এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
সোমবার, ২১ নভেম্বর, ২০২২
রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/২০
রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।
(২০-১১-২০২২)
আজকের শিরোনাম-
* অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য পরিকল্পিত শিল্পায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করলেন প্রধানমন্ত্রী।
* আগামী বছর থেকে পাইপ লাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে জ¦ালানি তেল আমদানি করতে চায় দেশ - বললেন শেখ হাসিনা।
* গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ বিএনপি ধ্বংস করেছে, আর একবার ক্ষমতা পেলে তারা দেশকে ধ্বংস করবে - মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের।
* সমাবেশের নামে পিকনিক করছে বিএনপি এবং এজন্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আদায় করছে চাঁদা - বললেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।
* মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত পলাতক দুই জঙ্গীকে ধরতে জারি করা হয়েছে রেডঅ্যালার্ট -জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
* নানা আয়োজনে আগামীকাল দেশে উদযাপিত হবে সশস্ত্র বাহিনী দিবস।
* জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে মারাতœক ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে সহায়তার জন্য কপ-টোয়েন্টি সেভেন-এ ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর।
* এবং জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কাতারে পর্দা উঠলো ফুটবলের সর্ববৃহৎ আসর ফিফা বিশ্বকাপের।
রবিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২২
উপদেশমূলক একটি গল্প,,,,, অপ্রেম অধ্যায়,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া
উপদেশমূলক একটি গল্পঃ
★পরকীয়া এবং.......
সিঙ্গাপুর এয়ারপোর্টে অর্থনীতি বিভাগের
সাবেক চেয়ারম্যান কে দেখেই-
আকাশঃ স্যার, আসসালামু আলাইকুম।
আমাকে চিনতে পেরেছেন স্যার?
শিক্ষকঃ আকাশ,ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট,ফার্স্ট ক্লাস
সেকেন্ড। আর তোমার স্ত্রী স্মৃতি,ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট।
আকাশঃজ্বী স্যার। Vacation- এ এসেছিলেন?
শিক্ষকঃ না, সিডনি থেকে কানেক্টিং ফ্লাইট।
আমার মেয়ের নবাগত সন্তান দেখতে এসেছিলাম।
তুমি একা কেন? তোমার সন্তান কয়জন?
আকাশঃঅফিসের কাজে এসেছিলাম স্যার।
আমার এক ছেলে এক মেয়ে স্যার।
শিক্ষকঃ মাশআল্লাহ।ওরা কেমন আছে?
আকাশঃস্যার ওরা ভালো আছে। আমি ভালো নেই।
মুচকী হেসে শিক্ষক বললেন কেন?
পরকীয়া করছো নাকি?
আকাশঃজ্বী স্যার।
শিক্ষকঃ মহিলা দেখতে কেমন? বয়স কত হবে?
আকাশঃস্যার, আমার সেক্রেটারী। বয়স২৫ বছর হবে হয়তো। দেখতে খুব সুন্দরী এবং স্মার্ট।
শিক্ষকঃ চলো,বোর্ডিং পাস নিয়ে পাশাপাশি বসে গল্প করতে করতে ঢাকায় পৌঁছে যাবো ইনশাআল্লাহ।
বোর্ডিং পাস নিয়ে শিক্ষক বললেনঃস্মৃতি তোমাকে নিশ্চয়ই আগের মত সময় দেয় না!
আকাশঃ জ্বী স্যার। অফিস থেকে এসেই- সারাক্ষন সন্তানদেরকে নিয়ে ব্যস্ত থাকে। আর ওদের লেখা পড়া নিয়ে মেতে থাকে।
শিক্ষকঃ তোমার প্রতি তাঁর কোনো খেয়াল নেই।
আকাশঃ ঠিক বলেছেন স্যার। একেবারে অশান্তি করে রেখেছে সংসারে।
শিক্ষকঃ আমাদের দেশের মেয়েদের এই একটা বড় সমস্যা।বড্ড Emotional.
তবে আমি তোমাকে পুরো সমর্থন করি।
হাজারো হলে আমরা অর্থনীতি নিয়েই ছিলাম-তাই ডিমান্ড এন্ড সাপ্লাই আমরা খুব ভালো বুঝি।
চালিয়ে যাও। বিয়ে করছো?
By the by স্মৃতি কি জানে কিছু?
আকাশঃ না স্যার ও এখনো কিছু বুঝতে পারেনি।
আমি ঢাকায় গিয়েই আইনজীবির সাথে আলাপ করে ডিভোর্স ফাইল করবো। আমার ফেন্সিও ডিভোর্স ফাইল করবে।
বেচারীর স্বামীটা খুব খারাপ। ওকে খুব মেন্টালি এমনকি ফিজিক্যালিও টর্চার করে।
শিক্ষকঃ Oh!very sad.
মহিলা কি তোমাকে ভালোবাসে?
আকাশঃজ্বী স্যার। ভীষন ভীষন ভালোবাসে।আমাকে ছাড়া ও বাঁচবেই না।
শুধু তাই না স্যার-আজীবন ভালোবেসে যাবে।
শিক্ষকঃ Great lady, you are lucky guy, enjoy the life.
বিমানবালা স্ন্যাক্স নিয়ে এলে শিক্ষকঃ ম্যাম, প্লিজ ব্ল্যাক কফি।
আকাশের দিকে তাকিয়ে শিক্ষকঃ তুমি কি খাবে?
আকাশঃআমিও ব্ল্যাক কফি স্যার।
শিক্ষকঃ বিয়ে করতে যাচ্ছ-You need more sugar, Man.
তোমাকে কিছু প্রশ্ন করতে পারি?
আকাশঃঅবশ্যই স্যার।
শিক্ষকঃ ধরো,তোমার কোম্পানী অফার দিলো Right now-তিন কোটি টাকা Reward অথবা পাঁচ বছর পর পাঁচ কোটি। তুমি কোন অফার Accept করবে?
