শবে-বরায়াতের ফজিলত সম্বন্ধে পবিত্র হাদীস শরীফ বর্ণনাকারী ১০ জন উচ্চ মর্যাদাশীল সাহাবা হচ্ছেন,
![]() |
১/ হযরত আবু বকর সিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।
২/ হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।
৩/ হযরত আম্মা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা।
৪/ হযরত মুয়াজ ইবনে জাবাল রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।
৫/ হযরত আবু হোরায়রা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।
৬/ হযরত আবু ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।
৭/ হযরত আবু মুসা আশআরী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।
৮/ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।
৯/ হজরত আবু সা'লাবা খুশানী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।
১০/ হযরত উসমান ইবনে আবুল আস রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।
এছাড়াও ইমাম সূয়ুতি রহমাতুল্লাহ আলাইহি #দুররে_মানসুর নামক কিতাবে প্রায় ২০ টির মত হাদিস বর্ণনা করেছেন!
এবার আমরা হজরত আবুবকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু হতে বর্ণিত একটি হাদিস দেখে নেই।
عن ابي بكر ن الصديق رضي الله تعالى عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قوموا ليلة النصف من شعبان فانها ليلة مباركة فان الله ينادي فيها هل من مستغفر فاغفره
অর্থাৎ হযরত আবু বকর সিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু হতে বর্ণিত, হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, "তোমরা শা'বান মাসের ১৫ ই তারিখের রাতে জাগ্রত থেকে ইবাদতে মগ্ন হও। যেহেতু ওই রাতটি বরকতময় ও ফজিলতপূর্ণ। ওই রাতে আল্লাহ তাআলা ডেকে বলেন: তোমাদের মধ্যে কেউ ক্ষমা প্রার্থী আছে কি? আমি তাকে ক্ষমা করে দেব। (সুবহানাল্লাহ)
উপরোক্ত হাদিসটি বাংলাদেশের দেওবন্দী আলেমদের মাথার তাজ, হযরত মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী (রহ:) তিনি তার কিতাবে উল্লেখ করেছেন।
(চলতে থাকবে ইনশাআল্লাহ)
অহকার মোহাম্মদ শামসুল হুদা ফাতহি
৯ ই শা'বান
০৮/০২/২০২৫

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন