এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫

ভূমি জরিপের সময় ভূমি মালিকের অনেক দায়িত্ব আছে। এ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করলে রেকর্ডে ভুল ভ্রান্তি হতে পারে। মাঠ জরিপের সময় ভূমি মালিকের  দায়িত্ব ও কর্তব্য নিম্নরূপ-

 ভূমি জরিপের সময় ভূমি মালিকের অনেক দায়িত্ব আছে। এ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করলে রেকর্ডে ভুল ভ্রান্তি হতে পারে। মাঠ জরিপের সময় ভূমি মালিকের  দায়িত্ব ও কর্তব্য নিম্নরূপ-



(১) মাঠ জরিপের সময় দখলের ভিত্তিতে নকশা এবং খতিয়ান প্রস্তুত করা হয় বিধায় কোন মৌজা যখন কিস্তোয়ারের মাধ্যমে নকশা তৈরি করা হয় তখন ভূমি মালিকের কর্তব্য হলো জরিপ শুরু হওয়ার পূর্বে নিজ নিজ জমির আইল অর্থাৎ সীমানা সঠিক ও দৃশ্যমানভাবে চিহ্নিত করে রাখা এবং কিস্তোয়ারের সময় নিজে অথবা প্রতিনিধির মাধ্যমে জমিতে হাজির থেকে আমিনকে আইল দেখিয়ে সঠিক নকশা প্রস্তুতে সহায়তা করা। 

(২) খানাপুরী-কাম-বুঝারতের সময় ভূমির মালিকানা সম্পর্কিত কাগজপত্র অর্থাৎ পূর্ববর্তী রেকর্ডের পর্চা, নামজারি কাগজপত্র এবং ক্রয় সূত্রে মালিক হলে রেজিস্ট্রিকৃত দলিল অথবা দলিলের সার্টিফাইড কপি, কোর্টের ডিক্রি থাকলে তার কপি নিয়ে মালিক বা তার প্রতিনিধির মাঠে হাজির থেকে কাগজপত্র আমিনকে প্রদর্শন করে সঠিকভাবে নাম রেকর্ডভুক্ত করে নেয়া। 

(৩) যদি কোন জমির মালিকানা সম্পর্কে অন্য কারো সঙ্গেবিবাদ থাকে তবে মাঠ জরিপের সময় নির্ধারিত ফরম পূরণ করে ডিসপুট দিতে হয়। 

(৪) এলাকার কোন জমির পূর্বের রেকর্ডকৃত মালিকের মৃত্যু হয়ে থাকলে এবং তার কোন উত্তরাধিকারী উপস্থিত না থাকলে তার উত্তরাধিকারীদের সঠিক নাম ও ঠিকানা বর্ণনা করে নুতন মালিকদের নাম সঠিকভাবে রেকর্ডভুক্ত করতে উপস্থিত অন্য মালিকগণ কর্তৃক আমিনকে সহায়তা করা। 

(৫) তসদিকের সময় সংশ্লিষ্ট জমির মালিকানা সংক্রান্ত কাগজপত্র অর্থাৎ পূর্ববর্তী রেকর্ডের পর্চা অথবা ক্রয়সূত্রে মালিকানার দলিল পত্র অথবা সিভিল কোর্টের রায়, ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানের দাখিলা ইত্যাদি তসদিক অফিসারকে প্রদর্শন করে তসদিক সম্পন্ন করতে সহায়তা করা।

(৬) মাঠে প্রস্তুত রেকর্ডে কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে তথা কোন বৈধ মালিকের নাম বাদ পড়ে থাকলে বা ভুলে বা অবৈধভাবে কারো নাম কোন খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকলে অথবা অন্য কোন প্রকার ভুল হয়ে থাকলে তা তসদিক অফিসারকে অবহিত হয়ে সঠিক কাগজপত্র প্রদর্শন করে সংশোধনের জন্য তসদিক কাজে সহায়তা করা।

