এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
সোমবার, ৭ নভেম্বর, ২০২২
কিছু দরকারী কথা
হোমিওপ্যাথি স্রেষ্ঠ চিকিৎসা বিজ্ঞান ফেইসবুক থেকে নেওয়া,,,,,,,,,
কখনো বাচ্চাকে গায়ে হাত তুলবেন না। শিশুটির আচরণে অনেক সমস্যা হবে। মারধোর, মানুষের মনের সরলতা কে আস্তে আস্তে নষ্ট করে। কাউকে ভবিষ্যতে পাসন্ড করে তুলে। তাই এই কাজটি থেকে বিরত থাকুন। শাসন অনেক ভাবে করা যায়। মনে রাখবেন, আপনি যদি চান আপনার বাচ্চা আপনাকে বন্ধু ভাবুক সেক্ষেত্রে মারধর করলে সেই সুযোগ হারাবেন। কেননা, বন্ধুরা মারে না এটাই সত্যি।
বাচ্চাদের জন্য অনেক সময় আমরা আলাদা কিছু খাবার রান্না করি। যেমন, বাসার সাধারণ রান্না মুরগী হয়তো সবাই খাচ্ছেন কিন্তু বাচ্চার জন্য হয়তো চিকেন পাস্তা করলেন। এক্ষেত্রে যেটা হয়, খাবারের ক্ষেত্রে সে নিজেকে স্পেশাল ভাবতে শুরু করে। তখন নানা রকম মর্জি করা শেখে। সোস্যাল হয় কম। তাই অবশ্যই সবার খাবারে মতই বাচ্চাকে খাওয়া শেখান। প্রয়োজনে স্পেশাল খাবার রান্না করলে সবাই মিলে খান। এতে শিশুটি বড় হয়ে সব জায়গায় নিজেকে খাপ খাওয়াতে শিখবে। ছোট বেলায় আলাদা ভাব আর আদর শিখালে এরা বড় হয়েও সব জায়গায় স্পেশাল কিছু আশা করে, আর তাতে ব্যঘাত ঘটলে তাদের মানুসিকতায় ও আচরণে সমস্যা হয়। তাই স্পেশাল না আপনার বাচ্চাকে সাধারণ ভাবাতে শিখান।
বাচ্চাদের সামনে কারো সাথে ঝগড়া করা থেকে বিরত থাকুন। তারাও শিখবে। কর্ম ক্ষেত্রে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, শশুর বাড়িতে সব জায়গায় তাদের এই ঝগড়া মুড কাজ করবে। ঝগড়া করা আচরণের উপর প্রভাব ফেলে, এমনকি এদের সাইকোলজিও অন্য রকম হয়।
বিশেষ করে নবীজীর শিক্ষায় তাঁকে শিক্ষিত করুন। তাহলে আপনার সন্তান একটি আদর্শবান মানুষ ও সুসন্তান হবে।
সম্মোধন অনেক কিছু শিখায়। আপনার শিশুকে ভদ্রতা শিখান, কিন্তু বাসার লোক, ড্রাইভার, রিকশা ওয়ালা বা যেকোনো অচেনা মানুষকে আপনি সম্মোধন করা শিখান। এই সব বাচ্চারা বড় হলে অনেক বড় মর্যাদার আসনে বসতে পারে।
যাই হোক, আপনাদের শিশুকে আপনি যা শেখাবেন, সেটাই তার চরিত্র হবে। তাই আপনার শিশুকে মানুষের মত মানুষ করার লক্ষ্যে পড়ালেখার পাশাপাশি মানুষ হিসেবে গড়ে উঠার শিক্ষায় শিক্ষিত করুন!
লেখকের আইডি লিংক --
https://www.facebook.com/profile.php?id=100012080592185
Latifuzzaman Rubel
রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/০৬
রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।
(০৬-১১-২০২২)
আজকের শিরোনাম-
* বিএনপি ও জামায়াতের ২০১৩-১৫ সালের সন্ত্রাসের পুনরাবৃত্তির বিরুদ্ধে সজাগ থাকার আহবান জানালেন প্রধানমন্ত্রী।
* আগামীকাল সারাদেশে নব-নির্মিত একশো সেতুর উদ্বোধন করবেন শেখ হাসিনা।
* আগামী জুনের প্রথম সপ্তাহে বাস র্যাপিড ট্রানজিট প্রকল্পের উদ্বোধন করা হবে - জানালেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী।
* বিএনপি নেতারা যাই বলুন না কেন নির্বাচনে যাওয়ার জন্য তারা উদগ্রীব হয়ে আছেন - বললেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।
* এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু - প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো গুজব ছাড়া ও নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবারের পরীক্ষা - বললেন শিক্ষামন্ত্রী।
* মিশরের শার্ম আল-শেখ-এ জাতিসংঘের বার্ষিক জলবায়ু পরিবর্তন শীর্ষ সম্মেলন কপ-টোয়েন্টি সেভেন শুরু।
* এবং আইসিসি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্ণামেন্টে সেমিফাইনালে উঠলো ভারত ও পাকিস্তান।
কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?
কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?
➥১. পর্চা বা খতিয়ান।
➥২. দলিল।
➥৩. ম্যাপ বা নকশা।
এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি বিক্রয়, হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন হতে নানান সমস্যা হয়।
সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজপত্র সংগ্রহে রাখার জন্য সরকারি নানান দপ্তর রয়েছে, যারা ভূমি সংক্রান্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করে রাখে। এখন আপনার কাজ হল, ঐ সকল দপ্তরগুলো কে নিশ্চিত করে তাদের শরণাপন্ন হওয়া ও কাগজপত্র গুলো সংগ্রহ করা।
নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো, কোথায়, কীভাবে এবং কত সময়ের ভেতরে আপনি জমির খতিয়ান, দলিল ও নকশা সংগ্রহ করবেন।
➥প্রথমত,আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন.?
জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত চারটি অফিসে পাবেন। তা হলো,
১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।
➤ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস
ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।
➤উপজেলা ভূমি অফিস
যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতেও খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না
➤জেলা ডিসি অফিস
এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।
➤সেটেলমেন্ট অফিস
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।
❖প্রশ্নঃ খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর। তবে সিটি জরিপের জন্য 100 টাকা খরচ হবে।
➥দ্বিতীয়ত, আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন?
দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।
১/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
২/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।
➤উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
© পোস্টটি সংগৃহীত
রবিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২২
ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে সফলতা আসে না।
ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে সফলতা আসে না। জোর করে নিয়ে আসতে হয়
🍁🍁শচীন টেন্ডুলকার জীবনে যতবার আউট হয়েছেন আপনি হয়তো ততবার ক্রিকেট খেলাও খেলেননি। কিন্তু দিন শেষে আজ শচীনকে ক্রিকেট নক্ষত্র হিসাবেই জানে.
🍁🍁মার্ক জুকারবার্গকে তার গার্লফ্রেন্ড যখন সকল সোশ্যাল সাইট থেকে ব্লক করে দেয়, তখন সে জেদ করে সবচেয়ে বড় সোশ্যাল সাইট ফেসবুক বানিয়ে ফেলে, যার মাধ্যমে সে ওয়ার্ল্ড এর টপ ফাইভ রিচম্যানদের একজন। আর আপনি হলে কি করতেন? শেভ করা ছেড়ে দিয়ে সিগারেট টানতেন আর বলতেন- বেঁচে থেকে লাভ কি বল তোকে ছাড়া আর...
🍁🍁টমাস আলভা এডিসন একটা বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কার করতে গিয়ে যতবার ব্যর্থ হয়েছেন এই পৃথিবীর ইতিহাসে কেউ তত বছর বাঁচেওনি। ৯৯৯ বার ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। আর আপনি? সফল হওয়ার আগে প্রশ্ন করুন নিজেকে কতবার চেষ্টাটা করতে পারবেন?
🍁🍁সাইকেল গ্যারেজে কাজ করা রাইট ভ্রাতৃদ্বয় প্ল্যান করে যতবার চেষ্টা করে করে বিমান উড়াতে ব্যর্থ হয়েছেন, আপনি ততবার প্ল্যান করে পাখির উড়াও দেখেননি। তবু তিনি বিমান টা আবিষ্কার করেই ছাড়লেন।
🍁🍁সৃষ্টিকর্তাকে একবার জানান দেন সাকসেস আসার আগ পর্যন্ত আপনি থামবেন না, হেরে গেলেও না, বারবার ব্যর্থ হলেও না...
