কথিত নারী স্বাধীনতা ও সমান অধিকার বনাম ইসলাম:
সম্পদ বন্টনে ইসলামের নীতি ইনসাফ ভিত্তিক।
এখানে কখনো নারীরা আনুপাতিক হারে পুরুষের চেয়ে বেশি পেয়ে যায়। আবার কখনো পুরুষ ন্যায়সংগতভাবে নারীর চেয়ে বেশি পায়। যা বাস্তব ও যুক্তিসঙ্গত।
ইসলামের পুরো নীতিমালাকে সামনে রেখে পর্যালোচনা করলে কোন ক্রমেই এই নীতিকে ভুল বা অন্যায় প্রমান করার কোন সুযোগ নেই।
মুলতঃ সমান অধিকারের দাবী তোলা চমর পর্যায়ের মুর্খতা। সমান করতে গেলে কখনো নারী ঠগবে আবার কখনো পুরুষ ঠগবে।
মুর্খরা ইসলামের নীতিমালা লক্ষ না করে তাগুত গুরুদের অন্ধ অনুসরণ বশতঃ এসব চিৎকার চেচামেচি করছে।
অতএব, বাস্তবতার আলোকে ন্যায্য অধিকারের দাবী তোলাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।
যেখানে মানুষ নারীদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে টালবাহা করছে। বাবা-মা তাদের কন্যাদেরকে এবং ভাইয়েরা তাদের বোনদেরকে সম্পদ না দেওয়ার জন্য নানা ছলছাতুরী ও বানোয়াট কথা ও কুসংস্কার আবিষ্কার করেছে।
যেমন, সমাজে একটি কুসংস্কারমূলক কথা প্রচলিত আছে যে, মেয়েরা বাবার মীরাস আনলে অকল্যান হয়! (নাউজুবিল্লাহ) ইসলামে এর তো কোন ভিত্তি নেই ই। বরং তা ইসলামের দৃষ্টিতে একটি ঘৃণিত পদক্ষেপ।
এমতাবস্থায় নারীর ন্যায্য অধিকার আদায়ের দাবী না তুলে সমান অধিকারের বিষাক্তা বোমা ফাটানো সমাজকে আরো বিশৃঙ্খল করে তুলবে।
ইসলাম পূর্বযুগে নারীদের কোন ন্যায্য অধিকারই ছিলনা। ইসলামের আগমনের পরেই পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহে আবশ্যিকভাবে নারীদের ন্যায্য অধিকার বর্ণিত হয়েছে। পবিত্র কুরআনে নারী অধিকারে বিধান বর্ণনা করতে গিয়ে ১১৪টি সুরার মধ্য ২য় বৃহৎ সুরাটি (সুরা নিসা) অবতীর্ণ করা হয়েছে। এর বাইরে আরো অসংখ্য স্থানে নারী অধিকার সম্বলিত বিধান বর্ণিত হয়েছে। সম্পত্তি বন্টন সহ সামাজের সর্বক্ষেত্রে নারী অধিকারের পূর্ণাঙ্গ সমৃদ্ধ নীতিমালা কুরআনের বাইরে আর কোথাও কেউই দেখাতে পারবে না। এটা চ্যালেঞ্জ।
বস্তুতঃ নারী স্বাধীনতা বা নারী পুরুষের সমান অধিকারের দাবীটা শেয়ালের পক্ষ থেকে মুরগির স্বাধীনতা চাওয়ার নামান্তর।
যার উদ্দেশ্য নারীদেরকে পন্য ও ভোগের বস্তু বানানো।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সকল নারী স্বাধীনতাকামীরাই নারী নির্যাতনকারী।
তাই কথিত নারীবাদী বাস্তবে নারীদের বিরুদ্ধে গোপন ষড়যন্ত্রকারীদের থেকে সাবধান থাকা ও তাদেরকে নির্মূল করা সময়ের অন্যত দাবী।
মিসবাহুদ্দীন
০৪/০৫/২০২৫
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন