এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২২

যে সুন্নাহ মৃত্যুর পরেও থাকে

 দাড়ি -ঃ যে সুন্নাহ মৃত্যুর পরেও থাকে

.

মৃত্যুর পর পুরুষদের দৃশ্যমান সুন্নাহ হচ্ছে দাড়ি। প্রিয় নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একজন দাড়িওয়ালা সুন্দর চেহারার মানুষ ছিলেন। একজন নবীপ্রেমি মাত্রই রাসূলের সুন্নাহকে আকড়ে ধরতে চাইবে। তাঁর মুহাব্বতে স্বীয় বেশভূষা, আমল, আখলাক সহ সকল পালনীয় সুন্নাহের প্রতি আমলে সচেষ্ট থাকবে। এটাই তো নবীপ্রেমের বাহ্যিক প্রমাণ। 

.

প্রত্যেকেই চায় তার প্রতি ভালবাসার নিদর্শন দেখতে। এটা তো এক স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। নিকষ কালো আধারিতে আরামের ঘুম থেকে উঠে ‘কে’ তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করে‚ ফযরের দুই রাকাত সুন্নাত সালাত ‘খুশু খুজুর সাথে আদায় করে অথবা রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহের উপর নিয়মিত আমল করে, তা বাহির থেকে দেখে উপলব্ধি করা খুবই কষ্টকর। তবে কারো মুখে যদি দাড়ি থাকে, গায়ে সুন্নাতি লেবাস থাকে আর মাথা ঢাকা থাকে তবে অন্ততপক্ষে বাহির থেকে দেখে কিছুটা হলেও আঁচ করা যায় ‘কে’ আসলে প্রকৃত রাসূলপ্রেমিক! কিছু ভালবাসার হোক না বাহ্যিক প্রমাণ। 

.

সকল নবী-রাসূলগণের দাড়ি ছিল। এমনকি সকল আম্বিয়ায়ে কেরামগণেরও দাড়ি ছিল। আব্দুল্লাহ ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন‚ “তোমরা গোঁফ অধিক ছোট করবে এবং দাড়ি ছেড়ে দিবে (বড় রাখবে)। অর্থাৎ মুশরিকদের উল্টো করবে।” (বুখারী, ৫৮৯২-৯৩; তিরমিজি, ২৭৬৩-৬৪; মুসলিম, ২৫৯)

.

দাড়িই পুরুষের একমাত্র দৃশ্যমান সুন্নাহ যেটা নিয়ে আমরা আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে পারি। যে অবস্থায় ব্যক্তি মারা যাবে সে অবস্থায় তাকে হাশরে উদিত করা হবে। একবার ভাবুন তো‚ হাশরের ময়দানে আমার মুখে দাড়ি না থাকার কারণে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কতটা কষ্ট পেতে পারেন!   

.

তবে আশা জাগানিয়া একটি বিষয় দৃশ্যমান হচ্ছে, বর্তমান সময়ে তরুণদের মধ্যে দাড়ি রাখার একটি প্রচলন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আলহামদুলিল্লাহ। 

.

আমরা যারা ইতিমধ্যে নবীজির সুন্নাহ দাড়ি রেখেছি আমরাও চেষ্টা করবো রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহের উপর যথাসাধ্য আমল করতে। ইন শা আল্লাহ‚ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদেরকে ইসলামের পথে জান্নাতের সুশীতল ছায়ার মালিক হিসেবে কবুল করে নিবেন।

 { আমিন}

কপি
পেস্ট 

ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মসজিদমুখী করার অভিনব কর্মসূচি

 ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মসজিদমুখী করার অভিনব কর্মসূচি :


মিরপুর DOHS কেন্দ্রীয় মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে অনুর্ধ-১৬ বছরের শিশু-কিশোরদের মসজিদমুখী করণের জন্য এক ব্যাতিক্রমধর্মী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। যারা প্রতিদিন ফজর ও ঈশার নামাজ একটানা ৪০ দিন মসজিদে জামাতের সাথে পড়তে পারবে তাদেরকে বিশেষভাবে পুরষ্কৃত করা হবে বলে জানানো হয় এবং আগ্রহীদেরকে নিবন্ধন করতে বলা হয়।

নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে  সেপ্টেম্বরের ১৬ তারিখ থেকে এই কার্যক্রম শুরু হয়।  


তিন শতাধিক শিশু-কিশোর নিবন্ধন করেছিলো, তাদের উপস্থিতির রেকর্ড দ্রততর করার জন্য বায়োমেট্রিক এটেনডেন্সের ব্যবস্থা করতে গিয়ে দেখা যায় অনেক বাচ্চা এত ছোট (৫-৬ বছরের) যে তাদের ফিঙ্গার প্রিন্টই  হয়নি। তাদের জন্য এটেনডেন্স খাতায় উপস্থিতির রেকর্ড রাখা হয়। 

আলহামদুলিল্লাহ এদের মধ্যে ২৩২ জন সাফল্যের সাথে এই ৪০  দিনের কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়।


গতকালকে এই ২৩২ জনকে ২৩২ টি বাইসাইকেল ও অন্যান্য উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়। আর যারা পারেনি তাদেরকেও সান্ত্বনা সূচক উপহার প্রদান করা হয়। নিঃসন্দেহে এটি অনেক প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

আল্লাহ পাক আয়োজকদের এর উত্তম প্রতিদান দিবেন।


আমাদের আগামী প্রজন্ম (যারা মুসলিম) যদি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া, ধুমপান ও মাদক থেকে দূরে থাকা , খেলাধুলা ও শরীর চর্চা এই তিনটি কাজ ভালোভাবে করতে পারে তাহলে পড়াশোনা, নৈতিক শিক্ষা এসব বিষয়গুলো এমনিতেই অনেক সহজ ও সাবলীলভাবে হয়ে যাবে । যাদের সমার্থ আছে তারাও তাদের নিজ নিজ এলাকায় এমন কার্যক্রম গ্রহণ করলে সামাজিক অবক্ষয় অনেক কমে যাবে আশা করা যায় ।

কপি
পেস্ট

সকাল সাতটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/০৬

সকাল ৭ টার সংবাদ। তারিখ: ০৬-১১-২০২২ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


* জাতীয় সমবায় দিবসের উদ্বোধন করে যুবকদের চাকরির পিছনে না ছুটে সমবায়ে এগিয়ে আসার আহবান জানালেন প্রধানমন্ত্রী। 


* আজ শুরু হচ্ছে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। 


* বিএনপির ক্ষমতা দখলের স্বপ্ন রঙিন খোয়াব ছাড়া আর কিছুই নয় - মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের।


* দেশের চলচ্চিত্র অচিরেই বিশ্বদরবারে মর্যাদার আসনে আসীন হবে - আশাবাদ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।


* ২০১৩ থেকে ২০১৫ সালে বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রতিবাদে আজ ‘অগ্নি সন্ত্রাসের আর্তনাদ’ শীর্ষক এক কর্মসূচির আয়োজন করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।


* মিশরের শারম-আল-শেখ নগরীতে আজ শুরু হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কপ-টোয়েন্টি সেভেন শীর্ষ সম্মেলন।


* আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের তিনটি খেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ - অ্যাডিলেইডে পাকিস্তানের মুখোমুখী হবে বাংলাদেশ। 

মানুষের পার্থক্য•

•••••••••••••••মানুষের পার্থক্য••••••••••••••• 

একটি আরব দেশের লোক কিছু দিন হলো সে ডিউটিতে আসে না পরে আমি শুনতে পেলাম যে সে অসুস্থ 😶


কিছুদিন পরে তিনি ডিউটিতে আসলো আমি তাকে বলল যে আপনি কেমন আছেন তিনি বললে যে আলহামদুলিল্লাহ ভালো ❤️


পরে আমি বললাম যে আপনি নাকি অসুস্থ সে আবার ও উত্তর দিলো যে আলহামদুলিল্লাহ ❤️

 

কিছু ক্ষন পরে দেখলাম তিনি কাপছে অনেকটাই অসুস্থ পরে আমি বললাম যে আপনি ভিতরে জান আপনি তো অসুস্থ 😰


তিনি তখন মুখ দিয়ে শুধু একটি শব্দই বের করছে 

ইয়া রাব্বি, ইয়া রব , ইয়া রাব্বি, ইয়া রব , তিনি বারে বারেই এই শব্দ বের করছে তাই ছাড়া আর কিছুই বলছে না ❤️


আমি ভীষন অবাক হলাম তিনি সৌদি আরবের সবথেকে ভালো কোম্পানির মধ্যে তার কোম্পানির ফর মেন তিনার অনেক সম্মান তিনি অনেক বড় অফিসার তিনি চাইলে তো একটু রেস্ট করতে পারে কিন্তুক তিনি সেখানেই দাড়িয়ে রইলেন 😶


এমন কি আমি তাকে যে বললাম যে আপনি তো অসুস্থ আপনি এক্ষণ ভিতরে জান তিনি আমাকে দুইটা শব্দ বারে বারে শুনলেন , আলহামদুলিল্লাহ , এবং ইয়া রব্বি

ইয়া রব ❤️ 


আমারা এমনটা করি কখনোই না আমি অসুস্থ হলে বরং আল্লাহকে দায়ী করি আস্তাগফিরুল্লাহ 😭


কিন্তুক তারা কি করে তারা বরং আল্লহর শুকরিয়া কামনা করে তারা মনে করে যে আল্লাহ তাকে রোগ দিয়েছে তার ভালোর জন্যই তাই তারা কোনো অভিযোগ করে না আর আমরা তো আল্লাহকে বিশ্বাস করি না (আস্তাগফিরুল্লাহ) তাই আমার আল্লাহকে অভিযোগ করি 😭😭


 ইয়া রাব্বি ইয়া রব তুমি আমাকে ক্ষমা করো 🤲🤲😭 

কপি
পেস্ট

প্রানখুলে হাসতে চাইলে পড়ুন

 হাসুন প্রাণ খুলে ۔۔😁😁


নুনু মিয়া নামের এক লোক নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দাঁড়াইছে। পরদিন স্থানীয় পত্রিকার শিরোনাম!


"নুনু খাড়াইছে!"


খবর দেখে নুনু মিয়ার মেজাজ গরম হইছে। তিনি পত্রিকা অফিসে ফোন করে রাগী গলায় বকা ঝকা করলেন। পরদিন পত্রিকার শিরোনাম এসেছে


"নুনু গরম হইছে!"


নুনু মিয়া ভোটে দাঁড়াইছে এই খবর এলাকার বড় এক বয়স্ক নেতা জানেন না। মূলত তিনি একই দলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও রানিং চেয়ারম্যান। সাংবাদিকরা ওনার কাছে গিয়ে অনুভূতি জানতে গেলে উনি বলেন-


 "নুনু আবার কবে খাড়াইল? আমিতো টেরই পেলাম না।"


এদিকে সেই এলাকায় চেয়ারম্যান পদে দাড়িয়েছেন এক মহিলা। তিনি নুনু মিয়ার ঘোর বিরোধী। তিনি নারীদের নিয়ে নুনু মিয়ার বিরুদ্ধে মিছিল করলেন। নারীরা পত্রিকায় সাক্ষাৎকার দিল। পরদিন পত্রিকার শিরোনাম এসেছে!


"এলাকার নারীদের খুশী করতে পারেনি নুনু!"


"খবর দেখে এবার পত্রিকাওয়ালার বিরুদ্ধে সেই মহিলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ক্ষেপে গেছেন। তিনি ও নুনু মিয়া একই দলের লোক। ওনাকে কেন্দ্র থেকে বকা দিয়েছে। বকা খেয়ে তিনি পত্রিকায় ফোন করে বলেন " এই সামান্য বিষয় নিয়েও আপনারা শিরোনাম করেন!" ওনার সাথে আমার কোন ব্যাক্তিগত ঝামেলা নেই। আপনারা আগামীকাল সঠিক খবর প্রকাশ করুন। পরদিন পত্রিকার শিরোনাম এলো!


"মহিলা চেয়ারম্যান প্রার্থী নুনুতে সন্তুষ্ট!"