আকাশঃঅবশ্যই Right now অফার।
শিক্ষকঃ আমি একমত হলাম না। আমি পাঁচ বছর অপেক্ষা করতাম।
পাঁচ কোটি বলে কথা।
আকাশঃস্যার পাঁচ বছর পর্যন্ত কোম্পানী বা আমার চাকরী থাকবে কিনা,কি গ্যারান্টি।
শিক্ষকঃ ব্রিলিয়ান্ট Answer, Next question, তুমি যেনো কোন কোম্পানীতে আছো?
আকাশঃস্যার, Google এর South East Zone এর Vice President.
শিক্ষকঃ OMG, ধরো Bankrupted এক কোম্পানী তোমাকে বর্তমান বেতনের ডাবল অফার দিলে তুমি কি করবে?
আকাশঃআমি জয়েন্ট করবো না।
শিক্ষকঃ ডাবল বেতন। সাথে বিদেশ ট্যুর। চিন্তা করে বলো।
আকাশঃস্যার, এগুলোতো হায় হায় কোম্পানী। আজ আছে কাল নেই।
শিক্ষকঃ তোমার দুটো উত্তর থেকেই বলছি-
বর্তমানে তোমার স্ত্রী তোমাদের সন্তান অর্থাৎ হৃদয়ের টুকরো দুটোকে ভালোবাসা দিচ্ছে এবং পরোক্ষভাবে সেই ভালোবাসা তুমি পাচ্ছ।
তোমার ফেন্সিও তোমাকে পরবর্তীতে কতটুকু ভালোবাসা দেবে তুমি জানো না।
সেই বর্তমান আর পাঁচ বছরের Rewardএর মত।
Next উত্তরটি হতে বলছি- স্ত্রী হলো তোমার Google এর মত স্থায়িত্ব। আর Rewardable
সেই মহিলাটি তার পূর্বের স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে তোমার কাছে আসা মানে তোমার সেই Bankrupted কোম্পানীর মত। হায় হায় কোম্পানী।
বাকীটা তোমার জীবন-তোমার সিদ্ধান্ত। কথা বলতে বলতে ঢাকায় চলে এলাম।
চোখের পানি মুছতে মুছতে আকাশ বললো-স্যার এভাবে আমি ভাবিনি।
আমি সব ছেড়ে দিয়ে শুধু আমার সন্তান আর স্ত্রীর দিকে মনোযোগ দেব।
আপনি আমার চোখ খুলে দিয়েছেন।
শিক্ষক হ্যান্ড ব্যাগ থেকে দুটো বড় ক্যান্ডির প্যাকেট আর একখানা ডায়মন্ডের রিং আকাশের হাতে দিয়ে বললো -আমি জানি তুমি স্মৃতির জন্য নিশ্চয়ই কোনো গিফট কিননি।
প্রতিটা স্ত্রীর প্রিয় জিনিস হলো স্বামীর হাতে করে আনা উপহারটুকু। সেটা যে কোন মূল্যের হোক। এই আংটিটা ওকে দিয়ে বলবে-তুমি সিঙ্গাপুর থেকে ওর জন্য পছন্দ করে কিনেছো। দেখবে মেয়েটি আমার-খুব খুশি হবে। আমি তোমার ম্যাডামের জন্য কিনেছিলাম। এখন না হয় আমার মেয়েকে দিলাম।
ভালো থেকো বাবা। যোগাযোগ করো।
শিক্ষনীয় বিষয় হলোঃ-
"জীবনের চলার পথে এমন কিছু মহান ব্যক্তির সংস্পর্শে এসে পুরো জীবনটা বদলে যায়। "
তাঁরা শুধু মানুষের কল্যাণ কামনা করে প্রশান্তি পেয়ে থাকে।
কপি
পেস্ট
রিয়ার প্রেম,,,,, অতীত পাস্ট ফেইসবুক থেকে
শুয়ে শুয়ে ফেসবুকিং করছি। কাজের বেটি জরি এসে আমার পায়ে সালাম করা শুরু করলো।সে আমাদের দূর সম্পর্কে আত্মীয়। আমি বললাম, ব্যাপার কি জরি?সালাম করে করে পায়ের চামড়া খুলে ফেলছো কেন?
জরি বললো, শুভ সংবাদ, ভাইজান, আম্মা রাজি হইছে।
আমি বললাম, কিসে রাজি হইছে?
জরি শরম পাওয়ার অভিনয় করে বললো, আম্মারে বলছি, আপনে আমারে পছন্দ করেন!
আমি একলাফে বিছানা ছেড়ে নেমে পড়লাম।
রিয়ার সাথে আমার প্রেম । সে আমার খালাতো বোন।মা কিছুতেই রিয়াকে মেনে নেবে না। গতকাল রাতে মা আমাকে ডেকে পাঠালেন। গিয়ে দেখি মা জরির সাথে গল্প করছে। বললেন, হয় রিয়া না হয় আমি, একজনকে বেছে নিবি। কাকে চাস তুই? রাস্তার একটা ফকিন্নি বিয়ে করে আন,মেনে নেব।তবু রিয়া নয়।রিয়ার সাথে তোর সম্পর্ক হলে আমি গলায় দড়ি দেবো।
সাথে সাথে রিয়াকে ফোন দিয়ে বললাম, জামাই চাও না খালা চাও?
রিয়া অবাক হয়ে বললো, মানে কি?
মা বলছে তোমার সাথে বিয়ে হলে গলায় দড়ি দেবে!
রিয়া বললো, মা চাও না প্রেমিকা চাও?
আমি অবাক হয়ে বললাম, মানে কি?
তোমার সাথে বিয়ে না হলে আমি গলায় দড়ি দেবো!
মাইনক্যা চিপার উপর আরও যদি কোন চিপা থাকে, আমি সেখানে পড়ে গেলাম । কারে ছেড়ে কারে ধরি! সারারাত চিন্তা করতে লাগলাম, মা বড় না প্রেমিকা বড়?
সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে রিয়াকে ফোন করে বললাম, কখন গলায় দড়ি দিবা?
রিয়া বললো, মানে কি?
