এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ, ২০২৪

মৌখামারে চিনির আবশ্যকতা,,,,ফেইসবুক থফ

 মৌখামারে চিনির আবশ্যকতা

আমরা জানি মধু সংগ্রহের উৎস প্রধানত দুটি। এক- প্রাকৃ‌তিক প‌রিবে‌শে নির্মিত মৌচাক থেকে এবং দ্বিতীয়ত - মৌমাছি প্রতিপালন বা চাষের মাধ্যমে। এছাড়া আর কোনো ভাবেই মধু পাওয়া সম্ভব নয়। 

জীবন ধারণের জন্য অন্যান্য প্রা‌ণীর ন্যায় মৌমাছিদেরও খাদ্যের প্রয়োজন হয়।8 মৌমাছি তাদের শর্করা জাতীয় খাদ্য হিসেবে ফুল থেকে পুষ্পরস বা নেকটার এবং আমিষ জাতীয় খাদ্যের চাহিদা পূরণের জন্য ফুলের পুংকেশর থেকে পরাগরেণু বা পোলেন  গ্রহণ করে। যা একমাত্র বিভিন্ন মৌসুমের প্রস্ফুটিত ফুল, ফল ও বিভিন্ন উদ্ভিদ থেকে মৌমাছি নিজেরাই সংগ্রহ করে।

প্রাকৃ‌তিক প‌রিবে‌শে গড়ে উঠা মৌচাকে অবস্থানরত হাজার হাজার মৌমাছি তাদের নিজেদের সংগৃহীত প্রয়োজনীয় খাদ্য খাওয়ার পর উদ্বৃত্ত খাদ্য মধুতে রূপান্তরিত করে ভবিষ্যতের জন্য মৌচাকে জমা করে রাখে। তবে প্রাকৃ‌তিক প‌রিবে‌শে ফুলের প্রাচুর্যতা কমে গেলে এবং মৌ কলোনিতে খাদ্যাভাব পরিলক্ষিত হলে জীবন ধারণের জন্য নতুন কোনো খাবারের সন্ধান পেলে তারা স্থান পরিবর্তন করে নতুন কোনো স্থানে গিয়ে বসতি স্থাপন করে।

অপর দিকে মৌমা‌ছির খামারে একসাথে শত শত বাক্সে মৌমাছি প্রতিপালন করা হয়। এখা‌নে লক্ষ লক্ষ মৌমাছির বসবাস। প্রাকৃ‌তিক প‌রিবে‌শে ফুলের প্রাচুর্যতা কমে গেলে স্বাভাবিক ভাবেই মৌ কলোনিতে খাদ্যাভাব দেখা দেয়। তখন খামার মালিকদেরকে মৌমাছির জন্য বিকল্প খাদ্যের যোগান দিতে হয়। 

আমাদের দেশে সাধারণত গ্রীষ্মের প্রচন্ড দাবদাহ এবং বর্ষা মৌসুমে মৌমাছির প্রাকৃ‌তিক খাদ্যের যোগান অনেকাংশে কমে যায়। এ সময় মৌমাছির জীবন বাঁচাতে মৌকলোনিতে কৃত্রিম খাদ্য সরবরাহ করা জরুরী হয়ে পড়ে।

মৌমা‌ছির কৃত্রিম খাদ্যের মধ্যে যা সহজলভ্য তা হলো "চিনি"। যা ঘন সিরাপ আকারে মৌমাছিকে খাওয়ানো হয়। এছাড়া অন্যান্য মিষ্টি জাতীয় খাদ্য খাবার হিসেবে মৌমাছিকে অভ্যস্ত করতে পারলে তাদের খাওয়ানো যেতে পারে। যেমন - আখের গুড়, আখের রস, খেজুর গাছের রস, খেজুরের গুড়, তাল গাছের রস, তালের গুড়, গোল পাতার রস ও গুড়, সুগার বিট এর রস, গাজর, তরমুজ এবং বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি ফল মূল ইত্যাদি।

চিনি ছাড়া অন্যান্য যে সকল মিষ্টি জাতীয় খাদ্যদ্র‌ব্য বিকল্প হিসেবে মৌমাছির খাদ্য হিসেবে বিবেচিত সেগুলোর মধ্যে একমাত্র তরমুজ ও তালের রস ছাড়া সবই প্রায় আমাদের দেশে সাধারণত শীত মৌসুমে পাওয়া যায়। কিন্তু শীতকালে প্রকৃ‌তিতে প্রচুর ফুল ফোটে এজন্য সে সময় মৌমাছির খাদ্যের অভাব দেখা যা‌য় না। গ্রীষ্মের শেষে ও বর্ষাকালে যখন খাদ্যাভাব দেখা যায় তখন বিকল্প খাদ্য হিসেবে একমাত্র চিনিই সহজলভ্য।

মৌমা‌ছির বিকল্প খাদ্য হিসেবে চিনির সিরাপ বা সরবত খাওয়ানো হলেও তা শুধুমাত্র মৌমাছির জীবন বাঁচানোর জন্য, মধু উৎপাদনের জন্য নয়। মৌমাছি বিভিন্ন ফু‌ল ও ফল থেকে যে তরল, আঠা‌লো ও মিষ্টি স্বাদযুক্ত পদার্থ সংগ্রহ করে তা মধু পাকস্থলীতে বিভিন্ন ধরণের এনজাইম, জৈব অম্ল, জীবাণু নাশক এবং অন্যান্য উপকারী পুষ্টিগুণ সম্পন্ন পদার্থে সমৃদ্ধ হয়ে অনেক জটিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঘনিভূত হয়ে মধুতে রূপান্তরিত হয়। যা শুধু মাত্র চিনি থেকে সম্ভব নয়।




কোন মন্তব্য নেই:

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...