এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ, ২০২৪

গঙ্গার নীচে সুড়ঙ্গ তৈরি করে ট্রেন চালানোর ভাবনা তা কিন্তু হয়েছিল অনেক আগেই। সেই ১৯২১ সালে ব্রিটিশ আমলে।,,,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 গঙ্গার নীচে সুড়ঙ্গ তৈরি করে ট্রেন চালানোর ভাবনা তা কিন্তু হয়েছিল অনেক আগেই। সেই ১৯২১ সালে ব্রিটিশ আমলে।

লন্ডনের টেমসের মতো গঙ্গার নীচে কলকাতা-হাওড়াকে জুড়বেন ভেবেছিলেন ব্রিটিশ ইঞ্জিনিয়ার লন্ডনের থেমস টানেল।


 ১৯৮৪ সালের ২৪ অক্টোবর। ভারতে প্রথম পাতালরেল গড়গড় করে চাকা গড়িয়েছিল। প্রথম গন্তব্যটা ছিল কলকাতার এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন থেকে ভবানীপুর (অধুনা নেতাজি ভবন স্টেশন) পর্যন্ত। তার আগে ট্রায়াল হয়েছিল জুন মাসে। আম বাঙালি তখন মেট্রোকে বলত পাতালরেল। মাটির নীচে পাতালপথে হু হু করে ছুটছে ট্রেন, তা ছিল বেশ শিহরণ জাগানো ব্যাপার। ৪০ বছর কেটে গেছে। মেট্রো এখন অনেক প্রসারিত। উত্তর-দক্ষিণের পরে পূর্ব-পশ্চিমকে জোড়ার কাজও শুরু হয়ে গেছে। হাওড়া ময়দান থেকে কলকাতার এসপ্ল্যানেড অবধি গঙ্গার নীচ দিয়ে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো চালু হয়ে গেছে হইহই করে। এই যে গঙ্গার নীচে সুড়ঙ্গ তৈরি করে ট্রেন চালানোর ভাবনা তা কিন্তু হয়েছিল অনেক আগেই। সেই ১৯২১ সালে ব্রিটিশ আমলে। যে ব্রিটিশ ইঞ্জিনিয়ার প্রথম তা ভেবেছিলেন তাঁর জন্ম আবার বাংলার বুকেই, খাস বীরভূমে।


ভারতে তখন ব্রিটিশ শাসন। গঙ্গার নীচে সুড়ঙ্গ বানিয়ে মেট্রো চালুর ভাবনা ছিল ব্রিটিশদেরই। কলকাতা আর হাওড়াকে গঙ্গার নীচে দিয়ে জুড়বেন ভেবেছিলেন তৎকালীন এক ব্রিটিশ ইঞ্জিনিয়ার। গঙ্গার এপার আর ওপারকে একই সূত্রে গাঁথতে চেয়েছিলেন তিনি। সেই ব্রিটিশ ইঞ্জিনিয়ারের নাম ছিল স্যার হার্লে ডালরিম্পল-হে। তাঁর নাম বেশি কেউ জানে না। স্যার হার্লে ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত হলেও জন্ম বাংলার বীরভূমে। সেই ১৯২১ সালেই প্রথম গঙ্গার নীচে দিয়ে টিউব রেল চালানোর ভাবনা এসেছিল তাঁর মাথায়। ১৯৮৪ সালের ২৪ অক্টোবর প্রথম মেট্রো রেল চলে কলকাতায়।


লন্ডনে টেমস নদীর নীচ দিয়ে তখন দিব্যি ট্রেন চলে। নদীর নীচ দিয়ে টানেল বানানোর কৌশল তখন আয়ত্ত করে ফেলেছে ব্রিটিশরা। সেই কৌশলেই গঙ্গার নীচে দিয়ে কলকাতা আর হাওড়াকে জুড়ে ফেলার কথা ভাবেন স্যার হার্লে। ডিজাইনও এঁকে ফেলেন হার্লে। হুগলি নদীর নীচে দিয়ে ১০.৫ কিলোমিটার (৬.৫ মাইল) পাতালপথে মেট্রো চালানোর নকশা করেন স্যার


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 
হার্লে। ১০টা স্টেশন বানানোর ভাবনা ছিল তাঁর। কলকাতার সঙ্গে জুড়ত যমজ শহর হাওড়া। যেমন ভাবা তেমনি কাজ। শুরু হয় মাটি পরীক্ষা।


১৯২৮ সাল। গঙ্গার নীচে দিয়ে মেট্রো চালানোর প্রকল্প বন্ধ করে দেন স্যার হার্লে। পরবর্তীতে তাঁর বই ‘ক্যালকাটা টিউব রেলওয়েজ’-এ তিনি লিখেছিলেন, লন্ডনের টেমস নদীর নীচে মেট্রোর সুড়ঙ্গ তৈরিতে যা খরচ পড়েছিল, হুগলি নদীর নীচে টানেল বানাতে হলে তার খরচ পড়ত প্রায় ৬ গুণ। পলিমাটি পরীক্ষা করে তিনি দেখেছিলেন সেখানে টানেল বানানো বেশ কঠিন। নরম কাদামাটিতে টানেল বানাতে গেলে তার খরচও হত বিস্তর। পয়সাকড়ির অভাবে টানেল বানানোর কাজ বন্ধ করে দেন তিনি।


কিন্তু ওই যে কথায় বলে না, মন থেকে কিছু চাইলে এবং পরিশ্রম করলে সে ফল একদিন ঠিকই পাওয়া যায়। তাই হয়েছিল স্যার হার্লের ক্ষেত্রেও। টিউব রেল বানানোর প্রকল্প বন্ধ হওয়ার পর পরই সিইএসসি (সিটি ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি) স্যার হার্লেকে হুগলি নদীর নীচে টানেল বানানোর প্রস্তাব দেয়। কলকাতা ও হাওড়ার মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু রাখার জন্য টানেল বানানো খুব জরুরি হয়ে পড়ে সেই সময়। মোটা মোটা কেবিলের তার গঙ্গার নীচের টানেল পথেই নিয়ে যাওয়ার কথা ভেবেছিল সিইএসসি। সেই জন্যই সুড়ঙ্গ খুঁড়তে হত। সিইএসসি প্রস্তাবে রাজি হয়ে টানেল তৈরির কাজ শুরু করেন স্যার হার্লে। সে কাজ শেষ হয় ১৯৩১ সালে। সেই প্রথম কলকাতায় গঙ্গার নীচ দিয়ে টানেল তৈরি হয়। মেট্রো রেলের জন্য না হলেও গঙ্গার নীচের টানেল জুড়ে দেয় দুই যমজ শহরকে।

Copy from fb


কোন মন্তব্য নেই:

গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z

 #গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z  গ্রীষ্মকালেও লাউ চাষ করে ভালো ফলন ও লাভ পাওয়া সম্ভব। তবে এজন্য দরকার উপযুক্ত জাত, সঠিক সময়ে সার প্রয়োগ, মাচ...