এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২২

রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২২/১০/২০২২ শনিবার

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।  

(২২-১০-২০২২) 

আজকের শিরোনাম-


* সুনামগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর উপর নির্মিত রানীগঞ্জ সেতু যানচলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে এ মাসের ২৯ তারিখে - উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। 


* নারীর ক্ষমতায়ন ও দেশে এসএমই খাতের বিকাশের ওপর  বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার - বললেন জাতীয় সংসদের স্পিকার। 


* সড়কে শৃঙ্খলার অভাব সরকারের অর্জন ¤øান করে দিতে পারে - আশঙ্কা সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রীর। 


* ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহ সম্পর্কে বিশ^ গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সঠিক প্রচার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর। 


* ইউক্রেনের বিদ্যুৎ গ্রিড লক্ষ্য করে মধ্য ও পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় বিমান হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। 


* দলের নেতৃত্বে শি জিনপিং-এর শীর্ষ অবস্থানের স্বীকৃতি দিলো চীনা কমিউনিস্ট পার্টি। 


* এবং সিডনীতে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ^কাপ ক্রিকেটে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে ৮৯ রানের বিশাল ব্যবধানে হারালো নিউজিল্যান্ড।

কবি জসিমউদদীন

 #কবর 

#জসিমউদ্দিন 

#এটা_এমন_একটা_কবিতা_যেটা_পড়তে_গেলেই_চোখের_জল_ধরে_রাখতে_পারিনা

এই খানে তোর দাদির কবর ডালিম-গাছের তলে, 

তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে। 

এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ, 

পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত বুক। 

এখানে ওখানে ঘুরিয়া ফিরিতে ভেবে হইতাম সারা, 

সারা বাড়ি ভরি এত সোনা মোর ছড়াইয়া দিল কারা! 

সোনালি ঊষার সোনামুখ তার আমার নয়নে ভরি 

লাঙল লইয়া খেতে ছুটিলাম গাঁয়ের ও-পথ ধরি। 

যাইবার কালে ফিরে ফিরে তারে দেখে লইতাম কত 

এ কথা লইয়া ভাবি-সাব মোরে তামাশা করিত শত। 

এমনি করিয়া জানি না কখন জীবনের সাথে মিশে 

ছোট-খাট তার হাসি ব্যথা মাঝে হারা হয়ে গেনু দিশে। 


 বাপের বাড়িতে যাইবার কাল কহিত ধরিয়া পা 

আমারে দেখিতে যাইও কিন্তু উজান-তলীর গাঁ। 

শাপলার হাটে তরমুজ বেচি পয়সা করি দেড়ী, 

পুঁতির মালার একছড়া নিতে কখনও হত না দেরি। 

দেড় পয়সার তামাক এবং মাজন লইয়া গাঁটে, 

সন্ধাবেলায় ছুটে যাইতাম শ্বশুরবাড়ির বাটে! 

হেস না¬ হেস না¬ শোন দাদু, সেই তামাক মাজন পেয়ে, 

দাদি যে তোমার কত খুশি হত দেখিতিস যদি চেয়ে! 

নথ নেড়ে নেড়ে কহিত হাসিয়া, এতদিন পরে এলে, 

পথ পানে চেয়ে আমি যে হেথায় কেঁদে মরি আঁখিজলে। 

আমারে ছাড়িয়া এত ব্যথা যার কেমন করিয়া হায়, 

কবর দেশেতে ঘুমায়ে রয়েছে নিঝঝুম নিরালায়! 

হাত জোড় করে দোয়া মাঙ দাদু, আয় খোদা! দয়াময়, 

আমার দাদীর তরেতে যেন গো ভেস্ত নসিব হয়। 


 তারপর এই শূন্য জীবনে যত কাটিয়াছি পাড়ি 

যেখানে যাহারে জড়ায়ে ধরেছি সেই চলে গেছে ছাড়ি। 

শত কাফনের, শত কবরের অঙ্ক হৃদয়ে আঁকি, 

গণিয়া গণিয়া ভুল করে গণি সারা দিনরাত জাগি। 

এই মোর হাতে কোদাল ধরিয়া কঠিন মাটির তলে, 

গাড়িয়া দিয়াছি কত সোনামুখ নাওয়ায়ে চোখের জলে। 

মাটিরে আমি যে বড় ভালবাসি, মাটিতে মিশায়ে বুক, 

আয়-আয় দাদু, গলাগলি ধরি কেঁদে যদি হয় সুখ। 


 এইখানে তোর বাপজি ঘুমায়, এইখানে তোর মা, 

কাঁদছিস তুই? কী করিব দাদু! পরাণ যে মানে না। 

সেই ফালগুনে বাপ তোর এসে কহিল আমারে ডাকি, 

বা-জান, আমার শরীর আজিকে কী যে করে থাকি থাকি। 

ঘরের মেঝেতে সপটি বিছায়ে কহিলাম বাছা শোও, 

সেই শোওয়া তার শেষ শোওয়া হবে তাহা কী জানিত কেউ? 

গোরের কাফনে সাজায়ে তাহারে চলিলাম যবে বয়ে, 

তুমি যে কহিলা বা-জানরে মোর কোথা যাও দাদু লয়ে? 

তোমার কথার উত্তর দিতে কথা থেমে গেল মুখে, 

সারা দুনিয়ার যত ভাষা আছে কেঁদে ফিরে গেল দুখে! 


 তোমার বাপের লাঙল-জোয়াল দুহাতে জঢ়ায়ে ধরি, 

তোমার মায়ে যে কতই কাঁদিতে সারা দিনমান ভরি। 

গাছের পাতার সেই বেদনায় বুনো পথে যেতো ঝরে, 

ফালগুনী হাওয়া কাঁদিয়া উঠিত শুনো-মাঠখানি ভরে। 

পথ দিয়া যেতে গেঁয়ো পথিকেরা মুছিয়া যাইত চোখ, 

চরণে তাদের কাঁদিয়া উঠিত গাছের পাতার শোক। 

আথালে দুইটি জোয়ান বলদ সারা মাঠ পানে চাহি, 

হাম্বা রবেতে বুক ফাটাইত নয়নের জলে নাহি। 

গলাটি তাদের জড়ায়ে ধরিয়া কাঁদিত তোমার মা, 

চোখের জলের গহীন সায়রে ডুবায়ে সকল গাঁ। 


 ঊদাসিনী সেই পল্লী-বালার নয়নের জল বুঝি, 

কবর দেশের আন্ধারে ঘরে পথ পেয়েছিল খুজি। 

তাই জীবনের প্রথম বেলায় ডাকিয়া আনিল সাঁঝ, 

হায় অভাগিনী আপনি পরিল মরণ-বিষের তাজ। 

মরিবার কালে তোরে কাছে ডেকে কহিল, বাছারে যাই, 

বড় ব্যথা র’ল, দুনিয়াতে তোর মা বলিতে কেহ নাই; 

দুলাল আমার, যাদুরে আমার, লক্ষী আমার ওরে, 

কত ব্যথা মোর আমি জানি বাছা ছাড়িয়া যাইতে তোরে। 

ফোঁটায় ফোঁটায় দুইটি গন্ড ভিজায়ে নয়ন¬জলে, 

কী জানি আশিস করে গেল তোরে মরণ¬ব্যথার ছলে। 


 ক্ষণপরে মোরে ডাকিয়া কহিল¬ আমার কবর গায় 

স্বামীর মাথার মাথালখানিরে ঝুলাইয়া দিও বায়। 

সেই যে মাথাল পচিয়া গলিয়া মিশেছে মাটির সনে, 

পরাণের ব্যথা মরে নাকো সে যে কেঁদে ওঠে ক্ষণে ক্ষণে। 

জোড়মানিকেরা ঘুমায়ে রয়েছে এইখানে তরু¬ছায়, 

গাছের শাখারা স্নেহের মায়ায় লুটায়ে পড়েছে গায়। 

জোনকি¬মেয়েরা সারারাত জাগি জ্বালাইয়া দেয় আলো, 

ঝিঁঝিরা বাজায় ঘুমের নূপুর কত যেন বেসে ভালো। 

হাত জোড় করে দোয়া মাঙ দাদু, রহমান খোদা! আয়; 

ভেস্ত নসিব করিও আজিকে আমার বাপ ও মায়! 


 এখানে তোর বুজির কবর, পরীর মতন মেয়ে, 

বিয়ে দিয়েছিনু কাজিদের বাড়ি বনিয়াদি ঘর পেয়ে। 

এত আদরের বুজিরে তাহারা ভালবাসিত না মোটে, 

হাতেতে যদিও না মারিত তারে শত যে মারিত ঠোঁটে। 

খবরের পর খবর পাঠাত, দাদু যেন কাল এসে 

দুদিনের তরে নিয়ে যায় মোরে বাপের বাড়ির দেশে। 

শ্বশুর তাহার কশাই চামার, চাহে কি ছাড়িয়া দিতে 

অনেক কহিয়া সেবার তাহারে আনিলাম এক শীতে। 

সেই সোনামুখ মলিন হয়েছে ফোটে না সেথায় হাসি, 

কালো দুটি চোখে রহিয়া রহিয়া অশ্রু উঠিছে ভাসি। 

বাপের মায়ের কবরে বসিয়া কাঁদিয়া কাটাত দিন, 

কে জানিত হায়, তাহারও পরাণে বাজিবে মরণ¬বীণ! 

কী জানি পচানো জ্বরেতে ধরিল আর উঠিল না ফিরে, 

এইখানে তারে কবর দিয়েছি দেখে যাও দাদু! ধীরে। 


 ব্যথাতুরা সেই হতভাগিনীরে বাসে নাই কেহ ভালো, 

কবরে তাহার জড়ায়ে রয়েছে বুনো ঘাসগুলি কালো। 

বনের ঘুঘুরা উহু উহু করি কেঁদে মরে রাতদিন, 

পাতায় পাতায় কেঁপে উঠে যেন তারি বেদনার বীণ। 

হাত জোড় করে দোয়া মাঙ দাদু, আয় খোদা! দয়াময়। 

আমার বু¬জীর তরেতে যেন গো বেস্ত নসিব হয়। 


 হেথায় ঘুমায় তোর ছোট ফুপু, সাত বছরের মেয়ে, 

রামধনু বুঝি নেমে এসেছিল ভেস্তের দ্বার বেয়ে। 

ছোট বয়সেই মায়েরে হারায়ে কী জানি ভাবিত সদা, 

অতটুকু বুকে লুকাইয়াছিল কে জানিত কত ব্যথা! 

ফুলের মতন মুখখানি তার দেখিতাম যবে চেয়ে, 

তোমার দাদির ছবিখানি মোর হদয়ে উঠিত ছেয়ে। 

বুকেতে তাহারে জড়ায়ে ধরিয়া কেঁদে হইতাম সারা, 

রঙিন সাঁঝেরে ধুয়ে মুছে দিত মোদের চোখের ধারা। 


 একদিন গেনু গজনার হাটে তাহারে রাখিয়া ঘরে, 

ফিরে এসে দেখি সোনার প্রতিমা লুটায় পথের পরে। 

সেই সোনামুখ গোলগাল হাত সকলি তেমন আছে। 

কী জানি সাপের দংশন পেয়ে মা আমার চলে গেছে। 

আপন হস্তে সোনার প্রতিমা কবরে দিলাম গাড়ি, 

দাদু! ধর¬ধর¬ বুক ফেটে যায়, আর বুঝি নাহি পারি। 

এইখানে এই কবরের পাশে আরও কাছে আয় দাদু, 

কথা কস নাকো, জাগিয়া উটিবে ঘুম¬ভোলা মোর যাদু। 

আস্তে আস্তে খুঁড়ে দেখ দেখি কঠিন মাটির তলে, 


 ওই দূর বনে সন্ধ্যা নামিয়ে ঘন আবিরের রাগে, 

অমনি করিয়া লুটায়ে পড়িতে বড় সাধ আজ জাগে। 

মসজিদ হইতে আযান হাঁকিছে বড় সুকরুণ সুরে, 

মোর জীবনের রোজকেয়ামত ভাবিতেছি কত দূরে। 

জোড়হাত দাদু মোনাজাত কর, আয় খোদা! রহমান। 

ভেস্ত নসিব করিও সকল মৃত্যু¬ব্যথিত প্রাণ। 


======

কপি
পেস্ট

কম খরচে নিউজিল্যান্ডে উচ্চ শিক্ষা, রয়েছে নাগরিকত্ব লাভের সুযোগ


নিউজিল্যান্ড বা আগুটেয়ারোয়া। ভৌগলিকভাবে বিচ্ছিন্ন সিলভার ফার্ণের এই দেশটি পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধের ওশেনিয়া অঞ্চলে অবস্থিত। এই দেশকে শ্রভ্র মেঘের দেশও বলা হয়ে থাকে। চমৎকার প্রাকৃতিক পরিবেশ পরিমণ্ডিত পৃথিবীর অন্যতম দুর্নীতিমুক্ত এবং শান্তিপূর্ণ দেশ নিউজিল্যান্ড। নিউজিল্যান্ডের পরিবেশের মতই উচ্চশিক্ষার শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে বিশ্বব্যাপী । ফলে প্রতি বছর শুধু বাংলাদেশ থেকেই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে অসংখ্যক শিক্ষার্থী নিউজিল্যান্ডে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্য পাড়ি জমায়। 


নিউজিল্যান্ড নিয়ে কিছু কথা
আজ থেকে প্রায় ৭০০ বছর আগে পলিনেশিয়ান বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্টি তাসমান সাগরের কোল জুড়ে থাকা এই দেশটিকে আবিষ্কার করে। ছোট ছোট সেসব জাতিগোষ্টি একটা সময় সেখানে স্বতন্ত্র মাওরি (Maori) সংস্কৃতি গড়ে তোলে, যারাই নিউজিল্যান্ডিয় আদিবাসী হিসেবে পরিচিত। ১৬৪২ সালে সর্বপ্রথম ইউরোপিয়ান অভিযাত্রী হিসেবে 'আবেল তাসমান' এখানে নোঙর ফেলেন। এরপর থেকেই ধীরে ধীরে সেখানে শ্বেতাঙ্গদ্যের আধিক্য দেখা দেয়। ১৮৪০ সালে ব্রিটিশরা স্থানীয় মাওরিদের সাথে একটি চুক্তি করে। চুক্তি অনুযায়ী ১৮৪১ সাল থেকে নিউজিল্যান্ড একটি ব্রিটিশ কলোনির দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ১৯৩০ এর দশকে এক সাংস্কৃতিক বিপ্লবের (কালচারাল রেনেসাঁ) পর থেকে দেশটির রাজনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়। এরপর থেকে বর্তমান অবধি এখনো নিউজিল্যান্ডিয়ান রাজনীতি কল্যাণমুখী এবং উদারনীতি গ্রহণ করে রাষ্ট্র পরিচালনা করে আসছে। তবে উল্লেখ্য হলো, আজও দেশটির রাষ্ট্র প্রধান গ্রেট ব্রিটেইনের রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ, যদিও দেশটির রাজনীতিতে রাণীর কোনো প্রভাব নেই। নিউজিল্যান্ডে আজও বেঁচে আছে ঐতিহ্যবাহী মাওরি সংস্কৃতি। 
কেন যাবেন  নিউজিল্যান্ডে? 
পাহাড়-পর্বতে ঘেরা এই দেশটি ভৌগলিকভাবে বিচ্ছিন্ন হলেও, ইউরোপের অন্যান্য দেশের মতই অর্থনৈতিক দিক থেকে অন্যতম এক ধনী রাষ্ট্র নিউজিল্যান্ড । মানুষের গড় মাথাপিছু আয় $৩১,০৬৭ ডলার। নিউজিল্যান্ড বিশ্বের দ্বিতীয় নিরাপদ দেশ । এছাড়াও নিউজিল্যান্ডের পাসপোর্ট দিয়ে বিশ্বের ১১২টি দেশে বিনা ভিসায় ভ্রমণ করা যায়, যা বৈশ্বিক পাসপোর্ট সূচকে ৬ঠ স্থানে রয়েছে। আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো নিউজিল্যান্ডের নাগরিকরা বেশ বন্ধুত্বপূর্ণ এবং বিদেশীদের সঙ্গে তাদের আচরণও একই রকমের। এর পাশাপাশি খুব সহজেই স্থায়ী নাগরিকত্ব লাভ করা যায়। শিক্ষা মান আর বিভিন্ন সূচক হিসেবে নিউজিল্যান্ডের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি অতুলনীয় . OS Ranking এবং Times Higher Ranking মতে নিউজিল্যান্ডের প্রতিটা বিশ্ববিদ্যালয়ই বিশ্বের প্রথম ৫০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত। উচ্চশিক্ষা পরবর্তী চাকুরির ক্ষেত্রেও নিউজিল্যান্ডের বাজার অত্যন্ত ঈর্ষনীয়। শতাংশের হিসেবে প্রায় ৯৩% ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা শেষ করে সরাসরি চাকুরিতে প্রবেশ করার সুযোৃম

সিগারেট মাকরুহ নাকি হারাম,,,,, তাবলীগ জামাত ফেইসবুক থেকে কপি করা

সিগারেট-মাকরূহ-নাকি-হারাম??

🎙️ কুরআন-হাদীস কি বলে??


 সিগারেট খেলে কি ইবাদাত কবুল হয় না ??


- রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ

নেশা উদ্রেককারী প্রতিটি বস্তু মদের অন্তর্ভুক্ত। আর নেশা সৃষ্টিকারী প্রতিটি বস্তু হারাম। যে ব্যক্তি একবার নেশা উদ্রেককারী জিনিস পান করলো সে তার চল্লিশ দিনের সলাতের কল্যাণ হতে বঞ্চিত হলো। 

[আবু দাউদঃ ৩৬৮০]


সিগারেটের গায়ে লেখা থাকে "ধুমপান মৃত্যু ঘটায়"।

- আল্লাহ পাক বলেন,

"তোমরা নিজেদেরকে ধ্বংসের দিকে নিক্ষেপ করো না।" [বাকারা-১৯৫]


 সিগারেট নেশাজাতীয় জিনিস।

- নবী করিম (ﷺ) বলেছেন,

"প্রত্যেক নেশার বস্তুই মাদক (খামার) আর প্রত্যেক নেশার জিনিসই হারাম।" [মুসলিম-২০০৩]


কেউ একসাথে ১০টি সিগারেট খেলে তার নেশা হতে বাধ্য।

- রাসূল (ﷺ) বলেছেন:-

“যা অধিক সেবন করলে নেশার সৃষ্টি হয় তা কম সেবন করাও হারাম।" [তিরমিযি-১৮৬৫, আবু দাঊদ-৩৬৮১]


 সিগারেট অপবিত্র জিনিস।

- আল্লাহ পাক বলেন, "তোমাদের জন্য পবিত্র বস্তু হালাল ও অপবিত্র বস্তু হারাম করা হয়েছে।" [আরাফ-১৫৭]


 সিগারেটে অপব্যয় ছাড়া অন্য কিছু নয়।

- আল্লাহ পাক বলেন, "নিশ্চয়ই অপব্যায়কারী শয়তানের ভাই।" [সূরা ইসরা-২৭]


সিগারেটের ধোঁয়ায় মানুষ চরম কষ্ট পায়।

- রাসূল (ﷺ) বলেন,

"যে ব্যক্তি আখিরাতে বিশ্বাস রাখে, সে যেন প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়।" [বুখারী]


সিগারেট পুষ্টিকর কিংবা ক্ষুধা নিবারণ মূলকও কিছুই নয়। 

- জাহান্নামীদের খাবার প্রসঙ্গে আল্লাহ পাক বলেন, “এটা তাদের পুষ্টিও যোগাবে না ক্ষুধাও নিবারণ করবে না।" [গাশিয়াহ-৭]


এবার আপনিই সিদ্ধান্ত নিন-

এই ধুমপান করবেন, নাকি ছাড়বেন?আস্তাগফিরুল্লাহ.... 

আল্লাহ আমাদেরকে এ সর্বনাশা নেশা থেকে দুরে রাখুন।


আমিন! 

কপি
পেস্ট

হেমন্তে ছাতিম তরুর ম ম গন্ধে চারিদিকে ছড়িয়ে আছে,,,,, ফেইসবুক থেকে কপি করা

 

হেমন্তে ছাতিম তরু ম ম গন্ধের ফুল, বলছে কত কথা...


হেমন্তে ছাতিম ফুল জানান দিচ্ছে নবান্ন আসছে সঙ্গে শীত আসছে। পিঠাপুলি খাওয়ার দিন আসছে। প্রায় দুর্লভ দর্শন হয়ে পড়েছে অসাধারণ সুন্দর ছাতিম তরু। তারপরও দেখা মিলল পথ চলতে।
মাঝ রাত পেরিয়ে গিয়েছে। শিশির ঝরছে একটু করে। পথ নির্জন প্রায়। মাঝে-মধ্যে রিক্সার ক্রিংক্রিং শব্দ। বগুড়া নগরীর সার্কিট হাউসের সামনের সড়কটি একটু অন্যরকম। নিশুতি রাত ছিমছাম। স্নিগ্ধ জ্যোৎস্নায় গাছের পাতাগুলো চিকচিক করছে। শোনা গেল প্রহর গোনা পাখি পেঁচার ডাক। মনে হচ্ছিল স্বপ্নের ঘোর। হঠাৎ নাকে ঝাপটা দিয়ে গেল ম ম গন্ধে মাখা হেমন্তের মৃদু হাওয়া। যেন এক মধুময় সৌরভ। উপেক্ষা করা গেল না মোটেও। ইতি উতি তাকাতেই বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের (সাবেক ভিএম স্কুল) এক কোণায় চোখে পড়ল ঝাঁকড়া পাতা পল্লব নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে উঁচু এক বৃক্ষ। অতি পুরনো। এই বৃক্ষের নাম ছাতিম। যে ফুলের গন্ধ ভেসে যাচ্ছে।   
বৃক্ষটি ১৮৬৯ সালে স্কুল প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই আছে। গুঁড়িতে বাকলগুলো কুন্দের মতো ফুলে আছে। যাতে বৃদ্ধের মুখের বলি রেখার মতো অজস্্র সরু স্ফীত রেখায় ভরা। ওপরে গুচ্ছ গুচ্ছ পাতা। ফোটা ফুলের থোকায় কি মায়াময়তা। নীরবে দাঁড়িয়ে সৌরভের মিতালী করছে রাতের ঝিরিঝিরি হাওয়ার সঙ্গে। মমতার স্পর্শ বুলিয়ে দিয়েছে পত্র পল্লবে। ছাতিম তরুর সঙ্গে ছাতার মিল খুঁজে পাওয়া যায়। কান্ড কিছুটা লম্বা হয়ে শাখা-প্রশাখায় পাতার বিস্তারে মেলে ধরে। কান্ডের কয়েক ধাপ গাঢ় সবুজ পাতায় সাজানো। এই পাতা থাকে ভর বছর। তাই ছাতিম তলা ছায়াময়ও থাকে ভর বছর। ঘন ছায়ার জন্য সাধু সন্ন্যাসী ও মুনি ঋষিরা ধ্যানে বসতেন ছাতিম তরু তলে। পাতার ধরন বর্ষার ফলকের মতো। কান্ডের গ্রন্থিতে সাধারণত সাতটি পাতা বৃত্তাকার হয়ে থাকে। যে কারণে সংস্কৃতিতে এর নাম ‘সপ্তপর্ণী’। ড. নওয়াজেশ আহমেদ তাঁর বাংলা বনফুল গ্রন্থে ছাতিমের অনেক নাম উল্লেখ করেছেন। যেমন- সুপর্ণক, পত্রবর্ণ, শুক্তিপর্ণ, গন্ধিপর্ণ, গুচ্ছপুষ্প, শারদী বিনক ইত্যাদি।
ছাতিম তরুর বড় একটি তথ্য আছে শান্তি নিকেতনে।
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তি নিকেতনে সমাবর্তনের সময় প্রথম উপহার দিতেন ছাতিম পাতা। বর্তমানে যারা মধ্যবয়সী তারা ছাতিমের সঙ্গ পেয়েছেন একটু ভিন্ন ভাবে। নিকট অতীতে স্কুল- কলেজের শ্রেণিকক্ষে ব্ল্যাক বোর্ডের ওপর সাদা চক পেন্সিলে লেখা হতো। সেদিনের সেই ব্ল্যাক বোর্ড তৈরি হতো ছাতিম কাঠ দিয়ে। ছাতিমের কাঠ হালকা ও মসৃণ। কাঠ পেন্সিল তৈরিতেও ব্যবহার হয় ছাতিম কাঠ।
ছাতিমের বৈজ্ঞানিক নাম অ্যাল্সটোনিয়া স্কলার। তবে ছাতিম গাছের ইংরেজি নামটি একটু বিদঘুটে- ‘ডেভিল ট্রি’। বাংলায় অর্থ দাঁড়ায় ভূতের গাছ। যদিও ভূতপ্রেত কুসংস্কার তারপরও অতীতে গভীর রাতে এই গাছের নিচ দিয়ে যাওয়ার সময় গা ছমছম করত। এই গাছকে নিয়ে লোক ছড়া আছে ‘শ্যাওড়া গাছে পেতনী ঠাসা, ছাতিম গাছে ভূতের বাসা’। প্রযুক্তির এই যুগে ভূত প্রেত কবে পালিয়েছে। দুর্লভ এই গাছকে রক্ষা করার কোনো উদ্যোগ নেই। বর্ষায় বৃক্ষরোপণের মৌসুমে অনেক গাছের  চারা রোপিত হয়। শুধু থাকে না ছাতিম তরুর চারা বা বীজ।    
একটা সময় দেশে অনেক ছাতিম তরু ছিল। যা ছিল প্রকৃতির ছাতা। ছাতিম কাঠের বাণিজ্যিক মূল্য না থাকায় ‘বাণিজ্যিক যুগে’ এই গাছ কেউ রোপণ করে না। উল্টো ছাতিম গাছ কেটে ফেলে। কে আর সৌন্দর্য ও মধুগন্ধে এই তরু রোপণ করে। এখন কালেভদ্রে চোখে পড়ে ছাতিম তরু। যা আছে তাও কর্তনের খাতায় উঠছে। কতদিন আর রক্ষা করা যাবে। বর্তমান প্রজন্ম ছাতিম তরু ঠিকমতো চেনে না।  
ছাতিমের ফুল ফোটা শুরু হয় হেমন্তে। শীতের মধ্যভাগ পর্যন্ত থাকে। গাছের সকল প্রশাখা পাতা লুকিয়ে ফুলে ফুলে ভরে ওঠে। ছাতিমের ফুলও সবুজাভ। ফুলের নিচের অংশ নলের মতো। ওপরের অংশে পাঁচটি পাপড়ি সামান্য বাঁকানো। পরাগ কেশ ও গর্ভকেশ পরস্পর সংযুক্ত। ফলে তীব্র মধুগন্ধ হাওয়ায় ভেসে যায় দূর বহুদূর। ছাতিমের ফল অনেকটা লম্বা। শীতের শেষে ফলগুলো গাছের আরেক শোভা এনে দেয়। এর বীজ রোমশ সহজেই চারা গজিয়ে ওঠে।
ছাতিমের রয়েছে অসাধারণ ভেষজ গুণ। ছাল, আঠা, জ্বর, হাঁপানি, ক্ষত, আমাশয় ও কুষ্ঠ রোগের চিকিৎসায় বহুকাল থেকে ব্যবহৃত। ছাতিম তরুর আদি নিবাস বাংলাদেশ সহ ভারত চীন মিয়ানমার শ্রীলঙ্কা।
দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে- ছিটিয়ে  ছাতিম তরু আছে। যে সংখ্যা খুবই কম। ছাতিম তরু এখনো ফুলের গন্ধে অস্তিত্ব জানান দেয়। আর কতদিন তা দিতে পারবে! মুনিঋষিরা ধ্যানে বসে জপতপের জন্য ছাতিম তরু খুঁজে ফেরে।

কপি

পেস্ট

যার মৃত্যুতে নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত হচ্ছে

 নিরাপত্তা দশক’ ঘোষণা করে সংস্থাটি। এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ায় ২০৩০ পর্যন্ত বাড়ানো হয় সময়সীমা।


সন্তান কোলে ইলিয়াস কাঞ্চন ও তার স্ত্রী জাহানারা কাঞ্চন, 


সন্তান কোলে ইলিয়াস কাঞ্চন ও তার স্ত্রী জাহানারা কাঞ্চন, 


এদিকে, নিসচার উদ্যোগে এসএসসি পাস করা বেকার যুবকদের দক্ষ চালক হিসেবে গড়ে তুলতে ‘নিসচা ড্রাইভিং ট্রেনিং ইনস্টিটিউট’ প্রতিষ্ঠা করা হয়। এখান থেকে বিনামূল্যে ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়ে থাকে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তরা। অপরদিকে, সড়ক দুর্ঘটনা কমানোর লক্ষ্যে ‘সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮’ প্রণয়ন করে সরকার। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করে ১ নভেম্বর ২০১৯ থেকে আইনটি কার্যকর হয়। ২০১৭ সালে ২২ অক্টোবরকে ‘জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস’ ঘোষণা করে সরকার।


নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, সড়কের ভয়ের থাবা থেকে জাহানারা কাঞ্চনকে বাঁচাতে না পারলেও লাখো প্রাণ রক্ষায় কাজ করছেন তিনি। ফলে এতদিনের ব্রত, সংগ্রাম ও প্রচেষ্টা নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও সফল হয়েছে। কিন্তু এখনও সড়কে প্রতিদিন মৃত্যুর মিছিল, মানুষের আহাজারি তাকে ব্যথিত করে। এ থেকে উত্তরণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে, সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।


/এপিএইচ/

কপি
পেস্ট

সময় যারযার জীবনের হিসাবে বুঝিয়ে দেয়,,,,

 একটি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত এমডি অবসরের ৫ বছর পর তার শহরের একটি শাখায় এসেছিলেন টাকা তুলতে।

কেউ তাকে সালাম দিলো না,


এগিয়ে এলো না, কারণ কেউ তাকে চিনতে পারেনি।

ব্যাংকটিতে যারা কাজ করছেন সবাই নতুন।


তিনি নিজেকে ঐ ব্যাংকের সাবেক এমডি হিসেবে পরিচয় দেন।

পরিচয় পাওয়ার পর একজন অফিসার তাকে চা অফার করেন

এবং কৌতূহলবশত জিজ্ঞেস করেন, "অবসরের পর আপনার দিনকাল কেমন যাচ্ছে?”


সাবেক এমডি বলেন,"প্রথম ২/১ বছর খুব খারাপ লেগেছে।নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে কষ্ট হয়েছে।

এখন আমি বুঝতে পেরেছি, দাবা খেলা শেষ হওয়ার পরে রাজা এবং সৈনিকদের একই বাক্সে রাখা হয়।

পদ, পদবী, উপাধি, শান-শওকাত সবই অস্থায়ী।

মানুষের ভালোবাসাটা স্থায়ী, বিনয় ও সদাচরণ দিয়ে যা অর্জন করতে হয়।”


সময় যার যার জীবনের হিসেব বুঝিয়ে দেয়।

এই সত্যটা সময় থাকতে আমরা বুঝতে চাই না!

সংগৃহীত

কপি
পেস্ট 

তুরস্কে অনুষ্ঠিত উলামা সম্মেলনে,,,,,,,,,,, মোঃ কাশেম আফ্ফান ফেইসবুক থেকে কপি করা

 (‌আজ আমার নিজের একটি লেখার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়  ছিল, তার চে  গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পে‌য়ে আপনা‌দের জন্য শেয়ার দিলাম)


.

তুরস্কে অনুষ্ঠিত বিশ্ব উলামা সম্মেলনে জাবিহুল্লাহ মুজাহিদের ঈমানদীপ্ত ভাষন


তুর্কিয়েতে (তুরষ্কে) শুরু হয়েছে ‘ইউনিয়ন অফ মুসলিম স্কলারস’ সম্মেলন। এতে অংশ নিয়েছেন বিশ্ব বরেণ্য আলেম ও স্কলাররা। তুরস্কে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে ই^মা'রা-তে ইসলামিয়া আ-ফ/গা-নি*স্তা=নের ৩ সদস্যের একটি দলকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। যাদের মাঝে রয়েছেন ই^মা'রা\তে ই:স;লা^মি\য়া:র মুখপাত্র জা¡বি:হু;ল্লাহ্ মু'জা\হিদ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভাগীয় প্রধান মুফতি মোহাম্মদ আক'ব/র আজীমি এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক ওয়ালিউল্লাহ শাহীন (হাফিজাহুমুল্লাহ)।


গত ১৫ অক্টোবর তুর্কিয়ে সময় সকাল ৯ টায় আনুষ্ঠানিক ভাবে এই সম্মেলন শুরু হয়। প্রথম দিনের বৈঠকে আফগানিস্তানের পক্ষে থেকে ঈমানদীপ্ত বক্তব্য রাখেন ই^মা'রা-তে ইসলামিয়া আ-ফ/গা-নি*স্তা=নের  মুখপাত্র মুহতারাম জাvবি'হু'/ল্লা/হ মুজাহিদ (হাফি.)।


জনাব মুজাহিদ তাঁর বক্তব্যে ইসলামী বিশ্বের ঐক্যের উপর গুরুত্বারোপ করেন। এ ব্যাপারে তিনি আলেমদের মহান দায়িত্ব ও তাদের কার্যকর ভূমিকার কথা তুলে ধরার পর বলেন, আ';ফ,গা/ন/রা তাদের আলেমদের নেতৃত্বে গত শতাব্দীতে একে একে তিনটি সাম্রাজ্যকে পরাজিত করতে সক্ষম হয়েছেন। একই আলেমরা তিনবার ব্রিটিশদেরকেও এই ভূমিতে পরাজিত করেছেন। আলেমদের এই অভ্যুত্থান না হলে আমাদের দেশ আজও পরাধীন থাকতো।


সর্বশেষ আমেরিকা যখন ও*সা*মা*র (রহ.) অযুহাত দেখিয়ে আv/ফ;গা;নি/স্তা',নে নিষ্ঠুরভাবে আক্রমণ করেছিল, তখনও কিন্তু আলেমরা এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন। এবং দীর্ঘ ২০ বছর ধরে লড়াই করেছেন, যতক্ষণ না আ,ফ/গা/নি,স্তা/নে স্থিতিশীল ফিরে আসে এবং প্রতিপক্ষ পরাজিত হয়।


উলামায়ে কেরামের নেতৃত্বে  ই^মা'রা-তে ইসলামিয়া আ-ফ/গা-নি*স্তা=নের পূর্ববর্তী প্রশাসন থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে চলে আসা দুর্নীতিকে সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করেছে, সমস্যা দূর করেছে এবং দেশে সম্পূর্ণ শান্তি এনেছে। এই মুহূর্তে আমাদের সব সরকারি কাজ আলেমদের নেতৃত্বে চলছে।


আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও, আমরা অর্থনৈতিক প্রকল্প চালু করেছি। যার অধীনে ৫ লাখেরও বেশি বেসামরিক এবং ৩ লাখ সামরিক কর্মকর্তাদের অর্থায়ন করে যাচ্ছি। এতো কিছুর পরেও আমরা জনসেবা বন্ধ করিনি। বরং জনসেবা মূলক কাজও চলছে সমানতালে।


এসময় তিনি আরো বলেন, আমরা সমগ্র মুসলিম উম্মাহর সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও সুসম্পর্ক চাই। আমরা চাই মুসলিম উম্মাহ যেন এক হয়। বিশ্বের প্রতিটি মুসলমানের বেদনা যেনো আমরাও অনুভব করি। তাদের দুঃখে দুঃখিত হই। আর এই পরিস্থিতিতে উম্মাহকে ঐক্যের ধারণা দেওয়া আলেমদের দায়িত্ব।