ছোট বেলায় যেভাবে হাঁটতে না পারলে আবার চেষ্টা করতেন, পড়ে গিয়ে বেথা পেয়ে কান্না করতে করতে আবার দেয়াল ধরে হাঁটতে চাইতেন, এখন সময় এসেছে আবার দাতে দাত চেপে নাছোড়বান্দার মতো লেগে থাকার।
🍁🍁যে যাই বলুক, যে যা করুক আপনি শুধু লেগে থাকুন, বাকিটা সিস্টেম্যাটিক্যালি স্রষ্টা আপনাকে দিয়ে দিবেন।
সংগৃহীত
শিক্ষিকার কারনে ছাত্রের কানে সমস্যা,,,, ইউসুফ সরদার ফেইসবুক থেকে আব্দুল মমিন আব্দুল মমিন
স্কুলের ২ শিক্ষিকার কারনে আমার একমাত্র ছেলে রাফিদের ডান কানের শ্রবন শক্তি হারাল। এই ঘটনার দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি চাই।
মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলা সদরের মহম্মদপুর আইডিয়াল নুরানী কিন্ডারগার্টেন এন্ড প্রি-ক্যাডেট মাদ্রাসা (প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাফেজ সৈয়দ রহমতুল্লাহ নিজে সপ্তম শ্রেনী পাশ) এই প্রতিষ্ঠানটি ও স্বল্প শিক্ষিত একেবারেই নিম্ন বেতনে অযোগ্য শিক্ষক -শিক্ষিকা দ্বারা পরিচালনা করে।
মহম্মদপুর আইডিয়াল নুরানী কিন্ডারগার্টেন এন্ড প্রি-ক্যাডেট মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ২০১৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিল মহম্মদপুর সদরে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম মাঠে, সেখানে আমার ছেলে রাফিদের জুতার কালার সাদা না হওয়ায় তাকে খুব জোরে কান টেনে কান মলে ঐ মাদ্রাসার শিক্ষিকা মোছাঃ সুফিয়া খাতুন, স্বামীঃ আনিচুুর রহমান গ্রাম -ধোয়াইল উপজেলা মহম্মদপুর জেলা মাগুরা ( ফুল মিয়া মেম্বর এর ভাই) এতে তার ডান কান ফুলে লাল হয়ে যায়, প্রচন্ড ব্যাথা শুরু হয়, রাফিদ ডান কানে কম শুনতে পাচ্ছিল, এর পর তাকে মাগুরায় কানের ডাঃ মোঃ শাহজাদ সেলিম কে দেখাই তার চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নতি না হওয়ার কানের শ্রবণশক্তি পরীক্ষা করলে পরীক্ষায় আসে তার কানের রিসিভার অর্থাৎ কান থেকে যে রিসিভারের শিরাটা ব্রেনে গেছে ঐ শিরটা কানে জোরে টান দেওয়ার কারনে ঐরগটা চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয় তখন থেকে সে ডান কানে ৫০ % শুনত যেটাকে বলে ((Mild Degree of Conductive Type Hearing Loss) তারপর ঢাকায় এনে কয়েকজন ই,এন,টি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের ও পরামর্শ মোতাবেক চিকিৎসা চালাতে থাকি।
তার পর ছেলেকে ঐ মাদ্রাসা থেকে এনে মহম্মদপুর উপজেলার বড়রিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করি এই বছর আনুমানিক গত ২ মাস আগে তৃতীয় শ্রেণির ক্লাসে ভাগ অংক করতে উওর ভুল হওয়ায় বড়রিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা লিপি খাতুন স্বামীঃ শিক্ষক হারুন গ্রামঃ মৌসা, মহম্মদপুর, মাগুরা আবার রাফিদ কে ডান কান মলে ফলে আবার কান ফুলে প্রচন্ড ব্যাথা শুরু হলে ডাঃ রবিউল ইসলাম কাছে নিয়ে গেলে পুনরায় হেয়ারিং টেস্ট দিলে পরীক্ষায় তার ডান কানে সে কিছুই শুনতে পারছে না যেটাকে বলে (Profound Degree of Mixed Type Hearing Loss)বলে। ঐ স্কুলের সহকারী শিক্ষিকা লিপি খাতুন একজন বদমেজাজি মহিলা, তার বিরুদ্ধে স্কুলে অনেক ছাত্র, ছাত্রী কে মারপিটের অভিযোগ রয়েছে।
তারপর ছেলে রাফিদ কে আবার ঢাকায় এনে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ই,এন,টি হাসপাতাল তেজগাও ঢাকা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল, সাহিকের বিশেষায়িত নাক,কান,গলা হাসপাতাল মহাখালী সহ কয়েকজন প্রফেসর ডাক্তার দেখাই সব ডাক্তার ও টেষ্টের রিপোর্টে সে ডান কানে শোনেনা, সব ডাক্তার রা বলল তার কানের নার্ভ সিস্টেম ও ককলিয়ার ড্যামেজ হয়ে গেছে এর আর কোন চিকিৎসা নেই। জাতীয় নাক,কান,গলা তেজগাও ঢাকা, হাসপাতালে ডাক্তারদের গঠনকৃত বোর্ডে একই কথা বললেন ডাক্তার সাহেবরা।
এই দুই মহিলা শিক্ষিকার কারনে আমার ফুটফুটে ছেলেটার একটা গুরুত্বপূর্ণ অংগ হারাল। এই সব মহিলারা পারিবারিক অশান্তি তে ভোগে আর সেই রাগ এসে খাটায় স্কুলের কোমলমতি শিশুদের উপর।
ধিক্কার জানাই এই হীন মানসিকতার শিক্ষিকাদের।
স্ব স্ব বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকেরা বিষয়টি খেয়াল রাখবেন বর্তমান আইনে স্কুলে ছাত্র, ছাত্রীদের শাস্তি দেওয়া যাবেনা, তারপরেও অনেকে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটায় ফেলে। যার হারায় সে বোঝে। এই দায় কে নেবে?
অবিভাবকেরা আপনারা স্কুল পড়ুয়া ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের দিকে খেয়াল রাখবেন যাতে এরকম দুর্ঘটনা কারও শিশুর জীবনে না ঘটে।
আপনারা সবাই আমার একমাএ ছেলের জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ পাক যেন একটি কান দিয়ে লেখা পড়া ও বাকি জীবনটা সুন্দর ভাবে চালিয়ে যেতে পারে।
পেস্ট
কিছু কথা কিছু হাসি,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া
"ওগো শুনছো? বড় থেকে একটা রুই মাছ এনো তো, আমার মা আসবে তার রুই মাছের মাথা বড্ড প্রিয়।" কথাগুলো সেরে জলদি শাড়ির আঁচল কোমরে বেঁধে রান্নাঘরে চলে গেলো সাবিহা।
আজ অনেক কাজ সাবিহার,তার মা আসবে অনেক বছর পর। সাবিহার কথা শুনে তার স্বামী হাতে বাজারের ব্যাগ নিয়ে বের হয়ে গেলো মাছ আনতে।
গোয়াল ঘরের পাশে ছোট্ট রুমে সাবিহার অন্ধ শাশুড়ী শুয়ে আছে।একটু পর পর কাঁশছে। সাবিহা বড্ড বিরক্তি নিয়ে রুমে ঢুকে তার শাশুড়ীকে বলছে
"চোখ তো খেয়েই নিয়েছো৷ কবে আমাদের জীবন খেয়ে নাও সেই ভয়ে আছি৷ শুনো, রাতে ছেলে আসলে কোনো মায়াকান্না করবে না। তোমার রোজ রোজ জ্বালাতন আমি সহ্য করতে পারবো না বলে দিলাম। বেশি কাঁশি পেলে মুখে কাপড় দাও,আওয়াজ যেনো না আসে আমার মেয়েটার ঘুম ভেঙ্গে যাবে"
হনহন করে কথাগুলো সেরে চলে গেলো সাবিহা। অন্ধ শাশুড়ী ছেড়া কাথায় মাথা এলিয়ে দিয়ে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে ডুকরে উঠে কান্নায়। কান্নার আওয়াজের বেগ সামলাতে না পেরে মুখে হাত দেয়।
দুপুর বেলা সবাই খেতে বসেছে,সাবিহা তার মায়ের প্লেটে রুই মাছের মাথা তুলে দিয়ে হাতপাখা করছে আর বলছে "খাও মা খাও। অনেকদিন পর তোমাকে পেয়েছি। আজ কিন্তু সবটা খেয়েই তোমাকে উঠতে হবে"
মেয়ের আবদার ভালোবাসা দেখে খুশিতে গদগদ করছে সাবিহার মা।
সাবিহার স্বামী ফারুক, সাবিহাকে বলছে "মাছ তো দুটো এনেছিলাম। আরেকটা মাছের মাথা কই?"
সাবিহা খানিকটা ভেঙ্গছি কেটে বলে "সব যদি একদিন'ই রান্না করি তাহলে সংসার উচ্ছনে উঠে যাবে,আরেকটা কাল রাঁধবো মায়ের জন্য"
ফারুক গম্ভীর গলায় সাবিহাকে উওর দেয় "আরেকটা মাছের মাথা আমার মায়ের প্রাপ্য৷ তুমি কেন আমাকে জিজ্ঞেস করলেনা, মাকে কি দিয়ে খেতে দিয়েছো? দু'টো মাছ দু'জনের জন্যই এনেছি আমি। দরকার হলে কাল আবার আনতাম।"
"বারেহ সংসারের গিন্নি আমি আমাকেই বুঝতে দাও। যা দিনকাল পরেছে কবে না খেয়ে থাকা লাগে তার কোনো ঠিক নেই। তোমার মাকে মাছ দিয়েই ভাত মেখে দিয়েছি। চিন্তা করোনা। মাছের মাথা এমনিতেও খেতে পারবেনা অন্ধমানুষ" ব্যাঙ্গাত্মক স্বরে কথাগুলো বলে মায়ের প্লেটে তরকারি তুলে দিচ্ছে সাবিহা।
ফারুক ঝগড়া না করে খাবার ছেড়ে মায়ের রুমের দিকে এগিয়ে যায়। অন্ধ মা না খেয়ে খাবারের প্লেটে আঙ্গুল দিয়ে নাড়াচাড়া করছে আর কাঁদছে। ফারুক কাছে এসে মায়ের কাঁধে হাত রাখতেই তার মা বলে উঠে
" বাপজান এই ভাতডা আঢা আঢা (আঠা)লাগে ক্যান। ডাল রানছে আইজ?"
ফারুকের সামনে তার মা কাঁপা কাঁপা হাতে ভাতের লোকমা তুলে দেয়৷ ফারুকের নাকের কাছে লোকমা আসতেই ফারুক নাক চেপে ধরে গন্ধে।
ফারুক খেয়াল করে দেখে ভাতের সাথে মুরগির বিষ্ঠা মেশানো। ফারুক খাবারের প্লেট মাঠিতে ছুড়ে ফেলে দেয়। ফারুকের চোখ বেয়ে পানি ঝড়ছে, নিজের প্রতি বড্ড রাগ হচ্ছে তার৷
ফারুকের প্রশ্রয়ের কারণে আজ সাবিহা এতদুর এসেছে। ফারুক যেই না উঠতে যাবে তার আগেই ফারুকের পা ধরে ফেলে তার মা,সাবিহাকে বাঁচানোর জন্য ফারুককে বলে "বাপজান আমি তো কানা। আমি দেহিনা,হের লাইজ্ঞা কিতার লগে কিতা মিশাইয়া লাইছি বুঝতাম ফারিনাই। তুই বউরে কিচ্ছু কইস না৷বউয়ের দুষ নাই।"
ফারুক সবটা জেনেও মায়ের কথায় সাবিহাকে দুপুরে কিছু বলে না,ব্যপারটা হজম করে।
রাতের বেলা সাবিহাকে তার মা ফুসুরফাসুর করে বলছে "আইজ রাত এই কানিডারে পানিত ভাসাইয়া দেওন লাগবো।"
রাতে সবাই খাওয়াদাওয়া সেরে ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে,এমন সময় সাবিহা তার স্বামীকে বলে
" বারান্দায় বড় একটা বালিশ আছে ভেতরের তুলো গুলো পঁচে গেছে,ওটা নদীতে এখন ফেলে দিয়ে আসলে ভালো হয়। ঘরটা খুব গন্ধ গন্ধ লাগছে "
ফারুক সাবিহার কথামতো বারান্দা থেকে বড় একটা বস্তা কাঁধে তুলে নিয়ে সাবিহাকে সাথে নিয়ে জঙ্গলের দিকে যেতে লাগলো। সাবিহা বেজায় খুশি পানিতে না ফেলে তার অন্ধ শাশুড়ীকে জঙ্গলে ছেড়ে আসতে যাচ্ছে।
গহীন জঙ্গলের ভেতর বস্তাটা রেখে সাবিহা ও ফারুক বাড়ি রওনা দেয়৷
বাড়ি এসে সুখবর তার মাকে জানানোর জন্য দৌড়ে তার মায়ের রুমে ঢুকে সাবিহা।
গিয়ে দেখে মা কোথাও নেই। অমনি দরজায় দাঁড়ানো ফারুক অট্টহাসি দিয়ে বলতে থাকে "খুশি হওনি সাবিহা? তুমিই তো চেয়েছিলে বস্তা বেঁধে মাকে পানিতে ডুবিয়ে দিতে। আমি করুণা করে মারতে পারলাম না তাই জঙ্গলে ছেড়ে আসলাম।"
"আমার মা কোথায়? তুমি আমার মাকে রেখে এসেছো?" ধপ করে মাটিতে বসে পড়ে সাবিহা।
ফারুক সাবিহার গালে চড় দিয়ে বলে
" কেন মা বলতে আলাদা ছিলো নাকি? আমি তো তোমার মাকেও মা ভাবি আমার মাকেও মা ভাবি। এতটা পিলে চমকে উঠলো কেন তোমার? কী ভেবেছিলে আমার অন্ধ মাকে তুমি মে/রে ফেলবে? এখন কেমন লাগছে?"
