এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ৯ নভেম্বর, ২০২২

কিছু কথা কিছু হাসি,,,,, বিচ্ছেদ গল্প,,,, ফেইসবুক থেকে

"কাল তোমাকে আমার বন্ধুর ছেলে দেখতে আসবে মেঘ৷ কাল কলেজ যেওনা বুঝলে?"


বাবাইয়ের কথা শুনে মাথা নাড়ালাম। যার অর্থ আচ্ছা। 


বাবাই রুম থেকে যেতেই দরজা লাগিয়ে তাড়াতাড়ি কল দিলাম সাদমানকে। ওপাশ থেকে কল ধরতেই সাদমান মলিন কন্ঠে বললো,


" বলো মেঘ।" 


আমি ভেজা কন্ঠে বললাম, "এইবারও চাকরিটা হলোনা?" 


ওপাশ থেকে শুনতে পেলাম সাদমানের হতাশ কন্ঠ। তারপর বললো, "আমিতো চেষ্টার কোনো খামতি রাখছিনা মেঘ। " "মেঘ আরও কিছুদিন বিয়েটা আটকে রাখো। আমি কয়েকদিনের মধ্যেই চাকরি পেয়ে তোমার বাবা-মায়ের কাছে যাবো তোমাকে চাইতে।"


আমি এইবার কেঁদেই দিলাম। কেঁদে বললাম,


"এইবার আর আটকানো যাবেনা সাদমান। এইবার বাবাই খুব কঠিন করে বলেছে, " এইবার আর কোনো না শুনবোনা।"


ওপাশ থেকে সাদমান কিছু না বলে কল কেটে দিলো। আমি জানি ছেলেটা এখন ভীষণভাবে খোদাকে বলবে, "হে খোদা..পৃথিবী এতো নিষ্ঠুর কেনো? কেনো বেকারত্বের কাছে হেরে যায় ভালোবাসা? কেনো খোদা? কেনো? আমি চাপা আর্তনাদে কেঁদে উঠলাম। এইবার কি তবে সত্যি সত্যি বিয়েটা হয়েই যাবে?"


আজ আমার বিয়ে। হ্যাঁ..বাবাইয়ের বন্ধুর ছেলের সাথেই। শত চেষ্টা করেও আটকাতে পারিনি বিয়েটা। চোখ বেয়ে পানি ঝড়ছে। শেষ বারের মতো সাদমানকে দেখতে খুব ইচ্ছে করছে কিন্তু, উপায় যে নেই। সবার আড়ালে গিয়ে কল দিলাম। ওপাশ থেকে কল ধরতেই কান্না করতে করতে বললো,


" পারলাম না মেঘ, আমি পারলাম না তোমাকে নিজের করে রাখতে। হেরে গেছি আমি নিজের ভালোবাসার কাছে।" ছেলেটার এমন মেয়ে কান্না আমার সহ্য হচ্ছিলোনা। কেটে দিলাম কল। কান্না ভেজা অবস্থায় ভাবলাম, "কোনো একদিন সাদমানও প্রতিষ্ঠিত হবে। গাড়ি, বাড়ি ওর'ও হবে। কোনো একদিন আবার হয়তো আমাদের দুজনেরই দেখা হবে।। কিন্তু, সেইদিন আমরা একে অপরের কাছে থাকবোনা। থাকবো, দুজন ভিন্ন ব্যক্তির পাশে। কেনো সত্যি কারের ভালোবাসাগুলো হেরে যায় পরিবারের কাছে? কেনো হেরে যায় বেকারত্বের কাছে? এইসব ভাবতেই গাল বেয়ে চোখের পানি ঝরছে।

কপি

পেস্ট

পঁচিশ টি পেশার নাম ও শুদ্ধ উচ্চারণ

২৫ টি পেশার নাম ও শুদ্ধ উচ্চারণ 


1. Mason (মেই-সন) – রাজমিস্ত্রি

2. Cartographer (খা-ঠা-গ্রা-ফা) – মানচিত্রকার

3. Woodcarver (উড-খা-ভা) – কাঠ ভাস্কর

4. Gardener (গা-ডে-না) – মালী

5. Composer (খম-ফৌ-যা) – গীতিকার

6. Director (ডিরেক-ঠা) – পরিচালক

7. Economist (ই-খ-ন-মিস্ট) – অর্থনীতিবিদ

8. Hunter (হান-টা) – শিকারী

9. Judge (জাজ) – বিচারক

10. Worker (ওয়া-কা) – শ্রমিক

11. Rickshaw puller - (রিকসা-ফু-লা)

12. Landlord (ল্যান্ড-লোড) – জমিদার

13. Mechanic (মেখা-নিক) – মিস্ত্রি

14. Translator (ট্রান্স-লেই-ঠা) – অনুবাদক

15. Violinist (ভাই-য়া-লি-নিস্ট) – বেহালাবাদক

16. Tutor (ঠিউ-ঠা) – গৃহশিক্ষক

17. Builder (বিল-ডা) – নির্মাতা

18. Warden (ওয়া-ডেন) – প্রহরী

19. Home maker (হৌম-মেই-খা) - গৃহিণী

20. Athlete (এথ-লিট) – ক্রীড়াবিদ

21. Fisherman (ফিশা-ম্যান) – জেলে

22. Designer (ডিজাইনা) – নকশাকার

23. Editor (এডি-ঠা) – সম্পাদক

24. Taylor (ঠেইলা) – দর্জি

25. Boatman (বৌট-ম্যান) – মাঝি


সবাইকে অনুরুধ করবো অন্ততপক্ষে একটিবার পুরো লেখাটা পড়ুন।

আসসালামু আলাইকুম ➡️বোরকা পড়ে ফেইসবুকে ছবি দেওয়া বোনদের জন্যে কি জায়েজ? বা ইসলামিক পোস্ট এ বোরকা পড়া বোনদের ছবি ব্যবহারের বৈধতা কত টুকু?


➡️সবাইকে অনুরুধ করবো অন্ততপক্ষে

 একটিবার পুরো লেখাটা পড়ুন। 

--------------------------------------------------------------


➡️আজকের পোস্টটা মূলত বোন আপনার জন্যে। 

আর কিছু অংশ ভাইদের জন্যেও। 


➡️যে বিষয়টা নিয়ে কথা বলছি এটা বর্তমান পাক্কা মুসলিম দাবি করা কিছু সংখ্যক মুসলিম ভাই ও বোনদের নতুন ধারা।

আমি বোনদেরকে জিজ্ঞেস করতে চাই বোরকা পড়ে ছবি করা যায় এটা আপনাকে কে বলেছে?


➡️কোন হাদীসে পেয়েছেন বা কোন ইসলামিক স্কলার এর লেকচার থেকে আপনি এটা শিখেছেন? 

শিখে থাকলে কুর'আনের কোন আয়াত বা কোন সহীহ হাদীসের ভিত্তিতে বুঝেছেন যে এটা বৈধ?


➡️আর ভাইদেরকে বলতে চাই যে, আপনি কি নিজের বোন বা স্ত্রীর বোরকা পড়া ছবি ফেইসবুকে আপলোড করা জায়েজ মনে করেন?

আপনি হয়তো মনে করেননা।


➡️মনে করলে আপনি দাইয়্যুস। 

আর যদি নিজের বোন, স্ত্রী, মেয়ের বোরকা পড়া ছবি হলেও আপলোড করতে আপনার বিবেকে বাঁধে, তাহলে আরেকজনের মেয়ে,স্ত্রী বা বোনের ছবি আপলোড করার অধিকার আর বৈধতা আপনাকে কে দিয়েছে?


➡️যে আপনি আপনার প্রত্যেকটা পোস্টে কোন না কোন বোরকা পড়া মেয়ের ছবি আপলোড দেন?

আর যে বোন ও ভাইয়েরা নিজেদের ছবি দেননা তারা আরেকটা মেয়ের ছবি আপলোড দেন কিভাবে?

 কোন বিবেকে?


➡️আর যে বোনেরা নিজেদের ছবিই আপলোড দেন তাদের বলার তো কিছুই নেই! তারাই হলো মূল শয়তান বা শয়তানের খালাত বোন! আরে এটা কিছুইনা ৷ 

এটা একটা ডিজিটাল শয়তানি ও শয়তানের নতুন ফাঁদ।

যেমন : যে ছেলে রাস্তায় বেপর্দা মেয়ে দেখলে চোখ নিচু করে ফেলে, শয়তান তখন তার চোখে আকর্ষণীর করে দেয় রাস্তার বোরকা পড়া মেয়েটাকে। 

যে মেয়েটা বেগানা পুরুষ দেখে চোখ নিঁচু করে, শয়তান সেই মেয়ের জন্যে সুন্দর করে দিয়েছে দাঁড়িওয়ালা ছেলেটাকে।


