এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ২১ অক্টোবর, ২০২২

কুসংস্কার সমুহ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

~কুসংস্কার~


ব্যাঙ ডাকলে বৃষ্টি আসে,

মোরগ ডাকলে ভোর।

কুকুর ডাকলে লেজ গুছিয়ে,

ছিটকে পালায় চোর।।

.

পেঁচা ডাকলে অশুভ হয়, 

শকুন ডাকলে মরণ।

হঠাৎ কোন বিপদ নাকি,

কাকের ডাকের কারণ।।

.

পাখি ডাকলে কুটুম আসে,

মিষ্টি হাতে নিয়ে।

বৃষ্টির মাঝে রোদ হাসিলে,

শেয়াল মামার বিয়ে।।

.

সত্য-মিথ্যা যাচাই করি,

টিকটিকির টিক ডাকে।

বউ পাগল হয় সেই ছেলেটা, 

ঘাম থাকে যার নাকে।।

.

হঠাৎ করে চোখ কাঁপিলে,

দুঃখ আসে বটে।

বসা নাকি যাবে না ঐ,

ঘরেরই চৌকাটে।।

.

যাত্রা নাকি অশুভ হয়, 

দেখলে ঝাড়ু পথে।

কাড়িকাড়ি টাকা আসে,

চুলকালে ডান হাতে।।

.

খাবার সময় উঠলে হাঁচি,

কেউতো স্মরন করে।

দুইবার ভাত না নিলে,

তার অকালে বউ মরে।।

.

ভাঙ্গা আয়নায় মুখ দেখিতে 

মুরুব্বিদের মানা।

কুসংস্কারে আমরা আজও,

চোখ থাকিতে কানা।।

.................★★★................ 

কপি
পেস্ট

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

 🔴 *রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর* জীবনে যত দুঃখ বহন করেছেন তা পৃথিবীর আর কোন সাহিত্যিকের জীবনে ঘটেছে বলে জানা নেই। 

১. তের বছর বয়সে মাতৃহারা হন।
২. তাঁর বিয়ের রাতে ভগ্নিপতি মারা যান। 
৩. চারমাস পরে আত্মহত্যা করেন যার প্রেরণা ও ভালোবাসায় তিনি কবি হয়ে উঠেছেন, সেই নতুন বৌঠান কাদম্বরী দেবী। 
৪. ১৯০২ কবিপত্নী মৃণালিনী দেবী ২৯, মারা গেলেন l রবীন্দ্রনাথ তখন একচল্লিশ। 
৫. দুই মেয়ের বিয়ের সময় শর্ত ছিল জামাইদের বিলেতে ব্যারিস্টারি ও ডাক্তারি পড়াতে বিলেত পাঠালেন। কিন্তু স্কিছুদিনের মধ্যেই রেনুকা অসুস্থ হয়ে পড়লেন। বাঁচানো গেলনা তাঁকে। 
৫. ১৯০৫-এ চলে গেলেন পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। 
৭. ১৯০৭ কনিষ্ঠ পুত্রের (১২ বছরের) কলেরায় মৃত্যু। 
৮. ১৯১৩ রবীন্দ্রনাথ নোবেল পেলেন l 
৯. ১৯১৮ বড়মেয়ে বেলি অসুস্থ, বেলাকে প্রতিদিন গাড়িতে করে দেখতে যেতেন কবি। বাবার হাত ধরে মেয়ে বসে থাকত বিছানায়। আর তখন রবীন্দ্রনাথের জামাই শরৎ টেবিলের ওপর পা তুলে সিগারেট খেতে খেতে রবীন্দ্রনাথকে ব্যাঙ্গ-বিদ্রুপ করতেন। একদিন বেলাকে দেখতে গিয়ে মাঝপথে শুনলেন সে মারা গেছে। মেয়েকে শেষ দেখা না দেখে ফিরে এলেন বাড়ি। পুত্র রথীন্দ্রনাথ লিখেছেন বাড়িতে এসে তিনি কাউকে বুঝতে দিলেন না কি শোকে, কি অপমানে, কি অসহ্য বেদনার মধ্য দিয়ে তিনি সন্তানকে হারিয়েছেন। 
১০. কবির ছোটমেয়ে মীরার বিয়ে দিয়েছিলেন নগেন্দ্রনাথের সঙ্গে যাকে বিলাতে কৃষিবিজ্ঞানী করার জন্য প্রতিমাসে সেইসময় পাঁচশ টাকা করে পাঠাতেন, আর নগেন্দ্র চিঠি লিখে আরও টাকা পাঠানোর তাগাদা দিতেন। প্রত্যুত্তরে কবি লিখতেন, আমার জমিদারী থেকে প্রতিমাসে পাঁচশ টাকাই পাই, তার পুরোটাই তোমাকে পাঠাই। সেই নগেন্দ্র বিলাত থেকে ফিরে দুই সন্তান সহ মীরাকে পরিত্যাগ করে অন্যত্র চলে যান। কবির তিন জামাই যাদের প্রত্যেককে বিদেশে পড়িয়ে তিনি প্রতিষ্ঠিত করেছেন, তারা প্রতেকেই কোন না কোন ভাবে কবিকে দুঃখ দিয়েছেন। সারাজীবনে কবি দুঃখ পেয়েছেন বারেবারে, অপমানিত-উপেক্ষিতও হয়েছেন অসংখ্যবার। 
১১. আর্জেন্টিনার কবিপ্রেমী লেখিকা ভিক্টোরিয়া ওকাম্পর সাথে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে কুৎসা করে সংবাদপত্রও প্রকাশিত হয়েছে। 
১২. কবি তখন ৬৪, নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত বিশ্ববরেণ্য সাহিত্যিক l কবির নোবেল প্রাপ্তি নিয়েও কিছু লোক তাঁকে ব্যাঙ্গও করেছিলেন। চিঠি লিখে কবির কাছে জানতে চাইছেন নোবেল পুরস্কার পাওয়ার টেকনিক, সেক্ষেত্রে ভাবী পুরস্কারপ্রাপক কবিকে অর্ধেক টাকা দিতেও রাজি। 
১৩. শান্তিনিকেতনে সাক্ষাৎ করতে এসে কেউ কবিকে বলছেন, রবিবাবু আপনি কি এখনো কবিতা-টবিতা লেখেন নাকি? মানে অতোগুলো টাকা পাওয়ার পর আবার কেউ লেখে নাকি! অথচ অনেকেই জানেননা, নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্তির খবরটা প্রশান্তচন্দ্র মহলনাবিশ যখন কবিকে দেন তখন কবির প্রথম প্রতিক্রিয়া ছিল, ‘ যাক, ওই টাকায় এবার বিশ্বভারতীর সেচখাল কাটার সংস্থানটা হবে’। যারা কবি বা লেখক তারা সকলেই সমাজের কাছে একটা স্বীকৃতি চায়, রবীন্দ্রনাথ বহুদিন সেটা বাঙালি সমাজের কাছে পাননি। তাই নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পর তাঁকে যখন সম্বর্ধনা দেওয়া হলো তখন তিনি বললেন, ‘আমি এই সম্মানের পাত্রকে ওষ্ঠ পর্যন্ত তুলব কিন্তু গলা পর্যন্ত যেতে দেবনা’। কতবড় অভিমান ও দুঃখ থাকলে এ কথা বলা যায়! 
১৪. রবীন্দ্রনাথ নিজেই বলেছেন, 'পৃথিবীতে এসে যে ব্যক্তি দুঃখ পেলনা, সে লোক ঈশ্বরের কাছ থেকে সব পাওয়া পেলনা’। বারেবারে মৃত্যু-দুঃখ-অপমান রবীন্দ্রনাথকে শাণিত করেছে সৃষ্টিপথে, নির্মোহ করেছে জগৎসংসারে, নস্টালজিক করেছে ক্ষণেক্ষণে। তাই তিনি বলতে পেরেছেন, ‘ আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহদহন লাগে। তবুও শান্তি, তবুও আনন্দ, তবুও অনন্ত জাগে’। আমরাও যেন সদা তাঁর সুরে সুর মিলিয়ে বলতে পারি, “ মনেরে আজ কহ যে/ ভালো মন্দ যাহাই আসুক/ সত্যরে লও সহজে”।

