বাংলাদেশের সবচেয়ে ব্যবসাসফল ছবিগুলোর পরিচালকরা কিন্তু খুব বিখ্যাত নন।
তোজাম্মেল হক বকুলের চেয়ে সুনামী
অনেক পরিচালক ছিলেন, অথচ
ব্যবসায় রেকর্ড করল তার ছবি
'বেদের মেয়ে জোসনা'।
এই ছবিটির পরপরই ব্যবসার দিক থেকে নেয়া হয় 'স্বপ্নের ঠিকানা'র নাম।
এর পরিচালক শুধু যে বিখ্যাত তাই নয়,
এম এ খালেক ছবিটি পরিচালনাও করেননি। 'স্বপ্নের ঠিকানা' বানিয়েছিলেন শিল্পী চক্রবর্তী, কিন্তু নাম যায় এম এ খালেকের।
এমন একটা ছবি ১৯৯৫ সালে মুক্তি পেয়ে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে চলে যায়।
আমাদের দেশের দর্শকরা্ এখনও 'ছবি' বলতে বোঝেন 'স্বপ্নের ঠিকানা'র মতো মন জুড়ানো নাটকীয়তা, শ্রুতিমধুর গান আর একাধিক গরমাগরম সংলাপ।
যে কারণে এই ধরনের ছবির জন্য নষ্টালজিয়ায় ভোগেন দর্শকরা।
দর্শকরা আফসোস করেন, 'স্বপ্নের ঠিকানা'র মতো ছবি কেন আর হয় না!
এসব ছবি যারা বানিয়েছেন, বাংলা ছবির চরিত্র যারা দাঁড় করিয়েছেন, খোদ তারাই তো তেমন ছবি বানাতে পারছেন না বহু বছর চেষ্টার পরও। তাই এমন আফসোসের কোনো ফল নেই। আজ তো না ফেরার দেশে চলে গেলেন শিল্পী চক্রবর্তী, 'স্বপ্নের ঠিকানা'র ফর্মুলাটাও চলে গেল তার সঙ্গে সঙ্গে। দেখা যাক, নতুন প্রজন্মের কেউ তেমন আবেগে ভরপুর ছবি আগামীতে বানাতে পারেন কি না।
স্বপ্নের ঠিকানা, রঙিন উজান ভাটি, রঙিন বিনি সুতার মালা, সবার অজান্তে, তোমার জন্য পাগল - তিনি একজন পছন্দের নির্মাতা নিঃসন্দেহে। উনার মৃত্যুতে তাই ব্যথিত হচ্ছি।
![]() |

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন