এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

সম্পত্তি বণ্টনের নিয়ম বাংলাদেশের মুসলিম উত্তরাধিকার আইন (ফারায়েজ) প্রযোজ্য হয়, তবে হিন্দু, খ্রিস্টান এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য আলাদা আইন আছে।,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সম্পত্তি বণ্টনের নিয়ম বাংলাদেশের মুসলিম উত্তরাধিকার আইন (ফারায়েজ) প্রযোজ্য হয়, তবে হিন্দু, খ্রিস্টান এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য আলাদা আইন আছে। 


মুসলিম উত্তরাধিকার (ফারায়েজ) আইনে সম্পত্তি বন্টনের ক্ষেত্রে ৩টি প্রধান শ্রেণী রয়েছে:


——-

১. অংশীদারগণ (Sharers / জবিউল ফুরুজ)এঁরা হলেন সেই সকল ওয়ারিশ যাদের জন্য পবিত্র কোরআনে সুনির্দিষ্ট অংশ নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। প্রথমে এঁদের অংশ বন্টন করা হয়। এঁদের সংখ্যা ১২ জন (৪ জন পুরুষ ও ৮ জন মহিলা)।


গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজনের অংশ:

স্বামী: যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকে, তবে স্বামী পাবেন ১/৪ অংশ। সন্তান বা পুত্রের সন্তান না থাকলে পাবেন ১/২ অংশ।

স্ত্রী: যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকে, তবে স্ত্রী (একজন বা একাধিক) পাবেন ১/৮ অংশ। সন্তান বা পুত্রের সন্তান না থাকলে পাবেন ১/৪ অংশ।

পিতা: পুত্র বা পুত্রের সন্তান থাকলে পাবেন ১/৬ অংশ।

কন্যা: একজন হলে ১/২ অংশ। একাধিক হলে সবাই মিলে ২/৩ অংশ। যদি পুত্র থাকে, তবে পুত্র ও কন্যার অনুপাত হবে ২:১।

মাতা: পুত্র বা পুত্রের সন্তান বা দুই বা ততোধিক ভাই-বোন থাকলে পাবেন ১/৬ অংশ। অন্যথায় পাবেন ১/৩ অংশ।


——-

২. অবশিষ্টাংশ ভোগীগণ (Residuaries / আসাবা)অংশীদারদের নির্দিষ্ট অংশ দেওয়ার পর যদি কোনো সম্পত্তি অবশিষ্ট থাকে, তবে এই শ্রেণীর ওয়ারিশগণ সেই সম্পত্তি পাবেন।


এঁরা হলেন মৃত ব্যক্তির সাথে রক্ত সম্পর্কীয় নিকটাত্মীয়।

পুত্র-কন্যা একসাথে থাকলে, কন্যাকে অংশ দেওয়ার পর অবশিষ্ট সম্পত্তি পুত্ররা পান এবং পুত্র-কন্যার অনুপাত হয় ২:১।


——-

৩. দূর সম্পর্কের আত্মীয়গণযদি উপরের দুই শ্রেণীর কোনো ওয়ারিশ না থাকে, তবে দূর সম্পর্কের আত্মীয়রা সম্পত্তি পান।


সম্পত্তি বণ্টনের প্রক্রিয়া (সারসংক্ষেপ)সম্পত্তি বন্টন সাধারণত নিম্নোক্ত ধাপ অনুসরণ করে:

১। প্রথমেই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে পাওনা পরিশোধ করা হয়:

* মৃত ব্যক্তির দাফন-কাফনের খরচ।

* ঋণ পরিশোধ।

* যদি উইল (মৃত্যুর আগে করা) থাকে, তবে তা কার্যকর করা (তবে উইলের পরিমাণ মোট সম্পত্তির ১/৩ ভাগের বেশি হতে পারবে না এবং ওয়ারিশদের অনুকূলে উইল করা যায় না)।


২। অবশিষ্ট সম্পত্তি উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বন্টন:

* প্রথমে অংশীদারদের (Sharers) নির্ধারিত অংশ প্রদান করা হয়।

* অংশীদারদের অংশ দেওয়ার পর অবশিষ্ট সম্পত্তি (যদি থাকে) অবশিষ্টাংশ ভোগীগণের (Residuaries) মধ্যে বন্টন করা হয়।


গুরুত্বপূর্ণ সাম্প্রতিক পরিবর্তন বর্তমানে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি ভাগ করার জন্য বণ্টননামা দলিল (Partition Deed) রেজিস্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই পরিবর্তনটি জটিলতা ও প্রতারণা বন্ধের জন্য আনা হয়েছে।


পরামর্শ: যেহেতু উত্তরাধিকার আইন খুবই জটিল এবং প্রতিটি ব্যক্তির পারিবারিক কাঠামোর উপর নির্ভর করে, তাই আপনার নির্দিষ্ট সম্পত্তির বন্টন জানার জন্য একজন আইনজীবী বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া সবচেয়ে ভালো।

কোন মন্তব্য নেই:

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২০-০৩-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২০-০৩-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: এক মাস সিয়াম সাধনা শেষে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দী...