এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর, ২০২২

ফেইসবুকের শিরোনাম হীন গল্প,,,, মনিরুজ্জামান মনির,,,, থেকে কপি করা ২

 রাত ১২.৩৩ মিনিট। 

অফিসের গাড়ি নামিয়ে দিলো আমাকে। তারপর প্রতিদিনের মতো এলাকার ৩ জন সিকিউরিটি মামার সাথে চা আর টা খেলাম। তাদের সারাদিনের গল্প শুনলাম। এর মধ্যে এক রিক্সওয়ালা মামাও যোগ দিলো। বিল দেয়ার পর দেখলাম পকেট ফাঁকা। 


কাল অফিস যাওয়া লাগবে তাই ATM বুথে গেলাম। বুথের মামাও ঘুম। টাকা তোলার সময় হটাৎ একটা ভাইব্রেশন শুনে ভয় পেয়ে গেলাম। এই রাতে যদি আমার কার্ড আটকায় যায় তাহলে আমি শেষ। তাই শব্দের উৎস খুঁজতে লাগলাম। ইতিমধ্যে শব্দটা অফ। কার্ড বের করতেই আবার শব্দ। 


এবার ভালো করে খুঁজতেই দুই বুথের চিপায় একটা ফোন দেখতে পেলাম। হাতে নিয়ে দেখি হালিমা ফোন। বুথের মামাকে ডেকে তুললাম যে এটা উনার ফোন কি না। উনি ঘুম ঘুম চোখে বালিশের নিচে চেক করে দেখলেন যে উনার ফোন উনার কাছেই আছে। আবার ফোন আসলো। নাম্বার আননোন। আমি ফোন ধরতেই ওপাশ থেকে একজন কথা বলে উঠলেন। তার কথার টোনে টেনশন আর উৎকণ্ঠা।  

 

হ্যালো? হ্যালো? 

-হ্যালো…

আপনি কে বলতেছেন? এইটা আমার ফোন? আপনি কই পাইছেন? কেমনে পাইলেন? আপনি কই এখন? 

-ভাই থামেন, শান্ত হয়ে কথা বলেন। 

ভাই, ভাই আমি তাড়াহুড়া কইরা টাকা তুলে চলে আসছি মেডিকেলে। খেয়াল ছিলো না। মেডিকেলে আসার পর মনে হইছে ফোন আমার পকেটে নাই। 

-আচ্ছা সমস্যা নাই। আপনি আছেন কই?

ঢাকা মেডিকেল।

-আপনার বাসা কই? 

রাজারবাগ কালীবাড়ি। আপনার?

বাসাবো। আচ্ছা আমাকে বাসায় যেতে হবে। আপনি ফোন কীভাবে নিবেন? আমি এই বুথের সিকিউরিটি মামার কাছে রেখে যাই। আপনি এসে নিয়ে যান। 

-ভাই ভাই শুনেন না। 

হ্যাঁ, বলেন না। 

-আসলে আজকে আমার মায়ের অপারেশন হইছে। আর আমি ছাড়া তো আমার মায়ের কেউ নাই। আমি একাই সব সামলাইছি, মাথার ঠিক আছিলো না। এখন মায়েরা ছাইড়া কীভাবে যাই। আবার আমার ফোন ছাড়াও কারো সাথে যোগাযোগ করার উপায় নাই। 


আচ্ছা। বুঝলাম। কিন্তু ভাই আমি সারাদিন অফিস করে আসছি। আমার বাসায় যাওয়া দরকার। সকালে আবার অফিস আছে। কাছে থাকলে দিয়ে আসা যেতো। ঢাকা মেডিকেল কলেজ বেশ দূরে। আচ্ছা আমি আপনাকে ৫ মিনিট পরে ফোন দিচ্ছি।


-ভাই ভাই… শুনেন…

আমি আপনার ফোন মেরে দিবো না, চিন্তার কিছু নাই। ৫টা মিনিট সময় দেন।

আমি ভাবতে লাগলাম কী করা যায়। এতো রাতে রাইড নিয়ে ঐদিকে যাওয়াটা সেফ না। আবার ঐ মানুষটার সিচুয়েশান চিন্তা করেও মনে শান্তি পাচ্ছিলাম না। পড়লাম উভয় সংকটে।


আবার চা আর টা নিলাম আর ভাবতে থাকলাম। এসময় একজন পুলিশ আসলেন আমার মতোই চা আর টা খেতে। হুট করেই একটা চিন্তা মাথায় আসলো। 


রিয়াজ ভাই এই মধ্য রাতে রাস্তায় দাঁড়িয়ে চা আর টা খেতে অন্যরকম একটা মজা আছে তাই না?  (উনার ব্যাজ দেখে নাম বলেছিলাম) উনি একটু অবাক হয়ে আমার দিকে সন্দেহের চোখে তাকালেন।

তার চোখে মুখে পাইছি তোরে আজকে টাইপ এক্সপ্রেশন দেখে আমি মনে মনে ভাবলাম যে আমারে হিমু ভাইবা বাঁশ ডলা না দিলেই হয়, ডিম থেরাপি দিবে না কারণ ডিমের অনেক দাম। তবে আমাকে অবাক করে দিয়ে উনি নরমালি কথা বলতে শুরু করলেন।

হ্যাঁ, প্রতিদিন খান নাকি? 

আমি উত্তর দেয়ার আগেই চা মামা উত্তর দিয়ে দিলেন। 


-হ, উনিও প্রত্যেকদিন আসে আপনার মতো। তবে আপনার আগে।  

আরে বাহ। তা কী করেন? কোথায় থাকেন।

আমি বিস্তারিত বললাম। 

আরে তুমি দেখি আমার ইউনিভার্সিটির ছোট ভাই। 

আবার ফোন আসা শুরু হলো।

-কি প্রেমিকা ফোন করতেছে নাকি?


আমি ফোনটা সাইললেন্ট করে সব বললাম। 

উনি একটু ভেবে বাইকের পিছে উঠতে বলল।

আমি বিশ্বাস আর অবিশ্বাসের গ্যাঁড়াকলে পড়ে আল্লার নামে উঠে পড়লাম। 

আর মাথায় বাজতে লাগলো-

“সোনা বন্ধু তুই আমারে ভোতা দাও দিয়ে কাইট্টালা

পুলিশের খেতা দিয়া যাইত্তা ধইরা মায়রালা” 


যাইহোক, মেডিকেলের সামনে গিয়ে নামলাম। ইতিমধ্যে ৫০ বার ফোন দেয়া শেষ, ফোনের চার্জের মায়রে বাপ হবার আগেই আমার ফোনে নাম্বারটা নিয়ে ফোন দিয়ে গেটে আসতে বললাম। ছেলে ভাবছে আমি মজা নিচ্ছি। সে কোনোভাবেই বিশ্বাস করতে পারছে না যে আমি আসছি। আমি সুন্দর করে বললাম আসার জন্য। 


ফাইনালি ৫মিনিট পর আসলো। আমি ভ্যারিফাই করে তাকে ফোনটা দিতেই সে আমাকে জড়ায় ধরলো। এমনভাবে আমার মনে হয় আমার কোনো প্রেমিকাও কখনো ধরে নাই।


চলে আসবো এসময় শুরু হলো তার ড্রামা। সে কোনোভাবেই তার মায়ের সাথে দেখা না করে আসতে দিবে না। আমি আর পুলিশ ভাই মিলেও তাকে কনভিন্স করতে পারলাম না। উপায় না দেখে তার পিছে পিছে গেলাম। 

ওয়ার্ডে তার মায়ের কাছে নিয়ে গেলো। 


পুলিশ ভাই বলল তুমি ভেতরে যাও। আমি বাইরে দাঁড়াই। এত রাতে পুলিশ দেখলে ভয় পাইতে পারে। আমি একাই গেলাম। ছেলেটা তার মা’কে দেখায় দিতেই সালাম দিলাম। নিচু স্বরে সালাম নিলেন। শোয়া অবস্থায় আমার একটা হাত ধরলে ইশারায় মাথা নিচু করতে বললেন। আমি মাথা নিচু করতেই মাথায় হাত বুলায় দিলেন। 


আমি কি বলবো বুঝতে না পেরে চুপচাপ উনার দিকে কিছুক্ষণ তাকায় থেকে হাঁটা দিলাম। ছেলেটা ওয়ার্ডের গেট পর্যন্ত আগায় দিলো। আমি গেট থেকে বের হয়ে হাঁটা দিলাম। পুলিশ ভাই আমার দিকে তাকায় বলে তোমার চোখে পানি কেন। আমিও খেয়াল করলাম আমার চোখ ভিজে গেছে। 


ভাবতে লাগলাম পৃথিবীর সব মায়েদের মাঝে কী এমন আছে যে তারা এত সহজেই কাছে টেনে নিতে পারে। প্রত্যেকেটা মায়ের গায়ে কেমন যেন অদ্ভুত একটা গন্ধ থাকে। তাদের ভালোবাসা টের পাওয়া যায় গায়ের গন্ধে। আমি ভাবতে থাকি আজকে আমার ‘মা’ থাকলে কি খুশিটাই না হতো এই ঘটনা শুনে। 


আমি চোখ না মুছেই বাইকের পেছনে উঠি। 

মাথায় বেজে উঠে- 


“রাতের তারা আমায় কি তুই বলতে পারিস?

কোথায় আছে কেমন আছে মা?”


পৃথিবীর সব মা-বাবারা ভালো থাকুক।❤️

কপি
পেস্ট 

ফেইসবুকের শিরোনাম হীন গল্প,,,, মনিরুজ্জামান মনির,,,, থেকে কপি করা

আমি কখনোই বউকে মার্কেটে নিয়ে যেতে পছন্দ করতাম না। 


বিয়ের পরপর দুই তিনবার বোধহয় যাওয়া হয়েছিল। মার্কেটে এই দোকান থেকে ঐ দোকানে ঘোরাঘুরি ভালো লাগতো না। আমি টাকা দিতাম,সে কিনে আনতো। যখন বাচ্চারা হলো, তখনো আমি টাকা দিতাম,সে পছন্দ করে বাচ্চাদের জামা কাপড় কিনে আনতো।


 বিয়ের বহু বছর পর, কাজ সেরে একবার বসুন্ধরা সিটি গেছি একটা জনপ্রিয় ইংরেজি মুভি দেখতে। মুভি আরম্ভ হতে কিছুটা দেরি হবে,আমি টিকিট কেটে ফুডকোর্টের এক কোনায় এককাপ কফি নিয়ে বসলাম টাইম পাস করার জন্য। 

 

কফি খাচ্ছি, সামনের টেবিলের দিকে তাকিয়ে দেখি,আমার বন্ধু আরফান আর ওর বউ। আমি কফি হাতে নিয়ে ওদের টেবিলে গেলাম। আরফান আমাকে দেখে জড়িয়ে ধরলো। 


ওর বউকে বেশ উৎফুল্ল মনে হলো।


টেবিলের উপর অনেকগুলো ব্যাগ। বুঝা যাচ্ছে বেশ কেনাকাটা করেছে। আমি মজা করে বললাম, ভাবী, আরফানকে আজ ফতুর করে ছেড়েছেন, দেখছি!


ভাবী বললেন, না ভাই, আমি এতোকিছু কিনতে চাইনি, আপনার বন্ধু পছন্দ করে জোর করে কিনে দিয়েছে।


ভাবী একটা একটা করে ব্যাগ খুলে আমাকে দেখাতে লাগলেন। ভাবী একটা জিনিস দেখাচ্ছেন আর বর্ননা করছেন আরফান কীভাবে কোন জিনিসটা পছন্দ করেছে। তার খুশি উপচে উপচে পড়ছে!


আমি জিনিসপত্র দেখছি আর ভাবছি,আরফানের বউ কতো আগ্রহ নিয়ে তার জামাইয়ের পছন্দ করে কেনা জিনিস দেখাচ্ছে। আচ্ছা, আমার বউয়ের কী এমন ইচ্ছে করে ?


অনেকদিন পর আমার মনে হলো,আহা! কতদিন বউকে নিয়ে মার্কেটে আসা হয় না!


 তারও নিশ্চয় ইচ্ছে করে করে স্বামীর হাত ধরে মার্কেটে ঘুরে বেড়াতে। সেও চায় তার স্বামী তাকে পছন্দ করে কিছু কিনে দিক। মুখে হয়তো কিছু বলে না।


আরফান আর তার বউ চলে গেছে।


 আমি চুপচাপ খালি কফি মগ হাতে নিয়ে বসে আছি। নিজের মধ্যে একটা অপরাধবোধ কাজ করতে লাগলো। মানিব্যাগ খুলে দেখলাম, বেশি টাকা নাই,তবে এটিএম কার্ড আছে। 


মুভি দেখার টাইম চলে যাচ্ছে। আমার উঠা দরকার, উঠতে পারছি না। 


আমি মোবাইলটা হাতে নিলাম, বউকে ফোন দিয়ে বললাম, তুমি বাচ্চাদের রেখে এক ঘন্টার মধ্যে আমার এখানে চলে আসতে পারবে? একটা সিএনজি নিয়ে চলে আসো।


বউ ভয় পাওয়া গলায় বললো,কী হয়েছে তোমার? শরীর খারাপ করেনি তো?


আমি কাঁপা কাঁপা গলায় বললাম, মনে হচ্ছে শরীর কিছুটা খারাপই হয়েছে। তুমি কি আসতে পারবে?


বউ কাঁদো কাঁদো গলায় বলল, তুমি এখন কোথায়?


আমি বসুন্ধরা সিটির লেভেল এইটে আছি।


হায় আল্লাহ! তুমি ওখানেই বসে থাকো,আমি এক্ষুনি আসছি। আমি না আসা পর্যন্ত ওখান থেকে উঠবে না!


এক ঘন্টার কম সময়ে বউ এসে হাজির। সে এসেই আমার কপালে ঘাড়ে হাত বুলাতে লাগলো,জ্বর এসেছে কিনা যাচাই করার জন্য!


