এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ৫ মার্চ, ২০২৪

শিকড় ছাঁটাই,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 শিকড় ছাঁটাই


টবের বহুবর্ষজীবী গাছের শিকড়ে টব ভরে যেতে পারে। টবের মাটির আয়তনের এক চতুর্থাংশের বেশি শিকড়ের আয়তন হলেই তা ছেঁটে কমিয়ে দেওয়া দরকার। অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বলা 

যায়, টবের মাটির গঠন হালকা হলে দুই তিন বছর অন্তর শিকড় ছাঁটাইয়ের প্রয়োজন হয়। পক্ষান্তরে, গঠন ভারী হলে শিকড় ছাঁটার প্রয়োজন হয় কম। শিকড় প্রধানত দুই ধরণের হয় মোটা 

ও ঝুরি। পর পর দুই তিনবার ঝুরি শিকড় ছাঁটার পর একবার মোটা শিকড় ছাঁটার প্রয়োজন হতে পারে। মোটা শিকড় ছাঁটা কিন্তু অপেক্ষাকৃত কঠিন।কারণ একটির বেশি মোটা শিকড় কাটা 

যাবে না। তাই কোনটি ও তার কতটুকু ছাঁটা হবে তা ঠিক করা সহজ নয়। কাজেই মোটা শিকড় ছাঁটার কাজটি বাদ দিতে পারলেই ভালো।শিকড় ছাঁটার জন্য আস্ত মাটির বলসহ গাছটিকে 

সাবধানে টব থেকে বের করে নিতে হবে। তারপর লম্বা ধারালো ছুরি বা কাঁচির সাহায্যে শিকড় ছেঁটে দিয়ে গাছটিকে পুনরায় সারমাটি দিয়ে যথারীতি টবে লাগাতে হবে। মোটা শিকড় কাঁটার 

প্রয়োজন হলে প্রথমে কাঁচি দিয়ে অল্প পরিমাণে ঝুরি শিকড় ছেঁটে দিতে হবে তারপর পেন্সিলের সাহায্যে খোঁচা দিয়ে বলের প্রায় অর্ধেক মাটি বের করে দিতে হবে। এখন মোটা শিকড়গুলির 

একটি বেছে নিয়ে কাণ্ড থেকে ১৫ সে.মি দূরে সিকেচার বা করাত দিয়ে কেটে বাদ দিতে হবে। কাটা স্থানে বোর্দো পেস্ট লাগানো উচিত যা ছত্রাক রোগ প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করবে। 

এখন যথারীতি সারমাটি দিয়ে পুনরায় টবে গাছটিকে লাগাতে হবে।শিকড় ছাঁটার সঠিক সময় সম্বন্ধে সচেতন হতে হবে। পর্ণমোচী গাছের বেলায় পত্রমোচন ঘটার পর যখন পত্রমুকুল বের 

হতে শুরু করবে তখনই শিকড় ছাঁটা যাবে। অন্যান্য (চিরহরিৎ) গাছের ক্ষেত্রে তা বর্ষাঋতুর শুরুতে করা উচিত এবং শিকড় ছাঁটার সময় গাছের পাতার পরিমাণ যেন কম থাকে। এজন্য 

প্রয়োজন হলে শিকড় ছাঁটার আগে গাছের ডাল বা পাতা ছেঁটে দেওয়া উচিত। গাছের ডাল ছাঁটার মৌসুমেও ডাল ও শিকড় একই সময়ে ছাঁটা যায়।


ঝরা ফুলের ডাঁটি ছাঁটাই: 


ফুল ফুটে পাপড়ি ঝরে যাওয়ার পরই ফুলের ডাঁটি(মঞ্জুরী দণ্ড বা বোঁটা)-সহ ডালের ডগার কিছুটা ছেঁটে দিতে হয়। তবে যেটুকু কাটতে হবে তাতে দুই তিনটির বেশি পর্ব থাকা উচিত নয়। 

কাটার স্থান হবে একটি পাতার ১ সে.মি উপরে। এতে গাছের নতুন শাখা গজিয়ে পুনরায় শিগগির কুঁড়ি দেখা দেবে। তবে বীজের জন্য ফল পাওয়ার আশা করলে এ ধরনের ডগা কাটা বাদ 

দিতে হবে। এক্ষেত্রে ফল না ধরে যদি ফুলের বোঁটা শুকাতে থাকে তখনই ডগা ছেঁটে দেওয়া উচিত। এ ছাড়া রোগ-পোকার আক্রমণে কোনও ডাল যদি শুকিয়ে যায় বা স্বাভাবিক ডাল ছাড়ার 

ক্ষমতা হারায় তা কেটে বাদ দেওয়া উচিত।শুধু ফুলের বেলায় নয়, ফলের গাছের বেলায়ও তাই। ফল তুলে নেওয়ার পর ফলের বোঁটাসহ শাখার কিছুটা কেটে বাদ দিতে হয়।



কোন মন্তব্য নেই:

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...