এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫

ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ছিলেন বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক অমূল্য রত্ন

 খুলনা জেলার কুমিরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করা মানুষটিই বাংলা ভাষার ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশক! 


ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ছিলেন বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক অমূল্য রত্ন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ব্রিটিশ বাংলা প্রদেশের বর্তমান বাংলাদেশ খুলনা জেলার কুমিরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। এই মনীষী, শাস্ত্র ও ভাষাতত্ত্বের গভীরতা থেকে বাংলা ও সংস্কৃত ভাষার অনন্য দিকগুলোকে আবিষ্কার করেছেন। ১৯০৭ সালে তার হাতে আসে বাংলার প্রাচীনতম কবিতা-সংগ্রহ চর্যাগীতির পুঁথি। চর্যাগানের সংকলনটি আবিষ্কার ও সম্পাদনা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষণায় তার শ্রেষ্ঠ কীর্তি।। 


“ বাঙালিয়ানা, বাঙালিত্ব, আমি বাঙালি এই বোধ। আমার বাঙালি বলিয়া যে একটা সত্তা আছে, এই জ্ঞান। বেশি সংস্কৃত পড়িলে লোকে ব্রাহ্মণ হইতে চায়, ঋষি হইতে চায়। সেটা খাঁটি বাংলার জিনিস নয়; তাহার সঞ্চার পশ্চিম হইতে। বেশি ইংরাজি পড়িলে কী হয় তাহা আর বলিয়া দিতে হইবে না। ... 

বাঙালিয়ানার অর্থ এই যে, বাংলার যা ভালো তাহা ভালো বলিয়া জানা, আর যাহা মন্দ তাহা মন্দ বলিয়া জানা। ভালো লওয়া ও মন্দ না লওয়া তোমার নিজের কাজ। কিন্তু জানাটা প্রত্যেক বাঙালির দরকারি কাজ। জানিতে হইলে বুদ্ধিপূর্বক বাংলা দেশটা কী দেখিতে হইবে, বাংলায় কে থাকে দেখিতে হইবে, বাংলার আচার ব্যবহার, রীতি-নীতি, সমাজ-সংসার, উৎসব-আনন্দ, দুঃখ-শোক, কুস্তি লাঠিখেলা টোল পাঠশালা দেখিতে হইবে। ইহার গান গীতি পয়ার পাঁচালী, নাচ খেমটা, কীর্তন ঢপ যাত্রা কবি সব দেখিতে হইবে। মন প্রাণ দিয়া দেখিতে হইবে। আবার এখনকার কালে যাহা যাহা বদলাইতেছে, তাহাও দেখিতে হইবে। খবরের কাগজ, মাসিক পত্র, কনসার্ট, থিয়েটার, ইস্কুল, কলেজ, আপিস, আদালত সবই দেখিতে হইবে। বাংলার এবং বাঙালি জাতির সমস্ত জীবনটা ভালো করিয়া দেখিতে হইবে, তবেই তুমি বাঙালি হইবে।”  


                     -হরপ্রসাদ শাস্ত্রী রচনা সংগ্রহ, ২য় খণ্ড 


 তাঁর জীবন ছিল সংগ্রাম ও পরিশ্রমের এক অবিরাম অধ্যায়। তিনি ভারতের প্রাচীন সাহিত্য, সংস্কৃত কবিতা এবং পুরাণের গভীরতা উন্মোচন করেন, যা আজও আমাদের জন্য অমূল্য সম্পদ। 

বিখ্যাত বাঙালি ভারততত্ত্ববিদ, সংস্কৃত বিশারদ, সংরক্ষণবিদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা। তার আসল নাম ছিল হরপ্রসাদ ভট্টাচার্য। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের আবিষ্কর্তা। তিনি সন্ধ্যাকর নন্দী রচিত রামচরিতম্ বা রামচরিতমানস পুঁথির সংগ্রাহক। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ব্রিটিশ বাংলা প্রদেশের বর্তমান বাংলাদেশের খুলনা জেলার কুমিরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তবে তাঁর আদি নিবাস ছিল উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার নৈহাটিতে। তার পারিবারিক পদবী ছিল ভট্টাচার্য। গ্রামের স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা অর্জনের পর হরপ্রসাদ কলকাতার সংস্কৃত কলেজিয়েট স্কুল ও প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়াশোনা করেন। কলকাতায় তিনি তার বড়দা নন্দকুমার ন্যায়চঞ্চুর বন্ধু তথা বিশিষ্ট সমাজ সংস্কারক ও পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সঙ্গে থাকতেন। বিএ পরীক্ষায় সংস্কৃতে প্রথম হওয়ায় প্রতি মাসে ৫০ টাকা ‘সংস্কৃত কলেজ স্নাতক বৃত্তি’, ৫ টাকা ‘লাহা বৃত্তি’, এবং ‘রাধাকান্ত দেব মেডেল’ লাভ করেন। ১৮৭৭ সালে সংস্কৃতে সাম্মানিক হন। পরে এম.এ. পরীক্ষায় পাস করে তিনি ‘শাস্ত্রী’ উপাধি লাভ করেন। ১৮৭৮ সালে তিনি হেয়ার স্কুলে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। ১৮৮৩ সালে তিনি সংস্কৃত কলেজে অধ্যাপনা শুরু করেন। ১৯০৮ সালে সংস্কৃত কলেজ থেকে অবসর নিয়ে তিনি সরকারের তথ্যকেন্দ্রে যোগ দেন। ১৯২১ থেকে ১৯২৪ পর্যন্ত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগের অধ্যাপক এবং বিভাগীয় প্রধান।


তার বিখ্যাত বইগুলো হলো- বাল্মীকির জয়, মেঘদূত ব্যাখ্যা, বেণের মেয়ে (উপন্যাস), কাঞ্চনমালা (উপন্যাস), সচিত্র রামায়ণ, প্রাচীন বাংলার গৌরব ও বৌদ্ধধর্ম। তার উল্লেখযোগ্য ইংরেজি রচনাগুলো হলো- মগধান লিটারেচার, সংস্কৃত কালচার ইন মডার্ন ইন্ডিয়া ও ডিসকভারি অফ লিভিং বুদ্ধিজম ইন বেঙ্গল।

ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী'র জীবন ও কাজ আজও প্রেরণা দেয়, বিশেষ করে যারা সাহিত্য এবং ভাষাতত্ত্বে আগ্রহী, এই প্রতিবেদন তাদের জন্য।।


ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী: বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক অমূল্য রত্ন! 


ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ছিলেন একাধারে পণ্ডিত, গবেষক, সাহিত্যিক ও ইতিহাসবিদ। তিনি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব ছিলেন, যিনি তাঁর বিশাল অবদান দিয়ে বাংলা ভাষার গর্বিত ইতিহাসে অমর হয়ে রয়েছেন। তাঁর জীবন ছিল এক অবিরাম সাধনা, যেখানে শৈশব থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক জীবনে তিনি নিঃশেষে উৎসর্গ করেছিলেন ভারতীয় ভাষা ও সাহিত্যকে।


 শৈশব ও বেড়ে ওঠা: 

হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ব্রিটিশ বাংলা প্রদেশের (বর্তমান বাংলাদেশ) খুলনা জেলার কুমিরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তবে তাদের আদি নিবাস ছিল উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার নৈহাটিতে। তার পারিবারিক পদবি ছিল ভট্টাচার্য। তিনি ছিলেন বিখ্যাত বাঙালি ভারততত্ত্ববিদ, সংস্কৃত বিশারদ, সংরক্ষণবিদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা। তার আসল নাম ছিল হরপ্রসাদ ভট্টাচার্য। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের আবিষ্কর্তা। তিনি সন্ধ্যাকর নন্দী রচিত রামচরিতম্ বা রামচরিতমানস পুঁথির সংগ্রাহক। শৈশবে তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী এবং কৌতূহলী। তাঁর বাবা, পণ্ডিত গিরিশচন্দ্র শাস্ত্রী, ছিলেন একাধিক ভাষার পন্ডিত এবং তিনি নিজে তাঁর পুত্রকে উচ্চমানের শিক্ষার জন্য প্রেরণা দিতেন। ছোট থেকেই তিনি বাংলা, সংস্কৃত, পালি এবং একাধিক প্রাচীন ভাষা শিখতে শুরু করেন। কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউশন থেকে মাধ্যমিক পাশ করার পর তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা জীবন শুরু করেন, যেখানে তিনি প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর আগ্রহ দেখান।


শিক্ষা: 

গ্রামের স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা অর্জনের পর হরপ্রসাদ কলকাতার সংস্কৃত কলেজিয়েট স্কুল ও প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়াশোনা করেন। কলকাতায় তিনি তার বড়দা নন্দকুমার ন্যায়চঞ্চুর বন্ধু তথা বিশিষ্ট সমাজ সংস্কারক ও পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সঙ্গে থাকতেন। ১৮৭১ সালে হরপ্রসাদ প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৮৭৩ সালে ১৯ তম স্থান অধিকার করেন ফার্স্ট আর্টস(এফএ) পরীক্ষায়। ১৮৭৬ সালে বি.এ. ডিগ্রি অর্জন করেন(৮ম স্থান)। বিএ পরীক্ষায় সংস্কৃতে প্রথম হওয়ায় প্রতি মাসে ৫০ টাকা 'সংস্কৃত কলেজ স্নাতক বৃত্তি', ৫ টাকা 'লাহা বৃত্তি', এবং 'রাধাকান্ত দেব মেডেল' লাভ করেন।১৮৭৭ সালে সংস্কৃতে সাম্মানিক হন। পরে এম.এ. পরীক্ষায় পাস করে তিনি 'শাস্ত্রী' উপাধি লাভ করেন। উক্ত পরীক্ষায় হরপ্রসাদই ছিলেন প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ একমাত্র ছাত্র।


পেশাগত জীবন ও গবেষণা: 


ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর পেশাগত জীবন শুরু হয়েছিল শিক্ষকতা দিয়ে, তবে খুব দ্রুতই তিনি প্রাচীন সাহিত্য ও ভাষাতত্ত্বের গবেষণায় মনোনিবেশ করেন। তাঁর কাজের মধ্যে প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্য এবং সংস্কৃতির নানা দিক নিয়ে অমূল্য অবদান রয়েছে। তিনি বিশেষ করে সংস্কৃত, পালি, এবং প্রাচীন বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিশদ গবেষণা করেন এবং এসব ভাষার গ্রন্থগুলোর সঠিক অনুবাদ ও ব্যাখ্যা প্রদান করেন।


তিনি প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের এক মহান গবেষক হিসেবে পরিচিত। তাঁর "বাংলা সাহিত্যরূপ" এবং "বাংলা সাহিত্য ইতিহাস" সংক্রান্ত গবেষণা বাংলা সাহিত্যকে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে উপলব্ধি করতে সহায়তা করেছে। তাঁর কাজ শুধু ভারতীয় সাহিত্যিক ও ইতিহাসবিদদের জন্যই নয়, বরং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও সমাদৃত হয়েছে। তাঁর সৃষ্ট গবেষণা গ্রন্থগুলো বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে।


এছাড়া, তিনি বাংলা ভাষার ওপর “বাংলা ভাষার শুদ্ধতা” এবং "ভারতীয় ভাষার ঐতিহাসিক বিবর্তন" বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা করেছিলেন, যা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উন্নতিতে এক দিক নির্দেশক হিসেবে কাজ করে।


ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর আউটস্ট্যান্ডিং কাজ: 


১. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস :  চর্যাপদ আবিষ্কার: ১৮৯৭ সালে নেপালে গিয়ে প্রথম বৌদ্ধ পুঁথি সংগ্রহের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন এবং সেখান থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন।

এটি একটি অমূল্য সংকলন, যা বাংলা সাহিত্যের শুরু থেকে আধুনিক যুগ পর্যন্ত বিস্তৃত। এতে তিনি সাহিত্যের বিভিন্ন দিক, রচনা, লেখক, এবং সাহিত্যের ধারাগুলির গভীর বিশ্লেষণ করেছেন।

২. ভারতীয় ভাষা ও সাহিত্য: ভারতীয় ভাষা ও সাহিত্য সম্পর্কিত তাঁর গ্রন্থগুলির মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এবং এক্সটেনসিভ গবেষণা রয়েছে, যা ভারতীয় সংস্কৃতির বিস্তৃত ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গভীরতায় আলোকপাত করেছে।


৩. প্রাচীন সংস্কৃত সাহিত্য: সংস্কৃত সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থগুলির আধুনিক ভাষায় অনুবাদ ও ব্যাখ্যা। এই কাজগুলি আজও গবেষকদের জন্য রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহৃত হয়।


৪. পালি ভাষার গবেষণা: পালি ভাষার ওপর তাঁর কাজ ছিল উল্লেখযোগ্য, বিশেষ করে তিনি তাতে সংকলিত পবিত্র গ্রন্থগুলির বিশ্লেষণ করেন।


শাস্ত্রীর ঐতিহাসিক অবদান


ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির মঙ্গলার্থে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি কেবল একটি যুগের সাহিত্য গবেষকই ছিলেন না।

বরং বাংলা ভাষার ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশক ছিলেন। তাঁর গবেষণার মধ্য দিয়ে প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং সাহিত্য অনেক বেশি সুস্পষ্ট এবং সংজ্ঞায়িত হয়েছে।


তিনি যে সমস্ত বই লিখেছিলেন এবং গবেষণা করেছিলেন তা আজও ঐতিহাসিক শিক্ষায় দিশা নির্দেশক। তার সাহিত্যের ক্ষেত্রে যে এক গভীর আন্তরিকতা ছিল, তা আজকের সাহিত্যিকদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে রয়েছে।


পরিশেষে বলবো, 

ড.হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আমাদের জন্য একটি জীবন্ত আদর্শ, যার জীবন ও কাজ বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির অমূল্য ধন। তিনি শুধু একজন গবেষক নন, বরং একজন আদর্শ ব্যক্তি যিনি তাঁর কাজের মাধ্যমে অনন্তকাল ধরে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। তাঁর অবদান চিরকাল স্মরণীয় থাকবে।


#travelblogger #blogger #blog #history #historylovers #lovers

#ড.হরপ্রসাদশাস্ত্রী ##বাংলাশাস্ত্রী #বাংলাসাহিত্য #ভারতীয়সংস্কৃতি #সংস্কৃতসাহিত্য #পালিলেখক #বাংলাভাষা #বাংলাদেশ #সাহিত্য #ইতিহাস #indianliterature #BengaliLanguage #HorePrasadShastri #classicalliterature #sanskritresearch #Tagore #birthday #Khulna #kolkata #Dhaka #DhakaUniversity #culture

কোন মন্তব্য নেই:

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...