এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
সোমবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২২
রবিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২২
সাহিত্যের ছোয়া ফেইসবুক থেকে নেওয়া
হাসপাতালের রুমে ঢুকেই মা বাবার গালে ঠাস করে একটা চড় বসিয়ে দিলো।ডাক্তার-নার্স এমনকি আমিও চমকে গেলাম।
-তুমি থাকতে চারু'র এ্যাকসিডেন্ট হলো কীভাবে?
-আসলে টার্ন নিতে গিয়ে বাইক থেকে পরে গেছে আর আমিও বুঝতে পারিনি।
-তোমার মতো দায়িত্বহীন মানুষের কাছে চারুর দায়িত্ব দেওয়াটাই আমার ভুল হয়ে গেছে।
-মিতু,তুমি নিজে ওকে আমার কাছে ফেলে রেখে চলে গেছ তোমার ক্যারিয়ার গড়তে।
-শোন, আমার জন্যই সে আজ এত বড় স্কুলে পড়তে পারছে।তুমি পারতে ওত দামি স্কুল অ্যাফোর্ড করতে?
-এটা তোমার ধারনা। শিক্ষা দামি-কমদামি হয় না।সে একই জিনিস শিখত কিন্তু বাংলায়।তুমি তার পড়াশোনার দায়িত্ব নিতে চেয়েছো আমি না করিনি কারণ তুমি তার মা। কিন্তু আমাকে সবার সামনে কোন অধিকারে থাপ্পর মারলে ?
-কারণ আমি এখনো তোমার স্ত্রী, আমাদের এখনো ডিভোর্স হয়নি।
-ওহ, ধন্যবাদ।ভুলে গিয়েছিলাম।এই নাও আরো মারো।
বাবার এই কথা শুনে আমি হেসে ফেললাম।বাবাও আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে। কিন্তু মা রাগে গজগজ করছে।মা বলল,
-চারু,এখন থেকে তুই আমার সাথে থাকবি।এখনি আমার গাড়িতে করে তোর বাবার বাসায় গিয়ে তোর সব জিনিস নিয়ে আসবি।চল আমার সাথে।
আমি বাবার দিকে তাকালাম।বাবা হ্যাঁসূচক ঘাড় নাড়লেন।আমিও খুশি হয়ে গেলাম খুব।মা বিশাল বড় একটা অ্যাপার্টমেন্টে থাকেন। সম্পূর্ণ তার নিজের।আর খাবার তো চাইনিজ-ইতালিয়ান ছাড়া কথাই নেই। খুব মজা হবে সেখানে। কিন্তু বাবার জন্যও খারাপ লাগছে, বাসায় একা কী করে থাকবে।সে যাই হোক।আমি আমার সব জিনিস নিয়ে মায়ের সেই বিশাল বড় বাড়িতে চলে আসলাম।আমাকে একটা বিশাল বড় রুম দিল।আমার খুব ভালো লাগছে।পরের দিন সকালে দেখি মা অফিসের জন্য বের হয়ে যাচ্ছে,আমাকে বলল,
-চারু,ফ্রিজে ব্রেড আর জ্যাম আছে খেয়ে নিস।আর এই নে,এই টাকা দিয়ে দুপুরে তোর যা ভালো লাগে খেয়ে নিস।আমি গেলাম।
ব্রেড আর জ্যাম!এর থেকে তো বাবার হাতের লুচি অনেক ভালো আছে। কিন্তু মা আমাকে একবেলা খাওয়ার জন্য পাঁচশ টাকা দিয়ে গেল ভাবতেই কেমন মজা লাগছে।অনেক রাতে মা বাসায় ফিরলো।মাকে বললাম ক্ষুধা পেয়েছে।মা বলল,
- তোর যা মন চায় অর্ডার কর।
-কিন্তু আবার সেই বাইরের খাবার?
-তো?আমি এখন রান্না করব নাকি!দেখ এমনিতেই অনেক ক্লান্ত আর বেশি বকিস না।
আমি না খেয়েই ঘুমিয়ে পড়লাম।মা কিছু বললও না।অথচ বাবা কখনো আমাকে না খেয়ে ঘুমোতে দেয়না।
সকালে আবার সেই জ্যাম-পাউরুটি।মা আমার হাতে টাকা দিয়ে চলে গেলেন।আমি স্কুলের টিফিন টাইমে চলে গেলাম বাবার অফিসে। কিছু কথাবার্তা বললাম,কেমন আছি না আছি।এরপর বললাম,
-বাবা টিফিনে কী এনেছো?
-খিচুড়ি আর মুরগি।খাবি?আয় খাইয়ে দিই।
সেখানে বাবার সাথে খাওয়া করে আমি আবার স্কুলে ফিরে গেলাম। বিকালে বাসায় ফিরতেই দেখি মা আমার উপর খুব রেগে আছে।
-চারু,তুই আমাকে না বলে তোর বাবার অফিসে গিয়েছিলি?
-হ্যাঁ, কিন্তু এতে রাগার কী আছে?বাবা তো কখনো আমাকে তোমার সাথে দেখা করতে বাধা দেয় নি।
-এরপর থেকে গেলে আমার অনুমতি নিয়ে মেতে হবে।
-আচ্ছা।
পরেরদিন আমি আবার গেলাম বাবার অফিসে।চলে আসার সময় বাবা মায়ের জন্য একটা টিফিন বক্স দিয়ে বললো,
-এটা তোর মায়ের জন্য।
-বকা দেয় যদি?
-আরেহ দিবেনা।তুই শুধু বলবি বাবা দিয়েছে।
-আচ্ছা।
বিকেলে মা আসলে মাকে বললাম,
-তোমার জন্য বাবা কিছু দিয়ে পাঠিয়েছে।
-কোথায়? দেখি।
আমি টিফিন বক্সটি নিয়ে আসলাম।মা খুলে দেখে মায়ের সব প্রিয় খাবার।মা কিছু না বলে একটি প্লেট নিয়ে চুপচাপ খাওয়া শুরু করলো।খেতে খেতে মা যেন কোথায় হারিয়ে গেল,মনে মনে হাসতে লাগলো।আমি জিজ্ঞেস করলাম কেন হাসছে।বলল,
-তোর বাবার কিছু মজার ঘটনা মনে পড়ল।
-মিস করো বাবাকে?