➡️ঠিক তেমনি শয়তান জানে যে এই মেয়েকে দিয়ে বেপর্দা হয়ে ছবি আপলোড দেওয়া সম্ভব নয়, তাই সে এমন একটা ফাঁদ পেতেছে, যা আপনি টেরই পাননি। সে আপনাকে এটা বুঝিয়েছে যে বোরকা পড়লে তো পর্দা তো হয়েছেই, এবার ফেইসবুকে ফটো আপলোড দিলে কোন সমস্যা নেই।

তাও আবার ইসলামিক পোস্টের মধ্যে! আবার কিছু লোক মাঝেমধ্যে তা দেয় পর্দা সংক্তান্ত পোস্টেও!


➡️এবার আমার প্রশ্ন হলো যদি আপনি বোরকা পড়ে নিজেকে সবার সামনে প্রেজেন্ট করেন, তাহলে আপনার পর্দা হলো কোথায়?

ওহ! চেহারা দেখা যায়না তাই পর্দা হলতো??


➡️Ok, Fine, কিন্তু আপনার এই ঢেকে রাখা শরীরের ধারণকৃত স্থীর ঐ ছবি, আপনাকে আরও আগ্রহী করে দেয়। বিশেষ করে যখন আপনি সুন্দর বোরকা পড়েন।

সুন্দর বোরকার ফলে যদি আপনাকে সুন্দরই লাগে, তাহলে আপনার পর্দা হলো কোথায়?


➡️যদি আপনার বোরকা পড়ে আকর্ষণীয় ভঙ্গিতে দেওয়া ছবি একটা ছেলের মনে ফাহিশা সৃষ্টি করে, তাহলে আপনার পর্দা হলো কিভাবে?

কোনো আলেম এটাকে জায়েজ বলেছে কি? 

যদি কেউ এটাকে জায়েজ বলে তাহলে সে মূর্খ।

কুর'আনের কোন আয়াত বা কোন সহীহ হাদীস দিয়ে সে ফতোয়া দিয়েছে?


➡️এবার আপনি বলতে পারেন যে বোরকা পড়ে বের হওয়া গেলে কেন ফটো দেওয়া যাবেনা?

বোন বোরকা পড়ে রাস্তায় হাঁটলে আপনি কোন পুরুষের দৃষ্টির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেননা।

আপনি থাকেন চলমান, বা আপনি সারাক্ষণ একজনের চোখের সামনে থাকেননা।


➡️আপনি মুহুর্তেই একজনের চোখের সামনে থেকে Vanish হয়ে যান। কিন্তু Facebook-এর স্থীরথাকা ঐ ছবির মাধ্যমে আপনি একজন পুরুষের দৃষ্টির কেন্দবিন্দুতে থাকেন।

আর Video-এর মাধ্যমে থাকেন তার চোখের সামনে। তাহলে কেন আপনি এটা করেন?

কিসের ভিত্তিতে আপনি নিজেকে পর্দাশীল মনে করেন?


➡️যত বোন এই পোস্টটা পড়েছেন অনুরোধ থাকবে এসব আর করবেননা।

আর হ্যাঁ, ছেলেদেরও কিছু ছবি পাওয়া যায় ফেইসবুকে ৷

দাঁড়ি শেভ করে সুন্দর হাসি দিয়ে Attractive ভাবে ছেলেদেরও কিছু ছবি দেখা যায়।


➡️যে ভাইয়েরা এই পোস্টটা পড়েছেন আপনাদের বলছি আপনি পুরুষ বলে এই না যে আপনার Attractive Photo করার অধিকার আছে!!

যদিও ছবিগুলো আরবের ছেলেদের বা মেয়েদের, কিন্তু সেগুলো বাংলাদেশে Publish করেন আপনারাই ৷

এসব ডিজিটাল ফিতনা আর শয়তানি বন্ধ করুন। শয়তানের

ফাঁদ সম্পর্কে সচেতন হন।


➡️এরপরেও আপনি আপনার পর্দাওয়ালা প্রোফাইল পিক রাখার জন্য লজিক দেখাতে পারেন। কিন্তু বোন এটাই সত্যি, আপনার লজিক এখানে কোন কাজে লাগবে না।


➡️তাই সাবধান হোন বোরখাওয়ালা প্রোফাইল পিক রাখার ক্ষেত্রে। নাহলে যারা উলঙ্গ হয়ে পিক আপলোড করে তাদের সাথে আর আপনার কোন তফাৎ থাকবে না। 

পরকালে তাদের মতো আপনাকেও হিসাব দিতে হবে।

 

 ➡️ ইংশাআল্লাহ ভালো থাকুন। 🌹🌹🌹

মানুষের উপকার হয় এএমন ভালো কাজ করুন।

 আল্লাহ্ তালাহ্ সবাইকে সঠিকভাবে কথা গুলোর উপর আমল করার তৌফিক দান করুক... (আমিন) 🤲🤲

কপি

পেস্ট 

নতুন মা

নতুন_মা 


একটি আট বছরের বাচ্চার মা মারা গিয়েছিল,

পরে তার বাবা আর একটি বিয়ে করলো,, 

একদিন বাচ্চাটার বাবা তাকে জিজ্ঞেস করলো 

"বাবা"

বলতো তোমার

নতুন মা এবং পুরাতন মায়ের মধ্যে পার্থক্য কি?

বাচ্চাটি বললো !!

আমার নতুন মা সত্যবাদী, আর পুরাতন মা মিথ্যাবাদী ছিল,,,------

"বাবা"

তার ছেলের কথা শুনে চমকে গেল;;

এবং বললো কেন বাবা...?? 

তোমার যেই "মা"

তোমাকে জন্ম দিল সে মিথ্যা বাদী-আর যে কয়েক দিন হল আসলো সে সত্যবাদী হয়ে গেল?

বাচ্চাটি বলল... আমি যখন সারাদিন খুব দুষ্টামি

করতাম;; তখন আমার "মা"আমাকে বলতো তুই 

যদি এমন দুষ্টামি করতে থাকিস তাহলে তোর 

 খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে দিব!!

তারপর সারাদিন যখন আমাকে খুজে না পেতো

তখন সারা গ্রাম খুজে আমাকে ধরে এনে

নিজের পাশে বসিয়ে নিজ হাতে খায়িয়ে দিতো,,

আর আমার নতুন "মা" বলে তুই যদি

এমন দুষ্টামি করিস তাহলে তোর খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে দিব;

সত্যি সত্যি আজ তিন দিন যাবত

আমাকে কোন খাবার দেয়া হয় নি,,,,------------


নিজের মায়ের মত "মা" পৃথিবীতে কেউ হতে পারে না, -------------_----------


❤লাভ ইউ মা ❤


collect.... 

কেউ সাইবার অপরাধের শিকার হলে নিন্মলিখিত ব্যবস্থা নিবেন,,,,,

কেউ সাইবার অপরাধের শিকার হলে নিন্মলিখিত ব্যবস্থা নিবেন:

১। ফেসবুক আইডি হলে লিংক সংরক্ষণ করতে হবে;

২। অপরাধমূলক স্ক্রীনশট রাখতে হবে;

৩। সম্ভব হলে অপরাধীর মোবাইল নম্বর সংরক্ষণ করতে হবে;

৪। সোশ্যাল মিডিয়াতে চ্যাট করার সময় বাক্তিগত তথ্য ও ছবি দেয়া-নেয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে;

৫। ভিডিও কলের সময় পরিধেয় পোশাকের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে; 

৬। বিকাশ বা ব্যাংক কার্ডের গোপন পিন বা ওটিপি কখনো কারো সাথে শেয়ার করবেন না;

৭। কোন প্রলোভনে পড়ে কারও সাথে ব্যাক্তিগত ও গোপনীয় ছবি ও তথ্য শেয়ার করা যাবে না;

৮। সোশ্যাল মিডিয়াতে কোন ফিসিং লিংকে প্রবেশ করা যাবে না;

৯। প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি বা পরিচিত কোন লোক ছাড়া অনলাইন হতে মালামাল বা দ্রব্য ক্রয় হতে যথাসম্ভব বিরত থাকা; 

১০। বন্ধু বা নিকটজনের সাথে সেলফি, গ্রুপ ফটো বা অন্যের মোবাইল বা ক্যামেরায় ফটো তোলার ক্ষেত্রে যথাসম্ভব সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। 

১১। কেউ এমন অপরাধের শিকার হলে সংশ্লিষ্ট থানায় জিডি বা মামলা করবেন।

সবাই একটু সচেতন থাকুন আর সাইবার অপরাধ হতে নিজেকে মুক্ত রাখুন। 

অহেতুক মিথ্যা প্রতিশ্রুতি থেকে বিরত

"অ*হেতুক মি*থ্যা প্রতিশ্রুতি থেকে বির*ত থাকুন!"