সাবিহা পাগলের মতো মাটি হাতড়ে কাঁদছে ঠিক সেইসময় দরজা দিয়ে প্রবেশ করে সাবিহার মা৷ চোখ বেয়ে পানি ঝড়ছে তার লজ্জায়। সাবিহা তার মাকে পেয়ে জড়িয়ে ধরে। ফারুক তাদের উদ্দেশ্যে বলে "তোমরা অমানুষ বলে আমি অমানুষ হবো এমনটা না। আমি বস্তা করে মায়ের ছেড়া কাথা বালিশ ফেলে এসেছি। তোমার মাকে আমার মায়ের কাছেই রেখে গিয়েছি। শুধু এটাই অনুভব করালাম সাবিহা, কারো মায়ের প্রতি অবিচার হলে তার কেমনটা লাগে! তুমি তোমার মায়ের সাথে কাল বাড়ি চলে যাবে। তোমার ভাইকে ফোন দিয়ে সব জানিয়ে দিয়েছি। আমি আমার মায়ের কাছে থাকবো,আমার মায়ের শেষ সময়টাতে আমিই তার সকল সেবা করবো খেয়াল রাখবো। তোমার মতো নোংরা মানসিকতার ছায়া যেনো আমার মায়ের ওপর না আসে"
সমাপ্ত
অন্যরকম বৌ ফেইসবুক থেকে
পেস্ট
ফাঁকিবাজদের জন্য বি সি এস প্রিলিমিনারি প্রস্তুতি
ফাঁকিবাজদের জন্য #বিসিএস
প্রিলিমিনারি প্রস্তুতিঃ ✒️সুশান্ত পাল!
সবাই বলে কি কি পড়তে হবে; আসলে প্রিলি পাশ করতে হলে জানতে হবে কি কি বাদ দিয়ে পড়তে হবে। আমি আজ আলোচনা করবো কি কি বাদ দিয়ে পড়তে হবে !
মূল জোর দিতে হবেঃ
১। বাংলা সাহিত্য ও গ্রামার
২। ইংরেজি গ্রামার
৩। গনিত
৪। মানসিক দক্ষতা
৫। কম্পিউটার
৬। বিজ্ঞান
====== বাংলা======
সাহিত্যঃ প্রাচীন ও মধ্যযুগ, আধুনিক (১৮০০ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত সাহিত্যিকদের সাহিত্য কর্ম ও ব্যক্তিগত বিষয়াবলী) ছাড়া খুব আধুনিক গুলো চোখ বন্ধ করে বাদ !
প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্যিক ও সাহিত্য নির্দিষ্ট তাই পরিমাণে ছোট এবং নিশ্চিত ভাবেই ৫ নম্বর পাওয়া যায়। আর ১৯৭৫ এর আগেই বাংলা সাহিত্যে মহাপুরুষরা এসে গেছেন, হয়ে গেছে আমাদের ভাষা আন্দোলন, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ ! তাই ১৯৭৫ এর পরের সাহিত্যিকদের মধ্য থেকে যা আসবে হয়তো এমনি ২-৩ টা পারবো, গেলই না হয় ২-৩ মার্কস… তাঁর জন্য কি জীবন দিয়ে দিতে হবে?
ব্যকরণঃ প্রত্যয় ও সমাস বাদ… ২ মার্কস এর জন্য এতো এতো পড়া লাগবে?
====== ইংরেজি =====
গ্রামারঃ Synonymy and Antonym, Word Meaning বাদ… গেলোই না হয় ২-৩-৪ মার্কস !! কিন্তু এইগুলার জন্য যে পরিমাণ খাটতে হয়– অন্য জায়গায় এই সময় দিলে ১০ মার্কস পাওয়া সম্ভব ! তাছাড়া ভাগ্য ভালো থাকলে Synonymy and Antonym, Word Meaning থেকে ২-১ টা পেরেও যেতে পারেন !
সাহিত্যঃ শুধু মেইন মেইন ইংরেজি সাহিত্যিকদের বিখ্যাত কিছু সাহিত্য কর্ম আর তাদের বিখ্যাত উক্তি ছাড়া বাকি সব বাদ… যদি প্রশ্ন সহজ করে তাহলে এই বিখ্যাত সাহিত্যিকদের মধ্য থেকেই আসবে, না হলে সবাই মুড়ি খাবে নিশ্চিত থাকেন ! এই জন্য সবচেয়ে সহজ পন্থা হচ্ছে… ইংরেজি সাহিত্য থেকে বিগত সালে বিসিএস সহ অন্যান্য সরকারী ও বেসরকারি পরীক্ষায় যে প্রশ্ন গুলো এসেছে শুধু সেগুলাই ভালো করে পড়ে ফেলেন। এতো গভীরে যাবার কোন দরকার নাই !
====== কম্পিউটার ====
সবচেয়ে সহজ একটা বিষয়। মন লাগিয়ে ২-৩ বার পড়লে এই বিষয়ে মার্কস না উঠানো কঠিন হয়ে পড়বে আপনার জন্য, কারন আপনি সবই পারবেন ! তাই এই বিষয়ে খুব খুব জোর দিন !! এখানে কিছু বাদ দিবেন না। যদি দিতেই চান তাহলে বিভিন্ন মোবাইল প্রজন্ম এবং বর্তমানে কি ধরনের মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু ইত্যাদি টাইপ বোরিং টপিক বাদ দিতে পারেন। বড় জোর ১ মার্কস কম পাবেন !!
====== গনিত =====
পাটিগণিত চোখ বন্ধ করে বাদ !! কেন বাদ?
পাটিগণিতের সিলেবাসটা একটু স্মরণ করিয়ে দেইঃ বাস্তব সংখ্যা, ল সা গু, গ সা গু, শতকরা, সরল ও যৌগিক মুনাফা, আনুপাত ও সমানুপাত, লাভ ও ক্ষতি… যে কোন গনিতের প্রিলি গাইড নেন, দেখবেন এই পাটিগণিতের সিলেবাস বইয়ের অর্ধেকটা নিয়ে ফেলেছে, অথচ এই সব গুলো টপিকস মিলিয়ে মার্কস কতো জানেন? মাত্র ৩…… !!! এই ৩ মার্কসের জন্য শহীদ হয়ে যাব নাকি ভাই?
অথচ পাটিগণিত বাদ দিয়ে যে বিশাল পরিমাণ সময় সেভ হয়, সেই সময়ে গনিতের বাকি সিলেবাসের টপিকস গুলো প্র্যক্তিস করুন বার বার। আর ভাগ্য ভালো থাকলে, পাটিগণিতের ২-১ টা এমনকি খুব ভাগ্য ভালো থাকলে ৩ টাই এমনি পেরে যেতে পারেন !!
আর বিন্যাস, সমাবেশ, সম্ভাব্যতা কঠিন লাগে? এগুলা আসলে অনেক সহজ… আপনি সাইন্স এর বিশেষ করে ইন্টার যাদের সাইন্স ছিল তাদের কাছে ৩-৪ ঘণ্টা সময় নিয়ে ব্যাপারটা বুঝে ফেলুন ! দেখবেন পানি পানি লাগছে !
==== মানসিক দক্ষতা ====
ভাষাগত যৌক্তিক বিচার এবং বানান ও ভাষা এই দুইটা টপিকস আপনি বাংলা ও ইংরেজি ব্যাকরণ পড়ার সময় যতটুকু পড়ে ফেলবেন সেটাই যথেষ্ট, এর জন্য বেশি সময় দেয়া প্রয়োজন নাই !! বাকি গুলাও গনিত করার সময় মোটামুটি পড়ে ফেলা হয়ে যায় ! মানসিক দক্ষতা কিছুটা কমন সেন্স আর কিছুটা প্র্যাকটিস এর সমন্বয়ে ভালো করা যায় !
বাজার থেকে শুধু মানসিক দক্ষতার উপর একটা বই কিনে প্রতিদিন ১ ঘণ্টা প্র্যাকটিস করুন ! আশা করি ১৫ এর মধ্যে ১২-১৩ টা পেয়ে যাবেন, ১০ টা হলেও কিন্তু মন্দ না !
===== বিজ্ঞান =====
বিজ্ঞানে তিনটা পার্ট। প্রতি পার্টে ৫ নম্বর করে মোট ১৫ মার্কস। এর মধ্যে ‘ভৌত বিজ্ঞান‘ পার্টটা সবচেয়ে বড় ! পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন বিজ্ঞানের সমন্বয়ে গড়া এই পার্টে মাত্র ৫ মার্কস… অথচ বিশাল সিলেবাস। আমরা যেহেতু ফাঁকিবাজ… তাই এই পার্ট আমরা পড়বো না ! আর যদি খুব পড়তে মন চায়, তাহলে শুধু বিগত সালের বিভিন্ন সরকারী চাকরী পরীক্ষায় আসা প্রশ্ন গুলোই পড়বো… গভীরে যাব না !
বাকি দুইটি পার্টঃ ‘জীব বিজ্ঞান’ ও ‘আধুনিক বিজ্ঞান’ তুলনামূলক ছোট এবং সহজ ! এই দুই পার্টে একটু সময় দেন !
===== বাংলাদেশ বিষয়াবলী ====
ইংরেজি শাসন আমল থেকে মুক্তিযুদ্ধ পড়বো, বাকি গুলা বাদ !
অর্থনৈতিক সমীক্ষার মূল মূল তথ্য গুলো পড়বো ! গভীরে যাবার দরকার নাই।
বাংলাদেশের সংবিধান পড়তেই হবে ! তবে বেছে বেছে… সব নয় ! বিশেষ করে ১-৪৭ ধারা, ৬৪, ৬৬, ৭৭, ৯৩, ৯৪, ১১৭, ১১৮,১১৯, ১২৭, ১৩৭, সংশোধনী– ১ম থেকে ৫ম, ৮ম, ১৫তম, ১৬ তম !!
কুরআন হাদিসের আলোকেকথা বলার নীতি
🔴 কথা বলার নীতিঃ- (কুরআন হাদিসের আলোকে)
১. কথা বলার পূর্বে সালাম দেয়া। [সূরা নূরঃ ৬১]
২. সতর্কতার সাথে কথা বলা (কেননা প্রতিটি কথা রেকর্ড হয়)! [ সূরা ক্বফঃ ১৮ ]
৩. সুন্দরভাবে ও উত্তমরূপে কথা বলা।
[সূরা বাক্বারাহঃ ৮৩; বুখারী হ/ ১৪১৩]
৪. অনর্থক ও বাজে কথা পরিহার করা।
[সূরা নূরঃ ৩; বুখারী হা/ ৩৫৫৯]
৫. কন্ঠস্বর নিচু করে কথা বলা।
[সূরা লুকমানঃ ১৯ সূরা হুজুরাতঃ ২ - ৩]
৬. বুদ্ধি খাটিয়ে কথা বলা। [ সূরা নামলঃ ১২৫]
৭. সঠিক কথা বলা ও পাপ মোচনের দুয়ার উন্মুক্ত করা । [সূরা আহযাবঃ ৭১ - ৭২]
৮. গাধার মত কর্কশ স্বরে কথা না বলা।
[সূরা লুকমানঃ ১৯; তিরমিযী হা/ ৪৮৫৯]
৯. উত্তম কথা বলে শত্রুকেও বন্ধুতে পরিণত করা
[সূরা হা- মীম সাজদাহঃ ৩৪]
১০. উত্তম কথায় দাওয়াত দেয়া।
[ সূরা হা- মীম সাজদাহঃ ৩৪]
১১. ঈমানদারদের কথা ও কাজ এক হওয়া।
[সূরা ছফঃ ২]
১২. পরিবারের সদস্যদের প্রতি ক্ষমার নীতি অবলম্বন করা । [সূরা অারাফঃ ১৯৯]
১৩. মেয়েরা পর পুরুষের সাথে আকর্ষণীয় ও কোমল ভাষায় কথা না বলা। [সূরা আহযাবঃ ৩২]
১৪. ছেলেরা পর নারীর সাথে আকর্ষণীয় ও কোমল ভাষায় কথা না বলা।
হে আল্লাহ্" আমাদেরকে সঠিক ভাবে আমল করার তওফিক দান করুন।„„
" আমিন ছুম্মা আমিন ।"
পেস্ট
স্বপ্ন পূরণ ফাউন্ডেশন এর এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ
ইভেন্ট নং: ২৪
আলহামদুলিল্লাহ
স্বপ্ন পূরণ ফাউন্ডেশন এর এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ :
একটি মেয়ের সম্পুর্ন বিয়ের খরচের দায়িত্ব নিলো ফাউন্ডেশনটি।
স্বপ্ন পূরণ ফাউন্ডেশন একটি মেয়ের পড়াশোনার দায়িত্ব নিয়েছিলো।
সেই মেয়েটির পরিবার কিছুদিন পূর্বে আমাদের স্বপ্ন পূরণ ফাউন্ডেশন পরিবারের কাছে আসে এবং অবগত করেন যে মেয়েটির বিয়ে ঠিক হয়েছে। মেয়েটির পরিবার স্বপ্ন পূরণ ফাউন্ডেশনের কাছে আর্থিক, মানসিক সহযোগিতা চান।
স্বপ্ন পূরণ ফাউন্ডেশন ও সিদ্ধান্ত নিয়েছে [নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক সম্মানার্থে] মেয়ের বিয়ের সম্পূর্ণ খরচ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বহন করা হবে।
মেয়েটির পরিবার কাছ থেকে ফাউন্ডেশন অবগত হন আনুমানিকভাবে ৭০ জন মেহমানের খাবারের আয়োজন করা হলে ভালো হয়।সেই প্রেক্ষিতে ৭০ জন বিয়ের মেহমানের খাবারের সম্পূর্ণ মালামাল ক্রয় করে মেয়েদের পরিবারের হাতে ফাউন্ডেশন তুলে দেয়।আলহামদুলিল্লাহ
স্বপ্ন পূরণ ফাউন্ডেশন এর এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ মানবিক মানুষের সহায়তায় সম্পূর্ণ হলো।
মোট অর্থ সংগ্রহ : ৩২,৩০০/-
মোট খরচ: ২৭,১৮৮/-
——————————————-
অবশিষ্ট আছে : ৫,১১২/-
অবশিষ্ট ৫,১১২/- টাকা মেয়ে মায়ের হাতে প্রদান করা হয় বিয়ের পরবর্তী খরচের জন্য।
যাদের দানে অত্র ইভেন্টে সম্পন্ন করা হয়, আল্লাহ তাদের সকলের দানকে কবুল করুন। আমিন
জয় হোক মানবতার
স্বপ্ন পূরণ ফাউন্ডেশন
(অর্থ দাতা গনের তালিকা ও খরচের হসিব দেয়া হলো)
বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া
🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...