আমি হাসিমুখে বললাম, আমার কিছুই হয় নাই, আজ দুইজন মিলে একসাথে মুভি দেখবো,এজন্যই তোমাকে ফোন করে এনেছি। আগে এককাপ কফি খেয়ে ঠাণ্ডা হও।


তবুও তার উৎকন্ঠা যায় না, সে বারবার কপালে,বুকে হাত বুলাতে লাগল। ডাক্তার দেখাতে তাগাদা দিতে লাগল। লোকজন অদ্ভুত দৃষ্টিতে আমাদের দিকে তাকিয়ে রইল। 


আমি দুটো কফি অর্ডার করলাম। 


বউ কফি খাচ্ছে আর আমার দিকে সন্দেহ নিয়ে তাকাচ্ছে। সে পরিস্হিতি বুঝার চেষ্টা করছে। এমন একজন মানুষকে আবিষ্কার করার চেষ্টা করছে,যার সাথে সে পরিচিত নয়!


আমি লজ্জা পেয়ে গেলাম। 


লজ্জা গোপন করে হাসতে হাসতে বললাম, ভয় পাওয়ার কিছু নাই,তোমাকে খুন করার জন্য এখানে আনা হয় নাই। আমি জানি,তোমার নামে তোমার বাবা একটা জমি আলাদা করে রেখেছেন বাড়ি করার জন্য,এখন খুন করলে সেই জমি আমি পাবো না। তোমাকে খুন করলে আমার লস হয়ে যাবে। কফিটা আরাম করে খাও।


কফি খাওয়া শেষ করে বললাম, চল, মুভি দেখবো।


বউ অবাক হয়ে বলল, মাথা খারাপ! বাচ্চাদের বাসায় রেখে এসেছি না? আগে বললে বাচ্চাদের নিয়ে আসতাম!


আমি রোমান্টিক মুড নিয়ে বললাম, আরে দূর! বাচ্চাদের সামনে তোমার সাথে প্রেম করতে পারতাম নাকি!


বুড়ো বয়সে ভীমরতি কেন হলো, জানতে পারি?


জানি না,হঠাৎ প্রেম করতে ইচ্ছে হল,কাউকে না পেয়ে ভাবলাম,তোমাকেই ফোন করি!


আচ্ছা, তাহলে এই ঘটনা!


একটা শাড়ির দোকানে গিয়ে আমি নিজে একটা শাড়ি পছন্দ করলাম,যা আগে কখনোই করিনি। বউকে বললাম, দেখ তো শাড়িটা পছন্দ হয় কিনা!


বউ বলল, তুমি একটা জিনিস পছন্দ করে দিবে,আমার পছন্দ হবে না, তা কি হয়? কিন্তু তুমি আজকে এই দামী শাড়ি কিনছো কেন? বাসায় তো আমার প্রচুর শাড়ি আছে। ওগুলোই ঠিক মতো পরা হয় না। কোন অনুষ্ঠানে গেলে একটু আধটু পরি।


শাড়ি কিনে গেলাম কসমেটিক্সের দোকানে। তার পছন্দসই অনেক জিনিস কিনলাম। বাচ্চাদের জন্যও কিছু কেনাকাটা হলো। আগে তাকে নিয়ে দোকানে ঘুরতে বিরক্তি বোধ করতাম,আজকে সারাক্ষণ তার হাতটা ধরে রাখলাম।


কেনাকাটা করে খেতে গেলাম। সে খাচ্ছে আর গল্প করছে। আমার মনে হলো,বউ অনেকদিন আমার সাথে এতো আনন্দ নিয়ে গল্প করেনি। তার প্রতিটি কথায়, খুশি উপচে উপচে পড়ছে।


 আনন্দিত মানুষের মুখ দেখাও আনন্দের।


নিজের অজান্তেই মন থেকে একটা দীর্ঘশ্বাস বের হয়ে এল,হায়! জীবন থেকে অনেককিছুই মিস করে ফেলেছি, যা আমার হাতের মুঠোয় ছিল! 


খাওয়াদাওয়া শেষ করে সে বাচ্চাদের জন্যও কিছু খাবার প্যাক করে নিলো।


 সিএনজিতে উঠে বসে আমার একটা হাত চেপে ধরে রাখলো, যা আগে কখনো করেনি। তক্ষুনি আমার মনে হলো, আরে!বউয়ের ভালবাসা পাওয়া কতো সহজ! অথচ আমরা বেশিরভাগ পুরুষ তা নিতেই জানি না!!


এখন যে কোন অনুষ্ঠানে গেলে,বেশিরভাগ জায়গায় সে এই শাড়িটা পরে যায়,যদিও এরচেয়ে দামী শাড়ি তার আছে। শাড়ি নিয়ে কথা উঠলে সে গর্ব করে বলে,এটা আমার হাজবেন্ড পছন্দ করে কিনে দিয়েছে। আগ্রহ নিয়ে সে শাড়িটা অন্যকে দেখায়। আগে সে কখনোই এসব কথা বলতে পারতো না!


আগে বিভিন্ন অজুহাতে তাকে মার্কেটে নিয়ে যেতে চাইতাম না, এড়িয়ে যেতাম। এখন মন খারাপ হলেই বলি, চল মার্কেট থেকে ঘুরে আসি।, মন ভালো লাগবে। 


এখন সে আগের মতো যেতে চায় না। সেই মন আর নাই। 


 মনে মনে ভাবি, যদি আগের জীবনটা ফিরে পেতাম, নিজেকে সংশোধন করে নিতাম।  


তা যে হওয়ার নয়!


আমার মনে হয়,বিয়ের পর একটা মেয়ের গর্বের একমাত্র জায়গা হচ্ছে তার স্বামী। মা, বাবা, ভাইবোন বা অন্য আত্বীয় স্বজন নয়। 

কপি
পেস্ট

একটি বাস্তব অভিজ্ঞতা,,, বাংলাদেশ রেলওয়ের কে উৎসর্গ করে ফেইসবুকে শেয়ার করা

 একটি বাস্তব  অভিজ্ঞতা শেয়ার করি

কি করে শুরু করবো জানি না, তবে যা সত্য তাই প্রকাশ করলাম।


গত (২৩/১০/২২) আমি ঢাকা থেকে পঞ্চগড়গামী একটি ট্রেনের প্রথম শ্রেণীর একজন যাত্রী ছিলাম‌। আমার পাশে একজন ভদ্র মহিলা যাত্রী ছিলেন। জয়দেবপুর স্টেশন পার হওয়ার পর থেকে লক্ষ্য করছিলাম  উনি কেমন জানি আন ইজি ফিল করছিলেন, খুব নড়া চড়া করছিলেন এবং খুব গম্ভীর হয়ে বসেছিলেন। আমি ভাবলাম আমার কোন আচরনে উনি বিরক্ত কিনা!

উনার পাশ থেকে সরে গিয়ে বগি থেকে বের হয়ে দরজার কাছে গিয়ে একটু সময় কাটালাম। কিছুক্ষন পর এসে দেখি উনি ফোনে কার সাথে জানি কথা বলছেন আর কাঁদছেন,  বলছেন আমি এখন কি করবো? 

