**আজকে আলোচনা করবো সাইসমিক জোন কো-ইপিচিয়েনট নিয়ে:**
আমরা হয়তো বা অনেকে জানিনা যে কতো এটা গুরুত্ববহ একটা টার্ম, এটা শুধু যে ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার দের জানতে হবে তা কিন্ত নয়,এটা সবার জানা প্রয়োজন
**প্রথমে বলবো সাইসমিক রিস্ক জোন কি?**
ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকাগুলোকে সিসমিক রিস্ক জোন (Seismic risk zone) বলে। ১৯৮৯ সালে ফরাসি ইঞ্জিনিয়ারিং কনসোর্টিয়াম বাংলাদেশের ভূমিকম্প বলয় সম্বলিত মানচিত্র তৈরি করে। এ মানচিত্রে বাংলাদেশকে তিনটি প্রধান বলয়ে ভাগ করা হয়। ... আর এ বলয়গুলোকে একসাথে বলা হয় 'সিসমিক রিস্ক জোন'
যদি ও বা BNBC-2020 তে এটা কে এর মাত্রার উপর ভিক্তি করে ৪ ভাগে ভাগ করা হয়েছে যা
1-Low
2-Moderate
3-Severe
4-Very Severe
মূলত সসম্ভাব্য রিটার্ন পিরিয়ড এর উপর নির্ভর করে ৪ টা জোনে ভাগ করা হয়েছে
যা
1-0.12
2-0.20
3-0.28
4-0.36
আর এই রিটার্ন পিরিয়ড হিসেবে ২৪৭৫ বছর হিসাব করা হয়..
জোন-১ :বরিশাল, খুলনা,যশোর
জোন-২ এ নোয়াখালী, ঢাকা,পাবনা,
জোন-৩ এ:বি -বাড়িয়া,সিরাজগঞ্জ, Chittagong
জোন-৪ এ:সিলেট, ময়মনসিংহ, কুড়িগ্রাম।
#civilengineer #নির্মানউপদেষ্ঠা
#construction #curing #engineering
#build #ইমারত_নকশা_ঘর
#নকশাঘর #প্ল্যান #ডিজাইন
#ড্রয়িং #সয়েলটেস্ট
#planning #design
#materials #construction #work #মাটি #ডুপ্লেক্স #বাড়ি #আবাসিক #হাউজিং #সিমেন্ট #ইট #বালু #টাইলস #ঠিকাদার
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন