৪-২০২৬ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কমপ্লায়েন্স অডিটের পাশাপাশি পারফরমেন্স অডিট সম্পাদনের ওপর গুরুত্বারোপ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


দেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্ন রাখতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ - বললেন প্রধানমন্ত্রী।


আগামী এক বছরের মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ের সব নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে - জানালেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।


স্বাস্থ্যসেবা কোনো সুবিধা নয় বরং এটি প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার - বললেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাক্তার জুবাইদা রহমান।


সরকার একটি মিডিয়া কমিশন গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছে - জানালেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।


ইউক্রেনের কয়েকটি প্রদেশে রাশিয়ার হামলায় ২৬ জনের মৃত্যু। 


আইসিসি’র সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ে অষ্টম স্থানে উঠে আসলো বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল।

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...