(৭) খসড়া প্রকাশনা বা ডিপি এর সময় রেকর্ড পরিদর্শন করে যদি রেকর্ডে কোন ভুলত্রুটি থাকে তবে ৩০ বিধি মোতাবেক আপত্তি কেস দাখিল করে সঠিক রেকর্ড প্রস্তুতের উদ্যোগ গ্রহণ করা।

(৮) তসদিক বা ডিপি এর সময় ভূমি মালিক নিজে বা তার নিজস্ব  প্রতিনিধিকে দিয়ে এ কাজ করানো উচিত।

(৯) আপত্তি কেসের রায় যাঁর বিপক্ষে যাবে তিনি ৩০ কার্য দিবসের মধ্যে ৩১ মোতাবেক আপিল কেস দায়ের করতে পারেন। আপিল কেসের সঙ্গে আপত্তি কেস রায়ের সার্টিফাইড কপি দিতে হবে। আপত্তি অথবা আপিল শুনানির সময় দাবির স্বপক্ষে বাদীকে সাক্ষ্য প্রমাণ হাজির করে দাবি প্রমাণ করতে হবে।

(১০) ভূমি মালিকের আর একটি দায়িত্ব হলো তার উত্তরাধিকার সন্তানদের ভূমির অবস্থান, মৌজা, খতিয়ান ও দাগ নম্বর এর সঙ্গে পরিচয় করে দেওয়া যাতে উত্তরাধিকার সন্তানগণ যথাসময় ইহা দেখাশুনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে সক্ষম হয়।


মুদ্রিত রেকর্ড চূড়ান্ত প্রকাশনার সময় পুনরায় মালিক বা তার প্রতিনিধি রেকর্ড দেখার সুযোগ পাবেন। এ সময় ভূমি মালিক মুদ্রিত খতিয়ানের কপি এবং নকশা নির্ধারিত মূল্যে ক্রয় করতে পারেন। যদি মুদ্রিত রেকর্ডে কোন জালিয়াতি, করণিক ভুল, গাণিতিক ভুল বা মুদ্রণ ভুল থাকে তবে এস, এস, ম্যানুয়ালের ৫৩৩/৫৩৪ বিধি মোতাবেক তা সংশোধনের জন্য চূড়ান্ত প্রকাশনার সময় সেটেলমেন্ট অফিসারের নিকট দরখাস্ত দেয়া যায়। সেটেলমেন্ট অফিসার তদন্ত ক্রমে উল্লেখিত কোন ভুলের প্রমাণ পেলে তিনি গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারির পূর্বে বিধি মোতাবেক সংশোধন করবেন।


জরিপে প্রস্তুতকৃত রেকর্ড সংক্রান্ত কোন ব্যাপারে কোন সমস্যা বা অসুবিধা দেখা দিলে বিষয়টি দ্রুত সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার, চার্জ অফিসার অথবা সেটেলমেন্ট অফিসারের দৃষ্টি গোচর করা উচিত। আবশ্যক হলে অভিজ্ঞ আইনবিদের পরামর্শ নেয়া যেতে পারে। এ সব ব্যাপারে পোশাদার দালাল, টাউট ও বাটপার ভূমি মালিককে বিভ্রান্ত করে সর্বস্বান্ত করতে প্রয়াস পায়। এ বিষয়ে ভূমি মালিকের সতর্কতা অবলম্বন করা আবশ্যক।

কোন মন্তব্য নেই:

ছোটবেলা থেকেই রেডিও শুনতে ভালোবাসতাম। টেপ রেকর্ডারে রেডিও শুনেই বড় হয়েছি। 

 ছোটবেলা থেকেই রেডিও শুনতে ভালোবাসতাম। টেপ রেকর্ডারে রেডিও শুনেই বড় হয়েছি। কিন্তু সেই টেপ রেকর্ডারটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর আবার একটি ভালো মানের...