এরপর তিনি প্রশ্ন আকারে বলেন, “ইউরোপীয় ইউনিয়নের অনেক দেশ, যারা এক ছাদের নীচে জড়ো হয়। আমেরিকার অনেক রাজ্য, যারা এক ছাতার নীচে থাকতে পারে, তাহলে আমরা কেন তা পারি না?” তাই আলেমদেরকে উম্মাহর সংস্কার ও পনরুজ্জীবিত করতে ভুমিকা পালন করতে।


সম্মেলনে জা,বি'হু'ল্লা,হ্ মু/জা.হি/দ আ^ফ\গা;নিস্তা/নে,র বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা করেন। তিনি আ,ফ/গা'নি@স্তা'নের শিক্ষা কার্যক্রম সম্পর্কে বলেন, ৬ষ্ঠ শ্রেণীর উপরে মেয়েদের জন্য স্কুল অবশ্যই খোলা হবে। আমরা মেয়েদের জন্য পাঠ্যক্রম সংশোধন, তাদের পরিবহন, সরঞ্জাম সরবরাহ এবং তাদের জন্য একটি পৃথক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য কাজ করছি। যাতে করে আমরা মানসিকভাবে মানুষকে মেয়েদের শিক্ষার প্রতি উৎসাহিত করতে পারি। আর এটি কয়েক মাসে যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশের জন্য সম্ভব ছিলো না।


যেখানে আগের পশ্চিমা সমর্থিত প্রশাসনের অধীনে আ,ফ'গা'নি@স্তা@নে'র ৭০ শতাংশ মানুষ শিক্ষা থেকে বঞ্চিত ছিলো, সেখানে এখন শিক্ষার মাত্রা সারা দেশে পৌঁছে গেছে। ছেলেদের পাশাপাশি বর্তমানে দেশের ১৪০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়েক লাখ মেয়ে পড়াশুনা করছে। আলহামদুলিল্লাহ।


মেয়েদের জন্য ৬ষ্ঠ শ্রেণীর উপরে আলাদা স্কুল খোলার বিষয়টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি, জা'বি@হু'/ল্লা,হ্ মুজাহিদ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আ,ফ'/গা@নি@স্তা@নের বর্তমান সরকারকে স্বীকৃতি দিতে, জব্দ করা সম্পদ ফেরত দিতে এবং নিষেধাজ্ঞার অবসান করতে বলেছেন। এসময় তিনি স্বীকৃতি বিষয়ে বলেন, আzমে,রিকার মূল সমস্যাটা আমাদের সাথে না বরং ইসলামের সাথে। আমেরিকা আমাদের সরকারকে স্বীকৃতি দেয় না একারণে যে, আমাদের সরকার সম্পূর্ণ ইসলামিক সরকার। আর একটি সম্পূর্ণ ইসলামী সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়ার অর্থ হল ইসলামকে স্বীকৃতি দেওয়া। আর আমেরিকা তা কখনোই চায় না।


আশা করা যায়, জা,বি'হু/ল্লা@হ মু^জা/হি/দ (হাফি.)-এর এই ঈমানদীপ্ত বক্তব্য উম্মাহর মাঝে, বিশেষ করে সম্মানিত আলেমগণের মাঝে দায়িত্ববোধ এবং ঐক্যের সুবাতাস ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হবে ইনশাআল্লাহ্‌।


আল ফিরদাউস নিউজ |  আলী হাসনাত | অক্টোবর ১৬, ২০২২


©

কপি
পোস্ট 

জাল হাদিস বিষয়ের চলমান বিতর্কের শেষ ফলাফল,,,,,, মেসবাহ উদ্দিন ফেইসবুকে থেকে কপি করা

 জাল হাদীস বিষয়ক চলমান বিত‌র্কে অধ‌মের শেষ কৈ‌ফিয়ত!


যুগে যুগে আল্লাহর অনেক ওলীদের মাধ্যমে জাল হাদীস সমাজে ছড়িয়েছে। মানুষকে হেদায়াতের পথে আনার মানসেও অনেক আল্লাহর ওলীরা জাল হাদীস বানাতেন। নিজের হেকমতের কথাকে হাদীস নামে চালিয়ে দিতেন। 

উদ্দেশ্য তাদের খারাপ ছিল না। কিন্তু পদ্ধতি গলদ ছিল। 

যুগের উলামাগণ সেসব হাদীস নামে বানোয়াট কথাকে চিহ্নিত করে নবীজীর পবিত্র কথাকে ব্যক্তির বানোয়াট কথার আবর্জনা থেকে হেফাজত করেছেন। 


সন্দেহ নেই। আমি একজন কম ইলমওয়ালা মানুষ। ভালো যোগ্যতাও নেই। কিন্তু ফারেগ হবার পর থেকে নিজের জাহালাত দূরিকরণে মেহনতের চেষ্টা করেছি। এখনো চেষ্টা করছি। আমি পেরেছি কিংবা পারছি এটা বলার মতো ক্ষমতা আমার নেই। আমি আসলে এখনো পর্যন্ত মৌলিক কোন কাজ করতে পারিনি। সেই যোগ্যতাই আমার নেই। আমি কেবল বড়দের কথাগুলো নকল করি। এতোটুকুই আমার কাজ। 


মাওলানা নজরুল ইসলাম কাসেমী সাহেবকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি না। কয়েক বছর ধরে তিনি অনলাইনে অনেক পপুলার মানুষ। বেশ কিছু মাহফিলে হযরতের সাথে দেখাও হয়েছে। সামান্য কথাও হয়েছে। 

হযরতের বয়ানের বিষয়ে সন্দেহ আমার প্রথম থেকেই। এমন আজগুবী সব কথা বলেন। যা শুনতে যে কোন আহলে ইলমের সন্দেহ হবেই। 


আমিতো আর আহলে ইলম নই। ছাত্র মানুষ। কিন্তু আমার তালেবানা জেহেনেও হযরতের কথাগুলো আটকে যেতো। এসব কী বলেন? এমন কথাতো জীবনেও শুনিনি। 


হযরতের বয়ান হঠাৎ করেই সেদিন আমাকে একজন পাঠায়। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মবৃত্তান্ত সম্পর্কে। শুনতে বসলাম। ইন্নালিল্লাহ। আমার মতো অজ্ঞ মানুষটাও স্তব্ধ হয়ে গেলাম হযরতের জাল হাদীসের ফিরিস্তি দেখে। 


আমি জানি তিনি দাওয়াতও তাবলীগে সময় লাগান। আমি নালায়েকও মাঝে মাঝে সময় দেবার চেষ্টা করি। এ কারণে আমি ভালো করেই জানি যে, দাওয়াত ও তাবলীগের ভাইরা উলামায়ে কেরামের বয়ান কী পরিমাণ মনোযোগ সহকারে শুনেন। এবং কিভাবে হরফ ব হরফ মুখস্ত করেন। 


আমি ব্যক্তিগতভাবে বেশ কয়েকজন তাবলীগের সাথীকে জানি, যারা হযরতের কথাকে চাতকের মতো গ্রহণ করেন। গোগ্রাসে গিলেন। নিজের বয়ানে গর্বের সাথে ‘মাওলানা নজরুল ইসলাম কাসেমী সাহেব বলেছেন’ বলে রেফারেন্স দিয়ে থাকেন। 


কাসেমী সাহেবের বয়ান দেখে আমি আঁতকে উঠলাম। এই যে বছরের পর বছর ধরে তিনি এভাবে নবীর নামে জাল কথা বলে আসছেন। ইউটিউবে শত শত ভিডিও আপলোড হচ্ছে। লাখ লাখ ভিউ হচ্ছে। কত শত হাজারো মানুষ এভাবে বানোয়াট কথাগুলোকে নবীর কথা বলে বিশ্বাস করছে। কী হবে এদের? এতো নতুন এক সাদপন্থী ফেতনা জন্ম লাভ করছে!


একটু খবর নিতে শুরু করলাম। এমন  ভয়াবহ জাল বর্ণনা বলার পরও কিভাবে তিনি বছরের পর বছর বয়ান করে যাচ্ছেন। আমাদের দেশে কি উলামাগণ নেই, যারা হযরতকে দরদের সাথে এ বিষয়ে সতর্ক করবেন?


খোঁজ নিয়ে জানলাম। আরো ভয়ানক তথ্য। হযরতকে কয়েক বছর ধরেই একাধিক বিজ্ঞ উলামাগণ এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন। সরাসরি করেছেন। কিন্তু তিনি কাউকে পাত্তা দেননি। কিতাবে আছে বলে এড়িয়ে গেছেন। 


তারপরও আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে কয়েকবার ফোন দেই। আমিতো এক নাখান্দা মানুষ।

 কিন্তু আল্লাহর রহমাতে দেশের যোগ্য উলামাগণও অধমকে স্নেহ করেন। ফোন দিলে ধরতে না পারলে ব্যাক করেন। মুফতী মুস্তাকুন্নবী কাসেমী ও মুফতী হাবীবুল্লাহ মাহমূদ কাসেমীদের মতো ইলমী ও আমলী মানুষগুলো, যাদের সময়ের অনেক দাম। বলতে গেলে আমার মতো অথর্বকে সময় দেবার মতো সময়ই তাদের নেই। কিন্তু তারাও ফোন দিলে ধরেন। ধরতে না পারলে ব্যাক করেন। এটা আমার যোগ্যতার কারণে নয়। তারা বড় হবার সাথে সাথে বড় দিলের মানুষ হবার কারণেই এমন করে থাকেন। 


কিন্তু মাওলানা নজরুল ইসলাম কাসেমী সাহেবকে ফোন এবং মেসেজ দেবার পরও তিনি কোন সাড়া দেননি। তখন আমি বুঝে গেলাম যে, এত বছর ধরে যেহেতু তিনি বড়দের কথাই শুনেননি। আমার মতো অনুল্লেখযোগ্য ব্যক্তিরতো কোন বেইল থাকারই কথা নয়। ‌তি‌নি যে, কা‌রো কথার পাত্তা দেন না এবং ইচ্ছেকৃত এসব জাল ও বা‌নোয়াট বর্ণনা ক‌রেন, তা আমা‌দের লেখা প্রকা‌শের পর তার প্রতি‌ক্রিয়ায় "‌তি‌নি এসব ব‌লেই যা‌বেন" ম‌র্মের উদ্ধত বক্ত‌ব্যে প‌রিস্কার হ‌য়ে গে‌ছে।


এ কারণেই মূলত আল্লাহর উপর ভরসা করে, নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীসকে মানুষের কথার নোংরামী থেকে রক্ষা করতে লিখতে শুরু করেছি। 


মাকসাদ মালিকের সন্তুষ্টি। প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাই‌হি ওয়াসাল্লা‌মের উপর মিথ‌্যা অপবাদ দেয়া থে‌কে জা‌তি‌কে সতর্ক করা। উদ্দেশ্য উম্মত যেন জাল হাদীসের আবর্জনা থেকে রক্ষা পায়।

 জানি সমালোচনা হবে। শত্রু বাড়বে। কিন্তু আমরাতো মুসলিম হিসেবে জন্ম নেবার পর থেকে নিজের জানমাল মালিকের কাছে বিক্রি করে দিয়েছি। তাই মা‌লিক‌কে ছাড়া ভয় কি‌সের?


কয়েকটি বিষয় বুঝে নিন।


১ 

জঈফ তথা দুর্বল বর্ণনা ফযীলতের ক্ষেত্রে বলা যায়। এ কারণে মাওলানার বলা দুর্বল বর্ণনা বিষয়ে আমার কোন কালাম নেই। কিন্তু জাল তথা বানোয়াট বর্ণনার ক্ষেত্রে কোন ছাড় দেয়া জায়েজ নেই। তাই এ বিষয়ে কোন প্রকার দুর্বলতা প্রকাশ মানে হলো, নবীর কথার ইজ্জত রক্ষার উপর কোন ব্যক্তির ইজ্জতকে প্রধান্য দেয়া। 


 এটা শুধু মাওলানা নজরুল সাহেব নয়, আমার বাবাও যদি জাল হাদীস বলেন, আমি এমনি নির্দ্বিধায় বলবো "এটা জাল এটা বলা জায়েজ নয়। হারাম"। 


 দুঃখ পেয়েছি হযরত আমাদের জবাব দিয়েছেন। কিন্তু তি‌নি "এসব ব‌লেই যা‌বেন" ঘোষণার সা‌থে সা‌থে জাল হাদীস নির্ণয়ের এক উদ্ভট দলীল তিনি আবিস্কার করেছেন। সেটা হলো:


ক) দলীল ওনার কাছ থেকে নিয়ে যেতে। 


জাল হাদীসের দলীল ওনার কাছ থেকে কী নেবো? জালতো জালই। এটার অস্তিত্বের আবার দলীল কী? হাদীস দুর্বল বললে, সেটার দলীল জানা দরকার। কিন্তু যেসব জাল এসবের আবার দলীল দিয়ে বিশুদ্ধ প্রমাণের সুযোগ কোথায়?


খ) ওনি হাদীস বলবেন। আর শ্রোতাদের দায়িত্ব দিয়েছেন এটা খুঁজে দেখতে। এটা সহীহ না জাল।


ইন্নালিল্লাহ। যদি শ্রোতারা নির্ধারণ করতে পারে সহীহ কোনটা আর জাল কোনটা? তাহলেতো আর তারা শ্রোতা থাকতো না, তারা হযরতের মতো বক্তাই হয়ে যেতো। 


গ) যারা হযরতের কথাগুলোকে জাল বলছেন। এরা কেউ কিতাব পড়ে না। সারাদিন ফেইসবুক চালায়। হোয়াটসআ্যাপে চ্যাটিং করে। কিতাব পড়ে না। 


আমি আমার ক্ষেত্রে মানি। আমি আমলহীন মানুষ। ইলম ও নেই। ফালতু সময় নষ্ট ক‌রি তাই অ‌নেক ইলম থে‌কে ব‌ঞ্চিত। কিন্তু আ‌মি নালা‌য়েক, কা‌সেমী সা‌হে‌বের যে বিষয়গু‌লো‌কে জাল ও বা‌নোয়াট ব‌লে চি‌হ্নিত ক‌রে‌ছি, তি‌নি কি আমাদের দে‌শের বা ব‌র্হিবি‌শ্বের কোন ইফতা বা উলুমুল হাদীস বিভাগ থে‌কে এসব জাল নয় বা বয়ান করা জা‌য়েজ ম‌র্মের ফাতওয়া দেখা‌তে পার‌বেন?


ঘ) হযরতের দাবী তিনি যা বলেছেন সবই কিতাবে আছে। সুতরাং সমালোচনা করা অহেতুক। 


আস্তাগফিরুল্লাহ। আমরা কখন বললাম কিতাবে নেই। কিতাবে থাকলেই কি সেটা গ্রহণযোগ্য হয়ে যায়? প্রায় সকল জাল হাদীসইতো কোন না কোন কিতাবে আছে। এখন কিতাবে থাকলেই যদি হাদীস ঠিক হয়ে যায়, তাহলেতো দুনিয়াতে জাল হাদীসের কোন অস্তিত্বই থাকবে না। 

তাহলে জারাহ তা’দীলের এ বিশাল ভান্ডার কেন অহেতুক উলামাগণ কষ্ট করে একত্র করলেন?


হযরতের জাল বয়ানের সংক্ষেপ তালিকা!


 উম্মতে মুহাম্মদী জাহান্নামে যাবে। কিন্তু জাহান্নামের আগুনে পুড়বে না। চেহারা কালো হবে না। 

চূড়ান্ত জাল বক্তব্য। এর কোন ভিত্তি নেই। 


 নাফরমান বান্দার কাছে আল্লাহ তাআলা এসে ব্যক্তির জন্ম ও জন্মের বৃত্তান্ত নির্ভর বিশাল বর্ণনা কোন হাদীস নয়। হাদীসে কুদসী হবার প্রশ্নই উঠে না। 


 আগের সমস্ত নবীরা আমাদের নবীর উম্মত হতে চেয়েছেন বলা নবীদের নামে চরম মিথ্যাচার। 


 হযরত দানিয়াল আলাইহিস সালাম উম্মতে মুহাম্মদীকে ছুঁয়ে দেখতে চেয়েছেন বলা ডাহা মিথ্যা। 


 হযরত মুসা আলাইহিস সালাম উম্মতে মুহাম্মদীর আল্লাহর ডাকে সাড়া দেয়া দেখে হতভম্ব হয়ে গেছেন বলা বানোয়াট। 


 নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মের দিন ফেরেশতাদের দুইদিন ছুটি ছিল বানোয়াট কথা। 


 নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মের পর ছাদ ফেটে নবীকে পুরো পৃথিবী দুই মিনিটের মাঝে ঘুরিয়ে আনার কথা হাদীসে আছে বলা হাদীসের নামে জালিয়াতি। 


 নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মের পর নবীজীর খেলনা নেই বলে হযরত আমিনার মন খারাপ দেখে আল্লাহর সান্ত্বনা দিয়ে আকাশের চাঁদকে খেলনা বানানোর কথা "তাখাইয়ুল" হি‌সে‌বে বলা যে‌তেও হয়‌তো পা‌রে, কিন্তু স্পষ্টভা‌বে "আল্লাহ ব‌লেছেন" বলা আল্লাহর উপর মিথ্যা অপবাদ। 


 জিবরাইল আলাইহিস সালাম নবীর কাছে এসে হাটু লাগিয়ে বসা দেখে আল্লাহ তাআলা ঈর্ষান্বিত হয়ে আল্লাহ তাআলা নবীকে মেরাজে নিয়ে নিজের পাশে বসিয়েছেন বলা আল্লাহর উপর মিথ্যা অপবাদ।


১০

 সমস্ত সৃষ্টির এক হাজার বছর আগে আল্লাহ তাআলা সূরা ইয়াসিন তেলাওয়াত করেছেন। ইমাম যাহাবী রহঃ বলেন, এটা মুনকার। ইমাম ইবনে হিব্বান রহঃ বলেন এটা বানোয়াট কথা।


تلك عشرة كاملة 

মাত্র দশটা বললাম। আপনি শায়েখের যে কোন বয়ান ইউটিউব থেকে নামিয়ে বিজ্ঞ কোন আলেমকে শুনান। দেখবেন আরো কত জাল ও বানোয়াট কথা বিজ্ঞ উলমাগণ বের করে দিবেন। 


শেষ কথা


উম্মাহ দরদী মাওলানা নজরুল কাসেমীর আমরা বিরোধী নই। তিনি উম্মতের দরদেই কথা বলেন আমরা মানি। নবীকে মোহাব্বত করেই কথা বলেন তাও মানি। 

কিন্তু এ যুক্তিতে নবীর নামে মিথ্যা বলা বৈধতা পেয়ে যাবে না। উম্মতের দরদে নবীর উপর অপবাদ আরোপ জায়েজ হয়ে যাবে না। নবীকে মোহাব্বতের নামে মানুষের বানোয়াট কথাকে নবীর নামে চালানো গুস্তাখী ছাড়া কিছু নয়। 


তাই আমাদের এ অনলাইন প্রচারের মাকসাদ মূলত মাওলানাকে ছোট করা নয়। উম্মতকে জাল হাদীসের প্রচারক হওয়া থেকে বাঁচানো। যেন তারা সতর্ক হোন। লাখ লাখ মানুষ যেন জাল হাদীস ছড়িয়ে দিয়ে নবীর হাদীসের নামে মিথ্যাচারে মগ্ন না হয়। 


সাধারণ ভাইদের প্রতি আমাদের আহবান। মাওলানা নজরুল ইসলাম কাসেমী সাহেবের প্রতি কোন প্রকার বিদ্বেষ রাখবেন না। তার ব্যাপারে কোন কটূবাক্য উচ্চারণ করবেন না। 

বাকি এতটুকু সতর্ক করবো যে, হযরতের বয়ানকৃত হাদীস শুনেই বর্ণনা করতে থাকবেন না। বরং বিজ্ঞ কোন আলেমের মাধ্যমে তাহকীক করিয়ে তারপর তা বর্ণনা করবেন।

আল্লাহ তাআলা আমাদের দ্বীনের জন্য কবুল করুন। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রকৃত উম্মত হয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করে কবরে যাবার তৌফিক দান করুন। 

আমীন।

কপি
পেস্ট

সকাল সাতটার সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২২/১০/২০২২ শমিনার

 বাংলাদেশ বেতারের সকাল ৭টার সংবাদ

(২২-১০-২০২২)

আজকের শিরোনাম -


* দেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষ্যে অর্থনৈতিক জোনগুলোতে আগামী সপ্তাহে পঞ্চাশটি শিল্প ইউনিট, প্রকল্প ও স্থাপনা উদ্বোধন করা হবে। 


* নির্বাচন ছাড়া অন্য কোনো চোরাগলি দিয়ে সরকার পরিবর্তন করার সুযোগ নেই - বললেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। 


* বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সঙ্কট মোকাবেলায় সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার - বলেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী। 


* সেপ্টেম্বরে দেশে রেকর্ড পরিমাণ এক কোটি ৪৭ লাখ ৪০ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে। 


* বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ দেশে পালিত হচ্ছে ‘জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস’। 


* পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করেছে দেশটির নির্বাচন কমিশন। 


* এবং সিডনিতে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের মূল পর্বের খেলা শুরু হচ্ছে আজ - উদ্বোধনী খেলায় নিউজিল্যান্ডের মোকাবেলা করবে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া।

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...