শত হলেও তো তুমি আমার খালাতো বোন, তোমার প্রতি আমার একটা দায়িত্ব আছে না? তুমি মারা গেলে খালাতো ভাই হিসেবে আমারই তো সবার আগে থাকতে হবে। লাশ মাটি দেওয়া যে কি হ্যাপা তা তুমি বুঝবা না। সকাল সকাল কাজটা সেরে ফেল,তাহলে আর রাতের বেলা ঝামেলা পোহাতে হবে না! আমি আবার অন্ধকার ভয় পাই।
তুমি কি ব্রেকআপ করতে চাইছো?
আমি চাইছি না, মা চাইছে।
থাক তোর মাকে নিয়ে। তোর মতো হারামজাদা আমি জীবনে দেখি নাই। তোর মায়ের আঁচলের তলায় লুকিয়ে থাক!শালা, মায়ের কথায় প্রেম করতে এসেছে! ফ্রটিকা খেয়ে মরে যা হারামি!
তুই তোকারি করছো ভালো কথা,মরার টাইমটা বল,মাকে নিয়ে এক্ষুনি রওনা দেব তোমার জানাজার জন্য?
তুই মর শালা! বলেই রিয়া ফোন রেখে দিল।
ব্রেকআপের কথা মাকে জানাতে রান্নাঘরে ঢুকলাম, পিছন থেকে মাকে জড়িয়ে ধরে কাঁধে মুখ ঘষতে শুরু করলাম, মাকে পটানোর জন্য যেটা আমি প্রায়ই করি। যেভাবেই হোক রিয়ার জন্য মাকে ম্যানেজ করতে হবে। আমি মুখ ঘষছি, এমন সময় জরির কন্ঠ শুনলাম, মজা পাইছি, ভাইজান!
এক লাফে সরে গিয়ে দেখি জরি দাড়িয়ে আছে, আঁচল দিয়ে মুখ ডেকে শরম পাওয়ার অভিনয় করছে! জরি মায়ের পুরনো একটা কাপড় পরাতে এই ভুল করে ফেলেছি!
জরি বললো, আপনে যে আমাকে পছন্দ করবেন, এইটা আমি ভাবি নাই ভাইজান! আলহামদুলিল্লাহ! রিয়া ম্যাডামের চেয়ে আমি কম কিসে?
আমি এক দৌড়ে রুমে পালিয়ে এলাম।
এর পর থেকে জরি আমার অতি যত্ন করছে। ঘন ঘন আমার ঘরে আসছে। আমাকে দেখলেই হাসছে। মা মুখ কালো করে বসে আছে। আমি ঝামেলা থেকে বাঁচার জন্য কাউকে কিছু না বলে কক্সবাজার চলে গেলাম। মা মনে করলো আমি রিয়ার দুঃখে দেশান্তরি হয়েছি!
কক্সবাজার এসে আরামে খাওয়া আর ঘুম দিচ্ছি। তিনদিন পর মা ফোন দিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বললেন,আমি না হয় রাগ করে রাস্তার ফকিন্নি বিয়ে করতে বলছি, তাই বলে তুই জরিকে বিয়ে করবি?
আমি বললাম, হ্যা মা,আমার কপালে লেখা আছে জরি, আমি কি করবো, বল?
মা কাঁদতে কাঁদতে বললেন, তুই বাসায় ফিরে আয়, বাবা!
আসবো মা, আগে জরির সাথে বিয়ের দিন তারিখ ঠিক কর,তারপরে আসবো,,,,
ওরে, তুই রিয়াকে বিয়ে কর,তবু জরিকে বিয়ে করিস না,,,
না মা, তুমি রিয়াকে পছন্দ কর না,আমি জরিকেই বিয়ে করবো! বলেই ফোন কেটে দিলাম।
দুই ঘন্টা পর রিয়ার ফোন, এই গাধা, তোমার না আমার জানাজায় আসার কথা?
আমি বললাম, তুমি কখন মরলা? আশ্চর্য! আমাকে জানিয়ে মরবা না!
এখনো মরি নাই ,খালা আমাদের বাসায় এসেছে, আমাদের দুইজনকে এক সাথে মারার জন্য। তুমি কি আমার সাথে মরতে চাও?
আমি ফোন কেটে দিলাম, তারপর দ্রুত ব্যাগ গোছাতে শুরু করলাম।
রিয়া প্রেম
কপি
পেস্ট
ছয় প্রকার নারীকে বিয়ে করা উচিত নয়,,,,,,,
▌ছয় প্রকার নারীকে বিয়ে করা উচিত নয় :
১. আন্নানা
২. মান্নানা
৩. হান্নানা
৪. হাদ্দাকা
৫. বাররাকা
৬. শাদ্দাকা
১. “আন্নানা” হলো সেই নারী যে সবসময় ‘হায়
আফসোস’ ‘হায় আফসোস’ করতে থাকে। এবং অলস, ‘রোগিণী’র ভান করে বসে থাকে। এমন নারীকে বিয়ে করলে সংসারে বরকত হয় না।
২. “মান্নানা” হলো সেই নারী যে স্বামীকে প্রায়ই বলে, আমি তোমার জন্যে এই করেছি, সেই করেছি।’ হেন করেছি, তেন করেছি, ইত্যাদি ইত্যাদি।
৩. “হান্নানা” হলো সেই নারী যে তার পূর্বের স্বামী বা প্রেমিকের প্রতি আসক্ত থাকে।
৪. “হাদ্দাকা” হলো সেই নারী, যে কোনো কিছুর উপর থেকেই লোভ সামলাতে পারে না। সব কিছুই পেতে চায়, এবং স্বামীকে তা ক্রয়ের জন্যে নিয়মিত চাপে রাখে।
৫. “বাররাকা” হলো সেই নারী যে সারাদিন কেবল
সাজসজ্জা ও প্রসাধনী নিয়ে মেতে থাকে। এই শব্দের অন্য একটি অর্থ হলো, যে নারী খেতে বসে রাগ করে চলে যায়। এবং পরে একা একা খায়।
৬. “শাদ্দাকা” হলো সেই নারী যে সবসময় বকবক
করে।
✅বিয়ের ক্ষেত্রে সর্বদা দ্বীনদারীকে প্রাধান্য দিন।
হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে দ্বীনদার স্ত্রী ও নেক
সন্তান দান করুন।
হে আল্লাহ আমাদের সকল বোনদেরকে দ্বীনদার স্বামীও নেক সন্তান দান করুন।🤲
বিঃদ্রঃ হে আল্লাহ্ আপনি আমাদের সকল নর নারী কে দ্বীনদার ও নেককার হওয়ার তৌফিক দান করুন, আমিন।
কপি
পেস্ট
অযত্নে যেমন জিনিসপত্রে মরিচা ধরে যায়। তেমনি সম্পর্কও অযত্নে নষ্ট হয়ে যায়। স্ত্রীকে ভালোবসুন,,,,,কবিতা পয়েম ফেইসবুক থেকে
একজন কর্মব্যস্ত স্বামীকে যদি হঠাৎ জিজ্ঞেস করা হয়, আপনি কি আপনার স্ত্রীর জন্য তার পছন্দের খাবার বানান? পছন্দের খাবার বানানো তো দূর অধিকাংশ স্বামীই বলতে পারবেন না যে তার স্ত্রীর পছন্দের খাবার কোনটা। এর কারণ ব্যস্ততা। জীবনে ভালো থাকার জন্য আমাদের কাজ করতে হয়। ব্যস্ত থাকতে হয়। আমরা কেউই তার ব্যতিক্রম নই। এই এত এত কাজের চাপে আমরা আমাদের জীবনের কিছু সুন্দর মুহুর্ত হারিয়ে ফেলছি না তো? অবশ্যই স্বামীরা এই দিকটায় একটু নজর রাখবেন। আপনার স্ত্রী রোজ আপনার জন্য খাবার বানায়। আপনার পছন্দ অপছন্দ জানে। আপনি যা খেতে ভালোবাসেন তাই বানিয়ে দেয়। অনেক সময় দেখা যায় যেই খাবারটা তার পছন্দ না সেটাও সে বানাচ্ছে। শুধুমাত্র আপনি পছন্দ করেন বলে।
অতএব, আপনারও তার পছন্দ অপছন্দের দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। একটা ছুটির দিনে না হয় আপনি আপনার স্ত্রীর জন্য ব্রেকফাস্ট বানালেন। অথবা সকালে একটা লম্বা ঘুম দিয়ে উঠে একসাথে দুজনে মিলে দুপুরের খাবারটা রান্না করলেন। স্ত্রীর হাতে হাতে জিনিসপত্র এগিয়ে দিলেন৷ রান্না করতে করতে ক্লান্ত হয়ে যাওয়া স্ত্রীর কপালে একটা চুমু একে দিলেন।
তাকে বোঝান সে আপনার জন্য কতটা স্পেশাল। সারা সপ্তাহ সে আপনার জন্য এত কিছু করে। আপনি না হয় ফ্রাইডেতে তাকে চমকে দিয়ে নিজেই রান্নাটা করে নিলেন।
আপনার করা রান্নাটা হয়তো তার রান্নার মতো সুস্বাদু নাও হতে পারে কিন্তু বিশ্বাস করুন, সে ভীষণ তৃপ্তি করে সেই খাবারটাই খেয়ে নেবে।
একটা দিন না হয় তাকে নিয়ে রিকশায় ঘুরে বেড়ান৷ একটা বেলী ফুলের নালা কিনে হাতে পরিয়ে দিন। এক প্লেট ফুচকা হোক আপনার আর তার বিকেলের আড্ডার সঙ্গী। সন্ধ্যেটা না হয় শীতের শহরের সোডিয়াম লাইটের আলোয় হাতে হাত রেখে কাটুক।
মনে রাখবেন, অযত্নে যেমন জিনিসপত্রে মরিচা ধরে যায়। তেমনি সম্পর্কও অযত্নে নষ্ট হয়ে যায়। স্ত্রীকে ভালোবসুন। তাকে সময় দিন। তার যত্ন করুন৷ কারণ, সম্পর্ক ভালো থাকে যত্নে।
লেখা: Zannatul Eva
ছবি:সংগৃহীত
কপি
পেস্ট
আমরা যারা মালিকের উপর ভরসা করি, আমাদের উপর যত বড় বিপদই আসুক না কেনো, আমাদের মালিক (আল্লাহ) ঠিকই আমাদেরকে রক্ষা করবেন,,,,,,,,,স্কুল প্রোগ্রাম ফেইসবুক থেকে
একটি গরু জঙ্গলে ঘাস খাচ্ছিল। হঠাৎ তাকে একটি বাঘ আক্রমণ করল। গরুটি অনেকক্ষন দৌড়ানোর পর উপায় না পেয়ে পুকুরে ঝাপ দিলো।
মাত্র শুঁকিয়ে যাওয়া পুকুরটিতে কাঁদা ছাড়া কোন পানি ছিল না। গরুর পেছন পেছন বাঘটিও ঝাপ দিল। বাঘ ও গরু কাঁদায় গলা পর্যন্ত আটকে গেল।
বাঘ রেগে মেগে বলে, "কিরে হারামী তুই আর লাফ দেয়ার জায়গা পেলি না? ডাঙায় থাকলে তোকে না হয় একটু কুড়মুড় করে খেতাম। এখনতো দুজনেই মরব রে।" গরু হেসে বলে, "তোমার কি মালিক আছে? বাঘ রেগে বলে, বেটা আমি হলাম বনের রাজা। আমার আবার মালিক কে। আমি নিজেইতো বনের মালিক। গরু বলে তুমি এখানেই দুর্বল। একটু পর আমার মালিক আসবে। এসে আমাকে এখান থেকে তুলে নিয়ে যাবে। আর তোমাকে পিটিয়ে মারবে। বাঘ বড় বড় চোখ করে তাকিয়ে রইল। ঠিকই সন্ধ্যা বেলায় গরুটির মালিক এসে বাঘটার মাথায় বাঁশ দিয়ে কয়েকটা বাড়ি দিয়ে মেরে গরুটিকে টেনে তুলল। গরু হাসতে হাসতে বাড়ি চলে গেল আর বাঘটি মরে একা একা পড়ে রইল।