কপি
পোস্ট 

জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি ও স্বাক্ষর পরিবর্তন পদ্ধতি,,, ফেইসবুকে থেকে নেওয়া

জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) এর ছবি ও স্বাক্ষর পরিবর্তনের পদ্ধতিঃ 


জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি ও স্বাক্ষর পরিবর্তন করার জন্য আপনি যেই এলাকার ভোটার, সেই এলাকার সংস্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে সশরীরে উপস্থিত হয়ে সংশোধন ফরম-২ এ আবেদন করতে হবে। 

ছবি ও স্বাক্ষর পরিবর্তন করার জন্য সরকারি ফি বাবদ ২৩০/- মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে জমা দিতে হবে। এই ফি বিকাশ/রকেট এর মাধ্যমে NID Info Correction এপ্লিকেশন টাইপে জমা দেয়া যাবে। উল্লেখ্য যে, জাতীয় পরিচয়পত্র সেবা সংক্রান্ত ফি এখন আর সোনালী ব্যাংকে বা চালানের মাধ্যমে জমা দেয়া যায় না। 

আপনার আবেদনের পরে সংস্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে সরাসরি আপনার ছবি তোলা হবে ও স্বাক্ষর নেয়া হবে এবং তা সার্ভারে প্রেরন করা হবে অনুমোদনের জন্য। জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি ও স্বাক্ষর পরিবর্তন সংক্রান্ত আবেদন "খ" ক্যাটাগরির বিধায় তা সাধারণত সংস্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসার অনুমোদন করে থাকেন। 

ছবি ও স্বাক্ষর পরিবর্তন আবেদন অনুমোদন হলে আপনাকে তা এসএমএস এর মাধ্যমে জানানো হবে এবং আপনি অনলাইন থেকে NID কার্ডের কপি ডাউনলোড করতে পারবেন অথবা সংস্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস থেকে নতুন ছবি সংবলিত লেমিনেটেড জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করতে পারবেন। উল্লেখ যে, পূর্বে ছবি ও স্বাক্ষর পরিবর্তন আবেদন অনুমোদন হলে এসএমএস এর মাধ্যমে জানানোর সুযোগ না থাকলেও বর্তমানে এসএমএস দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

কপি
পোস্ট

 

স্বামী গরিব হলে

স্বামী গরীব হলে

.

নারী সাহাবিদের রীতি ছিল, যখন তাঁদের কারও স্বামী ঘর থেকে বের হতো, তিনি স্বামীকে বলতেন, ‘হারাম উপার্জন থেকে অবশ্যই বেঁচে থাকবেন। কারণ, ক্ষুধা লাগলে আমরা তা সহ্য করতে পারব; কিন্তু জাহান্নামের আগুন আমরা সহ্য করতে পারব না।’ 

.

কিন্তু বর্তমানে বহু নারী এমন আছে, যে তার স্বামীর আর্থিক সংকটে ধৈর্যধারণ করে না; বরং তার কাছে এমন কিছু চায়, যার সামর্থ্য সে রাখে না। তাহলে স্বামী বেচারা কী করবে? সে কি চুরি করবে বা ঘুষ নেওয়া শুরু করবে? স্ত্রী এটা বোঝে না যে, ধৈর্য ঈমানের অঙ্গ। শুধু তাই নয়, ধৈর্যশীলদের আল্লাহ অফুরন্ত ও বেহিসাব প্রতিদান দেবেন। 

.

কাজেই প্রিয় বোন, তুমি এমন স্ত্রী হও, যে বিপদের বিরুদ্ধে স্বামীকে শক্তি জোগায়; স্বামীর বিরুদ্ধে বিপদকে শক্তি জোগায় না। নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই বাণীটি ভালো করে মনে রেখো : ‘আদমসন্তানের সৌভাগ্যের উপকরণ তিনটি, আর দুর্ভাগ্যের উপকরণও তিনটি। সৌভাগ্যেরগুলো : সতী নারী, উত্তম বাসস্থান ও উত্তম বাহন। আর দুর্ভাগ্যেরগুলো : অসতী নারী, নিকৃষ্ট বাসস্থান, নিকৃষ্ট বাহন।’ (আহমাদ)

.

'দাম্পত্যের ছন্দপতন' বই থেকে

কপি

পেস্ট 

একটি ভুল কথা,,,

 একটি ভুল কথা : বিয়েতে ‘কালেমা’ পড়ানো


তাবলীগের একজন সাথী আমাকে বলেছেন যে, একদিন গাশতে তিনি  এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ভাই কালেমা পড়তে জানেন? লোকটি অবাক করে দিয়ে অত্যন্ত আশ্চর্য স্বরে বলল, নাহ! আমি তো এখনও বিয়ে করিনি!!


বিয়ের আক্বদ পড়ানোকে অনেকে ‘কালেমা’ পড়ানো বলে। কিন্তু এই তাবলীগী সাথীর ঘটনা শুনে বুঝলাম, ‘কালেমা পড়ানোর আরো অর্থ আছে।


সাধারণত কালেমা বলতে ‘কালেমা তাইয়েবা’ অর্থাৎ লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ বা ইসলামের বুনিয়াদী আক্বীদা সম্বলিত কয়েকটি কালেমাকেই বুঝায়। বিয়ের আক্বদের সময় এই ধরনের কোনো কালেমা পড়া বা পড়ানোর নিয়ম নেই। মাসনুন খুতবার পর স্বাক্ষীদের উপস্থিতিতে মেয়ে পক্ষের সম্মতিক্রমে খতীব ঈজাব বা প্রস্তাব দেন। ছেলে ‘কাবিলতু’ কিংবা কবুল করলাম শব্দ বলার সাথে আক্বদ পূর্ণ হয়ে ছেলেমেয়ে উভয়ে স্বামী-স্ত্রীতে পরিণত হয়ে যায়।


এখানে কালেমা পড়ানোর কোনো বিষয় নেই। তবে কাবিলতু বা কবুল করলাম শব্দটিকে যদি আরবী আভিধানিক অর্থে কালিমা বলা হয় তবুও তো এখানে পড়ানোর কিছু নেই। যেহেতু বিভ্রান্তির অবকাশ থাকে তাই বিয়ের আক্বদকে কালেমা পড়ানো না বলাই ভালো।


সবচেয়ে বড় কথা হল, দ্বীন সম্পর্কে কী পরিমাণ অজ্ঞতা ও উদাসীনতা থাকলে একজন মুসলমান কালেমা পড়াকে বিয়ের সময়ের বিষয় বলে মনে করতে পারে তা ভেবে দেখা উচিত এবং এ বিষয়ে আমাদের কোনো করণীয় আছে কি না তাও ভেবে দেখা কর্তব্য। 


[সূত্র : মাসিক আল কাউসার 

বর্ষ : ৬, সংখ্যা : ১১

যীকা'দাহ - ১৪৩১ || নভেম্বর - ২০১০]

কপি
পেস্ট

মদিনার আদব,,,,,,,, মুফতি দেলোয়ার ফেইসবুক ফরমান পেইজ

গতকাল বা'দ মাগরিব মেয়েকে কাঁধে নিয়ে প্রিয়তম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দরবারে সালাম পেশ করতে রওদ্বায়ে আত্বহারের কাছে গিয়েছিলাম। ভীড় ঠেলে প্রিয়তমের মাক্ববারার কাছাকাছি যেতেই আমি আর মেয়ে খুব মুহাব্বাতের সাথে সালাম পেশ করা শুরু করে দিই। এমন সময় হঠাৎ মেয়ের একটি প্রশ্নে আমি থমকে যাই! 


মেয়ে আমাকে খুবই কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞাসা করলো;

বাবা! সবাই ছবি তুলছে কেন? 

ভিডিও করছে কেন? 

এখানে কি ছবি তুলতে হয়? ভিডিও করতে হয়? 


 স্বাভাবিকভাবে মেয়ে আমার কাঁধে হওয়ায় সে উপর থেকে দেখতে পাচ্ছিলো; যতদূর চোখ যায় সবার হাতে মোবাইল আর মোবাইল। সত্যি বলতে মেয়ে প্রশ্নটি করার আগে থেকেই বিষয়টি আমাকে খুবই পীড়া দিচ্ছিলো। আমি নিজেও আশপাশে তাকিয়ে খোঁজার চেষ্টা করেছি যে মোবাইল হাতে নেই এমন ক'জন আছে। খুব অল্পসংখ্যককেই এমন পেয়েছি, যাদের হাতে মোবাইল নেই, যারা কেবলই দরুদ আর সালাম পাঠেই ব্যস্ত। 


রওদ্বার কাছে আসলেই তো চোখ থেকে অশ্রু প্রবাহিত হওয়ার কথা। আমাদের হৃদয়স্পন্দন প্রিয় মাদীনাওয়ালা তো এখানেই শুয়ে রয়েছেন। সেখানে আমাদের কী হলো! আমরা এখানে এসে ছবি তোলা আর ভিডিও করায় ব্যস্ত হয়ে যাই? 


আমাদের হাবীবের কাছে কি এই খবর পৌঁছে না? 


 হাজারো কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে কারা তাঁর দরবারে ভালোবাসার নাযরানা পেশ করতে এসেছেন, আর কারা ছবি আর ভিডিও নিয়েই সন্তুষ্ট থাকছে....


মাদীনায় আসার আগে মাদীনার আদব শিখে আসতে না পারলে, মাদীনায় আপনি ঠিকই আসবেন, কিন্তু এখান থেকে কিছু নিয়ে ফিরতে পারবেন না। আপনাকে রিক্তহস্তেই ফিরতে হবে।


#মাদীনা

#মাসজিদে_নববী

কপি
পেস্ট

কোম্পানির চাকরির বৈশিষ্ট্য,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

ইউনিফর্ম এর চাকরির বৈশিষ্ট্য 😢😢😢


১.ডিউটির শুরু আছে কিন্তু শেষ নেই। 

২.বেতন আছে কিন্তু ভোগ করার সময় নেই। 

৩.পরিবার আছে কিন্তু সংসার নেই। 

৪.সন্তান আছে কিন্তু যত্ন নেই।

৫.আত্মীয় আছে কিন্তু যোগাযোগ নেই।

৬.ইচ্ছা আছে কিন্তু উপায় নেই। 

৭.ঈদ আছে কিন্তু ছুটি নেই। 

৮.কষ্ট আছে কিন্তু শেয়ার করার মতো 

ভালোবাসার মানুষ কাছে নেই।

৯.ব্যাথা আছে কিন্তু চিৎকার করার অধিকার নেই। 

১০.জীবনের চেয়েও সময়ের মূল্য বেশি দিতে হয়।

১১.ভালো না থেকেও ভালো থাকার অভিনয় করতে হয়।💔💔💔💔

কপি

পেস্ট 

বিনা পয়সায় ব্যবসা,,,,,, ফেইসবুক থেকে কপি করা

 বিনা পয়সার ব্যবসা !


খরখরে দুপুরবেলা। খড়্গপুর-হাওড়া লোকাল, ট্রেন চলেছে ঢুকুর-ঢুকুর। হালকা ভিড় আছে মোটামুটি, সবাই প্রায় ডেলি প্যাসেঞ্জার। কেউ ঢুলছে, কেউ গান ধরেছে। কিন্তু বেশিরভাগ যাত্রীই ঘাড়গুঁজে একমনে মোবাইলে লিপ্ত। বহির্জগৎ সম্পর্কে তাদের কোনো হঁশই নেই।

বালিচক ষ্টেশন ছাড়ানোর পর বছর কুড়ি-বাইশের একটি ছেলে উঠল কামরায়। শুষ্ক-রুক্ষ চেহারা, ছেঁড়া-ময়লা জামাপ্যান্ট। প্রথমে ভেবেছিলাম, কোনো ফেরিওয়ালা হবে হয়তো! কিন্তু ছেলেটির কাছে বিক্রয়যোগ্য কোনো সামগ্রীই ছিল না। তাহলে কি ভিখিরি?

ছেলেটি কিন্তু উঠেই একে একে যারা মোবাইল নিয়ে মশগুল, তাদের কাছে গেল। কিছু বলতে বা চাইতে হলো না। ঘাড় গুজে বসে থাকা মোবাইল-প্রেমীদের কাঁধে জাস্ট আলতো করে একটা টোকা! অমনি তাঁরা মোবাইল থেকে চোখ না তুলেই ছেলেটির হাতে দশটাকার নোট গুঁজে দিল!

ট্রেনে মোবাইল ঘাঁটাঘাঁটি করলে আবার ট্যাক্স দিতে হয় নাকি? বলা যায় না! যা দিনকাল পড়েছে! কৌতূহল চাপতে না পেরে পাশে বসা এক মোবাইল-বিলাসীকে জিজ্ঞেস করলাম, “কিসের টাকা দিলেন ভাই?"

ভদ্রলোক বললেন, “আর বলবেন না দাদা! মোবাইলের চক্করে আজকাল যা হচ্ছে না! যার দেউলটি নামার কথা, সে চলে যাচ্ছে আন্দুল! মেচেদার লোক গিয়ে নামছে উলুবেড়িয়ায়। ছেলেটি রোজ দশটাকার বিনিময়ে আমাদের সজাগ করে দেয়! এই যে আজ আমি নামব কোলাঘাটে, নামা নিয়ে আমার আর কোনো চিন্তা নেই। সজাগ-মূল্য দশটাকা মিটিয়ে দিয়েছি। এবার যতই মোবাইলে ঢুকে থাকি না কেন, ছেলেটি ধাক্কা মেরে হলেও কোলাঘাটে নামিয়ে দেবেই দেবে আমাকে!” এই বলে দেঁতো হাসি মুখ নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে হাসতে লাগলেন, আর আমি অবাক হয়ে চেয়ে রইলাম ওনার দিকে। 

       কে বলে বাঙালির ব্যবসার বুদ্ধি নেই।


    --------------🤣🤣🤣-----------------..

কপি
পেস্ট

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়,,,,, মাছুম গাজী ফেইসবুক থেকে কপি

রিজিকের সর্বনিম্ন স্তরঃ টাকা, পয়সা, অর্থ, সম্পদ ।

সর্বোচ্চ স্তরঃ শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা।

সর্বোত্তম স্তরঃ পুণ্যবান স্ত্রী ও পরিশুদ্ধ নেক সন্তান

পরিপূর্ণ স্তরঃ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।

রিজিক খুব গভীর একটি বিষয় যদি আমরা বুঝতে পারি।

আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবো সেটা লিখিত।

আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলো দানা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটা লিখিত। একটি দানাও কম না, একটিও বেশি না।

ধরেন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে ১ কোটি টাকা আয় করবো, এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্‌ তায়ালা নিয়েছেন।

আমি হালাল উপায়ে আয় করবো না হারাম উপায়ে আয় করবো সেই সিদ্ধান্ত আমার।

যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্‌ তায়ালার কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়ে ওই ১ কোটি আয় করেই আমি মারা যাবো, হারাম উপায়ে হলেও ওই ১ কোটিই... নাথিং মোর, নাথিং লেস!

