আজ ফজরের নামাজ পড়ে যশোরে আমার কোম্পানির মিটিং ছিল খুব সকালে রওনা দেই।ওদের দুজনের সাথে আর দেখা হয় না ।মিটিং শেষ করে বিকেল বেলা খুব তাড়াহুড়া করে ঈছাখাদার বাজার থেকে ওদের জন্য খাবার কিনি।যেহেতু সকালে ওদেরকে আমি খেতে দিতে পারি নাই তাই অন্যান্য কাজ রেখে দ্রুত বাসায় চলে আসি।আসার পরে ওরা আমার কাছে ছুটে আসে তারপর ব্যাগ থেকে বের করে ওদেরকে খাবার দেই তারপর আমি গোসল করার জন্য পুকুরে যাই ওরা দুইজনে পিছন পিছন আমার সাথে ঘাটে যায়। এবং নিচের সিঁড়িতে দুজন দাঁড়িয়ে থাকে আমি গোসল করে ওঠার পরে আমার সাথে চলে আসে বাড়ির ভেতর তারপর আমি হাজীপুর বাজারে চলে যাই ।একটু পরেই আমার ফোনে বারবার ফোন আসে টাইগার অসুস্থ আমি দ্রুত হাজীপুর বাজারে আরাফাতের কাছে চলে যাই ওর পরামর্শে আমি ওদের ওষুধ নিয়ে আসি তারপরে আবার বাজারে চলে যায় আবার বাড়ি থেকে ফোন করে এরপরে আমি শিবরামপুরের পারভেজকে ফোন দেই সে কিছু ওষুধের কথা বলল হাজীপুর এবং ইছাখাদা দৌড়াদৌড়ি করে ওষুধ ম্যানেজ করে এর মধ্যে খুব ছটফট করছিল তার সুজিত দাদার কাছে চলে যায় রাত সেই সময় প্রায় বারোটা বাজে দাদা বলল হিট স্ট্রোকের পাশাপাশি প্যারালাইজড হয়ে গেছে ।মনের অজান্তে বুক ফেটে কান্না চলে আসলাম চোখ দিয়ে টলমল করে পানি বের হতে শুরু হল ।সুজিত দাদা ফোন দিল হাজিপুর বাজারে র কেমিস্ট কে আমি জুয়েলকে বললাম দ্রুত গাড়ি চালা ও আমার বুকের উপরে ছিল দোকানের সামনে এসে ওকে ওষুধ খাওয়ালাম শুধু চোখ দিয়ে দুই ফুট পানি বের হল তারপর দেহটা নিথর হয়ে গেল। অল্প সময়ের মধ্যে অনেক মায়া ভালোবাসা জড়িয়ে চলে গেল দুনিয়া ছেড়ে। মনকে বোঝাতে পারছি না আমি ওর জন্য কোন কিছু করতে পারলাম কিনা আমি বলছিলাম আমার জীবনের প্রথম কোন পশু প্রাণী লালন পালনের গল্প, গল্পটা সুন্দর ছিল কিন্তু সেই সময়টা ছিল অল্প এ এক অন্যরকম অনুভূতি অন্যরকম ভালোবাসা অন্যরকম কষ্ট।
![]() |


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন