এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

আন্তঃপ্রজননঃ আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে বিয়ে হলে সাধারণ জন্মগত ত্রুটি নিয়ে শিশুরা বেড়ে ওঠে।, ইজিলাইফ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আন্তঃপ্রজননঃ আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে বিয়ে হলে সাধারণ জন্মগত ত্রুটি নিয়ে শিশুরা বেড়ে ওঠে।


রক্তের সম্পর্কের মধ্যে প্রজনন বা মিলনের ফলে যে বাচ্চা জন্ম নেয় সেটাই আন্তঃপ্রজনন। আদিম অবস্থায় মানুষ প্রচুর আন্তঃপ্রজনন ঘটিয়েছে, এখনও ঘটায়, তবে কম পরিমাণে, কারণ আমাদের পূর্বপুরুষরা  আন্তঃপ্রজনন-এর খারাপ ফলাফল দীর্ঘদিন পর্যবেক্ষেণের ফলে বুঝতে পেরেছিলেন। আন্তঃপ্রজননের ফলে শিশুর অসুস্থতা ও মৃত্যুর হার খুব বেশি। শারিরীক ও মানসিক শক্তি, ইমিউনিটি কমে যায়। 


 শিম্পাঞ্জী, গরিলা ও বানরেরা আন্তঃপ্রজনন প্রতিরোধ করার উপায় হিসাবে তাদের স্ত্রী প্রাণিরা ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের থেকে পৃথক হয়ে নূতন দল গঠন করে, যা জীববিজ্ঞানে "ন্যাটাল ডিসপারসাল: নামে পরিচিত। গবেষণায় দেখা গেছে ঘ্রাণসংকেতের মাধ্যমে অনেক মেরুদণ্ডী প্রাণী উপযুক্ত সঙ্গীকে আকর্ষণ করে। যে গাভীকে তার পছন্দসই ষাড়ের সাথে বিট করাবেন, সে গাভীর দুধ দেবার পরিমাণ বেড়ে যাবে, বাচ্ছা হবে সুস্থ সবল।  


বিশ্বব্যাপী প্রায় এক বিলিয়ন জনগোষ্ঠীতে নিকটাত্মীয়ের মধ্যে বিবাহের চল রয়েছে, পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত জনগোষ্ঠীর মধ্যে ৩৭ শতাংশই রক্তের সম্পর্কের মধ্যে বিয়ে হয়।  এছাড়া বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য, ইরান ও দক্ষিণ এশিয়ায় নিকটাত্মীয়ের মধ্যে এ ধরনের বিয়ে বেশি ঘটে। 


ফার্স্ট রিলেটিভ বিয়ে, মানে আপন চাচাতো, মামাতো, খালাতো, ফুফাতো ভাইবোনের মধ্যে বিয়ে। সেকেন্ড রিলেটিভ বিয়ে, মানে বাবা বা মায়ের চাচাতো, মামাতো, খালাতো বা ফুফাতো ভাইবোনের সন্তানদের মধ্যে বিয়ে। এই দুই ধরনের কাজিন ম্যারেজের কারণে জন্ম নেওয়া সন্তানের মধ্যে নানা বংশগত রোগের ঝুঁকি বহুলাংশে বৃদ্ধি পায়। বিশেষত জিনবাহিত বংশধারার রোগগুলোর প্রকোপ  বেড়ে যায়।


নিকটাত্মীয়ের মধ্যে বিয়ের কারণে সন্তানের যেসব ঝুঁকি বাড়ে তা হলো:

১. গর্ভপাত, মৃত সন্তান প্রসব

২. শারীরিক ত্রুটিসংবলিত শিশুর জন্ম (স্বাভাবিকের চেয়ে ৫ গুণ বেশি) হয়।

৩.  হঠাৎ অজানা কারণে শিশুমৃত্যু

৪. শিশুর শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তি ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতা 

৫. যথাযথভাবে শিশু বৃদ্ধি না হওয়া

৬. মৃগী রোগ, অজানা রোগ

৭. নানা রকমের রক্তরোগ যেমন সিকেল সেল ডিজিজ ও বিটা থ্যালাসেমিয়া।

৮. যেসব পরিবারে জন্মগত বিভিন্ন রোগের ইতিহাস আছে, সেখানে সমস্যা জটিল হয়।

৯. উইলসন রোগে হয়। এর চিকিৎসায় দামী দামী ওষুধ খেতে হয় সারা জীবন। আক্রান্তদের বেশিরভাগ স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারেন না।

কোন মন্তব্য নেই:

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...