উনার কথা বলা শেষ হলে উনার অনুমতি নিয়ে উনাকে প্রশ্ন করলাম কি হয়েছে ? উনি কিছুক্ষণ চুপ থাকার পর বললেন তেমন কিছু না। আবার উনার কাছে একটা ফোন আসে সম্ভবত উনার মা, আবার কথা বলার মাঝখানে উনি কাঁদছিলেন আর ফিস ফিস করে কথা বলছিলেন।


আমার পাশের দুই সিট পরে এক আপা ও ভাই সম্ভবত স্বামী স্ত্রী, তখন ওই আপাকে কাছে গিয়ে বিস্তারিত খুলে বললাম, আর উনাকে অনুরোধ করলাম  সমস্যাটা সম্পর্কে জানতে।  বিষয়টি পজেটিভ ভাবে নিয়ে উনার কাছে গিয়ে বসে বিস্তারিত শুনে, আমাকে জানালেন।

যেটা  আইডিয়া করেছিলাম সেটাই ঠিক।

চলন্ত ট্রেনে দ্বায়িত্বরত টিটিই ও আরো দুই একজনের সাথে কথা বলে জানলাম ট্রেনে স্যানিটারি ন্যাপকিনের কোনো ব্যবস্থা নেই। এসব খোজ খবর নিতে নিতে সেতু পুর্বে পাশে এসে ট্রেন দাঁড়ালো। ট্রেন থামার সাথে সাথে দৌড়ে গিয়ে ট্রেন পরিচালকের কাছে গিয়ে খোঁজ নিলাম ট্রেন এখানে কতক্ষন দাঁড়াবে, ২০ মিনিট দাঁড়াবে। 

পরিচালক সাহেবের  সাথে বিস্তারিত শেয়ার করলাম,

 ভদ্রলোক অভয় দিলেন এবং বললেন যতোক্ষন আপনার কাজ হবে না ততক্ষণ ট্রেন ছাড়বো না।

স্টেশনের অদূরে গিয়ে প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে এসে ওই আপাকে সহ ট্রেন থেকে নামিয়ে স্টেশনের ভিতরে টয়লেট পাঠিয়ে দিলাম।

গার্ড রুমে সংরক্ষিত বইয়ে আমার অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ করতে চাইছিলাম এবং সুপারিশ লিখতে চাইছিলাম, প্রতিটি আন্তনগর দুরপাল্লার ট্রেনে যেন  মেয়েদের জন্য এই ব্যবস্থাটা থাকে (ন্যাপকিন সুবিধা) 

কিন্তু গার্ড মহোদয় একটু গড়িমসি শুরু করলেন ও শেষমেশ আমার ও জার্নি শেষ হলো ,অভিযোগটা লেখা হলো না। 

জানি না আমার এই লেখাটি কর্তৃপক্ষের নজরে আসবে কি না তবুও লিখলাম ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করলাম। 

যদি কখনো এমন কিছু ব্যবস্থা করা যায় তাহলে হয়তো ভবিষ্যতে   মা বোনদের এমন বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হবে না।


লেখা- 

কপি
পেস্ট 

তাবলীগের মাধ্যমে ইসলামের ফায়দা,,,, তাবলীগ জামাত ফেইসবুক থেকে কপি করা,,

 তাবলীগের মাধ্যমে ইসলামের ফায়দা। 


টাকা আমার পকেটের!!!

গাট্টি যেটা কাঁধে নেই সেটার ওজনও বহন করি আমি!!!

৩দিন, ৪০দিন, ১২০দিন, যে সময়টা আল্লাহর

রাস্তায় ব্যয় করি সেটা আমার জীবনের অংশ!!!!

ফকিরের মতো মানুষের দ্বারে দ্বারে যাই!!!

না চাই নোট, না চাই ভোট!!!

আরামের বিছানা রেখে মসজিদের ফ্লোরে,

মাটিতে বিছানা করে মুসাফির হয়ে থাকি রাত থেকে অনেক রাত!!!

আমার স্বপ্ন, আমার মেহনত রাসূলুল্লাহ

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের

একজন উম্মতও যদি আল্লাহর দিকে ফিরে আসে!!!! 

আর আপনি হিংসার কারণে বলে

দিলেন আমি মসজিদে মসজিদে পিকনিক করি!!!

কি বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিলেন তাই না???

আমাকে নিয়ে আপনার এত মাথা

ব্যথা দেখলে আপনার প্রতি সত্যি করুনা হয়!!!


রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া

সাল্লাম বলেছেন, দ্বীনের জন্য আমি যা

কষ্ট পেয়েছি তা অন্য কোন নবী পায় নি।

আমি আর বেলাল(রাযি:) ২১ দিন যাবত যা

খেয়ে জীবন ধারণ করেছি তা কোন

প্রাণীও খাবে না। আর তাবলীগওয়ালারা

দুই কেজি মুরগীর সাথে তিন কেজি আলু

দিয়ে পিকনিক খায়। তোমরা রাসূল(সঃ) কে

সত্যিই মানো? তিনি তো মেহমানকে তিন

দিন কী জন্য আসল জিজ্ঞাসা না করে

মেহমানদারি করতে বলেছেন। তাবলীগ

ওয়ালারা তো অন্য এলাকা, জেলা, দেশ

হতে আসেন তা হলে মেহমান হল না কেন???

উদাহরণ হিসেবে রাসূল(স:) নিজেই

দেখালেন, এক ইহুদিকে তিনি তিন দিন

মেহমানদারী করালেন এবং শেষের দিন

বিছানায় পায়খানা করে চলে গেল আর

আমার নবী চিন্তা করল আহ! আমার অযত্নের

কারনে মনে হয় লোকটি কষ্ট পেল।

আন্তির্জাতিক মান সম্পন্ন কত ওলামায়ে

কেরাম দেশে থাকতে আপনি লতিফ

সিদ্দিকীকে আলেম মনে করেন!!!!

তার সাথে সূর মিলিয়ে আমাদেরকে অবজ্ঞা করেন!!!

দেশের মধ্যে যত যুবক যুবতী যেনা,

ব্যভিচার, অবাদ অবৈধ সম্পর্কের মধ্যে

জড়িত রয়েছে তার চেয়ে কম মানুষ

দাওয়াতের কাজে তাবলীগে বাহির হয়।

তাদের বিরুদ্ধে বলার জন্য তোমাদের দলিল

নাই? সহি হাদিসকে জাল, জঈফ বলে

ডাস্টবিনে যারা ফেলে দেয় তাদের জন্য

দলিল নেই? দোয়া করি আল্লাহ তায়ালা

আপনাকে লাইত্ত্যা কাজ্জাবের সারি

থেকে আলাদা করে যেন হেদায়েত দিয়ে

দেয়। আর সে হেদায়াতের পিছনে আমাকে

মেহনত করার তৌফিক দান করেন। আমীন।

ইসলামের দাওয়াতের কাজে সহযোগিতা

করুন। আল্লাহ তায়ালা দুনিয়া আখিরাতে

কামিয়াবী দান করুন।

★আমাকে আমার জাতি ভাইয়েরা হিংসা করে ডাকে গাট্রিওয়ালা!!!

মসজিদ নাপাক কারি!!!!

ইহুদীদের দালাল!!! 

অথচ আমি আমার নিজের জান মাল  সময় ব্যয় করে, মাটিতে বিছানা করে রাত পার করি, পৌষ মাসের শীতে চৈত্রি মাসে রোদে কত গলিতে দাঁড়িয়ে থাকি উম্মতের জন্যে!!!

কত শত মুসলমানদেরকে দেখি টাইটেল নিয়ে ঘুরে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার স্কুল মাস্টার চেয়ারম্যান মেম্বার ইত্যাদি ইত্যাদি!!!

অথচ দুনিয়ার সমস্ত মুসলমানদের উচিত ছিল নবীওয়ালা এ দামি মেহনতকে নিজের কাজ মনে করা উম্মতের ফিকির করা!!!!

আলহামদুলিল্লাহ আমরা নবীজির রেখে যাওয়া দাওয়াতের কাজ করার জন্য আমরা আজ গাট্টিওয়ালা!!!!

একটা কথা সকলেই স্মরণ রাখি বাতিল যত শক্ত হবে দ্বীনের মেহনত তার চেয়ে বেশি গতিতে চলবে।


আল্লাহ তায়ালা সবাই কে সঠিক বুঝটাই দান করুক আমিন!

কপি

পেস্ট

কিছু কথা কিছু হাসি,,, ফেইসবুক পেইজ থেকে নেওয়া

 আমার বিয়ের মাসখানিকও হয় নি আমার স্ত্রী আমাকে ডিভোর্স দিতে চায়। ডিভোর্সের কারণ হিসাবে সে আমার শ্বশুর শাশুড়ীকে  বলেছে আমি নাকি পুরুষত্বহীন। আমার দ্বারা নাকি কখনো বাচ্চার বাবা হওয়ার সম্ভাবনা নেই। 


কথা গুলো শুনে আমার লজ্জায় অপমানে মরে যেতে ইচ্ছে করছিলো। আমার স্ত্রী অনুকে নিতে শ্বশুরবাড়ি এসেছিলাম কিন্তু শ্বশুরের  মুখ থেকে আমার পুরুষত্ব নিয়ে কথা শুনতে হবে সেটা কখনো ভাবি নি।  আমি শ্বশুরের পাশে বসে থাকা আমার শ্বাশুরীকে বললাম,

-মা, অনুকে একটু ডাকবেন? ওর সাথে আমি কিছু কথা বলতে চাই। 


শ্বাশুড়ী সোফায় বসে থাকা অবস্থায় অনুকে কয়েকবার ডাকলো কিন্তু অনু আসলো না। তাই শ্বাশুড়ী উঠে অনুর রুমের দিকে গেলেন।  আমার শ্বশুর তখন আমার কাছে নিচু সুরে বললেন,

-" বাবা, শ্বশুর হয়ে তোমাকে বলতে লজ্জা লাগছে তবুও বলছি, তুমি ভালো কোন ডাক্তার দেখাও। তোমার তো টাকা পয়সার অভাব নেই দরকার পড়লে দেশের বাইরে চিকিৎসার জন্য যাও। যদি সুস্থ হও তবেই তোমার সংসারে আমার মেয়েকে পাঠাবো। তা না হলে না"


শ্বশুরের কথা শুনে আমি মাথা নিচু করেছিলাম। উনার কথার কোন জবাব দিতে পারছিলাম না। অপেক্ষা করছিলাম শুধু অনু আসার জন্য।  কিছুক্ষণ পর অনু রেগে আগুন হয়ে ড্রয়িংরুমে আসলো। আমি কিছু বলার আগেই ও রাগে চিৎকার করে বললো,

-"আপনি এখনো কোন মুখে এইখানে বসে আছেন? আমি আপনার মতো কোন হিজরার সাথে সংসার করবো না। আপনি চলে যান"


আমি মাথা নিচু রেখেই আমার শ্বশুরকে বললাম,

-" দেশের বাইরে চিকিৎসা করালেও আমার এই অসুখ ভালো হবে না। তারচেয়ে বরং আপনারা ডিভোর্সের ব্যবস্থা করুন আমি সাইন করে দিবো।"


এই কথা বলে আমি বাসা থেকে বের হয়ে আসলাম।  রাস্তায় হাটছি আর ভাবছি অনু আমার সাথে কেন এমনটা করলো। বিয়ের দ্বিতীয়দিন রাতে আমি যখন ওর কাছে যায় তখন ও মাথা নিচু করে বলেছিলো, " আমায় কিছুদিন সময় দিন। আমি এখনো এইসবের জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত না।"

 আমি তখন ওর হাতটা ধরে বলেছিলাম, তোমার যতদিন ইচ্ছে সময় নাও। আমার কোন সমস্যা নেই। 


সেদিনের পর থেকে আমি কখনো অনুকে স্পর্শ পর্যন্ত করি নি। একই বিছানায় ঘুমিয়েছি অথচ কখনো অনুকে স্বামীর অধিকার দেখিয়ে ওকে কাছে আসার জন্য জোর করিনি। অথচ আজ কিনা ও আমার পুরুষত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুললো। ওকে সময় দেওয়াটা আমার ভুল হয়েছে নাকি ওর সাথে কেন আমি জোর দেখাই নি সেটা আমার ভুল হয়েছে আমি ঠিক বুঝতে পারছিলাম না।


বিয়ের ১মাসের মাথায় স্বামীকে ছেড়ে স্ত্রী চলে গেছে এটা সমাজের মানুষ কখনোই স্বাভাবিক ভাবে দেখে না। সমাজের প্রতিটা মানুষের কাছে আমি হাসির পাত্র হয়ে গিয়েছিলাম। রাস্তায় চলাচল করার সময় এলাকার ছোট ভাইরা পর্যন্ত আমায় দেখে মজা করে বলতো, 

-"কলিকাতা হারবাল এক ফাইল যথেষ্ট মূল্যমাত্র ১৪৯০ টাকা"

আমি এইসব কথার কোন জবাব দিতে পারতাম না। মাথা নিচু করে চলে যেতাম।  


এমনকি আমার নিজের মা পর্যন্ত আমায় বলেছে,

-"বাবা তুই কোন ডাক্তার কিংবা কবিরাজ দেখা। তুই আমার একমাত্র ছেলে। আমি চাই না তোর জীবনটা এইভাবে  নষ্ট হয়ে যাক"


আমি আমার মায়ের কথাগুলো শুধু নিরবে শুনলাম। এখন আমি আমার মাকে কিভাবে বলি, মা আমার কোন সমস্যা নেই। সমস্যাটা মেয়ের ছিলো। সে আমার সুযোগ নিয়ে আমায় ধোকা দিয়েছে।


দুই বছর পরের ঘটনাঃ-


রাস্তায় হুট করে আমার প্রাক্তন স্ত্রী অনুর সাথে দেখা।  অনুকে দেখে আমি বেশ চমকে গেলাম। এই অনু আর দুইবছর আগের অনুর মাঝে অনেক তফাৎ। চেহেরাটা একদম ভেঙে গেছে। চোখের নিচে কালো দাগ পড়েছে। অনু আমায় দেখে নিজ থেকেই শুকনো হাসি হেসে আমায় বললো,

-" কেমন আছেন?"

আমি বললাম,

--আমি ভালো কিন্তু তোমার এই অবস্থা কেন?

অনু মাথা নিচু করে বললো,

-"আমি আপনার উপর করা অন্যায়ের শাস্তি পাচ্ছি। এই শাস্তিটা আমার সারাজীবন ভোগ করতে হবে"

আমি অবাক হয়ে বললাম,

--মানে!

অনুর চোখের জল মুছতে মুছতে বললো,

-" আসলে আপনার সাথে বিয়ে হবার আগে থেকেই আমার এক কাজিনের সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। কিন্তু আমরা ভয়ে কারো পরিবারকে জানাতে পারছিলাম না যেহেতু আমরা মামাতো ভাই বোন হই সেহেতু এটা কেউ মেনে নিবে না। তাই আমরা দুইজনে মিলে প্ল্যান করলাম আমি বাবার পছন্দের ছেলেকে বিয়ে করবো আর বিয়ের মাসখানিক পরেই বাবা মাকে বলবো ছেলের মাঝে শারীরিক সমস্যা আছে ও পুরুষত্বহীন।  বিষয়টা যেহেতু খুব সেনসিটিভ তাই বাবা মা এটা নিয়ে বেশি ঘাটাঘাটি করবে না।  সহজেই ডিভোর্স হয়ে যাবে। ডিভোর্সি মেয়েকে কেউ বিয়ে করতে চাইবে না তখন আমার কাজিন আমাকে বিয়ের কথা বলবে আর বাবা মা আপত্তি করবে না।

আমি তখন বললাম,

--তাহলে এখন কি কোন সমস্যা হয়ছে?

অনু বললো,

-" আপনায় পুরুষত্বহীন অপবাদ দিয়ে আমি আমার কাজিন আরিফকে বিয়ে করি। সে তার পুরুষত্ব প্রমাণ করার জন্য প্রতিদিন রাতেই আমার উপর নির্যাতন চালায়। তরকারিতে লবণ বেশি হলে আমার গালে থাপ্পড় মেরে তার পুরুষত্ব প্রকাশ করে, জামা কাপড় সময় মতো না ধুলে আমার চুলের মুঠি ধরে পুরুষত্ব প্রকাশ করে।  আর কিছু হলেই আমার চরিত্র নিয়ে নোংরা নোংরা কথা বলে। আমি নাকি এক নাম্বারের ধোকাবাজ। অথচ আমি ওকে পাবার জন্যই সব করেছি"


আমার প্রাক্তন স্ত্রীর কথা শুনে আমি একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললাম,

-- নিজের স্ত্রীর গায়ে হাত তুলে যদি কেউ পুরুষত্ব প্রকাশ করতে চায় তাহলে সে পুরুষ না কাপুরুষ। তোমার প্রতি আমার অনেক রাগ আর ঘৃণা ছিলো। আজকের পর আর কিছুই নেই। তুমি আমায় যতখানি কষ্ট দিয়েছো তারচেয়ে বেশি পাচ্ছো। তাই শুধু শুধু তোমার প্রতি রাগ পুষে রেখে লাভ নেই। 


এই কথা বলে আমি চলে গেলাম আর ভাবতে লাগলাম,

উপরওয়ালা ছাড় দেন কিন্তু ছেড়ে দেন না। আজ তোমার প্রতি যদি কেউ অন্যায় করে তবে সে কাল নয়তো পরশু সেই অন্যায়ের শাস্তি পাবে।


(সমাপ্ত)

সকালে বাবাকে মেসেজ দিয়ে জানালাম," বাবা আমার নতুন বই আসছে।"

বাবা কোনো জবাব দিলো না! আমার একটু খারাপ লাগছে!  বাবা তো বই বের করার জন্য অনেকবার বলেছে। আজ মনে হলো একটুও খুশি হয়নি।

মোবাইল টোবাইল সব বন্ধ করে চলে গেলাম এক বন্ধুর বাসায়। 

আমাকে দেখে বন্ধু বেশ খুশি হলো! নতুন বই বের হচ্ছে শুনে শুভেচ্ছা জানাল।

দুই বন্ধু মিলে আড্ডা মারছি।  বন্ধুর বাসায় আজ কেউ নাই। সবাই কোথায় যেন ঘুরতে গেছে।

সারাদিন কেটে গেল মুভি দেখে। দুপুরে ফ্রিজ রাখা খাবার খেলাম। মুভি দেখতে দেখতে  ঘুমিয়ে পড়েছি। 

ঘুম ভাঙলো বন্ধুর ডাকে, "উঠ তাড়াতাড়ি। "

"তোদের বাসায় যেতে হবে।"

মনে হয় বাবা ওকে কল দিয়েছে।  বুঝতে পারছে মনে হয় আমার মনখারাপ হয়েছে।  

বন্ধুর সাথে বাসায় আসলাম।  বাসায় অনেক আত্মীয় স্বজন এসেছেন।  বাবা মনে হয় সবাইকে খবর দিয়েছেন।  এখন বুঝতে পারছি বাবা ঠিকই খুশি হয়েছেন।

বাসার ভিতরে ঢুকে দেখলাম ছোটো বোন দাঁড়িয়ে আছে।  আমি ডাকলাম ঠোঁট বাঁকিয়ে চলে গেল! 

আমার বন্ধু রাসেল এসেছে । আমাকে দেখে ঠোঁট টিপে হাসছে!  

"কী রে তুই কখন আসলি?"

"আসছি অনেকক্ষণ। আয়। "

আমার রুমে গেলাম ওর সাথে।  রুমে গিয়ে দেখি একটা মেয়ে বসে আছে। 

"আপনি কে?"

মেয়েটা আমার দিকে তাকিয়ে বলল, "আমি সুমি।"

"আমার রুমে কী করেন?"

আমি এসেছিলাম বাসা ভাড়া নেয়ার জন্য। আপনাদের বাসায় আসার সাথে সাথে একজন মহিলা গেট খুলে বললেন,  "এসো ভিতরে। "

আমি কিছুই বুঝার আগেই আমাকে আপনার ঘরে এনে বসাল। তারপর একজন করে আসছে আর দেখে যাচ্ছে।  আমাকে কিছুই বলতে দিচ্ছে না।

শুধু মহিলা কঠিন করে বললেন, "চুপ করে ঘরে বসে থাক।  আমি সব ব্যবস্থা করছি। গাধাটা মোবাইল বন্ধ করে রেখেছে!  কোথায় গিয়ে বসে আছে কে জানে?"

বন্ধু বলল, "তুই আংকেল কে কী মেসেজ দিয়েছিস?"

"আমার নতুন বই আসছে এটা জানিয়েছি।"

"দেখি মোবাইলটা দে তো।"

আমি মেসেজটা বের করে দেখালাম।

"আমার নতুন বউ আসছে!"

কপি

পেস্ট

একটু খানি আদব,,,তানজিন আরেফিন আদনান এর পোস্ট মোঃকাসেম আফ্ফান ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 #একটুখানি_আদাব: ৩


বায়ু ত্যাগ করা আমাদের প্রত্যেকেরই চিরায়ত স্বভাব। এবং এটা আমাদের সুস্থতার জন্য আবশ্যকও বটে। ভেতরের অযাচিত বায়ুগুলো নিঃসারণ হওয়ার একমাত্র উপায় এটিই।


কিন্তু আমাদের অনেকেরই অভ্যাস হলো, কেউ বায়ু ত্যাগ করলেই হেসে লুটোপুটি খান। বায়ু ত্যাগকারী ব্যক্তিটি যেন মহা লজ্জার কাজ করে ফেলেছেন। এবং এতে বেচারাও বেশ অস্বস্তিতে পড়ে যান। বিশেষ করে বন্ধুমহলে এমনটা দেখা যায় বেশি। অথচ হাদীসের মধ্যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমনটা করতে স্পষ্ট নিষেধ করেছেন। সহীহ বুখারীতে রয়েছে, عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَمْعَةَ، قَالَ نَهَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَضْحَكَ الرَّجُلُ مِمَّا يَخْرُجُ مِنَ الأَنْفُسِ


আবদুল্লাহ ইবনু যামআ রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষের বায়ু নির্গমনে কাউকে হাসতে নিষেধ করেছেন। (সহীহ বুখারী, ৬০৪২ নং হাদীস)


আরেক হাদীসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, 

لِمَ يَضْحَكُ أَحَدُكُمْ مِمَّا يَفْعَلُ


অর্থাৎ তিনি বায়ু নিঃসরণের পর হাসি দেয়া সম্পর্কে বললেন, তোমাদের কেউ কেউ হাসে এমন কাজের জন্য, যে কাজটি সে নিজেও করে। (সহীহ বুখারী, ৪৯৪২ নং হাদীস)


হাতেম রহ. নামে একজন তাবি-তাবিয়ী ছিলেন। একবার তাঁর কাছে এক মহিলা এসেছিলেন একটি মাসআলা জানতে। মাসআলা জানতে এসে মহিলা সশব্দে ‘শব্দ দূষণ’ করেন! একজন সম্ভ্রান্ত মুফতির কাছে এসে কী এক অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়লেন তিনি! লজ্জায় যেন লাল হয়ে যাচ্ছেন।


ইমাম হাতেম রহ. প্রশ্নকারী মহিলার প্রশ্ন শুনেও নিজের কানের দিকে ইঙ্গিত করে বললেন, “জোরে বলুন।” তিনি এমন ভাব দেখালেন যে, তিনি কানে কম শোনেন। প্রশ্নকারী মহিলা যখন বুঝলেন, ইমাম সাহেব বধির, তখন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন। যাক, এর মানে ইমাম সাহেব তার ‘শব্দ’ শুনতে পাননি।


মহিলা চলে গেলেন। কিন্তু ইমাম সাহেব যে বধির হবার ভান করেছিলেন, সেটা অব্যাহত রাখেন। যখনই কেউ তার কাছে কিছু জানতে আসত, তিনি বলতেন “জোরে বলো”।

কারণ, ওই মহিলা যদি কখনো জানতে পারেন যে, ইমাম সাহেব বধির ছিলেন না, তাহলে তো তিনি লজ্জা পাবেন।


একজন মুসলিম মহিলার ইজ্জত রক্ষার জন্য ইমাম হাতেম রহ. মৃত্যু অবধি বধির থাকার ভান করে যান। যার কারণে তিনি পরিচিত হয়ে যান ‘আসম’ অর্থাৎ বধির নামে। তাঁকে মানুষ চিনত ‘হাতেমে আসম’ বা বধির হাতেম নামে।


ইসলাম এই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বিষয়টার দিকেও নজর রেখেছে। ইসলাম আমাদেরকে জনসম্মুখে লজ্জিত হবার হাত থেকে রক্ষা করতে চায়। ইসলাম চায় না আমরা সবার সামনে হাসিরপাত্রে পরিণত হই।

কপি
পেস্ট

মানব সৃষ্টির রহস্য,,, তাবলীগ জামাত ফেইসবুক থেকে নেওয়া

দুর্গন্ধময় মাটি ও এক ফোঁটা বীর্য।

নারী পুরুষের মিলনের ফলে তোমার সৃষ্টি।

৩১০ দিন অন্ধকার গর্তে পড়েছিলে তুমি।

ছিলো না কোনো পানি আলো বা বাতাস,,,,

ছিলো না কোনো খাদ্য বা পানীয়,,, তুমি বেঁচে ছিলে মাসের পর মাস ধরে, বলো কে তোমাকে বাঁচিয়ে রেখেছিল??!!


মায়ের পেটে ছিলে তুমি। তোমাকে দেখে রাখার মতো কেউ ছিলো না,, চোখ ফোঁটেনি ধপাস ধপাস করে মায়ের পেটে লাথি মারতে, তোমার মা''উহ''করে উঠতো।


তুমি বোবা ছিলে,জবান ফোঁটেনি আমি (আল্লাহ) তোমার দুটো ঠোঁটকে জোড়া লাগিয়ে রেখেছিলাম। নাকের ছিদ্রে দিয়ে রেখেছিলাম কুদরতের পরশ,,, কানের ছিদ্রে দিয়ে রেখেছিলাম কুদরতের পট্টি। 


যদি এগুলো খোলা থাকতো তাহলে মায়ের বিষাক্ত রক্ত ও পানি গিয়ে মূহুর্তেই তোমাকে মেরে ফেলতো।


বলো কে তোমাকে বাঁচিয়ে রেখেছিল??!!

কে??

কে??

কে,,, করেছিলো এগুলো?!!!


"বান্দা" আমি কাদের তুমি মাকদুর।

" বান্দা" আমি জাবের তুমি মাজবুর।

"বান্দা" আমি রাজ্জাক তুমি মারজুক।

" বান্দা" আমি রব তুমি মারবুব।

"বান্দা" আমি মালেক তুমি মামলুক।


বড়ো হয়েছো!! কি প্রতিদান দিলে?? 

যৌবন লাভ করেছো আমাকে কতবার খুশি করেছো??!!

আমার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছো!! 

অথচ আমি তোমাকে বাঁচিয়ে রেখেছিলাম আমার কুদরতের পরশে !!! 


যদি কখনো ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা চেয়ে ফিরে আসো, তবে জেনে রেখো আমার ক্ষমা ও দয়ার দরজা সবসময় তোমার জন্য খোলা থাকবে।


(আল্লাহ তায়ালা আমাকে ও সবাইকে সহিহ বুঝ দান করুক ও হেদায়েত দান করুন আমীন 💖💞)

কপি

পেস্ট 

মোসারফ করিম ফান পেইজ

আমরা চোখের সামনে যা দেখি মনে করি সেগুলো সবই সঠিক, কিন্তু চোখের অগোচরে যে কতটা ভুল লুকিয়ে থাকতে পারে সেটা অনেকের ধারণার বাহিরে...।

 

 বর্তমান সমাজ ব্যবস্থায় একজন শুদ্ধ মনের মানুষ খোজে পাওয়া খুবই বিরল.।


একটা প্রবাদ আছে "দুর্জন বিদ্ধান হলেও পরিত্যাজ্য"

প্রবাদটা আমরা অনেকেই জানি, কিংবা বাংলা ব্যকারন বইয়ে অনেকে পড়েছিও।

কথাটা অতিক্ষুদ্র হলেও এর মর্ম বিশাল।


আমাদের সমাজে এমন কিছু লোক আছে যাদের দেখে আমরা অনুপ্রাণিত হই, মনে করি তাদের কাছ থেকেই আমরা অনেক কিছু শিখে নতুন প্রজন্মকে সেই শিক্ষাটাই দেব। 

আগের প্রজন্ম যেভাবে সমাজকে এগিয়ে নিয়ে গেছে তাদের গল্প শুনে পরবর্তী প্রজন্মও এগিয়ে যাবে.।


কিন্তু যাদের আমরা আইডল মনে করি তাদের ভিতরেও যে খুঁত থাকতে পারে সেটা অনেকেরই জানাশোনার বাহিরে.

দূরে থেকে হয়তো বুঝতে পারি না কিন্তু কাছে গেসলে ঠিকই ধারণা করা যায়..। 


 আবারও দেখে নিলাম পবিত্র ঈদুল আযহায় প্রচারিত,,


 ঈদের বিশেষ নাটকঃ "গল্পের ফেরিওয়ালা"। 


রচনা ও পরিচালনায়ঃ শিখর শাহনিয়াত।


অভিনয়ঃ মোশাররফ করিম, নিশাত প্রিয়ম, শহিদ আলম সাচ্চু, অনুভব মাহবুব, সেলজুক ত্বারিক, ফরহাদ লিমন সহ অনেকেই।,,,,,,,,,,,,,,, 

,,,,,,৷৷ ,,,,,,,,,,,,,,, 

শুভ জন্মদিন চিত্রগ্রাহক, লেখক ও নির্মাতা Sohel Hasan . মোশাররফ করিম অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের পক্ষ থেকে আপনাকে জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।  আগামীর জন্য শুভ কামনা।।  

মোশাররফ করিম অভিনীত সোহেল হাসানের নির্মানে এখনো পর্যন্ত ৭টি নাটকের নাম  নিম্নরুপঃ---- 

 ♦ইহার চেয়ে উহাই উত্তম 
 ♦অনাত্নীয় দম্পতি 
 ♦নো প্রেম নো বিয়ে 

 ♦উত্তরাধিকারী
 ♦হ্যাপি বার্থডে
 ♦জামাই রাজা 
 ♦রঙের মানুষ ঢঙের খেলা (ধারাবাহিক)
কপি 
পেস্ট 

বুখারী শরীফ হাদীছ ফেইসবুক গ্রুপ থেকে নেওয়া

❝ইবলিশ শয়তান ৬ লক্ষ বছর আল্লাহর ইবাদত করেছিল আর তাকে যখন শয়তান বলে আরশ থেকে নিক্ষিপ্ত করা হচ্ছিল তখন সে বলেছিল আমি যত বছর আপনার ইবাদত করেছি এর পরিবর্তে আমি যা চাই তাই দিতে হবে❞.........


❝আল্লাহ বলেন,, কি চাও❞??


❝উওরে শয়তান বলল,, হে আল্লাহ আপনি আমাকে পৃথিবীতে মারদুদ হিসেবে নিক্ষেপ করেছেন আমার জন্য একটি ঘর বানিয়ে দিন❞,,,,,,,, 


❝আল্লাহ পাক বলেনঃ তোমার ঘর হাম্মাম খানা❞,,,,,


 ❝শয়তানঃ একটি বসার জায়গা দিন❞..


❝আল্লাহ পাক বলেন,, তোমার বসার জায়গা বাজার ও রাস্তা❞,,,,,,,


 ❝শয়তানঃ আমার খাওয়ার প্রয়োজন❞


❝আল্লাহ পাক বলেন,, তোমার খাওয়া ঐ সব জিনিস যাতে আল্লাহর নাম নেয়া হয় না❞,,,,,,


❝শয়তানঃ আমার পানীয় প্রয়োজন❞


❝আল্লাহ পাক বলেন,, নেশাদ্রব তোমার পানি❞


 ❝শয়তানঃ আমার দিকে আহবান করার কোন মাধ্যম দিন❞..........


❝আল্লাহ পাক বলেনঃ নাচ-গান, বাদ্য-বাজনা তোমার দিকে আহবান করার মাধ্যম❞.....


❝শয়তানঃ আমাকে লিখার কিছু দিন❞


❝আল্লাহ পাক বলেনঃ শরীরে দাগ দেওয়া উল্কি ট্যাটু অংকন করা❞,,,,,,


❝শয়তান: আমাকে কিছু কথা দিন❞......


❝আল্লাহ পাক বলেন,, মিথ্যা বলা তোমার কথা❞,,,,


❝শয়তানঃ মানুষকে বন্দি করার জন্য একটি জাল ফাদ দিন❞....


 ❝আল্লাহ পাক বলেন তোমার জাল ফাদ হলো বেপর্দা নারী❞


❝রেফারেন্স: তাবরানী অধ্যায়, মাজমাউজ্জা ওয়ায়েদ,,

হাদিস❞ নঃ ২/১১৯


❝হে আমার রব!আমাদের সবাইকে শয়তানের ধোকার হাত থেকে রক্ষা করো❞।

❝আমিন❞ 

কপি
পেস্ট

১০০ বগি নিয়ে ছুটল ২ কিলোমিটার লম্বা ট্রেন

 ১০০ বগি নিয়ে ছুটল ২ কিলোমিটার লম্বা ট্রেন


সুইজারল্যান্ড দীর্ঘ যাত্রীবাহী ট্রেন চালিয়ে নতুন একটি রেকর্ড গড়ে ফেলেছে। এ যাত্রীবাহী ট্রেনে ছিল ১০০ বগি। পরপর ১০০ বগির কারণে ১ দশমিক ৯ কিলোমিটার লম্বা ছিল ট্রেনটি। আলপ্স পর্বতমালার ওপর দিয়ে ২৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েই রেকর্ড গড়ে ফেলেছে ট্রেনটি।


সুইজাল্যান্ডের প্রকৌশল খাতের অর্জনকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। আর এ আয়োজন করা হয় সুইস রেলওয়ের ১৭৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানকে স্মরণীয় করে রাখতে দিবসটি উপলক্ষে গত শনিবার প্রায় দুই কিলোমিটার লম্বা এই যাত্রীবাহী ট্রেনটি চালিয়েছে দেশটির রিহেটিয়ান রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। সাড়ে ৪ হাজার আসনের ট্রেনটিতে ট্রেনটিকে বিশ্বের সর্ববৃহৎ যাত্রীবাহী ট্রেন বলা হচ্ছে।


ইউনেসকো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যর স্বীকৃতি পাওয়া পূর্ব সুইজারল্যান্ডের প্রেডা থেকে আলভ্যানিউ পর্যন্ত ২৫ কিলোমিটার রেলপথ পাড়ি দিতে ট্রেনটির সময় লেগেছে প্রায় এক ঘণ্টা। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রেডা ও আলভ্যানিউর উচ্চতা যথাক্রমে ১ হাজার ৭৮৮ মিটার ও ১ হাজার মিটার।


প্রেডা থেকে আলভ্যানিউ পর্যন্ত পুরো রেলপথই খুব অসমতল, বিশেষ করে পুরো লাইনটি ন্যারো গেজ হওয়ায় এই ট্রেনের যাত্রা সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবাক করেছে। এক হাজার ৯১০ মিটার লম্বা ট্রেনটি যাত্রা পথে ২২টি টানেল ও গভীর উপত্যকার ওপর দিয়ে ৪৮টি সেতু পার হয়েছে।


৭ জন চালক ও ২১ জন প্রকৌশলী এ ট্রেন চালানোয় যুক্ত ছিলেন। প্রথম পরীক্ষায় ট্রেন থামানোর জন্য মূল চালক আন্দ্রেস ক্রামের (৪৬) অন্য চালকদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন।


পরে বিশেষ যোগাযোগব্যবস্থা চালু করে একই গতিতে ট্রেনটি পরিচালনায় সক্ষম হন চালকেরা। এর আগে সবচেয়ে লম্বা যাত্রীবাহী ট্রেনের রেকর্ড ছিল বেলজিয়ামের দখলে।


© 

প্র

ম 

লো

কপি
পেস্ট

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...