নারীর গোপন সাইকোলজি। নতুন গবেষণা, যা না জানলে চরম মিস...
নারী যাকে ভালবাসে না, সাধারণতঃ তার সঙ্গে স্বেচ্ছায় সহবাস করতে পারে না। নারী স্বভারত এক স্বামীতে সন্তুষ্ট থাকে। আজীবন কুমারী থেকে যাওয়াও নারীর পক্ষে তেমন কষ্টদায়ক নয়। অথচ পুরুষ সম্পূর্ণ বিপরীত। ডাঃ ফোবেলের মতে “সাধারণত পুরুষ প্রতিদিন যতজন যুবতি নারীকে দেখে, নিকটাত্মীয় ছাড়া প্রত্যেকের সঙ্গে তার মিলনের ইচ্ছা হয়।
মানুষের যৌন তাড়ণা নির্ভর করে ‘টেস্টোস্টেরণ’ হরমোনের উপর। পুরুষদের এই হরমোন তৈরীর আলাদা একটি অঙ্গই আছে, যা হল অন্ডকোষ। কিন্তু নারীদের ক্ষেত্রে টেস্টোস্টেরণ তৈরী হওয়ার কোন অঙ্গ নেই । যতটুকু যৌন তাড়না নারীদের আছে, তা তাদের এড্রেনাল কর্টেক্স নি:সৃত এন্ড্রোজেন এর কারণে। এজন্য নারীদের যৌন তাড়না পুরুষের চেয়ে অনেক কম। পুরুষদের টেস্টোস্টেরন স্তর, মহিলাদের চেয়ে ২০ থেকে ৩০ গুণ বেশি থাকে এবং এই কারণেই নারীর চেয়ে পুরুষের যৌন ক্ষুধা অনেকগুণ বেশ। আরও সহজভাবে বলতে গেলে, পুরুষের অন্ডকোষে প্রতিদিন মিলিয়ন মিলিয়ন শুক্রানু তৈরি হয়। এই শুক্রাণুগুলো বের হওয়ার জন্য, বা পৃথিবীতে জায়গা করে নেওয়ার জন্য প্রচন্ড প্রেশার তৈরি করেন টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাধ্যমে। তখন পুরুষ হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে শিশু থেকে বৃদ্ধা যে কাউকে আক্রমন করতে বা শিকার বানাতে পিছপা হয় না । এইজন্য সামর্থবান পুরুষের একাধিক বিবাহ করা ইসলামে জায়েজ।
অন্যদিকে পুরুষের মতো মিলিয়ন মিলিয়ন শুক্রাণুর চাপ নারীদের নাই, বরং মাসে একটি মাত্র ডিম্বাণু সে রিলিজ করে এবং সে চায় একমাত্র যোগ্য মানুষটির শুক্রাণু তাতে নিষিক্ত হোক, অসংখ্য মানুষের শুক্রাণু সে চায় না। আর সেই জন্যেই নারী তার পছন্দ ভালোলাগা ইত্যাদি বাদ দিয়ে যৌনতা করতে পারে না।
তাই বলা হয়, পুরুষ শারীরিক আর নারী হল মানসিক। পুরুষকে সব সময় মাথায় রাখতে হবে নারীকে ভালবাসায় মায়া মমতায় আদরে সমৃদ্ধ করতে, আর নারীকে মাথায় রাখতে হবে পুরুষকে শারীরিকভাবে প্রশমিত করতে, যাতে তার বীর্যথলিতে বীর্য চাপ তৈরি করতে সুযোগ না পায়। মূলত পুরুষের বহুগামিতা তার পুরুষত্ব ঠিক রাখার জন্য দরকার। অন্যদিকে নারী সাধারণত এক পতিতেই তৃপ্ত।
কোন পর্ন বা যৌন-ক্রিয়াকলাপ দেখলে পুরুষ সহজেই উদ্দীপিত হয়, কিন্তু নারীর ক্ষেত্রে এটা কৌতুহল মেটায় মাত্র। তাই দেখা যায় নারীদেহ নিয়ে তৈরি ম্যাগাজিন 'প্লেবয়' সারাবিশ্বে ব্যাপকভাবে সমাদৃত কিন্তু প্লেগার্ল বলে কিছু নেই। শহর-গ্রাম, দেশে-বিদেশে সব জায়গায় পুরুষদের জন্য নারী পতিতালয় আছে কিন্তু নারীদের জন্য পুরুষ পতিতালয় হয় না, আমেরিকায় ধনী ও স্বাবলম্বী নারীদের বিভিন্ন ক্লাবেও দেখা গেছে, সেখানে মেয়েরা প্রফেশনাল পুরুষ ভাড়া করে থাকে, শরীর মেসেজ করা, কথা বলা বা সঙ্গ দেওয়ার কাজে। যৌনতার চেয়ে মেয়েরা ভালো সিনেমা দেখতে বা রোমান্টিক গল্প শুনতে/পড়তে বেশি পছন্দ করে। এইজন্য পাশ্চাত্যে বলা হয় যে, কথা বলার মত একজন সঙ্গী পেলে মেয়েরা অনায়াসে যৌনতা ছাড়া বছরের পর বছর কোন সমস্যা ছাড়াই কাটিয়ে দিতে পারে।
পুরুষ সমকামিতা ‘গে’ এবং নারী সমকামিতা 'লেসবিয়ান' এর মধ্যেও পার্থক্য আছে। দুইটি যুবতী নারী একত্ৰে শয়ন করে পরস্পরকে চুম্বন করে যে আনন্দ পায়, ঐ আনন্দ যৌনবোধজাত, কিন্তু তা যৌনক্রিয়ার বিকল্প নয়। কারণ, এ যৌনবোধ মূলতঃ শারীরিক নয়–মানসিক। কিন্তু পুরুষের গে আনন্দ তার বিপরীত।
পুরুষ তার প্ৰাণ দিয়ে ভালবাসা প্রেমিকা বা স্ত্রীর সঙ্গে মিলনে পরম তৃপ্তি লাভ করা সত্ত্বেও অনায়াসে পরনারী কিংবা বেশ্যাগমন করতে পারে। নারীর পক্ষে সাধারণতঃ তা সম্ভব নয়।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন