সকল সবজির জন্য ম্যাজিক সার।
# কলার খোসা:
পদ্ধতি ১: কলার খোসা ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। এটি রোদে শুকিয়ে পিষে গুড়ো করে গাছের গোড়ার চারপাশে মাটিতে পুঁতে দিন। কলার খোসা পটাসিয়াম এর দারুন একটি জৈব উৎস।
পদ্ধতি ২: কাটা কলার খোসা পানির পাত্রে ৩-৪ দিন ভিজিয়ে রেখে খেসা ছেঁকে পানি গাছে ব্যবহার করুন।
কালার খোসার সার গাছে ফুল আসার আগে বেশি ও ফুল ফোটার পরে সামান্য প্রয়োগ করতে হবে।
# চা পাতা:
চা পাতায় নাইট্রোজেন, ফসফরাস এবং পটাশিয়াম আছে। তাই, ব্যবহার করা চা পাতা ফেলে না দিয়ে রোদে শুকিয়ে টবে প্রয়োগ করতে পারেন।
# ডিমের খোসা:
অল্প কয় দিন রোদে শুকিয়ে ডিমের খোসা পিষে গুড়ো করে গাছের গোড়ায় প্রয়োগ করতে হবে।
সার সংমিশ্রণ:
সর্বোত্তম ফলাফলের জন্য চা পাতা, কলার খোসা এবং ডিমের খোসা সারের সম্মিলিত ব্যবহার নাইট্রোজেন, পটাসিয়াম এবং ক্যালসিয়ামের সুষম পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করে। এই সমন্বয় গাছের স্থিতিস্থাপকতা এবং উৎপাদনশীলতা বাড়ায়।
এক সাথে প্রয়োগের ক্ষেত্রে চা পাতা, ডিমের খোসা ও কলার খোসা ২:১:২ অনুপাতে একসাথে মিশিয়ে নিতে হবে।তাহলে গাছের জন্য অপরিহার্য তিনটি উপাদান নাইট্রোজেন, ফসফরাস এবং পটাশিয়ামের অভাব পূরণ হবে। নিয়মিত জৈব সার ব্যবহার করুন টবের মাটি ভালো রাখুন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন