গিটার পরিচিতি: তারুণ্যের প্রথম পছন্দের মিউজিক ইন্সট্রুমেন্ট।
![]() |
গিটার বহুল পরিচিত ও প্রচলিত একটি বাদ্যযন্ত্র। এটি মূলত ৬ তার বিশিষ্ট। গিটার প্রধানত তিন প্রকার। যেমনঃ স্প্যানিশ গিটার, হাওয়াইয়ান গিটার ও বেইজ গিটার। এছাড়াও স্প্যানিশ গিটারের মধ্যেও প্রকারভেদ রয়েছে যেমন ক্লাসিক্যাল, একিউস্টিক ও ইলেকট্রিক।
মূলত গিটার বলতে স্প্যানিশ গিটারকেই আমরা প্রথমে চিন্তা করি, যাতে ফ্রেট থাকে এবং রিদম অথবা লিডের মাধ্যমে বাজাতে হয়। আধুনিক রক এবং মেটাল গান মূলত গিটারের উপর প্রতিষ্ঠিত।
হাওয়াইয়ান গিটারে স্প্যানিশ গিটারের মতো ফ্রেট থাকে না এবং একে রিদম দিয়ে বাজানো যায় না। এই গিটার বাজাতে হলে কোলের ওপর রেখে একটি স্টিলের তৈরি স্লাইডিং মেটাল বার্ এর মাধ্যমে বাজাতে হয়।
বেস গিটার এক প্রকারের ইলেকট্রিক গিটার যা ৪টি তার বিশিষ্ট। বেস গিটারের তারগুলো অন্যান্য গিটারের তুলনায় অনেক মোটা হয়ে থাকে। এর মাধ্যমে সঙ্গীতের পটের অন্তরালে একটি গম্ভীর সুরের আবহ দেয়া হয়।
একিউস্টিক গিটারের অংশগুলো হল বডি(Body), সাউন্ড হোল(Sound hole), ফ্রেট বোর্ড(Fret Board), নেক(Neck), ব্রিজ(Bridge), হেডস্টক(Headstock)। এর তারগুলো ধাতুর তৈরি। এ গিটারের শব্দ তৈরি হয় সাউন্ড হোল এর মাধ্যমে। তারের কম্পন বডির ভেতর প্রতিধ্বনিত হয়ে সাউন্ড হোল এর মাধ্যমে প্রকাশ পায়। কিছু একোস্টিক গিটারের বডির অভ্যন্তরে পিক-আপ থাকে, যা দিয়ে এমপ্লিফায়ারের সহায়তায় এর ধ্বনিকে বর্ধিত করা যায়।
ক্লাসিক্যাল গিটার দেখতে অনেকটা একিউস্টিক গিটার এ
র মতই, তবে তারগুলো মূলত নাইলনের তৈরি হয়ে থাকে।
ইলেক্ট্রিক গিটারে সাধারণত সাউন্ড হোল থাকে না। এর সুর তৈরি হয় পিক-আপ(Pickup) এর মাধ্যমে। এটি বাজানোর জন্য এমপ্লিফায়ার(Amplifier) অত্যাবশ্যক। প্রসেসর (Processor) এর মাধ্যমে এর সুরে পরিবর্তন আনা যায়।
#highlights #সঙ্গীত #গিটার #fypシ #trend #ঋষণা

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন