এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ১০ মার্চ, ২০২৫

ঋকবেদে বাঁশিকে নাদী এবং তূর্ণব বলে বর্ণনা করা হয়েছে। জাভা আর বালির মন্দির ভাস্কর্যে এই বাঁশীকে, ওয়াংসি নামে অভিহিত করা হয়েছে।,,,,,,,সংগীতজ্ঞ:- হরিপ্রসাদ চৌরসিয়া রাকেশ চৌরাসিয়া রনু মজুমদার

 ঋকবেদে বাঁশিকে নাদী এবং তূর্ণব বলে বর্ণনা করা হয়েছে। জাভা আর বালির মন্দির ভাস্কর্যে এই বাঁশীকে, ওয়াংসি নামে অভিহিত করা হয়েছে। মধ্য ও দক্ষিণ ভারতে, ঠিক এই যন্ত্রের নাম হয়ে যায় নাগোজ়া বা মাত্তিয়ান জোড়ি। আবার খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দীর বৌদ্ধ স্তূপলেখ-তে পাওয়া যায় কিছু একক আর জোড়া বাঁশির উল্লেখ।


ভারতে ছয় অথবা আট ছিদ্রযুক্ত বাঁশীর নামের নানা আঞ্চলিক রূপভেদ আছে, যেমন – বাঁসুরী, এলূ, কুলাল, কুলালু, কুখল, লিংবাফেনিয়াম, মুরলী, মুর্‌লি, নাদী, নার, পাওয়া, পুল্লঙ্কুঝল, পিল্লন গ্রোবি, পুলঙ্গোলি, বাঁসডান্ডা, বেণুবু ইত্যাদি। 


প্রাচীন ভারতে বাঁশির গঠনেও আঞ্চলিক বৈচিত্র্য দেখা যেতো, যেমন – হিমালয়ের পাদদেশ অঞ্চলে এক ধরনের বাঁশির খোঁজ মিলেছিলো, যার নাম আলগোজ়া। এই যন্ত্রের মধ্যে প্রচুর পর্দা আর একইসাথে দুটো বাঁশি থাকতো, ফলে বাদক অনেক জটিল ধ্বনি সৃষ্টি করতে পারতেন। 


বাংলায় বাঁশি শব্দটি সংস্কৃত শব্দ বংশী থেকে পরিবর্তিত হয়ে এসেছে। আবার ওই বংশী শব্দের উৎপত্তি হয়েছে মূল বংশ (সংস্কৃত: वंश) শব্দ থেকে, যার অর্থ – বাঁশ। বাঁশ (বংশ) দিয়ে তৈরি হতো, সেই কারণে এর নাম বাঁশি। মধ্যযুগীয় কিছু গ্রন্থ অনুযায়ী, বাঁশির বাদককে বংশীকা বলা হতো। 


গঠনের ওপর ভিত্তি করে প্রত্যেক বাঁশিরই শুদ্ধ "সা" (ষড়্‌জ) - এর সাপেক্ষে একটি মাত্রা বা স্কেল থাকে। বাঁশির দৈর্ঘ্য, ভিতরের ব্যাস এবং ছিদ্রের আকার - অবস্থানের প্রকৃতির ওপর মাত্রার বিভিন্নতা নির্ধারিত হয়। তাই বাদক তাঁর পছন্দমতো বাঁশি বেছে, নানা মাত্রায় সুর তৈরি করতে পারেন। 


ছয়টি ছিদ্র দিয়ে সংগীতের সাতটি শুদ্ব স্বর: সা, রে (কর্ণাটকীতে রি), গ, ম, প, ধ ও নি ― সহজেই বাজানো যায়। বাঁশিতে সমস্ত ছিদ্র যখন বন্ধ করা থাকে, তখন তার মূলসুর (প) নির্গত হয়। বাঁশির বদ্ধ প্রান্ত থেকে সবচেয়ে দূরের ছিদ্রটি শুধু খোলা রাখলে, "ধ" সুরটি নির্গত হয়। অনুরূপে ওই ধারেরই দুটো ছিদ্র খুললে "নি", ধারের তিনটি খুললে "সা", চারটে খুলে দিল "রে", পাঁচটি হলে "গ", আর সবগুলি ছিদ্র খুললে "ম" সুর নির্গত হয়।


যে বাঁশিগুলি দৈর্ঘ্যে ছোটো, আর সবগুলি ছিদ্রই প্রায় সমান আকৃতির, সেগুলি সাধারণত G - স্কেলের হয়, আবার তুলনায় লম্বা বাঁশিগুলি C - স্কেলের হয়ে থাকে। বাদক ঠোঁট থেকে বায়ুর বেগ কমিয়ে বা বাড়িয়ে যথাক্রমে মন্দ্র সপ্তক (নিচের সমমেল) অথবা তার সপ্তক (উঁচু সমমেল) সৃষ্টি করতে পারেন।


সংগীতজ্ঞ:-


হরিপ্রসাদ চৌরসিয়া

রাকেশ চৌরাসিয়া

রনু মজুমদার



আজকাল রিল্সের যুগে এরকম লং আর্টিকেল দেখলেই অনেকে পড়তেই চায়না, সেখানে আপনি অতটা পড়েছেন, এটাই অনেক বড় প্রাপ্তি আমাদের কাছে, অনেক ধন্যবাদ হার্টফুল ওয়েলকাম আপনাকে। অনেক অনেক ধন্যবাদ।

কোন মন্তব্য নেই:

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...