আমেরিকায় এক বরফ শীতল রাতে,একজন কোটিপতি তার ঘরের সামনে এক বৃদ্ধ দরিদ্র মানুষকে দেখতে পেলেন।

তিনি বৃদ্ধ মানুষটিকে জিজ্ঞাসা করলেন,

"বাইরে এত ঠাণ্ডা আর আপনার গায়ে কোনো উষ্ণ কাপড় নেই, আপনার কি ঠাণ্ডা লাগেনা?


বৃদ্ধ লোকটি উত্তর দিল, "আমার কাছে উষ্ণ কাপড় নেই কিন্তু আমি মানিয়ে নিয়েছি।"


কোটিপতি উত্তর দিয়েছিলেন,"আমার জন্য অপেক্ষা করুন।

এখন আমি আমার ঘরে ঢুকে আপনার জন্য একটা উষ্ণ কাপড় নিয়ে আসবো।"


দরিদ্র বৃদ্ধ খুব খুশি হয়ে বলল,সে তার জন্য অপেক্ষা করবে।

কোটিপতি তার বাড়িতে ঢুকলেন এবং সেখানে ব্যস্ত হয়ে গেলেন এবং দরিদ্র মানুষটার কথা ভুলে গেলেন।

সকালে তার মনে হলো,

সেই দরিদ্র বৃদ্ধের কথা।তিনি সাথে সাথে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন বৃদ্ধকে খুঁজে বের

করার জন্য। কিন্তু তিনি বৃদ্ধ মানুষটাকে ঠান্ডার কারণে মৃ*ত অবস্থায় দেখতে পান।

আর বৃদ্ধ মানুষটার হাতে একটা চিরকুট দেখতে

পেলেন।


চিরকুটে লিখা ছিলো -

"যখন আমার কোন উষ্ণ কাপড় ছিল না,

তখন ঠান্ডার সাথে লড়াই করার ক্ষমতা আমার ছিল কারণ আমি মানিয়ে নিয়েছিলাম।


কিন্তু যখন আপনি আমাকে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন,

তখন আমি আপনার প্রতিশ্রুতির সাথে আসক্ত হয়ে গিয়েছিলাম এবং

আমি আমার তীব্র ঠাণ্ডা প্রতিরোধ করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলি"।


"কাউকে প্রতিশ্রুতি দেয়ার আগে ভাবুন এবং অহেতুক মি*থ্যা প্রতিশ্রুতি থেকে বি*রত থাকুন!!


✍️সংগৃহীতঃরুশো✅

কপি

পেস্ট 

ভূস্বর্গের (Jammu & Kashmir) সৌন্দর্য শব্দে বর্ণনা করা কঠিন,,,,,, ট্রাভেল ট্রাকার ফেইসবুক থেকে

ভূস্বর্গের (Jammu & Kashmir) সৌন্দর্য শব্দে বর্ণনা করা কঠিন। এর সৌন্দর্য দ্বিগুণ বৃদ্ধি পায় যখন উপত্যকার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য সব কিছু একসঙ্গে মিশিয়ে যায়। 

কাশ্মীর উপত্যকার সৌন্দর্যের টানেই সারা বছর ভিড় লেগে থাকে পর্যটকদের। ২০২২ সালের মার্চ মাসে রেকর্ড গড়ে আপাতত পর্যটন শিল্পে বড়সর ঢেউ তুলেছে কাশ্মীর। কাশ্মীর পর্যটন বিভাগের কাছে পরিসংখ্যান অনুসারে, ১০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মত উপত্যকাটি মার্চ মাসে প্রায় ১.৮ লক্ষ পর্যটকের আগমন ঘটেছে। পর্যটন বিভাগের ডিরেক্টর জি এন ইটু জানিয়েছেন, “২০২২ সালের মার্চ মাসে, ১,৭৯,৯৭০ জন পর্যটক কাশ্মীর ভ্রমণ করেছেন। যা গত ১০ বছরের সর্বোচ্চ রেকর্ড। এটি একটি রেকর্ড সংখ্যা। এর থেকেও আরও সংখ্যা বৃদ্ধি আশা করা হচ্ছে।“
কাশ্মীর ভ্রমণ অনেকটা স্বপ্নের মতন , একবার গিয়ে কারো মন ভরবে বলে আমি মনে করিনা। আরা ঠিক সে কারণেই প্রতি বছরেই এত এত মানুষ সেখানে ভীড় করেন।