বিষয়টা দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের গোচরে আসল। তারা ভাবলেন গ্রুপিং করার চেয়ে সেখানে একজন মোটিভেশনাল স্পিকার পাঠানো দরকার যিনি সবাইকে বোঝাবেন। কেন্দ্র থেকে 'সোনাইমাল' নামের এক মোটিভেশনাল স্পিকারকে পাঠানো হল। যাকে আবার আদর করে লোকজন 'মাল' ডাকেন। সোনাইমাল সাহেব নুনু সাহেবকে চিনতেন না। তিনি মোটিভেশান দেয়ার জন্য ঐ এলাকার এক ক্লাবে গেলেন। এদিকে নুনু সাহেবও ঐ ক্লাবে ঢুকলেন। নুনু মিয়াকে দেখেই সোনাইমালের মেজাজ গরম হয়ে গেল। এই নুনু মিয়া একদিন তার এক পোস্টে কমেন্ট করছিল "এত চিকনা পাছা দিয়া হাগেন কেমনে?" সেই থেকে সোনাইমাল সাহেব এই লোককে খুঁজছে। কিন্তু নুনু সাহেব সরকারি দলের লোক৷ তাকে ক্ষেপালে ঝামেলা আছে। তিনি রাগ করে ক্লাব থেকে বেরিয়ে গেলেন। পরদিন পত্রিকার শিরোনাম এলো!


"নুনু ঢোকার সাথে সাথেই মাল আউট"


এইবার নুনু মিয়া পড়লেন টেনশনে। কেন্দ্র থেকে পাঠানো মোটিভেশনাল স্পিকার ফেরত গেছে। কেন্দ্রের লোকজন ক্ষেপলে নমিনেশন পাবে না। নমিনেশন প্রত্যাশী দলের আরেক প্রার্থী সোনা মিয়া উচ্চ মহলে তদবির করছেন। শোনা গেছে উনি এজন্য বেশ টাকা পয়সা খরচ করছেন। এর মধ্যে কেন্দ্রের এক নেতা ফোন করে বললেন "নমিনেশন তোমার ইয়ে দিয়ে ভরে দিব"। দুঃখে নুনু মিয়া কয়েকদিন প্রচারণা বন্ধ রাখলেন। শুধু শুধু টাকা নষ্ট করার মানে হয় না।

একদিন পত্রিকার শিরোনাম এলো-


"মাল আউটের পরে নিস্তেজ নুনু"


এদিকে নুনুর পক্ষে আসলেন আরেক বড় নেতা। সবাই তাকে 'মাল' বলে ডাকেন। ওনার নামও মাল। নুনু মিয়া এবার উজ্জীবিত হলেন। তিনি আবারও প্রচারণা শুরু করলেন।

পত্রিকার শিরোনাম এলো!


'মালে পরিপূর্ণ নুনু সতেজ হয়ে গেছে!"


কিন্তু নুনু মিয়ার টেনশন এখনো দূর হয় নাই। কারণ তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সোনা মিয়া। এই দিকে পত্রিকায় প্রায়ই খবর আসে!


"কে বড়? সোনা? নাকি নুনু?"


অবশেষে নুনু মিয়া সফল হলেন। মাল সাহেবের প্রচেষ্টায় তিনি নমিনেশন পেলেন। জেলা পর্যায়ের নেতারা যারা এতদিন সোনা মিয়াকে গুরুত্ব দিত তারা এখন সবাই নুনুর পক্ষে। পত্রিকায় শিরোনাম এলো!


"নুনু এখন আগের চেয়ে শক্তিশালী। সবাই নুনুতে তেল মাখাচ্ছে!"😂🤣😂

কপি
পেস্ট 

সাপে কামড়ালে করণীয়

 সাপে কামড়ালে করণীয় 


ওষুধের নাম: injection antivenom

ওষুধের নামটা লিখে রাখুন আপনার ডায়েরিতে। এবং বাঁচাতে পারেন একটি মানুষের জীবন। যদি কোন মানুষকে সাপে কামড় দেয় তাহলে দেরী না করে Antivenom ইনজেকশন দিতে হবে। যদি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা ফার্মেসিতে না পান তাহলে ইনসেপটা ফার্মাসিউটিক্যালস এর এম পিওদের ফোন করলেই পাবেন

এই বর্ষায় সর্বত্র সাপের উপদ্রব বেড়ে যায়৷ 

সাপ ছোবল মারলে ঠিক কি করা উচিত আর কি উচিত নয় জেনে নিন।

উচিৎ :

* অ্যাম্বুলেন্স ডাকতে হবে সবার আগে।

* ছোবলের শিকার যিনি হয়েছেন তাঁকে শান্ত করিয়ে একটা জায়গাতে বসাবেন। 

* বেশী নড়াচড়া করলে বিষ সারা শরীরে ছড়িয়ে যেতে পারে।

* ক্ষতটিকে পানি দিয়ে পরিস্কার করবেন।

* ক্ষত স্থানটিকে পরিস্কার কাপড় দিয়ে মুড়ে দেবেন।

* চিকিৎসকের পরামর্শে দ্রুত এন্টিভেনম ইনজেকশন দিতে হবে৷

অনুচিত:

* ক্ষতস্থানে বরফ ঘষবেন না।

* ক্ষতস্থানটিকে কাটবেন না, তাতে শিরা কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

* ক্ষতস্থান থেকে মুখে করে রক্ত বের করবেন না।

* আহত ব্যাক্তিকে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনও ওষুধ খাওয়াবেন না।

* ছোবল মারার পর এ্যালকোহল জাতীয় কোন কিছু পান করাবেন না, তাতে শরীরে বিষ ছড়িয়ে যেতে পারে।


অতিজরুরী পোস্ট ۔۔۔۔

কপি
পেস্ট 

পোস্টটি সকলের জন্য অবধারিত

 পোস্টটি সকলের জন্য অবধারিত !!


লেখাটি না পড়ে চোখ ফিরানো গেলোনা! 



ভাবছেন আপনি মারা গেলে মানুষ আপনাকে মনে রাখবে ?  আপনার অভাব অনেকেই ফিল করবে ? 


ভুল ভাবছেন!


মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আপনজনদের কান্নার শব্দ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে। 


অন্তিম বিদায় দিতে আসা লোকদের মধ্যে কেউ কেউ ফোনে কারোর সঙ্গে বকবক করতে ব্যস্ত থাকবে; কেউ ফেসবুক, কেউ whatsapp-এ মশগুল থাকবে। আবার দূরে জটলা পাকিয়ে কিছু লোক সংসার, ব্যবসা, খেলা, রাজনীতি –এইসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে থাকবে। আত্মীয়স্বজনকে খাওয়াতে আর তাদের দেখাশোনা করতে ব্যস্ত হয়ে পড়বে পুরো পরিবার। 


কিছু পুরুষ চা খেতে উশখুশ করবে। ব্যবস্থা নেই দেখে বাইরের দোকানে চলে যাবে। 


কোনো আত্মীয় বা বন্ধু আপনার ছেলে বা মেয়ের কাছে ফোন করে জানাবে যে ইমার্জেন্সি কারণে সে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হতে পারবে না। 


পরের দিন রাতে খাওয়ার পর কিছু আত্মীয়ের সংখ্যা কমে যাবে, কিছু লোক আবার রান্নায় লবন কম ছিল–এই নিয়ে বিরক্ত হবে। 


ভীড় ধীরে ধীরে হালকা হতে থাকবে। 

পরবর্তী কয়েক দিন আপনার ফোনে কিছু কল আসতে পারে আপনি মারা গেছেন এটা না জানার কারণে। 

আপনার অফিস, আপনার ব্যবসা-আপনার পরিবর্তে  কাউকে রাতারাতি খুঁজে নেবে।  


# সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই আপনার ছেলে, মেয়ে নিজের নিজের পড়াশোনার জগতে, কর্মক্ষেত্রে বা নিজের নিজের বাসস্থানে চলে যাবে। 

# মাস শেষ হতে না হতেই আপনার জীবনসঙ্গী কোনো কমেডি শো দেখে আবার হাসতে থাকবে।

 সবার জীবন আবার স্বাভাবিক নিয়মে চলবে। আপনাকে এই পৃথিবীর মানুষজন আশ্চর্য গতিতে ভুলে যাবে। 

# আপনার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী বেশ আয়োজন করে পালন করা হতে পারে।

# পলক ফেলা মাত্রই একটা বছর চলে যাবে--

আর আপনার সম্পর্কে কথা বলার, আলোচনা করার কেউ থাকবে না। 

# আপনি চিরকালের জন্য মুছে গেলেন। সবার মন থেকে এমনকি আপনজন দের মন থেকেও। 


সবাই যখন আপনাকে দ্রুত ভোলার কম্পিটিশনে  লড়ছে, আপনি উন্মাদের মতো তাহলে কিসের জন্য এতো দৌড়চ্ছেন? 


কেন এতো চিন্তা করছেন দিন-রাত? 

আপনি কি এসব করতেই পৃথিবীতে এসেছিলেন? এটাই কি ছিল আপনার নাতিদীর্ঘ জীবনের আসল লক্ষ্য? 

আপনি কি আপনার একমাত্র জীবনে পরিবার, পরিজন, আত্মীয়, বন্ধুদের সুখের জন্য, তাদের সন্তুষ্ট করতেই জন্ম নিয়েছিলেন? 

বিশ্বাস করুন, কারোর জন্য কোনোদিন কিছু থেমে থাকে না। কিচ্ছু না। আপনি না থাকলেও সব স্বাভাবিক চলবে। কোনো ব্যথাই চিরকালীন নয়। কেউ মনেও রাখে না। জীবন একবারই আসে। তাই প্রাণভরে বাঁচুন।  আর সম্ভব হলে এই জীবনে যদি কোন পরম উদ্দেশ্য থাকে তাহলে সেই পরম উদ্দেশ্যের যতটা কাছে পৌঁছনো সম্ভব, তার চেষ্টা করুন! 


এটাই জীবন! ব্যস, এইটুকুই জীবন!

কপি
পেস্ট 

জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ধারনাঃ

 জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু   ধারনাঃ

১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ

১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার

১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ

১ কাঠা = ১৬ ছটাক

১ কাঠা = ৩২০ বর্গহাত

২০ কাঠা = ১ বিঘা

৬০ কাঠা = ১ একর

১৪৮২০ কাঠা = ১ বর্গকিলোমিটার

১৪৮.২ কাঠা = ১ হেক্টর

কানি পরিমাপক

১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট = ১৬১৯ বর্গমিটার = ৪০০০০ বর্গলিংক = ৮০ করা

১ কানি = ৭৬৮০ বর্গহাত = ১৯৩৬ বর্গগজ = ১২০ শতাংশ

১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০ শতাংশ 

১ কানি = ২০ গন্ডা=৪০০০০ বর্গলিংক

১ কানি = ২৪ কাঠা

বিঘা পরিমাপক

১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ = ১ পাকি

১ বিঘা =২০ কাঠা

১ বিঘা = ৬৪০০ বর্গহাত

১ বিঘা = ৩৩০০০ বর্গলিংক

১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ

১ বিঘা = ১৪৪০০ বর্গফুট = ১৩৩৮ বর্গ মিটার

১ বিঘা = ১৬ গন্ডা ২ করা ২ ক্রান্তি

৩ বিঘা = ১ একর (মোটামুটি) = ১৬০০ বর্গইয়ার্ড

৭৪১ বিঘা=১৪৮২০ কাঠা=১০৬৭০৪০০ বর্গফুট =৯৯১৬৭২ বর্গমিটার= ১বর্গকিলোমিটার=

২৪৭একর

৭.৪১বিঘা=১৪৮.২কাঠা=১০৬৭০৪ বর্গফুট =৯৯১৩ বর্গমিটার=১ হেক্টর=২.৪৭একর

জেনে নিন খতিয়ান, পর্চা, চিটা, দখলনামা, বয়নামা, জমাবন্দি, দাখিলা, হুকুমনামা, জমা খারিজ, মৌজা কি?