মূলকথাঃ আমরা যারা মালিকের উপর ভরসা করি, আমাদের উপর যত বড় বিপদই আসুক না কেনো, আমাদের মালিক (আল্লাহ) ঠিকই আমাদেরকে রক্ষা করবেন। হয়তো সন্ধ্যা পর্যন্ত একটু অপেক্ষা করতে হবে।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে ধৈর্য ধারণ করার তাওফিক দান করুন। আমীন।
কপি
পেস্ট
সকাল সাতটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/২০ রবিবার বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২২
সকাল ৭ টার সংবাদ। তারিখ: ২০-১১-২০২২ খ্রি:।
আজকের শিরোনাম :
* কর্ণফুলী ড্রাইডক স্পেশাল ইকোনমিক জোনসহ আজ ৫০টি শিল্প ও অবকাঠামোর উদ্বোধন ও ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
* আগামী মাস থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির জন্য জনগণকে আর ভোগান্তিতে পড়তে হবে না - আশাবাদ প্রধানমন্ত্রীর।
* বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রপতির নির্দেশ।
* বিদেশীদের কাছে নালিশ করে কোনো লাভ নেই, দুনিয়ার সব দেশে যেভাবে নির্বাচন হয়, বাংলাদেশেও সেভাবে হবে - বললেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।
* হাওয়া ভবনের চোর ও সন্ত্রাসীদের হাতে দেশকে তুলে দেয়া যাবে না - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।
* ইউক্রেনের জন্য ৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রতিরক্ষা সহায়তা প্রদানে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের প্রতিশ্রুতি।
* এবং কাতারে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর ফিফা বিশ্বকাপ-২০২২ এর পর্দা উঠছে আজ।
হে পুরুষ নিজের স্ত্রীকে ভালবাসো,,,,,আর কোরআনের আয়াত সহি হাদিসের আলো ফেইসবুক থেকে
হে পুরুষ নিজের স্ত্রীকে ভালবাসো,,
তোমার কাছে তোমার মা যেমন একটা জান্নাত তেমনি তোমার স্ত্রীও একটা জান্নাত!!!❤❤❤
একজন মা তার ছেলেকে জন্ম দেন নাড়ী থেকে,,,,
একজন স্ত্রী সেই ছেলেকেই জন্ম দেন হৃদয় থেকে।
একজন মা তার অদেখা ছেলেকে অনুভব করেন পেটে হাত রেখে দশ মাস,,,,
একজন স্ত্রী সেই অচেনা ছেলেকেই অনুভব করেন বুকে হাত রেখে সারাটা জীবন।
একজন মা জন্ম দেন একজন শিশু পুত্রকে,,,,
একজন স্ত্রী জন্ম দেন একজন পরিণত পুরুষকে।
একজন মা তার সন্তানকে হাত ধরে হাঁটতে শেখান,,,,
একজন স্ত্রী সেই সন্তানের হাত ধরেই জীবনের সমস্ত পথটা হাঁটেন।
একজন মা তার সন্তানকে কথা বলতে শেখান,,,,
একজন স্ত্রী প্রিয় বন্ধু হয়ে সারাজীবন তার কথা বলার সঙ্গী হয়ে ওঠেন।
সন্তানের দায়িত্ব কাঁধে আসতেই মা তার সমস্ত পৃথিবী ভুলে যান,,,,
আবার স্ত্রী সেই সন্তানের দায়িত্ব নেবেন বলেই তার সমস্ত পৃথিবীটা ছেড়ে একদিন চলে আসেন।
সন্তান না খেতে পারলে পাতের সেই উচ্ছিষ্ট খাবার মা এবং স্ত্রী উভয়েই খান,আবার সন্তান এবং স্বামীর মঙ্গল কামনায় উপবাস মা এবং স্ত্রী দুজনেই করে থাকেন।
সন্তানকে বড় করেও সন্তানের থেকে প্রতিটা মাকেই আঘাত পেতে হয়।ক
আবার স্বামীকে বিয়ে করেও প্রত্যেকটি স্ত্রীকে এক না একদিন নির্যাতিত হতেই হয়।
মায়ের কাছে সন্তানের জীবনে দায়িত্ব নেওয়ার শুরু প্রায় কুঁড়ি বছর।
স্ত্রীর কাছে স্বামীর জীবনের দায়িত্ব নেভানোর শেষ বাকি ষাটটি বছর(কখনো কখনো সেটি আশি বছরেও যেতে পারে যদি আয়ু একশো বছর হয়)।
সন্তানের শৈশবে তার মলমূত্র মা-ই পরিষ্কার করেন।
সন্তান যখন বৃদ্ধ হন তখন তার এই একই দায়িত্ব স্ত্রীর কাঁধেই বর্তায়।
মায়ের কোল হল সেই কোল যেখানে সন্তানের জন্ম হয় অর্থাৎ প্রথম বিছানা।
স্ত্রীর কোল হল সেই কোল যেখানে মৃত্যু হয় অর্থাৎ শেষ বিছানা।
গর্ভ থেকে জন্ম নেওয়াটাই মা ও স্ত্রীর মধ্যে যদি সবচেয়ে বড় পার্থক্য হয়ে থাকে তাহলে শেষ কথা একটাই বলবো-
"একজন আপনাকে গর্ভে ধারণ করেছেন,
অন্যজন আপনার জন্য গর্ভধারণ করবেন।"
"একজন আপনাকে জন্ম দিয়ে মা হয়েছেন,অন্যজন আপনার জন্য আরেক জনকে জন্ম দিয়ে মা হবেন।"
Cltd
কপি
পেস্ট
শনিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২২
অপ্রেম ভালোবাসা,,,,ফেইসবুক থেকে
#এক_মুঠো_কাঁচের_চুরি_
#পর্ব_০৬
লেখিকা Fabiha bushra nimu
দুপুর দু'টোর সময় ঘুৃম ভাঙে ইফাদে'র উঠে গোসল করে'।মা'য়ের কাছে আসলো ইফাদ'।রোকেয়া বেগম ডাইনিং রুমে বসে আছেন'।নামে-ই ডাইনিং রুম,ডাইনিং রুমে,নেই কোনো ডাইনিং টেবিল'।মাটিতে শীতল পাটি বিছিয়ে খেতে বসে সবাই'।ইফাদ'কে দেখে রোকেয়া বেগম বললেন'।
--আয় বাবা খেতে বস'।আজকে আমি নিজে হাতে তোর জন্য রান্না করছি'।
--কোথায় আমার তোমার ওপরে রাগ করে থাকার কথা'।উল্টো তুমি আমার ওপরে রাগ করে দুইটা বছর কথা বললে না'।এখন তোমার বাসায় আমার থাকাই উচিৎ না'।
--অনেক বড় বড় কথা হয়েছে'।তুই আমার ছেলে।তোর ওপরে রাগ করার অধিকার আমার আছে'।আমি তোর ওপরে রাগবো না তাহলে,আলালের ছেলে মতিনে'র ওপরে করবো'।
ইফাদ হেসে দিয়ে বলল'।
--না তুমি আমার আম্মু তুৃমি আমার ওপরে রাগ করবে'।কি' রান্না করেছো'।জলদি খেতে দাও।আমার অনেক ক্ষুদা লেগেছে'।
--আজকে তোকে একা খেতে দিচ্ছি'।কিন্তু কাল থেকে আমাদের সাথে খাবি'।এখন আমরা সবাই মিলে একসাথে খেতে বসি'।বলেই রোকেয়া বেগম খাবার বেড়ে ইফাদে'র সামনে দিল'।ইফাদ হাত ধুইয়ে খেতে বসলো'।
--তোমাদের বাসায় এই নিয়ম কবে থেকে চালু হলো'।আগে যে,যার মতো খেয়ে নিতে'।
--তানহা আমাদের অভ্যাস বদলে দিয়েছে'।একা একা খেতে বসলে তৃপ্তি পাওয়া যায় না'।সবাই মিলে একসাথে খাবি'।দেখবি অনেক আনন্দে'র সাথে খেতে পারবি'।আর মনে তৃপ্তি-ও পাবি'।
তানহা শাশুড়ী'র জন্য গরম পানি করছে'।রোকেয়া বেগমে'র ঠান্ডা লাগা একটা ভাব।তাই তানহা রোকেয়া বেগম'কে গরম পানি করে দেয়'।ইফাদ আড়চোখে একবার তানহা'কে দেখে নিল'।তারপরে খাবার খেতে মনোযোগ দিল'।খাওয়া'র সময় কথা বলতে নেই'।রোকেয়া বেগম-ও চুপ হয়ে গেলো'।
ইফাদে'র অর্ধেক খাওয়া শেষ হয়ে গেছে'।হঠাৎ করেই রোকেয়া বেগম বলে উঠলেন'।
--সামনে শুক্রবার ইয়াদের সাত বছরে'র মৃত্যুবার্ষিকী পূর্ণ হবে'।কিছু মাদ্রাসার এতিম ছেলে নিয়ে আসিস'।আমি নিজ হাতে রান্না করে ওদের খাওয়াবো'।
ইফাদ খাওয়া বন্ধ করে দিল'।নিমিষেই চোখ দু'টো লাল হয়ে গেল'।খাবার সরিয়ে হাত ধুইয়ে ফেললো'।রোকেয়া বেগমে'র হুস আসলো'।খাওয়া'র সময় ছেলেকে কি' কথা বলে ফেললেন'।তানহা গ্লাসে করে গরম পানি নিয়ে আসছিল'।রোকেয়া বেগমে'র কথা শুনে দাঁড়িয়ে ছিল'।ইফাদকে উঠে যেতে দেখে ইফাদে'র হাত ধরে বলল'।
--খাবার ছেড়ে যাবেন না'।সম্পূর্ণ খাবার খেয়ে যান'।
তানহার এই সময়ে আসাটা আগুনে ঘী ঢালার মতো হয়ে উঠলো'।ইফাদ কষে তানহা'র গালে থাপ্পড় বসিয়ে দিলো'।ইফাদে'র এমন আরচণে তানহা থতমত খেয়ে গেলো'।বিনা কারণে তার গায়ে হাত দিল'।তানহা রেখে গরম পানি ইফাদে বুকের মাঝামাঝি ছুড়ে মারল'।তবু'ও ইফাদে'র কোনো হেলদোল নেই'।তানহাকে উদ্দেশ্য করে বলল'।
--এই মেয়ে তোমার সাহস কি' করে হয়।আমাকে স্পর্শ করার'।আমি তোমাকে অনুমতি দিয়েছি'।আমার ওপরে নিজের হুকুম ফলাতে চাও'।তাহলে এ' বাসা থেকে বেড়িয়ে গিয়ে নিজরে হুকুৃমজারি করবে'।
রোকেয়া বেগমকে উদ্দেশ্য করে বলল'।
--মা' তুমি এই মেয়েকে বাসা থেকে বের করে দাও বলে দিলাম'।এই মেয়ে যেনো' আমার সামনে না পড়ে'।বলেই হনহন করে বেড়িয়ে গেলো ইফাদ'।রোকেয়া বেগম কান্না করতে করতে নিজের রুমে গিয়ে দরজা লাগিয়ে দিলেন'।তানহা ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে দাঁড়িয়ে রইলে'।সবকিছু বুঝে ওঠার আগে-ই শেষ হয়ে গেলো'।
তানহা রুমে এসে গালে হাত দিয়ে মন খারাপ করে বসে আছে'।দুইটা বছর মানুষটা'কে নিয়ে কতটা স্বপ্ন দেখলাম'।আমার সব স্বপ্ন এক নিমিষেই শেষ করে দিল'।কখনো কথা বলবো না'।আগে যদি জানতাম খেতে বলার অপরাধে আমাকে মার খেতে হবে'।তাহলে পানিটা বেশি করে গরম করে নিয়ে আসতাম'।তানহাকে মারার সাধ মিটিয়ে দিতাম'।আমি আর থাকবো না এ,' বাড়িতে'।কিন্তু বের হয়ে যাব কোথায়'।ভেবেই একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল তানহা'।দুনিয়ায় তার যাওয়া'র কোনো জায়গা নেই'।কার কাছে যাবে'।সবাই শেয়াল-শকুনে'র মতো ছিঁড়ে খাবে'।তাছাড়া চাচির হাতে কত মার খেয়েছি'।সেখানে থাকতে পেরেছি'।একটা থাপ্পড় খেয়ে থাকতে পারবো না'।আমি'ও তো গরম পানি ঢেলে দিয়েছি'।দরকার পড়লে আবার দিব'।এত সহজে হার মেনে নিব না'।বলেই শাড়ি হাতে নিয়ে গোসল করতে চলে গেলো তানহা'।
চৈতালি বাসায় এসে মন খারাপ করে বসে আছে'।কিভাবে স্যারকে নিজের মনের কথা বলবে'।স্যার যদি তাকে ফিরিয়ে দেয়'।তানহা ভাবি-ই আমাকে সাহায্য করতে পারবে'।আজকে বাসাটা এত চুপচাপ লাগছে কেনো'।চৈতালি মায়ের রুমে দরজা বন্ধ দেখতে পেলো'।তানহা গোসল করে চুল মুছতে মুছতে আসছিল'।চৈতালি তানহা'কে দাঁড় করিয়ে বলল'।
--ভাবি তোমার সাথে আমার কথা আছে'।আমাকে সাহায্য করতে হবে তোমার'।তার আগে বলো বাসায় কি হয়েছে।আম্মুর রুম বন্ধ কেনো'।
--চৈতালি এখন ভালো লাগছে না'।তুমি পরে আসো'।অনেক সকালে উঠেছি।আমার ঘুম পেয়েছে'।আমি ঘুমাবো'।
বলেই তানহা নিজের রুমের দিকে চলে গেলো'।চৈতালি অবাক হয়ে তানহা'র দিকে তাকিয়ে আছে'।বাসায় তো' কিছু একটা হয়েছে'।কি' হয়েছে আমাকে জানতে হবে'।চৈতালি তার' মা'কে অনেকবার ডাকলো'।মায়ের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে নিজের রুমে
গেলো'।
সন্ধ্যার আজান কানে আসতে-ই তানহা ধড়ফড়িয়ে উঠে বসলো'।এত সে' কি করে ঘুমালো'।উঠে দ্রুত অজু করে এসে জায়নামাজ বিছিয়ে নামাজে দাঁড়িয়ে গেলো'।পুরো বাসা অন্ধকার হয়ে আছে'।তানহা নামাজ পড়ে পুরো বাসায় আলো জ্বালিয়ে দিল'।অন্য দিন এই বাসায় আনন্দে ভরপুর থাকে'।আজ পুরো বাসাটা নিস্তব্ধ হয়ে আছে'।তানহা গিয়ে রোকেয়া বেগমকে ডাক দিল'।রোকেয়া বেগম দরজা খুলে,তানহাকে ভেতরে আসতে বলল'।তানহা ভেতরে আসতে-ই রোকেয়া বেগম বললেন'।
--ইফাদ বাসায় ফিরেছে'।
--জ্বী না আম্মা'।উনি এখনো বাসায় ফিরে নাই'।
--কেনো যে,খাওয়া'র সময় কথাটা বলতে গেলাম'।ছেলেটা আমার আজকে আর বাসায় ফিরবে না'।দেখি রিয়াদ'কে ফোন করি'।রিয়াদের কাছে গিয়েছে নাকি ইফাদ'।
খোলা আকশের নিচে বিশাল মাঠের মাঝেখানে হাত-পা ছড়িয়ে শুইয়ে আছে' ইফাদ।তার পাশেই বসে আছে রিয়াদ'।
--আর কতক্ষণ এভাবে থাকবি'।শিশির পড়ে ঘাস ভিজে উঠতে শুরু করেছে'।চল বাসায় গিয়ে শুইয়ে থাকবি'।কি হয়েছে কিছু বলছিস-ও না'।
--আমি আগুনে পুড়ে ঝলসে মরে যাব'।তবু-ও নারীর রুপের আগুনে পুড়ে ঝলসে মরবো না'।নারী জাতি মানে-ই বিশ্বাস ঘাতক'।
--কি হয়েছে সেটা তো' আমাকে বলবি'।সবাই কিন্তু এক না বুঝলি'।তুই মনের মধ্যে ভুল নিয়ে ঘুরে বেড়াস'।কেনো আমি রুপাকে ভালোবেসে বিয়ে করি নি'।কই রুপা তো' আমার হাত ছেড়ে চলে যায় নাই'।বেকারত্বের সময় আমার পাশে থেকে আমাকে সাপোর্ট করেছে'।সেজন্য আমার সফলতায় সে' এখন আমার স্ত্রী'।
--আমি আজকে একটা মেয়কে অকারণে মেরেছি'।এখন আমার ভিষণ অনুশোচনা হচ্ছে'।কি' করবো বল'।সকালে আম্মু ভাইয়া'র কথা মনে করিয়ে দিয়েছে'।আর মেয়েটা আমার সামনে চলে এসেছিল।আমি রেগে থাপ্পড় মেরেছি'।আমি কোনো মেয়েকে সহ্য করতে পারি না'।মেয়ে মানুষ দেখলে-ই আমার রাগ উঠে যায়'।প্রতিশোধের নেশায় পাগল হয়ে যাই'।
--তুই একটা ভুল ধারনা মনে পুষে রেখেছিস'।আমি ভুল না হলে মেয়েটা তোর' স্ত্রী।আমি বলি কি' সময় থাকতে মূল্য দে'।হারিয়ে গেলে কেঁদে-ও আর পাবি না'।একটা সময় এসে তুই অনুভব করবি'।তুই-ও কাউকে ভালোবাসিস'।তাকে ছাড়া তোর দম বন্ধ হয়ে আসে'।তাকে দেখতে না পেলে,নিজেকে পাগল পাগল লাগে'।দেখিস ভাই।সবকিছু বুঝতে বুঝতে দেরি না হয়ে যায়'।
