এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

আন্তর্জাতিক নিয়মে কোনো দেশের বানিজ্যিক বিমান অন্য দেশের আকাশসীমা ব্যবহার করলে অন্তত পাঁচশত ডলার ফী দিতে হয় ওই দেশকে,,,,,,,

 আন্তর্জাতিক নিয়মে কোনো দেশের বানিজ্যিক বিমান অন্য দেশের আকাশসীমা ব্যবহার করলে অন্তত পাঁচশত ডলার ফী দিতে হয় ওই দেশকে। 


দক্ষিন এশিয়ার একমাত্র বাংলাদেশের আকাশ ব্যাবহার করলে অন্তত ৯৫ ভাগ বানিজ্যিক বিমানকে বাংলাদেশকে কোন ডলার দিতে হয় না। বাংলাদেশের আকাশ ব্যাবহার করে কিন্তু চার্জ পায় ভারত। ভারতের রাডার থেকে সিগনাল রেজিস্ট্রার করা হয় তাই এসব বিমান থেকে বাংলাদেশের আকাশ সীমা ব্যাবহারের সকল অর্থ পায় ভারত। 


মুল কারন হল দেশদ্রোহী(?) রাজাকার(?) বেইমান(?) খুনি(?) ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা(?) ভূয়া সেক্টর কমান্ডার(?) ভূয়া স্বাধীনতার ভূয়া ঘোষক(?) জিয়াউর রহমানের আমলেই (১৯৮০ সালে) শাহ্জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দেশের একমাত্র বেসামরিক রাডারটি বসানো হয় ও কমিশন করা হয়। এই একটি মাত্র রাডার দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশের আকাশ পাহারা দেয়া হচ্ছে ৪৪ বছর ধরে। 


কিন্তু ৪৪ বছরের পুরাতন রাডারটি অনেক বছর আগেই এক্সপায়ার হয়ে গেছে, এখনও বারবার মেরামত করে প্রথম প্রজন্মের এই রাডার ব্যবহার করতে হয়। এত পুরাতন রাডার দক্ষিন এশিয়ায় শুধুমাত্র বাংলাদেশই ব্যাবহার করে। যার কার্যক্ষমতা আন্তর্জাতিক মান দন্ডে প্রশ্নের মুখে বহুদিন থেকে। 


মজার তথ্য হল হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে ২০১৭ সালে মানে সাত বছর আগে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের জন্যে নতুন একটি ৪র্থ প্রজন্মের  রাডার কেনা হয়। উক্ত রাডারটি ২০১৭ সালে স্থাপন করা হলেও এখন পর্যন্ত চালু করে কমিশন করা সম্ভব হয় নাই। 


ভারতের কারনেই এই রাডার সচল করা হচ্ছে না। রাডারটি বসানোর সময়েও ভারত আপত্তি জানায়। অথচ ভারত তাদের রাডার ব্যাবহার করে বাংলাদেশের আকাশ সীমা ভাড়া গুনছে আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলো থেকে যার বার্ষিক আয়ের পরিমান প্রায় ১০০ কোটি ডলারর উপরে। 


এক ভারতকেই প্রতিদিন গড়ে একশোর উপর বিমান বাংলাদেশের আকাশ সীমা ব্যাবহার করে বিভিন্ন প্রদেশে যাতায়ত করতে হয়। অথচ সাত বছর থেকে চট্টগ্রামের রাডারটি পড়ে থেকে মেয়াদ হারাচ্ছে প্রতিদিন।


চট্টগ্রামের রাডারটি চালু হলে ভারতের আয়ে ঘাটতি দেখা দিবে এইটা আগে চিন্তা করলে অন্তত ছয় বছর আগে এত টাকা দিয়ে রাডারটি কেনার প্রয়োজন ছিল না৷ ভারত মন খারাপ করবে বা ভারতের সুই সমতুল্য স্বার্থে লাগে এমন কাজ তো আর আমাদের পক্ষে সম্ভব না। দেশ জাহান্নামে যাক, বান্দে মাতারামই আসল চেতনা বাংলাদেশের। 


ডিজিটাল বাংলাদেশের অপর নাম হল - ভারাত মাতা কি জয় হো। ভারতের এক ডলার ব্যাবসা কম হওয়া মানে ডিজিটাল বাংলাদেশের চেতনা কম হওয়া।।





কোন মন্তব্য নেই:

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...