পাকি পরিমাপক

১ পাকি = ১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ

১ পাকি = ২০ কাঠা = ৩৩ শতাংশ

শতাংশ নির্ণয়ের সুত্র

১.৬৫ শতাংশ = ১ কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ =৭২০ বর্গফুট (মোটামুটি)

১ শতাংশ = ১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট (মোটামুটি)

১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক

৩৩ শতাংশ = ১ পাকি = ১ বিঘা = ২০ কাঠা

১ শতাংশ =১৯৩.৬ বর্গহাত

২৪৭.১০৫ শতাংশ = ১ আয়ের

একর পরিমাপক

১ একর = ১০ বর্গচেইন = (৬৬*৬৬০) = ৪৩৫৬০ বর্গফুট

১ একর = ১০০ শতক = ৪৩৫৬৯ বর্গফুট

১ একর = ১০০ শতক = ১০০০০০ বর্গলিংক

১ একর = ১৯৩৬০ বর্গহাত

১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ

১ একর = ৪০৪৭ বর্গ মিটার = ০.৬৮০ হেক্টর

৬৪০ একর = ১ বর্গমাইল

১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক

১ একর = ৬০.৫ কাঠা

১ একর = ২ কানি ১০ গন্ডা ( ৪০ শতক কানি অনুসারে)

২৪৭ একর = ১ বর্গকিলোমিটার

হেক্টর পরিমাপক

১ হেক্টর=২.৪৭একর

১ হেক্টর = ৭.৪১বিঘা

১ হেক্টর = ১৪৮.২কাঠা

১ হেক্টর = ১০৬৭০৪ বর্গফুট

১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার =৯৯১৩ বর্গমিটার

১ হেক্টর = ১১৯৬০ বর্গগজ

১ হেক্টর = ১.৪৭ একর

১ আয়ের = ২৮.৯ বিঘা

১ হেক্টর = ২৪৭.১০৫ শতক

১ হেক্টর = ৪৭৮৯.৫২৮ বর্গহাত

১ হেক্টর = ১০৭৬৩৯ বর্গফুট

১ হেক্টর = ১১৯৫৯.৮৮২ বর্গগজ

১ হেক্টর = ৭.৪৭৪ বিঘা

১ হেক্টর = ১০০ আয়ের গন্ডা পরিমাপক ১ গন।


#সংগ্রহে_রাখতে_পারেন

কপি
পেস্ট 

গভীর জীবনবোধ থেকে কিছু দরকারী লাইফ ম্যানেজমেন্ট টিপস

 গভীর জীবনবোধ থেকে কিছু লাইফ ম্যানেজমেন্ট টিপস-


১. মোট আয়ের ২০% সঞ্চয় করবেন । যদি ভাবেন যে এই আয়েই তো চলে না, তাহলে লাইফস্টাইল ডাউনগ্রেড করে ৭০-৮০ % - এ নামাবেন, তারপরও কিন্তু সঞ্চয় করবেন। 


২. অবিশ্বাস্য রকম ভালো অফার বা সুযোগ যা হুজুগ হয়ে আসে, এড়িয়ে চলবেন। এগুলো আপনার জন্য না। শেয়ার মার্কেটে আপনি বাম্পার মারতে পারবেন না, ইভ্যালির জ্যাক মা আপনার টাকাটাই গাপ করবে। এসবে টুকটাক খরচ করা ঠিক আছে, কিন্তু হাটুগেড়ে পুরো সঞ্চয় নিয়ে নেমে পড়লেন তো মরলেন!


৩. ভূয়া, নামহীন রিয়েল এস্টেট থেকে শতহাত দূরে থাকুন। ( পূূর্বাচলের আশেপাশে যত লোক কিস্তি দিয়ে যাচ্ছে, এত কাঠা জায়গা গোটা বাংলাদেশ মিলে নাই। )


৪. যে ব্যবসা বুঝেন না, অথবা নিজে পরিচালনা করবেন না, সেরকম ব্যবসায় পার্টনার হবেন না। অমুক ভাইয়ে ব্যবসা করে আপনাকে মাস শেষে মুনাফা দিবে- এটি সম্পূর্ণ ভ্রান্ত ধারনা।

(আমার পরিচিত কয়েকজন বিটকয়েনে ভালো মুনাফা করেছে, শুরু থেকেই আমাকে বারংবার বলেছিল; আমি বুঝি না, তাই জড়াই নি। বিটকয়েনে বিশাল ধরাও খেয়ে এখন সর্বশান্ত  এমন মানু্ষও এখন আছে পরিচিতর মধ্যে। )


৫. ফেরত পাওয়ার আশায় কোনদিন ঋণ দিবেন না, বাধ্য না হলে নিবেনও না।


৬. জীবনে মাঝে মাঝেই ধরা খাবেন। সবকিছু যেমন ভাবছেন তেমন যাবে না। পেরেশান হইয়েন না, এটা পার্ট অব লাইফ।


৭. কন্টিনিউয়াস আপনার পেশার সাথে জড়িত বিষয়ে নিজের স্কিল ডেভেলপ করতে থাকবেন। এটি ভাত খাওয়া বাথরুম করার মতোই অভ্যাসের বিষয় করে ফেলুন। নতুন দক্ষতা তৈরি করতে না পারলে আপনার জীবনের প্রাইম টাইম ৫ বছরের বেশি হবে না, তারপরই ধ্বস নামতে শুরু করবে।


৮. নূন্যতম ৬ মাসের খরচের সমপরিমান ক্যাশ সবসময় সঞ্চয় রাখবেন। এই টাকা কাউকে কখনোই ধার দিবেন না বা বৃহত্তর পরিবারের অন্য কারো জন্য খরচ করবেন না।


আপনার চাকুরি কালকে চলে যেতে পারে, অথবা পরশু রাতে হার্ট এটাক হয়ে গেলে রিঙ পরানো লাগতে পারে হার্টে। তখন ক্যাশ ছাড়া উপায় নেই। এই টাকা সোনা বা জমিতে খাটাবেন না, কারন সময় মতো বিক্রি করতে পারবেন না।


৯. স্থাবর সম্পত্তি কখনোই এমন দূরত্বে কিনবেন না যেখানে আপনি নিয়মিত যেতে পারেন না। আপনি ঢাকা শহরে থেকে কুয়াকাটা জমি কিনে ফেলে রাখবেন ভবিষ্যতে লাভের আশায়, নিজেকে প্রশ্ন করুন, কোনো ঝুট ঝামেলা হলে সেটা সামাল দেয়ার ক্ষমতা আপনার আছে কী না। অধিকাংশ মানুষেরই সেই ক্ষমতা নেই।

কপি
পেস্ট

কিভাবে কথা বলতে হবে পবিত্র কোরআনের কাছ থেকে শিখিঃ

 কিভাবে কথা বলতে হবে পবিত্র কোরআনের  কাছ থেকে শিখিঃ


১. কথা বলার পূর্বে সালাম দেয়া। (সুরা নূর, ৬১)


২. সতর্কতার সাথে কথা বলা (কেননা প্রতিটি কথা রেকর্ড হয়) (সুরা ক্বফ, ১৮)


৩. সুন্দরভাবে ও উত্তমরূপে কথা বলা। (সুরা বাক্বারাহ, ৮৩)


৪. অনর্থক ও বাজে কথা পরিহার করা। (সুরা নূর, ৩)


৫. কন্ঠস্বর নিচু করে কথা বলা। (সুরা লুকমান, ১৯ ও হুজুরাত, ২ - ৩)


৬. বুদ্ধি খাটিয়ে কথা বলা। (সুরা নামল, ১২৫)


৭. সঠিক কথা বলা ও পাপ মোচনের দোয়ার উন্মুক্ত করা। (সুরা আহযাব, ৭১ - ৭২)


৮. গাধার মত কর্কশ স্বরে কথা না বলা। (সুরা লুকমান, ১৯)


৯. উত্তম কথা বলে শত্রুকেও বন্ধুতে পরিণত করা। (সুরা হা-মীম সাজদাহ, ৩৪)


১০. উত্তম কথায় দাওয়াত দেয়া। (সুরা হা- মীম সাজদাহ, ৩৪)


১১. ঈমানদারদের কথা ও কাজ এক হওয়া। (সুরা ছফ, ২)


১২. পরিবারের সদস্যদের প্রতি ক্ষমারনীতি অবলম্বন করা। (সুরা আ'রাফ, ১৯৯)


১৩. মেয়েরা পর পুরুষের সাথে আকর্ষণীয়ও কোমল ভাষায় কথা না বলা। (সুরা আহযাব, ৩২)


১৪. মূর্খ ও অজ্ঞদের সাধ্যমত এড়িয়ে চলা। (সুরা ফুরকান, ৬৩)


আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ'লা আমাদেরকে তাঁর নির্দেশ মোতাবেক চলার তাউফিক দান করুন, আমিন।

কপি
পেস্ট

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...