এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ, ২০২৪

এনহেদুয়ান্না: বিশ্বের প্রাচীনতম লেখক?,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 এনহেদুয়ান্না: বিশ্বের প্রাচীনতম লেখক?


খ্রীষ্টের জন্মের দুই হাজার তিনশ বছর আগে মেসোপটেমিয়ায় বসবাস করতেন কবি এনহেদুয়ান্না। তাকে পৃথিবীর প্রাচীনতম কবি মনে করা হয়। অলঙ্কারশাস্ত্র ও আত্মজীবনী প্রচলনের কৃতিত্বও দেয়া হয় তাকে। তিনি ছিলেন আক্কাদিয়ান রাজা সারগনের কন্যা। 


তার কবিতার পাণ্ডুলিপি পাওয়া গেছে খ্রীষ্টপূর্ব ১৮ শতাব্দীর, অর্থাৎ প্রাচীন ব্যাবিলনীয় যুগের পাঠশালা থেকে। সময়ের এই পার্থক্যের কারণে এই কবিতাগুলি আসলেই তার লেখা কিনা এ নিয়ে সন্দেহ আছে অনেক গবেষকের। 


প্রায় ৫ হাজার বছর আগে, মেসোপটেমিয়ার সুমের অঞ্চলের বাসিন্দারা কুনিফর্মের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ শুরু করেন। কুনিফর্ম পৃথিবীর প্রাচীনতম লিখন পদ্ধতি, এর প্রচলন ছিল মধ্যপ্রাচ্যে। কুনিফর্মের আবির্ভাবের প্রায় এক হাজার বছর পর এনহেদুয়ান্না নামের একজন নারী লেখক এই পদ্ধতিকে নতুনভাবে ব্যবহার করতে শুরু করেন। 


তার অনন্য লেখনী উত্তম পুরুষে (আমি আমি করে) লেখালেখির প্রাচীনতম উদাহরণ। ধারণা করা হয়, নিজের লেখকত্ব দাবি করা প্রথম লেখক তিনি। সব ধরনের ইতিহাসে প্রথম লেখক হিসেবে নাম আসে মেসোপটেমিয়ার কবি, রাজকন্যা ও ধর্মযাজিকা এনহেদুয়ান্নার। 


১৯২৭ সালের আগে আধুনিক সভ্যতাগুলির কাছে এনহেদুয়ান্না ছিল এক অজানা নাম। ১৯২৭ সালে প্রত্নতত্ত্ববিদ স্যার লিওনার্ড উলি তার নামযুক্ত বেশ কিছু বস্তু খনন করেন। সুমেরীয় ভাষায় তার নামের অর্থ ‘স্বর্গের গহণা’’। চন্দ্রদেবী নান্না-সুয়েনের প্রধান পুরোহিত এনহেদুয়ান্না ৪২টি স্তোত্র ও ৩টি কবিতা লেখেন। 


গবেষকরা কয়েক যুগ পর তার লেখনীর স্বীকৃতি দেন, যদিও অনেকে এখনও তার লেখকত্বের ব্যাপারে সন্দেহ প্রকাশ করেন। গবেষকদের যারা বিশ্বাস করেন কবিতাগুলির লেখক তিনি, তাদের মতে এই লেখনীগুলির মধ্যে তার ব্যক্তিত্বের প্রতিফলন ঘটেছে। যেগুলি তার মৃত্যুর বহু বছর পরও প্রাসঙ্গিকতা হারায়নি। 


এনহেদুয়ান্নার জন্ম মেসোপটেমিয়ায় (বর্তমান ইরাক), খ্রিস্টপূর্ব ২৩ শতাব্দীতে। তিনি রাজা সারগনের কন্যা ছিলেন। রাজা সারগন ছিলেন আক্কাদিয়ান সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা, এই রাজ্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সুমেরীয় প্রজাদেরকে একজন শাসকের নেতৃত্বে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছিল। অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন সারগন বিশ্বের প্রথম সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। ধর্মযাজিকা হওয়ার পাশাপাশি, রাজকন্যা হিসেবে রাজনৈতিক ক্ষমতাও ছিল এনহেদুয়ান্নার।


বিশেষ করে, আক্কাদের উত্তর মেসোপটেমিয়ান অঞ্চলকে একত্রিত করায় এনহেদুয়ান্নার ভূমিকা অনস্বীকার্য। এই উত্তরাঞ্চলেই তার বাবা সারগন প্রথম ক্ষমতায় আসেন, পরবর্তীতে দক্ষিণাঞ্চলের সুমেরীয় শহরগুলি দখল করে নেন। 