দর্শনীয় স্থান গুলোর মধ্যে একদম প্রথমেই আছে – লিডার ভ্যালী , বাঙ্গুস উপত্যকা , ডাকসুম উপত্যকা, গুলমার্গ , বেতাব উপত্যকা , গুরেজ ভ্যালি , পঞ্চ উপত্যকা , ইউসমার্গ উপত্যকা , শ্রীনগর , পেহেলগাম, সোনামার্গ ।
ভূস্বর্গে গেলে যে সব জায়গা সবাই দেখে সে সব তো দেখবেনই, এর সঙ্গে কয়েকটা অফবিট অভিজ্ঞতাও মিস করবেন না যা আপনার এই কাশ্মীর ট্যুর কে আরো স্মরণীয় করে রাখবে। হিমালয়ান চিজ , শিকারায় শপিং, ট্রাউট ফিশিং, সেভেন লেক ট্রেক এসব জিনিস ট্রাই করার চেষ্টা অবশ্যই করবেন।

জম্বুতে কম দামে প্রচুর ড্রাই ফ্রুটস পাওয়া যায়।এখানকার জাফরান ও বিশেষ ভাবে বিখ্যাত। এছাড়া কেনাকাটার জন্য জম্বুর রঘুনাথ টেম্পল বেশ পরিচিত। সেখানে কাশ্মীরি যাবতীয় জিনিস পাওয়া যায়। পেহেলগাম থেকে মেয়েদের নানা জুয়েলারি, ব্যাগ, কয়েন বক্স ও শো-পিস কিনতে পারা যাবে। আর কাশ্মীরে গেলে পাবেন নানা মশলার খোজ যা রন্ধন প্রেমীদের নিঃসন্দেহে কাজে লাগবে। তবে কাশ্মীরি শাল কেনার ক্ষেত্রে একটু সতর্ক থাকবেন কেননা অনেক নকল শাল ও পাওয়া যায়।

কাশ্মীর গিয়ে নানা ধরনের তাজা ফলের স্বাধ নিতে ভুল করবেন না। এছারাও কাশ্মীরের মাটন বিরিয়ানি বিখ্যাত। এখানকার ওজওয়ান (নানা ধরনের খাবারে সমৃদ্ধ এক প্লেটার), কাশ্মীরি কাবাব, মাটন রোগান জোশ, ভেড়ার মাংস, পনির চামান, আলুর দম, টক বেগুন, নাদরু ইয়াখনি বিখ্যাত। আর রফিক ক্যাফেটেরিয়ার কাবাব আর কুলফির স্বাদ ও মুখে লেগে থাকার মতন।

প্রতিটি মৌসুমেই কাশ্মীর এক ভিন্ন ভিন্ন রূপের ডালা নিয়ে সামনে হাজির হয় তবে শীতকাল ,পূজোর সময় আর বসন্তকালে এর সৌন্দর্য হয় বর্ণনাতীত। আর সে কারণেই মনে হয় একে ভূস্বর্গ বলা হয়ে থাকে।
কপি
পেস্ট


 