-হূম,করি তো।
-তাহলে আলাদা থাকো কেন?
-শোন, কোন সম্পর্কে তিক্ততা আসার আগেই ভালো ভাবে সড়ে আসা ভালো।তার স্বপ্ন আর আমার স্বপ্ন অনেক আলাদা,মতের অনেক অমিল। দুজনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিয়েই আমরা আলাদা থাকছি।
-কখনো ইচ্ছা করে না সবাই একসাথে থাকার?
-হয়তো করে!
পরেরদিন বিকেলে আমি গিটার নিয়ে প্র্যাকটিস করছি,মা এসে বলল,
-চারু,তুই এভাবে এখানে গান বাজাতে পারিস না।এই সোসাইটি তে আমার একটা ইমেজ আছে।আর এসব বাদ দিয়ে পড়াশোনা কর তাহলে আমার মত কিছু হতে পারবি।এসব আমার বাসায় চলবে না।
-কই বাবা তো কখনো আমাকে গান গাওয়া থেকে আটকায়নি।আর তোমার সোসাইটি?যেখানে কোনো স্বাধীনতা নেই।আর যাই হোক মা,বড় হয়ে আমি তোমার মতো হতে চাই না। একটি বাড়ি,গাড়ি আর ব্যাংকে কিছু টাকা ছাড়া কী আছে তোমার কাছে? থাকতে চাই না তোমার সাথে। আমার সাদামাটা বাবার সেই ছোট্ট বাড়িই আমার জন্যে ঠিক আছে।আমি যাচ্ছি মা।যদি কখনো ইচ্ছে হয় একসাথে থাকার চলে এসো।
-চারু!
-থাকো, আল্লাহ হাফেজ।
আমি বাসায় চলে আসলাম।দেখি বাবা আমায় দেখে হাসছে।
-কীরে থাকতে পারলি না তো ওর সাথে।এত তাড়াতাড়ি চলে এলি।
আমার চোখ দিয়ে পানি পড়ছে। বাবাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে লাগলাম। বাবা বলল,
-আরে আমার চারু!কাঁদছিস কেন? মায়ের কথা মনে পড়লে চলে যাবি দেখা করতে।আমি তো আর আটকাই না,তাই না?
আমি কাঁদতেই আছি।এমন সময় দরজায় কড়া নাড়ছে কে যেন।বাবা দরজা খুলে থ হয়ে দাঁড়িয়ে রইলো।মা এসেছে।কোনো কথা না বলেই ভিতরে ঢুকে পড়লো।বলল,
-রাতে কী রান্না করেছো?খেতে দাও।
বাবা মায়ের জন্য খাবার নিয়ে আসতে ব্যস্ত হয়ে পড়লো।আমি অবাক হয়ে তাদেরকে দেখছি।মা নিজ হাতে আমাকে খাইয়ে দিলো।মা সেদিন যে এলো আর যায়নি।থেকেই গেলো আমাদের সাথে,তার নিজের সেই
আমিত্বের জগৎ ছেড়ে, আজীবনের জন্য।
ছোটগল্প।
অভাব কাকে বলে,,,, সাদ্দাম হোসেন ফেইসবুক থেকে নেওয়া,,,,
" অভাব কাকে বলে???
অর্থনীতি ক্লাসে বয়স্ক একজন স্যার রুমে ঢুকেই সামনে বসা ছেলেটিকে প্রশ্ন করলেন,,,,
বলো তো অভাব কাকে বলে ?
"অর্থনীতিতে বস্তুগত বা অবস্তুগত কোনো দ্রব্য পাওয়ার আকাঙ্খাকে অভাব বলে।"
ছেলেটি উত্তর দিল।
এটা তো অর্থনীতির ভাষা,,,
সাধারণত অভাব কাকে বলে?
ছেলেটি মাথা নিচু করে বেঞ্চের
দিকে তাকিয়ে আছে।
কি বলবে ভাবছে সে।
স্যার আবার তাড়া দিলেন
"বলো অভাব কাকে বলে ?"
ছেলেটি এবার বলতে শুরু করল!!
💔 ১। আমি কলেজে আসার সময় মা আমাকে ভাড়া দিতে গিয়ে তার ব্যাগ তন্ন তন্ন করে খুঁজে অনেক কষ্টে ২০/৩০ টাকা বের করে দেন,
আর আমি বাড়ি থেকে বের হয়ে ৫/৭ মিনিট পর বাড়িতে ফিরে ভাড়ার টাকাটা মাকে দিয়ে বলি, মা! আজ কলেজে ক্লাস হবে না।
মা তখন বলেন আগে খবর নিবি না
কলেজ হবে কিনা?
মায়ের সাথে এই লুকোচুরি হচ্ছে অভাব !!
💔 ২। বাবা যখন রাত করে বাড়ি আসেন মা
তখন বাবাকে জিজ্ঞেস করেন এত রাত হলো
কেন ফিরতে ?
বাবা বলেন ওভারটাইম ছিল।
ওভারটাইম না করলে সংসার কিভাবে চলবে ?বাবার এই অতিরিক্ত পরিশ্রম হচ্ছে
আমার কাছে অভাব !!
💔 ৩। ছোট বোন মাস শেষে প্রাইভেট টিচারের টাকা বাবার কাছে চাইতে যখন সংকোচবোধ করে সেটাই হলো আমার কাছে অভাব !!
💔 ৪। মাকে যখন দেখি ছেঁড়া কাপড়ে সেলাই দিতে দিতে বলে কাপড়টা অনেক ভাল আরো কিছুদিন পরা যাবে এটাই অভাব !!
৫। মাস শেষে টিউশনির পুরো টাকাটা
মায়ের হাতে দিয়ে বলি,,
মা এটা তুমি সংসারে খরচ করো,
মা তখন একটা স্বস্তির হাসি হাসেন।
এই স্বস্তির হাসি হচ্ছে অভাব !!
৬। বন্ধুদের দামী স্মার্টফোনের ভিড়ে নিজের নর্মাল ফোন লজ্জায় যখন লুকিয়ে রাখি এই লজ্জাই আমার কাছে অভাব !!
৭। অভাবী হওয়ায় কাছের মানুষগুলো যখন আস্তে আস্তে দূরে সরে যায়,,
এই দূরে সরে পড়াটাই আমার কাছে অভাব !!
পুরো ক্লাসের সবাই দাঁড়িয়ে গেল !!
অনেকের চোখে জল !!
স্যার চোখের জল মুছতে মুছতে ছেলেটিকে
কাছে টেনে নিলেন !! 💝
বস্তুতঃ আমাদের সহপাঠীদের মধ্যে এমন অনেকেই আছে,,,,
যারা কয়েক মাস অপেক্ষা করেও বাড়ি থেকে সামান্য টাকা পায় না !!
সব দুঃখ-কষ্টকে আড়াল করে হাসিমুখে দিনের পর দিন পার করে দেয় খেয়ে না খেয়ে !!
তাদের হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকা কষ্ট টুকু বোঝার সুযোগ হয়তো আমাদের হয়ে ওঠে না !
রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১০/৩০ রবিবার
রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।
(৩০-১০-২০২২)
আজকের শিরোনাম-
রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।
(৩০-১০-২০২২)
আজকের শিরোনাম-
* জাতীয় সংসদের ২০-তম অধিবেশন শুরু - সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব গ্রহণ।
* সরকার দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিটি বাহিনীকে যোগ্য করে তুলছে - বললেন প্রধানমন্ত্রী।
* বিএনপি আবারও সহিংসতা সৃষ্টি করতে চাইলে দেশের জনগণ যথাযথভাবে কঠোর জবাব দেবে - আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের হুঁশিয়ারি।
* হাইকোর্টে আগামীকাল শুরু হচ্ছে ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার ডেথ রেফারেন্স শুনানি।
* আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে চারজনের মৃত্যু।
* সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিসুতে দুটি গাড়ি বোমা বিস্ফোরণে অন্তত একশো’ জন নিহত।
* এবং ব্রিসবেনে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটে জিম্বাবুয়েকে ৩ রানে পরাজিত করেছে বাংলাদেশ।
একটি বাস্তব অভিজ্ঞতা,,,, বাংলাদেশ রেলওয়ে ফেইসবুক থেকে নেওয়া
একটি বাস্তব অভিজ্ঞতা শেয়ার করি
কি করে শুরু করবো জানি না, তবে যা সত্য তাই প্রকাশ করলাম।
গতকাল(২৩/১০/২২) আমি ঢাকা থেকে পঞ্চগড়গামী একটি ট্রেনের প্রথম শ্রেণীর একজন যাত্রী ছিলাম। আমার পাশে একজন ভদ্র মহিলা যাত্রী ছিলেন। জয়দেবপুর স্টেশন পার হওয়ার পর থেকে লক্ষ্য করছিলাম উনি কেমন জানি আন ইজি ফিল করছিলেন, খুব নড়া চড়া করছিলেন এবং খুব গম্ভীর হয়ে বসেছিলেন। আমি ভাবলাম আমার কোন আচরনে উনি বিরক্ত কিনা!
উনার পাশ থেকে সরে গিয়ে বগি থেকে বের হয়ে দরজার কাছে গিয়ে একটু সময় কাটালাম। কিছুক্ষন পর এসে দেখি উনি ফোনে কার সাথে জানি কথা বলছেন আর কাঁদছেন, বলছেন আমি এখন কি করবো?
উনার কথা বলা শেষ হলে উনার অনুমতি নিয়ে উনাকে প্রশ্ন করলাম কি হয়েছে ? উনি কিছুক্ষণ চুপ থাকার পর বললেন তেমন কিছু না। আবার উনার কাছে একটা ফোন আসে সম্ভবত উনার মা, আবার কথা বলার মাঝখানে উনি কাঁদছিলেন আর ফিস ফিস করে কথা বলছিলেন।
আমার পাশের দুই সিট পরে এক আপা ও ভাই সম্ভবত স্বামী স্ত্রী, তখন ওই আপাকে কাছে গিয়ে বিস্তারিত খুলে বললাম, আর উনাকে অনুরোধ করলাম সমস্যাটা সম্পর্কে জানতে। বিষয়টি পজেটিভ ভাবে নিয়ে উনার কাছে গিয়ে বসে বিস্তারিত শুনে, আমাকে জানালেন।
যেটা আইডিয়া করেছিলাম সেটাই ঠিক।
চলন্ত ট্রেনে দ্বায়িত্বরত টিটিই ও আরো দুই একজনের সাথে কথা বলে জানলাম ট্রেনে স্যানিটারি ন্যাপকিনের কোনো ব্যবস্থা নেই। এসব খোজ খবর নিতে নিতে সেতু পুর্বে পাশে এসে ট্রেন দাঁড়ালো। ট্রেন থামার সাথে সাথে দৌড়ে গিয়ে ট্রেন পরিচালকের কাছে গিয়ে খোঁজ নিলাম ট্রেন এখানে কতক্ষন দাঁড়াবে, ২০ মিনিট দাঁড়াবে।
পরিচালক সাহেবের সাথে বিস্তারিত শেয়ার করলাম,
ভদ্রলোক অভয় দিলেন এবং বললেন যতোক্ষন আপনার কাজ হবে না ততক্ষণ ট্রেন ছাড়বো না।
স্টেশনের অদূরে গিয়ে প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে এসে ওই আপাকে সহ ট্রেন থেকে নামিয়ে স্টেশনের ভিতরে টয়লেট পাঠিয়ে দিলাম।
গার্ড রুমে সংরক্ষিত বইয়ে আমার অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ করতে চাইছিলাম এবং সুপারিশ লিখতে চাইছিলাম, প্রতিটি আন্তনগর দুরপাল্লার ট্রেনে যেন মেয়েদের জন্য এই ব্যবস্থাটা থাকে (ন্যাপকিন সুবিধা)
কিন্তু গার্ড মহোদয় একটু গড়িমসি শুরু করলেন ও শেষমেশ আমার ও জার্নি শেষ হলো ,অভিযোগটা লেখা হলো না।
জানি না আমার এই লেখাটি কর্তৃপক্ষের নজরে আসবে কি না তবুও লিখলাম ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করলাম।
যদি কখনো এমন কিছু ব্যবস্থা করা যায় তাহলে হয়তো ভবিষ্যতে মা বোনদের এমন বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হবে না।
লেখা-
M
d
M
o
r
s
h
e
d
u
l
H
a
q
u
e
(সংশোধিত ও পরিমার্জিত)
টাকা তে কি আসলেই সব শান্তি,,,,, মোঃ অলিউডর রহমান অ্যাডভোকে টফেইসবুক থেকে নেওয়া
টাকা'তে কি আসলেই সব শান্তি?
A
d
v
M
d O
l
i
o
u
r
Rahman
Croydon, UK
আমাদের সমাজে প্রচলিত একটা কথা আছে, "টাকায় বাঘের চোখও মিলে"! আসলেই কি টাকা'তে সব শান্তি?
কথা হচ্ছিলো এক ভদ্র মহিলার সাথে।ছোট একটা বাচ্চা আছে ওনার। বসবাস করেন লন্ডনে। ছোট বাচ্চা, Husband নিয়ে কি একটা সুন্দর সংসার থাকার কথা! তাই তো? সেখানে তো কোন কিছুর অভাব নেই।কিন্তু বিধিবাম.....
ওনার ভাষ্যমতে, Husband শারীরিক নির্যাতন করে! ওনার ইনকামের টাকা নিয়ে নেয়।Husband পরিবার কিছুদিন পর পর টাকা চায়।এখন পর্যন্ত Husband 20 হাজার পাউন্ডের মতো ওনার কাছ থেকে নিয়েছে।এসব বিষয় নিয়ে দু'জনের মাঝে মনগাত!বিষয়টা আইন পর্যন্ত গড়িয়েছে।ফলাফল social service তাদের দু'জন কে আলাদা করে রেখেছে।
শুনেছেন Husband দেশে গিয়ে আবার নতুন করে বিয়ে করবে।শশুড়ের কাছে সংসার ঠিকে রাখার জন্য, আকুতি মিনতি করে Text করেছেন। স্কিনশট দেখছিলাম আর ভাবছিলাম, মানুষ কতোটা অসহায় হতে পারে।
তিনি এখনো সংসার করতে রাজি!আর শেষ পর্যন্ত যদি ডিভোর্স হয়েই যায়,তখন মামলা করতে চান....
আমার সব লেখার পিছনে ছোটখাটো একটা মেসেজ থাকে।
যেভাবে আছেন,যেরকম আছেন আল্লাহ কাছে শুকরিয়া করেন।কারো কারো বাহ্যিক হাসিতেও গভীর যন্ত্রণা থাকে।সবাই বেঁচে থাকার জন্য অভিনয় করে যাচ্ছে....
কপি
পেস্ট
হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পরিচিতি,,,, বাংলাদেশ রেলওয়ে ফেইসবুক থেকে নেওয়া
১৯৭১ সালে ক্ষতিগ্রস্ত হার্ডিঞ্জ ব্রিজ
১৮৮৯ খ্রিষ্টাব্দে তৎকালীন অবিভক্ত ভারত সরকার অসম, ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড ও উত্তরবঙ্গের সঙ্গে কলকাতার যোগাযোগ সহজতর করার লক্ষ্যে পদ্মা নদীর উপর ব্রিজ নির্মাণের প্রস্তাব করে। পরবর্তীতে ১৯০৮ খ্রিষ্টাব্দে সেতু নির্মাণের মঞ্জুরী লাভের পর ব্রিটিশ প্রকৌশলী স্যার রবার্ট গেইলস সেতুটি নির্মাণের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে সেতু নির্মাণের সমীক্ষা শুরু হয়। ১৯১০-১১ খ্রিষ্টাব্দে পদ্মার দুই তীরে সেতু রক্ষার বাঁধ নির্মাণ হয়। ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে সেতুটির গাইড ব্যাংক নির্মাণের কাজ শুরু হয়। পাশাপাশি সেতুর গার্ডার নির্মাণের কাজ শুরু হয়। গার্ডার নির্মাণের জন্য কূপ খনন করা হয়। ২৪ হাজার শ্রমিক দীর্ঘ ৫ বছর অক্লান্ত পরিশ্রম করে ১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দে সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ করেন। তৎকালীন অবিভক্ত ভারতের ভাইসরয় ছিলেন লর্ড হার্ডিঞ্জ। তার নামানুসারে সেতুটির নামকরণ করা হয় হার্ডিঞ্জ ব্রীজ। সেতুটির নির্মাণে ব্যয় হয়েছিল ৩ কোটি ৫১ লক্ষ ৩২ হাজার ১ শত ৬৪ টাকা। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৫ হাজার ৮ শত ফুট। ব্রিজটিতে ১৫টি স্প্যান আছে। ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে মুক্তিযুদ্ধের সময় সেতুটিতে বোমা ফেলা হলে ১২ নম্বর স্প্যানটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যেগুলো পরে মেরামত করা হয়েছে।
হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ঈশ্বরদী ভেড়ামারা সীমানায় পদ্মানদীর উপর অবস্থিত। সেতুটি দিয়ে শুধু ট্রেন চলাচল করে। বাংলাদেশ রেলওয়ে সেতুটির রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে। ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দে এই হার্ডিঞ্জ ব্রিজ নির্মাণের শতবর্ষ পূর্ণ হয়।
হাজী আবুল বকর সিদ্দিকী (রহঃ) [আমার দাদা] সন্তান সন্ততি
সন্তান,,,,,
হাজী আবু বকর সিদ্দীক রহ.(বড় উস্তাদজী) এর সন্তান-সন্ততিদের শাজারায়ে নসল:(বড়-ছোটোর ধারাবাহিতায়)
বড় ছেলে: মাওলানা রুহুল আমিন সাহেব
*সহধর্মিণী: আলেমা শামসুন্নাহার
তিন ছেলে:
১। হাফেজ মাওলানা মুফতি আসাদুজ্জামান
*স্ত্রী: আলেমা রাবেয়া বুশরা
তার ছেলে
*মুয়াজ উসামা
২। মাওলানা ওসমান গণী
*স্ত্রী: আলেমা সাবিহা জান্নাত
৩। শিব্বির আহমাদ
চারমেয়ে:
১। মরহুমা নূরুন্নাহার
২। আলেমা মাহমূদা আক্তার
*স্বামী: হাফেজ মাওলানা মু'তাসিম বিল্লাহ রহমানী
তার দুই ছেলে
*১. হাফেজ মাহমুদুর রহমান ফাহীম
*২. মাহফূজুর রহমান নাঈম
দুই মেয়ে
*১. মরহুমা নওমি
*২. মাইমূনা
৩। আলেমা কামরুন্নাহার
*স্বামী: হাফেজ মাওলানা কামরুল ইসলাম
তার তিন ছেলে
*১. মরহুম মুসাইয়্যিবুল ইসলাম
*২. মুহাম্মাদ আল হাবিব
*৩. আহমাদ
একমেয়ে
*মুবাশশিরা জান্নাত
৪। আলেমা হুমাইরা জান্নাত
*স্বামী: হাফেজ ক্বারী আহমাদুল্লাহ
তার এক ছেলে
*লাবিব আব্দুল্লাহ
আবু বকর রহ. এর সন্তানাদির মধ্যে তার পরিবারে
হাফেজ= ২জন
মাওলানা= ৬জন
মুফতি= ১জন
পরিবারের সদস্য সংখা মোট ২৪ জন
হাফেজ= ৫জন
মাওলানা= ১১জন
মুফতি = ১জন
মেজো ছেলে: মুফতি নূরুল আমিন
*সহধর্মিণী: মনিরা বেগম
ছেলে চারজন:
১। মরহুম আবরার
২। মুহাম্মাদুল্লাহ
*স্ত্রী: কুলসুম আক্তার
একজন মেয়ে
*মায়মুনা আক্তার
৩। হাফেজ আনাস
৪। হাফেজ যায়েদ
মেয়ে ছয়জন:
১। মোমেনা
*স্বামী: মুফতী আব্দুর রহিম
তার দুই মেয়ে
*১.মুনিবা
*২.মুকরিমা
একজন ছেলে
*রাশিদ জামিল (হেফজ চলমান)
২। মুসলিমা
*স্বামী: মুফতী আব্দুল আউয়াল
তার তিন ছেলে
*১.নুরুল্লাহ (হেফজ চলমান)
*২.কেফায়াতুল্লাহ
*৩.যিকরুল্লাহ
৩। তৈয়্যিবা
*স্বামী: মুফতি জাহিদ রায়হান
তার তিন ছেলে
*১. হাফেজ ইউসুফ
*২. আহমাদ (হেফজ চলমান)
*৩.শুয়াইব
মেয়ে একজন
*আফিফা
৪। লুবাবা
*স্বামী: মুফতী জাহিদুল ইসলাম
মেয়ে একজন
*বারিরা
ছেলে একজন
*মুয়ায
৫। উমামা
*স্বামী: মুফতী মাহদি হাসান
মেয়ে দুইজন
*১.যয়নাব
*২.জুয়াইরিয়া
৬। রুবাইয়া
আবু বকর রহ. এর সন্তানদের মধ্যে তার পরিবারে-
হাফেজ= ৬ জন
মাওলানা= ১জন
মুফতি= ১জন
পরিবাররের মোট সদস্য= ৩৩ জন
মোট হাফেজ= ৬জন
মোট মাওলানা= ৬ জন
মোট মুফতি= ৬ জন
বড় মেয়ে: রহিমা বেগম
*স্বামী: মাস্টার গাউসুর রহমান
ছেলে নয়জন:
১। হাফেজ মাওলানা অলিউর রহমান
*স্ত্রী: মাইমুনা খাতুন
তার ছেলে তিনজন
*১. হাফেজ শাহরিয়ার সালমান ফাহিম
*২. তাবরাম আব্দুল্লাহ
*৩. নাসিম (হেফজ চলমান)
২। মুফতি অসিউর রহমান
*স্ত্রী: মাহফুজা খাতুন
তার ছেলে একজন
*তাকরিম (হেফজ চলমান)
এক মেয়ে
*তাহসিনা খাতুন
৩। হাফেজ মাওলানা আতিকুর রহমান
*স্ত্রী: রুম্মান
তার একছেলে
*উবাইদুল্লাহ (হেফয চলমান)
চার মেয়ে
*১. আয়েশা খাতুন
*২. আবেদা খাতুন
*৩. জাকিয়া খাতুন
*৪. তাকিয়া খাতুন
৪। হাফেজ মুফতি আনিসুর রহমান
*স্ত্রী: তানিয়া খাতুন
তার একছেলে
*মুসআব
৫। হাফেজ মুফতি মশিউর রহমান
৬। হাফেজ মুশফিকুর রহমান
৭। হাফেজ হাসিবুর রহমান
৮। হাফেজ জুনায়েদ হুসাইন
মেয়ে ছয়জন:
১। নাজমা খাতুন
*স্বামী: মাওলানা রফিকুল ইসলাম
তার ছেলে দুইজন
*১. আব্দুল্লাহ (হেফজ চলমান)
*২.আব্দুর রহমান (হেফজ চলমান)
পাঁচ মেয়ে
*১.হাফেজা বুশরা খাতুন
*স্বামী: হাফেজ মাওলানা মোকাররম হোসাইন
তাদের দুই মেয়ে
*১.মাহরা
*২.মারওয়া
২. হফেজা মারিয়াম খাতুন
*স্বামী: হাফেজ মাওলানা সুজাউদ্দীন
তার দুই মেয়ে
*১.মালিহা
*২.মাবরুকা
*৩. ফাতিমা
*৪.খাদিজা
*৫. ওয়াদিমা
২। আসমা খাতুন
*স্বামী: মাওলানা কাওছার উদ্দীন
তার দুই ছেলে
*১. হাফেজ তামিম
*২. হাফেজ উসামা (চলমান)
একমেয়ে
*নাফিসা খাতুন
৩। হাসনা খাতুন
*স্বামী: মুফতি রিয়াজ
তার তিন ছেলে
*১. মুহাম্মদ হুযায়ফা (হেফজ চলমান)
*২. মুহাম্মদ উবায়দা (হেফজ চলমান)
*৩. আবু উমামা
এক মেয়ে
*হাবিবা খাতুন (হেফজ চলমান)
৪। জামিলা খাতুন
*স্বামী: মুফতী আবুল হাসান
তার তিন মেয়ে
*১. তাবাসসুম খাতুন
*২. তুরফা (হেফজ চলমান)
*৩. তায়্যিবা
৫। সুমাইয়া খাতুন
*স্বামী: মুফতি মুহিব্বুল্লাহ
তার এক ছেলে
*আবদুল্লাহ (হেফজ চলমান)
এক মেয়ে
মরিয়াম
৬। হুমায়রা ইয়াসমিন
*স্বামী: মুফতী ইমরান হুসাইন
তার একমেয়ে
*নাজিবা খাতুন
আবু বকর রহ. এর সন্তানদের মধ্যে তার পরিবারে-
হাফেজ= ২২ জন (ছেলে-মেয়ে)
মাওলানা= ৫ জন
মুফতি= ৩ জন
পরিবারে মোট সদস্য= ৬২ জন
মোট হাফেজ= ২৩ জন (ছেলে মেয়ে)
মোট মাওলানা= ১৩ জন
মোট মুফতি= ৭
সেজো ছেলে: হাফেজ মাও. ফজলুল করীম
*সহধর্মিণী: আয়েশা বেগম
তিনছেলে:
১.মুফতি আশরাফুল কারীম
*স্ত্রী: আলেমা মাসুমা আশরাফ
২.মুফতি মাসরুর তাশফিন
৩. মরহুম তাশফিন
একমেয়ে:
আলেমা সাবরুন্নাহার তানিয়া
*স্বামী: মাও. ইমদাদুল্লাহ
তার একছেলে
*আসাদুল্লাহ আজমী
আবুবকর রহ. এর সন্তানদের মধ্যে তার পরিবারে-
হাফেজ= ১জন
মাওলানা= ৪জন
মুফতি= ২জন
পরিবারে মোট সদস্য= ৯জন
মোট হাফেজ= ১জন
মোট মাওলানা= ৬জন
মোট মুফতি= ২জন
><
মেজো মেয়ে: আমেনা বেগম
ছেলে দুইজন:
১৷ হাফেজ মুহা. মুজাহিদুল ইসলাম
*স্ত্রী: হাফসা বেগম
তার একছেলে
*তামিম দারী (হেফজ চলমান)
মেয়ে একজন
*তামিমা খাতুন জুয়াইরিয়া৷
২৷ হাফেজ মাওলানা মুশাহিদুল ইসলাম ৷
*স্ত্রী: শিরিনা আক্তার তাশফিয়া৷
দুইছেলে
*১. আব্দুল্লাহ তায়েব
*২. মুহিব্বুল্লাহ তাহের
মেয়ে একজন:
মুজাইয়েনা বেগম
*স্বামী: মৌলভী রাকিবুল ইসলাম৷
ছেলে দুইজন
*১৷ হাফেজ যুবায়ের আহমাদ
*২। মুহা.আব্দুল্লাহ
মেয়ে সাতজন
*১৷ আলেমা মুবাশ্বিরা
*স্বামী: মাওলানা আব্দুল হাই শিকারী
ছেলে একজন
*মুহা. বশিরুল্লাহ শিকারী৷
*২৷ মুশফিকা বেগম
*স্বামী: মাওলানা নুরুল ইসলাম গাজী
ছেলে একজন
*আব্দুর রহমান (মুয়াবিয়া) গাজী
*৩৷ হাফেজা মারিয়া বেগম
*স্বামী: হাফেজ মাওলানা ইমরান হুসাইন
*ছেলে একজন
*মুহা. যাকওয়ান
*৪৷ হাফেজা মারজিয়া খাতুন
*৫৷ মাশরুফা খাতুন
*৬৷ ওয়ালিজা খাতুন
*৭৷ মাহজুবা (জান্নাতী মেহমান)
আবু বকর রহ. এর সন্তানাদির মধ্যে তার পরিবারে-
হাফেজ= ৬জন
মাওলানা= ২জন
পরিবারের মোট সদস্য সংখ্যা= ২৬জন
মোট হাফেজ= ৬জন
মোট মাওলানা= ৫জন
নোয়া ছেলে: মাওলানা মুফতি মুমতাজুল করীম
*সহধর্মিণী: রুকাইয়া সুলতানা
তিন ছেলে:
১। হাফেজ মাওলানা মুফতি নোমান
(স্ত্রী: আলেমা তাবাসসুম)
তার এক মেয়ে
*তাজকিয়া তুবা
২। হাফেজ মাওলানা মুফতি সালমান
*স্ত্রী: আলেমা মাহমুদা ইসলাম
৩। হাফেজ সাফওয়ান আহমাদ
এক মেয়ে:
আলেমা হুমায়রা শিফা
*স্বামী: হাফেজ মাওলানা মুফতি আহমাদ আবসার হুসাইন
তার এক (জান্নাতি) ছেলে
*আহমাদ জারিফ
আবু বকর রহ. এর সন্তানাদির মধ্যে তার পরিবারে-
হাফেজ= ৩
মাওলানা= ৪
মুফতি= ৩
পরিবারের মোট সদস্য সংখ্যা= ১১জন
মোট হাফেজ= ৪ জন
মোট মাওলানা= ৭জন
মোট মুফতি= ৪
কুটি ছেলে: হাফেজ মাওলানা আহমদ করীম সিদ্দীক
*সহধর্মিণী: সালমা আহমাদ
এক ছেলে:
হাফেজ সাফওয়ান সামী
মেয়ে তিনজন:
১. আলেমা সাফফানা আহমদ
*স্বামী: মাওলানা শরীফ আহমদ রাহওয়া
তার এক ছেলে
*জারীর যাইন আল শুরাইম
২। মরহমা বুশরা
৩। আলেমা জুন্নাহ তাসনীম
আবু বকর রহ. এর সন্তানাদির মধ্যে তার পরিবারে-
হাফেজ= ২জন
মাওলানা= ৩জন
পরিবারের মোট সদস্য সংখ্যা= ৮জন।
হাফেজ= ২জন
মাওলানা= ৪ জন
সেজো মেয়ে: হাফেজা সালেহা বেগম
*স্বামী: মরহুম হাফেজ মাওলানা বদরুদ্দীন রহ.
চার ছেলে:
১। মুফতি কাসেম আফফান
*স্ত্রী: আলেমা ফাতেমা তাশফিয়া
তার দুই মেয়ে
১। রাইসা ত্বিবা
২।রুয়াইসা তোহফা
২। হাফেজ মাওলানা মুফতি আসেম বিল্লাহ
(স্ত্রী: হাফেজা তাসলিমা বিল্লাহ)
৩। হাফেজ মাওলানা মুফতি মাসুম বিল্লাহ সালিম
* আয়েশা তাকিয়া
৪। হাফেজ মাহমুদ খালিদ
চার মেয়ে:
১। আলেমা রুম্মান
*স্বামী: মুফতি মুখলিসুর রহমান
তার দুই ছেলে
*১। মাহদী হাসান তানভীর (হেফজ চলমান)
*২। তাকী আমিনী
দুই মেয়ে
*১। হাফেজা আয়েশা নিশাত
*স্বামী: হাফেজ মাওলানা আবু বকর সিদ্দীক
*২। তাসনিম বুশরা (হেফজ চলমান)
২। আলেমা সালিমা সাদিয়া
তার দুই মেয়ে
*১. মরহুমা তাহমিদা জান্নাতী
*২. মরহুমা তাহিয়্যা জান্নাতী
৩। আলেমা তাবাসসুম
(স্বামী: হাফেজ মাওলানা মুফতি নোমান)
তার এক মেয়ে
*তাজকিয়া তুবা
৪। তাকিয়া তামান্না।
*স্বামী: হাফেজ ইসমাঈল হুসাইন
তার এক মেয়ে
*ফাতেমা তানজুম
আবু বকর রহ. এর সন্তানাদির মধ্যে তার পরিবারে-
হাফেজ= ৯জন
মাওলানা= ৭জন
মুফতি= ৩জন
পরিবারের মোট সদস্য সংখ্যা= ২৫জন
মোট হাফেজ= ১৩জন
মোট মাওলানা= ১১জন
মোট মুফতি= ৫জন
মরহুমা মুর্শিদা
ছোট মেয়ে: রাশিদা বেগম।
*স্বামী মরহুম মাও.আব্দুল আজিজ।
ছেলে ছয়জন:
১। মরহুম আব্দুর রশিদ।
২। হাফেজ মুহা. আব্দুর রহমান।
*প্রথমা স্ত্রী: মরহুমা ফাতেমা।
তার একছেলে
*মুহা.ইউনুস।
*দ্বিতীয় স্ত্রী: আয়েশা সিদ্দিকা।
৩। হাফেজ মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান।
৪। মাওলানা মুহাম্মদ সাইফুর রহমান।
৫। মুহাম্মদ আলী।
*স্ত্রী: মারিয়া আক্তার।
তার একমেয়ে
*মারজিয়া আক্তার।
৬। মুহা.মুঈনুদ্দীন (হেফজ চলমান)
মেয়ে দুইজন:
২। উম্মে আয়মান
*স্বামী: মাও. মুহা জাহাঙ্গীর আলম।
তার তিন ছেলে
*১.খালিদ সাইফুল্লাহ।
*২.যুবায়ের হোসেন।
*৩.ফাহিম হোসেন।
দুই মেয়ে
*১.মরহুমা ফাতেমা আক্তার
*২.ফাহমিদা আক্তার
আফিফা আক্তার।
আবু বকর রহ. এর সন্তানাদির মধ্যে পরিবারে-
হাফেজ= ৩জন
মাওলানা= ১জন
পরিবারের মোট সদস্য ২১জন
হাফেজ= ৩জন
মাওলানা= ৩ জন
রাঙ্গা ছেলে: হাফেজ রিজাউল করীম
*সহধর্মিণী: ফাতেমা খাতুন
ছেলে দুইজন:
১. হাফেজ মুহা. আরিফবিল্লাহ
২. মরহুম মুহিব্বুল্লাহ আবরার
মেয়ে তিনজন:
১। হাফেজা তাসলিমা বিল্লাহ
২। তামান্না খাতুন
৩। তাকরিমা খাতুন
আবু বকর রহ. এর সন্তানাদির মধ্যে পরিবারে-
হাফেজ= ৩ জন
পরিবারের মোট সদস্য ৭জন
হাফেজ= ৩ জন
ফুল ছেলে: হাফেজ ইমাম উদ্দিন সিদ্দীক।
*স্ত্রী: হাবিবা খাতুন বিনতে মুহা. ইলিয়াছ হুসাইন।
ছেলে দুইজন:
১. হাফেজ সালিম শারাফাত
২.সুরাইম সিদ্দীক
মেয়ে একজন
নুফায়রা জান্নাত সামিয়া
পরিবারের মোট সদস্য= ৫ জন
হাফেজ= ২ জন
><
ধলা ছেলে: মাওলানা মুসলিহুদ্দিন সিদ্দীক
*স্ত্রী: হাফিজা বেগম
ছেলে তিনজন:
১। হাফেয মুহা. ইবরাহিম
২। মুহা. ইমরান
৩। মুহা. ইরফান
পরিবারের মোট সদস্য= ৫
মাওলানা=১
হাফেজ=১
ছোট ছেলে: হাফেজ মাওলানা মুফতি মিসবাহুদ্দীন সিদ্দীক
*স্ত্রী: আলেমা খাদিজা তাহেরা বিনতে হাজী শামসুদ্দিন শেখ
দুই মেয়ে:
১.নুজহা তাসনীম
২. নাজিহা আফরোজ
আবু বকর রহ. এর সন্তানাদির মধ্যে পরিবারে-
হাফেজ= ১ জন
মাওলানা= ১ জন
মুফতি= ১
পরিবারের মোট সদস্য= ৪জন
মোট মাওলানা= ২ জন
হাফেজ= ১ জন
মুফতি= ১
আবু বকর রহ. এর সন্তানাদির মধ্যে
হাফেজ= ৩৭ জন
মাওলানা= ৩৪ জন
মুফতি= ১২ জন
আবু বকর রহ. এর পরিবারে
মোট সদস্য সংখ্যা= ২৩৯জন
মোট হাফেয= ৬৭জন
মোট মাওলানা= ৬৫জন
মোট মুফতি= ২৬ জন
সকাল সাতটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ৩০/১০/২০২২ রবিবার
সকাল ৭ টার সংবাদ।
তারিখ: ৩০-১০-২০২২খ্রি:।
আজকের শিরোনাম-…
আজ বসছে একাদশ জাতীয় সংসদের ২০-তম অধিবেশন।
বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার কোনো রিজার্ভ ছিল না - বললেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।
ইন্দো-বাংলা প্রেসক্লাব দুই বাংলার সম্পর্ক ও সম্প্রীতি আরো জোরদার করতে ভূমিকা রাখবে - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।
আগামী বছরের শুরুতেই নতুন পাঠ্যবই পাবে শিক্ষার্থীরা - জানালেন শিক্ষামন্ত্রী।
২৪ ঘণ্টায় দেশে মারা গেছেন আরো ৬ জন ডেঙ্গু রোগী - মোট মৃতের সংখ্যা ১৩৪।
দক্ষিন কোরিয়ার রাজধানী সিউলে হ্যালোইন উৎসবে পদদলিত হয়ে অন্তত ১৪৯ জনের মৃত্যু।
আজ ব্রিসবেনে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটে জিম্বাবুয়ের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।
হজ্ব সম্পর্কে দাদীকে নিয়ে মেজবাহ উদ্দিন চাচার লেখা,,, মেসেঞ্জার গ্রুপ থেকে নেওয়া
আমার মা মেধাবী মহীয়সী রমণী!
আমরা কিতাবুল হজ্জ পড়ি কয়েকটি কিতাবে।
নূরুল ইজাহ, কুদূরী, শরহে বেকায়া, হেদায়া এবং হাদিসের কিতাব সমুহে। তাছাড়া তরজমাতুল কুরআনেও হজের অনেক আলোচনা পড়া হয়।
এতদসত্বেও হজের আহকাম ও পবিত্র স্থান সমুহের বিবরণ আমাদের কাছে যেন অজানাই থাকে অনেকাংশ!
অথচ মাকে দেখলাম একজন বিজ্ঞ বুজুর্গ বাইতুল্লাহের মুসাফিরের ন্যায় হজের স্মৃতিচারণ মূলক আলোচনা অনর্গল বলেই যেতেন। সব স্থানের নাম ও আহকামগুলোর সহিভাবেই গড়গড় বলছেন। যেই যোগ্যতা অর্জন করতে দীর্ঘ সময় ও এক বড় মেহনতের দরকার হয়। আর মা একবার গিয়েই সব এমন ভাবে যবত কবেছেন যেন এখন তিনি দেখে দেখে বলছেন। যেন বাইতুল্লাহ আর মদীনা মুনাওয়ারায় তিনি প্রতিনয়ত যান।
হয়তো হৃদয়ের মনিকোঠায় বাইতুল্লাহ আর মদীনা মুনাওয়ারাকে সাজিয়ে রাখতেন।
যাকে দেখতেন তাকে শুধু বাইতুল্লাহর ভ্রমণ কাহিনি বলতে থাকতেন। বাইতুল্লাহ ছাড়া তাঁর ব্যকুল হৃদয় শান্ত হতোনা।
পুরো মস্তকজুড়ে ঐশীপ্রদত্ত মেধা আর পুরো হৃদয়জুড়ে ইশকে মাওলা ছিল ভরপুর......
নূরুল আমীন, মুমতাজুল করীম, আহমদ করীম ইমামুদ্দিন এই মেধাবী মুখগুলোর এই মায়ের থেকে ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া।
আনোয়ার কাশ্মীরী রহ. যেই গরুর দুধ পান করতেন সেই গরুকে তাঁর বাবা ভাল জাতের আঙ্গুর খাওয়াতেন।
আমার এমনটি না করলেও সন্তানদের মেধা বৃদ্ধির জন্য খুবই ফিকিরমান্দ ছিলেন।
আমার স্মৃতি থেকে বলছি, তিনি আমাকে কখনো পাখি খাওয়া ফল খেতেই দিতেন না। বলতেন, এগুলো খেলে ব্রেইন কমে যায়!❤️
নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন
নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...
-
🧪 বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল) টেস্ট ফি তালিকা (২০২৫) 🩸 রক্ত ও হেমাটোলজি টেস্ট: ✅ CBC (OPD): ৩০০ টাকা ✅ CBC (IPD): ২০...
-
#কোমর থেকে পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা: আসল কারণ কোথায়? স্নায়ুর লাইনে ব্যথা: Holistic approach কেন জরুরি- পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা কেন হয়?...
-
✅ কাজের বুয়ার কাহিনীঃ আমাদের বাসার কাজের বুয়া (৫৪) মাসে ১৭ হাজার টাকা আয় করেন। উনি আমাদের বাসায় সকাল ৯ টায় আসার আগে একটা মেসে রুটি বানা...