এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৫

অভিশপ্ত__পরী পর্ব __০১ #লেখক__মোঃ__নিশাদ 

 গল্প #অভিশপ্ত__পরী

পর্ব __০১

#লেখক__মোঃ__নিশাদ 


পরী এই কথাটা মনে হতে সবার চোখে সুন্দরী এক রমণীর ছবি ভেসে উঠে তাইনা। হ্যাঁ আপনাদের মত আমারে এরকম মনে হতো। 


কিন্তু পরী ও যে কতটা ভয়ং*কর হয় সেটা জানতে পেরেছি আমার বাবার মুখ থেকে। 


আমার বাবা বলতো আমার গ্রামের কবরস্থানের পাশের গাছটার একটা পরী থাকে। এটা যেমন তেমন পরী না অভিশপ্ত পরী। পরীটা নাকি অনেক ভয়ং*কর। গ্রামের যে এই পরীটাকে দেখছে সেই ভয়ে কেউবা অসুস্থ হয়ে মা*রা গেছে। 


আমি যখন প্রথম বাবার মুখ থেকে পরীর ঘটনা শুনি তখন বাবাকে জিজ্ঞেস করি। 


-বাবা ঐ পরী কবরস্থানের ওখানে আসলো কিভাবে না মানে ওর ওখানে থাকার পিছনে কোন রহস্য আছে কি। 


আমার কথার জবাবে বাবা বললেন হ্যাঁ আছে। আমি আমার বাবার মুখ থেকে শুনেছি৷ অনেক আগে সেই কবরস্থানের ওখানে একটা পুকুর ছিলো। 


সেই অভিশপ্ত পরী সেই পুকুরে বসবাস করতেন। 

একদিন সেই পুকুরের মানুষ গ্রামের সবাইকে ডাকে আর বলে। 

আমাদের গ্রামে তো কোন কবরস্থান নেই। আমি আমার পুকুরটা ভরাট করে একটা কবরস্থান তৈরি করতে চাই যদি আমাকে সবাই সাহায্য করেন। 


ওনার কথায় গ্রামের সবাই রাজি হয়।  সবাই পড়েরদিন সেই পুকুরটা ভরাট করার কাজ শুরু করে। 

পুকুর ভরাট করছে সে জন্য ঐ অভিশপ্ত পরী পুকুরের মালিক সহ আরো অনেককে ঘুমের মাঝে স্বপ্নে এসে সাবধান করে ওরা যেনো পুকুরটা ভরাট না করে কিন্তু পরীর কোন কথা না শুনে পুকুরটা ভরাট করা হয় আর সেখানে কবরস্থান করে দেয়া হয়৷ 


কবরস্থান হবার পর ও কিন্তু পরী সেখান থেকে চলে যায়নি পরী সেখানে একটা গাছে থেকে যায় আর মানুষদের৷ ভয় দেখাতে থাকে৷ 


এখন পরীর বিষয়ে আর তেমন কিছু না বলি। কারণ আমি আজ অনেকদিন পর শহর থেকে বাড়িতে ফিরছি। 


আমার ফিরতে ফিরতে রাত হয়ে যাবে। 

গ্রামে দুঃখ একটাই রাত হয়ে অটো বা রিকশা কিছুই পাওয়া যাবেনা তখন হেঁটে যেতে হবে পুরু গ্রাম।


মনের মধ্যে সাহস নিয়ে বাড়িতে ফিরছি। 

আমি মা বাবা একমাত্র ছেলে বাবাকে কল করছিলাম ওনি যেনো একটু এগিয়ে আসে কিন্তু বাবা একটু অসুস্থ হওয়ায় আমি ওনাকে এগিয়ে আসতে মানা করি। 


 যাইহোক, 

আমার মনে যা সন্দেহ ছিলো সেটাই হলো। 

আমি বাস থেকে নামলাম রাত দশটার দিকে। 


রাত দশটাই যে কোন রিকশা বা অটো পাওয়া যাবেনা এটা ভালো করে যানতাম তবুও একটু অপেক্ষা করলাম কিন্তু কোন কিছুই পেলাম না। 


ঘড়িতে তখন দশটা ত্রিশ মিনিট। ফোনের লাইটটা জ্বালিয়ে হাঁটতে লাগলাম বাড়ির দিকে। 

বাড়িতে পৌঁছাতে পনেরো থেকে বিশ মিনিট লাগবে। 


আমি হেঁটে চলেছি গ্রামের শান্ত পরিবেশ। চারিদিকে নিরবতা, পাশের ফসলি জমি থেকে ভেসে আসছে ঝিঝি পোকার ডাক। 


 এরকম পরিবেশে হাঁটতে অনেক ভালো লাগছে। 

সমস্যা ও ভয় একটাই ঐ কবরস্থান। আমাকে বাড়িতে যেতেহলে ঐ কবরস্থান পেড়িয়ে যেতে হবে। কবরস্থান কোন সমস্যা না সমস্যা হলো ঐ অভিশপ্ত পরী। 


বাবার মুখে পরীর ঘটনা শুনেছি। কিন্তু কখনও নিজের চোখে দেখিনি এসব৷ 

এর আগেও এভাবে কখনও রাতের বেলা এভাবে হাঁটা হয়নি। 


মনের মধ্যে ভয় নিয়ে এগিয়ে যেতে লাগলাম। 

বেশ কিছুক্ষন হাঁটার পর আমি চলে আসলাম আমার ভাবনার সেই ভয়ং*কর জায়গায়। 


আমি কবরস্থানের কাছে আসায় দোয়া কালাম পড়তে পড়তে হাঁটতে লাগলাম। 

আমি যখন সেই কবরস্থান অতিক্রম করবো তখনি হঠাৎ শুনতে পেলাম একটা বাচ্চার কান্না। 


-বাচ্চার কান্না শুনে ভয়ের সাথে আমি বেশ অবাক হলাম আর মনে মনে বলে উঠলাম। 


-আরে এত রাতে কবরস্থানে কান্নার আওয়াজ আসে কোথা থেকে। বিষয়টা সাভাবিক না ভেবে সামনের দিকে এগোতে যাবো তখনি কান্নার আওয়াজটা বেড়ে গেলো। 


কান্নার আওয়াজ বেড়ে যাওয়ায় আমি সাহস করে পিছন দিকে ঘুরে তাকাই আর যেদিক দিয়ে কান্নার আওয়াজ আসছে সেদিকে লাইটটা ধরে কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বলি। 


 কে, কে ওখানে। কেউ কি আছেন ওখানে। 

আমি কথাটা বলায় সেই কান্নার আওয়াজটা থেমে গেলো। 


কান্নার আওয়াজটা থামায় আমি আবারো সামনের দিকে হাঁটতে যাবো তখনি আবারো ভেসে আসলো সেই আওয়াজ। কিন্তু এবার কান্না না হাসির আওয়াজ। মনে হচ্ছে একটা বাচ্চা খিলখিল করে হাঁসছে। কখনও কান্না কখনও বা হাসির আওয়াজ শুনে আমি বুঝতে পারি আমার সাথে খারাপ কিছু ঘটতে পারে যা হবার হবে আমি আর এখানে থাকবোনা আমি সোজা চলে যাবো বাড়িতে। এই ভেবে যেইনা আমি আমার বাড়ির দিকে ঘুরেছি তখনি চিৎ*কার দিয়ে দু পা পিছিয়ে আসি।


কারণ আমি দেখতে পারি আমার সামনে খুব সুন্দরী একটা মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সামনে দিকে হঠাৎ করে মুখোমুখি দেখে চিৎ*কার করছিলাম। 


আমি দু পা পিছিয়ে এসে বলি। 

কে আপনি। এখানে, এখানে কি করেন এত রাতে। 


আমার কথায় সুন্দরী মেয়েটি বলেন  " এটা তো আমার থাকার জায়গা, আমার থাকার জায়গায় আমি থাকবোনা বুঝি। 


মানে, কি বলেন আপনার থাকার জায়গা মানে। এখানে আশপাশে তো কোন বাড়ি ঘর দেখছিনা কোথায় থাকেন আপনি। 


 আমার কথায় ওনি বললেন। কেনো এখানেই থাকি। 

মানে, এখানে কিভাবে থাকা সম্ভব। কে আপনি বলুনতো। 


আমার কথায় মেয়েটা যা বললেন সেটা শুনে আমি চোখ বড় বড় করে ওনার দিকে তাকিয়ে রইলাম। 


মেয়েটা আমাকে বললো আসলে সত্যি বলতে আমি কোন মানুষ না আমি একটা পরী। আর আমি এখানেই থাকি। 


 কিহহহহ, আপনি সেই পরী।আপনি তো অভিশপ্ত পরী। আমাকে ছেড়ে দিন। আমাকে কিছু করবেন না। দেখুন আমি আপনার কোন ক্ষতি তো করিনি তাইনা। আমি শহর থেকে বাড়িতে ফিরছিলাম দয়া করুন। 


আমার কথায় মেয়েটা সামনের দিকে হাতটা বাড়িয়ে দিয়ে শান্ত গলায় বললেন। 


 আপনি ভয় পাবেন না৷ আমি আপনার কোন ক্ষতি করবোনা। আর আমি অভিশপ্ত পরী নই। 


পরীর কথায় আমি ভয়ে ভয়ে বললাম। সত্যি, সত্যি আপনি অভিশপ্ত পরী নন। 


 আরে না আমি সেই পরী না। চলুন হাঁটতে হাঁটতে কথা বলি৷ আমি আপনাকে এগিয়ে দেই। 


পরীর এমন শান্ত কথায় আমি ব্যাগটা কাঁধে নিয়ে বাড়ির দিকে যেতে থাকি। 

এদিকে পরী আমার সাথে সাথে হাঁটতে থাকে। 


তারপর _______

Next______


একটা রহস্যময় পরীর গল্প নিয়ে হাজির হলাম৷ গল্পটা কেমন লাগলো জানাবেন সবাই। 


যাঁরা আমার গল্প নতুন পড়ছেন তাঁরা আমার এই আইডি " ভূতের গল্প লেখক আইডিতে ঢুকে গল্প পড়েন এই আইডিতে অনেক অনেক গল্প আছে। 


যাঁরা আইডিটি ফলো করেননি ফলো করে দিন। 


এই গল্পটা কেউ কপি করে কোন ইউটিউব চ্যানেলে দিবেন না কারণ আমার গল্প আমার নিজের চ্যানেল " Kalo rat 24 এ প্রচার হয়। 


পরের পর্বর জন্য অপেক্ষা করুন ধন্যবাদ সবাইকে।

কোন মন্তব্য নেই:

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...