এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৫

ইউটিউবের রান্নার চ‍্যানেলগুলো ব‍্যান করে দেওয়া দরকার,,,,,,,,,,মধ্যবয়সী বাঙালীর সংগৃহীত মনের কথা

 ইউটিউবের রান্নার চ‍্যানেলগুলো ব‍্যান করে দেওয়া দরকার। ভয়ংকর সব রান্নার সন্ধান পাওয়া যায় ওখানে । আর গিন্নিরা সবাই এক এক জন বিজ্ঞানী । নিত‍্য নতুন এক্সপেরিমেন্টে তাঁদের অসীম আগ্রহ । আমরা সাধারণ নিরীহ ভোজনরসিক বাঙালি হলাম গিনিপিগ। সয়াবিন দিয়ে নিরামিষ মাংস, ডিম ছাড়া অমলেট বা তেল ছাড়া ভাজা কি আদৌ সুস্বাদু হওয়া সম্ভব ?


কথায় বলে তেলেজলে বাঙালি আর সেই তেলকে এঁরা সতীন মনে করেন। তেল যেন আমাদের স্বর্গযাত্রার পথ মসৃণ করার জন‍্য বসে আছে। শীতকালে বাজারে নধর বেগুন উঠেছে।এই সময় গরম বেগুন ভাজা অমৃতের থেকে কম কিছু নয়। কড়াই ভর্তি তেলে বেগুনেরা সাঁতার কাটছে, ওপরটা সাদা থেকে বাদামি হয়ে চকলেট রঙা হয়ে উঠছে - এই দৃশ‍্যের তুলনা হয় ? এরপর কড়া থেকে প্লেটে, আলতো করে দু আঙুলে ভাঙবেন - সোনালি তেল উথলে উঠবে। সুখ তো একেই বলে।


এই স্বর্গীয় খাদ‍্যের সর্বনাশ করতে এসেছে এয়ার ফ্রায়ার নামের একটি বিজাতীয় যন্ত্র। এতে নাকি নামমাত্র তেলে ভাজা হবে। হ‍্যাঁ, হবে, আমার হাড় ভাজাভাজা হবে। স্বাস্হ‍্যসম্মত ব্রয়লার খেতে খেতে পাঁঠার মাংসের স্বাদ মনে নেই আর। পাঁঠার দোকান এড়িয়ে চলি, মনটা হুহু করে ওঠে। পুরোনো সেই দিনের কথা - চর্বিসমেত পিস আলুর সঙ্গে জড়াজড়ি করে ভাসছে, ওপরে হাল্কা তেলের পর্দা - স্বর্গ যদি কোথাও থাকে - সে তো এখানেই। অতিথি আসার সুবাদে বহুদিন পর মাংস হল। খেয়ে ঠিক সুখ হল না। উনি সগর্বে বললেন, প্রায় তেল ছাড়া রান্না করেছি। শুনে গা জ্বলে গেল।মাংস ছাড়া করলেই পারতে। আরো স্বাস্হ‍্যসম্মত হত । আমার নাকি বয়সের সঙ্গে সঙ্গে নোলা বাড়ছে। তার পর থেকে আজ ১৩১ দিন হল, পাঁঠারা বাড়ির চৌকাঠ ডিঙোতে পারে নি।


মাছ খেয়েও কি সুখ আছে ? তারাও তো নামমাত্র তেলস্পর্শে ভাজা হয়ে ঝোলে ঠাঁই পাচ্ছে।কেমন যেন রসকষবিহীন জিরো ফিগারের বিদেশিনীদের মত দেখতে। জিভে সেই পেলব স্পর্শ পাচ্ছি কই ? আর লুচি খাওয়া তো প্রায় ছেড়েই দিয়েছি। কি একটা বিদেশি তেলে ভেজে সফল ভাবে ওটায় আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়েছে।


পাতে এখন প্রচুর ঘাসপাতা। জীবন না হলেও থালা বর্ণময়। হতাশ হয়ে ভাবি - এই সব খেতেই কি পূর্বপুরুষরা গাছ থেকে নেমে এসেছিলেন ? আজও তো লেজ ঝুলিয়ে ওখানে থাকলেই হত ?


তবে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে ঘুরে দাঁড়াতেই হয়। ফোঁস করেছি একবার । শত চেষ্টাতেও গ্রিন টী বাড়িতে ঢুকতে দিই নি এখনো। লড়ে যাব শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে। পাশে থাকবেন।


(মধ্যবয়সী বাঙালীর সংগৃহীত মনের কথা)

কোন মন্তব্য নেই:

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...