সুমেরীয় দেবী ইনানার সাথে আক্কাদিয়ান দেবী ইশতারের ধর্মীয় বিশ্বাস ও আচার অনুষ্ঠানের সমন্বয় ঘটানোর মাধ্যমে তিনি মানুষের হৃদয় জয় করে নেন, যাতে অনেক বড় ভূমিকা রাখেন এনহেদুয়ান্না। পুরো সাম্রাজ্যে একটি সাধারণ ধর্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে সাহায্য করেন তিনি। তার স্তোত্র ও কবিতায়ও এই সমন্বয়ের বিষয়টি দেখা যায়। 


এনহেদুয়ান্না দক্ষিণ মেসোপটেমিয়ার ৪২টি মন্দিরের জন্য স্তোত্র লেখেন, এগুলির প্রত্যেকটিতে তিনি দেবীর নানারকম গুণাবলির কথা তুলে ধরেন ভক্তদের কাছে। তার মৃত্যুর কয়েকশ বছর পরেও মন্দিরগুলিতে এই স্তোত্র পাঠ করা হত।


প্রাচীন ব্যাবিলনিয়ান লিপিগুলির মধ্যে ৫টি কবিতা এনহেদুয়ান্নার লেখা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। এই কবিতাগুলির মধ্যে আছে: ইনানার উচ্ছ্বাস, ইনানার স্তোত্র, মন্দিরের স্তোত্র ও ২টি আংশিক কবিতা। কয়েকজন আধুনিক গবেষকের মতে, এনহেদুয়ান্না ‘ইনানা’ ও ‘এবিহ’ নামের দুটি কবিতাও লিখেছেন। 


‘দ্য এক্সলটেশন’ এ ইনানাকে যুদ্ধের দেবী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, এনহেদুয়ান্না তার নিজের দুর্দশার বর্ণনা দেন সেখানে। 


এরপরে শুরু হয় এনহেদুয়ান্নার সংগ্রামের জীবন। বিদ্রোহী রাজা লুগাল-আনে ক্ষমতা ছিনিয়ে নেন ও তাকে নির্বাসনে পাঠান। এনহেদুয়ান্না ইনানার কাছে সাহায্য চেয়ে প্রার্থনা করার চেষ্টা করেন, কিন্তু কোনো ভাষা খুঁজে পান না। তার প্রশংসনীয় বাকপটুতা হারিয়ে যায়। এই কবিতার পরিণতির মুহূর্তে রাত্রিকালীন এক আচার অনুষ্ঠানের সময় দেবী ইনানার ঐন্দ্রজালিক দর্শন পান এনহেদুয়ান্না। তিনি তার কাব্যিক ক্ষমতা ফিরে পান ও এই স্তোত্র রচনা করেন। 


‘দ্য হাইম’ সুমেরীয় ভাষায় দেবী ইনানাকে উদযাপনের মৌলিক স্তোত্র। এর ভাষা ‘এক্সলটেশন’ এর তুলনায় অনেক সাহসী। এই স্তোত্রে, ইনানাকে মহাবিশ্বের নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়, দেবলোকের অন্যান্য দেবদেবীর তুলনায় বেশি শক্তিশালী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এই স্তোত্রে ইনানার সব ধরনের গুণাবলি ও ক্ষমতার কথা উল্লেখ করা হয়।


‘দ্য টেম্পল হাইম’ সুমেরের বিভিন্ন মন্দিরকে উৎসর্গ করা মোট ৪২টি স্তোত্রের সংগ্রহ। এসব স্তোত্রে মন্দিরের নানা দেবদেবীদের উদ্দেশ্য করে লেখা হয়েছে, মন্দিরগুলি যে শহরে অবস্থিত সেসব শহরকে উৎসর্গ করে লেখা হয়েছে। একসাথে মিলে এই স্তোত্রগুলি সুমেরীয় সভ্যতার এক কাব্যিক চিত্র তুলে ধরে। 


দুটি আংশিক কবিতায় এনহেদুয়ান্নার নাম আছে, তবে এর একটি এতটাই বিচ্ছিন্ন যে তেমন কিছু বোঝা যায় না। আরেকটি দেবতা নানাকে উদ্দেশ্য করে লেখা, এনহেদুয়ান্না নিজে যার প্রধান পুরোহিত ছিলেন। এই কবিতায় তার মন্দিরের মহিমা ও তার খাবার প্রস্তুতির বর্ণনা পাওয়া যায়। 


সারগন এনহেদুয়ান্নাকে চন্দ্রদেবতা নানার প্রধান পুরোহিত হিসেবে নিয়োগ দেন। তার মন্দির ছিল সুমেরের উর শহরে।


তিনি লেখেন:


সে আমাকে কাঁটার ওপর হাঁটতে বাধ্য করেছে

সে আমার পবিত্র কর্মস্থলের রাজমুকুট ছিনিয়ে নিয়েছে 

সে আমাকে একটি ছুরি দিয়ে বলেছে, “তোমার জন্য এটাই ঠিক আছে।”


এটি তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে লেখা।


‘দ্য এক্সলটেশন অফ ইনানা’য় এনহেদুয়ান্না লেখেন, তিনি প্রধান পুরোহিতের পদ ফিরে পেয়েছেন, এর কৃতিত্ব দেন ইনানাকে। এই কবিতায় তিনি নিজের সৃজনশীল প্রক্রিয়ারও বর্ণনা দেন: 


‘আমি জন্ম দিয়েছি, 

হে মহিমান্বিত নারী, (এই গানটি) তোমার জন্য। 

(মধ্য) রাতে আমি এটি আবৃত্তি করেছি 

আশা করি দুপুরে গায়কেরা তোমার উদ্দেশ্যে এটি আবার গাইবে!’ 


‘টেম্পল হাইম’ এর লেখকত্ব দাবি করেন এনহেদুয়ান্না। তিনি লেখেন, 


‘এই শীলালিপিটির সমন্বয়ক এনহেদুয়ান্না। প্রভু, এখানে যা সৃষ্টি করা হয়েছে, তা আগে কেউ কখনও করে নি।’ 


বিশ্লেষক ও এনহেদুয়ান্নার অনুবাদক বেটি ডি শং মিডোর তার বই ‘প্রিন্সেস, প্রিস্টেস, পোয়েট’ এ লেখেন, “এসব স্তোত্রে আমরা একজন প্রতিভাধর কবির কণ্ঠস্বর শুনতে পাই। তিনি অকপটে দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন দিক, সতর্কতা ও দেবদেবীদের প্রকৃতি ও তাদের মন্দিরের কথা তুলে ধরেছেন। তার চারপাশে সক্রিয়, আকর্ষণীয় ও অনিয়ন্ত্রিত ঐশ্বরিক সত্তার কথা তুলে ধরেছেন।” 


এই কবিতাগুলি থেকে এনহেদুয়ান্নার গাণিতিক জ্ঞানের পরিচয়ও পাওয়া যায়। ঐতিহাসিকদের মতে, গণিতের সূচনা হয়েছিল মেসোপটেমিয়ায়, সেদিক বিবেচনায় এটি খুব একটা বিস্ময়কর না। কুনিফর্ম ও অন্যান্য প্রাচীন লেখার সূচনাও মেসোপটেমিয়ান সভ্যতায়ই হয়েছিল। লেখা ও গণনার পদ্ধতি সম্ভবত মেসোপটেমিয়ার সক্রিয় কৃষি ও টেক্সটাইল নির্ভর অর্থনীতির কারণেই আবিষ্কৃত হয়েছিল। কারণ, কৃষক ও বণিকরা কী কী পণ্য উৎপাদিত হয়েছে তা গণনা করতেন, কী কেনাবেচা হচ্ছে তা রেকর্ড করতেন। 


আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩৪০০ অব্দে শুরু হওয়া এই সময়কালে মেসোপটেমিয়ার শহর অঞ্চলের ব্যাপক বৃদ্ধি হয়েছে, সারা দেশ ও অঞ্চলে পণ্য উৎপাদন ও বাণিজ্যের প্রচলন হয়েছে। বাণিজ্যের প্রসার হওয়া মানে প্রচুর কর্মীর প্রয়োজন হত, যাদের অনেকেই ছিলেন নারী। সাধারণ গৃহস্থালির কাজ ও ধর্মীয় দায়িত্বের বাইরে গিয়ে নারীরা এই দায়িত্ব পালন করতেন। তারা নানারকম বাণিজ্যের সাথে যুক্ত ছিলেন। যেমন সিরামিকস, কাপড় বোনা, বেকিং, পশুপালন, নানারকম পানীয় বানানো ও কারুশিল্প ইত্যাদি। 

 

২০২২ সালের অক্টোবর মাসে, ‘দ্য মরগান লাইব্রেরি ও মিউজিয়াম’ এ এই যুগান্তকারী নারীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। প্রদর্শনীর নাম ছিল, “যে নারী লিখতেন: এনহেদুয়ান্না ও মেসোপটেমিয়ার নারীরা, সময়কাল খ্রিস্টপূর্ব ৩৪০০-২০০০ অব্দ।” এখানে প্রাচীন ভাস্কর্য, ত্রাণ ও কুনিফর্ম শিলালিপির মাধ্যমে নারীদের ধর্মীয়, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়। এই অভিজ্ঞতাগুলির সাথে সমসাময়িক নারীরাও অনেক মিল খুঁজে পাবেন। 


এর আগে, প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার নারীদের জীবন নিয়ে বড় কোনো প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়নি। এই প্রদর্শনীর চিত্রকর্মগুলি এসেছে লন্ডন, বার্লিন, প্যারিস ও অন্যান্য জায়গা থেকে। এসব চিত্রকর্ম থেকে তাদের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষমতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। 


এসব ছবিতে নারীদের পশুপালন, মাটির তৈজসপত্র তৈরি, তাঁতের কাজ করতে দেখা গেছে। এছাড়া মন্দিরে নারীদের উপস্থিতি, পুরুষ সেবকদের দিকনির্দেশনা দিতে দেখা গেছে। একটি ছবিতে দেখা গেছে একজন লোক তার জমি তার কন্যার হাতে তুলে দিচ্ছেন। 


এই প্রদর্শনীতে এনহেদুয়ান্নার ডিস্ক; তার ভৃত্যদের সিলিন্ডারের সিল ও ‘দ্য এক্সলটেশন অফ ইনানা’ লেখা একটি শিলালিপি দেখা যায়। এই শিলালিপিতে আরও কিছু সূক্ষ্ম খোদাই দেখা গেছে। এগুলি সম্পর্কে এখনও স্পষ্ট কোনো ইঙ্গিত পাওয়া না গেলেও ধারণা করা হয় এগুলি এনহেদুয়ান্নার ছবি, যেখানে দেবদেবীদের ঐশ্বরিক পরিবেশের আভাস পাওয়া যায়। 


এই মূর্তি, ভাস্কর্য ও অন্যান্য চিত্রকর্মগুলি নারীরা মন্দিরে দান করতেন, তাদের নাম খোদাই করা ছিল এসবে। এ ধরনের রীতিনীতি থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই এনহেদুয়ান্না নিজের পরিচয় তুলে ধরেছেন। ‘দ্য এক্সলটেশন’ দেবীকে উৎসর্গ করে লেখা একটি কবিতা। 


বিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে এসে, গবেষকদের মধ্যে এনহেদুয়ান্নার লেখালেখির ব্যাপারে নানারকম মত দেখা গেছে, “সেই পুরোহিতই কি এসব লিখেছেন?” লেখালেখি শুরুটা হয়েছিল একজন নারীর হাত ধরে, গ্রীসের স্বর্ণালি যুগ শুরুরও দুই হাজার বছর আগে, এমন ধারণাটি অনেকের কাছেই অতিরঞ্জিত বলে মনে হয়। 


যদি এনহেদুয়ান্না এই লেখাগুলি লিখে থাকেন, তাহলে লেখালেখির সূচনা তার হাত ধরেই হয়েছে বলতে হবে। এছাড়া অলঙ্কারশাস্ত্র ও আত্মজীবনীরও আবির্ভাব হয় তার হাত ধরে। তিনি হোমারেরও ১৫০০ বছর আগে, স্যাফোর ১৭০০ বছর আগে ও অ্যারিস্টটলের ২০০০ বছর আগে পৃথিবীতে ছিলেন। সাধারণত অলঙ্কারশাস্ত্রের সূচনার কৃতিত্ব দেয়া হয় অ্যারিস্টটলকে।


এনহেদুয়ান্নার কবিতার বিষয়বস্তু অনেক সমৃদ্ধ। ধর্মপালন থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত প্রতিফলন, রাজনৈতিক মন্তব্য ও পৌরাণিক নানা ঘটনার উল্লেখ পাওয়া যায় তার লেখায়। এছাড়াও তার লেখা থেকে প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির ধারণা পাওয়া যায়। 


যতই বিতর্ক থাকুক, আমাদের স্বীকার করে নিতেই হয়, বর্তমান যুগের লেখকদের জন্য এনহেদুয়ান্না সৃজনশীল শক্তির একজন পুরোধা। 


 ইতিহাস  নারী  এনহেদুয়ান্না

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

কোন মন্তব্য নেই:

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: দিনব্যাপী সফরে আজ ময়মনসিংহ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান - যোগ দেবেন খাল ...