এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২২

উপদেশমূলক একটি গল্প,,,,, অপ্রেম অধ্যায়,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

উপদেশমূলক একটি গল্পঃ


★পরকীয়া এবং....... 

সিঙ্গাপুর এয়ারপোর্টে অর্থনীতি বিভাগের 

সাবেক চেয়ারম্যান কে দেখেই-

আকাশঃ স্যার, আসসালামু আলাইকুম।

আমাকে চিনতে পেরেছেন স্যার?

শিক্ষকঃ আকাশ,ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট,ফার্স্ট ক্লাস 

সেকেন্ড। আর তোমার স্ত্রী স্মৃতি,ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট।

আকাশঃজ্বী স্যার। Vacation- এ এসেছিলেন?

শিক্ষকঃ না, সিডনি থেকে কানেক্টিং ফ্লাইট। 

আমার মেয়ের নবাগত সন্তান দেখতে এসেছিলাম।

তুমি একা কেন? তোমার সন্তান কয়জন?

আকাশঃঅফিসের কাজে এসেছিলাম স্যার। 

আমার এক ছেলে এক মেয়ে স্যার।

শিক্ষকঃ মাশআল্লাহ।ওরা কেমন আছে?

আকাশঃস্যার ওরা ভালো আছে। আমি ভালো নেই।

মুচকী হেসে শিক্ষক বললেন কেন? 

পরকীয়া করছো নাকি?

আকাশঃজ্বী স্যার।

শিক্ষকঃ মহিলা দেখতে কেমন? বয়স কত হবে?

আকাশঃস্যার, আমার সেক্রেটারী। বয়স২৫ বছর হবে হয়তো। দেখতে খুব সুন্দরী এবং স্মার্ট। 

শিক্ষকঃ চলো,বোর্ডিং পাস নিয়ে পাশাপাশি বসে গল্প করতে করতে ঢাকায় পৌঁছে যাবো ইনশাআল্লাহ। 

বোর্ডিং পাস নিয়ে শিক্ষক বললেনঃস্মৃতি তোমাকে নিশ্চয়ই আগের মত সময় দেয় না!

আকাশঃ জ্বী স্যার। অফিস থেকে এসেই- সারাক্ষন সন্তানদেরকে নিয়ে ব্যস্ত থাকে। আর ওদের লেখা পড়া নিয়ে মেতে থাকে। 

শিক্ষকঃ তোমার প্রতি তাঁর কোনো খেয়াল নেই। 

আকাশঃ ঠিক বলেছেন স্যার। একেবারে অশান্তি করে রেখেছে সংসারে। 

শিক্ষকঃ আমাদের দেশের মেয়েদের এই একটা বড় সমস্যা।বড্ড Emotional.

তবে আমি তোমাকে পুরো সমর্থন করি। 

হাজারো হলে আমরা অর্থনীতি নিয়েই ছিলাম-তাই ডিমান্ড এন্ড সাপ্লাই আমরা খুব ভালো বুঝি।

চালিয়ে যাও। বিয়ে করছো? 

By the by স্মৃতি কি জানে কিছু?

আকাশঃ না স্যার ও এখনো কিছু বুঝতে পারেনি।

আমি ঢাকায় গিয়েই আইনজীবির সাথে আলাপ করে ডিভোর্স ফাইল করবো। আমার ফেন্সিও ডিভোর্স ফাইল করবে। 

বেচারীর স্বামীটা খুব খারাপ। ওকে খুব মেন্টালি এমনকি ফিজিক্যালিও টর্চার করে।

শিক্ষকঃ Oh!very sad.

মহিলা কি তোমাকে ভালোবাসে?

আকাশঃজ্বী স্যার। ভীষন ভীষন ভালোবাসে।আমাকে ছাড়া ও বাঁচবেই না।

শুধু তাই না স্যার-আজীবন ভালোবেসে যাবে।

শিক্ষকঃ Great lady, you are lucky guy, enjoy the life.

বিমানবালা স্ন্যাক্স নিয়ে এলে শিক্ষকঃ ম্যাম, প্লিজ ব্ল্যাক কফি।

আকাশের দিকে তাকিয়ে শিক্ষকঃ তুমি কি খাবে?

আকাশঃআমিও ব্ল্যাক কফি স্যার।

শিক্ষকঃ বিয়ে করতে যাচ্ছ-You need more sugar, Man.

তোমাকে কিছু প্রশ্ন করতে পারি?

আকাশঃঅবশ্যই স্যার।

শিক্ষকঃ ধরো,তোমার কোম্পানী অফার দিলো Right now-তিন কোটি টাকা Reward অথবা পাঁচ বছর পর পাঁচ কোটি। তুমি কোন অফার Accept করবে? 

আকাশঃঅবশ্যই Right now অফার।

শিক্ষকঃ আমি একমত হলাম না। আমি পাঁচ বছর অপেক্ষা করতাম। 

পাঁচ কোটি বলে কথা।

আকাশঃস্যার পাঁচ বছর পর্যন্ত কোম্পানী বা আমার চাকরী থাকবে কিনা,কি গ্যারান্টি।

শিক্ষকঃ ব্রিলিয়ান্ট Answer, Next question, তুমি যেনো কোন কোম্পানীতে আছো?

আকাশঃস্যার, Google এর South East Zone এর Vice President.

শিক্ষকঃ OMG, ধরো Bankrupted এক কোম্পানী তোমাকে বর্তমান বেতনের ডাবল অফার দিলে তুমি কি করবে?

আকাশঃআমি জয়েন্ট করবো না। 

শিক্ষকঃ ডাবল বেতন। সাথে বিদেশ ট্যুর। চিন্তা করে বলো।

আকাশঃস্যার, এগুলোতো হায় হায় কোম্পানী। আজ আছে কাল নেই। 

শিক্ষকঃ তোমার দুটো উত্তর থেকেই বলছি-

বর্তমানে তোমার স্ত্রী তোমাদের সন্তান অর্থাৎ হৃদয়ের টুকরো দুটোকে ভালোবাসা দিচ্ছে এবং পরোক্ষভাবে সেই ভালোবাসা তুমি পাচ্ছ।

তোমার ফেন্সিও তোমাকে পরবর্তীতে কতটুকু ভালোবাসা দেবে তুমি জানো না। 

সেই বর্তমান আর পাঁচ বছরের Rewardএর মত।

Next উত্তরটি হতে বলছি- স্ত্রী হলো তোমার Google এর মত স্থায়িত্ব। আর Rewardable 

সেই মহিলাটি তার পূর্বের স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে তোমার কাছে আসা মানে তোমার সেই Bankrupted কোম্পানীর মত। হায় হায় কোম্পানী।

বাকীটা তোমার জীবন-তোমার সিদ্ধান্ত। কথা বলতে বলতে ঢাকায় চলে এলাম।

চোখের পানি মুছতে মুছতে আকাশ বললো-স্যার এভাবে আমি ভাবিনি।

আমি সব ছেড়ে দিয়ে শুধু আমার সন্তান আর স্ত্রীর দিকে মনোযোগ দেব।

আপনি আমার চোখ খুলে দিয়েছেন। 

শিক্ষক হ্যান্ড ব্যাগ থেকে দুটো বড় ক্যান্ডির প্যাকেট আর একখানা ডায়মন্ডের রিং আকাশের হাতে দিয়ে বললো -আমি জানি তুমি স্মৃতির জন্য নিশ্চয়ই কোনো গিফট কিননি।

প্রতিটা স্ত্রীর প্রিয় জিনিস হলো স্বামীর হাতে করে আনা উপহারটুকু। সেটা যে কোন মূল্যের হোক। এই আংটিটা ওকে দিয়ে বলবে-তুমি সিঙ্গাপুর থেকে ওর জন্য পছন্দ করে কিনেছো। দেখবে মেয়েটি আমার-খুব খুশি হবে। আমি তোমার ম্যাডামের জন্য কিনেছিলাম। এখন না হয় আমার মেয়েকে দিলাম। 

ভালো থেকো বাবা। যোগাযোগ করো। 

শিক্ষনীয় বিষয় হলোঃ-


"জীবনের চলার পথে এমন কিছু মহান ব্যক্তির সংস্পর্শে এসে পুরো জীবনটা বদলে যায়। " 

তাঁরা শুধু মানুষের কল্যাণ কামনা করে প্রশান্তি পেয়ে থাকে।

কপি

পেস্ট 

কোন মন্তব্য নেই:

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...