আমি নিজেও কখনাে এভাবে ভাবিনি. 😲
ফজর- ২ x ৩৬৫ দিন = ৭৩০ রাকাআত
যােহর- ৪ x ৩৬৫ দিন = ১৪৬০ রাকাআত
আসর- ৪x ৩৬৫ দিন = ১৪৬০ রাকাআত
মাগরিব- ৩ x ৩৬৫ দিন = ১০৯৫ রাকাআত
এশা- ৪x ৩৬৫ দিন = ১৪৬০ রাকাআত
মােট = ৬২০৫ রাকাআত
সুন্নাত এবং নফল সালাত তাে বাদই দিলাম !!
১ বছরে (৩৬৫ x ৫) = ১৮২৫ ওয়াক্ত সালাত।
অর্থাৎ বছরে ১৮২৫ বার আপনাকে আযানের মাধ্যমে
ডাক দেয়া হয়।
আপনি কয়বার সাড়া দিয়েছিলেন ?
আপনার মনে কি একটুও অনুশােচনা হওয়ার কথা না ?
কি ভেবেছেন আল্লাহর কাছে হিসাব দিতে হবে না?
এখানে শুধু ১ বছরের একটু ধারণা তুলে ধরা হল,
আল্লাহ্'র কাছে পুরাে জীবনের হিসাব কিভাবে দিবেন. ?
কি অবস্থা হবে সেদিন ?
আসুন!!
আজ থেকেই ৫ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা শুরু করি।
আল্লাহর ডাকে সাড়া দেই।আল্লাহ্ কে ডাকি।
আল্লাহ নিশ্চয়ই আমাদের ডাকে সাড়া দেবেন।
মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে পাঁচ ওয়াক্ত
নামাজ আদায় করার তৌফিক দান করুক🤲❤️...... আমিন...।
আল্লাহ সবাইকে কবুল করুক আমিন ।
😲 আযানের মধ্যে লুকিয়ে থাকা অলৌকিক গণিতের খেলা:
আযানের এই তথ্যগুলো পড়ার পর আপনি বাকরুদ্ধ হবেন
আর আল্লাহর উপর আপনার ঈমান বৃদ্ধি পাবে ইনশাআল্লাহ।
১। আযানের ১ম শব্দ হল আল্লাহ
এবং শেষ শব্দও হল আল্লাহ।
এর মানে—
আল্লাহই শুরু এবং আল্লাহই শেষ।
২। আযান শব্দটি পবিত্র কুরআনে সর্বমোট রয়েছে ৫ বার।
আর আমরা প্রতিদিন আদায় করি
৫ ওয়াক্ত নামাজ।
৩। আযানের মধ্যে সর্বমোট শব্দ হল ৫০ টি।
আর আল্লাহ মিরাজের সময়
হযরত মুহাম্মাদ (সঃ)-কে
সর্বপ্রথম ৫০ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ দিয়েছিলেন।
পরে তা কমিয়ে করা হয় ৫ ওয়াক্ত।
আর সহীহ হাদিসে এসেছে—
যে ব্যক্তি ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবে,
আল্লাহ তাকে ৫০ ওয়াক্তের সওয়াব দিবেন।
৪। আযানের মধ্যে সর্বমোট ১৭ টি ভিন্ন অক্ষর রয়েছে।
আর আমাদের প্রতিদিন ফরজ নামাজ হল
১৭ রাকাত।
ফজর = ২
যোহর = ৪
আসর = ৪
মাগরিব = ৩
এশা = ৪
মোট = ১৭ রাকাত
৫। আযানের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত শব্দ হল — (আল্লাহ)
“আল্লাহ” শব্দের অক্ষর গণনা:
আলিফ = ৪৭ বার
লাম = ৪৫ বার
হা = ২০ বার
সুতরাং,
৪৭ + ৪৫ + ২০ = ১১২
আর পবিত্র কুরআনের ১১২ নম্বর সূরা হল
সূরা ইখলাস।
যে সূরায় আল্লাহ নিজের পরিচয় দিয়েছেন।
আলহামদুলিল্লাহ। 🤲
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন