💁 ৫০টি প্রচলিত হোমিওপ্যাথিক ঔষধের (রেমিডি) জন্য সংক্ষিপ্তভাবে “ভাল লাগে” (amelioration / আরাম হয়) ও “মন্দ লাগে” (aggravation / অবস্থার অবনতি হয়) — প্রতিটির পাশে খুব সংক্ষিপ্ত, ব্যবহারিক ট্রিগার/পরিবেশ উল্লেখ করা আছে।
1. Aconitum (Aconite) — ভাল লাগে: ঠান্ডা বাতাস/আরম্ভে। মন্দ লাগে: হঠাৎ কাঁপুনি, রাতের উদ্বেগ।
2. Allium cepa — ভাল লাগে: আর্দ্র ঠান্ডা; নাসার স্রাব কমে। মন্দ লাগে: গরমে চোখ-নাক জ্বালাপোড়া বাড়ে।
3. Arnica montana — ভাল লাগে: বিশ্রামে, আলতো স্পর্শে কম ব্যথা। মন্দ লাগে: স্পর্শ করলে বা চাপ দিলে ব্যথা বাড়ে।
4. Arsenicum album — ভাল লাগে: ছোটো-ছোট মনোযোগ/গরমে আরাম। মন্দ লাগে: রাতে; উদ্বেগ-অসুবিধা বাড়ে।
5. Belladonna — ভাল লাগে: সম্পূর্ণ নির্জনতা/বিপরীত দিকে ঠান্ডা। মন্দ লাগে: হঠাৎ জ্বর, আলো বা শব্দে বেড়ে যাওয়া।
6. Bryonia alba — ভাল লাগে: বিশ্রাম/চাপ কমালে আরাম। মন্দ লাগে: চললে ব্যথা বেড়ে যায়।
7. Calcarea carbonica — ভাল লাগে: বিশ্রামে, ঠান্ডা আবহাওয়ায় সুবিধা। মন্দ লাগে: চূড়ান্ত পরিশ্রম বা গরমে ক্লেশ বেড়ে।
8. Calcarea phosphorica — ভাল লাগে: কোল্ড কম্প্রেস, বিশ্রাম। মন্দ লাগে: পরিশ্রম বা রাতে বিরতি না করলে।
9. Calcarea fluorica — ভাল লাগে: হালকা গরম, বিশ্রাম। মন্দ লাগে: চাপ/উত্তেজনায় সংক্ষেপে বৃদ্ধি।
10. Camphora — ভাল লাগে: গরমে, হঠাৎ তীব্র শীতলতায় রিলিফ। মন্দ লাগে: আশেপাশে ঠান্ডা বাতাস থাকলে শক লেগে।
11. Causticum — ভাল লাগে: কোল্ড, বিশেষভাবে আর্দ্র ঠাণ্ডায়। মন্দ লাগে: শীতকালে বা কাঁপুনি হলে বেদন বেড়ে।
12. Chamomilla — ভাল লাগে: আলতো-বোঁচকা করার সময়, নরম হাতে। মন্দ লাগে: ক্ষোভ/অস্বস্তিতে কটূক্তি বাড়ে (শিশুতে বেশি)।
13. China (Cinchona) — ভাল লাগে: বিশ্রাম ও টানা বিশ্রামে। মন্দ লাগে: দৈহিক দুর্বলতা, কম পানি/রক্তস্বল্পতায় খারাপ লাগে।
14. Colocynthis — ভাল লাগে: কোমরে চাপ দিলে বা বাঁকালে আরাম। মন্দ লাগে: আবেগপ্রবণতা, ক্রমাগত কষ্টে অবনতি।
15. Drosera — ভাল লাগে: শুয়ে বিশ্রামে কাশি কমে। মন্দ লাগে: রাতের কাশি, গা ঘামানো বাড়লে।
16. Euphrasia — ভাল লাগে: শীতল চাপ/চোখে বিশ্রাম। মন্দ লাগে: বাতাসে চোখে ধুলো থাকলে, কাঁচা পানি; চোখের জ্বালা বাড়ে।
17. Eupatorium perfoliatum — ভাল লাগে: বিশ্রাম, গরম চাপ। মন্দ Lage: কাঁপুনি, হাড়ব্যথা বাড়লে।
18. Ferrum phosphoricum — ভাল লাগে: বিশ্রাম ও ঠান্ডা চাপ। মন্দ লাগে: জ্বরের শুরুতে বা রক্তস্বল্পতায় দ্রুত খারাপ লাগে।
19. Gelsemium — ভাল লাগে: বিশ্রামে, অতি কম আলোতে। মন্দ লাগে: উদ্বেগ/অপ্রত্যাশিত খবরে ভয় বা দুর্বলতায় খারাপ লাগে।
20. Graphites — ভাল লাগে: গরম ও বিশ্রামে। মন্দ লাগে: আর্দ্রতায় ও মধুর/চর্বিযুক্ত খাবারে খারাপ লাগে।
21. Hepar sulphuris — ভাল লাগে: গরমে আরাম, কোয়াল কমে। মন্দ লাগে: হালকা স্পর্শে ব্যথা বা ঠান্ডা বাতাসে খারাপ।
22. Hypericum — ভাল লাগে: বিশ্রামে ও ডানপাশে চাপ কমলে। মন্দ লাগে: সার্জিক্যাল রেশনে স্পর্শ করলে ব্যথা বেড়ে।
23. Ignatia amara — ভাল লাগে: একাকিত্ব, গভীর নিঃশ্বাসে আরাম। মন্দ লাগে: আবেগী স্মৃতি/দুশ্চিন্তা হলে অবনতি।
24. Kali bichromicum — ভাল লাগে: গরম চাপ/ভাপায় আরাম। মন্দ লাগে: সকালে এবং ঠান্ডা পানিতে বাড়ে লক্ষণ।
25. Kali carbonicum — ভাল লাগে: বসে বিশ্রামে, গরমে আরাম। মন্দ লাগে: সকালে উঠলে, ধাক্কা দিলে খারাপ হয়।
26. Lachesis — ভাল লাগে: বামপাশে খোলা জায়গায় আরাম; ব্যথা ছাড়লে। মন্দ লাগে: গলাবন্দি বা গলা বাঁধলে; গরমে খারাপ।
27. Ledum palustre — ভাল লাগে: ঠান্ডা প্রয়োগে আরাম। মন্দ লাগে: গরমে, স্পর্শ করলে উন্নতি না, বরং খারাপ।
28. Lycopodium clavatum — ভাল লাগে: গরমে আরাম; ক্ষুধা কম থাকলে। মন্দ লাগে: সন্ধ্যা/রাতের দিকে অবনতি; খাওয়ার পরে ফাঁপা।
29. Mercurius solubilis — ভাল লাগে: রাতে ও আর্দ্রতায় শীতে কিছুটা আরাম। মন্দ লাগে: গরমে ও রাতের উচ্চতায় ক্ষুধার্তি/ঝাঁজালো বৃদ্ধি।
30. Natrum muriaticum — ভাল লাগে: একাকিত্ব/শান্ত পরিবেশে আরাম। মন্দ লাগে: রোদে/আবেগপ্রবণ স্মৃতি ছুঁলে খারাপ লাগে।
31. Nux vomica — ভাল লাগে: পাশ্চাত্য চাপ বা কোল্ড প্রয়োগে। মন্দ লাগে: অতিরিক্ত কাজ, মদ/পুনরাবৃত্তি করলে খারাপ।
32. Phosphorus — ভাল লাগে: আরাম পেতে অন্ধকার ও ঠান্ডা জায়গায়। মন্দ লাগে: গরম-ভোজন বা উত্তেজনায় অবনতি।
33. Phytolacca — ভাল লাগে: গরম কম্প্রেস ও বিশ্রামে। মন্দ লাগে: ঠান্ডা/শীতল হলে ব্যথা বাড়ে।
34. Pulsatilla — ভাল লাগে: খোলা ঠান্ডা বাতাসে আরাম। মন্দ লাগে: গরম এবং ঘন মানুষের ভিড়; বেদনা তখন বাড়ে।
35. Rhus toxicodendron — ভাল লাগে: চলাচলে ও গরমে আরাম। মন্দ লাগে: বিশ্রাম নেওয়ার পর শুরুতে কড়কড়ে ব্যথা বেশি।
36. Ruta graveolens — ভাল লাগে: গরম প্রয়োগ/মালিশে আরাম। মন্দ লাগে: শীত বা বিশ্রাম করলে ব্যথা বাড়ে।
37. Sepia — ভাল লাগে: বিশ্রাম ও শরীরের গরমে। মন্দ লাগে: মানসিক চাপ/গরমে অবনতি; একাকিত্বও বাড়ায়।
38. Silicea (Silica) — ভাল লাগে: গরমে আরাম; বিশ্রামের পরে। মন্দ লাগে: ঠান্ডা/আর্দ্রে দুর্বলতা বেড়ে।
39. Sulphur — ভাল লাগে: গরম, খোলা বাতাসে আরাম। মন্দ লাগে: রোদে বেশি গেলে খারাপ লাগে; নাচে-খারাপ।
40. Thuja occidentalis — ভাল লাগে: গরম ও বিশ্রামে কিছুটা। মন্দ Lage: আর্দ্র ও ঠান্ডা জায়গায় বা স্মৃতি-শঙ্কায় খারাপ।
41. Staphysagria — ভাল লাগে: নিরিবিলি পরিবেশে আরাম। মন্দ লাগে: হিংসা/আঘাত/অপমান স্মরণ করলে অবনতি।
42. Bellis perennis — ভাল লাগে: বিশ্রাম ও গরম কম্প্রেস। মন্দ লাগে: স্পর্শে/চাপে ব্যথা বাড়ে (আঘাতজনিত)।
43. Anacardium orientale — ভাল লাগে: নির্দিষ্ট কাজে মন লেগে গেলে আরাম। মন্দ Lage: আত্মবিশ্বাসে ঘাটতি/দ্বিধা হলে খারাপ।
44. Antimonium tartaricum — ভাল লাগে: বসে বিশ্রামে, ঢিলেঢালা করে শোওয়ার পর। মন্দ Lage: শ্বাসকষ্ট বা আর্জেন্ট কাশিতে খারাপ।
45. Baryta carbonica — ভাল লাগে: নিরাপদ ও আলো-সমৃদ্ধ পরিবেশে। মন্দ Lage: সামাজিক চাপ বা মানসিক অস্থিতিশীলতায় খারাপ।
46. Carbo vegetabilis — ভাল লাগে: খোলা বাতাসে, গরমে আরাম। মন্দ Lage: ঠান্ডা/আয়রন-কমে দুর্বলতা বেড়ে।
47. Kali phosphoricum — ভাল লাগে: বিশ্রাম ও আরামদায়ক পরিবেশে। মন্দ Lage: মানসিক চাপ/অতিরিক্ত চিন্তায় অবনতি।
48. Lycopodium (পুনরাবৃত্তি লক্ষণ) — (দুইবারের বদলে) ভাল লাগে: গরমে আরাম; কটক্ষণে আত্মবিশ্বাস বাড়ে। মন্দ Lage: সন্ধ্যা/রাতের দিকে দুর্বলতা ও ভিড়।
49. Sabadilla — ভাল লাগে: ঠান্ডা, চোখের আরাম। মন্দ Lage: ধুলো/ঘাম/বাতাসে নাক-চোখ বেশি খারাপ।
50. Kali muriaticum (Kali mur) — ভাল লাগে: শান্ত পরিবেশ, ঠান্ডা আর্দ্রতায় আরাম। মন্দ Lage: গরমে বা আর্দ্রতায় স্রাব-বাধা বাড়ে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন