এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ৮ মার্চ, ২০২৫

কানাডাতে গরীবরা বাজার করে সাধারণত 'কস্টকো" তে। আর ধনীদের পছন্দের দোকানের নাম "ওয়ালমার্ট "। আমি এই দুই দোকান খুব ভালো ভাবে লক্ষ করেছি 

 কানাডাতে গরীবরা বাজার করে সাধারণত 'কস্টকো" তে। আর ধনীদের পছন্দের দোকানের নাম "ওয়ালমার্ট "। আমি এই দুই দোকান খুব ভালো ভাবে লক্ষ করেছি । এখান থেকে মানুষ কি কেনে,কিভাবে  কেনে,কেনও কেনে।

প্রথম দোকানটাতে কোনও জিনিস কম পরিমাণে কিনতে পারবেন না। পাইকারি দোকানে যেমন বস্তা ভরে জিনিস কেনা যায়,অনেক কম দামে, কস্টকোতেও তেমন।

আর ওয়ালমার্টে আপনি চাইলে অর্ধ্যেক কলাও কিনতে পারবেন। সব জিনিসের প্যাকেট মিনি সাইজ।কস্টকোতে পাঁচ লিটারের নিচে তেল নাই। পাঁচ লিটারের দুধ,২০০ পিস বিস্কুট। 

সব জিনিস পরিমাণে বেশি এবং দাম কম। তাই যে জিনিস গুলি ঘরে লাগেই আবার নষ্ট হয় না,গরীব মানুষ হুড়মুড় করে সেগুলো কিনে রাখে।

অন্য দিকে ওয়ালমার্ট মানে ধনীরা যেখানে যায় সেখানে পুরো বিপরীত ঘটনা। ওয়ালমার্টে কিন্তু প্রতিটা খাবারের দাম বেশি। কারণ ওরা অরগানিক বা কৃত্রিম সার ও ঔষধ ছাড়া শস্য উৎপাদন করে। এখানে ক্রেতারা খুব কম। কারণ তারা পিয়াজ কিনেই একটা। শসা,গাজর সব এক/ দুই পিস করে।কস্টকোর সাথে খাবারের দোকান আছে।সেখানে আস্তো একটা মুরগীর রোস্ট, পিৎজা, কোক সব অনেক বড় সাইজের।

অথচ গরীবদের কম কেনার কথা।আর ধনীদের বেশি। কিন্তু এখানে কেনও উল্টো?? 

গরীবেরা কম দামে বেশি জিনিস কিনে এটা ভেবে যে তাদের খরচ কম হলো। কিন্তু আসলেই কি তা হয়! না!! কম টাকাতে বেশি জিনিস কিনে স্টকে থাকলে এটা প্রয়োজনের বেশি ব্যবহার করে ফেলে। অন্যদিকে ধনীরা শুধু কম জিনিস কিনছে। কারণ সে শহরে থাকে,তার বাসা ছোট এবং অনর্থক জিনিস দিয়ে সে বাসা ভরাবে না। সেহেতু কম কিনে,তাই বুঝে শুনে হিসেব করে খরচ করবে।

কস্টকো থেকে কেনা জিনিসের  অধিকাংশ অপচয় হয়।একই বিস্কুট ও পাউরুটি খোলার পর স্বাদ কমতে থাকে।আবার শেষ ও হয় না। কস্টকোতে ড্রিংকস বেচে পেপসি,কোকাকোলা আর ওয়ালমার্টে গ্রিন টি।

যারা বেশি কেনে তারা খায়ও বেশি। আর বেশি খাওয়ার যত রোগ আছে এসব রোগও তাদের বেশি। শুধু খাওয়া থেকে রোগ হচ্ছে তা কিন্তু না।তাদের দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করতে হয়। তাদের ছুটি খুব কম। অর্থনৈতিক টানাটানি কারণে সব সময় দুশ্চিন্তায় থাকতে হয়। সব মিলিয়ে অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন।

অন্য দিকে ধনীরা একটা শসা কিনে খেলে অপচয় কম হবে,অপচয় কমানোর জন্য আপনাকে অতিরিক্ত ও খেতে হবে না।

যারা সিঙ্গেল তাদের আয় বেশী ব্যয় কম। তাদের ধনী হওয়াটা সহজ। কম কিনে কম খাওয়া আরো সহজ।

আসলে গরীবেরা কি নিজেদের অর্থনৈতিক অভ্যাসের কারণে গরীব??? নাকি গরীব বলেই তাদের ইকোনমিক  লাইফস্টাইল এরকম? 

গরীবেরা সব সময় একটা বৃত্তের মধ্যে থাকতে পছন্দ করে।

আমাদের দেশে এখন  রোজা ,প্লিজ ব্যবসায়ীরা আপনারা একটু আখিরাতের কথা চিন্তা করে একটা মাস ধরে সোয়াব কামান। দেখবেন এই এক মাস যদি আপনি সৎ থাকেন! তাহলে আপনি বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বরণীয় হয়ে থাকবেন আশা রাখি??? যারা কেনাকাটা বেশি করেন তারাও কম কিনুন। কম কিনে খাবেনও কম,তাহলে আপনিও সুস্থ থাকবেন। 🤨🤨🤨

৭/৩/২৫

কোন মন্তব্য নেই:

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...