রিয়াদের কথা শুনে ইফাদ শব্দ করে হেসে উঠলো'।
--এই বছরের সেরা জোক্স ছিল এটা'।ইফাদ নাকি ভালোবাসবে'।তা-ও আবার কোনো মেয়েকে'।
--হাসিস না ইফাদ ভালোবাসা এমন এক সুন্দর অনুভূতি'।যার সাধ প্রতিটা মানুষ গ্রহণ করেছে'।কেউ বিশ্বাস করে মূল্য পেয়েছে'।আর কেউ বিশ্বাস করে ঠকেছে'।পৃথিবীতে ভালো মানুষ যেমন আছে'।ঠিক তেমন-ই খারাপ মানুষ-ও আছে'।তোর ভাই একটা খারাপ মানুষের পাল্লায় পড়েছিল'।তাই বলে তুই সবাইকে খারাপ ভাববি এটা কিন্তু ঠিক না'।যেদিন কাউকে ভালোবাসবি'।সেদিন তুই ঠিক থাকতে পারবি না ইফাদ'।মুহুর্তেই পাগল হয়ে যাবি'।সেদিন আমার কথা মনে পড়বে।কেউ চেয়ে-ও পায় না'।আর তুই পেয়ে-ও মূল্য দিস না'।
--একটু শান্তির জন্য তোর কাছে আসছিলাম'।এখন দেখি তুই-ও অশান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিস।থাক আমি অন্য রাস্তা দেখি'।
--রাগ করিস না'।স্যরি আমি আর কোনো কথা বলবো না'।এবার আমার বাসায় গিয়ে আমাকে উদ্ধার কর ভাই'।
দু'জন মিলে উঠে দাঁড়াল'।তখনই ইফাদের মায়ের কল আসলো'।রিয়াদ ফোন তুলে সালাম দিলো'।রোকেয়া বেগম সালামের উত্তর নিয়ে বলল'।
--রিয়াদ ইফাদ কি' তোর কাছে আছে'।
--হ্যাঁ আন্টি ইফাদ আমার কাছে'।কতদিন পরে দেশে আসলো'।আজকে কিন্তু ইফাদ আমার কাছে থাকবে'।আপনি চিন্তা করবেন না'।
--আচ্ছা বাবা দেখে শুনে রাখিস।ছেলেটাকে আমার একটু বুঝাস।কিছু বুঝতে চায় না'।
--আপনি চিন্তা করবে না।আমি আছি না'।সময় করে একদিন আমাদের বাসায় ঘুরতে আসবেন'।আরো কিছুক্ষণ কথা বলে কল কেটে দিল রোকেয়া বেগম'।
পরের দিন সকাল বেলা চৈতালি কলেজে উদ্দেশ্য রওনা দিলো'।আগে গিয়ে গাছে আড়ালে লুকিয়ে পড়ল'।আজকে স্যার নিশ্চয়ই গাড়ি নিয়ে আসবে'।চৈতালি স্যার আই লাভ ইউ বলেই দৌড়ে দিবে'।এতক্ষণ হয়ে গেলো।আবির আসছে না দেখে চৈতালি চাতক পাখির মতো দাঁড়িয়ে আছে'।
--শোন রাফি উচ্চতায় তুই আমার মতো লম্বা'।ড্রেসটা-ও আমার পড়েছিস'।তুই মাক্স পরে যাবি।কেউ যেনো বুঝতে না পারে'।একদম আমার মতো করে হেঁটে যাবি'।আমি'ও দেখবো প্রতিদিন কে' আমাকে বিরক্ত করে'।বলেই দু'জন বেড়িয়ে পড়ল'।অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবির আসলো'।চৈতালি মুখে হাসি ফুটে উঠলো'।কিন্তু পরক্ষনেই অবাক হয়ে গেলো'।আবির তো' মাক্স পরে না'।একবার পরীক্ষা করে দেখা যাক'।চৈতালি স্যার আই লাভ ইউ বলে উঠলো'।কিন্তু রাফি তাকালো না'।গাছের আড়াল থেকে আওয়াজ পেয়ে আবির পেছনে দিয়ে গাছের আড়ালে গেলো'।রাফি তাকলো না দেখে চৈতালি আবার বলতে যাবে, স্যার তার আগেই কেউ চৈতালির কান ধরে সামনের দিকে ঘুরালো'।চৈতালি রেগে কিছু বলতে যাবে'।তখন-ই চৈতালির কথা বন্ধ হয়ে যায়'।হাত-পা কাপাকাপি শুরু হয়েছে'।হৃদপিন্ডের গতিবেগ ক্রমশ বেড়েই চলেছে'।হাত-পা অবশ হয়ে আসছে'।কাঁপা কাঁপা কণ্ঠে বলল'।স্যার আপনি'।
চলবে.....
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া
📚 ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা 🏡📜 ভূমি কেনাবেচা, নামজারী বা খতিয়ান নিয়ে কাজ করার আগে নিচের বিষয়গুলো জানা খুবই জরুর...
-
🧪 বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল) টেস্ট ফি তালিকা (২০২৫) 🩸 রক্ত ও হেমাটোলজি টেস্ট: ✅ CBC (OPD): ৩০০ টাকা ✅ CBC (IPD): ২০...
-
#কোমর থেকে পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা: আসল কারণ কোথায়? স্নায়ুর লাইনে ব্যথা: Holistic approach কেন জরুরি- পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা কেন হয়?...
-
✅ কাজের বুয়ার কাহিনীঃ আমাদের বাসার কাজের বুয়া (৫৪) মাসে ১৭ হাজার টাকা আয় করেন। উনি আমাদের বাসায় সকাল ৯ টায় আসার আগে একটা মেসে রুটি বানা...