মেসওয়াকের ফজিলত

 ১. আল্লাহ তায়ালা সন্তুষ্ট হন।

২. নামাজেরর সওয়াব নিরানব্বই বা চারশ গুন।

৩. কথায় সচ্ছলতা বৃদ্ধি পায়।

৪. জীবিকা নির্বাহ সহজ হয়।

৫. মুখ পরিষ্কার হয়।ঔ

৬. দাতের মাড়ি মজবুত হয়।

৭. মাথার রোগ নিরাময় হয়।

৮. কোন স্থীর রগ নড়াচরা করে না এবং নড়াচড়াকারী রগ স্থীর হয় না।

৯. কফ দূর হয়।

১০. দাত শক্ত হয়।

১১. দৃষ্টি শক্তি ঠিক ও তীক্ষ্ণ থাকে।

১২. পাকস্থালী সুস্থ্য থাকে ও পরিষ্কার হয়।

১৩. শরীর শক্তিশালী হয়।

১৪. স্মরণ শক্তি বৃদ্ধি পায়।

১৫. অন্তর পবিত্র হয়।

১৬. নেকী বেড়ে যায়।

১৭. ফেরেস্তাগন খুশি হন।

১৮. ফেরেস্তা তার সাথে মোছাফাহা করেন।

১৯. মসজিদ থেকে বের হলে ফেরেস্তাগন পিছনে পিছনে চলেন।

২০. নবী রাসূলগন তার জন্য ক্ষমার দোয়া করেন।

২১. শয়তান অসন্তুষ্ট হয় ও বিতাড়িত হয়।

২২. খাবার হজমে সহায়তা করে। 

২৩. অধিক সন্তান লাভ হয়।

২৪. বার্ধক্য বিলম্বে আসে।

২৫. পীঠ মজবুত হয়।

২৬. উষ্ণতা দূর হয়।

২৭. দাত সাদা হয়।

২৮. মুখে সুঘ্রাণ আনে।

২৯. পেটের রোগ দূর হয়।

৩০. কণ্ঠ সুন্দর হয়।

৩১. জিহ্বা পরিষ্কার হয়।

৩২. বুদ্ধি তীক্ষ্ণ হয়।

৩৩. আর্দ্রতা বন্ধ হয়।

৩৪. প্রয়োজন পুরা হতে সাহায্য করে।

৩৫. যারা মেসওয়াক করে না তাদের সাওয়াব তার আমল নামায় লেখা হয়।

৩৬. বীর্য ঘন হয়।

৩৭. দুনিয়া হতে পবিত্র হয়ে যায়।

৩৮. ফেরেস্তাগন তাকে নবীদের অনুসারী বলে।

৩৯. কবর প্রশস্ত হয়।

৪০. মৃত্যুর কষ্ট তাড়াতাড়ি শেষ হয়।

৪১. মৃত্যুর সময় কালেমা নসীব হয়।

৪২. মৃত্যুর সময় ফেরেস্তাগন সম্মানের সাথে উপস্থিত হয়।

৪৩. আমল নামা ডান হাতে পাওয়া যায়।

৪৪. পুলসিরাত বিজলীর মতো পার হওয়া যায়।

৪৫. জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দেয়া হয়।

৪৬. জান্নাতের দরজা খুলে দেয়া হয়।

কপি
পেস্ট 

এরেই কয় রাম ধরা,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

এরেই কয় রাম ধরা,,,,,,


মিষ্টার কল্লোল সরকার, সারাদিন কাজ করেন অফিসে, কাজ শেষ করে প্রায়শই রাত হয় বাড়ী ফিরতে......


স্ত্রী অনুভব করলেন ব্যাপারটা, আহা কি পরিশ্রমটা না তার স্বামী করছেন...!

  

দুদিন পর স্বামীর জন্মদিন। স্ত্রী ঠিক করলেন সারপ্রাইজ হিসেবে স্বামীকে নিয়ে একটা নাইটক্লাবে যাবেন একটু আনন্দ দিতে...!


ক্লাবে ঢুকতেই, ডোর ম্যান (দারোয়ান) মিঃ কল্লোলকে দেখে বললেন---

'স্যার, কেমন আছেন...???'


স্ত্রী একটু বিচলিত হয়ে বলল---

'কী ব্যপার, তুমি এখানে রোজ আসো না কি...???'


স্বামী :- "আরে না না, কি যে বলো না তুমি ? ওই ডোরম্যানটা দিনের বেলা আমাদের অফিসে পিয়নের কাজ করে।"


ক্লাবের ভিতরে গিয়ে চেয়ারে বসতেই ওয়েট্রেস এসে মিঃ কল্লোলকে দেখে একগাল হাসি দিয়ে জিজ্ঞেস করল :-

'আপনার ফেভারেট ড্রিঙ্কটা দেব স্যার...???'


স্ত্রী একটু অস্থির হয়ে স্বামীকে বলল---

'তুমি নিশ্চয়ই এখানে প্রায়ই আসো, নাহলে ও তোমার প্রিয় ড্রিঙ্ক কি সেটা জানলো কি করে...???'


স্বামী :- "না গো এই ওয়েট্রেস মহিলাও দিনের বেলা আমাদের অফিসের ক্যান্টিনে কাজ করে...!"


এই সময় বারড্যান্সার (নর্তকী) এসে মিঃ কল্লোল'র শরীরে হাত পেঁচিয়ে বলল :- 'ডার্লিং আজ তোমার পছন্দের নাচটা দিয়ে শুরু করি...???'


