এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২২

ফখরুদ্দিন বিরিয়ানি অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’,,,,, আশরাফুল আলম নবেল পাটোয়ারী ফেইসবুক

১৯৭৬ : হাজী মোঃ ফখরুদ্দীন বাবুর্চি, 'ফখরুদ্দিন বিরিয়ানি'র প্রতিষ্ঠাতা ঢাকার একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে (ছবির সর্বডান দিকে)। 


হাজী ফখরুদ্দিন ছিলেন ভারতের পাটনার দারভাঙ্গার বাসিন্দা। ভারত ভাগের পর ১৯৫৬ সালে সপরিবারে চলে আসেন চট্টগ্রামে। জীবিকার কোনো ঠিক ছিল না। অনেকটা ভাগ্যান্বেষণেই তিনি ১৯৬৫ সালে ঢাকায় আসেন। এটা-ওটা নানা কাজের পর ভিকারুননিসা নূন স্কুলে দারোয়ানের চাকরি পান তার পরের বছর। তখন স্কুলটিও এমন বড় ছিল না, ছাত্রীও ছিল কম। স্কুল কতৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে তিনি স্কুলের কম্পাউন্ডে ক্যান্টিন চালানো শুরু করেন। রান্নায় কোনো প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ছিল না। তবে রান্না শিখেছিলেন দিল্লির নবাব পরিবারের পাচকদের উত্তরসূরি মুসলিম মিয়ার কাছ থেকে। গুরুর তালিম আর নিজের হাতযশে দ্রুতই তাঁর রান্নার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। যারাই তাঁর রান্না খেয়েছেন, হাতে তাঁর জাদুর ছোঁয়া আছে বলে স্বীকার করেছেন। ক্রমেই পরিণত হয়ে উঠেন ঢাকার কিংবদন্তির বাবুর্চি হিসেবে। সেই ক্যান্টিন থেকেই আজকের ফখরুদ্দিন বিরিয়ানী ও রেষ্টুরেন্ট এর জন্ম। বর্তমানে এই রেস্টুরেন্টের ঢাকায় সাতটি শাখা রয়েছে। এর মধ্যে মতিঝিলের জুট এসোসিয়েশন ভবনে রয়েছে একটি শাখা। ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সিঙ্গাপুরে এই রেস্টুরেন্টের একটি প্রবাসী শাখা খোলা হয়।


১৯৯৫ সালে হাজী ফখরুদ্দিন বাবুর্চি মারা যাবার পর তাঁর দুই ছেলে হাজী মোঃ শফিক এবং হাজী মোঃ রফিক এই প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছেন। শুধু বাংলাদেশে নয়, ফখরুদ্দিনের বিরিয়ানির স্বাদ পৌঁছে গিয়েছিল জাপান, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর হয়ে জর্ডানের রাজপরিবারের অনুষ্ঠানেও। ঢাকার এই বিরিয়ানির স্বাদ নিয়েছেন জর্ডানের রাজপরিবারের বিয়ের অনুষ্ঠানের অতিথিরাও।


ঢাকায় ভিকারুননিসা নূন স্কুলের পাশে তাঁদের আদি কেন্দ্রটি ছাড়াও মগবাজার, গুলশান-১, ধানমন্ডি, মতিঝিল, বনানী ও উত্তরায় এবং চট্টগ্রামে শাখা করা হয়। এ ছাড়া সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, দুবাইয় এবং লন্ডনেও ‘ফখরুদ্দিন বিরিয়ানি অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’-এর শাখা ছিল।

কপি

পেস্ট 

কোন মন্তব্য নেই:

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...