আমি যেই ফলটি আজকে টেকনাফ বসে খাচ্ছি, সেটা হয়ত ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড থেকে ইমপোর্ট করা। ওই গাছে যখন মুকুল হয়েছে তখনই এটা নির্ধারিত যে সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে। এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে, কত মানুষ এই ফলটি পাড়তে গেছে, দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়েচেড়ে রেখে গেছে, পছন্দ হয় নি, কিনে নি। এই সব ঘটনার কারণ একটাই, ফলটি আমার রিজিকে লিখিত। যতক্ষণ না আমি কিনতে যাচ্ছি, ততক্ষণ সেটা ওখানেই থাকবে।

এর মধ্যে আমি মারা যেতে পারতাম, অন্য কোথাও চলে যেতে পারতাম, কিন্তু না। রিজিকে যেহেতু লিখিত আমি এই ফলটি না খেয়ে মারা যাবো না।

...............

রিজিক জিনিসটা এতোটাই শক্তিশালী!

কিংবা যেই আত্মীয় কিংবা বন্ধু-বান্ধব আমার বাসায় আসছে, সে আসলে আমার খাবার খাচ্ছে না। এটা তারই রিজিক, শুধুমাত্র আল্লাহ্‌ তায়ালা আমার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। হতে পারে এর মধ্যে আমাদের জন্য মঙ্গল রয়েছে।

আলহামদুলিল্লাহ্‌...

..............

কেউ কারোটা খাচ্ছে না, যে যার রিজিকের ভাগই খাচ্ছে।

আমরা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি সেটা নির্ভর করছে আমি আল্লাহ্‌ তায়ালার উপর কতটুকু তাওয়াক্কাল আছি, কতটুকু ভরসা করে আছি।

আল্লাহ তা'আলা বলেন,

‘দুনিয়ায় বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই, যার রিজিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই। তাদের স্থায়ী এবং অস্থায়ী অবস্থানস্থল সম্পর্কে তিনি অবহিত। সব কিছুই একটি সুস্পষ্ট কিতাবে লেখা আছে।’

(সুরা হুদ : আয়াত ৬)

‘যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য কোনো না কোনো পথ বের করে দেবেন। আর তাকে (এমন উৎস থেকে) রিজিক দেবেন যা সে ধারণাও করতে পারবে না।’

(সুরা ত্বালাক : আয়াত ২-৩)

আল্লাহ্‌ তায়ালা আমাদের সকলকে সঠিক পথে রিজিক তালাশের তৌফিক দান করুন। আমীন.

কপি

কপি
পেস্ট

বৃহস্পতিবার, ২০ অক্টোবর, ২০২২

রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০/১০/২০২২

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।  

(২০-১০-২০২২) 

আজকের শিরোনাম-


* রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য বাংলাদেশকে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন চুল্লি দেয়া হবে - প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে বললেন রুশ পরমাণু শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক। 


* আওয়ামী লীগ কখনো বিএনপির সমাবেশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেনি - সংবাদ সম্মেলনে জানালেন ওবায়দুল কাদের। 


* চীনের মধ্যস্থতায় রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে মিয়ানমার - বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


* রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর জন্য নির্ধারিত চিকিৎসা ইউনিট স্থাপন করেছে সরকার - বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। 


* ক্ষমতা গ্রহণের ৪৫ দিনের মাথায় চাপের মুখে থাকা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাসের পদত্যাগের ঘোষণা। 


* এবং আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটে সুপার ১২ তে জায়গা করে নিল শ্রীলংকা ও নেদারল্যান্ডস।

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...