এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার দায়িত্ব ও কর্তব্যঃ

 সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার দায়িত্ব ও কর্তব্যঃ


-


১)জন্মের পরই কানে আজান দেয়া।⛔

 

সন্তান দুনিয়াতে আসার পর গোসল দিয়ে পরিষ্কার করে তার ডান কানে আজান দেয়া, তা ছেলে হোক বা মেয়ে হোক। এটি পিতামাতার উপর এজন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। হযরত আবু রাফে রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে হাসান ইবনে আলীর কানে আজান দিতে দেখেছি। 

©(সুনান আবু দাউদ ৫১০৫)


২)সুন্দর নাম রাখা⛔

 

জন্মের পর সন্তানের জন্য সুন্দর নাম নির্বাচন করা পিতামাতার অন্যতম দায়িত্ব ও কর্তব্য। নাম অর্থবহ হওয়া নামের সৌন্দর্য। কেননা রসুল সা. অনেক অসুন্দর নাম পরিবর্তন করে দিয়েছিলেন। 

®(আবু দাউদ ৪৯৫২-৪৯৬১)

 

৩)জন্মের পর আক্বিকা করা⛔

 

সন্তানের আকিকা করা ইসলামি সংস্কৃতির অন্যতম বিষয়। ছেলের পক্ষ থেকে ২টি ছাগল এবং মেয়ের পক্ষ থেকে ১টি ছাগল আল্লাহর নামে জবেহ করা। হাদিসে এসেছে, রসুলুল্লাহ সা. বলেছেন, সকল নবজাতক তার আক্বিকার সাথে আবদ্ধ। জন্মের সপ্তম দিন তার পক্ষ থেকে জবেহ করা হবে। ঐ দিন তার নাম রাখা হবে। আর তার মাথার চুল কামানো হবে।

© (সুনান আবু দাউদ ২৮৩৮)


৪)চুল মুণ্ডিয়ে তার সমপরিমাণে রৌপ্য সদকা করা⛔


সদকাহ করা, ছেলে হোক বা মেয়ে হোক সপ্তম দিবসে চুল কাটা। চুল পরিমাণ রৌপ্য সদকাহ করা সুন্নাত। হযরত আলী রা. রসুল সা. হাসান রা. এর পক্ষ থেকে ১টি বকরি আকিকা দিয়েছেন, বলেছেন, হে ফাতেমা! তার মাথা মুণ্ডন কর। চুল পরিমাণ রৌপ্য সদকাহ কর। (সুনান আত-তিরমিজি ১৫১৯) এছাড়া রসুলুল্লাহ সা. শিশুদেরকে খেজুর দিয়ে তাহনিক ও বরকতের জন্য দোয়া করতেন। (বুখারি ৩৯০৯, মুসলিম ২১৪৬)

 

৫)সুন্নাতে খৎনা করা⛔


ছেলেদের খাতনা করানো একটি অন্যতম সুন্নাত। হযরত জাবির রা. রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসান ও হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুমার সপ্তম দিবসে আকিকা আর খাতনা করিয়েছেন। (আল-মুজামুল আওসাত ৬৭০৮)


৬)ইসলামের বুনিয়াদি বিষয়ে পাঠদান করা⛔


কুরআন শিক্ষা দেয়া। ছোট বেলা থেকেই সন্তানকে কুরআন শিক্ষা দিতে হবে। কেননা কুরআন শিক্ষা করা ফরয। হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন তোমরা তোমাদের সন্তানদের তিনটি বিষয় শিক্ষা দাও। তন্মধ্যে রয়েছে তাদেরকে কুরআন তিলাওয়াত শিক্ষা ও কুরআনের জ্ঞান দাও। (জামিউল কাবির)

 

নামাজ শেখানো। হযরত আমর ইবনে শূয়াইব রা. তার বাবা তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমরা তোমাদের সন্তানদের নামাজের নির্দেশ দাও সাত বছর বয়সে। আর দশ বছর বয়সে সলাতের জন্য মৃদু প্রহার কর এবং শোয়ার স্থানে ভিন্নতা আনো। (সুনান আবু দাউদ ৪৯৫)


৭)সন্তানকে সক্ষম করে তোলা⛔

 

সন্তানদেরকে এমনভাবে সক্ষম করে গড়ে তোলা, তারা যেন উপার্জন করার মত যোগ্যতা অর্জন করতে পারে। হযরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে এভাবে বলেছেন তোমাদের সন্তান সন্ততিদেরকে সক্ষম ও স্বাবলম্বী রেখে যাওয়া, তাদেরকে অভাবী ও মানুষের কাছে হাত পাতা অবস্থায় রেখে যাওয়ার চেয়ে উত্তম। (বুখারি১২৯৫)

 

৮)উত্তমভাবে বিয়ে দেয়া⛔


সুন্নাহ পদ্ধতিতে বিবাহ দেয়া ও বিবাহর যাবতীয় কাজ সম্পাদন করা। উপযুক্ত সময়ে বিবাহের ব্যবস্থা করা। হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে এভাবে বর্ণনা করা হয়েছে যে  নিশ্চয়ই পিতার উপর সন্তানের হকের মধ্যে রয়েছে, সন্তান প্রাপ্তবয়স্ক হলে তাকে বিবাহ দেবে। (জামিউল কাবির)

কোন মন্তব্য নেই:

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...