এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ১১ মার্চ, ২০২৪

একজন শিক্ষিত "পাঠা"র গল্প শুনুন..,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 একজন শিক্ষিত "পাঠা"র গল্প শুনুন...... 

এক গ্রামে একজন লোক ছিল। তার নাম ছিল রিপ্লেস পাঠান। বিয়ের পর তার  একটা ছেলে হইছে। আদর করে  নাম রাখছে "আবু পাঠান"। 


এ গ্রামের ছেলেরা অনেক দুষ্ট ছিল। শয়তানি করে আবু পাঠানের পুরো নাম বলেনা। পাঠানের শেষে ন অক্ষর বাদ দিয়ে সবাই তাকে "আবু পাঠা" বলে ডাকা শুরু করে। একসময় ফাজিল পোলাপান আরো সংক্ষেপে ডাকার জন্য নামের শুরু থেকে আবু শব্দটিও বাদ দিয়ে শুধু "পাঠা" বলে ডাকতে শুরু করে।  কি আজব রে বা! 


যাইহোক এ "পাঠা"কে তার বাবা মা চেষ্টা করে বাংলাদেশের লেখাপড়া কমপ্লিট করায়। এরপর উচ্চ ডিগ্রী আনার জন্য বাহিরে পাঠায়।   ডিগ্রী নিয়ে দেশে ফেরার পর দেখে যে চোরে দেশটা ভইরা গেছে। তবে চোরদের সাথে চাকরী করার চিন্তাভাবনা না করে সর্বশেষ  বিশাল বড় একটি গাভীর খামার দেয়ার পরিকল্পনা করে খামার দিয়ে দিল।


এলাকার লোকেরা এখামার দেখে অনেক খুশি হয় এবং সেইসাথে তারা  তাদের সন্তানদের জন্য "পাঠা"র ফার্ম থেকে প্রতিদিন দুধও নেয়। 


কিন্ত এ শিক্ষিত পাঠা কিছুদিন পরপর দুধের মধ্যে বিভিন্ন ধরণের ভেজাল করতে থাকে। যেমন ধরেন - 

▪️প্রথমে ১০কেজি দুধে ১কেজি পানি মেশায়

▪️কিছুদিন পর ৮কেজি দুধে ১কেজি পানি মেশায়

▪️তার কিছুদিন পর ৫ কেজি দুধে ১কেজি পানি মেশায় 

▪️এরও কিছুদিন পর ৫ কেজি দুধে ৫কেজি পানি আর ১টা কনডেন্স মিল্কের  মেশায়। 

▪️সর্বশেষ এবার "পাঠা স্যার" গরুর দুধ পাশের এলাকে সাপ্লাই দিয়ে এলাকার মানুষকে শুধু কনডেন্স মিল্কের সাদা পানি খাওয়াতে শুরু করে


এলাকার লোকেরা পাঠার এমন গোঁজামিলের খবর অনেকে বুঝেও কেউ কোনো উদ্যোগ নেয়না বা কিছু বলেনা এবং প্রতিবাদও করেনা। ফলে পাঠার মহা সুযোগ তৈরি হয়।


পাঠার এমন কাণ্ড দেখে  এলাকার ইমাম সাহেব ২টি গাভী কিনে জনগণকে খাঁটি দুধ খাওয়ানোর ব্যবস্থা করেন। এবার ইমাম সাহেবের এমন উদ্যোগকে সকলে স্বাগত জানায় এবং তার কাছ থেকে এলাকার লোকজন  দুধ সংগ্রহ করতে শুরু করে। 


পাশের এলাকার ইমাম সাহেব এ এলাকার ইমামের সাহেবের কার্যক্রম দেখে উৎসাহ পান। তিনিও তার এলাকাতে একটি খাঁটি দুধের খামার গড়ে তুলেন। একটা পর্যায়ে বহু ইমাম ও আলেমরা খাঁটি দুধের খামার করে। জনগণও তাদের সন্তানদের জন্য হুজুরদের কাছ থেকে এ খাঁটি দুধ নেয়ার দৃঢ় সংকল্প করে। 


আর ঠিক তখনই শিক্ষিত স্যার "পাঠা" সাংবাদিকদের বলে যে, "যত্রতত্র খামার গড়ে উঠে কারণে আজ আমার খামারে ক্রেতার কমতি"। শত হলেও তো সে শিক্ষিত। তাই তার এ উক্তি সকল পত্রিকার হেড লাইনে ছাপা হল। 


সর্বশেষ বলি, আমার লিখা এ গল্পটি কাল্পনিক। তবে বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থাকে দুধের সাথে তুলনা করলে অনেক কিছু উপলদ্ধি করতে পারবেন। আজ এ পর্যন্তই থাক। দুআ চাই। মনে চাইলে শেয়ার কইরেন।

আবু মুহাম্মাদ রেজাউল করীম

Abu Muhammad Rejaul Karim 

মত প্রকাশের স্বাধীন নাগরিক, বাংলাদেশ

05.03.2024

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

কোন মন্তব্য নেই:

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...