এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৫

আদৌও কি সম্ভব?? 

 আদৌও কি সম্ভব?? 



আমার মনে হয় নিজেদের ধারনার বাইরে নির্মাণশৈলী দেখেই এমন মন্তব্য করতেন তখনকার লোকজন!! 


মুঘল সাম্রাজ্যের সময়ে আমাদের দেশে মসজিদ নির্মাণের কাজ করতেন বিদেশি বিভূঁইয়ে মিস্ত্রিরা।


উনারা বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসতেন এবং নিজেদের সুনিপুণ নির্মাণকাজ করে লোকজনকে তাক লাগিয়ে দিতেন!!


আর সাধারণত একটা সময় নির্জন জায়গায় মসজিদের নির্মাণ কাজ হতো। লোকচক্ষুর আড়ালে পুরো নির্মাণকাজ শেষ করে আয়োজন করে উদ্বোধন হতো তখন লোকজন ভাবতো "আরে এখানে হুট করে মসজিদ তৈরি হয়ে গেল কি করে??হয়তো জ্বীনের সহায়তা নিয়েই বানানো হয়েছে! 


আবার এমনও হতে পারে মসজিদ নির্মাণ এর মতন মহৎ কাজটা যিনি নির্মাণ করাতেন উনিই চাইতেন না তার নির্মানের কথা কেউ জানুক।কারন এসব কাজ গোপনে করলে আল্লাহ খুশি হন!!


আবার একটা সময় অসাধারণ কাজ দেখা মাত্রই লোকজন সেটায় জ্বীনের সহায়তা নেয়া হয়েছে অথবা জ্বীন নির্মান করেছে বলেই ধরে নিতেন!!


মাটির ঘরে ঝুপড়ি ঘরে থাকা লোকজনের তখনকার দিনে মসজিদের মতন বিশাল স্থাপনা দেখে এমন মন্তব্য করা একদম অস্বাভাবিক নয়!!


এইসব আমার ধারনা মাত্র।


জ্বীনের মসজিদ নির্মাণ করার কথা বোধহয় বিভিন্ন ধর্মীয় গ্রন্থেই রয়েছে।বিশেষ করে আল কুরআনে মাসজিদুল আকসা নির্মাণকারী হিসেবে জ্বীন অন্যতম ছিলো বলেই আয়াত আছে!!


আচ্ছা মসজিদ নির্মাণ নিয়ে একটি অদ্ভুত অসাধারণ একটি ঘটনা বলে শেষ করছি!!


পুরো গ্রামে উনারে একনামে চিনেন সবাই।আশেপাশে দশগ্রামে একমাত্র হাজি সাহেব উনি


হজ্ব থেকে ফেরার বহু বছর পরে উনি নিজ গ্রামে একটি মসজিদ নির্মাণ করার উদ্যোগ নিলেন


সবকিছু গুছিয়ে একদিন নির্মাণ কাজও শুরু করে দিলেন!


সেদিন রাত্রেই উনি স্বপ্ন দেখলেন কালো কাপড়ে আবৃত একজন লোক হাতে লাঠি নিয়ে উনায় শিয়রের কাছে দাড়িয়ে উনি দেখা মাত্র লাফিয়ে উঠলেন!!


কালো কাপড় আবৃত লোকটা এবার তাকে বললো " মতলব মিয়া তোমার তো সময় শেষ হয়ে গিয়েছিল কিন্তু আল্লাহ পাক তোমার হায়াত বৃদ্ধি করলেন কারন তুমি আল্লাহর ঘর নির্মাণ এ আগ্রহী হয়েছো!


ঘুম ভেঙে গেল এই শীতেও ঘামে ভিজে গেছেন!


বুঝতে পারলেন এটা নিতান্ত স্বপ্ন।দ্বিধায় পড়ে গেলেন এটা শয়তান দেখালো কি না?


শয়তান মালাকুল মউত এর রুপে স্বপ্নে আসতে পারে কি না কাল ইমাম সাহেব এর কাছে জানতে হবে।স্বপ্নের ব্যখাও জানতে হবে...


পরের দিন হাজি সাহেব গোসলের সময় পরম বিস্মিত হয়ে খেয়াল করলেন তার বুকে একদম গোলাকার একটি কালো দাগ!!


গোসল না করেই দ্রুত স্বপ্নের তাবির করার জন্য বেড়িয়ে পড়লেন


ঈমাম সাহেব হাজি সাহেব এরচে বেশি অবাক হলেন ঘটনা শুনে এবং বললেন হতেই পারে স্বপ্নে তাকে আল্লাহ পাক উনার বিধানজারীই করেছেন!


স্বপ্ন সত্য!!


হাজি সাহেব বেরিয়ে গেলেন। সেদিন থেকেই শুরু করলেন তার মসজিদ তৈরীর মহা পরিকল্পনা!! 


এ বছরেই নির্মিত হওয়ার কথা থাকলেও হাজি সাহেব সেটা দীর্ঘ করার জন্য যা লাগে তাই করা শুরু করলেন


একবার ফাউন্ডেশন দিলেন দু তলার! 


এরপর সেটা বাতিল করে আবার জায়গা বদল করলেন আবার নির্মান শুরু করলেন।


একবার ঝকঝকে ফ্লোর তৈরি করলেন এরপর মোজাইক এরপর টাইলস! 


এই জানালার ডিজাইন পছন্দ হয়নি আবার নতুন ডিজাইন এর জানালা লাগালেন


মোটকথা মসজিদের নির্মাণ কাজ চলতেই থাকে সেই ব্যবস্থা নিলেন গোপনে!


মসজিদের নির্মাণ শেষ পর্যন্ত তিনি আটকে রাখলেন যেন বেশিদিন লাগে উনি বেশিদিন বাঁচবেন বলে!


কিন্তু অদ্ভুত কান্ড হলো মসজিদের শুরুই হলো হাজি সাহেব এর জানাযার মাধ্যমে! 


ঠিক একবছর পরেই উনি ইন্তেকাল করেছেন!


আল্লাহর সাথে কৌশলে পারলেন না!!


(উক্ত ঘটনাটি হুমায়ূন আহমেদ এর উপন্যাস থেকে নেয়া)


ছবিটা প্রতীকী মাত্র

কোন মন্তব্য নেই:

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...