স্ত্রীর আর সহ্য হল না। ঝড়ের বেগে ক্লাবের বাইরে এসে একটা ট্যাক্সিতে উঠে বসলেন। সাথে সাথে মিঃ কল্লোলও ছুটে এসে স্ত্রীর পাশে বসে পড়লেন......


এবার রাগে স্ত্রী চিৎকার শুরু করলেন।


ট্যাক্সি চালক পিছন ফিরে বলল : - "স্যার মনে হচ্ছে আজ এক দজ্জাল মহিলাকে নিয়ে এসেছেন..!? অন্যদিন তো এমন হয় না স্যার...!!!"


মিঃ কল্লোল স্যার এখন হাসপাতালে ভর্তি...!!! 

কপি
পেস্ট

ফজরের নামাজের ১০টি ফজিলত

 যারা ফজরে এখনো অনিয়মিত তারা একটু মনোযোগ সহকারে পড়ে দেখি কী হারাচ্ছি আসলেঃ


ফজরের নামাজের ১০টি ফজিলতঃ 


১.নবী (ﷺ) বলেছেনঃ ”মুনাফিকদের জন্য ফজর ও ‘ইশার নামাজ অপেক্ষা অধিক ভারী নামাজ আর নেই। এ দু’ নামাজের কী ফযীলত, তা যদি তারা জানতো, তবে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তারা উপস্থিত হতো। রসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেন, আমি ইচ্ছে করেছিলাম যে, মুয়াজ্জিনকে ইক্বামাত দিতে বলি এবং কাউকে লোকদের ইমামত করতে বলি, আর আমি নিজে একটি আগুনের মশাল নিয়ে গিয়ে অতঃপর যারা নামাজে আসেনি, তাদের উপর আগুন ধরিয়ে দেই”।(সহিহ বুখারী, ৬৫৭)


২.রাসূল (ﷺ) বলেন, “যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ আদায় করে, সে ব্যক্তি ঐ দিন আল্লাহর জিম্মায় চলে যায়।অর্থাৎ স্বয়ং আল্লাহ তালা ঐ ব্যক্তির দায়িত্ব নেন।

(সহিহ মুসলিম,তিরমিজি–২১৮৪)


৩.রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ” যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ আদায় করবে,আল্লাহর ফেরেশতাগন আল্লাহর কাছে ঐ ব্যক্তিকে ভালো মানুষ হিসেবে সাক্ষী দিবে।

(বুখারী-মুসলিম)


৪. রাসূল (ﷺ) বলেছেন,”যে ব্যক্তি ফজর নামাজসালাত জামাতের সাথে আদায় করে,আল্লাহতালা তার আমলে দাঁড়িয়ে সারারাত নফল নামাজ আদায়ের সওয়াব দিয়ে দেন!

(সহিহ মুসলিম-১০৯৬)


৫. রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ” যে ব্যক্তি ভোরে হেঁটে হেঁটে ফজরের নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে প্রবেশ করবে,আল্লাহতালা কিয়ামতের দিন তার জন্য পরিপূর্ণ আলো দান করবেন।

(আবু দাউদ ৪৯৪)


৬.যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ আদায় করবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের সবচেয়ে বড় নিয়ামত দান করবেন।অথাৎ সে আল্লাহর দিদার লাভ করবে, এবং জান্নাতি ঐ ব্যক্তি আল্লাহকে পূর্নিমার রাতের আকাশের চাঁদের মত দেখবে।(বুখারী-৫৭৩)


৭.যে নিয়মিত ফজরের নামাজ আদায় করবে,সে কখোনোই জাহান্নামে প্রবেশ করবেনা।

(সহিহ মুসলিম ৬৩৪)


৮.ফজরের নামাজ আদায়কারী,রাসূল (ﷺ) এর বরকতের দোয়া লাভ করবেন।

(সুনানে আবু দাউদ,মুসনাদে আহমাদ)


৯.ফজরের দু রাকাত সুন্নত নামাজ, দুনিয়া ও তার মাঝে যা কিছু আছে তারচেয়ে উত্তম।

(জামে তিরমিজি – ৪১৬)


১০. ফজরের নামাজ আদায়ের ফলে ব্যক্তির মন ফুরফুরে,প্রফুল্ল হয়ে যায়।

(সহিহ বুখারী, সহিহ মুসলিম)v

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...