এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
বুধবার, ৯ নভেম্বর, ২০২২
একজন বোন। বিয়ের মাত্র এক বছর পর ডিভোর্স হয়ে যায়,,,,,,ন ও হাদিসের আলো ফেইসবুক থেকে নেওয়া
একজন বোন। বিয়ের মাত্র এক বছর পর ডিভোর্স হয়ে যায়। আমাদের সমাজে একজন মেয়ের ডিভোর্স হয়ে যাওয়া মানে তো তাকে জীবিত অবস্থায় মৃত ঘোষনা করে দেয়া। চারিদিকের খোঁচা আর তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিই তাকে তিলে তিলে মেরে ফেলে।
.
কিন্তু আমার বন্ধুর এই বড় বোন ছিলেন একদমই ব্যতিক্রম। বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যাওয়াটাই তার দ্বীনের পথে আসার কারন হলো। মডার্ন লাইফ লিড করা এই আপু নিকাব ছাড়া আর বের হতেন না। শুরু করলেন কুরআন শুদ্ধকরন, এরপর হিফয করা।
.
বয়স হয়ে যাওয়ার পর কুরআন হিফয করা সোজা কথা নয়। এক লাইন মুখস্থ হলে দুই লাইন ভুলে যায়। কিন্তু হাল ছাড়েন নি তিনি। প্রায় ছয় বছরে শেষ হয় তার হিফয।
.
পুনরায় বিয়ের প্রস্তাব আসতো। কিন্তু কথাবার্তা পাকাপোক্ত হওয়ার আগেই ভেঙে যেত। বারবার এভাবে হতে হতে না হওয়া একটা মেয়ের জন্য কতটা কষ্টের এটা একজন ভুক্তোভুগি ছাড়া আর কারো বোঝার কথা না। কিন্তু এই বোন ছিলেন এ ব্যপারেও ব্যতিক্রম। প্রতিবারই তার মনে হত নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা তার জন্য আরও উত্তম কাউকে রেখেছেন।
.
যেদিন তার হিফয শেষ হয়, সেদিন বা তার দু এক দিন পর তার জন্য একটি প্রস্তাব আসে। মদিনাতে থাকে ছেলে। হাফিয আলিম। অবিবাহিত হওয়া সত্বেও কোন একটি কারনে সে বিধবা বা ডিভোর্সি মেয়ে খুজছিলো। (কারনটা আমার ঠিক মনে নেই)
.
আলহামদুলিল্লাহ দীর্ঘ ছয় সাত বছরের এই একাকিত্বের কষ্ট অবশেষে শেষ হয়। বিয়ে হয় তার এই মদীনাবাসি বাঙালীর সাথে। দম আটকে আসা পরিবেশ থেকে তিনি উঠে আসেন এক জান্নাতী পরিবেশে। আজ তিনি তিন সন্তানের মা। এক মেয়ে, দুই ছেলে। গতকাল তার বড় মেয়ে হিফয শেষ করলো। হাফিযার মেয়ে হাফিযা।
.
ঘটনাটি বলার উদ্দেশ্য এটা নয় যে, সবার লাইফে এমনটিই ঘটবে। বরং এর চেয়েও ভাল কিছু ঘটতে পারে। যখন সব পথ বন্ধ হয়ে যায়, যখন মনে হয় আর কোন ভাবেই কোন কিছু হওয়া সম্ভব নয়, আপনার রবের ক্ষমতা সেই অসম্ভবকেও সম্ভব করতে সক্ষম।তিনি যদি কাঁদান, তাহলে তিনিই হাসাবেন। তিনি যদি কিছু নিয়ে যান, তাহলে এর থেকে উত্তম কিছু তিনিই দিয়ে দিবেন।
.
বিপদ বা কষ্ট, দু:খ বা দুর্দশা তাই একজন মুমিনকে দুর্বল করতে পারে না। হয় না সে অশান্ত অস্থির। বরং তার ঈমান আরও বৃদ্ধি পায়, তার অন্তর থাকে পূর্বের তুলনায় আরও শান্ত, তাওয়াক্কুলে ভরপুর।
▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂
.
লেখাঃ রিযওয়ানুল কবির সানিন (আল্লাহ্ তাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন!)
মেয়ে হিসেবে একা ভ্রমণ ও দুর্ঘটনা,,,,,,, ট্রাভেল ট্রাকার ফেইসবুক থেকে নেওয়া
😞মেয়ে হিসেবে একা ভ্রমণ ও দুর্ঘটনা :
নতুন অফিসে জয়েন করে একটু আনইজিই ছিলাম কাউকে চিনি না, সবাই অনেক সিনিয়র কিভাবে কি করবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না তো সেখানেই পরিচয় হয়ে গেলো আফ্রিন আপুর সাথে ।আমার থেকে কিছুটা সিনিয়র তবে খুব মনখোলা , হাসি খুশি একজন মানুষ ,খুব সহজেই আপন করে নিতে পারেন।
ঘুরতে পছন্দ করেন খুব ,আড্ডা দিতে পছন্দ করেন । বন্ধু মহলেও আপুর একছত্র দাপট চলে তার এই মনখোলা মানসিকতার জন্যই।
মিথ্যে বলব না মাঝে সাঝে আপুর এত ট্যুর দেয়া , ঘুরাফেরা দেখে হিংসাও হত । প্রতি ট্যুর শেষেই তার কাছের কিছু কলিগদের জন্য গিফট বরাদ্দ থাকতোই এবং তাদের মধ্যে আমিও একজন।
প্রতিবারের মত আপু এবারো ট্যুর দিয়ে আসার পরে তার ডাকের অপেক্ষায় ছিলাম। গিফটের লোভ কার না থাকে বলেন! কিন্তু আপুর কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে একদিন আফটার অফিস ধরেই বসলাম যে ঘটনা কি?
আগেই বলেছি ট্যুর দেয়া আপুর নেশার মতন , কিন্তু এবার তার সার্কেলের সাথে সময় ম্যাচ না করাতে তিনি একাই ট্যুর দিয়েছিলেন কক্সবাজারে।
কক্সবাজার তার দ্বিতীয় ঘরবাড়ির মত এতবার যাওয়া হয়েছে , তাই আর সলো ট্যুর দেয়ার ইচ্ছেটা দমিয়ে রাখেননি। চলে গিয়েছেন বহুবার যাওয়া জায়গাটাতে আর একবার।
কিন্তু এবারের অভিজ্ঞতার জন্যই এতদিনের পরিচয়ে আপুর মুখে প্রথমবারের মত শুনলাম – মেয়েদের একা ট্যুর দিতে নেই রে সে যে জায়গাই হোক না কেনো।
বললেন - কক্সবাজার শহরে নেমেই চলে গিয়েছিলাম বরাবরের মত পরিচিত হোটেলে। প্রথমে আগের মতই অভ্যার্থনা জানালো, জিজ্ঞেস করলো আর কে কে আছে? বললাম যে এবার একাই, হুট করে মনে হলো ম্যানেজারের মুখে সুক্ষ্ম পরিবর্তন আসলো বোধ হয়। কিন্তু পাত্তা দিলাম না। পরক্ষণেই প্রশ্ন করলো ঘুরতেই এসেছি নাকি অন্যকোন কাজ! বিশ্বাস কর একটু ও বুঝতে পারিনি সে সময় উনি কি বুঝাতে চেয়েছিলেন।
রেস্ট নিয়ে ফ্রেস হয়ে বুঝলাম ক্ষিদেয় পেট চোঁ চোঁ করছে, হোটেলের হেশেলেই গেলাম। সেখানেও মনে হলো পুরোটা সময় সবাই মনে হয় আমাকে আড়চোখে দেখছে, কারণ কোন ভাবেই মাথায় আসলো না।
বিচে যাওয়ার উদ্দেশ্যে পা বাড়লাম।বরাবরের মত অটো ডাকলাম। দরদাম করে উঠতে যাব অটো ওয়ালা মামা ও জিজ্ঞেস করলো "মামা একা নাকি?" আমিও সরল মনেই বললাম জ্বি মামা। কিন্তু বুঝলাম না কেমন যেন একটা হাসি দিলো।
বিচে গিয়ে হাটছি সব ঠিকই ছিলো তখন পর্যন্ত তারপর একটা চেয়ারে বসলাম, ঘন্টা করে যে চেয়ারগুলো থাকে। ১৫-২০ মিনিট পর খেয়াল করলাম আমার চেয়ারের আসে পাশে একটু বেশিই ছেলেপেলে দাঁড়িয়ে থাকছে। কেউ কেউ ফুটবল খেলছিলো, তাদের বল কেন জানি বারবার আমার চেয়ারেই এসে লাগছিলো।
মেয়েদের গাট ফিলিংস থেকে যে তারা অনেক কিছু বুঝতে পারে তা মানিস তো? আমি উত্তরে বললাম - হু।
আপু বলে চললেন -
কেন জানি ভালো লাগছিলো না কিছু, চলে আসলাম হোটেলের উদ্দেশ্যে। অথচ এই সমুদ্রের তীরে আমি ঘন্টার পর ঘন্টা কিছু না করেই কাটিয়ে দিতে পারি জানিস?
তারপর সব ঠিকই ছিলো, রাত ৯/১০ টার পর থেকে মনে হলো করিডোরে অনেক ছেলেপেলে। সাধারণত হোটেলের স্টাফ রা কাজ করে থাকেন চেইক ইন-চেইক আউট ইস্যুতে। তাই'ই ভেবে নিলাম। রাত ১১/১২ টা গড়ালো কিন্তু মনে হলো আমার রুমের সামনে থেকে যেন কোলাহল কমছেই না। কিছুটা বিরক্ত হয়ে দরজা খুলে দেখি আমার রুমের আসে পাশে দিয়েই অনেকেই। হয়ত হোটেল স্টাফই হবে কিন্তু এত রাতে বড় জোর ১/২ জন করে থাকে ডিউটিতে, আমার এত বছরের অভিজ্ঞতা তাই বলে। এতজন থাকার কথা নয়। জানি না কেনো অজানা আশংকা পেয়ে বসলো তাড়াতাড়ি দরজা লাগিয়ে বসে রইলাম। তাদের এই হাসাহাসি, আমার ঘরের সামনে হাটাহাটি, বিভিন্ন ধরনের অশালীন কথা বার্তা যেন চল্লো আমার ঘরের সামনের এড়িয়া জুরেই। অফ সিজনের জন্য হোটেলে বুকিং কম ছিলো কিনা তাই হয়ত অন্যঘরের ও কাউকে একবার ও শুনলাম না রুম থেকে বের হয়ে তাদের কিছু বলতে। ভোর অবধি ছিলো তারা আর এই পুরোটা সময় আমি কাঠ হয়ে বসে ছিলাম।
আর এতক্ষণে আমি বুঝে গিয়েছিলাম আসলে সমস্যা টা কোথায়। আসলেই তারা কি বুঝাতে চাচ্ছে বা ইঙ্গিত দিতে চাচ্ছে!
বিশ্বাস কর আমি মানতে পারছিলাম না, কোনভাবেই না। এসব ও কখনো আমাকে ফেইস করতে হতে পারে আমার কল্পনাতেও আসেনি একবারের জন্যও।
এসবের দরুণ ৪ দিনের ট্যুর আপু ২ দিন শেষেই ফিরে এসেছেন।
খুব দুঃখ নিয়ে আপু বললেন অন্যান্য দেশের কথা জানি না তবে এই দেশে একা ট্রাভেল মেয়েদের জন্য না রে।
আপুকে বিদায় দিলাম একরাশ মন খারাপ নিয়ে , মনে পরে গেলো আপুর এবারের ট্যুরের সময় ও মনে মনে একটু ঈর্ষা'ই করেছিলাম কিন্তু কখনো ভাবিনি নিজের দেশে তার এসব অভিজ্ঞতার শিকার হয়ে আসতে হবে।
আসলে আমরা যারা ট্যুর দেই সবার আসল উদ্দেশ্য থাকে মনের শান্তি অথচ মেয়েদের জন্য কতটা কঠিন এই মনের শান্তি টুকু উপলব্ধি করা ! ভেবে দেখেছেন কখনো! না ভেবে থাকলে ভাবুন , অন্তত ভাবার প্রাক্টিস শুরু করুন।
কপি
পেস্ট
দুই কারণে মুসলিমদের ঘরে জিনের আছর হয়,,,,, তাবলীগ জামাত ফেইসবুক থেকে নেওয়া
দুই কারণে মুসলিমদের ঘরে জিনের আছর হয়:
আল্লামা পালনপুরী (রহ.)
আওয়ার ইসলাম: ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দের শায়খুল হাদিস হযরতুল উস্তাদ মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী বলেন, দু’টি কারণে আজ মুসলমানদের ওপর, ঘরে জিন-শয়তানরা ভর করে।
এক, ঘরে উচ্চ আওয়াজে তিলাওয়াতে কুরআন না হওয়া। দুই, ঘরে নাপাক বস্তু রাখা, বিষেশত নারীরা বাচ্চাদের যে নাপাক কাপড়চোপড় রাখে।
আবুদাউদ শরিফের একটি হাদিসে বর্ণিত হয়েছে,
عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ : ” إِنَّ هَذِهِ الْحُشُوشَ مُحْتَضَرَةٌ ؛ فَإِذَا أَتَى أَحَدُكُمُ الْخَلَاءَ فَلْيَقُلْ : أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الْخُبُثِ وَالْخَبَائِثِ
অর্থাৎ: বাথরুম জিন-শয়তানদের আস্তানা, অতএব তোমারা কেউ যখন বাথরুমে যাবে, সে যেন বলে আমি আল্লাহর আশ্রয় চাই দুশ্চরিত্র ও দুশ্চরিত্রা জিন থেকে।
অতএব ঘরে বেশি করে তিলাওয়ত করুন, এবং ঘর পবিত্র রাখুন। ইনশাআল্লাহ জিনদের অনিষ্ট থেকে পরিত্রাণ পাবেন।
কপি
পেস্ট
বিয়ের দিন মেয়ের জামাইকে ডেকে মেয়ের বাবা বললেন-,,,, বণী চিরন্তনী ফেইসবুক থেকে নেওয়া
কপি পোস্ট
খুবই মর্মস্পর্শী
বিয়ের দিন মেয়ের জামাইকে ডেকে
মেয়ের বাবা বললেন-
প্রথম যে পুরুষটি ভালোবেসে আমার মেয়েকে ছুঁয়েছিলো,
সে তুমি নও।
সে আমি।
প্রথম যে পুরুষটি ওকে ভালোবেসে চুমু দিয়েছিলো,
সে তুমি নও।
সে আমি।
প্রথম যে পুরুষটি ওকে জানপ্রাণ দিয়ে ভালোবেসেছিলো,
সে তুমি নও।
সে আমি।
যাই হোক, যে পুরুষটি ওকে সারাজীবন যত্নে রাখতে পারবে, আমি আশা করি সে আমি নই।
সেটা তুমি।
কিন্ত কোনো কারনে যদি কোনোদিন আমার রাজকন্যাকে ভালোবাসতে না পারো,
তাহলে ওকে জানিও না।
আমাকে জানিও।
আবার নিয়ে আসবো ওকে আমার কাছে। আমার রাজকন্যার জন্য আমার রাজ্য সবসময় উন্মুক্ত থাকবে।
(সংগৃহীত)
কপি
পেস্ট
ক্রিকেট ভদ্রলোকের খেলা সৌরভ গাঙ্গুলীও ভদ্রলোক,,,,স্পোর্টস লিংক ফেইসবুক থেকে নেওয়া
ক্রিকেট ভদ্রলোকের খেলা সৌরভ গাঙ্গুলীও ভদ্রলোক
সৌরভ গাঙ্গুলী দাদা যখন ভারতের ক্রিকেট বোর্ডে সভাপতি সময়। T20 বিশ্বকাপ ২০২১ অনুষ্ঠিত হয়ে শেষ হয়। কোন বির্তক ছাড়া। চুরি করার ঘটনা আম্পায়ারের পক্ষ নেওয়ার সিদ্ধান্ত চোখে পড়ে নাই। দ্বায়িত্ব থাকা কালীন বির্তক ছিল না। ইচ্ছা করলেই আয়োজক হিসাবে চুরি করে, যে ভাবে হোক ফাইনালে গিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে যেতো পারো। অথচ নিরপেক্ষ খেলা পরিচালনা করেছে, গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিল ভারত।
বিরাট কোহলি বিশ্বের বিখ্যাত ব্যাটার, অথচ বাংলাদেশের মত ছোট দলের সাথে জিততে ফেইক ফিল্ডিং চুরি,প্রতারণা আশ্রয় নিয়েছে। আজ বাংলাদেশের সুনাম বিশ্ব ক্রিকেটে আর ভারতের মত শক্তিশালী ক্রিকেট বোর্ড। ক্রিকেট টিমও শক্তিশালী তাহলে কেন ভালো, স্বাভাবিক খেলাটা খেলে জিততে পারে না.? বিরাট কোহলি ফেক ফিল্ডিং করে নিজে চোর হিসাবে পরিচিত হয়েছে। সাথে ভদ্রলোকের ক্রিকেট খেলার সুন্দর নষ্ট করেছে।
ভালো মানুষ গুলো গুরুত্বপূর্ণ জায়গা টিকে না সব জায়গা।
সৌরভ গাঙ্গুলী, শচীন টেন্ডুলকাররা আজীবন প্রিয় আছে থাকবে। এরা যেমন ভালো মানের ক্রিকেটার তেমনি ভালো মানুষ ও। বিরাট কোহলি ভালো ক্রিকেটার বটে ভালো মানুষ হতে পারে নাই ম্যাচ জিততে চুরি প্রতারণার আশ্রয় নিতে হয়। তার উপর আম্পায়ার ছাড়া স্বাভাবিক জয় পেতে পারে না।
কপি
পেস্ট
সকাল সাতটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/০৯ বুধবার
সকাল ৭ টার সংবাদ। তারিখ: ০৯-১১-২০২২ খ্রি:।
আজকের শিরোনাম:
* সাফ উইমেন্স ফুটবলে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় জাতীয় মহিলা ফুটবল দলকে প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা আজ ।
* বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত ব্যয় পরিহার করে মিতব্যয়ী হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি শেখ হাসিনার আহবান।
* বিএনপি-জামাত শুধু বাংলাদেশে নয়, আন্তর্জাতিকভাবেও স্বীকৃত সন্ত্রাসী রাজনৈতিক শক্তি - মন্তব্য ওবায়দুল কাদেরের।
* শান্তিপূর্ণ সমাবেশে কোন বাধা নেই, তবে সমাবেশের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে সমুচিত জবাব দেয়া হবে - হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।
* দেশে ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচ ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু - নগরবাসীকে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।
* খুলনায় কিশোরী ধর্ষণের দায়ে ছয়জনের মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত।
* যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটগ্রহণ প্রায় শেষের দিকে - ভোটারদের কাছে মূল ইস্যু মুদ্রাস্ফীতি ও গর্ভপাত।
* এবং আজ সিডনীতে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের প্রথম সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের মোকাবেলা করবে পাকিস্তান।
অন্ধবাড়ি ( পর্ব ১) আজন প্রাণী ফেইসবুক থেকে নেওয়া
শার্টের বোতাম লাগাতে লাগাতে নগ্ন রাইসার দিকে চকচকে চারটি পাঁচশ টাকার নোট ছুঁড়ে দিলো ক্লাইন্ট। দাঁতের ফাঁক দিয়ে ইংরেজি গালি দিয়ে মধ্যবয়স্ক লোকটি রুম থেকে বেরিয়ে গেলেন। রাইসা এতক্ষণ মুখে কৃত্রিম হাসি নিয়ে বসে ছিলো। চোখে কামনা। কিন্তু লোকটির প্রস্থান তার চেহারাকে পালটে দিলো। পাঁচশ টাকার নোটগুলো হাতে নিয়ে সে কান্নায় ভেঙ্গে পড়লো। এই টাকাগুলো জরিনা আপাকে দিতে হবে। তিনি এই পতিতালয়ের সর্দারনী। ক্লাইন্টকে খুশি করতে পারলে জরিনা আপাও খুশি হোন। সেই পতিতার জন্য ভালো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়, ভালো কাপড় দেওয়া হয়। আর ক্লাইন্ট যদি অভিযোগ করে তাহলে তিনি রেগে যান। আর তিনি রেগে গেলে সেই পতিতার জন্য ব্যবস্থা করে হয় নানাবিধ শাস্তির। সেটা হতে পারে গরম লোহার ছেঁকা অথবা পায়ে বেত দিয়ে বিরামহীন প্রহার অথবা একাধিক পুরুষ দিয়ে সারারাত ধর্ষণ।
রাইসা টাকাগুলো নিয়ে জরিনা আপার রুমে ঢুকতেই দেখলো নতুন একটি মেয়ে এসেছে। কান্না করতে করতে চোখ দুটো ফুলিয়ে ফেলেছে সে। হাত পা কাঁপছে। টাকাগুলো সর্দারনীর হাতে দিতে দিতে রাইসা হাসিমুখে জিজ্ঞেস করলো,
" আমাদের নতুন অতিথি, আপা?"
" হ্যাঁ! আজই জামাই দিয়া গেছে। দশ হাজার দিয়া কিনলাম।"
একথা বলতে বলতে রাইসার হাত থেকে টাকাগুলো নিলো জরিনা।
"দুই হাজার টাকা দিসে ওই বুইড়া?"
" জ্বি আপা।"
রাইসা দেখলো জরিনার চোখ জ্বলজ্বল করছে। সে রাইসার চোয়াল ছুঁয়ে নিজের ঠোঁটে চুমু খেয়ে বললো,
" তুই তো আমার অন্ধবাড়ির রাজকুমারী রে! কাউকেই অখুশি করিস না। এই মোরসালিন, রাইসার জন্য বিরিয়ানির ব্যবস্থা কর।"
" জ্বি আপা করতেছি।"
মোরসালিনের ভাঙ্গা কন্ঠ শোনা গেলো। নতুন মেয়েটা ভয়ার্ত গলায় বললো,
" আমাকে যেতে দিন দয়া করে।"
জরিনা বললো,
" যাইতে দিমু? দশ হাজার টাকা দিয়ে কিনছি কি যাইতে দেওয়ার জন্য? জামা খুল দেখি! শরম কাটাইতে হবে।"
মেয়েটা এবার কান্নায় ভেঙ্গে পড়লো। জরিনা করুন চোখে রাইসার দিকে তাঁকিয়ে বললো,
" কি বিপদ! বল দেখি। এমনে করলে হইবো? দশ হাজার টাকা দেওয়া লস হইলো না? এম্নেই কচি মাল।"
রাইসা ঠান্ডা গলায় বললো,
" আচ্ছা আমি বুঝিয়ে বলছি আপা। বাচ্চা মেয়ে তো! আজ রাতে আমার সাথে থাকুক? আমি সব আদব কায়দা শিখিয়ে দিচ্ছি।"
"হ থাকুক। তুই তো আজকে ফ্রি। আর কোনো ক্লাইন্ট নাই। যা ওরে নিয়া ঘরে যা।"
রাইসা মেয়েটাকে ইশারা করলো তার সাথে যাওয়ার জন্য। জরিনার রুম থেকে বের হয়ে রাইসার ঘরে ঢোকার সাথে সাথে নতুন মেয়েটি রাইসার পা ধরে বসে পড়লো। কান্না করতে করতে বললো,
" আপু, আমাকে দয়া করে যেতে দিন। আমি আজীবন আপনার কাছে কৃতজ্ঞ থাকবো। আমাকে সাহায্য করুন।"
রাইসা দু হাত ধরে টেনে মেয়েটাকে দাঁড়া করালো। অল্প বয়স মেয়েটার। খুব বেশি হলে বয়স ষোলো কিংবা সতেরো হবে! মুখ থেকে কিশোরী ভাব এখনো যায় নি। রাইসা মুগ্ধ হয়ে কিছুক্ষণ তাঁকিয়ে রইলো। তারপর জিজ্ঞেস করলো,
" নাম কি তোমার?"
" রুপসা।"
" বাহ! ভারী মিষ্টি নাম। এখানে কি তোমার স্বামী দিয়ে গিয়েছে?"
মেয়েটি ছলছল চোখে মাথা নাড়লো। রাইসা চোখ বন্ধ করে লম্বা শ্বাস নিলো। তার চোখও ভিজে উঠেছে।
" বিয়ে কি পরিবারের সম্মতিতে হয়েছে?"
" না। পালিয়ে বিয়ে করেছি।"
" প্রেমের বিয়ে?"
রুপসা চুপ করে রইলো। রাইসা বুঝতে পেরে কথা ঘুরিয়ে বললো,
" বাসা কোথায়?"
" ভুয়াপুর। আচ্ছা, এই জায়গাটা কোথায়? আমরা যেখানে আছি?"
"সেটা তো বলতে পারবো না। মানা আছে। যখন আমাদের পর্যায়ে আসবে তখন সব জানতে পারবে। এই জায়গা কোথায়, কি সমাচার! সব কিছু।"
রুপসা কোনো উত্তর দিলো না। হাঁ করে তাঁকিয়ে রইলো রাইসার দিকে। রাইসা রুপসার সামনেই নিজের জামা কাপড় পালটে ফেললো। লজ্জায় রুপসা মেঝের দিকে তাঁকিয়ে রইলো। বিষয়টা রাইসার দৃষ্টি এড়ালো না। সে হেসে বললো,
" কয়েকদিনের মধ্যে কত পর পুরুষের সামনে বস্ত্র বিসর্জন দিতে হবে! আমাকে দেখে লজ্জা পেয়ে আর কি হবে?"
রুপসা জিজ্ঞেস করলো,
" আপনি কি নিজের ইচ্ছায় এখানে এসেছেন?"
রাইসা মাথা নাড়লো।
" তাহলে?"
" জামাই বিক্রি করে রেখে গিয়েছে।"
রুপসা বললো,
" আমার স্বামী আমাকে সারপ্রাইজ দিবে বলে সারা রাস্তা চোখ বেঁধে এখানে নিয়ে এসেছে! কোথায় নিয়ে যাচ্ছে তাও বলে নি। সারপ্রাইজের কথা শুনে আমিও জিজ্ঞাসা করি নি কিছু। আপনাকেও কি তাই করেছে?"
রাইসা হেসে বললো,
" না।"
রুপসা আর কিছু জিজ্ঞাসা করলো না তবে তার মাথায় আরো অনেক প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। রাইসা ব্যাগ থেকে সিগারেট বের করে ধরালো। দুই টান দিয়ে রুপসা কে জিজ্ঞেস করলো,
" অভ্যাস আছে?"
" না। স্কুলে বান্ধুবীদের সাথে মজা করে একবার একটান দিয়েছিলাম। আমি তো কাশতে কাশতেই শেষ!"
একথা বলে খিলখিলিয়ে হেসে উঠলো রুপসা। রাইসা সিগারেটের ধোঁয়ার মাঝ দিয়ে দেখলো চোখে পানি নিয়ে হেসে যাওয়া এক অবুঝ কিশোরীকে। কয়েকদিনের মধ্যেই যে পরিচিত হতে যাচ্ছে ভয়ংকর বাস্তবতার!
(চলবে...)
অন্ধবাড়ি ( পর্ব ১)
কপি
পেস্ট
একটা হাসির গল্প,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া
এক ইঞ্জিনিয়ার কিছুতেই
চাকরি পেলনা।
:
তখন সে একটা
ক্লিনিক খুলল ।
আর
বাইরে লিখে দিল,
“৩০০ টাকায় যে কোন
রোগের চিকিৎসা করান।
:
চিকিৎসা না হলে এক
হাজার টাকা ফেরৎ।
:
“ এক ডাক্তার ভাবল এক হাজার
টাকা রোজকার
করার একটা দারুণ সুযোগ.....
:
সে সেই ক্লিনিকে গেল আর বললঃ
:
“আমার কোন জিনিষ
খেতে গেলে তাতে কোন
স্বাদ পাই না।“
:
ইঞ্জিনিয়ার নিজের
নার্সকে বলল, “২২ নাম্বার
বক্স থেকে ওষুধ বার
কর আর ৩ ফোটা খাইয়ে দাও।“
:
নার্স খাইয়ে দিল।
:
রুগী (ডাক্তার)– “আরে,
এটা তো পেট্রোল।“
:
ইঞ্জিনিয়ার–“Congratulation .....
:
দেখলেন তো আমাদের
ক্লিনিকের কামাল।
:
আপনি টেস্টটা জিভে
পেয়েগেছেন।
:
এবার আমাকে আমার ৩০০
টাকা ফীটা দিয়েদিন।“
:
কিন্তু ডাক্তার ভীষণ চতুর।
:
ভাবল,
:
একে টাইট করতে হবে, আর
পয়সাটাও উসুল করতে হবে।
:
তাই আবার কিছুদিন
পর সে সেই ক্লিনিকে এল।
:
ডাক্তার– “সাহেব,
:
আমার মেমরী কমে গেছে।
:
কিছুই মনে থাকেনা।“
:
ইঞ্জিনিয়ার– “নার্স,
এনাকে সেই ২২
নাম্বার বক্স থেকে ৩ ফোটা দাও।“
:
রূগী (ডাক্তার)– “কিন্তু স্যার,
ওটা তো স্বাদ ফিরে পাওয়ার
ওষুধ।
:
“ ইঞ্জিনিয়ার–
“দেখলেন তো ওষুধ
খাওয়ার
আগেই আপনার মেমরী
ফিরে এসেছে।
:
দিন, আমার ৩০০ টাকা।
:
“এবার ডাক্তার বেশ রেগেই
বাড়ি গেল আর আবার
কিছুদিন পর
ক্লিনিকে এসে বলল, “স্যার, আমার
দৃষ্টিশক্তি একেবারেই কমে
গেছে।
:
সবই খুব ঝাপসা দেখছি।
:
“ ইঞ্জিনিয়ার– “এর কোন ওষুধ
আমার
কাছে নেই।
:
এই নিন, আপনার ১০০০ টাকা।“
:
রুগী (ডাক্তার)– “কিন্তু এটা তো
৫০০
টাকার নোট।“
:
ইঞ্জিনিয়ার– “দেখুন, আপনার
দৃষ্টিও
ফেরৎ এসে গেছে।
:
দিন আমার ৩০০ টাকা
কপি
পেস্ট
১৮ বছর পর পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ দেখল দেশ,,,,আলোকিত সোনাগাজী ফেইসবুক থেকে নেওয়া
১৮ বছর পর পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ দেখল দেশ
বিশেষ প্রতিনিধি:
দীর্ঘ ১৮ বছর পর পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ দেখল বাংলাদেশ। মঙ্গলবার বিকাল ৪টা ১৬ মিনিটে শুরু হয়ে পূর্ণগ্রহণ চলে প্রায় দেড় ঘণ্টা। বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের আয়োজনে সর্বসাধারণের পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়।
সেখানে টেলিস্কোপে চাঁদের এমন অবস্থান দেখতে উচ্ছাস দেখা গেছে অনেকের মাঝে । চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী এক সরলরেখায় থাকলে এবং চাঁদের ওপর পৃথিবীর ছায়া পড়লে চন্দ্রগ্রহণ হয় বলে জানান বিজ্ঞানীরা।
এদিকে ঢাকার পাশাপাশি চট্টগ্রাম থেকে দেখা যায় এ পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ। সেখানে শুরু হয় বিকাল ৫টা ৯ মিনিট ১৮ সেকেন্ডে আর শেষ হয় ৭টা ৫৪ মিনিট ২৪ সেকেন্ডে। খুলনায় ৫টা ১৭ মিনিট ৪২ সেকেন্ডে শুরু হয়ে স্থায়ী হয় ৮টা ২ মিনিট ৪৮ সেকেন্ড পর্যন্ত।
বরিশালে শুরু হয় ৫টা ১৪ মিনিট ২৪ সেকেন্ডে আর শেষ হয় ৭টা ৫৯ মিনিট ৩০ সেকেন্ডে। রাজশাহীতে শুরু ৫টা ১৮ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে আর শেষ হয় ৮টা ৩ মিনিট ৪২ সেকেন্ডে। রংপুরে থেকে শুরু হয় ৫টা ১৪ মিনিট ৩০ সেকেন্ডে, শেষ হয় ৮টা ৩৬ সেকেন্ডে।
পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ সবচেয়ে বেশি সময় স্থায়ী হয়েছে খুলনা, রাজশাহী ও রংপুরের আকাশে।
এদিকে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের কিউরেটর মাসুদুর রহমান জানান, বছরে সর্বোচ্চ ৩টা চন্দ্রগ্রহণ, হতে পারে। চন্দ্রগ্রহণে পৃথিবীর কাছাকাছি চাঁদ চলে গেলে তা দেখতে তুলনামূলক বড় হয়। তখন সেই চাঁদকে সুপার মুনও বলা হয়। এমন পরিস্থিতিতে চাঁদের উজ্জ্বলতা তুলনামূলক বেশি হয় বলে জানান তিনি।
মহাবিশ্বের বিশেষ ঘটনার পাশাপাশি প্রতি শুক্র ও শনিবার আকাশ পরিষ্কার থাকা সাপেক্ষে টেলিস্কোপের মাধ্যমে গ্রহ নক্ষত্র দেখানো হয় বাংলাদেশ বিজ্ঞান প্রযুক্তি জাদুঘরে।
স্পেস ডটকম জানিয়েছে, আগামী প্রায় আড়াই বছরের জন্য এটিই শেষ পূর্ণ বলয়গ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। পরের পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ দেখতে বিশ্ববাসীকে অপেক্ষা করতে হবে ২০২৫ সালের ১৪ মার্চ পর্যন্ত। ওইদিন আবার পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। ওই বছরের ৭ সেপ্টেম্বর আরও একটি চন্দ্রগ্রহণের সাক্ষী হবে বিশ্ব।
কপি
পেস্ট
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া
🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...
-
🧪 বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল) টেস্ট ফি তালিকা (২০২৫) 🩸 রক্ত ও হেমাটোলজি টেস্ট: ✅ CBC (OPD): ৩০০ টাকা ✅ CBC (IPD): ২০...
-
#কোমর থেকে পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা: আসল কারণ কোথায়? স্নায়ুর লাইনে ব্যথা: Holistic approach কেন জরুরি- পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা কেন হয়?...
-
✅ কাজের বুয়ার কাহিনীঃ আমাদের বাসার কাজের বুয়া (৫৪) মাসে ১৭ হাজার টাকা আয় করেন। উনি আমাদের বাসায় সকাল ৯ টায় আসার আগে একটা মেসে রুটি বানা...